
(۵۴۷۶) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِالصَّلاَۃ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ نِصْفَ النَّہَارِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫৪৭৬ ) হজরত হাসান বলেন , জুমার দিনে দুপুরে নামাজ পড়তে কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۴۷۷) حَدَّثَنَا ہُشَیْمُ بْنُ بَشِیرٍ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّہُ قَالَ : النِّدَائُ الأَوَّلُ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ ؛ الَّذِی یَکُونُ عِنْدَ خُرُوجِ الإِمَامِ ، وَالَّذِی قَبْلَ ذَلِکَ مُحْدَثٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৫৪৭৭) হজরত হাসান বলেন , জুমার আযান হলো ইমামের বের হওয়ার সময় যা দেওয়া হয় , তার আগে যদি কোনো আযান দেওয়া হয় তবে তা বিদআত।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۴۷۸) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا شَیْخٌ مِنْ قُرَیْشٍ ، عَنْ نَافِعٍ ، قَالَ : سَمِعْتُہُ یُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، أَنَّہُ قَالَ : الأَذَانُ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ ؛ الَّذِی یَکُونُ عِنْدَ خُرُوجِ الإِمَامِ ، وَالَّذِی قَبْلَ ذَلِکَ مُحْدَثٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5478) হজরত ইবনে উমর (রা) বলেন , জুমার আযান হল ইমামের বের হওয়ার সময় যা দেওয়া হয় , তার আগে যদি কোনো আযান দেওয়া হয় তবে তা বিদআত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۴۷۹) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ، قَالَ: حدَّثَنَا ہِشَامُ بْنُ الْغَازِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: الأَذَانُ الأَوَّلُ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ بِدْعَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5479) হজরত ইবনে উমর বলেন , জুমার দিনে নামাজের প্রথম আযান বিদআত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۴۸۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ، عَنْ أَشْعَثَ، عَنِ الزُّہْرِیِّ، قَالَ: أَوَّلُ مَنْ أَحْدَثَ الأَذَانَ الأَوَّلَ عُثْمَانُ، لِیُؤْذِنَ أَہْلَ الأَسْوَاقِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5480) হজরত জাহরি বলেন , হজরত উসমান (রা.) জুমার দিনে সর্বপ্রথম নামাযের আযান শুরু করেন বাজারের লোকদের জানানোর জন্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۴۸۱) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنْ إِسْمَاعِیلَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّہُ حَدَّثَہُمْ : أَنَّ الأَذَانَ کَانَ عَلَی عَہْدِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إِذَا خَرَجَ ، فَإِذَا فَرَغَ مِنَ الْخُطْبَۃِ أُقِیمَتِ الصَّلاَۃ۔ (بخاری ۹۱۲)
থেকে বর্ণিতঃ
( 5481) হজরত হাসান বলেন , নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর যুগে যখন তোমরা শেষ হয়ে গিয়েছিলে তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমার সালাত আদায় করতেন খুতবা , একে ইকামাহ বলা হত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۴۸۲) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ بُرْدٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، قَالَ : کَانَ الأَذَانُ عِنْدَ خُرُوجِ الإِمَامِ ، فَأَحْدَثَ أَمِیرُ الْمُؤْمِنِینَ عُثْمَانُ التَّأْذِینَۃَ الثَّالِثَۃَ عَلَی الزَّوْرَائِ ، لِیَجْتَمِعَ النَّاسُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৫৪৮২) হযরত যাহরি বলেন , ইমাম যখন চলে গেলেন তখন জুমার আযান দেয়া হলো । অতঃপর হযরত উসমান আমীরুল মুমিনীন মিনারে নামাজের আযান শুরু করেন যাতে লোকজন জড়ো হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۴۸۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ہِشَامُ بْنُ الْغَازِ ، قَالَ : سَأَلْتُ نَافِعًا مَوْلَی ابْنِ عُمَرَ عَنِ الأَذَانِ الأَوَّلِ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ ؟ فَقَالَ : قَالَ ابْنُ عُمَرَ : بِدْعَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৫৪৮৩) হজরত হিশাম বিন গায বলেন , আমি নাফি মলি ইবনে উমরকে জুমার দিনে প্রথম আযানের কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন , হজরত ইবনে উমর বলেন , এটা ধর্মদ্রোহিতা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۴۸۴) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ أَبِی فَرْوَۃَ ، عَنْ أَبِی الأَحْوَص ، قَالَ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقْرَأُ فِی صَلاَۃِ الْغَدَاۃِ ، یَوْمَ الْجُمُعَۃِ : (الم تَنْزِیلُ) السَّجْدَۃِ ، وَسُورَۃً مِنَ الْمُفَصَّلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫৪৮৪ ) হজরত আবু আল - হুস ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) জুমার দিন ফজরের নামায থেকে একটি সূরা পাঠ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۴۸۵) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانَ یُسْتَحَبُّ أَنْ یُقْرَأَ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ بِسُورَۃٍ فِیہَا سَجْدَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫৪৮৫ ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , শুক্রবারের ফজরের নামাযে যে সূরায় সিজদা আছে সেই সূরা পাঠ করা বাঞ্ছনীয় মনে করা হতো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۴۸۶) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : مَا شَہِدْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ قَرَأَ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ إِلاَّ بـ : (الم تَنْزِیلُ) ، وَ(ہَلْ أَتَی عَلَی الإِنْسَانِ) ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৫৪৮৬) হজরত শাবি বলেন , আমি যখনই হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) - এর সঙ্গে ফজরের নামায পড়তাম , তিনি সূরা আল - তানযিল আল - সাজ্জাদ এবং সূরা আল - ধার পাঠ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۴۸۷) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ شَرِیکٍ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، قَالَ : مَا صَلَّیْتُ خَلْفَ ابْنِ عَبَّاسٍ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ الْغَدَاۃَ ، إِلاَّ قَرَأَ سُورَۃً فِیہَا سَجْدَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫৪৮৭ ) হজরত সাঈদ ইবনে জাবির বলেন , আমি যখনই হজরত ইবনে আব্বাস (রা . ) - এর সঙ্গে ফজরের নামায পড়তাম , তিনি আমার নামে এই সূরাটি পাঠ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۴۸۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ صَالِحٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِی صَفِیَّۃَ ، عَنْ عَلِیٍّ ؛ أَنَّہُ قَرَأَ فِی الْفَجْرِ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ بِسُورَۃِ الْحَشْرِ ، وَسُورَۃِ الْجُمُعَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5488) হযরত আলী শুক্রবার ফজরের নামাযে সূরা আল - হাশর এবং সূরা আল-জুমাহ পাঠ করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۴۸۹) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنِ أَبِی عَدِیٍّ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، قَالَ : کَانُوا یَقْرَؤُونَ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ بِسُورَۃٍ فِیہَا سَجْدَۃٌ ، فَسَأَلْتُ مُحَمَّدًا ، فَقَالَ : لاَ أَعْلَمُ بِہِ بَأْسًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫৪৮৯ ) হজরত ইবনে আউন বলেন , লোকেরা শুক্রবার ফজরের নামাজে ওই সূরাটি পাঠ করত , যাতে আমি হজরত মুহাম্মদ ( সা . ) - কে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন , এতে কোনো দোষ নেই
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۴۹۰) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مُخوَّلٍ ، عَنْ مُسْلِمٍ الْبَطِینِ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یَقْرَأُ فِی صَلاَۃِ الْفَجْرِ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ بِـ : (الم تَنْزِیلُ) ، وَ{ہَلْ أَتَی عَلَی الإِنْسَان حِینٌ مِنَ الدَّہْرِ}۔ (ترمذی ۵۲۰۔ ابوداؤد ۱۰۶۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(5490) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ ( সা . ) জুমার দিন ফজরের নামাজের সময় সূরা তানযিল ও সূরা আল - ধার তেলাওয়াত করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۴۹۱) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا زُہَیْرٌ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، قَالَ : أَمَّنَا إِبْرَاہِیمُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ وَنَحْنُ بِالْمَدِینَۃِ ، فَصَلَّیْتُ وَرَائَہُ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ صَلاَۃَ الْغَدَاۃِ ، فَقَرَأَ : (الم تَنْزِیلُ) وَ{ہَلْ أَتَی عَلَی الإِنْسَان}۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5491 ) হজরত আবু ইসহাক বলেন , হজরত ইব্রাহিম ইবনে আবদুল রহমান ইবনে আউফ আমাদেরকে মদীনায় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন । শুক্রবার ফজরের নামাজের সময় তিনি সূরা তানযিল ও সূরা ধর তেলাওয়াত করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۴۹۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاہِیمَ ، عَن عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ ہُرْمُزَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یَقْرَأُ فِی الْفَجْرِ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ بِـ : (الم تَنْزِیلُ) ، وَ{ہَلْ أَتَی عَلَی الإِنْسَان}۔ (بخاری ۱۰۶۸۔ مسلم ۶۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(5492) আবু হুরায়রা (রাঃ ) থেকে বর্ণিত আছে যে , রাসুলুল্লাহ ( সাঃ ) জুমার দিন ফজরের নামাযের সময় সূরা তানযিল এবং সূরা আল - ধার পাঠ করতেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۴۹۳) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلِ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ أَبِی حَمْزَۃَ الأَعْوَرِ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ؛ أَنَّہُ صَلَّی بِہِمْ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ الْفَجْر، فَقَرَأَ بِہِمْ بِـ : (کہیعص)۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫৪৯৩ ) হজরত আবু হামজা বলেন , হজরত ইব্রাহিম ( আ .) আমাদেরকে ফজরের নামাজ শিখিয়েছেন এবং সূরা খী আস পাঠ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۴۹۴) حَدَّثَنَا جَرِیرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِیدِ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ بْنِ مُحَمَّدِ بن الْمُنْتَشِرِ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ حَبِیبِ بْنِ سَالِمٍ ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِیرٍ ؛ أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یَقْرَأُ فِی الْعِیدَیْنِ وَالْجُمُعَۃِ بِـ : {سَبِّحِ اسْمَ رَبِّکَ الأَعْلَی} ، وَ{ہَلْ أَتَاکَ حَدِیثُ الْغَاشِیَۃِ} وَإِذَا اجْتَمَعَ الْعِیدَانِ فِی یَوْمٍ ، قَرَأَ بِہِمَا فِیہِمَا۔ (مسلم ۶۲۔ ابوداؤد ۱۱۱۵)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫৪৯৪ ) হজরত নুমান বিন বাশীর ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদ ও জুমার নামাজের সময় সূরা আল ও সূরা আল - গাশি পাঠ করতেন । ঈদ শুক্রবারে পড়লে আপনি উভয় নামাজে একই দুটি সূরা পাঠ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۴۹۵) حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِیلَ ، عَنْ جَعْفَرٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ أَبِی رَافِعٍ ، قَالَ : اسْتَخْلَفَ مَرْوَانُ أَبَا ہُرَیْرَۃَ عَلَی الْمَدِینَۃِ ، وَخَرَجَ إِلَی مَکَّۃَ ، فَصَلَّی بِنَا أَبُو ہُرَیْرَۃَ الْجُمُعَۃَ ، فَقَرَأَ بِسُورَۃِ الْجُمُعَۃِ فِی السَّجْدَۃِ الأُولَی ، وَفِی الآخِرَۃِ : {إِذَا جَائَکَ الْمُنَافِقُونَ} ۔ فَقَالَ عُبَیْدُ اللہِ : فَأَدْرَکْتُ أَبَا ہُرَیْرَۃَ حِینَ انْصَرَفَ ، فَقُلْتُ لَہُ : إِنَّک قَرَأْتَ بِسُورَتَیْنِ کَانَ عَلِیٌّ یَقْرَأُ بِہِمَا بِالْکُوفَۃِ ، فَقَالَ أَبُو ہُرَیْرَۃَ : إِنِّی سَمِعْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقْرَأُ بِہِمَا۔ (مسلم ۶۱۔ ابوداؤد ۱۱۱۷)
থেকে বর্ণিতঃ
( 5495 ) হজরত উবায়দুল্লাহ ইবনে আবি রাফি বলেন , মারওয়ান হজরত আবু হারিরাহকে মদীনায় তার ডেপুটি বানিয়ে নিজে মক্কায় যান । হযরত আবু হুরায়রা যখন জুমার নামাযে আমাদের ইমামতি করতেন , তখন তিনি প্রথম রাকাতে সূরা আল জুমা এবং দ্বিতীয় রাকাতে সূরা মানাফিক পাঠ করতেন । উবায়দ আল্লাহ বলেন , নামাজের পর আমি হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) - এর সাথে সাক্ষাত করলাম এবং তাকে বললাম যে, তিনি এই দুটি সূরা পাঠ করেছেন যা আমি অধ্যয়ন করতাম । হজরত আবু হুরায়রা ( রা .) বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সা . )- কে একই সূরা তিলাওয়াত করতে শুনেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۴۹۶) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مُخَوَّلٍ ، عَنْ مُسْلِمٍ الْبَطِینِ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یَقْرَأُ فِی الْجُمُعَۃِ بِسُورَۃِ الْجُمُعَۃِ ، وَ{إِذَا جَائَکَ الْمُنَافِقُونَ}۔ (ابوداؤد ۱۰۶۸۔ نسائی ۱۷۳۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(5496) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) জুমার নামাযে সূরা আল - জুমা ও সূরা মানাফিক পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۴۹۷) حَدَّثَنَا یَعْلَی ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ مَعْبَدِ بْنِ خَالِدٍ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ عُقْبَۃَ ، عَنْ سَمُرَۃََ ، قَالَ : کَانَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقْرَأُ فِی الْجُمُعَۃِ بِـ : {سَبِّحِ اسْمَ رَبِّکَ الأَعْلَی} ، وَ{ہَلْ أَتَاکَ حَدِیثُ الْغَاشِیَۃِ}۔ (ابوداؤد ۱۱۸۔ نسائی ۱۷۳۹)
থেকে বর্ণিতঃ
( 5497 ) হযরত সামরা ( রাঃ ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাঃ ) জুমার নামাযে সূরা আল ও সূরা আল - গাশি পাঠ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۴۹۸) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ أُنَاسٍ مِنْ أَہْلِ الْمَدِینَۃِ ، أُرَی فِیہِمْ أَبَا جَعْفَرٍ ، قَالَ : کَانَ یُقْرَأُ فِی الْجُمُعَۃِ بِسُورَۃِ الْجُمُعَۃِ وَالْمُنَافِقِینَ ، فَأَمَّا سُورَۃُ الْجُمُعَۃِ فَیُبَشِّرُ بِہَا الْمُؤْمِنِینَ وَیُحَرِّضُہُمْ ، وَأَمَّا سُورَۃُ الْمُنَافِقِینَ فَیُؤَیِّسُ بِہَا الْمُنَافِقِینَ وَیُوَبِّخُہُمْ بِہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫৪৯৮ ) হযরত আবু জাফর সহ হজরত হুকম মদীনার কিছু লোক থেকে বর্ণিত হয়েছে যে , শুক্রবারে সূরা আল - জামা এবং সূরা মানাফিক পাঠ করা হতো সূরা আল - জুমাতে , মুমিনদেরকে সুসংবাদ দেওয়া হয়েছিল এবং উত্সাহিত করা হয়েছিল এবং সূরা আল - মুনাফিক - এ , মুনাফিকদেরকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল এবং নিরুৎসাহিত করা হয়েছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۴۹۹) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، وَوَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ عُمَیْرِ بْنِ سَعِیدٍ ، قَالَ : صَلَّیْتُ خَلْفَ أَبِی مُوسَی الْجُمُعَۃَ فَقَرَأَ بِـ : {سَبِّحِ اسْمَ رَبِّکَ الأَعْلَی} ، وَ{ہَلْ أَتَاک حَدِیثُ الْغَاشِیَۃِ} ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৫৪৯৯) হজরত উমাইর বিন সাদ বলেন , আমি জুমার নামাজ হজরত আবু মুসা ( রা . ) - এর পেছনে পড়েছিলাম , তিনি সূরা আল - জুমা এবং সূরা মানাফিক পাঠ করেছিলেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۵۰۰) حَدَّثَنَا إِسْمَاعِیلُ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلاَنَ ، قَالَ : صَلَّیْتُ خَلْفَ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِیزِ ، وَأَبِی بَکْرِ بْنِ عَمْرٍو الْجُمُعَۃَ ، فَقَرَآ فِی الرَّکْعَۃِ الأُولَی بِسُورَۃِ الْجُمُعَۃِ ، وَفِی الرَّکْعَۃِ الثَّانِیَۃِ بِـ : {سَبِّحِ اسْمَ رَبِّکَ الأَعْلَی}۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৫৫০০) হজরত মুহাম্মদ ইবনে আজলান বলেন , আমি জুমার নামাজ হজরত উমর ইবনে আবদুল আজিজ ও হজরত আবু বকর ইবনে আমর (রা.) - এর পরে পড়েছিলাম । তারা উভয়েই প্রথম রাকাতে সূরা আল -জামা এবং দ্বিতীয় রাকাতে সূরা আল - আল পাঠ করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৫০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۵۰۱) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ فِی الْقِرَائَۃِ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ ، قَالَ : یَقْرَأُ الإِمَامُ بِمَا شَائَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5501) হযরত হাসান জুমার নামাযের তিলাওয়াত সম্পর্কে বলেন , ইমাম যেখান থেকে ইচ্ছা পাঠ করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৫০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۵۰۲) حَدَّثَنَا ہُشَیْمُ بْنُ بَشِیرٍ ، وَعَبْدُ اللہِ بْنُ إِدْرِیسَ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، عَنْ عَوْفِ بْنِ حَصِیرَۃ ؛ فِی السَّاعَۃِ الَّتِی تُرْجَی فِی الْجُمُعَۃِ : مَا بَیْنَ خُرُوجِ الإِمَامِ إِلَی أَنْ تُقْضَی الصَّلاَۃُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5502) হযরত আউফ বিন হুসী বলেন , জুমার দিনে কবুল হওয়ার সময় হল ইমামের বের হওয়ার সময় থেকে সালাত পড়া পর্যন্ত।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৫০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۵۰۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا حَجَّاجٌ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ سَلاَمٍ ، قَالَ : مَا بَیْنَ الْعَصْرِ إِلَی أَنْ تَغْرُبَ الشَّمْسُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5503) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে সালাম বলেন, শুক্রবারের গ্রহণযোগ্য সময় হলো আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৫০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۵۰۴) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ ہَاشِمٍ ، عَنِ ابْن أَبِی لَیْلَی ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، وَأَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالاَ : السَّاعَۃُ الَّتِی تُذْکَرُ فِی الْجُمُعَۃِ : مَا بَیْنَ الْعَصْرِ إِلَی أَنْ تَغْرُبَ الشَّمْسُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5504 ) হজরত ইবনে আব্বাস ও হজরত আবু হারি বলেন , শুক্রবারে কবুল হওয়ার সময় হলো আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৫০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۵۰۵) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، مِثْلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫৫০৫ ) হজরত আবু হারি (রা.) থেকে বর্ণিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৫০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস