(৪) ( ৮৯৫৮ ) আল হাসান বিন সালেহ , আশআতের সূত্রে , উসমান বিন আবি আল আস এর সূত্রে , তিনি বলেন: ْإُ السُّفْرَةَ فِي اَ يَّ عم غَيْ رِ حَيْ إِتِها , قَالِ : আপনি যদি বেড়েছে হে আল্লাহর মা [হাদিসের সীমা (৫০২৬-৮৯৫৮), সর্বমোট হাদিসঃ ৩৯৩৩টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৩৫৪৩টি]



5416 OK

(৫৪১৬)

সহিহ হাদিস

(۵۴۱۶) حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِیسَ ، عَنْ سُہَیْلٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: مَنْ کَانَ مِنْکُمْ مُصَلِّیًا بَعْدَ الْجُمُعَۃِ ، فَلْیُصَلِّ أَرْبَعًا۔ (ترمذی ۵۲۳۔ ابوداؤد ۱۱۲۴)


থেকে বর্ণিতঃ

( 5416) হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , যে ব্যক্তি জুমার পর সালাত আদায় করবে সে যেন চার রাকাত নামায পড়ে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪১৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5417 OK

(৫৪১৭)

সহিহ হাদিস

(۵۴۱۷) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ عَبْدِاللہِ بْنِ حَبِیبٍ، قَالَ: کَانَ عَبْدُاللہِ یُصَلِّی بَعْدَ الْجُمُعَۃِ أَرْبَعًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(5417) হযরত আবদুল্লাহ জুমার পর চার রাকাত পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪১৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5418 OK

(৫৪১৮)

সহিহ হাদিস

(۵۴۱۸) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ خُصَیْفٍ ، عَنْ أَبِی عُبَیْدَۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یُصَلِّی بَعْدَ الْجُمُعَۃِ أَرْبَعًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(5418) হযরত আবদুল্লাহ জুমার পর চার রাকাত পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪১৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5419 OK

(৫৪১৯)

সহিহ হাদিস

(۵۴۱۹) حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِیَۃَ، عَنِ الْعَلاَئِ بْنِ الْمُسَیَّبِ، عَنْ أَبِیہِ، قَالَ: کَانَ عَبْدُاللہِ یُصَلِّی بَعْدَ الْجُمُعَۃِ أَرْبَعًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(5419) হযরত আবদুল্লাহ জুমার পর চার রাকাত নামাজ পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪১৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5420 OK

(৫৪২০)

সহিহ হাদিস

(۵۴۲۰) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ، عَن عَلْقَمَۃَ؛ أَنَّہُ کَانَ یُصَلِّی أَرْبَعًا بَعْدَ الْجُمُعَۃِ، لاَ یَفْصِلُ بَیْنَہُنَّ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(5420) হযরত আল - কামাহ জুমার পর চার রাকাত সালাত আদায় করতেন এবং এই চারটি সময় রোজা রাখতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪২০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5421 OK

(৫৪২১)

সহিহ হাদিস

(۵۴۲۱) حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ أَبِی حُصَینٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ الأَسْوَدَ بْنَ یَزِیدَ صَلَّی بَعْدَ الْجُمُعَۃِ أَرْبَعًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৫৪২১ ) হজরত আবু হুসাইন বলেন , আমি হজরত আসওয়াদ বিন যায়েদকে জুমার পর চার রাকাত পড়তে বাধ্য করি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪২১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5422 OK

(৫৪২২)

সহিহ হাদিস

(۵۴۲۲) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانُوا یُصَلُّونَ بَعْدَہَا أَرْبَعًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৫৪২২) হজরত ইব্রাহিম বলেন , বাপ -দাদারা জুমার পর চার রাকাত নামাজ পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪২২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5423 OK

(৫৪২৩)

সহিহ হাদিস

(۵۴۲۳) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ عِمْرَانَ ، عَنْ أَبِی مِجْلَزٍ ، قَالَ : إِذَا سَلَّمَ الإِمَامُ صَلَّی رَکْعَتَیْنِ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ ، وَإِذَا رَجَعَ صَلَّی رَکْعَتَیْنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(5423) হজরত আবু মাজালজ বলেন, জুমার দিনে ইমাম যখন সালামের জন্য ঘুরতে যায় তখন তাকে দুই রাকাত পড়তে হবে এবং ফিরে গেলে দুই রাকাত পড়তে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪২৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5424 OK

(৫৪২৪)

সহিহ হাদিস

(۵۴۲۴) حَدَّثَنَا جَرِیرُ بن عَبْدِ الْحَمِیدِ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، قَالَ : کَانَ یُسْتَحَبُّ فِی الأَرْبَعِ الَّتِی بَعْدَ الْجُمُعَۃِ أَنْ لاَ یُسَلَّمَ بَیْنَہُنَّ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 5424 ) হজরত হামদ বলেন , জুমার পর চার রাকাতের মধ্যে কোনো ব্যক্তিকে এই সালাম না পড়া বাঞ্ছনীয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪২৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5425 OK

(৫৪২৫)

সহিহ হাদিস

(۵۴۲۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ أَبِی بَکْرِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عُتْبَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللہِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یُصَلِّی بَعْدَ الْجُمُعَۃِ أَرْبَعًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(5425) হযরত আবদুল্লাহ জুমার পর চার রাকাত পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪২৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5426 OK

(৫৪২৬)

সহিহ হাদিস

(۵۴۲۶) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ کُلْثُومِ بْنِ جَبْرٍ ، قَالَ : قَالَ لِی مُسْلِمُ بْنُ یَسَارٍ : إِِذَا عَلِمْتَ أَنَّ النَّہَارَ قَدِ انْتَصَفَ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ فَلاَ تَبْتَاعَنَّ شَیْئًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(5426) হজরত কুলতুম ইবনে জাবর বলেন , হজরত মুসলিম ইবনে ইয়াসার ( রা .) আমাকে বলেছেন , শুক্রবারের দিন যখন দেখবেন দিন অর্ধেক হয়ে গেছে , তখন কিছু বিক্রি করবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪২৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5427 OK

(৫৪২৭)

সহিহ হাদিস

(۵۴۲۷) حَدَّثَنَا مَعْنُ بْنُ عِیسَی ، عَنِ ابْنِ أَبِی ذِئْبٍ ؛ أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِیزِ کَانَ یَمْنَعُ النَّاسَ الْبَیْعَ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ إِذَا نُودِیَ بِالصَّلاَۃ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(5427) হজরত ইবনে আবি যায়ব বলেন , হজরত উমর ইবনে আবদুল আজিজ জুমার আযানের পর লোকদের ক্রয় -বিক্রয় করতে নিষেধ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪২৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5428 OK

(৫৪২৮)

সহিহ হাদিস

(۵۴۲۸) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا جُوَیْبِرٌ ، عَنِ الضَّحَّاکِ ، قَالَ : إِذَا زَالَتِ الشَّمْسُ مِنْ یَوْمِ الْجُمُعَۃِ ، فَقَدْ حَرُمَ الْبَیْعُ وَالشِّرَائُ ، حَتَّی تُقْضَی الصَّلاَۃ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(5428) হযরত দাহহাক বলেন, জুমার দিন যখন সূর্য অস্ত যায় তখন নামায না পড়া পর্যন্ত ক্রয় - বিক্রয় নিষিদ্ধ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪২৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5429 OK

(৫৪২৯)

সহিহ হাদিস

(۵۴۲۹) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ عَطَائٍ (ح) وَعَنْ بَعْضِ أَصْحَابِہِ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہُمَا قَالاَ ذَلِکَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(5429) হযরত আতা ও হযরত হাসান রা তিনি বলেন না .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪২৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5430 OK

(৫৪৩০)

সহিহ হাদিস

(۵۴۳۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا أَبُو الْمِقْدَامِ مَوْلَی لِقُرَیْشٍ ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ ؛ أَنَّہُ اشْتَرَی مِنْ رَجُلٍ شَیْئًا یَوْمَ الْجُمُعَۃِ ، فَلَقِیَہُ بَعْدَ ذَلِکَ ، فَقَالَ : تَارِکْنِی الْبَیْعَ ، فَإِنِّی أَحْسَبُنِی اشْتَرَیْتُ مِنْکَ مَا اشْتَرَیْتُ بَعْدَ زَوَالِ الشَّمْسِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৫৪৩০ ) হজরত আবু মুকাদাম মাওলা কুরাইশ বলেন , একবার হজরত কাসিম বিন মুহাম্মদ শুক্রবার এক ব্যক্তির কাছ থেকে কিছু ক্রয় করলেন । তারপর পরে আমি তার সাথে দেখা করি এবং তাকে আমার বিয়ে শেষ করতে বলেছিলাম কারণ শামসের পতনের পরে আমি অজান্তেই সেই জিনিসটি কিনেছিলাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৩০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5431 OK

(৫৪৩১)

সহিহ হাদিস

(۵۴۳۱) حَدَّثَنَا سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ، عَنْ عَبْدِ الْکَرِیمِ، عَنْ مُجَاہِدٍ، أَوْ غَیْرِہِ، قَالَ: مَنْ بَاعَ شَیْئًا بَعْدَ زَوَالِ الشَّمْسِ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ ، فَإِنَّ بَیْعَہُ مَرْدُودٌ ، لأَنَّ اللَّہَ نَہَی عَنِ الْبَیْعِ إِذَا نُودِیَ لِلصَّلاَۃِ مِنْ یَوْمِ الْجُمُعَۃِ ۔ شَکَّ سُفْیَانُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৫৪৩১) হযরত মুজাহিদ বলেন , যে ব্যক্তি জুমার দিন সূর্যাস্তের পর ব্যভিচার করে , তার ব্যভিচার বাতিল হয়ে যায় । কারণ আল্লাহ তায়ালা জুমার আযানের পর শপথ করতে নিষেধ করেছেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৩১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5432 OK

(৫৪৩২)

সহিহ হাদিস

(۵۴۳۲) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ بُرْدٍ ، قَالَ : قُلْتُ لِلزُّہْرِیِّ : مَتَی یَحْرُمُ الْبَیْعُ وَالشِّرَائُ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ ؟ فَقَالَ : کَانَ الأَذَانُ عِنْدَ خُرُوجِ الإِمَامِ ، فَأَحْدَثَ أَمِیرُ الْمُؤْمِنِینَ عُثْمَانُ التَّأْذِینَۃَ الثَّالِثَۃَ ، فَأَذَّنَ عَلَی الزَّوْرَائِ لِیَجْتَمِعَ النَّاسُ ، فَأَرَی أَنْ یُتْرَکَ الْبَیْعُ وَالشِّرَائُ عِنْدَ التَّأْذِینَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৫৪৩২ ) হজরত বারদ বলেন , আমি হজরত জাহরি (রা.) - কে জিজ্ঞেস করলাম , জুমার দিনে কেনা - বেচা কখন হারাম ? তিনি বলেন , ইমামের বিদায়ের সময় নামাজের প্রথম আযান দেওয়া হয় । এরপর হজরত উসমান তৃতীয় আযান যোগ করেন , এরপর জনগণকে জড়ো করার জন্য মিনারে আজান বাজানো হয় । মেরে খেয়ালের মতে , এই সময়ে ক্রয় - বিক্রয় পরিত্যাগ করা উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৩২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5433 OK

(৫৪৩৩)

সহিহ হাদিস

(۵۴۳۳) حَدَّثَنَا کَثِیرُ بْنُ ہِشَامٍ ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ بُرْقَانَ ، عَنْ مَیْمُونٍ ، قَالَ : کَانَ بِالْمَدِینَۃِ إِذَا أَذَّنَ الْمُؤَذِّنُ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ یُنَادُونَ فِی الأَسْوَاقِ : حَرُمَ الْبَیْعُ ، حَرُمَ الْبَیْعُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৫৪৩৩ ) হজরত মায়মুন বলেন , মদীনাবাসীর রীতি ছিল যে , মুয়াজ্জিন যখন জুমার দিনে নামাযের আযান দিতেন তখন লোকেরা বাজারে ঘোষণা দিত যে , ব্যভিচার হারাম হয়ে গেছে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৩৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5434 OK

(৫৪৩৪)

সহিহ হাদিস

(۵۴۳۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ قَیْسٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ؛ فِی السَّاعَۃِ الَّتِی تُرْجَی فِی الْجُمُعَۃِ ، قَالَ : فِیمَا بَیْنَ أَنْ یَحْرُمَ الْبَیْعُ إِلَی أَنْ یَحِلَّ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 5434) হযরত শাবী শুক্রবারের কিয়ামত গ্রহণ সম্পর্কে বলেন যে , এটি বিয়ার হারাম হওয়া ও হালাল হওয়ার মধ্যবর্তী সময় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৩৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5435 OK

(৫৪৩৫)

সহিহ হাদিস

(۵۴۳۵) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا ہِشَامٌ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ ثَابِتٍ ؛ أَنَّہُ رَاحَ إِلَی الْجُمُعَۃِ ، فَإِذَا النَّاسُ قَدِ اسْتَقْبَلُوہُ وَقَدْ صَلَّوْا ، قَالَ : فَمَالَ إِلَی مَسْجِدٍ ، أَوْ إِلَی دَارٍ فَصَلَّی ، قَالَ : فَقِیلَ لَہُ فِی ذَلِکَ ؟ فَقَالَ : إِنَّہُ مَنْ لاَ یَسْتَحْیِی مِنَ النَّاسِ ، لاَ یَسْتَحْیِی مِنَ اللہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 5435) হজরত ইবনে সিরীন বলেন , হজরত যায়েদ ইবনে সাবিত একবার জুমার জন্য গেলেন , কিন্তু তিনি সামনে দেখলেন যে লোকেরা ফিরে আসছে , তাহলে তারা কার কাছ থেকে মসজিদ বা বাড়ির দিকে গেল ? হযরত যায়েদ ( রাঃ ) কেউ এতে আপত্তি করলে তিনি বলেন , যে মানুষের আনুগত্য করে না সে আল্লাহর আনুগত্য করে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৩৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5436 OK

(৫৪৩৬)

সহিহ হাদিস

(۵۴۳۶) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، وَحَجَّاجِ بْنِ أَبِی عُثْمَانَ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ : إِذَا اسْتَقْبَلَکَ النَّاسُ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ وَقَدْ صَلَّوْا ، فَامْضِ إِلَی الْمَسْجِدِ ، فَإِنْ عَلِمْتَ مَا قَرَأَ بِہِ الإِمَامُ ، فَاقْرَأْ بِہِ وَصَلِّ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 5436) হজরত ইবনে সীরীন বলতেন , জুমআর নামায পড়ে ফিরে যাওয়ার সময় লোকেরা যখন আপনার সাথে দেখা করে , তখনও আপনি মসজিদের দিকে যান । অতঃপর ইমাম কোন সূরা তিলাওয়াত করেছেন তা যদি আপনারা সকলেই জানেন তবে সেই সূরাগুলোও পাঠ করা উচিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5437 OK

(৫৪৩৭)

সহিহ হাদিস

(۵۴۳۷) حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِیسَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ؛ أَنَّ زَیْدَ بْنِ ثَابِتٍ لَقِیَ النَّاسَ رَاجِعِینَ مِنَ الْجُمُعَۃِ ، فَمَالَ إِلَی دَارٍ ، فَقِیلَ لَہُ ؟ فَقَالَ : مَنْ لاَ یَسْتَحْیِی مِنَ النَّاسِ ، لاَ یَسْتَحْیِی مِنَ اللہِ ۔ قَالَ : وَقَالَ الْحَسَنُ ، وَابْنُ سِیرِینَ : یَمْضِی۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৫৪৩৭) হজরত ইবনে সিরীন বলেন , হজরত যায়েদ ইবনে সাবিত একবার জুমার জন্য গেলেন , কিন্তু তিনি সামনে দেখলেন যে , লোকেরা ফিরে আসছে , তারপর তারা কার কাছে গেল ? হযরত যায়েদ ( রাঃ ) কেউ এতে আপত্তি জানালে তিনি বলেন , যে মানুষের আনুগত্য করে না সে আল্লাহর আনুগত্য করে না । হজরত হাসান ও হজরত ইবনে সীরীন বলেন , নামাজের জন্য হাঁটতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5438 OK

(৫৪৩৮)

সহিহ হাদিস

(۵۴۳۸) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ مُوسَی بْنِ مُسْلِمٍ ، قَالَ : شَہِدْتُ إِبْرَاہِیمَ التَّیْمِیَّ ، وَإِبْرَاہِیمَ النَّخَعِیّ ، وَزِرًّا ، وَسَلَمَۃَ بْنَ کُہَیْلٍ ، فَذَکَّرَ زِرٌّ ، وَالتَّیْمِیُّ فِی یَوْمِ جُمُعَۃٍ ، ثُمَّ صَلَّوُا الْجُمُعَۃَ أَرْبَعًا فِی مَکَانِہِمْ ، وَکَانُوا خَائِفِینَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(5438) হজরত মূসা ইবনে মুসলিম বলেন , আমি শুক্রবারে হজরত ইব্রাহিম মুতামি , হজরত ইব্রাহিম মু নাখাই , হজরত জার এবং হজরত সালামা ইবনে কাহিলা (রা.) এর সঙ্গে ছিলাম । হযরত জার ও হযরত তাইমী জুমার দিনের কথা উল্লেখ করেছেন , তাই তারা ঐ স্থানে জুমার চার রাকাত পড়েন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5439 OK

(৫৪৩৯)

সহিহ হাদিস

(۵۴۳۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَفْلَحَ ، قَالَ : أَذَّنَ مُؤَذِّنٌ وَنَحْنُ بِالرَّوْحَائِ فِی یَوْمِ جُمُعَۃٍ ، فَجِئْنَا وَقَدْ صَلَّوْا ، فَصَلَّی الْقَاسِمُ وَلَمْ یُجَمِّعْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(5439) হজরত আফলাহ বলেন, মুয়াজ্জিন যখন নামাযের আযান দিলেন তখন আমরা রূহের স্থানে ছিলাম । আমরা যখন পৌঁছলাম তখন লোকেরা নামাজ পড়েছিল। হযরত কাসিম তাঁর নামায পড়তেন এবং শুক্রবারে নামায পড়েননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5440 OK

(৫৪৪০)

সহিহ হাদিস

(۵۴۴۰) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ فِی قَوْمٍ فَاتَتْہُمُ الْجُمُعَۃُ ، قَالَ : یُصَلُّونَ شَتَّی۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৫৪৪০ ) যাদের জুমার নামাজ ছুটে যায় তাদের সম্পর্কে হযরত হাসান বলেন , তারা বারবার নামাজ পড়বে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5441 OK

(৫৪৪১)

সহিহ হাদিস

(۵۴۴۱) حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلاَمِ بْنُ حَرْبٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ الْوَلِیدِ، قَالَ: قَالَ عَلِیٌّ: لاَ جَمَاعَۃَ یَوْمَ جُمُعَۃٍ إِلاَّ مَعَ الإِمَامِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 5441 ) হযরত আলী বলেন , জুমার নামাজের জামাত ইমামের সাথে হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5442 OK

(৫৪৪২)

সহিহ হাদিস

(۵۴۴۲) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ الْحُبَابِ ، قَالَ : حدَّثَنَا جَمِیلُ بْنُ عُبَیْدٍ الطَّائِیُّ ، قَالَ : رَأَیْتُ إِیَاسَ بْنَ مُعَاوِیَۃَ ، وَہُوَ یَوْمئِذٍ قَاضِی الْبَصْرَۃِ ، جَائَ إِلَی الْجُمُعَۃِ وَفَاتَتْہُ ، فَتَقَدَّمَ فَصَلَّی بِنَا الظُّہْرَ أَرْبَعَ رَکَعَاتٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(5442) হজরত জামিল ইবনে উবাইদ বলেন , হজরত ইস ইবনে মুয়াবিয়া যখন বসরার বিচারক ছিলেন , তিনি জুমার জন্য এসেছিলেন এবং তিনি বললেন যে সালাত ইতিমধ্যে হয়ে গেছে । তিনি আমাদেরকে যোহরের চার রাকাত পড়াতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5443 OK

(৫৪৪৩)

সহিহ হাদিস

(۵۴۴۳) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ ، قَالَ : أَتَیْتُ الْمَسْجِدَ أَنَا وَزِرٌّ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ ، فَوَجَدْنَاہُمْ قَدْ صَلَّوْا ، فَصَلَّیْنَا جَمِیعًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৫৪৪৩) হজরত হাসান ইবনে উবায়দ আল্লাহ বলেন , আমি ও হযরত জার শুক্রবার মসজিদে এলাম এবং দেখলাম যে , লোকেরা আগেই জুমার নামায পড়ে ফেলেছে । তাই আমরা একসাথে নামাজ পড়লাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৪৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5444 OK

(৫৪৪৪)

সহিহ হাদিস

(۵۴۴۴) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ مُخْتَارٍ أَبِی غَسَّانَ، عَنْ أَبِی ظَبْیَانَ الْجَنْبِیِّ، قَالَ: قَالَ عَلِیٌّ: تُؤْتَی الْجُمُعَۃُ وَلَوْ حَبْوًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(5444) হযরত আলী বলেন , হাঁটু গেড়ে হাঁটলেও জুমার জন্য আসতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5445 OK

(৫৪৪৫)

সহিহ হাদিস

(۵۴۴۵) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ الْحُرِّ ، عَنْ مَیْمُونِ بْنِ أَبِی شَبِیبٍ ، قَالَ : أَرَدْتُ الْجُمُعَۃَ فِی زَمَنِ الْحَجَّاجِ ، فَتَہَیَّأْتُ لِلذَّہَابِ ، ثُمَّ قُلْتُ : أَیْنَ أَذْہَبُ ، أُصَلِّی خَلْفَ ہَذَا ؟ قَالَ : فَقُلْتُ مَرَّۃً : أَذْہَبُ ، وَمَرَّۃً: لاَ أَذْہَبُ ، قَالَ : فَاجْتَمَعَ رَأْیِی عَلَی الذَّہَابِ ، قَالَ : فَنَادَانِی مُنَادٍ مِنْ جَانِبِ الْبَیْتِ : { یَا أَیُّہَا الَّذِینَ آمَنُوا إِِذَا نُودِیَ لِلصَّلاَۃِ مِنْ یَوْمِ الْجُمُعَۃِ ، فَاسْعَوْا إِلَی ذِکْرِ اللہِ وَذَرُوا الْبَیْعَ } ۔ قَالَ : وَجَلَسْتُ مَرَّۃً أَکْتُبُ کِتَابًا ، فَعَرَضَ لِی شَیْئٌ ، إِنْ أَنَا کَتَبْتُہُ فِی کِتَابِی زَیَّنَ کِتَابِی ، وَکُنْتُ قَدْ کَذَبْتُ ، وَإِنْ أَنَا تَرَکْتُہُ کَانَ فِی کِتَابِی بَعْضُ الْقُبْحِ ، وَکُنْتُ قَدْ صَدَقْتُ ، فَقُلْتُ مَرَّۃً : أَکْتُبُہُ ، وَقُلْتُ مَرَّۃً : لاَ أَکْتُبُہُ ، قَالَ : فَاجْتَمَعَ رَأْیِی عَلَی تَرْکِہِ ، فَتَرَکْتُہُ ، قَالَ : فَنَادَانِی مُنَادٍ مِنْ جَانِبِ الْبَیْتِ : { یُثَبِّتُ اللَّہُ الَّذِینَ آمَنُوا بِالْقَوْلِ الثَّابِتِ فِی الْحَیَاۃِ الدُّنْیَا وَفِی الآخِرَۃِ } ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৫৪৪৫ ) হজরত মায়মুন বিন আবি শাবিব বলেন , হাজ্জাজ বিন ওয়াসিফের সময় আমি শুক্রবার যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলাম এবং প্রস্তুতি নিলাম । তখন আমি মনে মনে ভাবলাম তার পিছনে নামাজ পড়ব ?তারপর মাঝে মাঝে ভাবতাম যাবো আবার কখনো যাব না । তাই আমার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছিল যে আমি প্রার্থনা করতে যাচ্ছি . এতটুকু যে আমি আল্লাহর ঘর থেকে আহবানকারী নই এ আওয়াজ এলো ( অনুবাদ) হে ঈমানদারগণ ! যখন তোমরা জুমার দিনে নামাযের আযান শুনবে, তখন আল্লাহর স্মরণের দিকে দ্রুত হাঁটবে এবং ক্রয় -বিক্রয় ত্যাগ করবে । ঠিক তেমনি আমি যখন চিঠি লিখতে বসলাম তখন একটা কথা মাথায় এলো , যা সত্যের পরিপন্থী ।তাই, কখনও কখনও মিথ্যা লিখে চিঠিটি অলঙ্কৃত করার কথা মনে হয়েছে এবং কখনও কখনও এটি ছেড়ে দিয়ে সত্য সম্বলিত চিঠিটি রাখার বিষয়টি আমার কাছে এসেছে । যাইহোক , মেরি রায় এটি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন . এ নিয়ে আমাকে কেউ বাইত আল্লাহর পক্ষ থেকে ডাকলেন এই আহ্বান শোনা গেল ( অনুবাদ ) মহান আল্লাহ ঈমানদারদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতে দৃঢ় বাণীর মাধ্যমে অবিচল রাখেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস