
(۸۷۱۶) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ طَلْحَۃَ ، عَنْ زُبَیْدٍ ، عَنْ مُرَّۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : ہِیَ الْعَصْرُ۔ (مسلم ۲۰۶۔ احمد ۱/۳۹۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৭১৬) হজরত আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , এর অর্থ হল আসরের সালাত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۱۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ قُرَّۃَ ، قَالَ : حدَّثَنَا أَبُو رَجَائٍ ، قَالَ : صَلَّیْتُ مَعَ ابْنِ عَبَّاسٍ الصُّبْحَ فِی مَسْجِدِ الْبَصْرَۃِ ، فَقَالَ : ہَذِہِ الصَّلاَۃ الْوُسْطَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৭১৭) হজরত আবু রাজা বলেন , আমি হজরত ইবনে আব্বাসের সঙ্গে বসরার মসজিদে ফজরের নামায পড়লাম । তিনি বলেন , এটা তাদের নামাজের সময়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۱۸) حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِیزِ بْنُ مُحَمَّدٍ الدَّرَاوَرْدِیُّ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ أَسْلَمَ ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنُ عُمَرَ یَقُولُ : الْوُسْطَی صَلاَۃُ الصُّبْحِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৭১৮) হজরত ইবনে উমর (রা. ) বলেন , এ নামাজ হলো সকালের নামাজ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۱۹) سَمِعْتُ وَکِیعًا یَقُولُ : قَالَ سُفْیَانُ فِی رَجُلٍ زَالَتِ الشَّمْسُ وَہُوَ فِی الْحَضَرِ ، ثُمَّ خَرَجَ إلَی السَّفَرِ کَیْفَ یُصَلِّی ، قَالَ : إِنْ کَانَ فِی وَقْتِ الظُّہْرِ صَلَّی رَکْعَتَیْنِ۔ وَقَالَ حَسَنُ بْنُ صَالِحٍ : إذَا زَالَتَ لہ الشَّمْسُ ہَاہُنَا صَلَّی فِی السَّفَرِ أَرْبَعًا۔ قَالَ : وَقَالَ سُفْیَانُ فِی مُسَافِرٍ دَخَلَ مَعَ مُقِیمٍ فَصَلَّی مَعَہُ رَکْعَۃً ، ثُمَّ رَأَی شَیْئًا فَتَکَلَّمَ فَصَلَّی الإِمَام فَقَالَ : یُعِیدُ الْمُسَافِرُ رَکْعَتَیْنِ ، ثُمَّ یَرْجِعُ إلَی الأَصْلِ الَّذِی کَانَ عَلَیْہِ۔ وَقَالَ الْحَسَنُ بْنُ صَالِحٍ : یُصَلِّی أَرْبَعًا لأَنَّہُ قَدْ أَوْجَبَہَا عَلَی نَفْسِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৭১৯) হযরত সূফীকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, সূর্যাস্তের সময় যদি একজন ব্যক্তি উপস্থিত থাকে এবং তারপর সফরে রওয়ানা হয় , তাহলে সে কার সাথে সালাত আদায় করবে ? তিনি বলেন , জোহরের সময় মীন পড়লে দুই রাকাত পড়বে । হজরত হাসান বিন সালেহ বলেন , সূর্য অস্ত গেলে তিনি সফরে চার রাকাত নামাজ পড়বেন । হজরত সূফী এমন একজন মুসাফির সম্পর্কে বলেছেন যে একজন বাসিন্দার সাথে নামাজে প্রবেশ করে এবং তার সাথে এক রাকাত নামাজ পড়ে , তারপর কিছু বলে এবং কথা বলে , তখন সে নামাজের ইমাম হয় , এই বলে যে মুসাফির দুই রাকাত পড়বে এবং তারপর মূল অবস্থানে ফিরে যান । হযরত হাসান বলেন যে তিনি চার রাকাত নামাজ পড়বেন কারণ তিনি নিজের উপর চার রাকাত চাপিয়েছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۲۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : سَمِعْتُ سُفْیَانَ یَقُولُ فِی رَجُلٍ دَخَلَ مَعَ الإِمَامِ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ فَرَعَفَ فَذَہَبَ فَتَوَضَّأَ ثُمَّ جَائَ وَقَدْ صَلَّی الإِمَام ، وَلَمْ یَتَکَلَّمِ الرَّجُلُ ، قَالَ سُفْیَانُ : یُصَلِّی صَلاَۃَ الإِمَام رَکْعَتَیْنِ۔ وَقَالَ الْحَسَنُ بْنُ صَالِحٍ : یُصَلِّی أَرْبَعًا إِلاَّ أَنْ یَکُونَ قَدْ صَلَّی مَعَہُ رَکْعَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৭২০ ) হযরত সূফীকে জিজ্ঞেস করা হল যে , এক ব্যক্তি জুমার দিনে ইমামের সাথে জামাতে প্রবেশ করল , অতঃপর তার স্রাব শুরু হল , সে ওযূ করল , কিন্তু সে কারো সাথে কথা বলল না , এখন তার কি করা উচিত ? হযরত সূফী বললেন , ইমামের নামাযের মত দুই রাকাত পড়তে হবে হজরত হাসান বিন সালিহ বলেন , তাকে চার রাকাত নামাজ পড়তে হবে , কিন্তু যদি সে ইমামের সাথে এক রাকাত নামায পড়ে থাকে তবে তার উচিত দুই রাকাত নামায ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۲۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنْ کَعْبِ بْنِ عُجْرَۃَ ، قَالَ : قلْنَا : یَا رَسُولَ اللہِ قَدْ عَلِمْنَا کَیْفَ السَّلاَمَ عَلَیْک فَکَیْفَ الصَّلاَۃ عَلَیْک ؟ قَالَ : قُولُوا اللَّہُمَّ صَلِّ عَلَی مُحَمَّدٍ وَعَلَی آلِ مُحَمَّدٍ کَمَا صَلَّیْتَ عَلَی إبْرَاہِیمَ وَآلِ إبْرَاہِیمَ إنَّکَ حَمِیدٌ مَجِیدٌ ، وَبَارِکْ عَلَی مُحَمَّدٍ وَعَلَی آلِ مُحَمَّدٍ کَمَا بَارَکْتَ عَلَی إبْرَاہِیمَ وَآلِ إبْرَاہِیمَ إنَّکَ حَمِیدٌ مَجِیدٌ۔ (بخاری ۶۳۵۷۔ مسلم ۶۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৭২১) হজরত কাব ইবনে আজরা বলেন , আমরা বললাম , হে আল্লাহর রাসূল! আমরা শিখেছি যে আপনার প্রতি সালাম ও সালাম পাঠ করা উচিত , আমরা কি তাদের শেখাবো ? তিনি ( রাসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ এই কথাগুলো বল ( অনুবাদ ) হে আল্লাহ , হজরত মুহাম্মাদ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ও তাঁর পরিবারের প্রতি রহমত বর্ষণ করুন এবং তার পরিবার . নিঃসন্দেহে তিনি প্রশংসনীয় ও মহিমান্বিত । হে আল্লাহ, হজরত মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ও তাঁর পরিবার - পরিজনের উপর বরকত বর্ষণ করুন যেমন আপনি হজরত ইব্রাহিম ও তাঁর পরিবার-পরিজনের উপর বরকত বর্ষণ করেছিলেন । নিঃসন্দেহে তিনি প্রশংসনীয় ও মহিমান্বিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۲۲) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ أَبِی زِیَادٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنْ کَعْبِ بْنِ عُجْرَۃَ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِنَحْوِہِ۔ (احمد ۴/۲۴۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৭২২) এটি আইক ও সনদ থেকেও বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۲۳) حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ جَعْفَرٍ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ الْہَادِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ خَبَّابٍ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ الْخُدْرِیِّ ، قَالَ : قلْنَا : یَا رَسُولَ اللہِ ہَذَا السَّلاَمُ عَلَیْک قَدْ عَرَفْنَاہُ فَکَیْفَ الصَّلاَۃ ؟ قَالَ : قُولُوا : اللَّہُمَّ صَلِّ عَلَی مُحَمَّدٍ عَبْدِکَ وَرَسُولِکَ کَمَا صَلَّیْتَ عَلَی إبْرَاہِیمَ وَبَارِکْ عَلَی مُحَمَّدٍ کَمَا بَارَکْتَ عَلَی آلِ إبْرَاہِیمَ۔ (بخاری ۶۳۵۸۔ ابن ماجہ ۹۰۳)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৭২৩ ) হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ ) থেকে বর্ণিত যে , আমরা বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল ! আমরা আপনাকে সালাম পাঠ করতে শিখেছি , এখন আপনি আমাদেরকেও দুরূদ পাঠ করা শেখান । তিনি বললেন , তুমি বল ( অনুবাদ ) হে আল্লাহ! আপনার বান্দা ও রসূল হজরত মুহাম্মাদ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর প্রতি রহম করুন । এবং হজরত মুহাম্মাদ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর উপর বরকত বর্ষণ করুন যেমন আপনি হজরত ইব্রাহীমকে আশীর্বাদ করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۲۴) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، عَنْ مُجَمِّعِ بْنِ یَحْیَی ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ مَوْہَبٍ ، عَنْ مُوسَی بْنِ طَلْحَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : قلْنَا : یَا رَسُولَ اللہِ قَدْ عَلِمْنَا السَّلاَمَ عَلَیْک فَکَیْفَ الصَّلاَۃ ؟ قَالَ : قُولُوا : اللَّہُمَّ صَلِّ عَلَی مُحَمَّدٍ وَعَلَی آلِ مُحَمَّدٍ کَمَا صَلَّیْتَ عَلَی إبْرَاہِیمَ وَآلِ إبْرَاہِیمَ إنَّکَ حَمِیدٌ مَجِیدٌ ، وَبَارِکْ عَلَی مُحَمَّدٍ وَعَلَی آلِ مُحَمَّدٍ ، کَمَا بَارَکْتَ عَلَی إبْرَاہِیمَ وَعَلَی آلِ إبْرَاہِیمَ إنَّکَ حَمِیدٌ مَجِیدٌ۔ (نسائی ۱۲۱۳۔ احمد ۱/۱۶۲)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৭২৪ ) হজরত তালহা বলেন , আমরা পেশ করলাম আল্লাহর রাসূল ! আমরা আপনাকে সালাম করার পদ্ধতি শিখিয়েছি , তাই আপনি আমাদের সালাম করার পদ্ধতি শিখিয়ে দিন ।তিনি ( রাসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ এই কথাগুলো বল ( অনুবাদ ) হে আল্লাহ , হজরত মুহাম্মাদ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ও তাঁর পরিবারের উপর রহমত বর্ষণ করুন এবং তার পরিবার . নিঃসন্দেহে তিনি প্রশংসনীয় ও মহিমান্বিত । হে আল্লাহ, হজরত মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ও তাঁর পরিবার - পরিজনের উপর বরকত বর্ষণ করুন যেমন আপনি হজরত ইব্রাহিম ও তাঁর পরিবার-পরিজনের উপর বরকত বর্ষণ করেছিলেন । নিঃসন্দেহে তিনি প্রশংসনীয় ও মহিমান্বিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۲۵) حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : حدَّثَنَا زُہَیْرٌ ، قَالَ : حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ ، قَالَ : حَدَّثَنِی مُحَمَّدُ بْنُ إبْرَاہِیمَ بْنِ الْحَارِثِ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللہِ بْنِ زَیْدٍ ، عَنْ عُقْبَۃَ بْنِ عَمْرٍو ، قَالَ : أَتَی رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ رَجُلٌ حَتَّی جَلَسَ بَیْنَ یَدَیْہِ ، فَقَالَ : یَا رَسُولَ اللہِ أَمَّا السَّلاَمُ عَلَیْک فَقَدْ عَلِمْنَاہُ۔ وَأَمَّا الصَّلاَۃ فَأَخْبِرْنَا بِہَا کَیْفَ نُصَلِّی عَلَیْک ؟ قَالَ : فَصَمَتَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ حَتَّی وَدِدْنَا أَنَّ الرَّجُلَ الَّذِی سَأَلَہُ لَمْ یَسْأَلْہُ ، ثُمَّ قَالَ : إذَا صَلَّیْتُمْ عَلَیَّ فَقُولُوا : اللَّہُمَّ صَلِّ عَلَی مُحَمَّدٍ النَّبِیِّ الأُمِّیِّ وَعَلَی آلِ مُحَمَّدٍ کَمَا صَلَّیْتَ عَلَی إبْرَاہِیمَ وَعَلَی آلِ إبْرَاہِیمَ ، وَبَارِکْ عَلَی مُحَمَّدٍ النَّبِیِّ الأُمِّیِّ وَعَلَی آلِ مُحَمَّدٍ کَمَا بَارَکْتَ عَلَی إبْرَاہِیمَ وَعَلَی آلِ إبْرَاہِیمَ إنَّکَ حَمِیدٌ مَجِیدٌ۔ (مسلم ۶۵۔ ابوداؤد ۹۷۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৭২৫) হজরত উকবা ইবনে আমর ( রা . ) বলেন , একদা এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর খেদমতে এসে তাঁর সামনে বসে বললেন , হে আল্লাহর রাসূল ! আমরা যদি আপনাকে অভিবাদন জানাতে শিখে থাকি , তাহলে অনুগ্রহ করে আমাদের আশীর্বাদ সম্পর্কে বলুন যাতে আমরা আপনার প্রতি আশীর্বাদ পাঠাতে পারি । তুমি কিছুক্ষণ চুপ করে ছিলে , আমাদের হৃদয় পর্যন্ত আমি যদি এটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা না করতাম . অতঃপর তিনি বললেন , যখন তুমি দুরূদ পাঠ করবে, তখন এই ( অনুবাদ) বল: হে আল্লাহ , নবী , মুহাম্মাদ ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) ও তাঁর পরিবারবর্গের প্রতি রহমত বর্ষণ করুন । তিনি হজরত ইব্রাহীম ও তাঁর পরিবার-পরিজনের প্রতি রহমত বর্ষণ করেন । নিঃসন্দেহে তিনি প্রশংসনীয় ও মহিমান্বিত । হে আল্লাহ, নবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ও তাঁর পরিবার - পরিজনের উপর বরকত বর্ষণ করুন যেমন আপনি ইব্রাহীম ও তাঁর পরিবারের উপর বরকত বর্ষণ করেছিলেন । নিঃসন্দেহে তিনি প্রশংসনীয় ও মহিমান্বিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۲۶) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا یُونُسُ وَمَنْصُورٌ وَعَوْفٌ ، عَنِ الْحَسَنِ : قَالُوا یَا رَسُولَ اللہِ قَدْ عَلِمْنَا السَّلاَمَ عَلَیْک فَکَیْفَ الصَّلاَۃ عَلَیْک ؟ قَالَ : قُولُوا اللَّہُمَّ اجْعَلْ صَلَوَاتِکَ وَبَرَکَاتِکَ عَلَی آلِ مُحَمَّدٍ کَمَا جَعَلْتہَا عَلَی آلِ إبْرَاہِیمَ إنَّکَ حَمِیدٌ مَجِیدٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৭২৬ ) হজরত হাসান বলেন , লোকেরা বলল , হে আল্লাহর রাসূল ! আমরা আপনাকে সালাম করার পদ্ধতি শিখিয়েছি , তাই আপনি আমাদের সালাম করার পদ্ধতি শিখিয়ে দিন ।তিনি বললেনঃ বল ( অনুবাদ ) হে আল্লাহ! হজরত মুহাম্মদ ( সা . ) এর পরিবারের জন্য আপনার রহমত ও আশীর্বাদ করুন যেমন আপনি হজরত ইব্রাহিমের জন্য করেছেন , তারপর প্রশংসনীয় । এবং মহান ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۲۷) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، أَخْبَرَنَا مُغِیرَۃُ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ : أَنَّہُ کَانَ إذَا سَلَّمَ أَقْبَلَ عَلَیْنَا بِوَجْہِہِ وَہُوَ یُہَلِّلُ یَقُولُ : لاَ إلَہَ إِلاَّ اللَّہُ وَحْدَہُ لاَ شَرِیکَ لَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৭২৭) হজরত মুগীরাহ বলেন , হজরত ইব্রাহীম (আ. ) তাঁকে সালাম করার পর লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ওয়াহদা লাশরি কালা বলে আমাদের দিকে ফিরতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۲۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَبِی عَاصِمٍ الثَّقَفِیِّ ، عَنْ قَیْسِ بْنِ مُسْلِمٍ ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِہَابٍ ، قَالَ : صَلَّی بِنَا عَلِیٌّ الْعَصْرَ ، فَلَمَّا سَلَّمَ أَقْبَلَ عَلَیْنَا بِوَجْہِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৭২৮) হজরত তারিক বিন শাহাব বলেন , হযরত আলী (রা.) আমাদেরকে আছরের নামাযে ইমামতি করলেন এবং তারপর আমাদের দিকে ফিরলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۲۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ عُمَیْرِ بْنِ سَعِیدٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا مُوسَی قَرَأَ فِی الْجُمُعَۃِ بِـ {سَبِّحِ اسْمَ رَبِّکَ الأَعْلَی} فَقَالَ : سُبْحَانَ رَبِّی الأَعْلَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 8729) হজরত আবু মূসা পবিত্র কোরআনের আয়াত { সাবি আসমা রাব্বিক আল-আলি } ( তোমার মহান প্রভুর নাম মহিমা ) তেলাওয়াত করার পর সুবহান রাব্বি আল - আলি ( প্রভু মহিমান্বিত হোক ) বললেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۳۰) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ عُمَیْرِ بْنِ سَعِیدٍ ، قَالَ : صَلَّیْتُ مَعَ أَبِی مُوسَی الْجُمُعَۃَ فَقَرَأَ بِـ {سَبِّحِ اسْمَ رَبِّکَ الأَعْلَی} فَقَالَ : سُبْحَانَ رَبِّی الأَعْلَی وَہُوَ فِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৭৩০ ) জুমার নামাযে কুরআন পাঠ করার পর হযরত আবু মুসা ( রা . ) সুবহান রাব্বি ( প্রভু মহান ) বললেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۳۱) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ووَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ السُّدِّیِّ ، عَنْ عَبْدِ خَیْرٍ : أَنَّ عَلِیًّا قَرَأَ {سَبِّحِ اسْمَ رَبِّکَ الأَعْلَی} فَقَالَ : سُبْحَانَ رَبِّی الأَعْلَی ، قَالَ عَبْدَۃُ : وَہُوَ فِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 8731 ) হযরত আলী পবিত্র কোরআনে দোয়া পাঠ করলেন { সাব্বিহ আসমা রাব্বিক আল- আলা } ( তোমার মহান প্রভুর নাম মহিমান্বিত হোক ) সুবহান রাব্বি আল -আলা ( ম. প্রভু মহিমান্বিত ) বললেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۳۲) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنْ ہِشَامٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ ابْنَ الزُّبَیْرِ یَقْرَأُ {سَبِّحِ اسْمَ رَبِّکَ الأَعْلَی} فَقَالَ : سُبْحَانَ رَبِّی الأَعْلَی وَہُوَ فِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৭৩২ ) হজরত ইবনে জুবায়ের (রা) পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন { সাব্বিহ আসম রাব্বিক আল -আলায় } ( তোমার মহান প্রভুর নামের মহিমা ) সুবহানা রাব্বি আল - আলায় ( প্রভু মহিমান্বিত হোন ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۳۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ ہِشَامٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ ابْنَ الزُّبَیْرِ یَقْرَأُ {سَبِّحِ اسْمَ رَبِّکَ الأَعْلَی} فَقَالَ : سُبْحَانَ رَبِّی الأَعْلَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8733) হজরত ইবনে জুবায়ের (রা.) কোরআন মাজিদ কি আয়াত { সবহি আসম রাব্বিক আল-আলায় } ( মহিমায় আপনার মহান প্রভুর নাম ) তেলাওয়াত করার পর বলেন, সুবহান রাব্বি আল - আলায়ে ( মীরা মহান প্রভু) বলেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۳۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ : أَنَّہُ قَرَأَ : {سَبِّحِ اسْمَ رَبِّکَ الأَعْلَی} فَقَالَ : سُبْحَانَ رَبِّی الأَعْلَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৭৩৪) হযরত ইবনে আব্বাস (রা) পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করার পর বলেন ( তোমার মহান প্রভুর নাম মহিমা ) সুবহানা রাব্বি আল - আলায়ে ( আমার প্রভু পবিত্র ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۳۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ نَجِیحٍ ، عَنْ أَبِی الْمُتَوَکِّلِ ، عَنِ ابْنِ الزُّبَیْرِ مِثْلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৭৩৫) হযরত ইবনে জুবায়ের থেকেও এটা হস্তান্তরযোগ্য নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۳۶) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ الْوَلِیدِ ، عَنْ عُبَیْدِ بْنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : کَانَ عُرْوَۃُ بْنُ الْمُغِیرَۃِ إذَا أَمَّ النَّاسَ ہَاہُنَا فَقَرَأَ {سَبِّحِ اسْمَ رَبِّکَ الأَعْلَی} ، قَالَ : سُبْحَانَ رَبِّی الأَعْلَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৭৩৬) হজরত উবাইদ ইবনে হাসান বলেন , হজরত আরওয়া ইবনে মুগিরাহ (রা.) এ স্থানে লোকদের নামাজ পড়াতেন , তিনি কোরআন মাজিদের আয়াত { সাবিহ আসমা রাব্বিক আল-আলি } ( তাঁর উচ্চ) নামের প্রশংসা পাঠ করার পর পাঠ করেন । প্রভু বলেছেন , সুবহান রাব্বি আল - আলা ( মহান প্রভু ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۳۷) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنِ الأَصْبَغِ بْنِ زَیْدٍ ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ أَبِی أَیُّوبَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ : أَنَّہُ کَانَ إذَا قَرَأَ : {سَبِّحِ اسْمَ رَبِّکَ الأَعْلَی} ، قَالَ : سُبْحَانَ رَبِّی الأَعْلَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8737) হযরত সাঈদ বিন জাবির কুরআন মাজিদ কি আয়াত { সাব্বিহ আসম রাব্বিক আল-আলায়ে } ( তোমার মহান প্রভুর নামের মহিমা ) সুবহান রাব্বী আল- আলায়ে ( ম . ইয়া রা বুলন্দ প্রভু পবিত্র) পাঠ করার পর বলতেন । বল
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۳۸) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنِ الْجُرَیرِیِّ ، عَنْ أَبِی نَضْرَۃَ ، عَنْ عُمَر ، أَنَّہُ کَانَ إذَا قَرَأَ : {سَبِّحِ اسْمَ رَبِّکَ الأَعْلَی} ، قَالَ سُبْحَانَ رَبِّی الأَعْلَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৭৩৮) হজরত উমর ( রা ) কোরআন মাজিদ কি আয়াত { সুবহান রাব্বিয়া আল - আলা পাঠ করার পর বলতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۳۹) حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمٍ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِینَارٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : إذَا کَانَ لَکَ وِتْرٌ وَلِلإِمَامِ شَفْعٌ فَلاَ تَشَہُّدَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৭৩৯) হজরত আতা বলেন , আপনি যখন এক রাকাত পড়েন এবং ইমাম দুই রাকাত শেষ করে ফেলেন, তখন তাশাহহুদ পড়বেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۴۰) حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ قَالَ : حدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمٍ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ ، عَنِ ابْنِ شِہَابٍ قَالَ : تَتَشَہَّدُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৭৪০) হজরত ইবনে শাহাব বলেন, তিনি তাশাহহুদ পড়বেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۴۱) حَدَّثَنَا ابْنُ مُبَارَکٍ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ : فِی الرَّجُلِ یُدْرِکُ رَکْعَۃً مَعَ الإِمَامِ ، قَالَ : یَتَشَہَّدُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৭৪১) হযরত হাসান বলেন , কেউ ইমামের সাথে এক রাকাত পেলে তাশাহহুদ পড়বে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۴۲) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مُسْلِمٍ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِینَارٍ ، عَنْ عَطَائٍ : فِی الرَّجُلِ یُدْرِکُ مَعَ الإِمَامِ وِتْرًا مِنَ الصَّلاَۃ ، قَالَ : لاَ یَتَشَہَّدُ۔ وَقَالَ عَمْرُو بْنُ دِینَارٍ : وأَنَا أَرَی ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৭৪২ ) ইমামের সাথে এক রাকাত সালাত আদায়কারী ব্যক্তি সম্পর্কে হযরত আতা বলেন যে , সে তাশাহহুদ পড়বে না । হযরত আমর বিন দীনার বলেন , আমিও আমি বুঝতে পারি যে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۴۳) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ مَالِکِ بْنِ أَنَسٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ نَافِعًا وَابْنَ شِہَابٍ عَنِ الرَّجُلِ یُسْبَقُ بِرَکْعَۃٍ فَیَجْلِسُ مَعَ الإِمَامِ ؟ قَالاَ : یَتَشَہَّدُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৭৪৩) হজরত মালিক ইবনে আনাস বলেন , আমি হজরত নাফি (রা .) ও হজরত ইবনে শাহাব (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলাম , যে ব্যক্তি এক রাকাত নামায পড়ল , তাহলে তিনি তা ইমামের সঙ্গে করবেন ? বললেন , তিনি তাশাহহুদ পড়বেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۴۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ابْنُ أَبِی لَیْلَی ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ أَکَلَ مِنْ ہَذِہِ الْبَقْلَۃِ الْخَبِیثَۃِ فَلاَ یَقْرَبَنَّ مَسْجِدَنَا ، أَوِ الْمَسْجِدَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৭৪৪) হজরত জাবির (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , যে ব্যক্তি এই খারাপ সবজি খায় সে যেন আমাদের মসজিদে না আসে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۷۴۵) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ أَکَلَ ہَذِہِ الْبَقْلَۃَ فَلاَ یَقْرَبَنَّ الْمَسْجِدَ حَتَّی یَذْہَبَ رِیحُہَا ، یَعْنِی الثُّومَ۔ (بخاری ۴۲۱۵۔ مسلم ۶۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৭৪৫) হজরত ইবনে ওমর ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , যে ব্যক্তি সবজি সে যেন তা খায় এবং মসজিদে না আসা পর্যন্ত এর গন্ধ চলে না যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৭৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস