
(۸۵۳۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، أَنَّہُ قَالَ : لاَ تقُومُوا تَدْعُونَ کَمَا تَصْنَعُ الْیَہُودُ فِی کَنَائِسِہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫৩৬ ) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) বলেন , হুদদের মতো মসজিদে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়বেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۳۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنِ ابْنِ الأَصْبَہَانِیِّ ، عَنْ أَبِی عَبْدِ الرَّحْمَنِ : أَنَّہُ رَأَی رَجُلاً یَدْعُو قَائِمًا بَعْدَ مَا انْصَرَفَ فَسَبَّہُ ، أَوْ شَتَمَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8537) হযরত আবু আবদ আল - রহমান এমন এক ব্যক্তিকে অভিশাপ দিয়েছেন যে নামায পড়ার পর দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۳۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ عَبْدَۃَ بْنِ أَبِی لُبَابَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ یَزِیدَ ، أَنَّہُ کَرِہَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫৩৮ ) হযরত আব্দুর রহমান বিন ইয়াযীদ একে মাকরূহ বলেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۳۹) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ یَزِیدَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : ثِنْتَانِ ہُمَا بِدْعَۃٌ أَنْ یَقُومَ الرَّجُلُ بَعْدَ مَا یَفْرُغُ مِنْ صَلاَتِہِ مُسْتَقْبِلَ الْقِبْلَۃِ یَدْعُو وَأَنْ یَسْجُدَ السَّجْدَۃَ الثَّانِیَۃَ فَیَرَی أَنَّ حَقًّا عَلَیْہِ أَنْ یُلْزِقَ أَلْیَتَیْہِ بِالأَرْضِ قَبْلَ أَنْ یَنْہَضَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫৩৯ ) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , দুটি জিনিস বিদআত : অর্থাৎ , নামায শেষ করার পর, একজন ব্যক্তি কেবলার দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে দুআ এবং দ্বিতীয়টি প্রার্থনা করবে । অর্থাৎ দ্বিতীয় সেজদা থেকে উঠার সময় তার পা মাটিতে রাখা জরুরি মনে করা উচিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۴۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ الْقِیَامَ بَعْدَہَا یَتَشَبَّہُ بِالْیَہُودِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫৪০) হযরত মুজাহিদ বলেন , নামাযের পর দাঁড়ানো মাকরূহ এবং তিনি হুদিদের সাথে মিল আছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۴۱) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، قَالَ : قُلْتُ لِلْمُغِیرَۃِ : أَکَانَ إبْرَاہِیمُ یَکْرَہُ إذَا انْصَرَفَ أَنْ یَقُومَ مُسْتَقْبِلَ الْقِبْلَۃِ یَرْفَعُ یَدَیْہِ ؟ قَالَ : نَعَمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫৪১) হজরত শুবা বলেন , আমি হজরত মুগীরা ( রা . ) - কে জিজ্ঞেস করলাম , নামায শেষ করে কিবলার দিকে মুখ করে আল বলতেন ? সে হ্যাঁ বলেছে.
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۴۲) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ جُوَیْبِرٍ ، عَنِ الضَّحَّاکِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ : أَنَّہُ بَلَغَہُ أَنَّ قَوْمًا یَذْکُرُونَ اللَّہَ قِیَامًا فَأَتَاہُمْ، فَقَالَ : مَا ہَذِہِ النَّکْرَاء ؟ قَالُوا : سَمِعْنَا اللَّہَ یَقُولُ : {فَاذْکُروا اللَّہَ قِیَامًا وَقُعُودًا وَعَلَی جُنُوبِکمْ} ، فَقَالَ : ہَذَا إنَّمَا إذَا لَمْ یَسْتَطِعِ الرَّجُلُ أَنْ یُصَلِّیَ قَائِمًا صَلَّی قَاعِدًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫৪২ ) হজরত দাহহাক বলেন , হজরত আবদুল্লাহ খবর পেলেন যে, কিছু লোক দাঁড়িয়ে আল্লাহর জিকির করছে , তিনি তাদের কাছে এসে বললেন, এটা কী অদ্ভুত ? তিনি বললেনঃ আমরা আল্লাহ তায়ালার এ কথা শুনেছি ( অনুবাদ ) দাঁড়ানো অবস্থায় , বসা অবস্থায় এবং আপনার পাশে আল্লাহকে স্মরণ কর হজরত আবদুল্লাহ (রা) বলেন , এই নির্দেশ যখন কোনো ব্যক্তির দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ার শক্তি থাকে না , সে যেন বসে নামাজ পড়ে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۴۳) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ العَوَّامِ ، عَنْ جَمِیلِ بْنِ زَیْدٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ ابْنَ عُمَرَ دَخَلَ الْبَیْتَ فَصَلَّی رَکْعَتَیْنِ ، ثُمَّ تَحَوَّلَ فَصَلَّی رَکْعَتَیْنِ مِمَّا یَلِی الرُّکْنَ ، ثُمَّ خَرَجْتُ وَتَرَکْتُہُ قَائِمًا یَدْعُو وَیُکَبِّرُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫৪৩) হজরত জামিল ইবনে যায়েদ বলেন , আমি হজরত ইবনে উমর ( রা . ) - কে আল্লাহর ঘরে প্রবেশ করতে দেখেছি এবং তিনি দুই রাকাত পড়তেন , অতঃপর আমি স্থান পরিবর্তন করে সদস্যের কাছে গিয়ে রাকাত পড়লাম , অতঃপর আমি তাদের ছেড়ে গেলাম এবং তারা দুরাকাত পড়লেন । দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করা এবং তাকবীর হাই বলা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۴۴) حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ ، عَنْ أَشْعَثَ ، قَالَ : رَأَیْتُُ الْحَسَنَ یَرْفَعُ بَصَرَہُ إلَی السَّمَائِ فِی الصَّلاَۃ یَدْعُو وَہُوَ قَائِمٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫৪৪) হজরত আশআস বলেন , হজরত হাসান নামাজে দাঁড়াতেন এবং আকাশের দিকে চোখ তুলে দোয়া করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۴۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی ہَاشِمٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ : أَنَّہُ سَمِعَ رَجُلاً یَرْفَعُ صَوْتَہُ بِالدُّعَائِ ، فَرَمَاہُ بِالْحَصَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫৪৫) হযরত মুজাহিদ এই লোকটিকে নামাজে আওয়াজ তুলতে শুনেছিলেন, তাই তিনি তাকে পাথর দিয়ে আঘাত করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۴۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُدَیْرٍ ، عَنْ أَبِی مِجْلَزٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : أَیُّہَا النَّاسُ إنَّکُمْ لاَ تَدْعُونَ أَصَمَّ وَلاَ غَائِبًا ، یَعْنِی فِی رَفْعِ الصَّوْتِ بِالدُّعَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫৪৬ ) হজরত ইবনে উমর দোয়ায় আওয়াজ তোলার বিষয়ে বলেন , বধির বা দূরবর্তী কাউকে ডাকবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۴۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الرَّبِیعِ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ أَبَانَ ، عَنْ أَنَسٍ ۔ وَعَنْ رَبِیعٍ ، عَنِ الْحَسَنِ : أَنَّہُمَا کَرِہَا أَنْ یُسْمِعَ الرَّجُلُ جَلِیسَہُ شَیْئًا مِنَ الدُّعَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫৪৭) হযরত আনাস (রা.) ও হযরত হাসান (রা.) ঘোষণা করেছেন যে, তার পাশে বসে থাকা ব্যক্তি তার প্রার্থনা শুনতে পায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۴۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مُبَارَکٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : کَانُوا یَجْتَہِدُونَ فِی الدُّعَائِ ، وَلاَ تَسْمَعُ إِلاَّ ہَمْسًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫৪৮ ) হজরত হাসান বলেন , বাপ -দাদারা ভালো নামাজ পড়তেন , কিন্তু তাদের কন্ঠস্বর শুধু ফিসফিস করে শোনা যেত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۴۹) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ ہَاشِمٍ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنْ صَدَقَۃَ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : إنَّ الْمُصَلِّیَ إذَا صَلَّی یُنَاجِی رَبَّہُ فَلْیَعْلَمْ أَحَدُکُمْ بِمَا یُنَاجِیہِ ، وَلاَ یَجْہَرْ بَعْضُکُمْ عَلَی بَعْضٍ۔ (احمد ۲/۶۷۔ بزار ۷۲۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫৪৯) হজরত ইবনে ওমর ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , যখন সে নামায পড়ে , তখন সে তার রবের কাছে প্রার্থনা করে, সুতরাং তোমাদের প্রত্যেকেরই যেন জানা না থাকে যে সে কে। প্রার্থনা করছেন, তাই প্রার্থনায় আপনার কণ্ঠস্বর উঁচু করবেন না যেন আপনি একে অপরের সাথে কথা বলছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۵۰) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، وَأَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ أَبِی عُثْمَانَ ، عَنْ أَبِی مُوسَی ، قَالَ : کُنَّا مَعَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی سَفَرٍ فَجَعَلَ النَّاسُ یَجْہَرُونَ بِالتَّکْبِیرِ ، فَقَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَیُّہَا النَّاسُ ارْبَعُوا عَلَی أَنْفُسِکُمْ إِنَّکم لَیْسَ تَدْعُونَ أَصَمَّ ، وَلاَ غَائِبًا إنَّکُمْ تَدْعُونَ سَمِیعًا قَرِیبًا وَہُوَ مَعَکُمْ۔ (بخاری ۲۹۹۲۔ ابوداؤد ۱۵۲۳)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫৫০ ) হজরত আবু মূসা ( রাঃ ) বলেন , আমরা এক সফরে রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর সাথে ছিলাম । আপনার আত্মার সাথে কোমল হোন, আপনি বধির বা দূরবর্তী কাউকে ডাকছেন না, তবে যে শোনেন এবং কাছে আছেন , তিনি আপনার সাথে আছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۵۱) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ نُسَیْبٍ قَالَ : صَلَّیْتُ إلَی جَنْبِ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ الْمَغْرِبَ ، فَلَمَّا جَلَسْتُ فِی الرَّکْعَۃِ الثَّانِیۃ رَفَعْتُ صَوْتِی بِالدُّعَائِ فَانْتَہَرَنِی ، فَلَمَّا انْصَرَفْتُ قُلْتُ لَہُ : مَا کَرِہْتَ مِنِّی؟ قَالَ : ظَنَنْتَ أَنَّ اللَّہَ لَیْسَ بِقَرِیبٍ مِنْکَ؟۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫৫১ ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে নাসিব বলেন , আমি হজরত সাঈদ ইবনে মুসাইব ( রা . ) - এর সঙ্গে মাগরিবের নামায পড়লাম এবং যখন আমি দ্বিতীয় রাকাতে বসলাম , তখন তারা নামাযে উচ্চস্বরে বলল , তারা আমাকে তিরস্কার করল । যখন আমি নামায শেষ করলাম , তখন আমি তাকে বললাম , আমার কোন কাজটি তুমি অপছন্দ করেছ ? সে বলল তোমার ভাবনা তার মানে আল্লাহ তায়ালা আপনার কাছাকাছি নন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৫১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۵۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ زَیْدٍ الْعَمِّیِّ ، عَنْ أَبِی إیَاسٍ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : الدُّعَائُ بَیْنَ الأَذَانِ وَالإِقَامَۃِ لاَ یُرَدُّ۔ (ترمذی ۲۱۲۔ احمد ۳/۱۱۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫৫২) হজরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , আযান ও ইকামতের সময় এই দুআ কবুল হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৫২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۵۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الأَسْوَدِ ، عَنْ أَبِی مُرَارَۃَ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : أَفْضَلُ السَّاعَاتِ مَوَاقِیتُ الصَّلَوَاتِ فَادْعُوا فِیہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫৫৩ ) হযরত মুজাহিদ বলেন , সর্বোত্তম সময় হলো নামাজের সময়, সেগুলোতে আল্লাহর কাছে দোয়া কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৫৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۵۴) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ مُحَارِبٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : کَانَ یُسْتَحَبُّ الدُّعَائُ عِنْدَ أَذَانِ الْمَغْرِبِ ، وَقَالَ : إِنَّہَا سَاعَۃٌ یُسْتَجَابُ فِیہَا الدُّعَائُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫৫৪) হজরত ইবনে উমর ( রা . ) মাগরিবের আযানের সময় নামায পড়াকে মুস্তাহাব বলতেন এবং বলতেন এটাই সেই ঘড়ি যাতে নামায কবুল হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৫৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۵۵) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زِیَادِ بْنِ أَنْعُمٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ رَافِعٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَمْرو ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إذَا جَلَسَ الإِمَام ثُمَّ أَحْدَثَ فَقَدْ تَمَّتْ صَلاَتُہُ وَمَنْ کَانَ خَلْفَہُ مِمَّنْ أَدْرَکَ مَعَہُ الصَّلاَۃ عَلَی مِثْلِ ذَلِکَ۔ (ترمذی ۴۰۸۔ ابوداؤد ۶۱۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫৫৫) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ( রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , যখন ইমাম কা’দাহ ( আ . ) বসে ছিলেন এবং তাঁর রসূলুল্লাহ ( সা . ) তার অযু ভঙ্গ করা হয় এবং তার সাথে যারা নামাজ পড়েন তাদের ইবাদত করা হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৫৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۵۶) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ الْحَارِثِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : إذَا جَلَسَ الإِمَام فِی الرَّابِعَۃِ ، ثُمَّ أَحْدَثَ فَقَدْ تَمَّتْ صَلاَتُہُ فَلْیَقُمْ حَیْثُ شَائَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫৫৬) হযরত আলী (রাঃ) বলেন , যখন ইমাম ক্বাদা আখির রহিমে বসে থাকেন এবং তার অযু ভেঙ্গে যায়, তখন তার নামায সম্পূর্ণ হয় এবং তিনি যখন ইচ্ছা দাঁড়াতে পারেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৫৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۵۷) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ الْکُوفِی ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : إذَا رَعَفَ فِی صَلاَتہِ بَعْدَ السَجْدَۃِ الآخِرَۃِ فَقَدْ تَمَّتْ صَلاَتُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫৫৭ ) হজরত আইন বলেন , আখিরে রাহমিনে যদি কোনো ব্যক্তির নাকসির রাকাদা ভেঙে যায় , তাহলে তার নামায পূর্ণ হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৫৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۵۸) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی عَرُوبَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، وَالْحَسَنِ ، قَالاَ : إذَا رَفَعَ رَأْسَہُ ، ثُمَّ أَحْدَثَ فَقَدْ أَجْزَأَتْہُ صَلاَتُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫৫৮) হজরত সাঈদ বিন মুসাইব ও হজরত হাসান বলেন , শেষ সাজদা থেকে মাথা উঠানোর পর যদি কেউ অযু ভঙ্গ করে , তাহলে তার সাদৃশ্য সম্পূর্ণ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৫৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۵۹) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إذَا رَفَعَ رَأْسَہُ مِنَ السَّجْدَۃِ فَقَدْ مَضَتْ صَلاَتُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫৫৯ ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , কেউ যদি শেষ সিজদা থেকে মাথা উঠায় এবং তার অযু ভেঙ্গে যায় , তাহলে তার নামায পূর্ণ হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৫৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۶۰) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ جُوَیْبِرٍ ، عَنِ الضَّحَّاکِ ، قَالَ : إذَا جَلَسَ بَعْدَ تَمَامِ الصَّلاَۃ فَأَحْدَثَ قبْلَ أَنْ یَتَشَہَّدَ أَوْ بَعْدَ التَّشَہُّدِ قَبْلَ أَنْ یُسَلِّمَ الإِمَام ، فَقَدْ جَازَتْ وَلْیَنْصَرِفْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫৬০) হযরত দাহহাক বলেন , যখন কোনো ব্যক্তি নামায শেষ করার পর অযু ভঙ্গ করে , তাশাহহুদ পড়ার আগে হোক বা পরে হোক বা ইমামের সালামের কারণে হোক , যদি আগে হতো তাহলে তার নামায হয়ে গেল , এখন যদি সে । চাইলে সে নামাজ ছেড়ে দিতে পারে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৬০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۶۱) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ طَلْحَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إذَا أَتَمَّ الرُّکُوعَ وَالسُّجُودَ ، ثُمَّ أَحْدَثَ فَقَدِ انْقَضَتْ صَلاَتُہُ وَإِنْ لَمْ یَتَشَہَّدْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫৬১) হজরত ইব্রাহীম (আ.) বলেন , যে ব্যক্তি রুকু - সিজদা শেষ করে , তার অযু ভেঙ্গে যায় , তবে সাক্ষ্য না দিলেও তার নামায সম্পূর্ণ হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۶۲) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : إذَا رَعَفَ بَعْدَ مَا یَفْرُغُ مِنَ السَّجْدَۃِ الأَخِرَۃِ فَلْیَنْصَرِفْ فَلْیَتَوَضَّأْ وَلْیَرْجِعْ فَلْیَتَشَہَّدْ مَا لَمْ یَتَکَلَّمْ ، فَإِنْ تَکَلَّمَ اسْتَأْنَفَ الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫৬২) হজরত হাসান বলেন, শেষ সেজদা করার পর যদি কারো নাক ফেটে যায় তাহলে সে যেন গিয়ে ওযু করে ফিরে আসে এবং কারো সাথে কথা না বললে সাক্ষ্য দেয় । তারপর আবার প্রার্থনা করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۶۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ مِثْلَ ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫৬৩) হযরত আতাও রহ তিনি বলেন না .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۶۴) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا یُونُسُ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ : حَتَّی یُسَلِّمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫৬৪ ) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , সালামের আগে অযু ভেঙ্গে গেলে নামায পূর্ণ হয় না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۶۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مَعْقِلٍ ، عَنْ عَطَائٍ : فِی الرَّجُلِ یُحْدِثُ ، قَالَ : إذَا قَالَ : السَّلاَمُ عَلَیْنَا وَعَلَی عِبَادِ اللہِ الصَّالِحِینَ أَجْزَأَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫৬৫) হযরত আতা (রাঃ) বলেন, তাশাহহুদ বলার পর যদি তিনি অযু ভঙ্গ করেন, আস-সালামু আলা -য়ি - না ওয়া ওয়া-লি -ই- ইবাদ -ই-আল্লাহ-ই-সালিহি- নি বলে, তাহলে তার প্রার্থনা সম্পূর্ণ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস