
(۸۵۰۶) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا الْکَلْبِیُّ ، عَنْ أَبِی صَالِحٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ : لَمَّا نَزَلَ نِکَاحُ زَیْنَبَ انْطَلَقَ زَیْدُ بْنُ حَارِثَۃَ حَتَّی اسْتَأْذَنَ عَلَی زَیْنَبَ ، قَالَ : فَقَالَتْ زَیْنَبُ : مَا لِی وَلِزَیْدٍ ، قَالَ : فَأَرْسَلَ إلَیْہَا فَقَالَ : إنِّی رَسُولُ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إلَیْکِ ، قَالَ : فَأَذِنَتْ لَہُ ، فَبَشَّرَہَا أَنَّ اللَّہَ قَدْ زَوَّجَہَا مِنْ نَبِیِّہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : فَخَرَّتْ سَاجِدَۃً لِلَّہِ شُکْرًا۔ (ابن سعد ۱۰۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫০৬) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর সঙ্গে মুমিনদের মা হযরত জয়নাবের বিবাহ সংক্রান্ত আয়াত নাজিল হলে হযরত যায়েদ ইবনে হারিথা ( রা . ) জিজ্ঞেস করলেন প্রবেশের অনুমতি । তার কন্ঠস্বর শুনে হযরত জিনাত বললেন , মীরা ও জায়েদের মধ্যে সম্পর্ক কি ? তিনি একটি বার্তা পাঠিয়ে বললেন যে, আমি আল্লাহর রাসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর বার্তাবাহক এবং আমি তোমাদের কাছে একটি বার্তা নিয়ে এসেছি । তারা হজরত যায়েদকে প্রবেশের অনুমতি দেন , তারপর হজরত যায়েদ হজরত জয়নবকে সুসংবাদ দেন যে , আল্লাহ তায়ালা তাকে তাঁর নবীর সঙ্গে বিয়ে দিয়েছেন । একথা শুনে আমি হযরত জয়নাবুল্লাহ তায়ালাকে ধন্যবাদ জানাতে সিজদা করলাম
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۰۷) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مُغِیرَۃُ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ : أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ سَجْدَۃَ الْفَرَحِ ، وَیَقُولُ : لَیْسَ فِیہَا رُکُوعٌ وَلاَ سُجُودٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫০৭) হজরত মুগীরাহ বলেন , হজরত ইব্রাহীম (আ.) সুখের সিজদাকে জঘন্য বলে ঘোষণা করেছেন এবং তিনি বলতেন সুখের রুকু - সিজদা নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۰۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حَدَّثَنَا سُوَیْد بْنُ عُبَیْدٍ الْعِجْلِیّ ، عَنْ أَبِی مُؤَمَّنٍ الْوَاثِلِیِّ قَالَ : شَہِدْتُ عَلِیًّا لَمَّا أُتِیَ بِالْمُخْدَجِ سَجَدَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫০৮ ) হজরত আবু মু’মিন ওয়াসিল বলেন , ত্রুটিপূর্ণ প্রকৃতির এক ব্যক্তিকে হযরত আলী (রা. ) - এর কাছে আনা হলে তিনি তাকে দেখে কৃতজ্ঞতায় সিজদা করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۰۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : سَجْدَۃُ الشُّکْرِ بِدْعَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8509) হজরত ইব্রাহিম বলেন , সেজদা একটি বিদআত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۱۰) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ زَرْبِیٍّ ، قَالَ : حَدَّثَنَا رَبَّانُ بْنُ صَبِرَۃَ الْحَنَفِیُّ : أَنَّہُ شَہِدَ یَوْمَ النَّہْرَوَانِ ، قَالَ : وَکُنْتُ فِیمَنِ اسْتَخْرَجَ ذَا الثُّدَیَّۃِ فَبُشِّرَ بِہِ عَلِیًّا قَبْلَ أَنْ یَنْتَہِیَ إلَیْہِ ، فَانْتَہَیْنا إلَیْہِ وَہُوَ سَاجِدٌ فَرِحًا بِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫১০) হযরত রাব্বান বিন সাবরা হানাফী বলেন , তিনি নাহরওয়ানে উপস্থিত ছিলেন । তিনি বলেন , আমি সেই লোকদের মধ্যে একজন যারা যুল সাদিয়াহ পাঠ করত । আমরা হযরত আলী (রাঃ)-এর কাছে পৌঁছানোর আগেই তাঁকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছিল এবং যখন আমরা তাঁর কাছে পৌঁছলাম, তখন তিনি খুশিতে সিজদা করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۱۱) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ حُبَابٍ قَالَ : حدَّثَنَا مُوسَی بْنُ عُبَیْدَۃَ ، عَنْ قَیْسِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی صَعْصَعَۃَ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاہِیمَ ، عَن أَبِیہِ ، عَنْ جَدِّہِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ ، قَالَ : انْتَہَیْتُ إلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَہُوَ ساجِدٌ ، فَلَمَّا انْصَرَفَ قُلْتُ : أَطَلْت السُّجُودَ ، قَالَ : إنِّی سَجَدْتُ شُکْرًا لِرَبِّی فِیمَا أَبْلاَنِی فِی أُمَّتِی۔ (احمد ۱/۱۹۱۔ ابو یعلی ۸۴۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫১১ ) হজরত আবদ আল-রহমান ইবনে আউফ বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - এর খেদমতে হাজির হয়েছিলাম , যখন তিনি সিজদাহ থেকে মাথা উঠিয়েছিলেন হে আল্লাহর রাসূল ! সেজদা লম্বা করেছ ! তিনি বলেন , আমি সেজদা করলাম কারণ আল্লাহ তায়ালা মরিয়ম জাতির ব্যাপারে আমার প্রতি অনুগ্রহ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۱۲) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی صَالِحٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : أَبْصَرَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ سَعْدًا وَہُوَ یَدْعُو بِإِصْبَعَیْہِ ، قَالَ : فَقاَلَ لَہُ : یَا سَعد أَحِّد أَحِّد۔ (ترمذی ۳۵۵۷۔ ابوداؤد ۱۴۹۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫১২) হজরত আবু হারি রাহ. -এর সূত্রে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজরত সাদ ( রা. ) - কে নামাযে দুই আঙুল দিয়ে দুআ করতে দেখলেন , তারপর বললেন , হে সাদ! এই আঙুল দিয়ে নামাজ পড় , এই আঙুল দিয়ে নামাজ পড়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۱۳) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ : أَنَّہُ رَأَی رَجُلاً یَدْعُو بِإِصْبَعَیْہِ کِلْتَیْہِمَا فَنَہَاہُ ، وَقَالَ بِإِصْبَعٍ وَاحِدَۃٍ بِالْیُمْنَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫১৩ ) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , হজরত আবু হুরায়রা (রা.) এক ব্যক্তিকে উভয় তর্জনী দিয়ে নামায পড়তে দেখে বললেন , এই আঙুল দিয়ে এবং ডান আঙুল দিয়ে নামায পড় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۱۴) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ رَاشِدٍ أَبِی سَعْدٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبْزَی ، قَالَ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إذَا جَلَسَ فِی الصَّلاَۃ وَضَعَ یَدَہُ عَلَی فَخِذِہِ یُشِیرُ بِإِصْبَعِہِ فِی الدُّعَائِ۔ (مسلم ۴۰۸۔ ابوداؤد ۹۷۹)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫১৪ ) হজরত সাঈদ বিন আবদ আল - রহমান বিন আবযী বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাতে দাঁড়াতেন , তখন তিনি তাঁর উরুর ওপর হাত রাখতেন এবং ইশারা করতেন আঙুল
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۱۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ التَّمِیمِیِّ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : ہُوَ الإِخْلاَصُ ، یَعْنِی الدُّعَائَ بِالأَصْبَعِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫১৫) হজরত ইবনে আব্বাস (রা) বলেন , আঙুল দিয়ে সালাত আদায় করা হল আন্তরিকতা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۱۶) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ ، عَنْ سُلَیْمَانَ بْنِ أَبِی یَحْیَی، قَالَ: کَانَ أَصْحَابُ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَأْخُذُ بَعْضُہُمْ عَلَی بَعْضٍ ، یَعْنِی الإِشَارَۃَ بِالأَصْبَعِ فِی الدُّعَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫১৬) হযরত সালিমান ইবনে আবি রা ইয়াহইয়া বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর সাহাবীগণ নামায পড়ার সময় আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۱۷) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الأَسْوَدِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، أَنَّہُ قَالَ : الدُّعَائُ ہَکَذَا وَأَشَارَ بِإِصْبَعٍ وَاحِدَۃٍ مِقْمَعَۃُ الشَّیْطَانِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫১৭) হযরত মুজাহিদ বলেন , নামাজের সময় আঙুল দিয়ে ইশারা করা শয়তানকে চাবুক মারার মতো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۱۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ أَبِی عَلْقَمَۃَ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، قَالَتْ : إنَّ اللَّہَ یُحِبُّ أَنْ یُدْعاَ ہَکَذَا وَأَشَارَتْ بِإِصْبَعٍ وَاحِدَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫১৮ ) হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন , আল্লাহ তায়ালা নামায পড়া পছন্দ করেন । এটা করা যাক . একথা বলার পর আঙুল দিয়ে ইশারা করলেন ...
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۱۹) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ سَلَمَۃَ بْنِ عَلْقَمَۃَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِیرِینَ ، عَنْ کَثِیرِ بْنِ أَفْلَحَ ، قَالَ : صَلَّیْتُ ، فَلَمَّا کَانَ فِی آخِرِ الْقَعْدَۃِ قُلْتُ ہَکَذَا وَأَشَارَ ابْنُ عُلَیَّۃَ بِإِصْبَعَیْہِ ، فَقَبَضَ ابْنُ عُمَر ہَذِہِ ، یَعْنِی الْیُسْرَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫১৯ ) হযরত কাশির ইবনে আফলাহ বলেন , আমি কাদা আখিরা রাহমিন শাহাদাতের উভয় আঙ্গুল উঠিয়ে নামায পড়লাম । হজরত ইবনে উমর ( রা ) মরিয়মের আঙুল ধরলেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۲۰) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ : أَنَّہُ کَانَ یُشِیرُ بِإِصْبَعِہِ فِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫২০) হজরত আতা বলেন , হজরত ইবনে উমর (রা . ) নামাজের সময় আঙুল দিয়ে দোয়ার ইশারা করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۲۱) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ طلحۃ ، عَنْ خَیْثَمَۃَ : أَنَّہُ کَانَ یَعْقِدُ ثَلاَثًا وَخَمْسِینَ ، وَیُشِیرُ بِإِصْبَعِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫২১) হজরত তালহা বলেন , হযরত খায়সামা তৃতীয় পিন পর্যন্ত আঙুল দিয়ে গণনা করতেন এবং আঙুল দিয়ে নামাজের ইশারা করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۲۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : کَانُوا إذَا رَأَوْا إنْسَانًا یَدْعُو بِإِصْبَعَیْہِ ضَرَبُوا إحْدَاہُمَا وَقَالُوا : إنَّمَا ہُوَ إلَہٌ وَاحِدٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫২২ ) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , পূর্বসূরিরা যখন কাউকে নামাযে দুই আঙুল দিয়ে ইশারা করতে দেখত , তখন তার আঙুলে আঘাত করতেন এবং বলতেন যে , আল্লাহ !
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۲۳) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إذَا أَشَارَ الرَّجُلُ بِإِصْبَعِہِ فِی الصَّلاَۃ فَہُوَ حَسَنٌ وَہُوَ التَّوْحِیدُ ، وَلَکِنْ لاَ یُشِیرُ بِإِصْبَعَیْہِ ، فَإِنَّہُ یُکْرَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫২৩ ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , যদি কোনো ব্যক্তি তার নামাজের সময় আঙুল দিয়ে ইশারা করে তবে তা উত্তম এবং তা তাওহীদের বহিঃপ্রকাশ । তবে দুই আঙুল দিয়ে ইশারা করবেন না , এটা জঘন্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۲۴) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ : أَنَّ أَبَاہُ کَانَ یُشِیرُ بِإِصْبَعِہِ فِی الدُّعَائِ ، وَلاَ یُحَرِّکُہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫২৪) হজরত হিশাম বিন আরওয়া বলেন, তার পিতা নামাজ পড়ার সময় আঙুল দিয়ে ইশারা করতেন , নড়াচড়া করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۲۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ مِسْعَرٍ، عَنْ مَعْبَدِ بْنِ خَالِدٍ، عَنْ قَیْسِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ: کَانَ لاَ یُزَادُ ہَکَذَا وَأَشَارَ بِإِصْبَعِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫২৫) হজরত মাবাদ ইবনে খালিদ বলেন , হজরত কায়েস ইবনে সাদ এর চেয়ে বেশি কিছু করেননি । একথা বলার পর আঙুল দিয়ে ইশারা করলেন ...
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۲۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ قُدَامَۃَ ، عَنْ مَالِکِ بْنِ نُمَیْرٍ الْخُزَاعِیِّ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : رَأَیْتُُ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ جَالِسًا فِی الصَّلاَۃ وَاضِعًا یَدَہُ الْیُمْنَی عَلَی فَخِذِہِ یُشِیرُ بِإِصْبَعِہِ۔ (ابوداؤد ۹۸۳۔ ابن حبان ۱۹۴۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( 8526 ) হজরত নিমির খুযায়ী বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নামাযে বসে থাকতে দেখেছি । তাঁর হাত তাঁর উরুর উপর রাখা ছিল এবং তিনি আঙুল দিয়ে ইশারা করছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۲۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی صَالِحٍ : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ رَأَی سَعْدًا یَدْعُو بِإِصْبَعَیْہِ، فَقَالَ : أَحِّدْ ، أَحِّدْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫২৭) হজরত আবু সালেহ (রা.) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজরত সাদ (রা . ) -কে নামাযের সময় দুটি আঙুল দিয়ে দুআ করলেন এবং বললেন , হে সাদ ! এই আঙুল দিয়ে নামাজ পড় , এই আঙুল দিয়ে নামাজ পড়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۲۸) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ ، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ ، عَنْ عَامِرِ بْنِ عَبْدِ اللہِ بْنِ الزُّبَیْرِ ، عَنْ أَبِیہِ ،قَالَ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، إِذَا قَعَدَ یَدْعُو، وَضَعَ یَدَہُ الْیُمْنَی عَلَی فَخِذِہِ الْیُمْنَی ، وَیَدَہُ الْیُسْرَی عَلَی فَخِذِہِ الْیُسْرَی ، وَأَشَارَ بِإِصْبَعِہِ السَّبَّابَۃِ ، وَوَضَعَ إِبْہَامَہُ عَلَی إِصْبَعِہِ الْوُسْطَی ، وَیُلْقِمُ کَفَّہُ الْیُسْرَی رُکْبَتَہُ۔ (مسلم ۱۱۳۔ ابوداؤد ۹۸۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫২৮) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইর ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কায়দাতে বসতেন , তখন তিনি তার ডান হাত ডান উরুর ওপর রাখতেন এবং বাম হাত রাখতেন তার বাম উরুতে হাত । তিনি তার তর্জনী দিয়ে নির্দেশ করবেন এবং তার মধ্যমা আঙ্গুলের উপর তার বুড়ো আঙুল রাখবেন এবং তার বাম হাতের তালু তার হাঁটুতে রাখবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۲۹) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ کُلَیْبٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَاضِعًا حَدَّ مِرْفَقہِ الأَیْمَنَ عَلَِ فَخِذِہِ الْیُمْنَی ، وَحَلَّقَ بِالإِبْہَامِ وَالْوُسْطَی ، وَرَفَعَ الَّتِی تَلِی الإِبْہَامَ یَدْعُو بِہَا۔ (ابوداؤد ۷۲۶۔ احمد ۴/۳۱۹)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫২৯ ) হজরত ওয়াইল ইবনে হাজার বলেন , নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ডান কনুইয়ের প্রান্ত ডান উরুর ওপর রাখলেন , তারপর তার বুড়ো আঙুল ও অভ্যন্তরীণ উরুতে আঙুল দিয়ে বৃত্ত তৈরি করলেন বুড়ো আঙুলের পাশে আঙুল তুলে দোয়া করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۳۰) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ أَبِی زِیَادٍ ، عَنْ سُلَیْمَانَ بْنِ عَمْرِو بْنِ الأَحْوَص ، قَالَ : أَخْبَرَنِی أَبُو ہِلاَلٍ ، عَنْ أَبِی بَرْزَۃَ : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ دَعَا عَلَی رَجُلَیْنِ فَرَفَعَ یَدَیْہِ۔ (ابویعلی ۷۴۴۰)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫৩০) হজরত আবু বারজা বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুজন ব্যক্তিকে অভিশাপ দেওয়ার সময় হাত উঠিয়েছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۳۱) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنِ الْجُرَیرِیِّ ، عَنْ حَیَّانَ بْنِ عُمَیْرٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَمُرَۃَ : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ رَفَعَ یَدَیْہِ ، یَعْنِی فِی الدُّعَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫৩১) হজরত আবদ আল-রহমান বিন সামরা (রা . ) বলেন যে , নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’হাত তুলে দোয়া করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۳۲) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ ابْنِ أَبِی ذُبابٍ ، عَنْ سَہْلِ بْنِ سَعْدٍ ، قَالَ : مَا رَأَیْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ شَاہِرًا یَدَیْہِ فِی الدُّعَائِ عَلَی مِنْبَرٍ وَلاَ غَیْرِہِ ، وَلَقَدْ رَأَیْتُ یَدَیْہِ حَذْوَ مَنْکِبَیْہِ وَیَدْعُو۔ (ابوداؤد ۱۰۹۸۔ احمد ۵/۳۳۷)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫৩২ ) হজরত সাহল ইবনে সাদ ( রা . ) বলেন , আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাঁর বরকতময় মাথার ওপরে হাত উঠাতে দেখিনি , মিম্বরের ওপরও না । যাইহোক, আপনি আপনার কাঁধের মতো উঁচুতে হাত তুলতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۳۳) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ عَوَّامٍ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ أَنَسٍ : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ لاَ یَرْفَعُ یَدَیْہِ فِی شَیْئٍ مِنَ الدُّعَائِ إِلاَّ فِی الاِسْتِسْقَائِ۔ (بخاری ۱۰۳۱۔ ابوداؤد ۱۱۶۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫৩৩) হজরত আনাস (রা) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) দুআ ব্যতীত অন্য কোন সময় দু’আতে হাত উঠাতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۳۴) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنِ الْمُسَیَّبِ بْنِ رَافِعٍ ، عَنْ تَمِیمِ بْنِ طَرَفَۃَ ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَۃَ ، قَالَ : خَرَجَ عَلَیْنَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : مَا لِی أَرَاکُمْ رَافِعِی أَیْدِیکُمْ کَأَنَّہَا أَذْنَابُ خَیْلٍ شُمْسٍ ، اُسْکُنُوا فِی الصَّلاَۃ۔ (مسلم ۱۱۹۔ ابوداؤد ۹۰۹)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫৩৪ ) হজরত জাবির ইবনে সামরা বলেন , একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাছে এসে বললেন , আমি তোমাদের হাত ধরে দোয়া করছি কেন আমি বিদ্রোহী ও অবাধ্য ঘোড়ার লেজের মতো দেখতে পাচ্ছি ? প্রার্থনায় শান্তি বেছে নিন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۳۵) حَدَّثَنَا سَہْلُ بْنُ یُوسُفَ ، عَنْ حُمَیْدٍ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : سُئِلَ ہَلْ کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَرْفَعُ یَدَیْہِ ؟ فَقَالَ : نَعَمْ شَکَا إلَیْہِ النَّاسُ ذَاتَ جُمُعَۃٍ فَقَالُوا : یَا رَسُولَ اللہِ قَحَطَ الْمَطَرُ وَأَجْدَبَتِ الأَرْضُ وَہَلَکَ الْمَالُ ، قَالَ : فَرَفَعَ یَدَیْہِ وَدَعَا حَتَّی رَأَیْتُ بَیَاضَ إبِطَیْہِ۔ (بخاری ۶۱۲۔ مسلم ۶۱۲)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫৩৫ ) হযরত আনাস (রাঃ ) কে জিজ্ঞেস করা হল যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি হাত উঠাতেন ? তিনি বললেন, হ্যাঁ, একবার শুক্রবারে লোকেরা এক বছরের দুর্ভিক্ষের অভিযোগ নিয়ে আপনার কাছে এসে বলল , হে আল্লাহর রাসূল ! বৃষ্টি হচ্ছে না , জমি অনুর্বর হয়ে গেছে , সম্পত্তি ধ্বংস হয়ে গেছে আপনি হাত তুলে দোয়া করলেন । এই উপলক্ষ্যে আমিও তোমার বগলের শুভ্রতা দেখতে পেতাম
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস