
(۸۴۷۶) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ ہِلالِ بْنِ مَیْمُونٍ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ یَزِیدَ اللَّیْثِیِّ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ الْخُدْرِیِّ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : صَلاَۃُ الرَّجُلِ فِی جَمَاعَۃٍ تَزِیدُ عَلَی صَلاَتِہِ وَحْدَہُ خَمْسًا وَعِشْرِینَ دَرَجَۃً ، وَإِنْ صَلاَّہَا بِأَرْضِ فَلاَۃٍ فَأَتَمَّ وُضُوئَہَا وَرُکُوعَہَا وَسُجُودَہَا بَلَغَتْ صَلاَتُہُ خَمْسِینَ دَرَجَۃً۔ (ابوداؤد ۵۶۱۔ ابن ماجہ ۷۸۸)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪৭৬ ) হযরত আবু সাঈ দাখদরী ( রাঃ ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , জামাতের নামায এক সালাতের পঁচিশ ওয়াক্ত । যদি কেউ বনে নামায পড়ে , ভালোভাবে ওযু করে , তারপর রুকু ও সিজদা করে , তাহলে তার নামায পঞ্চাশ ডিগ্রিতে পৌঁছে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۷۷) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : تَفْضُلُ الصَّلاَۃ فِی الْجَمِیعِ عَلَی صَلاَۃِ الرَّجُلِ وَحْدَہُ خَمْسًا وَعِشْرِینَ دَرَجَۃً۔ (بخاری ۶۴۸۔ مسلم ۲۴۵)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪৭৭ ) হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , একটি জামাতের নামাজ এক সালাতের চেয়ে পঞ্চাশ গুণ বেশি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۷۸) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، قَالَ : حدَّثَنَا عُبَیْدِ اللہِ بْنُ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : صَلاَۃُ الرَّجُلِ فِی جَمَاعَۃٍ تَفْضُلُ عَلَی صَلاَتِہِ وَحْدَہُ بِسَبْعٍ وَعِشْرِینَ دَرَجَۃً۔ (مسلم ۴۵۱۔ ابن ماجہ ۷۸۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৪৭৮) হজরত ইবনে ওমর ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , একটি জামাতের সালাত এক সালাতের চেয়ে বিশ গুণ বেশি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۷۹) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو ، عَنْ أَبِی سَلَمَۃَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : الصَّلاَۃ فِی الْجَمَاعَۃِ تَزِیدُ عَلَی صَلاَۃِ الْفَذِّ خَمْسًا وَعِشْرِینَ دَرَجَۃً۔ (بخاری ۶۴۸۔ مسلم ۴۵۰)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪৭৯ ) হজরত আবু হুরায়রা ( রা ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , একটি জামাতের সালাত এক সালাতের চেয়ে পঞ্চাশ গুণ বেশি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۸۰) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ ، عَنْ دَاوُدَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : فَضْلُ صَلاَۃِ الْجَمَاعَۃِ عَلَی صَلاَۃِ الرَّجُلِ وَحْدَہُ أَرْبَعٌ وَعِشْرُونَ دَرَجَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪৮০ ) হজরত আবু হারি রহ : বলেন , একক নামাজের চেয়ে জামাতের নামাজ চব্বিশ গুণ বেশি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۸۱) حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ خَلِیفَۃَ ، عَنْ أَبِی مَالِکٍ الأَشْجَعِیِّ ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : تُضَاعَفُ صَلاَۃُ الْجَمَاعَۃِ عَلَی صَلاَۃِ الْوَحْدَۃِ خَمْسًا وَعِشْرِینَ دَرَجَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪৮১ ) হজরত আবু হারি রাহ . বলেন , একক নামাজের চেয়ে জামাতের নামাজ পাঁচশ গুণ বেশি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۸۲) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ أَبِی حَصِینٍ ، عَنْ أَبِی الأَحْوَص ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : صَلاَۃُ الرَّجُلِ فِی جَمَاعَۃٍ أَفْضَلُ مِنْ صَلاَتِہِ فِی سُوقِہِ أَوْ وَحْدَہُ ببِضْعٍ وَعِشْرِینَ دَرَجَۃً ، قَالَ : وَکَانَ یُؤْمَرُ أَنْ یُقَارَبَ بَیْنَ الْخُطَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৪৮২) হজরত আবদুল্লাহ বলেন, একজন ব্যক্তি জামাতে নামাজ পড়ার সওয়াব পায় । অথবা একক সালাত আদায় করলে তা বিশ গুণ বৃদ্ধি পায় । সে বলে মসজিদের দিকে আসতে ছোট ছোট পদক্ষেপ নিতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۸۳) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ ثَابِتِ بنِ عُبَیْدٍ ، قَالَ : دَخَلْنَا عَلَی زَیْدِ بْنِ ثَابِتٍ وَہُوَ یُصَلِّی عَلَی حَصِیرٍ یَسْجُدُ عَلَیْہِ ، وَقَالَ : فَضْلُ صَلاَۃِ الْجَمَاعَۃِ عَلَی صَلاَۃِ الْوَحْدَۃِ خَمْسٌ وَعِشْرُونَ دَرَجَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৪৮৩) হজরত সাবিত বিন উবাইদ বলেন , আমরা হজরত যায়েদ বিন সাবিত (রা.) -এর কাছে এলাম , তিনি একটি মাদুরে নামায পড়ছিলেন । তিনি বলেন , জামাতের নামাজ ব্যক্তিগত নামাজের চেয়ে পঞ্চাশ - পঞ্চাশ গুণ বেশি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۸۴) حَدَّثَنَا الثَّقَفِیُّ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : الصَّلاَۃ مَعَ الإِمَامِ تَفْضُلُ عَلَی صَلاَتِہِ وَحْدَہُ سَبْعًا وَعِشْرِینَ دَرَجَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৪৮৪) হজরত ইবনে উমর (রা.) বলেন , ইমামের সঙ্গে সালাত আদায় করা একাকী নামায পড়ার চেয়ে সাতাশ গুণ বেশি শক্তিশালী ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۸۵) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ قَیْسٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : فَضْلُ صَلاَۃِ الْجَمَاعَۃِ عَلَی صَلاَۃِ الْوَحْدَۃِ خَمْسٌ وَعِشْرُونَ دَرَجَۃً ، فَإِنْ کَانُوا أَکْثَرَ فَعَلَی عَدَدِ مَنْ فِی الْمَسْجِدِ ، فَقَالَ رَجُلٌ : وَإِنْ کَانُوا عَشْرَۃَ الأَفٍ ؟ قَالَ : نَعَمْ وَإِنْ کَانُوا أَرْبَعِینَ أَلْفًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪৮৫ ) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) বলেন , জামাতের নামাজ এক নামাজের মাধ্যমে আদায় করা হয় । বেশি লোক থাকলে মসজিদে উপস্থিত লোকের সমান সওয়াব । জনৈক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলেন , দশ হাজার লোক হলে সওয়াব কত ? তিনি বলেন, চল্লিশ হাজার হলে চল্লিশ হাজার সওয়াব হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۸۶) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سُوقَۃَ ، عَنْ رَجُلٍ ، عَنْ کَعْبٍ ، قَالَ : عَلَی عَدَدِ مَنْ فِی الْمَسْجِدِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৪৮৬) হযরত কাব (রাঃ) বলেন, জামাতের সাথে সালাত আদায় করলে মসজিদে উপস্থিত লোকের সমান সওয়াব পাওয়া যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۸۷) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، عَنْ کَثِیرِ بْنِ أَفْلَحَ ، قَالَ : کُنَّا بِالْمَدِینَۃِ فِی دَارِ أَبِی یُوسُفَ فِی حِسَابٍ لَنَا نَحْسِبُہُ وَمَعَنَا زَیْدُ بْنُ ثَابِتٍ ، فَقَالَ : صَلاَۃُ الرَّجُلِ مَعَ الإِمَامِ تُضَعَّفُ عَلَی صَلاَتِہِ وَحْدَہُ بِضْعًا وَعِشْرِینَ دَرَجَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪৮৭) হজরত কাশির ইবনে আফলাহ বলেন , আমরা মদীনায় হজরত আবু ইউসুফ ( রা . ) - এর গৃহে হিসাব - নিকাশের জন্য উপস্থিত ছিলাম । জায়েদ বিন সাবিতও আমাদের সাথে ছিলেন । তিনি বলেন , ইমামের সাথে সালাত আদায় করা একাকী সালাত আদায়ের চেয়ে বিশ গুণ বেশি উত্তম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۸۸) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِی الأَحْوَص ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : تَزِیدُ صَلاَۃُ الرَّجُلِ فِی جَمَاعَۃٍ عَلَی صَلاَتِہِ وَحْدَہُ أَرْبَعًا وَعِشْرِینَ دَرَجَۃً ، أَوْ خَمْسًا وَعِشْرِینَ دَرَجَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪৮৮ ) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , জামাতের নামাজ একক নামাজের চেয়ে চব্বিশ ডিগ্রি বা পঁচিশ গুণ বেশি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۸۹) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ بْنِ قَتَادَۃَ ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ لَبِیدٍ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إیَّاکُمْ إیَّاکُمْ وَشِرْکَ السَّرَائِرِ ، قَالُوا : وَمَا شِرْکُ السَّرَائِرِ؟ قَالَ: أَنْ یَقُومَ أَحَدُکُمْ یُزَیِّنُ صَلاَتَہُ جَاہِدًا لِیَنْظُرَ النَّاسُ إلَیْہِ ، فَذَلِکَ شِرْکُ السَّرَائِرِ۔ (بیہقی ۲۹۰۔ احمد ۵/۴۲۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৪৮৯) হজরত মাহমুদ বিন লাবায়েদ ( রা ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন, তোমরা গোপন শিরক থেকে সাবধান থাক , গোপন শিরক থেকে সাবধান থাক। লোকে জিজ্ঞেস করল লুকানো শিরক কি ? তিনি বলেন , একজন ব্যক্তির উচিত সালাতকে সুন্দর করা যাতে লোকেরা তা দেখতে পায় এটা লুকানো শিরক।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۹۰) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِی الأَحْوَص ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : مَنْ صَلَّی صَلاَۃً وَالنَّاسُ یَرَوْنَہُ فَلْیُصَلِّ إذَا خَلاَ مِثْلَہَا وَالأَ فَإِنَّمَا ہِیَ اسْتِہَانَۃٌ یَسْتَہِینُ بِہَا رَبَّہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪৯০ ) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , যে ব্যক্তি লোকদের সামনে নামাজ পড়ে সে যেন এক সিসা নিয়ে নামাজ পড়ে , অন্যথায় সে তার প্রভুকে অপমান করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۹۱) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ رَجُلٍ ، عَنْ حُذَیْفَۃَ مِثْلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 8491 ) এছাড়াও হযরত হুযীফা রা এটা হস্তান্তরযোগ্য নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۹۲) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ بُرْدٍ ، عَنْ سُلَیْمَانَ بْنِ مُوسَی ، عَنْ عَائِشَۃَ ، قَالَتْ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یُصَلِّی فِی الثَّوْبِ الَّذِی یُجَامِعُ فِیہِ۔ (احمد ۲۱۷)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪৯২) হজরত আয়েশা ( রাঃ ) বলেন , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে পোশাকে সহবাস করতেন সে পোশাকেই নামায পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۹۳) حَدَّثَنَا أَسْبَاطُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ عُمَیْرٍ ، قَالَ : سَأَلَ رَجُلٌ جَابِرَ بْنَ سَمُرَۃَ أُصَلِّی فِی الثَّوْبِ وَأُجَامِعُ فِیہِ ؟ قَالَ : إِنْ أَصَابَہُ شَیْئٌ فَاغْسِلْہُ ، وَإِن لَم یُصبہ شَیْئٌ فَلاَ بَأْسَ أَنْ تُصَلِّیَ فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪৯৩ ) হজরত আবদুল মুলক ইবনে উমায়র বলেন , এক ব্যক্তি হজরত জাবির ইবনে সামরা ( রা. ) - কে জিজ্ঞেস করলেন , আমি এই পোশাকে নামায পড়তে পারি কি না ? তিনি বলেন , কাপড়ে কিছু লেগে গেলে ধুয়ে ফেলুন , যদি গায়ে কিছু না থাকে তাহলে ওই কাপড়ে নামায পড়তে ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۹۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ بَشِیرٍ، عَنْ أَبِی حَازِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: إنَّ ہَذِہِ لَتَعْلَمُ أَنَّا نُجَامِعُ فِیہِ وَنُصَلِّی فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪৯৪ ) হজরত ইবনে উমর ( রা . ) বলেন যে , আমরা যে পোশাকে সহবাস করি সে পোশাকেই আমরা নামাজ পড়ি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۹۵) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ السَّائِبِ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ : سُئِلَ عَنِ الثَّوْبِ الَّذِی یُجَامِعُ فِیہِ أَیُصَلِّی فِیہِ ؟ قَالَ : قُلْتُ : نَعَمْ ، قُلْتُ : فَأَنْضَحُہُ بِالْمَائِ ؟ قَالَ : لاَ یَزِیدُہ إِلاَّ نَتَنًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৪৯৫) হজরত শাবিকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে , কোন পুরুষ যে পোশাকে সহবাস করেছে তাতে সে সহবাস করতে পারবে কি না ? সে হ্যাঁ বলেছে . তাকে জিজ্ঞেস করা হলো তার উপর পানি ছিটানো হবে কি না ? তিনি বলেন , এতে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হবে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۹۶) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ حُبَابٍ ، عَنْ مُعَاوِیَۃَ بْنِ صَالِحٍ قَالَ : حدَّثَنِی ضَمْرَۃُ بْنُ حَبِیبٍ ، قَالَ : حَدَّثَنِی مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی سُفْیَانَ الثَّقَفِیُّ ، أَنَّ أُمَّ حَبِیبَۃَ زَوْجَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَتْ : رَأَیْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یُصَلِّی فِی ثَوْبٍ عَلَیَّ وَعَلَیْہِ کَانَ فِیہِ مَا کَانَ۔ (بخاری ۲۸۸۔ احمد ۶/۳۲۵)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪৯৬ ) হজরত মুহাম্মদ ইবনে আবি সূফী বলেন যে , উম্মুল মুমিনীন , হজরত উম্মে হাবী ( রা . ) বলেন , আমি এই কাপড়টি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দিয়েছিলাম , যা ছিল আমি এবং তোমার উপর, এবং আমার যা ঘটেছে তা ঘটেছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۹۷) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ أَبِی حَبِیبٍ ، عَنْ سُوَیْد بْنِ قَیْسٍ ، عَنْ مُعَاوِیَۃَ بْنِ حُدَیْجٍ ، عَنْ مُعَاوِیَۃَ بْنِ أَبِی سُفْیَانَ : أَنَّہُ سَأَلَ أُمَّ حَبِیبَۃَ ابْنَۃَ أَبِی سُفْیَانَ ہَلْ کَانَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یُصَلِّی فِی الثَّوْبِ الَّذِی کَانَ یُجَامِعُہَا فِیہِ ؟ قَالَتْ : نَعَمْ إذَا لَمْ یَرَ فِیہِ أَذًی۔ (ابوداؤد ۳۶۹۔ احمد ۶/۴۲۷)
থেকে বর্ণিতঃ
( 8497 ) হজরত মুয়াবিয়া ইবনে আবি সূফী উম্মুল মুমিনীন হজরত উম্মে হাবি বাহ বিনতে আবি সূফীকে জিজ্ঞেস করলেন যে , আপনি কি যে পোশাক পরে সহবাস করেছেন তা কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পরেছিলেন ? তুমি বলেছিলে , হ্যাঁ , নোংরা না হলে এই কাপড়ে নামাজ পড়তে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۹۸) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ رَأَی رَجُلاً قَصِیرًا یُقَالُ لَہُ : زنیْمٌ فَسَجَدَ ، وَقَالَ : الْحَمْدُ لِلَّہِ الَّذِی لَمْ یَجْعَلْنِی مِثْلَ ہَذَا۔ (ابوداؤد ۲۷۶۸۔ ترمذی ۱۵۷۸)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৪৯৮) হজরত আবু জাফর (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে ‘ জিনাইম ’ ( খুঁটিপূর্ণ সৃষ্টি ) বলে এক ব্যক্তিকে একটি পেস্তা দিলেন । তাকে দেখে সে সিজদা করল এবং বলল , সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর যিনি আমাকে এমন করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۹۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا مِسْعَرٌ ، عَنْ أَبِی عَوْنٍ الثَّقَفِیِّ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَیدِ اللہِ ، عَنْ رَجُلٍ لَمْ یُسَمِّہِ ، أَنَّ أَبَا بَکْرٍ لَمَّا فَتَحَ الْیَمَامَۃَ سَجَدَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪৯৯ ) হজরত আবু বকর মামাকে জয় করার সময় সিজদা করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۰۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ قَالَ : حدَّثَنَا مِسْعَرٌ ، عَنْ أَبِی عَوْنٍ الثَّقَفِیِّ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ الْجَزَّارِ : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ مَرَّ بِہِ رَجُلٌ بِہِ زَمَانَۃٌ فَسَجَدَ ، وَأَبُو بَکْرٍ ، وَعُمَرُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫০০) হজরত ইয়াহইয়া ইবনে জাযর (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যার একটি বৃদ্ধা রোগ ছিল এবং হযরত আবু বকর ও উমর ( রা . ) দেখলেন তাকে এবং কৃতজ্ঞতায় সেজদা করল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۰۱) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ مُوسَی بْنِ عُبَیْدَۃَ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ أَسْلَمَ ، عْن أَبِیہِ : أَنَّ عُمَرَ أَتَاہُ فَتْحٌ مِنْ قِبَلِ الْیَمَامَۃِ فَسَجَدَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫০১ ) হজরত আসলাম বলেন , হজরত ওমর যখন মামার বিজয়ের বার্তা পেলেন , তখন তিনি সিজদা করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۰۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ قَیْسٍ الْہَمْدَانِیِّ ، عَنْ شَیْخٍ لَہُمْ یُکَنَّی أَبَا مُوسَی قَالَ : شَہِدْتُ عَلِیًّا لَمَّا أُتِیَ بِالْمُخْدَجِ سَجَدَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫০২ ) হজরত আবু মূসা বলেন , একবার অসম্পূর্ণ দেহের এক ব্যক্তি হযরত আলী ( রা . ) - এর কাছে এসে সেজদা করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۰۳) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ قَیْسٍ ، عَنْ أَبِی مُوسَی : أَنَّ عَلِیًّا لَمَّا أُتِیَ بِالْمُخْدَجِ سَجَدَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৫০৩ ) হজরত আবু মূসা বলেন , একবার একজন অসম্পূর্ণ শারীরিক গঠন সম্পন্ন ব্যক্তিকে হযরত আলী ( রা .) - এর কাছে আনা হলে তিনি তাকে সিজদা করেন এবং ধন্যবাদ জানান ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۰۴) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ : أَنَّہُ کَرِہَ سَجْدَۃَ الشُّکْرِ ، قَالَ مَنْصُورٌ : وَبَلَغَنِی أَنَّ أَبَا بَکْرٍ وَعُمَرَ سَجَدَا سَجْدَۃَ الشُّکْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫০৪) হজরত ইব্রাহিম শুকরিয়ার সিজদা করাকে জঘন্য বলে ঘোষণা করেন এবং হজরত মনসুর বলেন , আমি জানতে পেরেছি যে , হজরত আবু বকর ও হজরত উমর শুকরিয়ার সিজদা করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۵۰۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ مَرَّ بنُغَاشِیٍّ فَسَجَدَ وَقَالَ : اسْأَلُوا اللَّہَ الْعَافِیَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৫০৫) হজরত আবু জাফর (রাঃ) বলেন , নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যেতেন যে ছিল খুবই খাটো , দুর্বল ও অপূর্ণ প্রকৃতির । তিনি তাকে দেখে সিজদা করলেন এবং ধন্যবাদ দিলেন এবং বললেন , আল্লাহ তায়ালার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৫০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস