(৪) ( ৮৯৫৮ ) আল হাসান বিন সালেহ , আশআতের সূত্রে , উসমান বিন আবি আল আস এর সূত্রে , তিনি বলেন: ْإُ السُّفْرَةَ فِي اَ يَّ عم غَيْ رِ حَيْ إِتِها , قَالِ : আপনি যদি বেড়েছে হে আল্লাহর মা [হাদিসের সীমা (৫০২৬-৮৯৫৮), সর্বমোট হাদিসঃ ৩৯৩৩টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৫১৩টি]



8446 OK

(৮৪৪৬)

সহিহ হাদিস

(۸۴۴۶) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَۃَ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، وَإِبْرَاہِیمَ : أَنَّہُمَا کَرِہَا الشُّرْبَ فِی الصَّلاَۃ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৮৪৪৬) হজরত হাজ্জাজ ও হজরত ইব্রাহীম ( আ . ) মাতাল হওয়া নামাজকে জঘন্য বলে ঘোষণা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8447 OK

(৮৪৪৭)

সহিহ হাদিস

(۸۴۴۷) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : لاَ یَحِلُّ الأَکْلُ فِی الصَّلاَۃ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৮৪৪৭ ) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , মাটি খাওয়া জায়েজ নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8448 OK

(৮৪৪৮)

সহিহ হাদিস

(۸۴۴۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ سُفْیَانَ، عَنْ لَیْثٍ، عَنْ طَاوُوسٍ، قَالَ: لاَ بَأْسَ بِالشُّرْبِ وَالإِمَام یَخْطُبُ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৮৪৪৮ ) হযরত তাউস বলেন , জুমার দিনে ইমামের খুতবা চলাকালীন মদ্যপানে কোনো ক্ষতি হয়নি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8449 OK

(৮৪৪৯)

সহিহ হাদিস

(۸۴۴۹) حَدَّثَنَا عَبْدُاللہِ بْنُ إدْرِیسَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَیْرِ: أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بَعَثَ عَبْدَ اللہِ بْنَ أُنَیْسٍ إلَی خَالِدِ بْنِ سُفْیَانَ ، قَالَ : فَلَمَّا دَنَوْتُ مِنْہُ وَذَلِکَ فِی وَقْتِ الْعَصْرِ خِفْتُ أَنْ یَکُونَ دُونَہُ مُحَاوَلَۃٌ أَوْ مُزَاوَلَۃٌ ، فَصَلَّیْتُ وَأَنَا أَمْشِی۔ (ابوداؤد ۱۲۴۳۔ احمد ۳/۴۹۶)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৮৪৪৯) হজরত মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে যুবাইর ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আনাইসকে খালিদ ইবনে সুফির কাছে পাঠালেন । তিনি বলেন , আমি যখন তাঁর কাছে পৌঁছলাম তখন আসরের সময় , আমি ভয় পেলাম যে তাঁর কাছে পৌঁছানোর জন্য আমাকে কিছু চেষ্টা করতে হবে । তাই হাঁটতে হাঁটতে নামাজ পড়লাম .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৪৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8450 OK

(৮৪৫০)

সহিহ হাদিস

(۸۴۵۰) حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الطَّیَالِسِیُّ ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ أَبِی جَعْفَرٍ ، عَنْ أَبِی الصَّہْبَائِ ، قَالَ : رَأَیْتُُ مُجَاہِدًا أَقْبَلَ مِنَ الْبَطْحَائِ ، فَلَمَّا انْتَہَی إلَی الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ قَرَأَ سَجْدَۃً فَسَجَدَ فَذَکَرْتُ ذَلِکَ لِعَطَائٍ ، قَالَ : وَمَا تَعْجَبُ مِنْ ذَا ؟ کَانَ أَصْحَابُ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یُصَلُّونَ وَہُمْ یَمْشُونَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৮৪৫০) হজরত আবু আল-সাহবা বলেন , আমি হজরত মুজাহিদকে দেখেছি , তিনি বাতাহা থেকে আসছিলেন, যখন তিনি মসজিদে হারামে পৌঁছলেন , তিনি সাজদার আয়াত পাঠ করলেন এবং সেজদা করলেন । আমি হযরত আতাকে এ কথা উল্লেখ করলাম , তিনি বললেন , এতে আশ্চর্যের কি আছে ? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর সাহাবীগণ হেঁটে নামায পড়তেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৫০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8451 OK

(৮৪৫১)

সহিহ হাদিস

(۸۴۵۱) حَدَّثَنَا مَخْلَدُ بْنُ یَزِیدَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِیزِ ، عَنْ مَکْحُولٍ ، قَالَ : سَأَلْتُُہُ عَنِ الرَّجُلِ یُصَلِّی وَہُوَ یَمْشِی ؟ قَالَ : لاَ بَأْسَ یُومِیئُ إیمَائً۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৮৪৫১ ) হজরত সাঈদ বিন আবদুল আযীয বলেন , আমি হযরত মাখুলকে জিজ্ঞেস করলাম , হেঁটে নামায পড়া যাবে কি না ? তিনি বলেন , ইঙ্গিত অনুযায়ী কোট পরলে তার কোনো দোষ নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৫১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8452 OK

(৮৪৫২)

সহিহ হাদিস

(۸۴۵۲) حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلاَمِ بْنُ حَرْبٍ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، قَالَ : إِنْ کَانَ أَحَدُنَا لیُصَلِّی وَہُوَ یَسْعَی ، یَعْنِی فِی الْحَرْبِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৮৪৫২ ) হযরত সাঈদ বিন জাবির বলেন , যুদ্ধের সময় আমরা হেঁটে নামায পড়তাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৫২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8453 OK

(৮৪৫৩)

সহিহ হাদিস

(۸۴۵۳) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ حُمَیْدٍ ، عَنِ الأَزْرَقِ بْنِ قَیْسٍ ، عَنْ أَبِی بَرْزَۃَ : أَنَّہُ صَلَّی وَہُوَ مُمْسِکٌ بِعَنَانِ دَابَّتِہِ وَہُوَ یَمْشِی۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৮৪৫৩) হজরত আজরাক বিন কায়স বলেন , হজরত আবু বারজা তার ঘোড়ার লাগাম ধরে হাঁটার সময় নামাজ পড়েছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8454 OK

(৮৪৫৪)

সহিহ হাদিস

(۸۴۵۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا قُدَامَۃُ الْعَامِرِیُّ ، عَنْ جَسْرَۃَ بِنْتِ دَجَاجَۃَ ، عَنْ أَبِی ذَرٍّ : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ رَدَّدَ ہَذِہِ الآیَۃَ حَتَّی أَصْبَحَ {إنْ تُعَذِّبْہُمْ ، فَإِنَّہُمْ عِبَادُکَ وَإِنْ تَغْفِرْ لَہُمْ فَإِنَّکَ أَنْتَ الْعَزِیزُ الْحَکِیمُ}۔ (نسائی ۱۰۸۳۔ احمد ۵/۱۷۰)


থেকে বর্ণিতঃ

(৮৪৫৪) হজরত আবু যর (রা.) বলেন , একদা মহানবী ( সা . ) সকাল পর্যন্ত এ আয়াতটি পুনরাবৃত্তি করতে থাকলেন ( অনুবাদ ) যদি আপনি তাদের শাস্তি দেন , তাহলে তারা আপনার বান্দা , যদি আপনি তাদের ক্ষমা করেন পরাক্রমশালী, জ্ঞানী।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8455 OK

(৮৪৫৫)

সহিহ হাদিস

(۸۴۵۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سَعِیدُ بْنُ عُبَیْدٍ الطَّائِیُّ ، قَالَ : سَمِعْتُ سَعِیدَ بْنَ جُبَیْرٍ وَہُوَ یُصَلِّی بِہِمْ فِی شَہْرِ رَمَضَانَ یُرَدِّدُ ہَذِہِ الآیَۃَ {فَسَوْفَ یَعْلَمُونَ إذِ الأَغْلاَلُ فِی أَعْنَاقِہِمْ وَالسَّلاَسِلُ یُسْحَبُونَ فِی الْحَمِیمِ ثُمَّ فِی النَّارِ یُسْجَرُونَ}۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৮৪৫৫ ) হজরত সাঈদ বিন উবায়দ তাই বলেন , একবার রমজান মাসে হজরত সাঈদ বিন জুবায়ের ( রা . ) নামাজ পড়ার সময় এই আয়াতটি পুনরাবৃত্তি করছিলেন ( অনুবাদ ) তারা শীঘ্রই জানতে পারবেন , তাদের গলায় কলার ও শিকল থাকবে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে , খুলে দেওয়া হবে , তারপর পুড়িয়ে দেওয়া হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৫৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8456 OK

(৮৪৫৬)

সহিহ হাদিস

(۸۴۵۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ أَبِی الضُّحَی ، عَنْ مَسْرُوقٍ ، أَنَّ تَمِیمًا الدَّارِیَّ رَدَّدَ ہَذِہِ الآیَۃَ : {أَمْ حَسِبَ الَّذِینَ اجْتَرَحُوا السَّیِّئَاتِ أَنْ نَّجْعَلَہُمْ کَاَلَّذِینَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ سَوَائً مَّحْیَاہُمْ وَمَمَاتُہُمْ}۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৮৪৫৬ ) হজরত মাসরূক বলেন , হজরত তাম্ম দারি ( রা . ) এ আয়াতটি বারবার পুনরাবৃত্তি করেছেন , তবে তারা গুরুত্বপূর্ণ এবং তারা মৃত কাজ ? যদি তারা এটা করতে থাকে তাহলে তাদের জীবন ও মৃত্যু কি হবে ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৫৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8457 OK

(৮৪৫৭)

সহিহ হাদিস

(۸۴۵۷) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَجْلاَنَ ، عَنْ نُسِیر أَبِی طُعْمَۃَ مَوْلَی الرَّبِیعِ بْنِ خُثَیْمٍ ، قَالَ : کَانَ الرَّبِیعُ بْنُ خُثَیْمٍ یُصَلِّی فَمَرَّ بِہَذِہِ الآیَۃِ : {أَمْ حَسِبَ الَّذِینَ اجْتَرَحُوا السَّیِّئَاتِ} حَتَّی خَتَمَہا یُرَدِّدُہَا حَتَّی أَصْبَحَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৮৪৫৭) হজরত নাসির ইবনে আবি তোমাহ বলেন , হজরত রাবিয়া ইবনে খাসিম (রা. ) নামাজ পড়ার সময় এ আয়াতে এসেছেন ( অনুবাদ) যারা খারাপ কাজ করে তারাই তারা মনে করে যে আমরা তাদের তাদের মতো করে দেব যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করতে থাকবে এবং কী করবে ? তাদের জীবন ও মৃত্যু হতে পারে ? তাই তারা সকাল পর্যন্ত এটি পুনরাবৃত্তি করতে থাকে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৫৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8458 OK

(৮৪৫৮)

সহিহ হাদিস

(۸۴۵۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا شُعْبَۃُ ، عَنْ مُعَاوِیَۃَ بْنِ قُرَّۃَ ، قَالَ : سَمِعْتُ عَبْدَ اللہِ بْنَ مُغَفَّلٍ یَقُولُ : قَرَأَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی مَسِیرٍ لَہُ فِی عَامِ الْفَتْحِ سُورَۃَ الْفَتْحِ عَلَی رَاحِلَتِہِ فَرَجَّعَ فِی قِرَائَتِہِ ، قَالَ مُعَاوِیَۃُ : وَلَوْلاَ أَنِّی أَخَافُ أَنْ یَجْتَمِعَ عَلَیَّ النَّاسُ لَحَکَیْتُ لَکُمْ قِرَائَتَہُ۔ (بخاری ۴۲۸۱۔ مسلم ۲۳۹)


থেকে বর্ণিতঃ

(৮৪৫৮) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মুগফিল (রা.) বলেন, মক্কা বিজয়ের বছর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাঁর ঘোড়ায় চড়ে বারবার সূরা ফাতহ পাঠ করতেন । হজরত মুয়াবিয়া ইবনে কুরা বলেন , আমি যদি মানুষের জমায়েত নিয়ে চিন্তিত না হতাম , তাহলে আমি তোমাকে তেলাওয়াতের স্টাইল জানাতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৫৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8459 OK

(৮৪৫৯)

সহিহ হাদিস

(۸۴۵۹) حَدَّثَنَا عَبْدُاللہِ بْنُ إدْرِیسَ، عَنْ لَیْثٍ، عَنِ الأَسْوَدِ، قَالَ: کَانُوا یُحِبُّونَ أَنْ یُرَجِّعُوا بِالآیَۃِ مِنْ آخِرِ اللَّیْلِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৮৪৫৯ ) হজরত আসওয়াদ বলেন , পূর্বপুরুষরা রাতের শেষাংশে বারবার আয়াত পাঠ করতে পছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৫৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8460 OK

(৮৪৬০)

সহিহ হাদিস

(۸۴۶۰) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، قَالَ : أُرَاہُ عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ أَنْ یَقِفَ الرَّجُلُ عِنْدَ الآیَۃِ فَیُرَدِّدُہَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৮৪৬০ ) হজরত ইব্রাহীম (রা . ) বলেন , কোনো ব্যক্তি একটি আয়াতের ওপর স্থির থাকা এবং বারবার পাঠ করে তাতে কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৬০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8461 OK

(৮৪৬১)

সহিহ হাদিস

(۸۴۶۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مُغِیرَۃُ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ فِی قولہ تعالی : {وَإِذَا قُرِیئَ الْقُرْآنُ فَاسْتَمِعُوا لَہُ وَأَنْصِتُوا} قَالَ : فِی الصَّلاَۃ الْمَکْتُوبَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(8461) হযরত ইব্রাহীম (আঃ) বলেন যে, মহান আল্লাহ তায়ালার বাণী { وآذا قوريي القرآن فاستمووا لهو وانستووا } (যখন কোরআন তেলাওয়াত করা হয়, তখন তা মনোযোগ সহকারে শুনুন এবং নীরব থাকুন) ফরজ সালাতের সাথে সম্পর্কিত।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৬১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8462 OK

(৮৪৬২)

সহিহ হাদিস

(۸۴۶۲) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنِ الْعَوَّامِ ، أُخْبِرنَا عَنْ مُجَاہِدٍ قَالَ : فِی خُطْبَۃِ الإِمَام یَوْمَ الْجُمُعَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৮৪৬২) হযরত মুজাহিদ বলেন , মহান আল্লাহর বাণী { وآذا قوريي القرانو فاستمووا لهو ووانستووا} (যখন কুরআন তেলাওয়াত করা হয়, তখন তা মনোযোগ সহকারে শুনুন এবং চুপ থাকুন) জুমার দিন ইমামের খুতবার সাথে সম্পর্কিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৬২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8463 OK

(৮৪৬৩)

সহিহ হাদিস

(۸۴۶۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا جُوَیْبِرٌ ، عَنِ الضَّحَّاکِ ، قَالَ : فِی الصَّلاَۃ الْمَکْتُوبَۃِ ، وَعِنْدَ الذِّکْرِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৮৪৬৩) হযরত দাহহাক বলেন , মহান আল্লাহর বাণী { وآذا قوريي القرانو فاستمووا لهو ووانستووا} (যখন কুরআন তেলাওয়াত করা হয়, তখন তা মনোযোগ সহকারে শুনুন এবং নীরব থাকুন) ফরয সালাত ও যিকরের সাথে সম্পর্কিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৬৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8464 OK

(৮৪৬৪)

সহিহ হাদিস

(۸۴۶۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ حُرَیث ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ۔ وَعَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ۔ وَعَنْ أَبِی الْمِقْدَامِ ، عَنْ مُعَاوِیَۃَ بْنِ قُرَّۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مُغَفَّلٍ : فِی قولہ تعالی : {وَإِذَا قُرِیئَ الْقُرْآنُ فَاسْتَمِعُوا لَہُ وَأَنْصِتُوا} قَالُوا : فِی الصَّلاَۃ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৮৪৬৪) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মুগফিল বলেন , মহান আল্লাহর বাণী { وآذا قوريي القرانو فاستمووا لهو وانستوا} (যখন কুরআন তেলাওয়াত করা হয়, তখন তা মনোযোগ সহকারে শুনুন এবং নীরব থাকুন) ফরজ সালাতের সাথে সম্পর্কিত।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৬৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8465 OK

(৮৪৬৫)

সহিহ হাদিস

(۸۴۶۵) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مَنْ سَمِعَ الْحَسَنَ یَقُولُ : عِنْدَ الصَّلاَۃ الْمَکْتُوبَۃِ ، وَعِنْدَ الذِّکْرِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৮৪৬৫) হজরত হাসান বলেন , মহান আল্লাহর নির্দেশ { আর যখন কোরআন পাঠ করা হয়, তখন তা শুনুন এবং শুনুন} (যখন কোরআন পাঠ করা হয়, তখন মনোযোগ সহকারে শুনুন এবং নীরব থাকুন) ফরযের সাথে সম্পর্কিত । প্রার্থনা এবং স্মরণ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৬৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8466 OK

(৮৪৬৬)

সহিহ হাদিস

(۸۴۶۶) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنِ الْہَجَرِیِّ ، عَنْ أَبِی عِیَاضٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ قَالَ : کَانُوا یَتَکَلَّمُونَ فِی الصَّلاَۃ فَنَزَلَتْ : {وَإِذَا قُرِیئَ الْقُرْآنُ فَاسْتَمِعُوا لَہُ وَأَنْصِتُوا} ، قَالُوا : ہَذَا فِی الصَّلاَۃ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৮৪৬৬) হজরত আবু হারি ( রা .) বলেন , লোকেরা নামাযের সময় কথা বলত , এবং এই আয়াতটি তাঁর কাছে নাযিল হয় { আর যখন কুরআন তিলাওয়াত করা হতো, তখন তিনি তা শুনতেন এবং শুনতেন ) (যখন কুরআন তেলাওয়াত করা হতো ) যাও, মনোযোগ সহকারে শুনো এবং চুপ থাকো) তাকে বলা হলো , এটা নামায সম্পর্কে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৬৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8467 OK

(৮৪৬৭)

সহিহ হাদিস

(۸۴۶۷) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقْرَأُ وَرَجُلٌ یَقْرَأُ فَنَزَلَ : {وَإِذَا قُرِیئَ الْقُرْآنُ فَاسْتَمِعُوا لَہُ وَأَنْصِتُوا}۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৮৪৬৭) হজরত ইব্রাহীম (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিলাওয়াত করছিলেন , এমন সময় এক ব্যক্তিও তেলাওয়াত শুরু করলেন এবং তা তাঁর ওপর এসে পড়ল ( যখন কোরআন তেলাওয়াত করা হয় , তখন তা মনোযোগ দিয়ে শুনুন এবং চুপ করে থাকি )
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৬৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8468 OK

(৮৪৬৮)

সহিহ হাদিস

(۸۴۶۸) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ إبْرَاہِیمَ بْنَ أَبِی حُرَّۃَ ، أَنَّہُ سَمِعَ مُجَاہِدًا قَالَ فِی ہَذِہِ الآیَۃِ : {وَإِذَا قُرِیئَ الْقُرْآنُ فَاسْتَمِعُوا لَہُ وَأَنْصِتُوا} قَالَ : فِی الصَّلاَۃ وَالْخُطْبَۃِ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৮৪৬৮) হজরত মুজাহিদ বলেন , মহান আল্লাহর নির্দেশ ( আর যখন কোরআন পাঠ করা হয় তখন তা শুনুন এবং শুনুন) (যখন কোরআন তেলাওয়াত করা হয়, তখন মনোযোগ সহকারে শুনুন এবং চুপ থাকুন) সম্পর্কিত । শুক্রবার ইমামের খুতবায়।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৬৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8469 OK

(৮৪৬৯)

সহিহ হাদিস

(۸۴۶۹) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ : {وَإِذَا قُرِیئَ الْقُرْآنُ فَاسْتَمِعُوا لَہُ وَأَنْصِتُوا} قَالَ: فِی الصَّلاَۃ الْمَکْتُوبَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৮৪৬৯) হজরত মুজাহিদ বলেন , মহান আল্লাহ তায়ালার আদেশটি ফরজ সালাতের সাথে সম্পর্কিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৬৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8470 OK

(৮৪৭০)

সহিহ হাদিস

(۸۴۷۰) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إذَا لَمْ یَسْکُنِ الرُّعَافُ شَدَّہُ ، ثُمَّ بَادَرَ فَصَلَّی۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৮৪৭০) হজরত ইব্রাহিম বলেন , রক্তপাত বন্ধ না হলে নাক বন্ধ করে সালাত আদায় করতে হবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৭০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8471 OK

(৮৪৭১)

সহিহ হাদিস

(۸۴۷۱) حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ خَالِدٍ ، عَنْ مَالِکِ بْنِ أَنَسٍ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، قَالَ : إذَا لَمْ یَنْقَطِعِ الرُّعَافُ أَوْمَأَ صَاحِبُہُ إیمَائً۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৮৪৭১) হজরত সাঈদ বিন মুসায়্যিব বলেন , রক্তপাত বন্ধ না হলে ব্যক্তির উচিত ইশারায় নামায পড়া ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৭১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8472 OK

(৮৪৭২)

সহিহ হাদিস

(۸۴۷۲) حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ : فِی رَجُلٍ رَعَفَ فَلَمْ یَرْقَأ عَنْہُ حَتَّی یَخْشَی فَوْتَ الصَّلاَۃ ، قَالَ : یَشُدُّ مَنْخِرَیْہِ بِخِرْقَۃٍ وَیُبَادِرُ فَیُصَلِّی ، قُلْتُ : إذًا یَقَعُ فِی جَوْفِہِ ، قَالَ : وَلَوْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৮৪৭২) হজরত আতা ( রা .) বলেন , যে ব্যক্তির রক্তপাত বন্ধ হচ্ছে না এবং সে নামায শেষ হওয়ার ব্যাপারে চিন্তিত , সে যেন কাপড় দিয়ে নাক বেঁধে নামায পড়ে। ইবনে জারিজ বলেন , আমি এভাবে জিজ্ঞেস করলাম যে সে তার বিছানায় যাবে সে বলল কোন ক্ষতি নেই .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৭২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8473 OK

(৮৪৭৩)

সহিহ হাদিস

(۸۴۷۳) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : یُدَارَی مَا بَیْنَہُ وَبَیْنَ أَنْ یَخَافَ فَوْتَ الْوَقْتِ فَإِذَا کَانَ ذَلِکَ بَادَرَ فَصَلَّی ، یَعْنِی الرُّعَافَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৮৪৭৩) হজরত হাসান বলেন, নামাযের সমাপ্তি নিয়ে চিন্তিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি নক্সীরের সঙ্গে যুদ্ধ করবেন । যদি সে চিন্তিত হয় , তাহলে তাকে এই অবস্থায় নামাজ পড়তে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৭৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8474 OK

(৮৪৭৪)

সহিহ হাদিস

(۸۴۷۴) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ سُلَیْمَانَ بْنِ یَسَارٍ ، عَنِ الْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَۃَ : أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ صَلَّی وَإِنَّ جُرْحَہُ لَیَثْعَبُ دَمًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৮৪৭৪) হজরত মাসুর বিন মুখরামা বলেন , হজরত উমর (রা.) নামায পড়েছিলেন যখন তার ক্ষত থেকে রক্তপাত হচ্ছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৭৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8475 OK

(৮৪৭৫)

সহিহ হাদিস

(۸۴۷۵) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ السَّائِبِ ، عَنْ أَبِی الأَحْوَص ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، سَمِعَ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : فَضْلُ صَلاَۃِ الرَّجُلِ فِی جَمَاعَۃٍ عَلَی صَلاَتِہِ وَحْدَہُ بِضْعٌ وَعِشْرُونَ دَرَجَۃً۔ (احمد ۱/۳۷۶۔ بزار ۴۵۸)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৮৪৭৫ ) হজরত আবদুল্লাহ ( রা ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , একটি জামাতের নামায এক নামাযের চেয়ে বিশটি এবং কিছু মাত্রা বেশি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৭৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস