
(۸۴۱۶) حَدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ حَنَشٍ الْکِنَانِیِّ : أَنَّ عَلِیًّا جَہَرَ بِالْقِرَائَۃِ فِی الْکُسُوفِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪১৬ ) হজরত হাংস কানানী বলেন যে , হযরত আলী উচ্চস্বরে সূর্যগ্রহণের নামায পড়লেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۱۷) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا سَعِیدٌ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : إذَا کَانَ الْکُسُوفُ بَعْدَ الْعَصْرِ وَبَعْدَ الصُّبْحِ قَامُوا فَذَکَرُوا رَبَّہُمْ ، وَلاَ یُصَلُّونَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪১৭ ) হজরত আতা বলেন , আসর বা ফজরের পর সূর্যগ্রহণ হলে মানুষ দাঁড়িয়ে আল্লাহকে স্মরণ করবে , নামাজ পড়বে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۱۸) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی عَدِیٍّ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : إذَا انْکَسَفَتِ الشَّمْسُ فِی وَقْتٍ لاَ تَحِلُّ فِیہِ الصَّلاَۃ ، قَالَ : یَدْعُونَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪১৮) হজরত হাসান বলেন , যদি এই সময়ে সূর্যগ্রহণ হয় যেখানে নামায জায়েয নেই , তাহলে তিনি সালাত আদায় করবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۱۹) حَدَّثَنَا الثَّقَفِیُّ ، عَنْ خَالِدٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ الْحَارِثِ ، أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ صَلَّی بِہِمْ فِی زَلْزَلَۃٍ کَانَتْ أَرْبَعَ سَجَدَاتٍ رَکَعَ فِیہَا سِتًّا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৪১৯) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে হারিছ বলেন , হজরত ইবনে আব্বাস ( রা .) লোকদেরকে ভূমিকম্পের নামায শিখিয়েছিলেন যাতে তারা চারটি সেজদা ও ছয়টি ধনুক আদায় করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۲۰) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ شَہْرٍ ، قَالَ : زُلْزِلَتِ الْمَدِینَۃُ فِی عَہْدِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ: إنَّ رَبَّکُمْ یَسْتَعْتِبُکُمْ فَأَعْتِبُوہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8420) হযরত শাহর ( রাঃ ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর যুগে মিদীতে একবার ভূমিকম্প হয়েছিল এবং তিনি বললেন , তোমাদের রব তোমাদেরকে কল্যাণের দিকে ফিরিয়ে দিতে চান , তাই তোমরা কল্যাণের দিকে ফিরে যাও । .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۲۱) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنْ صَفِیَّۃَ ابْنَۃِ أَبِی عُبَیْدٍ ، قَالَت : زُلْزِلَتِ الأَرْضُ عَلَی عَہْدِ عُمَرَ حَتَّی اصْطَفَقَتِ السُّرُرُ فَوَافَقَ ذَلِکَ عَبْدَ اللہِ بْنَ عُمَرَ وَہُوَ یُصَلِّی فَلَمْ یَدْرِ ، قَالَت : فَخَطَبَ عُمَرُ لِلنَّاسِ فَقَالَ : أَحدَثْتُم لَقَدْ عَجِلْتُمْ ، قَالَت : وَلاَ أَعْلَمُہُ إِلاَّ قَالَ : لَئِنْ عَادَتْ لأَخْرُجَنَّ مِنْ بَیْنِ ظَہْرَانِیکُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৪২১) হজরত সাফিয়্যা বিনতে আবি উবাইদ বলেন , হজরত উমর (রা.)- এর সময়ে এত বড় ভূমিকম্প হয়েছিল যে , বিছানা কাঁপতে শুরু করেছিল , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর ( রা .) তখন নামাজ পড়ছিলেন এবং ভূমিকম্প অনুভব করলেন না । এ উপলক্ষে হজরত উমর ( রা . ) লোকদের উদ্দেশে খুতবা দিয়ে বলেন , তোমরা দ্বীনে নতুন নতুন জিনিস সৃষ্টি করেছ এবং খুব দ্রুত তা সম্পন্ন করেছ । হজরত সাফিয়া (রা.) বলেন , আমার জানামতে , তিনি তখনই বললেন যে , যদি আর একটি ভূমিকম্প হয় , আমি তোমাদের ও তাদের মধ্যে ছেড়ে দেব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۲۲) وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللہِ بْنِ کِنَانَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ قَالَ : أَرْسَلَنِی أَمِیرٌ مِنَ الأُمَرَائِ إلَی ابْنِ عَبَّاسٍ أَسْأَلُہُ عَنِ الاِسْتِسْقَائِ ؟ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ : مَا مَنَعَہُ أَنْ یَسْأَلَنِی؟ ثُمَّ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ : خَرَجَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ مُتَوَاضِعًا مُتَبذِلاً مُتَخَشِّعًا مُتَضَرِّعًا مُتَرَسِّلاً ، فَصَلَّی رَکْعَتَیْنِ کَمَا یُصَلِّی فِی الْعِیدِ ، وَلَمْ یَخْطُبْ خُطْبَتَکُمْ ہَذِہِ۔ (ترمذی ۵۵۸۔ ابوداؤد ۱۱۶۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৪২২) হজরত ইসহাক ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে কিনানা বলেন , আমাকে একজন সেনাপতি হজরত ইবনে আব্বাস ( রা.) - এর কাছে ইস্তিকা নামায সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার জন্য পাঠিয়েছিলেন । হজরত ইবনে আব্বাস ( রা ) বলেন , তিনি নিজে এ বিষয়ে আমাকে জিজ্ঞাসা করেননি অতঃপর তিনি বললেন , হুজুর ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) বিনয়ের সাথে , দ্বিধা ছাড়াই , বিনয়ের সাথে এবং প্রার্থনার সাথে , ধীরে ধীরে হাঁটতে হবে , এবং আপনি যেভাবে ঈদের নামাযের ইমামতি করতেন , সেভাবেই সালাতের ইমামতি করতেন , কিন্তু তিনি তার পক্ষে কোনো খুতবা দেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۲۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا یُونُسُ بْنُ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ حَارِثَۃَ بْنِ مُضَرِّبٍ الْعَبْدِیِّ ، قَالَ : خَرَجْنَا مَعَ أَبِی مُوسَی نَسْتَسْقِی فَصَلَّی بِنَا رَکْعَتَیْنِ بغَیْرِ أَذَانٍ وَلاَ إقَامَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪২৩) হজরত হারিসা ইবনে মুজারাব আবদি বলেন , আমরা হজরত আবু মূসা ( রা.) -এর সাথে বৃষ্টির সালাত আদায় করতে বের হলাম , তিনি আমাদেরকে আযান ও ইকামাহ ছাড়া দুই রাকাত পড়ালেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۲۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، قَالَ : خَرَجْنَا مَعَ عَبْدِ اللہِ بْنِ یَزِیدَ الأَنْصَارِیِّ نَسْتَسْقِی ، فَصَلَّی رَکْعَتَیْنِ وَخَلْفَہُ زَیْدُ بْنُ أَرْقَمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪২৪ ) হজরত আবু ইসহাক বলেন , আমরা হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াজিদ আনসারীর সঙ্গে বৃষ্টির জন্য নামাজ পড়তে বের হলাম । তাদের পেছনে ছয়জন ছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۲۵) حَدَّثَنَا مَعْنُ بْنُ عِیسَی ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ ہِلاَلٍ : أَنَّہُ شَہِدَ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِیزِ فِی الاِسْتِسْقَائِ بَدَأَ بِالصَّلاَۃ قَبْلَ الْخُطْبَۃِ ، قَالَ : وَرَأَیْتُہُ اسْتَسْقَی فَحَوَّلَ رِدَائَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪২৫ ) হজরত মুহাম্মদ ইবনে হিলাল বলেন, আমি হজরত উমর ইবনে আবদুল্লাহ আযিয ( রা . ) - এর সঙ্গে বৃষ্টির জন্য দোয়ায় অংশ নিয়েছিলাম
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۲۶) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنِ ابْنِ أَبِی ذِئْبٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ تَمِیمٍ ، عَنْ عَمِّہِ ، قَالَ : شَہِدْتُ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ خَرَجَ یَسْتَسْقِی ، فَاسْتَقْبَلَ الْقِبْلَۃَ ، وَوَلَّی ظَہْرَہُ الناس ، وَحَوَّلَ رِدَائَہُ ، وَصَلَّی رَکْعَتَیْنِ ، وَجَہَرَ بِالْقِرَائَۃِ۔ (بخاری ۱۰۲۵۔ ابوداؤد ۱۱۵۵)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪২৬ ) হজরত ইবাদ বিন তামিম তার চাচা থেকে বর্ণনা করেন যে , তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর সাথে বৃষ্টির জন্য দোয়া করতে গিয়েছিলেন । তিনি কিবলার দিকে মুখ ফিরালেন এবং লোকদের দিকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন , তার চাদরটি উল্টালেন এবং দুই রাকাত নামায পড়লেন যাতে তিনি উচ্চস্বরে পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۲۷) حَدَّثَنَا یَعْلَی بْنُ عُبَیْدٍ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ ، عَنْ أَبِی بَکْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ تَمِیمٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ زَیْدٍ قَالَ : خَرَجَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إلَی الْمُصَلَّی یَسْتَسْقِی ، فَلَمَّا دَعَا اسْتَقْبَلَ الْقِبْلَۃَ وَحَوَّلَ رِدَائَہُ۔ (بخاری ۱۰۲۸۔ مسلم ۶۱۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪২৭ ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে যায়েদ বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর সাথে ঈদের স্থানে গিয়েছিলাম , যখন আপনি সালাতের কিবলার দিকে মুখ করে চাদর ঘুরিয়েছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۲۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عِیسَی بْنِ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ أَبِی مَرْوَانَ الأَسْلَمِیِّ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : خَرَجْنَا مَعَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ نَسْتَسْقِی فَمَا زَادَ عَلَی الاِسْتِغْفار۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৪২৮) হজরত আবু মারওয়ান আসলামী বলেন , আমরা হজরত উমর ইবনে খাত্তাব (রা.)-এর সঙ্গে বৃষ্টির জন্য দোয়া করতে বের হয়েছিলাম , তিনি শুধু ক্ষমা প্রার্থনা করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۲۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ مُطَرِّفٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ : أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ خَرَجَ یَسْتَسْقِی فَصَعِدَ الْمِنْبَرَ فَقَالَ : {اسْتَغْفِرُوا رَبَّکُمْ إِنَّہُ کَانَ غَفَّارًا یُرْسِلِ السَّمَائَ عَلَیْکُمْ مِّدْرَارًا وَیُمْدِدْکُمْ بِأَمْوَالٍ وَبَنِینَ وَیَجْعَلْ لَکُمْ جَنَّاتٍ وَیَجْعَلْ لَکُمْ أَنَّہَارًا} ، {اسْتَغْفِرُوا رَبَّکُمْ أَنَّہُ کَانَ غَفَّارًا} ، ثُمَّ نَزَلَ فَقَالُوا : یَا أَمِیرَ الْمُؤْمِنِینَ لَوِ اسْتَسْقَیْتَ ، فَقَالَ : لَقَدْ طَلَبْتُہُ بِمَجَادِیحِ السَّمَائِ الَّتِی یُسْتَنْزَلُ بِہَا الْقَطَرُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৪২৯) হজরত শাবি বলেন , হজরত উমর বিন খাত্তাব (রা.) বৃষ্টির জন্য নামাজ পড়তে বের হন এবং তিনি মিম্বরে আরোহণ করেন এবং এই আয়াতগুলো তেলাওয়াত করেন ( অনুবাদ ) আপনার প্রভুর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন , সূরা নূহ 10 থেকে 12 তারপর মিম্বর থেকে নি চে তিশরীফ নিয়ে আসেন । লোকেরা বলল, হে আমীরুল মুমিনীন, আপনি যদি বৃষ্টির জন্য দোয়া করতেন , তাহলে ভালো হতো ! হজরত ওমর ( রা ) বলেন , আমি তাকে বৃষ্টির স্থান থেকে ডেকেছিলাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۳۰) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ أَسْلَمَ الْعِجْلِیّ ، قَالَ : خَرَجَ أناسُ مَرَّۃً یَسْتَسْقُونَ وَخَرَجَ إبْرَاہِیمُ مَعَہُمْ، فَلَمَّا فَرَغُوا قَامُوا یُصَلُّونَ فَرَجَعَ إبْرَاہِیمُ ، وَلَمْ یُصَلِّ مَعَہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৪৩০) হজরত আসলাম আজলী বলেন , একদা কিছু লোক বৃষ্টির জন্য নামাজ পড়তে বের হলো , হজরত ইব্রাহিম (আ.) তাদের সঙ্গে ছিলেন । নামায শেষ করে তিনি নামায পড়তে লাগলেন। হযরত ইব্রাহীম (আঃ) তাদের সাথে নামায না পড়ে ফিরে আসেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۳۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ : أَنَّہُ خَرَجَ مَعَ الْمُغِیرَۃِ بْنِ عَبْدِ اللہِ الثَّقَفِیِّ یَسْتَسْقِی ، قَالَ : فَصَلَّی الْمُغِیرَۃُ فَرَجَعَ إبْرَاہِیمُ حَیْثُ رَآہُ صَلَّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪৩১) হজরত মুগীরাহ বলেন , হজরত ইবরাহীম (আ.) হজরত মুগিরা ইবনে আবদুল্লাহ সাকফী (রা.) - এর সঙ্গে বৃষ্টির জন্য দোয়া করতে বের হন । হজরত মুগীরা নামাজ পড়তে লাগলেন , তখন হজরত ইবরাহীম তাকে নামাজ পড়তে দেখে ফিরে গেলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللہِ بْنُ یُونُسَ ، قَالَ : حدَّثَنَا بَقِیُّ بْنُ مَخْلَدٍ رَحِمَہُ اللَّہُ ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرٍ قَالَ : (۸۴۳۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی سُفْیَانَ ، عَنْ جَابِرٍ قَالَ : سُئِلَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَیُّ الصَّلاَۃ أَفْضَلُ ؟ قَالَ : طُولُ الْقُنُوتِ۔ (مسلم ۵۲۰۔ ابن ماجہ ۱۴۲۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৪৩২) হজরত জাবির (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল কোন সালাত সর্বোত্তম ? তুমি বলেছিলে অনেকদিন ধরে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۳۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِی صَالِحٍ، عَنْ رَجُلٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: أنَّ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یَقُومُ فِی الصَّلاَۃ حَتَّی تَرِمَ قَدَمَاہُ فَقِیلَ لَہُ ، فَقَالَ : أَلاَ أَکُونُ عَبْدًا شَکُورًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪৩৩ ) সাহাবায়ে কেরাম বলেন , নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতে এতদূর দাঁড়াতেন যে , তাঁর পা ফুলে উঠত , কেউ আমাকে এ ব্যাপারে কিছু করতে বললেন , তখন তিনি বললেন , উচিত আমি কি আল্লাহর কৃতজ্ঞ বান্দা নই ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۳۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، وَسُفْیَانَ ، عَنْ زِیَادِ بْنِ عِلاَقَۃَ ، عَنِ الْمُغِیرَۃِ بْنِ شُعْبَۃَ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ مِثْلَہُ۔ (بخاری ۴۸۳۶۔ مسلم ۷۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৪৩৪ ) এটি এ.কে. থেকেও বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۳۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : طُولُ الْقِیَامِ أَحَبُّ إلَیَّ مِنْ کَثْرَۃِ الرُّکُوعِ وَالسُّجُودِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৪৩৫) হজরত ইব্রাহিম বলেন , আমি বারবার রুকু - সিজদা করার চেয়ে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা পছন্দ করি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۳۶) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ حَسَّانَ ، قَالَ : سَمِعت أَبَا مِجْلَزٍ ، أَو سَأَلْتُ أَبَا مِجْلَزٍ عَنْ صَلاَۃِ اللَّیْلِ أَطُولُ الْقِرَائَۃِ أَحَبُّ إلَیْک ، أَوْ کَثْرَۃُ الرُّکُوعِ وَالسُّجُودِ ؟ فَقَالَ : لاَ بَلْ طُولُ الْقِرَائَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪৩৬ ) হজরত হাজ্জাজ বিন হাসান বলেন , আমি হযরত আবু মাজালজকে তাহাজ্জুদ নামায সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যে, তিনি রুকু ও সিজদা করার চেয়ে দীর্ঘ তেলাওয়াত বেশি পছন্দ করেন ? তিনি বলেন, আমি আল - আলম্বি ক্বারাআত বেশি পছন্দ করি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۳۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ بْنِ أَبِی خَالِدٍ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ رَافِعٍ ، قَالَ : کَانَ یُقَالُ : لاَ تُطِیلُ الْقِرَائَۃَ فِی الصَّلاَۃ فَیَعْرِضُ لَکَ الشَّیْطَانُ فَیَفْتِنُکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৪৩৭) হজরত ইয়াহইয়া বিন রাফি ( রা . ) বলেন , নামায পড়ার সময় ক্বিরাত পাঠ করবেন না , তা না হলে শয়তান আপনাকে ফিতনায় ফেলবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۳۸) حَدَّثَنَا جَرِیرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِیدِ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِی الْجَعْدِ ، قَالَ : حدَّثَنی أنَّ رَجُلاً أَتَی إلَی أَبِی ذَرٍّ بِالرَّبَذَۃِ فَقَالَ : أَیْنَ أَبُو ذَرٍّ ؟ فَقَالُوا : ہُوَ فِی سَفْحِ ذَلِکَ الْجَبَلِ فِی غُنَیمَۃ لَہُ ، قَالَ : فَأَتَیْتُہُ فَإِذَا ہُوَ یُصَلِّی وَإِذَا ہُوَ یُقِلُّ الْقِیَامَ وَیُکْثِرُ الرُّکُوعَ وَالسُّجُودَ ، قَالَ : فَلَمَّا صَلَّی قُلْتُ : یَا أَبَا ذَرٍّ رَأَیْتُک تُصَلِّی تُقِلُّ الْقِیَامَ وَتُکْثِرُ الرُّکُوعَ وَالسُّجُودَ ، فَقَالَ : إنِّی حُدِّثْتُ أَنَّہُ مَا مِنْ مُسْلِمٍ یَسْجُدُ لِلَّہِ سَجْدَۃً إِلاَّ رَفَعَہُ اللَّہُ بِہَا دَرَجَۃً وَکَفَّرَ عَنْہُ بِہَا خَطِیئَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৪৩৮) হজরত সেলিম ইবনে আবি আল - জাদ বলেন , এক ব্যক্তি হজরত আবু যার (রা.)- এর কাছে এসে জিজ্ঞেস করল , আবু যার কোথায় ? লোকে বলে যে সে তার ছোট্ট রেভারেন্ডের সাথে পাহাড়ের চূড়ায় ছিল । আমি যখন তাদের কাছে এলাম , তারা নামাজ পড়ছিল। তিনি কিয়াম সংক্ষিপ্ত রাখতেন এবং রুকু ও সিজদা বাড়াতেন । তিনি নামায পড়া শেষ করলে আমি বললাম , হে আবু যার ! আমি আপনাকে দেখেছি যে আপনি কিয়াম ছোট রাখতেন এবং রুকু ও সিজদা বেশি করতেন এর কারণ কি ? তিনি বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , যখনই কোন মুসলমান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সিজদা করে , তখনই আল্লাহতায়ালা তার মর্যাদা বৃদ্ধি করেন এবং এর ফলে তার গুনাহ কমিয়ে দেন । আমি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۳۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ أَبِی مُصْعَبٍ الأَسْلَمِیِّ ؛ أَنَّ غُلاَمًا مِنْ أَسْلَمَ کَانَ یَخْدُمُ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَخَفَّ لَہُ فَقَالَ : یَا رَسُولَ اللہِ اُدْعُ اللَّہَ لِی أَنْ یُدْخِلَنِی الْجَنَّۃَ ، أَوْ یَجْعَلَنِی فِی شَفَاعَتِکَ ، قَالَ: نَعَمْ، وَأَعِنِّی بِکَثْرَۃِ السُّجُودِ۔ (مسلم ۲۲۶۔ ابوداؤد ۱۳۱۴)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪৩৯ ) হজরত আবু মুসআব আল - ইসলামি বলেন , ইসলামের এক বান্দা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর খেদমত করত । আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করুন তিনি যেন আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করান অথবা আপনার সুপারিশ দান করেন । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেন , ঠিক আছে , তুমি আমাকে আরো সিজদা করে সাহায্য করো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۴۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَیْدٍ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ سِیرِینَ ، عَنْ مَسْرُوقٍ : أَنَّہُ کَانَ یُصَلِّی حَتَّی تَجْلِسَ امْرَأَتُہُ تَبْکِی خَلْفَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪৪০ ) হজরত আনাস বিন সিরীন বলেন , হজরত মাসরুক ( রা . ) এতক্ষণ নামায পড়তেন যে , তার পরিবারবর্গ তার পেছনে বসে কাঁদতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۴۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، وَسُفْیَانَ ، عَنْ زُبَیْدٍ ، عَنْ مُرَّۃَ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : إنَّک مَا دُمْت فِی صَلاَۃٍ تَقْرَعُ بَابَ الْمَلِکِ وَمَنْ یُکْثِرُ قَرْعَ بَابِ الْمَلِکِ یُوشِکُ أَنْ یُفْتَحَ لَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৪৪১) হজরত আবদুল্লাহ বলেন, তুমি যতক্ষণ নামাযে থাকো, ততক্ষণ তুমি বাদশাহর দরজায় কড়া নাড়বে এবং যে সবচেয়ে বেশি কড়া নাড়বে , তার জন্য দরজা খুলে দেওয়া হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۴۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ رَبِیعٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : طُولُ الْقِیَامِ فِی الصَّلاَۃ أَفْضَلُ مِنَ الرُّکُوعِ وَالسُّجُودِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৪৪২) হজরত হাসান বলেন, দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা রুকু ও রুকু অপেক্ষা উত্তম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۴۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ خَیْثَمَۃَ ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ قَیْسٍ ، قَالَ : إذَا ہَمَمْتَ بِخَیْرٍ فَعَجِّلْہُ ، وَإِذَا أَتَاکَ الشَّیْطَانُ فَقَالَ : إنَّکَ تُرَائِی فَزِدْہَا طُولاً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪৪৩ ) হজরত হারিস বিন কায়েস বলেন , যখন তুমি ভালো কিছু করতে চাও, তাড়াতাড়ি করো , যখন শয়তান তোমার কাছে এসে বলে তুমি মুনাফিক । এমতাবস্থায় কিয়াম আরও দীর্ঘ করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۴۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ سُفْیَانَ، عَنْ رَجُلٍ، عَنْ إبْرَاہِیمَ، قَالَ: إذَا أَکَلَ أَوْ شَرِبَ فِی الصَّلاَۃ اسْتَقْبَلَ الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪৪৪ ) হজরত ইবরাহীম (আ. ) বলেন , যদি কোনো ব্যক্তি মাটিতে কিছু খনন করে যদি সে করে তবে তাকে আবার প্রার্থনা করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۴۴۵) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ أَبَانَ الْعَطَّارِ ، عَنِ الصَّلْتِ بْنِ رَاشِدٍ ، قَالَ : سُئِلَ طَاوُوس عَنِ الشُّرْبِ فِی الصَّلاَۃ ؟ قَالَ : لاَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৪৪৫ ) হযরত তাওয়াসকে নামায পড়ার সময় মদ্যপান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন , এটা জায়েয নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৪৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস