
(۸۲۹۶) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِی ہِنْدٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، قَالَ : إذَا أَجْمَعَ الرَّجُلُ عَلَی إقَامَۃِ خَمْسَ عَشْرَۃَ أَتَمَّ الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8296) হজরত সাঈদ বিন মুসায়্যিব বলেন , কোনো মুসাফির যখন পনের দিন একত্রে থাকার নিয়ত করে, তখন সে পূর্ণ সালাত আদায় করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۹۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ جَعْفَرٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : إذَا أَقَمْت عَشْرًا فَأَتِمَّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮২৯৭) হযরত আলী (রাঃ) বলেন , যখন তুমি দশ দিন অবস্থান করার ইচ্ছা করবে তখন পুরো সালাত আদায় করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۹۸) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ جَعْفَرٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَلِیٍّ بِنَحْوِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8298) এটি আইক ও সনদ থেকেও বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۹۹) حَدَّثَنَا الثَّقَفِیُّ ، عَنْ ابی جَعْفَرٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : مَنْ أَقَامَ عَشْرًا أَتَمَّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮২৯৯) হজরত আবু জাফর বলেন , যখন তুমি দশদিন অবস্থান করার ইচ্ছা করবে তখন পূর্ণ সালাত আদায় করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۳۰۰) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ جَابِرٍ عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ ، أَنَّہُ کَانَ یُتِمُّ فِی عَشْر۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৩০০) হজরত আবু জাফর (রা) দশ দিন অবস্থানের নিয়তে পূর্ণ নামাজ পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৩০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۳۰۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا عُمَر بْنُ ذَرٍّ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : کَانَ ابْنُ عُمَرَ إذَا أَجْمَعَ عَلَی إقَامَۃِ خَمْسَ عَشْرَۃَ سَرَحَ ظَہْرَہُ وَصَلَّی أَرْبَعًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৩০১) হজরত মুজাহিদ বলেন , হজরত ইবনে উমর (রা.) যখন পনের দিন থাকার ইচ্ছা করতেন, তখন তিনি তার ঘোড়াটিকে চরাতে ছেড়ে দিতেন এবং চার রাকাত নামাজ পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৩০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۳۰۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا شُعْبَۃُ ، عَنْ أَبِی بِشْرٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، قَالَ : إذَا أَقَمْتَ أَکْثَرَ مِنْ خَمْسَ عَشْرَۃَ فَأَتِمَّ الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৩০২) হজরত সাঈদ বিন জাবির বলেন , যখন ১৫ দিনের বেশি রোজা রাখতে হবে , তখন পুরো নামাজ পড়বেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৩০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۳۰۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ہِشَامٌ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنِ ابْنِ الْمُسَیَّبِ ، قَالَ : إذَا أَقَمْتَ أَرْبَعًا فَصَلِّ أَرْبَعًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৩০৩) হজরত সাঈদ বিন মুসাইব বলেন , যখন চার দিন অবস্থান করতে হবে তখন চার রাকাত পড়বেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৩০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۳۰۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا قُرَّۃُ بْنُ خَالِدٍ ، عَنْ أَبِی حُکَیمَۃَ ، قَالَ : سَأَلْتُ سَعِیدَ بْنَ الْمُسَیَّبِ ، فَقَالَ : إذَا أَقَمْتَ ثَلاَثًا فَأَتِمَّ الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৩০৪ ) হজরত আবু হাকিমা বলেন , আমি হজরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়িব (রা.)- কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন , যদি তিনদিন থাকতে হয় , তাহলে পূর্ণ নামাজ পড়বেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৩০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۳۰۵) قَالَ وَکِیعٌ : سَمِعْتُ سُفْیَانَ یَقُولُ : إذَا أَجْمَعَ عَلَی مُقَامِ خَمْسَ عَشْرَۃَ أَتَمَّ الصَّلاَۃ حِینَ یَدْخُلُ ، وَإِذَا لَمْ یَدْرِ مَتَی یَخْرُجُ صَلَّی رَکْعَتَیْنِ وَإِنْ أَقَامَ حَوْلاً وَہُوَ الْقَوْلُ عِنْدَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৩০৫) হজরত সুফীন বলেন , যখন কাউকে কোনো স্থানে ১৫ দিন রোজা রাখতে হয় , তখন সেখানে প্রবেশ করে পূর্ণ নামাজ আদায় করতে হবে । আর যখন বের হওয়ার সময় ফয়সালা করা হয়নি , তখন এক বছর অতিবাহিত হয়ে গেলেও তিনি দুই রাকাত পড়তে থাকেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৩০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۳۰۶) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ طَاوُوسٍ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، قَالَتْ : إذَا وَضَعْتَ الزَّادَ وَالْمَزَادَ فَصَلِّ أَرْبَعًا وَکَانَ طَاوُوس إذَا قَدِمَ مَکَّۃَ صَلَّی أَرْبَعًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৩০৬) হজরত আয়েশা (রাঃ) বলেন , যখন জাদরাহ ও সাওয়ারী ত্যাগ করবে তখন পূর্ণ সালাত আদায় করবে । হযরত তাওয়াস মক্কায় আসতেন এবং চার রাকাত পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৩০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۳۰۷) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ دَاوُدَ ، عَنْ أَبِی الْعَالِیَۃِ ، قَالَ : یُصَلِّی رَکْعَتَیْنِ فَإِذَا اطْمَأَنَّ صَلَّی أَرْبَعًا ، یَعْنِی إذَا نَزَلَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8307) হজরত আবুল আলিয়া বলেন , তিনি দুই রাকাত পড়বেন এবং পূর্ণ রুটি পেলে চারটি পড়বেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৩০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۳۰۸) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ، عَنْ أَیُّوبَ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ عَطَائٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: إذَا انْتَہَیْتَ إلَی مَاشِیَتِکَ فَأَتْمِمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৩০৮) হজরত ইবনে আব্বাস বলেন , যখন তুমি তোমার গন্তব্যে পৌঁছাবে, তখন পূর্ণ সালাত আদায় করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৩০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۳۰۹) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ مِثْلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8309) এটি A.K এবং Sund থেকেও বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৩০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۳۱۰) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : إذَا قَدِمَ مُسَافِرٌ مِصْرًا مِنَ الأَمْصَارِ صَلَّی أَرْبَعًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৩১০) হজরত হাসান বলেন , কোনো মুসাফির যখন কোনো শহরে পৌঁছায় , তখন তাকে চার রাকাত পড়তে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৩১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۳۱۱) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ سَالِمٍ ، عَنْ أَبِیہِ : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ إذَا جَدَّ بِہِ السَّیْرُ جَمَعَ بَیْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَائِ۔ (بخاری ۱۱۰۶۔ مسلم ۴۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(8311) হজরত ইবনে উমর (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সফরে যেতেন , তখন তিনি মাগরিব ও এশা একসঙ্গে পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৩১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۳۱۲) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ عَمْرٍو ، عَنْ جَابِرِ بْنِ زَیْدٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : صَلَّیْتُ مَعَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ثَمَانِیًا جَمِیعًا وَسَبْعًا جَمِیعًا ، قَالَ : قُلْتُ : یَا أَبَا الشَّعْثَائِ أَظُنُّہُ أَخَّرَ الظُّہْرَ وَعَجَّلَ الْعَصْرَ وَأَخَّرَ الْمَغْرِبَ وَعَجَّلَ الْعِشَائَ ، قَالَ : وَأَنَا أَظُنُّ ذَلِکَ۔ (بخاری ۵۴۳۔ ابوداؤد ۱۲۰۷)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৩১২ ) হজরত ইবনে আব্বাস (রা. ) বলেন , আমি তার সঙ্গে আট রাকাত এবং তার সঙ্গে সাত রাকাত নামায পড়েছিলাম । বর্ণনাকারী বলেন , আমি বললাম , হে আবু আল-শাসায়ী ! মনে করা হয় যে তিনি জোহরের নামায দেরীতে এবং আসরের নামায তাড়াতাড়ি এবং মাগরিবের নামায দেরিতে এবং এশার নামায তাড়াতাড়ি পড়তেন । তিনি বলেন যে মি এই ধারণা .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৩১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۳۱۳) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : جَمَعَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی غَزْوَۃِ تَبُوکَ بَیْنَ الظُّہْرِ وَالْعَصْرِ وَبَیْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৩১৩) হজরত জাবির (রা.) বলেন যে , তাবুক যুদ্ধের সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যোহর , আসর , মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৩১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۳۱۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ أَبِی الزُّبَیْرِ ، عَنْ أَبِی الطُّفَیْلِ ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ جَمَعَ بَیْنَ الظُّہْرِ وَالْعَصْرِ وَبَیْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَائِ فِی السَّفَرِ فِی غَزْوَۃِ تَبُوکَ۔ (مسلم ۵۲۔ ابوداؤد ۱۱۹۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৩১৪) হজরত মুয়াযবিন জাবাল (রা.) বলেন যে , নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাবুক সফরে যোহর , আসর , মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৩১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۳۱۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا دَاوُد بْنُ قَیْسٍ الْفَرَّائُ ، عَنْ صَالِحٍ مَوْلَی التَّوْأَمَۃِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : جَمَعَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بَیْنَ الظُّہْرِ وَالْعَصْرِ وَالْمَغْرِبِ وَالْعِشَائِ فِی الْمَدِینَۃِ فِی غَیْرِ خَوْفٍ وَلاَ مَطَرٍ ، قَالَ: فَقِیلَ لِاِبْنِ عَبَّاسٍ : لِمَ فَعَلَ ذَلِکَ ؟ قَالَ : أَرَادَ التَّوْسِعَۃَ عَلَی أُمَّتِہِ۔ (احمد ۱/۳۴۶۔ ابو یعلی ۲۶۷۰)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৩১৫) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বৃষ্টির ভয় ছাড়াই মদীনায় জোহর , আসর , মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করেছেন হজরত ইবনে আব্বাস ( রা .) কে জিজ্ঞেস করা হলো , কেন রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এমনটি করেছেন ? তিনি বলেন , উম্মাহর সুবিধার্থে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৩১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۳۱۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا عِمْرَانُ بْنُ حُدَیْرٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ شَقِیقٍ الْعُقَیْلِیِّ ، قَالَ : قَالَ رَجُلٌ لِاِبْنِ عَبَّاسٍ : الصَّلاَۃ فَسَکَتَ ، ثُمَّ قَالَ لَہُ : الصَّلاَۃ فَسَکَتَ ، ثُمَّ قَالَ لَہُ : الصَّلاَۃ ثَلاَثًا ، فَقَالَ : لاَ أُمَّ لَکَ أَنْتَ تُعَلِّمُنَا بِالصَّلاَۃ ، قَدْ کُنَّا نَجْمَعُ بَیْنَ الصَّلاَتَیْنِ عَلَی عَہْدِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، یَعْنِی فِی السَّفَرِ۔ (مسلم ۵۸۔ احمد ۳۵۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৩১৬) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে শাকিক আকিলি বলেন , এক ব্যক্তি হজরত ইবনে আব্বাস (রা. ) - কে বললেন , নামাজের সময় হয়েছে । তিনি চুপ থাকলেন , তারপর বললেন নামাজের সময় । তিনি চুপ থাকলেন, যখন তিনি তৃতীয়বার বললেন যে নামাযের সময় হয়েছে, তখন হজরত ইবনে আব্বাস (রা) বললেন , আপনি যদি খারাপ হন তবে তিনি আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর সাথে সফরের সময় শেখান তিনি ) দুই সালাত একসাথে পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৩১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۳۱۷) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ أَنَسٍ ، قَالَ : کُنَّا نُسَافِرُ مَعَ أَنَسِ بْنِ مَالِکٍ ، فَکَانَ إِذَا زَالَتِ الشَّمْسُ وَہُوَ فِی مَنْزِلٍ ، لَمْ یَرْکَبْ حَتَّی یُصَلِّیَ الظُّہْرَ ، فَإِذَا رَاحَ فَحَضَرَتِ الْعَصْرُ صَلَّی الْعَصْرَ ، فَإِنْ سَارَ مِنْ مَنْزِلِہِ قَبْلَ أَنْ تَزُولَ ، فَحَضَرَتِ الصَّلاَۃُ قُلْنَا لَہُ : الصَّلاَۃَ ، فَیَقُولُ : سِیرُوا ، حَتَّی إِذَا کَانَ بَیْنَ الصَّلاَتَیْنِ نَزَلَ فَجَمَعَ بَیْنَ الظُّہْرِ وَالْعَصْرِ ، ثُمَّ یَقُولُ : رَأَیْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، إِذَا وَصَلَ ضَحْوَتَہُ بِرَوْحَتِہِ صَنَعَ ہَکَذَا۔ (عبدالرزاق ۴۳۹۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৩১৭) হজরত হাফস ইবনে উবায়দুল্লাহ ইবনে আনাস বলেন , আমরা হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.)-এর সাথে সফর করতাম , যখন সূর্য ডুবে যেত এবং তিনি গন্তব্যস্থলে যেতেন , তখন তিনি আছর বলার আগে জাহাজে উঠতেন না আসরের সময় তারা আসরের নামাজ পড়তেন । যদি তারা সূর্যাস্তের আগে কোন গন্তব্য থেকে যাত্রা করত , আমরা তাদের বলব যে এটি নামাজের সময়। বলতেন হাঁটতে থাকো। অতঃপর দুই নামাযের মাঝামাঝি সময় হলে তিনি নিচে নেমে যোহর ও আসরের নামায আদায় করতেন । তারপর বললেন , আমিও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পাঠিয়েছি । সে খায় না .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৩১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۳۱۸) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : أَقْبَلَ ابْنُ عَبَّاسٍ مِنَ الطَّائِفِ فَأَخَّرَ صَلاَۃَ الْمَغْرِبِ ، ثُمَّ نَزَلَ فَجَمَعَ بَیْنَ َالْعِشَائِ والْمَغْرِبِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৩১৮) হজরত আতা বলেন , হজরত ইবনে আব্বাস তায়েফ থেকে ফিরছিলেন, তিনি মাগরিবের নামায দেরি করলেন , তারপর উঠে এশা ও মাগরিবের নামায একত্রে আদায় করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৩১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۳۱۹) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ أَبِی عُثْمَانَ ، قَالَ : خَرَجْتُ أَنَا وَسَعْدٌ إلَی مَکَّۃَ ، فَکَانَ یَجْمَعُ بَیْنَ الصَّلاَتَیْنِ بَیْنَ الظُّہْرِ وَالْعَصْرِ یُؤَخِّرُ مِنْ ہَذِہِ وَیُعَجِّلُ مِنْ ہَذِہِ وَیُصَلِّیہِمَا جَمِیعًا وَیُؤَخِّرُ الْمَغْرِبَ وَیُعَجِّلُ الْعِشَائَ ، ثُمَّ یُصَلِّیہِمَا جَمِیعًا حَتَّی قَدِمْنَا مَکَّۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৩১৯) হজরত আবু উসমান বলেন , আমি ও হজরত সাদ যখন মক্কায় যেতাম , তখন তিনি যোহর ও আসরের নামাজ আদায় করতেন । একটি ধীরে ধীরে এবং অন্যটি দ্রুত পড়ুন দুজনে একসাথে পড়াশুনা করতো। তিনি মাগরিব বিলম্বিত করতেন এবং তাড়াতাড়ি এশা পড়তেন , তারপর উভয়ই একসাথে পড়তেন , মক্কায় পৌঁছনো পর্যন্ত তিনি এ কাজ করতে থাকেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৩১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۳۲۰) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ حَبِیبِ بْنِ شِہَابٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ أَبِی مُوسَی ، قَالَ : صَحِبْتُہُ فِی سَفَرٍ ، فَکَانَ یَجْمَعُ بَیْنَ الظُّہْرِ وَالْعَصْرِ وَبَیْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৩২০) হজরত শাহাব বলেন , আমি হজরত আবু মুসা আল - আশআরির সঙ্গে সফরে ছিলাম , তিনি যোহর, আসর, মাগরিব ও এশার নামাজ একত্র করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৩২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۳۲۱) حَدَّثَنَا أَسْبَاطُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، عَنِ التَّیْمِیِّ ، عَنْ أَبِی عُثْمَانَ ، قَالَ : سَافَرْتُ مَعَ أُسَامَۃَ بْنِ زَیْدٍ ، وَسَعِیدِ بْنِ زَیْدٍ وَکَانَا یَجْمَعَانِ بَیْنَ الظُّہْرِ وَالْعَصْرِ وَالْمَغْرِبِ وَالْعِشَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৩২১) হজরত আবু উসমান বলেন , আমি হজরত ওসামা ইবনে যায়েদ ও হজরত সাঈদ ইবনে যায়েদ ( রা . ) - এর সঙ্গে সফরে গিয়েছিলাম , তারা যোহর , আসর, মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৩২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۳۲۲) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ عَبْدِ الْجَلِیلِ بْنِ عَطِیَّۃَ ، قَالَ : سَافَرْتُ مَعَ جَابِرِ بْنِ زَیْدٍ ، فَکَانَ یَجْمَعُ بَیْنَ الصَّلاَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৩২২ ) হজরত আবদুল জলিল ইবনে আতিয়াহ বলেন , আমি হজরত জাবির ইবনে যায়েদের সঙ্গে সফরে গিয়েছিলাম , তিনি দুই নামাজ একত্র করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৩২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۳۲۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا مُغِیرَۃُ بْنُ زِیَادٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنْ عَائِشَۃَ : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یُؤَخِّرُ الظُّہْرَ وَیُعَجِّلُ الْعَصْرَ وَیُؤَخِّرُ الْمَغْرِبَ وَیُعَجِّلُ الْعِشَائَ فِی السَّفَرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৩২৩) হজরত আয়েশা (রাঃ) বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যোহর বিলম্বিত করে আসর তাড়াতাড়ি পড়তেন এবং মাগরিবকে বিলম্বিত করে এশা তাড়াতাড়ি পড়তেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৩২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۳۲۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ أَبِی قَیْسٍ ، عَنْ ہُذَیْلِ بْنِ شُرَحْبِیلَ الأَوْدِیِّ ، قَالَ : جَمَعَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بَیْنَ الظُّہْرِ وَالْعَصْرِ وَالْمَغْرِبِ وَالْعِشَائِ فِی السَّفَرِ۔ (طیالسی ۳۷۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮৩২৪ ) হজরত হুজাইল ইবনে শাহরাবিল উদী বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফরে যোহর , আসর , মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৩২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۳۲۵) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، وَابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عُمَارَۃَ بْنِ عُمَیْرٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ یَزِیدَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : مَا رَأَیْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ صَلَّی صَلاَۃً إِلاَّ لِوَقْتِہَا إِلاَّ الْعِشَائَ وَالْمَغْرِبَ فَإِنَّہُ جَمَعَہُمَا یَوْمَئِذٍ بِجَمْعٍ ، وَصَلَّی الْفَجْرَ یَوْمَئِذٍ قَبْلَ مِیقَاتِہَا۔ (بخاری ۱۶۸۲۔ ابوداؤد ۱۹۲۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮৩২৫) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে কখনই সময় ছাড়া সালাত আদায় করতে দেখিনি , তবে তিনি মুযদালিফায় এশা ও মাগরিবের নামায একত্রে আদায় করেছিলাম এবং ফজরের সালাত ওয়াক্ত হওয়ার আগেই আদায় করেছিলাম ঐ দিন .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮৩২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস