
(۸۲۶۶) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ عُرْوَۃَ ، عَنْ عَائِشَۃَ: إِنَّ الصَّلاَۃ أَوَّلُ مَا فُرِضَتْ رَکْعَتَیْنِ فَزِیدَتْ فِی صَلاَۃِ الْحَضَرِ وَأُقِرَّتْ صَلاَۃُ السَّفَرِ ، فَقُلْت لِعُرْوَۃِ : مَا بَالُ عَائِشَۃَ کَانَتْ تُتِمُّ الصَّلاَۃ فِی السَّفَرِ وَہِیَ تَقُولُ ہَذَا ؟ قَالَ : تَأَوَّلَتْ مَا تَأَوَّلَ عُثْمَانُ فَلَمْ أَسْأَلْہُ مَا تَأَوَّلَ عُثْمَانُ۔ (مسلم ۶۷۸)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৬৬ ) হযরত আয়েশা (রা ) বলেন , প্রথম দুই রাকাত ফরজ ছিল । অতঃপর হযরতের নামায বৃদ্ধি করা হয় এবং সফরের সালাত যেমন ছিল তেমনি রাখা হয় হজরত জাহরি বলেন , আমি হজরত উরওয়া ( রা . )- কে বললাম যে, হজরত আয়েশা (রা.) একই কথা বলতেন এবং তিনি তার সঙ্গে পুরো সালাত আদায় করতেন । এর কোনো কারণ আছে কি ? তিনি বললেন , এগুলো হজরত উসমান (রা) যে ব্যাখ্যা করেছেন , আমি তাকে জিজ্ঞেস করিনি যে , হজরত উসমান (রা . ) এর ব্যাখ্যা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۶۷) حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَہَّابِ الثَّقَفِیُّ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ ، قَالَ : نُبِّئْت عَنِ الْقَاسِمِ وَسَالِمٍ أَنَّہُمَا کَانَ یَقُولاَنِ : أَہْلُ مَکَّۃَ إذَا خَرَجُوا إلَی مِنًی قَصَرُوا۔ قَالَ : وَکَانَ عَطَائٌ وَالزُّہْرِیُّ یَقُولاَنِ : یُتِمُّونَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 8267) হযরত সেলিম ও হযরত কাসিম বলতেন যে , মক্কাবাসীরা বীর্যপাতের জন্য বের হলে ছোট করে ফেলত । হজরত আতা ও হজরত জাহরি বলতেন , তারা পুরো নামাজ পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۶۸) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ بْنِ أُمَیَّۃَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ : أَنَّہُ کَانَ یُقِیمُ بِمَکَّۃَ فَإِذَا خَرَجَ إلَی مِنًی قَصَرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮২৬৮) হজরত নাফী বলেন , হজরত ইবনে উমর ( রা . ) মক্কায় প্রস্রাব করতে গেলে কসর করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۶۹) حَدَّثَنَا عُبَیْدُاللہِ بْنُ مُوسَی، عَنْ حَنْظَلَۃَ، قَالَ: سَأَلْتُ الْقَاسِمَ عَنِ الصَّلاَۃ مَعَ الإِمَامِ بِعَرَفَۃَ؟ قَالَ: صَلِّ بِصَلاَتِہِ۔ قَالَ : وَسَأَلْت سَالِمًا وَطَاوُوسا فَقَالاَ مِثْلَ ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮২৬৯) হজরত হানযালাহ বলেন , আমি হযরত কাসিমকে আরাফায় ইমামের সাথে সালাত আদায় করার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলাম , তখন তিনি বললেন , তুমি তার নামায অনুযায়ী নামায পড়ো । আমি হযরত সেলিম (রাঃ ) ও হযরত তাউস (আঃ) কে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম এবং তারাও বললেনঃ এই যে তিনি বলেছেন .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۷۰) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بنُ عُثْمَانَ بْنِ الأَسْوَدِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، وَعَطَائٍ ، قَالاَ : لَیْسَ عَلَی أَہْلِ مَکَّۃَ قَصْرُ صَلاَۃٍ فِی حَجٍّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8270) হজরত মুজাহিদ ও হযরত আতা বলেন, মক্কাবাসীরা হজের সময় নামায সংক্ষিপ্ত করবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۷۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الْمُغِیرَۃُ بْنُ زِیَادٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنْ عَائِشَۃَ : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یُتِمُّ الصَّلاَۃ فِی السَّفَرِ وَیَقْصُرُ وَیَصُومُ وَیُفْطِرُ وَیُؤَخِّرُ الظُّہْرَ وَیُعَجِّلُ الْعَصْرَ وَیُؤَخِّرُ الْمَغْرِبَ وَیُعَجِّلُ الْعِشَائَ۔ (دارقطنی ۴۵۔ طحاوی ۱۶۴)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৭১ ) হজরত আয়েশা ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) কখনো সংক্ষিপ্ত নামাজ পড়তেন , কখনো রোজা রাখতেন আবার কখনো রোজা রাখতেন না তাড়াতাড়ি , মাগরিব দেরিতে এবং এশা তাড়াতাড়ি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۷۲) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ ، قَالَ : إِنْ صَلَّیْتَ فِی السَّفَرِ رَکْعَتَیْنِ فَالسُّنَّۃُ ، وَإِنْ صَلَّیْتَ أَرْبَعًا فَالسُّنَّۃُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 8272) হযরত আবু কালাবা ( রাঃ ) বলেন , সফরে দুই রাকাত পড়লে উত্তম সুন্নত , আর চার রাকাত পড়লে উত্তম সুন্নাত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۷۳) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَائِشَۃَ : أَنَّہَا کَانَتْ تُتِمُّ الصَّلاَۃ فِی السَّفَرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৭৩ ) হযরত আয়েশা (রা . ) পুরো সফরে নামাজের ইমামতি করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۷۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ خُضَیْرٍ ، عَنْ أَبِی نَجِیحٍ الْمَکِّیِّ ، قَالَ : اصْطَحَبَ أَصْحَابُ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی السَّیْرِ ، فَکَانَ بَعْضُہُمْ یُتِمُّ وَبَعْضُہُمْ یَقْصُرُ وَبَعْضُہُمْ یَصُومُ وَبَعْضُہُمْ یُفْطِرُ، فَلاَ یَعِیبُ ہَؤُلاَئِ عَلَی ہَؤُلاَئِ ، وَلاَ ہَؤُلاَئِ عَلَی ہَؤُلاَئِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮২৭৪) হযরত আনু নাজিহ মক্কী বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর সাহাবায়ে কেরাম একত্রিত হতেন , তাদের কেউ পূর্ণ সালাত আদায় করতেন এবং কেউ সংক্ষিপ্ত করতেন কিছু রোজা ছিল এবং কিছু ছিল না . তা সত্ত্বেও কেউ কাউকে খারাপ বলতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۷۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا بِسْطَامُ بْنُ مُسْلِمٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ عَطَائً عَنْ قَصْرِ الصَّلاَۃ فِی السَّفَرِ ؟ فَقَالَ: إِنْ قَصَرْتَ فَرُخْصَۃٌ وَإِنْ شِئْتَ أَتْمَمْتَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৭৫) হজরত বাস্তম বিন মুসলিম বলেন , আমি হযরত আতাকে আমার সফর সংক্ষিপ্ত করার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন , আপনি যদি তা সংক্ষিপ্ত করেন তবে ছুটি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۷۶) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی عَدِیٍّ ، عَنْ حَبِیبِ بْنِ شَہِیدٍ ، عَنْ مَیْمُونِ بْنِ مِہْرَانَ ، أَنَّہُ سَأَلَ سَعِیدَ بْنَ الْمُسَیَّبِ عَنِ الصَّلاَۃ فِی السَّفَرِ ، فَقَالَ : إِنْ شِئْتَ رَکْعَتَیْنِ وَإِنْ شِئْتَ فَأَرْبَع۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮২৭৬) হজরত মায়মুন ইবনে মেহরান হজরত সাঈদ ইবনে মুসাইব (রা. ) - কে সফরে সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন , তুমি চাইলে দুই রাকাত নামায পড় এবং চাইলে চার রাকাত পড় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۷۷) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ وَمُحَمَّدٍ ، قَالَ : قُلْتُ لَہُمَا : الرَّجُلُ یَبْدُو عَشَرَۃَ أَیَّامٍ أَیَقْصُرُ الصَّلاَۃ ؟ قَالَ : فَقَالاَ : لاَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮২৭৭) হজরত আশআত বলেন , আমি হজরত হাসান ও হজরত মুহাম্মদ (সা.) - কে জিজ্ঞেস করলাম যে, কোনো ব্যক্তি যদি কোনো গ্রামে দশদিনের জন্য যায় , তাহলে সে কি সেখানে ওসিয়ত করবে ? সে বলল না .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۷۸) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ حَبِیبٍ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ ہَرِمٍ ، قَالَ : سُئِلَ جَابِرُ بْنُ زَیدٍ عَنِ الْقَوْمِ یَبْدُونَ مِنْ مِصْرِہِمْ إلَی الْبَرِّیَّۃِ أَیُصَلُّونَ ثِنْتَیْنِ مَا دَامُوا بُدَاۃً حَتَّی یَرْجِعُوا إلَی مِصْرِہِمْ ؟ قَالَ : لاَ لیُتِمُّوا الصَّلاَۃ فِی الْقُرْبِ والبُعد مَا دَامُوا بُدَاۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৭৮) হজরত জাবির ইবনে যায়েদকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল , কিছু লোক যদি তাদের শহর থেকে গ্রামে যায় , তারা কি ফিরে আসা পর্যন্ত দুই রাকাত নামাজ পড়বে ? তিনি বললেন , না , যতক্ষণ তারা গ্রামের বাসিন্দা , ততক্ষণ কাছে - দূরে গিয়ে পূর্ণ নামাজ পড়বে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۷۹) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ زَیْدٍ ، عَنْ أَبِی نَضْرَۃَ ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَیْنٍ ، قَالَ : شَہِدْتُ مَعَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ الْفَتْحَ فَأَقَامَ بِمَکَّۃَ ثَمَانَ عَشْرَۃَ لَیْلَۃً لاَ یُصَلِّی إِلاَّ رَکْعَتَیْنِ ، ثُمَّ یَقُولُ لأَہْلِ الْبَلَدِ : صَلُّوا أَرْبَعًا فَإِنَّا سَفْرٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৭৯) হজরত ইমরান ইবনে হুসাইন (রা . ) বলেন , আমি মক্কা বিজয়ের সময় রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - এর সঙ্গে ছিলাম এবং তিনি আঠার দিন পর্যন্ত দুই রাকাত নামাজ আদায় করতেন নামায শেষ করে তিনি লোকদের বলতেন, আমরা মুসাফির , তোমরা তোমাদের নামায পূর্ণ করো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۸۰) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أقَامَ حَیْثُ فَتَحَ مَکَّۃَ خَمْسَ عَشْرَۃَ یَقْصُرُ الصَّلاَۃ حَتَّی سَارَ إلَی حُنَیْنٍ۔ (ابوداؤد ۱۲۲۴۔ نسائی ۵۱۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৮০ ) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) বলেন , মক্কা বিজয়ের পর নবী ( সা . ) পনের দিন অবস্থান করেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۸۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ أَبِی إِسْحَاقَ ، قَالَ : سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِکٍ یَقُولُ : خَرَجْنَا مَعَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَقَصَرَ الصَّلاَۃ حَتَّی أَتَیْنَا مَکَّۃَ وَأَقَامَ بِہَا عَشْرًا یَقْصُرُ الصَّلاَۃ حَتَّی رَجَعَ إلَی الْمَدِینَۃِ۔ (بخاری ۱۰۸۱۔ مسلم ۱۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮২৮১) হজরত আনাস ইবনে মালিক (রা . ) বলেন , আমরা রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর সাথে সফরে গিয়েছিলাম , তিনি দশ দিন দাঁড়িয়ে নামায সংক্ষিপ্ত করতে থাকলেন , যতক্ষণ না তিনি মাদীতে ফিরে আসেন এবং সংক্ষিপ্তকরণ ছেড়ে দেন । .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۸۲) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنِ ابْنِ الأَصْبَہَانِیِّ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَقَامَ بِمَکَّۃَ سَبْعَ عَشْرَۃَ یَقْصُرُ الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৮২) হজরত ইকরামা ( রা . ) বলেন , নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) মক্কায় সতেরো দিন অবস্থান করেন এবং নামায সংক্ষিপ্ত করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۸۳) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ سِمَاکِ بْنِ سَلَمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : إِنْ أَقَمْتَ فِی بَلَدٍ خَمْسَۃَ أَشْہُرٍ فَاقْصُرِ الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮২৮৩) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , যদি পনের দিন কোনো শহরে থাকতে হয় , তাহলে প্রাসাদে যেতে হবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۸۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا مِسْعَرٌ وَسُفْیَانُ ، عَنْ حَبِیبِ بْنِ أَبِی ثَابِتٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مِسْوَرٍ ، قَالَ : أَقَمْنَا مَعَ سَعْدِ بْنِ مَالِکٍ شَہْرَیْنِ ، قَالَ سُفْیَانُ : بِعُمَّانَ ، وَقَالَ مِسْعَرٌ : بِعُمَّانَ ، أَوْ عَمَّان یَقْصُرُ الصَّلاَۃ وَنَحْنُ نُتِمُّ ، فَقُلْنَا لَہُ فَقَالَ : نَحْنُ أَعْلَمُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮২৮৪) হজরত আবদুল রহমান ইবনে মাসুর বলেন , আমরা আম্মানে হজরত সাদ ইবনে মালিকের কাছে দুই মাস অবস্থান করি । তিনি নামায সংক্ষিপ্ত করতেন এবং আমরা পুরো নামায পড়তাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۸۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا شُعْبَۃُ ، عَنْ أَبِی التَّیَّاحِ الضُّبَعِیِّ ، عَنْ رَجُلٍ مِنْ عَنْزَۃَ یُکَنَّی أَبَا الْمِنْہَالِ ، قَالَ: قُلْتُ لِاِبْنِ عَبَّاسٍ : إنِّی أُقِیمُ بِالْمَدِینَۃِ حَوْلاً لاَ أَشُدُّ عَلَی سَیْرٍ ، قَالَ : صَلِّ رَکْعَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৮৫ ) হজরত আবুল মানহাল বলেন , আমি হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) - কে জিজ্ঞেস করলাম যে , আমি এক বছর মদীনায় থাকব না এবং সফরের মালামাল না বেঁধে দিলে কী করব ? ? সালাত সংক্ষিপ্ত করতে বললেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۸۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الْمُثَنَّی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ أَبِی جَمْرَۃَ نَصْرِ بْنِ عِمْرَانَ ، قَالَ : قلت لِاِبْنِ عَبَّاسٍ: إنَّا نُطِیلُ الْقِیَامَ بِالْغَزْوِ بِخُرَاسَانَ فَکَیْفَ تَرَی ؟ فَقَالَ : صَلِّ رَکْعَتَیْنِ وَإِنْ أَقَمْتَ عِشْرِینَ سَنَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৮৬ ) হজরত আবু জামরাহ নাসর ইবনে ইমরান বলেন , আমি হজরত ইবনে আব্বাস ( রা .) - কে জিজ্ঞেস করলাম যে , জিহাদের জন্য খোরাসানে বেশি সময় কাটাতে হবে , আমরা সালাত পড়লাম তিনি বললেন , বিশ বছর দাঁড়িয়ে থাকলেও দুই রাকাত পড়বেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۸۷) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ : أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَن بْنَ سَمُرَۃَ شَتَی بِکَابُلَ شَتْوَۃً ، أَوْ شَتْوَتَیْنِ یُصَلِّی رَکْعَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৮৭) হজরত হাসান বলেন , হজরত আবদুল রহমান ইবনে সামরা কাবুলে আসেন । তিনি সেখানে দুই গ্রীষ্মকাল অবস্থান করেন , তিনি জুমার সালাত আদায় করেননি, তিনি দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۸۸) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ : أَنَّ أَنَسَ بْنَ مَالِکٍ أَقَامَ بِسَابُورَ سَنَۃً ، أَوْ سَنَتَیْنِ یُصَلِّی رَکْعَتَیْنِ ، ثُمَّ یُسَلِّمُ ، ثُمَّ یُصَلِّی رَکْعَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮২৮৮) হজরত হাসান বলেন , হযরত আনাস ইবনে মালিক নয় শাপুরকে বলেন । তিনি দুই বছর কিয়াম করেছেন , দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন , তারপর সালাম দিতেন এবং তারপর দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۸۹) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ مَالِکٍ ، قَالَ : قُلْتُ لِجَابِرِ بْنِ زَیْدٍ : أُقِیمُ بِکَسْکَرٍ السَّنَۃَ وَالسَّنَتَیْنِ وَأَنَا شِبْہُ الأَہِلِ ، فَقَالَ : صَلِّ رَکْعَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৮৯ ) হজরত মালিক বলেন , আমি হজরত জাবর বিন যায়েদকে জিজ্ঞেস করলাম যে আমি একজন মুসলিম । নাকি আমি দুই বছর এক বাসায় থাকি এবং সেখানে বসবাসকারীদের মত হয়ে যাই , এখন কত রাকাত নামাজ পড়তে হবে ? তিনি বললেন , দুই রাকাত পড় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۹۰) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ أَبِی وَائِلٍ ، عَنْ مَسْرُوقٍ ، قَالَ : أَقَمْتُ مَعَہُ سَنَتَیْنِ یُصَلِّی رَکْعَتَیْنِ بِالسِّلْسِلَۃِ ، قَالَ : قُلْتُ لَہُ : مَا حَمَلَک عَلَی ہَذَا یَا أَبَا عَائِشَۃَ ؟ فَقَالَ : الْتِمَاسُ السُّنَّۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8290) হজরত আবু ওয়াইল বলেন , আমি হজরত মাসরূক (রা.) - এর সঙ্গে দুই বছর দুই রাকাত পড়তে থাকি , তারপর তাকে জিজ্ঞেস করলাম , হে আবু আয়েশা! কি আপনাকে এটি করতে অনুপ্রাণিত করেছিল ? তিনি বলেন , সুন্নাতের অনুসরণের মহব্বত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۹۱) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی وَائِلٍ ، عَنْ مَسْرُوقٍ بِنَحْوِ ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8291) এটি আইক ও সনদ থেকেও বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۹۲) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إبْرَاہِیمَ، قَالَ: کُنْتُ مَعَ عَلْقَمَۃَ بِخَوَارِزْمَ سَنَتَینِ یُصَلِّی رَکْعَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৯২ ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , আমি হজরত আলকামার সঙ্গে খোয়ারজমের দুই বছর কিয়ামে অবস্থান করি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۹۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : عَلِیُّ بْنُ مُبَارَکٍ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ أَبِی کَثِیرٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ ثَوْبَانَ ، قَالَ : أَقَامَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِتَبُوکَ عِشْرِینَ لَیْلَۃً یُصَلِّی صَلاَۃَ الْمُسَافِرِ رَکْعَتَیْنِ۔ (بیہقی ۱۵۲۔ عبدالرزاق ۴۳۳۵)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৯৩ ) হজরত মুহাম্মাদ বিন আবদ আল - রহমান বিন সাওবান বলেন যে , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বিশ রাত তাবুক করেছেন এবং মুসাফিরের নামায পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۹۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ قَالَ : حدَّثَنَا زَکَرِیَّا عَنْ عَامِرٍ قَالَ : أَقَامَ عَلْقَمَۃُ بِمَرْوَ سَنَتَیْنِ فِی الْغَزْوِ یَقْصُرُ الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৯৪) হজরত আমীর বলেন , হজরত আলকামাহ জিহাদের জন্য মারুমে দুই বছর অবস্থান করেছিলেন এবং তিনি নামাজ সংক্ষিপ্ত করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۹۵) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَقَامَ سَبْعَ عَشْرَۃَ یَقْصُرُ الصَّلاَۃ ، قَالَ : وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ : مَنْ أَقَامَ سَبْعَ عَشْرَۃَ قَصَرَ الصَّلاَۃ وَمَنْ أَقَامَ أَکْثَرَ مِنْ ذَلِکَ أَتَمَّ۔ (بخاری ۱۰۸۰۔ ابوداؤد ۱۲۲۳)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৯৫ ) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) সতেরো দিন রোজা রাখতেন এবং নামাজ সংক্ষিপ্ত করতেন । হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , যে সতেরো দিন কিয়াম করল সে যেন নামায সংক্ষিপ্ত করে এবং যে তার বেশি কিয়াম করতে চায় সে যেন পূর্ণ নামায পড়ে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস