
(۸۲۳۶) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنِ الْعَوَّامِ ، قَالَ : کَانَ إبْرَاہِیمُ التَّیْمِیُّ لاَ یَرَی الْقَصْرَ إِلاَّ فِی حَجٍّ ، أَوْ جِہَادٍ ، أَوْ عُمْرَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮২৩৬) হজরত আওয়াম বলেন , হজরত ইব্রাহিম (আ.) শুধু হজ , জিহাদ ও ওমরার সময় ছোট নামাজে বিশ্বাস করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۳۷) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : کَانُوا یَقُولُونَ : السَّفَرُ الَّذِی تُقْصَرُ فِیہِ الصَّلاَۃ الَّذِی یُحْمَلُ فِیہِ الزَّادَ وَالْمَزَادَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8237) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , পূর্বসূরিরা বলতেন যে সফর কেবল তখনই সংক্ষিপ্ত হবে যেখানে জন্মগ্রহণকারী এবং পথের বাহক তার সাথে থাকবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۳۸) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنْ قَیْسِ بْنِ مُسْلِمٍ ، عَنْ طَارق بْنِ شِہَابٍ ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ ، قَالَ : لاَ یَغُرَّنکُمْ سَوَادُکُمْ ہَذَا مِنْ صَلاَتِکُمْ فَإِنَّمَا ہُوَ مِنْ مِصْرِکُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮২৩৮) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা . ) বলেন , তোমার ( কোনো প্রয়োজনে ) শহরের উপকণ্ঠে যাওয়া যেন তোমার নামাজের ব্যাপারে আমাকে ধোঁকা না দেয় । এই স্থানগুলো আপনার কুফা শহরের অংশ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۳۹) حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلاَمِ بْنُ حَرْبٍ ، عَنِ ابْنِ أَبِی فَرْوَۃَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَیْبٍ ، عَنْ أَبِیہِ : أَنَّ مُعَاذًا وَعُقْبَۃَ بْنَ عَامِرٍ ، وَابْنَ مَسْعُودٍ قَالُوا : لاَ یَغُرَّنکُمْ مَوَاشِیکُمْ یَطَأُ أَحَدُکُمْ بِمَاشِیَتِہِ أَحْدَابَ الْجِبَالِ ، أَوْ بُطُونَ الأَوْدِیَۃِ وَتَزْعُمُونَ بِأَنَّکُمْ سَفْرٌ لاَ وَلاَ کَرَامَۃَ ، إنَّمَا التَّقْصِیرُ فِی السَّفَرِ الْبَاتِّ مِنَ الأُفُقِ إلَی الأُفُقِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮২৩৯) হজরত মুআয, হজরত উকবা ইবনে আমির এবং হজরত ইবনে মাসউদ (রা. ) বলেন যে , তারা সকলেই তাদের গবাদি পশু নিয়ে গিয়েছিলেন পাহাড়ের চূড়ায় । উপত্যকায় যাওয়া আপনাকে প্রার্থনার বিষয়ে প্রতারিত হতে দেবেন না যাতে আপনি এটিকে ভ্রমণ হিসাবে ভাবতে শুরু করেন । এতে কোন মর্যাদা নেই . কেবলমাত্র এক দিগন্ত থেকে অন্য দিগন্তে দীর্ঘ যাত্রায় কসরের নামাযের অনুমতি রয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۴۰) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ زُبَیْدٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنْ عُمَرَ ، قَالَ : صَلاَۃُ السَّفَرِ رَکْعَتَانِ تَمَامٌ غَیْرُ قَصْرٍ عَلَی لِسَانِ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮২৪০) হজরত উমর ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর বাণী অনুযায়ী সফরের দুই রাকাত পূর্ণ হয় এবং তাতে কোনো কমতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۴۱) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ شُفَیٍّ ، قَالَ : قُلْتُ لِاِبْنِ عَبَّاسٍ : إنَّا قَوْمٌ کُنَّا إذَا سَافَرْنَا کَانَ مَعَنَا مَنْ یَکْفِینَا الْخِدْمَۃَ مِنْ غِلْمَانِنَا فَکَیْفَ نُصَلِّی ؟ فَقَالَ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إذَا سَافَرَ صَلَّی رَکْعَتَیْنِ حَتَّی یَرْجِعَ ، قَالَ : ثُمَّ عُدْتُ فَسَأَلْتُہُ فَقَالَ مِثْلَ ذَلِکَ ، ثُمَّ عُدْت فَقَالَ لِی بَعْضُ الْقَوْمِ : أَمَا تَعْقِلُ أَمَا تَسْمَعُ مَا یَقُولُ لَک۔ (احمد ۱/۲۴۱۔ طبرانی ۱۲۷۱۲)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৪১ ) হজরত সাঈদ বিন শাফী বলেন , আমি হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) - কে জিজ্ঞেস করলাম যে , আমরা যখন সফরে যাই তখন আমাদের সঙ্গে অনেক চাকর - বাকর থাকে , আমরা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ব্যবস্থা করছি , তাহলে কার সঙ্গে নামাজ পড়ব ? তিনি বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফরে গেলে তিনি ফিরে না আসা পর্যন্ত দুই রাকাত নামায পড়তেন । আমি আবার একই প্রশ্ন করলাম এবং তিনি একই উত্তর দিলেন . আমি আবার জিজ্ঞাসা করলাম এবং এই লোকটি আমাকে বলল যে আপনি সবাই বুঝতে পারছেন না তিনি কি বলছেন . তারা যা বলছে তা তুমি শোনো না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۴۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ابْنُ أَبِی خَالِدٍ ، عَنْ أَبِی حَنْظَلَۃَ ، قَالَ : سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ عَنِ الصَّلاَۃ فِی السَّفَرِ ، فَقَالَ : رَکْعَتَانِ سُنَّۃُ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ۔ (احمد ۲/۱۳۵)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৪২) হজরত আবু হানযালা বলেন , আমি হজরত ইবনে উমর (রা . ) - কে সফরের নামায সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন , সফরে দু রাকাত নামায পড়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۴۳) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنِ ابْنِ أَبِی عَمَّارٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ بَابَاہ ، عَنْ یَعْلَی بْنِ أُمَیَّۃَ ، قَالَ: سَأَلْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قُلْتُ {فَلَیْسَ عَلَیْکُمْ جُنَاحٌ أَنْ تَقْصُرُوا مِنَ الصَّلاَۃ إِنْ خِفْتُمْ أَنْ یَفْتِنَکُمُ الَّذِینَ کَفَرُوا} وَقَدْ أَمِنَ النَّاسُ ، فَقَالَ : عَجِبْتُ مِمَّا عَجِبْتَ مِنْہُ فَسَأَلْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عَنْ ذَلِکَ فَقَالَ : صَدَقَۃٌ تَصَدَّقَ اللَّہُ بِہَا عَلَیْکُمْ فَاقْبَلُوا صَدَقَتَہُ۔ (مسلم ۴۔ ابوداؤد ۱۱۹۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮২৪৩) হজরত আলী ইবনে উমাইয়া বলেন , আমি হজরত উমর ইবনে খাত্তাব (রা. ) - কে জিজ্ঞেস করলাম যে, আল্লাহ তায়ালা বলেন ( অনুবাদ ) যখন তুমি ভয় কর যে , কাফেরদের কষ্ট হবে , তাহলে নামায সংক্ষিপ্ত করার কোনো ক্ষতি নেই । আমি বললাম যে এখন শান্তির সময় তাই ছোট হবে নাকি ? হজরত ওমর (রা.) বললেন , তোমাদের সবার সাথে আমার একটা সমস্যা ছিল , আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করেছিলাম , তিনি বললেন , এটা তোমাদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে দান , এই দান কবুল করুন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۴۴) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِی لَیْلَی ، قَالَ : خَرَجَ سَلْمَانُ فِی ثَلاَثَۃَ عَشَرَ رَجُلاً مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ غُزَاۃً وَسَلْمَانُ أَسَنُّہُمْ ، فَلَمَّا حَضَرَتِ الصَّلاَۃ قَالُوا لَہُ : تَقَدَّمْ یَا أَبَا عَبْدِ اللہِ ، فَقَالَ : مَا أَنَا بِالَّذِی أَتَقَدَّمُ وَأَنْتُمُ الْعَرَبُ مِنْکُمُ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَلْیَتَقَدَّمْ بَعْضُکُمْ ، فَتَقَدَّمَ بَعْضُ الْقَوْمِ فَصَلَّی بِہِمْ أَرْبَعَ رَکَعَاتٍ ، فَلَمَّا قَضَیْنَا الصَّلاَۃ قَالَ سَلْمَانُ : وَمَا لِلْمُرْبَعَۃِ ، إنَّمَا کَانَ یَکْفِینَا رَکْعَتَانِ نِصْفُ الْمُرْبَعَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮২৪৪) হজরত আবুল লায়লা বলেন , হজরত সালমান ( রা . ) বারোজন সাহাবীর সঙ্গে যুদ্ধের জন্য বেরিয়েছিলেন , তিনি তাদের সবার চেয়ে বড় ছিলেন । যখন নামাযের সময় হল তখন সবাই বললঃ হে আবূ আবদুল্লাহ! আপনি ইমামতি করেন । তিনি বললেন , আমার ইমামতি করার সৌভাগ্য নেই , তোমরা আরব এবং মহানবী ( সা . ) তোমাদের সবার কাছ থেকে । কাজেই তোমাদের একজনকে এগিয়ে যেতে হবে এবং ইমামতি করতে হবে। এতে এ কে সাহেব এগিয়ে গিয়ে চার রাকাত পড়লেন । আমরা যখন নামাজ শেষ করলাম তখন হযরত সালমান (রাঃ ) বললেন চার রাকাত নামায পড়তে হবে । আমাদের জন্য চার দুই রাকাতের অর্ধেকই যথেষ্ট
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۴۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سَعِیدُ بْنُ عُبَیْدٍ الطَّائِیُّ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ رَبِیعَۃَ الْوَالِبی ، عَنِ الرَّبِیعِ بْنِ نَضْلَۃَ ، قَالَ : خَرَجْنَا فِی سَفَرٍ وَنَحْنُ اثْنَا عَشَرَ ، أَوْ ثَلاَثَۃَ عَشَرَ رَاکِبًا کُلُّہُمْ قَدْ صَحِبَ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ غَیْری ، قَالَ : فَحَضَرَتِ الصَّلاَۃ فَتَدَافَعَ الْقَوْمُ فَتَقَدَّمَ شَابٌّ مِنْہُمْ فَصَلَّی بِہِمْ أَرْبَعَ رَکَعَاتٍ ، فَلَمَّا صَلَّی قَالَ سَلْمَانُ : مَا لَنَا وَلِلْمَرْبُوعَۃِ یَکْفِینَا نِصْفُ الْمَرْبُوعَۃِ ، نَحْنُ إلَی التَّخْفِیفِ أَفْقَرُ فَقَالُوا : تَقَدَّمْ أَنْتَ یَا أَبَا عَبْدِ اللہِ فَصَلِّ بِنَا ، فَقَالَ : أَنْتُمْ بَنُو إسْمَاعِیلَ الأَئِمَّۃُ وَنَحْنُ الْوُزَرَائُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৪৫ ) হজরত রাবিয়া ইবনে নাজলা বলেন , আমরা বারোজন লোক নিয়ে সফরে রওয়ানা হলাম , আমি ছাড়া বাকি সবাই ছিলেন রাসূলুল্লাহ ( সা . ) । ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ছিল । নামাজের সময় হলে তারা সবাই নামাজের ইমামতি করার জন্য একে অপরকে অগ্রসর হতে লাগল । তাদের মধ্যে একজন যুবক আগুনের দিকে উঠে চার রাকাত পড়িয়েছে । তারা যখন নামাজ শেষ করল, তখন হজরত সালমান (রা.) বললেন , আমরা কেন চার রাকাত নামাজ পড়ব ? আমাদের জন্য চার দুই রাকাতের অর্ধেকই যথেষ্টআমাদের ত্রাণের বেশি প্রয়োজন . এতে সবাই বললঃ হে আবূ আবদুল্লাহ! নামাজ নিজে পড়তে হবে তিনি বললেন , তুমি বনু ইসমাইল লাইমা আর আমরা মন্ত্রী ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۴۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : جَائَ رَجُلٌ إلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : یَا رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إنِّی رَجُلٌ تَاجِرٌ أَخْتَلِفُ إلَی الْبَحْرَیْنِ فَأَمَرَہُ أَنْ یُصَلِّیَ رَکْعَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৪৬ ) হজরত ইব্রাহীম ( রা . ) বলেন , এক ব্যক্তি নবী করীম ( সা . ) - এর কাছে এসে বললেন , আমি একজন ব্যবসায়ী এবং মীরা বাহরিন আসতেই থাকে । আমি কার সাথে প্রার্থনা করব ? আপনি তাকে দুই রাকাত পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۴۷) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنِ أَبِی إِسْحَاقَ ، قَالَ : سَأَلْتُ سَلَمَۃَ بْنَ صُہَیْبٍ وَنَحْنُ بِسِجِسْتَانَ ، عَنِ الصَّلاَۃ ، فَقَالَ : رَکْعَتَیْنِ رَکْعَتَیْنِ حَتَّی تَرْجِعَ إلَی أَہْلِکَ ، ہَکَذَا کَانَ عَبْدُ اللہِ بْنُ مَسْعُودٍ یَقُولُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮২৪৭) হজরত আবু ইসহাক বলেন , আমরা সাজিস্তানে ছিলাম , আমি হজরত সালামা ইবনে সাহায়েব ( রা.)-কে নামায সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন , ততক্ষণ পর্যন্ত দুই রাকাত নামায পড়ুন যতক্ষণ না তুমি তোমার পরিবার-পরিজনের কাছে ফিরে আসবে । হযরত আবদুল্লাহ রা তারাও তাই করত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۴۸) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا ابْنُ عَوْنٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : صَلَّیْنَا مَعَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بَیْنَ مَکَّۃَ وَالْمَدِینَۃِ وَنَحْنُ آمِنُونَ لاَ نَخَافُ شَیْئًا رَکْعَتَیْنِ۔ (ترمذی ۵۴۷۔ احمد ۱/۲۲۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৪৮ ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস ( রা . ) বলেন , আমরা বিনা ভয়ে রাসুলুল্লাহ ( সা . ) - এর সাথে দুই রাকাত নামাজ আদায় করেছি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۴۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، وَابْنُ أَبِی لَیْلَی ، عَنْ عَوْنِ بْنِ أَبِی جُحَیْفَۃَ السُّوَائِیِّ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ: صَلَّیْتُ مَعَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِمِنًی الظُّہْرَ رَکْعَتَیْنِ ، ثُمَّ لَمْ یَزَلْ یُصَلِّی رَکْعَتَیْنِ حَتَّی رَجَعَ إلَی الْمَدِینَۃِ۔ (احمد ۴/۳۰۹۔ طبرانی ۲۵۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( 8249 ) হযরত আবু জুহাইফা সাওয়াই বলেন যে , আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে যোহরের দুই রাকাত পড়লাম .হ্যাঁ . তারপর তিনি মাদীতে ফিরে আসা পর্যন্ত দুই রাকাত পড়তে থাকলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۵۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ہِشَامُ بْنُ عُرْوَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، قَالَتْ : أَوَّلُ مَا فُرِضَتِ الصَّلاَۃ رَکْعَتَیْنِ ، ثُمَّ زِیدَ فِیہَا فَجُعِلَ لِلْمُقِیمِ أَرْبَعًا۔ (بخاری ۳۵۰۔ مسلم ۴۷۸)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৫০ ) হজরত আয়েশা (রা. ) বলেন , আসলে দুই রাকাত নামায ফরজ ছিল , তারপর তা বাড়িয়ে দেওয়া হয় এবং বাসিন্দার জন্য চার রাকাত করা হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۵۱)حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا مِسْعَرٌ ، عَنْ سِمَاکٍ الْحَنَفِیِّ ، قَالَ : سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ یَقُولُ : الرَّکْعَتَانِ فِی السَّفَرِ تَمَامٌ غَیْرُ قَصْرٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৫১ ) হজরত ইবনে উমর ( রা ) বলেন , সফরে দুই রাকাত পূর্ণ হয় এবং তাতে কোনো কমতি হয় না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৫১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۵۲) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنْ وِقَائِ بْنِ إیَاسٍ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ رَبِیعَۃَ : أَنَّ عَلِیًّا خَرَجَ فِی السَّفَرِ ، فَکَانَ یُصَلِّی رَکْعَتَیْنِ رَکْعَتَیْنِ حَتَّی یَرْجِعَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮২৫২) হজরত আলী ইবনে রাবিয়াহ বলেন , হজরত আলী যখন সফরে যেতেন , ফিরে না আসা পর্যন্ত তিনি দুই রাকাত পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৫২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۵۳) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ عَوَّامٍ ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِی ہِنْدٍ ، عَنْ أَبِی حَرْبِ بْنِ أَبِی الأَسْوَدِ : أَنَّ عَلِیًّا خَرَجَ مِنَ الْبَصْرَۃِ فَصَلَّی الظُّہْرَ أَرْبَعًا ، ثُمَّ قَالَ : أَمَا إنَّا إذَا جَاوَزْنَا ہَذَا الْخُصَّ صَلَّیْنَا رَکْعَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮২৫৩) হজরত আবু হারব ইবনে আবি আসওয়াদ বলেন , হজরত আলী বসরা ত্যাগ করেন এবং তিনি চার রাকাত নামায পড়েন এবং তারপর বলেন , যখন আমরা এই কুঁড়েঘর অতিক্রম করব তখন দুই রাকাত পড়বে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৫৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۵۴) حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إسْمَاعِیلَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَرْمَلَۃَ ، أَنَّہُ سَمِعَ رَجُلاً یَسْأَلُ سَعِیدَ بْنَ الْمُسَیَّبِ أُتِمُّ الصَّلاَۃ وَأَصُومُ فِی السَّفَرِ ؟ قَالَ : لاَ ، قَالَ : فَإِنِّی أَقْوَی عَلَی ذَلِکَ ، قَالَ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَقْوَی مِنْک کَانَ یَقْصُرُ الصَّلاَۃ فِی السَّفَرِ وَیُفْطِرُ ، وَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : خِیَارُکُمْ مَنْ قَصَرَ الصَّلاَۃ فِی السَّفَرِ وَأَفْطَرَ۔ (عبدالرزاق ۴۴۸۰۔ طبرانی ۶۵۵۴)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৫৪ ) হজরত আবদ আল - রহমান বিন হারমালা বলেন , এক ব্যক্তি হজরত সাঈদ বিন মুসাইয়্যেব (রা.) - কে জিজ্ঞেস করলেন , তিনি কি সফরে পূর্ণ নামাজ পড়তে পারেন এবং আমি কি রোজা রাখতে পারি ? সে বলল না . সে বললো আমার কাছে তার ক্ষমতা আছে । তিনি বলেন , মহানবী ( সা . ) রাসুল ( সাঃ ) আপনার চেয়ে শক্তিশালী ছিলেন । সফরে তিনি নামাজ সংক্ষিপ্ত করতেন এবং রোজা রাখতেন না । আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , তোমার ও আমার চেয়ে উত্তম সেই ব্যক্তি যে তার নামায সংক্ষিপ্ত করে এবং সফরে রোযা রাখে না।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৫৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۵۵) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنِ أَبِی إِسْحَاقَ ، قَالَ : لَقِیتُ عَبْدَ اللہِ بْنَ مَعقِلٍ بِالْمَدَائِنِ فَقُلْتُ : إنِّی إمَامُ قَوْمِی وَإِنِّی أُرِیدُ الرُّجُوعَ إلَی أَہْلِی فَکَمْ أُصَلِّی ؟ قَالَ : أَرْبَعًا ، ثُمَّ لَقِیتُہُ بَعْدُ بِالرَّیِّ فَقُلْت إنِّی أُرِیدُ أنْ أرْجِع إلَی أَہْلِی فَکَمْ تَأْمُرُنِی أَنْ أُصَلِّیَ ؟ قَالَ رَکْعَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮২৫৫) হজরত আবু ইসহাক বলেন , আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মুয়াকাল ( রা . ) - এর সাথে মাদাইনে সাক্ষাৎ করলাম এবং আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম যে, আমি আমার জাতির ইমাম এবং আমি আমার উম্মতের ইমাম , আমি কত রাকাত বাড়ি ফিরে যেতে চাই ? আমার কি প্রার্থনা করা উচিত ? তিনি বলেন , চার . পরে আমি তাদের সাথে দেখা করে বললাম যে আমি আমার জাতির ইমাম এবং আমি আমার ঘরে ফিরে যেতে চাই , আপনি আমার জন্য কত রাকাত নামাজের আদেশ করবেন ? সে বলল .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৫৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۵۶) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ أَبِی بُکَیْرٍ قَالَ : حدَّثَنَا إبْرَاہِیمُ بْنُ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ طَاوُوس ، قَالَ : کَانَ أَبِی یَقْصُرُ مِنْ حِینِ یَخْرُجُ مِنْ بَیْتِہِ حَتَّی یَرْجِعَ إلَی أَہْلِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8256) হজরত ইবনে তাওয়াস বলেন, আমার পিতা বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে ফিরে না আসা পর্যন্ত ছোট নামায পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৫৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۵۷) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ قَالَ : أَخْبَرَنَا ہَارُونُ بْنُ زَارْوَی ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : جَائَ رَجُلٌ إلَی ابْنِ عَبَّاسٍ ، فَقَالَ : إنِّی وَصَاحِبٌ لِی کُنَّا فِی سَفَرٍ فَکُنْتُ أُتِمُّ وَکَانَ صَاحِبِی یَقْصُرُ ، فَقَالَ لَہُ ابْنُ عَبَّاسٍ : بَلْ أَنْتَ الَّذِی کُنْتَ تَقْصُرُ وَصَاحِبُک الَّذِی کَانَ یُتِمُّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮২৫৭) হজরত মুজাহিদ বলেন , এক ব্যক্তি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.)- এর কাছে এসে বললেন , আমি এবং মিরায়েক ( রা .) - এর বন্ধু , আমরা দুজনেই সফরে ছিলাম , তিনি পুরো সালাত আদায় করতেন এবং সংক্ষিপ্ত করতেন । হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, তুমি কসর সংক্ষিপ্ত করতে এবং তোমার বন্ধু পূর্ণ নামায পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৫৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۵۸) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ زَیْدٍ ، عَنْ أَبِی نَضْرَۃَ ، قَالَ : مَرَّ عِمْرَانُ بْنُ حُصَیْنٍ فِی مَجْلِسِنَا ، فَقَامَ إلَیْہِ فَتًی مِنَ الْقَوْمِ فَسَأَلَہُ عَنْ صَلاَۃِ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی الْحَجِّ وَالْغَزْوِ وَالْعُمْرَۃِ ، فَجَائَ فَوَقَفَ عَلَیْنَا فَقَالَ : إنَّ ہَذَا سَأَلَنِی عَنْ أَمْرٍ فَأَرَدْتُ أَنْ تَسْمَعُوہُ ، أَوْ کَمَا قَالَ : غَزَوْتُ مَعَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَلَمْ یُصَلِّ إِلاَّ رَکْعَتَیْنِ حَتَّی رَجَعَ إلَی الْمَدِینَۃِ ، وَحَجَجْتُ مَعَہُ فَلَمْ یُصَلِّ إِلاَّ رَکْعَتَیْنِ حَتَّی رَجَعَ إلَی الْمَدِینَۃِ ، وَشَہِدْتُ مَعَہُ الْفَتْحَ فَأَقَامَ بِمَکَّۃَ ثَمَانَ عَشْرَۃَ لَیْلَۃً لاَ یُصَلِّی إِلاَّ رَکْعَتَیْنِ ، یَقُولُ لأَہْلِ الْبَلَدِ : صَلُّوا أَرْبَعًا فَإِنَّا سَفْرٌ ، وَاعْتَمَرْتُ مَعَہُ ثَلاَثَ عُمَرَ لاَ یُصَلِّی إِلاَّ رَکْعَتَیْنِ ، وَحَجَجْت مَعَ أَبِی بَکْرٍ وَغَزَوْت فَلَمْ یُصَلِّ إِلاَّ رَکْعَتَیْنِ حَتَّی رَجَعَ إلَی الْمَدِینَۃِ ، وَحَجَجْت مَعَ عُمَرَ حَجَّاتٍ فَلَمْ یُصَلِّ إِلاَّ رَکْعَتَیْنِ حَتَّی رَجَعَ إلَی الْمَدِینَۃِ، وَحَجَجْت مَعَ عُثْمَانَ سَبْعَ سِنِینَ مِنْ إمَارَتِہِ لاَ یُصَلِّی إِلاَّ رَکْعَتَیْنِ ، ثُمَّ صَلاَّہا بِمِنًی أَرْبَعًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৫৮ ) হজরত আবু নাজরা বলেন , হজরত ইমরান বিন হুসাইন ( রা .) আমাদের সমাবেশের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় এক যুবক দাঁড়িয়ে তাকে বলল, তুমি আমাদের । বলুন , হজ , জিহাদ ও ওমরার সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন সালাত আদায় করতেন ? তিনি এসে আমাদের কাছে এসে দাঁড়ালেন এবং বললেনঃ আমি আপনাদের যা বলতে চাই সে সম্পর্কে তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করেছেন আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে জিহাদে অংশগ্রহণ করেছি । মাদীতে ফিরে আসা পর্যন্ত তিনি দুই রাকাত নামায পড়তেন । আমি আপনার সাথে হজ করেছি আপনি মাদী আসার আগ পর্যন্ত দুই রাকাত নামাজ পড়তেন । মক্কা বিজয়ের বছর আমি মক্কায় মহানবী ( সা . ) - এর সাথে আঠারো রাত অবস্থান করি ।এ সময় তিনি দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন এবং তারপর সালাম দেয়ার পর মক্কাবাসীদের বলতেন , “ তোমরা চার রাকাত পূর্ণ কর , আমরা মুসাফির। ” আমি হজরত আবু বকর (রা.)-এর সাথে হজ ও জিহাদ করেছি । তারা আসার আগ পর্যন্ত মাত্র দুই রাকাত পড়তেন । আমি হজরত ওমর (রা.) - এর সঙ্গে বহুবার হজ করেছি আমি হজরত উসমানের আমিরাতে সাত বছর হজ করেছি এবং তিনিও দুই রাকাত নামাজ পড়তেন ।তারপর মিনামীতে চার রাকাত আদায় করলেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৫৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۵۹) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ سِمَاکٍ ، عَنْ عَوْنِ بْنِ أَبِی جُحَیْفَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : صَلَّی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِمَکَّۃَ الظُّہْرَ رَکْعَتَیْنِ صَلاَۃَ الْمُسَافِرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৫৯ ) হজরত আবু জুহাইফা ( রাঃ ) বলেন যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় এক মুসাফিরের নামায অনুযায়ী যোহরের দুই রাকাত আদায় করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৫৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۶۰) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، عَن عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ یَزَیْدٍ ، قَالَ : صَلَّی عُثْمَانُ بِمِنًی أَرْبَعًا ، فَقَالَ عَبْدُ اللہِ : صَلَّیْتُ مَعَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِمِنًی رَکْعَتَیْنِ ، وَمَعَ أَبِی بَکْرٍ رَکْعَتَیْنِ ، وَمَعَ عُمَرَ رَکْعَتَیْنِ ، ثُمَّ تَفَرَّقَتْ بِکُمُ الطُّرُقُ ، وَلَوَدِدْت أَنَّ لِی مِنْ أَرْبَعِ رَکَعَاتٍ رَکْعَتَیْنِ مُتَقَبَّلَتَیْنِ۔ (بخاری ۱۶۵۷۔ مسلم ۱۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮২৬০) হজরত আবদ আল - রহমান ইবনে ইয়াজিদ বলেন , হজরত উসমান (রা.) আমার সঙ্গে চার রাকাত নামাজ পড়লেন , তখন হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - এর কাছে দুই রাকাত নামাজ পড়লাম রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর সাথে আহ্স । আমি হজরত আবু বকর ( রা.) - এর সাথে দুই রাকাত পড়েছি আমি হজরত ওমর (রা.) - এর সাথে দুই রাকাত পড়েছি এখন তোমার পথ ভিন্ন। আমার ইচ্ছা আমার চার রাকাতের মধ্যে দুই রাকাত কবুল হয়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৬০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۶۱) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، وَأَبُو الأَحْوَص ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ حَارِثَۃَ بْنِ وَہْبٍ الْخُزَاعِیِّ ، قَالَ : صَلَّیْتُ مَعَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِمِنًی آمَنَ مَا کَانَ النَّاسُ وَأَکْثَرہ رَکْعَتَیْنِ۔ (بخاری ۱۰۸۳۔ مسلم ۲۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৬১ ) হজরত হারিসা বিন ওয়াহিব খুযায়ী বলেন , আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর সাথে ছিলাম যদিও লোকেরা অত্যন্ত শান্তিপ্রিয় ছিল
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۶۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سَعِیدُ بْنُ السَّائِبِ الطَّائِفِیُّ ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِی عَاصِمٍ الثَّقَفِیِّ ، قَالَ : سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ عَنِ الصَّلاَۃ بِمِنًی فَقَالَ : ہَلْ سَمِعْتَ بِمُحَمَّدٍ وَ آمَنْتَ بِہِ ، فَإِنَّہُ کَانَ یُصَلِّی بِمِنًی رَکْعَتَیْنِ۔ (احمد ۲/۲۴)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৬২) হজরত দাউদ ইবনে আবি আসিম সাকফী বলেন , আমি হজরত ইবনে উমর (রা.) - কে মিনাক নামায সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন , আপনি কি সালাত আদায় করেছেন ? আপনি কি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) সম্পর্কে শুনেছেন এবং ঈমান এনেছেন ? তার মধ্যে ? তিনি মিনামীতে দুই রাকাত পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۶۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ہِشَامُ بْنُ عُرْوَۃَ : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَأَبَا بَکْرٍ وَعُمَرَ وَعُثْمَانَ صَدْرًا مِنْ إمَارَتِہِ صَلَّوْا بِمِنًی رَکْعَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮২৬৩) হজরত উরওয়া বলেন , হজরত মুহাম্মদ (সা . ) , হজরত আবু বকর , হজরত উমর ও হজরত উসমান ( রা . ) তাদের আমিরাতের প্রথম দিকে দুই রাকাত নামাজ পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۶۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، قَالَ: حدَّثَنَا حَنْظَلَۃُ قَالَ: سَأَلْتُ الْقَاسِمَ وَسَالِمًا وَطَاوُوسا عَنِ الصَّلاَۃ بِمِنًی، فَقَالُوا: قَصر۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৬৪ ) হজরত হানযালা বলেন , আমি হযরত কাসেম , হযরত সেলিম ও হযরত তাউসকে আমার নামাযের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তারা বললেন , তারা সেখানেই কসর করবে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۲۶۵) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : یُصَلِّی الْمُسَافِرُ رَکْعَتَیْنِ حَتَّی یَرْجِعَ إِلاَّ أَنْ یَأْتِیَ مِصْرًا مِنَ الأَمْصَارِ فَیُصَلِّیَ بِصَلاَتِہِمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮২৬৫ ) হজরত হাসান বলেন , একজন মুসাফির বাড়ি ফেরার আগ পর্যন্ত দুই রাকাত নামাজ পড়বে , কিন্তু কোনো শহরে গেলে সে শহরের লোকদের মতো নামাজ পড়বে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস