(৪) ( ৮৯৫৮ ) আল হাসান বিন সালেহ , আশআতের সূত্রে , উসমান বিন আবি আল আস এর সূত্রে , তিনি বলেন: ْإُ السُّفْرَةَ فِي اَ يَّ عم غَيْ رِ حَيْ إِتِها , قَالِ : আপনি যদি বেড়েছে হে আল্লাহর মা [হাদিসের সীমা (৫০২৬-৮৯৫৮), সর্বমোট হাদিসঃ ৩৯৩৩টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৭৮৩টি]



8176 OK

(৮১৭৬)

সহিহ হাদিস

(۸۱۷۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : سَأَلْتُ عَبِیْدَۃَ عَنِ الْقِرَائَۃِ ؟ فَقَالَ : أَسْمِعْ نَفْسَک۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 8176 ) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , আমি হজরত আবু উবাইদাহ ( রা.) - কে তিলাওয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন , তোমার হৃদয় তেলাওয়াত করো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৭৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8177 OK

(৮১৭৭)

সহিহ হাদিস

(۸۱۷۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّہُ قَالَ فِی قِرَائَۃِ النَّہَارِ : أَسْمِعْ نَفْسَک۔


থেকে বর্ণিতঃ

(8177) হজরত হাসান প্রতিদিনের নামাজ পড়ার বিষয়ে বলেন যা পাঠ করলে আপনার হৃদয় ছুঁয়ে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৭৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8178 OK

(৮১৭৮)

সহিহ হাদিস

(۸۱۷۸) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنِ الْہَجَرِیِّ ، عَنْ أَبِی عِیَاضٍ ، قَالَ : کَانَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إذَا صَلَّی عِنْدَ الْبَیْتِ جَہَرَ بِقِرَائَتِہِ ، فَکَانَ الْمُشْرِکُونَ یُؤْذُونَہُ فَنَزَلَتْ : (وَلاَ تَجْہَرْ بِصَلاَتِکَ وَلاَ تُخَافِتْ بِہَا) الآیَۃَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৮১৭৮ ) হজরত আবু আইয়াজ ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আল্লাহর ঘরের কাছে নামাজ পড়তেন , তখন মুশরিকরা তাকে চিন্তা করতেন যদি তিনি সদকা করতেন , এই আয়াতটি তাঁর প্রতি অবতীর্ণ হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৭৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8179 OK

(৮১৭৯)

সহিহ হাদিস

(۸۱۷۹) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَوْلُہُ : (وَلاَ تَجْہَرْ بِصَلاَتِکَ وَلاَ تُخَافِتْ بِہَا) قَالَ : الدُّعَائُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৮১৭৯) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) আল্লাহ তায়ালার বাণী {ওয়ালা তাযহার বিসালাতিক ওয়া লা তুখাফিত বিহা } সম্পর্কে বলেন , এর অর্থ হলো দোয়া ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৭৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8180 OK

(৮১৮০)

সহিহ হাদিস

(۸۱۸۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : الدُّعَاء ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(8180) আমি হযরত মুজাহিদ আল্লাহ তায়ালার উক্তি সম্পর্কে বলি {ওয়ালা তাযহার বিসালাতিক ওয়া লা তুখাফিত বিহা } এর অর্থ হলো দোয়া।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৮০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8181 OK

(৮১৮১)

সহিহ হাদিস

(۸۱۸۱) حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ ہِشَامٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ عَیَّاشٍ الْعَامِرِیِّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ شَدَّادٍ ، قَالَ : کَانَ أَعْرَابٌ لِبَنِی تَمِیمٍ إذَا سَلَّمَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالُوا : اللَّہُمَّ ارْزُقْنَا مَالاً وَوَلَدًا ، فَنَزَلَتْ (وَلاَ تَجْہَرْ بِصَلاَتِک)۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৮১৮১) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে শাদ্দাদ (রা.) বলেন, বনুত ইয়ামের নারীদের রীতি ছিল যে , নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) যখন তাদেরকে সালাম দিতেন তখন তারা বলতেন : হে আল্লাহ ! আমাদের সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দাও । এই আয়াতটি তার উপর অবতীর্ণ হয়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৮১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8182 OK

(৮১৮২)

সহিহ হাদিস

(۸۱۸۲) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللہِ الأَسَدِیُّ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَیَّاشٍ الْعَامِرِیِّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ شَدَّادٍ بِنَحْوِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(8182) এটি আইক ও সনদ থেকেও বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৮২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8183 OK

(৮১৮৩)

সহিহ হাদিস

(۸۱۸۳) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ أَبِی بُکَیْرٍ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ : {وَلاَ تَجْہَرْ بِصَلاَتِکَ وَلاَ تُخَافِتْ بِہَا} قَالَ : تُحْسِنُ عَلاَنِیَۃً وَتَجَوَّزُ سِرًّا {وَابْتَغِ بَیْنَ ذَلِکَ سَبِیلاً} قَالَ : تُجْعَلُہا سَوَائً فِی السِّرِّ وَالْعَلاَنِیَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৮১৮৩) হজরত ইবনে সীরীন আল্লাহ তায়ালার বাণী {ওয়ালা তাজ্জাহার বিসালাতিক ওয়া লা তুখাফিত বিহা } সম্পর্কে বলেন যে , তা প্রকাশ্যে সুন্দর ও গোপনে হওয়া উচিত আর আল্লাহ তায়ালার হুকুম {ওয়াবতাগ-বি - নি - জালিক - সাবিলা } সম্পর্কে , আমি বলি যে, এর অর্থ হল আপনি একে বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণভাবে সমান রাখুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৮৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8184 OK

(৮১৮৪)

সহিহ হাদিস

(۸۱۸۴) حَدَّثَنَا ہَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ ، قَالَ : حدَّثَنَا أَبُو سَعِیدٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا سَالِمٌ ، عَنْ سَعِیدٍ : {وَلاَ تَجْہَرْ بِصَلاَتِکَ وَلاَ تُخَافِتْ بِہَا} ، قَالَ : کَانَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَرْفَعُ صَوْتَہُ بِبِسْمِ اللہِ الرَّحْمَن الرَّحِیمِ وَکَانَ مُسَیْلِمَۃُ قَدْ تَسَمَّی الرَّحْمَان ، فَکَانَ الْمُشْرِکُونَ إذَا سَمِعُوا ذَلِکَ مِنَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالُوا : قَدْ ذَکَرَ مُسَیْلِمَۃَ إلَہَ الْیَمَامَۃِ ، ثُمَّ عَارَضُوہُ بِالْمُکَائِ وَالتَّصْدِیَۃِ وَالصَّفِیرِ فَأَنْزَلَ اللَّہُ تَعَالَی : {وَلاَ تَجْہَرْ بِصَلاَتِکَ وَلاَ تُخَافِتْ بِہَا}۔ (طبری ۱۸۲)


থেকে বর্ণিতঃ

(৮১৮৪) হজরত সাঈদ ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) উচ্চ স্বরে বিসমিল্লাহ আল -রাহমান আল-রাহীম পাঠ করতেন । আর মিস ইয়েলামা নিজেকে রহমান বলে ডাকতেন । মুশরিকরা যখন আপনার কাছ থেকে বিসমিল্লাহ মেইনুর রহমান শব্দটি শুনল , তখন তারা বলল যে, তিনি ইয়ামামার দেবতা মুসলিমের কথা বলেছেন , তখন তা বিতর্ক , চ্যালেঞ্জ ও গোলমালের পর্যায়ে পৌঁছেছে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৮৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8185 OK

(৮১৮৫)

সহিহ হাদিস

(۸۱۸۵) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ ہِشَامٍ : أَنَّ أَبَاہُ کَانَ یَدْعُو لِلزُّبَیْرِ فِی صَلاَتِہِ وَیُسَمِّیہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৮১৮৫) হজরত হিশাম বলেন , আমার পিতা হজরত উরওয়া ( রা . ) নামাজে হজরত যুবায়ের ( রা .) - এর নাম নিতেন এবং তার জন্য দোয়া করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৮৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8186 OK

(৮১৮৬)

সহিহ হাদিস

(۸۱۸۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ شُعْبَۃَ، عَنْ أَبِی إیَاسٍ، قَالَ: قَالَ أَبُوالدَّرْدَائِ: إنِّی لأَدْعُو لِسَبْعِینَ مِنْ إخْوَانِی وَأَنَا سَاجِدٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৮১৮৬ ) হজরত আবু দারদা বলেন , আমি সিজদা অবস্থায় আমার সত্তর ভাইয়ের জন্য দোয়া করি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৮৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8187 OK

(৮১৮৭)

সহিহ হাদিস

(۸۱۸۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ حَسَنِ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ مُجَالِدٍ، عَنِ الشَّعْبِیِّ: أَنَّ عَلِیًّا کَانَ یُسَمِّی الرِّجَالَ بَعْدَ الصَّلاَۃ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৮১৮৭ ) হযরত শাবি বলেন , হযরত আলী সালাতের পর লোকদের নাম পাঠ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৮৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8188 OK

(৮১৮৮)

সহিহ হাদিস

(۸۱۸۸) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ عَطِیَّۃَ قَالَ : أَخْبَرَنِی مَنْ رَأَی عُرْوَۃَ بْنَ الزُّبَیْرِ وَہُوَ یُصَلِّی وَہُوَ یَقُولُ : اللَّہُمَّ اغْفِرْ لِلزُّبَیْرِ اللَّہُمَّ اغْفِرْ لأَسْمَائَ بِنْت أَبِی بَکْرٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৮১৮৮ ) হজরত ফজল ইবনে আতিয়াহ বলেন , যে ব্যক্তি উরওয়া ইবনে যুবাইর (রা.)-কে দেখেছিল সে আমাকে বলল যে, তিনি সালাতে বলতেন ( অনুবাদ ) হে আল্লাহ ! জুবায়েরকে ক্ষমা করুন , হে আল্লাহ ! আসমা বিনতে আবি বকরকে ক্ষমা করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৮৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8189 OK

(৮১৮৯)

সহিহ হাদিস

(۸۱۸۹) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ۔ وَعَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، أَنَّہُمَا قَالاَ : اُدْعُ فِی صَلاَتِکَ بِمَا بَدَا لَک۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৮১৮৯ ) হজরত হাসান ও হযরত শাবি বলেন , তোমার নামাযে যা ভালো মনে হয় তার জন্য দোয়া করো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৮৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8190 OK

(৮১৯০)

সহিহ হাদিস

(۸۱۹۰) حَدَّثَنَا مُعَاذٌ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، قَالَ : نُبِّئْت أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِیزِ کَتَبَ أَنْ لاَ یُسَمّی أَحَدٌ فِی الدُّعَائِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৮১৯০) হজরত ইবনে আউন বলেন , আমাকে বলা হয়েছে যে , হজরত উমর ইবনে আবদুল আজিজ একটি চিঠি লিখেছিলেন যে , দোয়ায় কারো নাম উল্লেখ করা চলবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৯০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8191 OK

(৮১৯১)

সহিহ হাদিস

(۸۱۹۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ أَبِی کَثِیرٍ ، عَنِ الْفُرَافِصَۃِ ، قَالَ : سَمِعْتُ ابْنَ الزُّبَیْرِ یَقُولُ وَہُوَ سَاجِدٌ : اللَّہُمَّ اغْفِرْ لِلزُّبَیْرِ اللَّہُمَّ اغْفِرْ لأَسْمَائَ بِنْتِ أَبِی بَکْرٍ الصِّدِّیق۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৮১৯১ ) হজরত ফারফসা বলেন , আমি হজরত ইবনে জুবায়েরকে সিজদা করলাম । আমি তাকে বলতে শুনেছি (অনুবাদ) হে আল্লাহ! জুবায়েরকে ক্ষমা করুন , হে আল্লাহ ! আসমা বিনতে আবি বকরকে ক্ষমা করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৯১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8192 OK

(৮১৯২)

সহিহ হাদিস

(۸۱۹۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنِ عَطَائٍ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ أَنْ یَقُولَ فِی الصَّلاَۃ : اللَّہُمَّ ارْزُقْنِی غُلاَمًا ، وَلاَ یُسَمِّی۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৮১৯২) হজরত আতা বলেন , আমি দোয়া করি হে আল্লাহ বলতে কোন ক্ষতি নেই আমাকে একটা ছেলে দাও। তবে নাম নিবেন না।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৯২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8193 OK

(৮১৯৩)

সহিহ হাদিস

(۸۱۹۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ بُرْقَانَ ، عَنْ حَبِیبِ بْنِ أَبِی مَرْزُوقٍ ، قَالَ : قَالَ عُثْمَانَ : لاَ یَقْطَعُ الصَّلاَۃ شَیْئٌ إِلاَّ الْکَلاَمُ وَالْحَدَثُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৮১৯৩ ) হজরত উসমান বলেন , বক্তৃতা ও ওযু ছাড়া কোনো কিছুই সালাত ভঙ্গ করে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৯৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8194 OK

(৮১৯৪)

সহিহ হাদিস

(۸۱۹۴) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، قَالَ : سَأَلْتُ الْحَکَمَ وَحَمَّادًا عَنِ الرَّجُلِ یَتَکَلَّمُ فِی الصَّلاَۃ فَقَالاَ : إذَا تَکَلَّمَ وَقَدْ فَرَغَ مِنْ صَلاَتِہِ فَزَادَ فَقَدْ مَضَتْ ، وَعَلَیْہِ سَجْدَتَا السَّہْوِ ، وَإِنْ تَکَلَّمَ وَلَمْ یُتِمَّ صَلاَتَہُ فَإِنَّہُ یُعِیدُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৮১৯৪) হজরত শুবা বলেন , আমি হজরত হাকাম ও হজরত হামাদকে জিজ্ঞেস করলাম যে , কোনো ব্যক্তি নামাজের সময় কথা বললে তার হুকুম কী ? তিনি বললেন , যদি সে নামায শেষ করার পর কিছু যোগ করে এবং সে সময় কথা বলে তাহলে তার নামায শেষ হয়ে যায় এবং তাকে সেজদা করতে হবে এবং যদি সে নামায শেষ করার পূর্বে কথা বলে তাহলে পুনরায় সালাত আদায় করবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৯৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8195 OK

(৮১৯৫)

সহিহ হাদিস

(۸۱۹۵) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : یَسْتَأْنِفُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৮১৯৫) হজরত হাসান বলেন, তিনি আবার নামাজ পড়বেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৯৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8196 OK

(৮১৯৬)

সহিহ হাদিস

(۸۱۹۶) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إذَا تَکَلَّمَ فِی الصَّلاَۃ أَعَادَ الصَّلاَۃ ، وَلَمْ یُعِدِ الْوُضُوئَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৮১৯৬) হজরত ইব্রাহিম (আ.) বলেন , কোনো ব্যক্তি নামাজের সময় কথা বললে সে আবার নামাজ আদায় করবে , কিন্তু আবার ওযু করার দরকার নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৯৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8197 OK

(৮১৯৭)

সহিহ হাদিস

(۸۱۹۷) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ أَبِی ہَارُونَ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ إذَا سَافَرَ فَرْسَخًا قَصَرَ الصَّلاَۃ۔ (عبد بن حمید ۹۴۷)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৮১৯৭ ) হজরত আবু সাঈদ ( রাঃ ) বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরসাখ সফরে নামায সংক্ষিপ্ত করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৯৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8198 OK

(৮১৯৮)

সহিহ হাদিস

(۸۱۹۸) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا جُوَیْبِرٌ ، عَنِ الضَّحَّاکِ ، عَنِ النَّزَّال : أَنَّ عَلِیًّا خَرَجَ إلَی النُّخِیلَۃ فَصَلَّی بِہَا الظُّہْرَ وَالْعَصْرَ رَکْعَتَیْنِ ، ثُمَّ رَجَعَ مِنْ یَوْمِہِ فَقَالَ : أَرَدْتُ أَنْ أُعَلِّمَکُمْ سُنَّۃَ نَبِیِّکُمْ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৮১৯৮) হজরত নিজাল বলেন যে , হযরত আলী নাখিলাতে গিয়েছিলেন এবং সেখানে যোহর ও আসরের দুই রাকাত আদায় করেন । অতঃপর তিনি একই দিনে ফিরে এসে বললেন , আমি তোমাকে তোমার নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর সুন্নাত শিক্ষা দিতে চাই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৯৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8199 OK

(৮১৯৯)

সহিহ হাদিস

(۸۱۹۹) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ بْنِ مَیْسَرَۃَ ، سَمِعَ أَنَسًا یَقُولُ : صَلَّی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِالْمَدِینَۃِ الظُّہْرَ أَرْبَعًا وَبِذِی الْحُلَیْفَۃِ رَکْعَتَیْنِ ، یَعْنِی الْعَصْرَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৮১৯৯ ) হযরত আনাস ( রাঃ ) বলেন যে , নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মধ্যাহ্নের নামাযে চার রাকাত এবং যুল - হিল - ই - ফাহম এই আসরের নামাযে দুই রাকাত পড়তেন । আহস
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৯৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8200 OK

(৮২০০)

সহিহ হাদিস

(۸۲۰۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنِ محمد بْنِ الْمُنْکَدِرِ وَإِبْرَاہِیمَ بْنِ مَیْسَرَۃَ ، سَمِعَا أَنَسًا یَقُولُ : صَلَّیْتُ مَعَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ الظُّہْرَ بِالْمَدِینَۃِ أَرْبَعًا وَبِذِی الْحُلَیْفَۃِ الْعَصْرَ رَکْعَتَیْنِ۔ (ترمذی ۵۴۶۔ ابوداؤد ۱۱۹۵)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৮২০০ ) হযরত আনাস ( রাঃ ) বলেন , আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর সাথে মধ্যাহ্ন ও মধ্যাহ্নের নামায দুই রাকাত পড়লাম আমি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২০০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8201 OK

(৮২০১)

সহিহ হাদিস

(۸۲۰۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا زَکَرِیَّا ، عَنْ عَامِرٍ ، قَالَ : کَانَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إذَا خَرَجَ مُسَافِرًا قَصَرَ الصَّلاَۃ مِنْ ذِی الْحُلَیْفَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(8201) হজরত আমীর বলেন , নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সফরের নিয়তে রওয়ানা হতেন , তখন যুল - হিল - ইফাহ থেকে নামায সংক্ষিপ্ত করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২০১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8202 OK

(৮২০২)

সহিহ হাদিস

(۸۲۰۲) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ عَامِرٍ ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ : أَنَّ حُذَیْفَۃَ کَانَ یُصَلِّی رَکْعَتَیْنِ فِیمَا بَیْنَ الْکُوفَۃِ وَالْمَدَائِنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৮২০২ ) হজরত ইবরাহীম বলেন , হজরত হুযিফা (রা. ) কুফা ও মাদাইনের মধ্যে এই দুই রাকাত পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২০২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8203 OK

(৮২০৩)

সহিহ হাদিস

(۸۲۰۳) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : تُقْصَرُ الصَّلاَۃ فِی مَسِیرَۃِ یَوْمٍ وَلَیْلَۃٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(8203 ) হজরত ইবনে আব্বাস বলেন , একদিনের দূরত্বের জন্য নামায ছোট করা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২০৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8204 OK

(৮২০৪)

সহিহ হাদিস

(۸۲۰۴) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زَیْدِ بْنِ خُلَیْدَۃَ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : تُقْصَرُ الصَّلاَۃ فِی مَسِیرَۃِ ثَلاَثَۃِ أَمْیَالٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৮২০৪ ) হজরত ইবনে উমর ( রা . ) বলেন , তিন মাইল দূরত্বে নামায সংক্ষিপ্ত করা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২০৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



8205 OK

(৮২০৫)

সহিহ হাদিস

(۸۲۰۵) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ،: أَنَّ مَسْرُوقًا کَانَ یَقْصُرُ الصَّلاَۃ إلَی وَاسِطٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৮২০৫) হযরত মাসরূক ওয়াসিতের কাছে যাওয়ার জন্য নামাজ সংক্ষিপ্ত করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮২০৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস