
(۸۱۴۶) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، وَعُبَیْدُ اللہِ بْنُ مُوسَی ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ أَبِی زِیَادٍ ، قَالَ : قرَأْتُُ السَّجْدَۃَ وَأَنَا سَاجِدٌ فَسَأَلْتُ سَعِیدَ بْنَ جُبَیْرٍ فَقَالَ : یُجْزِئُکََ وَلِمَ تَقْرَأْ وَأَنْتَ سَاجِدٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮১৪৬ ) হজরত উবায়দুল্লাহ ইবনে আবিয়াজিদ বলেন , আমি হজরত সাঈদ ইবনে জুবের ( রা.)-কে জিজ্ঞেস করলাম , আমি যদি সিজদা অবস্থায় থাকি , তাহলে আমি কি সেজদা করব ? যদি পড়ি, তাহলে কার সঙ্গে সিজদা পড়ব ? তিনি বললেন , তোমার জন্য একই সেজদাই যথেষ্ট , কিন্তু তুমি সেজদা অবস্থায় পাঠ কর কেন ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۴۷) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ مُوسَی ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الأَسْوَدِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : لاَ قِرَائَۃَ فِی الرُّکُوعِ وَلاَ فِی السُّجُودِ ، إنَّمَا جُعِلاَ لِذِکْرِ اللہِ تَعَالَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮১৪৭ ) হযরত মুজাহিদ বলেন , রুকু ও সিজদায় কোনো তেলাওয়াত নেই , এ দুটি অংশ আল্লাহর স্মরণের জন্য করা হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۴۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ قَیْسٍ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ مُدْرِکٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، عَنِ الرَّبِیعِ بْنِ خُثَیْمٍ ، قَالَ : أَیَعْجِزُ أَحَدُکُمْ أَنْ یَقْرَأَ ثُلُثَ الْقُرْآنِ وَہُوَ رَاکِعٌ ، أَوْ سَاجِدٌ للہ الوَاحِدِ الصَّمَدِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮১৪৮ ) হজরত রাবিয়া বিন খাশিম বলেন , তোমাদের কারোরই রুকু ও সিজদা করার শক্তি নেই । কুকুর ও সামাদ আল্লাহর জন্য কুরআনের এক তৃতীয়াংশ তেলাওয়াত করা উচিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۴۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَبَانَ بْنِ صَمْعَۃَ ، عَنْ شَیْخٍ کَانَ مَعَ ابْنِ الزُّبَیْرِ فَقَرَأَ الْبَقَرَۃَ وَہُوَ رَاکِعٌ ، ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَہُ فَقَرَأَ آلَ عِمْرَانَ ، ثُمَّ سَجَدَ فَقَرَأَ النِّسَائَ ، ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَہُ فَقَرَأَ الْمَائِدَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮১৪৯ ) হজরত আবন ইবনে সামা হজরত আবদুল্লাহ ইবনে জুবায়েরের সঙ্গে থাকা এক শায়খ থেকে বর্ণনা করেন যে, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে জুবাইর রুকু করার সময় সূরা আল - বাকারা পাঠ করলেন এবং সূরা আল - ইমরান পাঠ করলেন , তারপর সেজদায় গেলেন এবং সূরা পাঠ করলেন আল - নিসা তখন মাথা তুলল । তাই তিনি সূরা মায়েদাহ পাঠ করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۵۰) حَدَّثَنَا عَبِیْدَۃُ بْنُ حُمَیْدٍ، عَنْ عَبْدِالْمَلِکِ، عَنْ عَطَائٍ، قَالَ: کَانَ عُبَیْدُ بْنُ عُمَیْرٍ یَقْرَأُ فِی الرُّکُوعِ وَالسُّجُودِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৫০) হজরত আতা বলেন , হজরত উবাইদ ইবনে উমায়ের (রা. ) রুকু ও সিজদা করার সময় তেলাওয়াত করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۵۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ : أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بَأْسًا إذَا عَجَّلَ الرَّجُلُ فَرَکَعَ وَبَقِیَ عَلَیْہِ مِنَ السُّورَۃِ آیَۃٌ أَوْ آیَتَانِ أَنْ یَقْرَأَہُمَا وَہُوَ رَاکِعٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৫১) হজরত ইব্রাহিম (আ. ) বলেন , এতে কোনো দোষ নেই যে , যখন কোনো ব্যক্তি রুকু করার জন্য তাড়াহুড়ো করে , তখন সে যেন একটি সূরার বাকি অংশ পাঠ করে । অথবা রুকু করার সময় দুটি আয়াত পড়ুন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৫১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۵۲) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ أَبِی حَیَّانَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : مَا سَمِعْتُ الرَّبِیعَ بْنَ خُثَیْمٍ یَذْکُرُ شَیْئًا مِنْ أَمْرِ الدُّنْیَا إِلاَّ أَنِّی سَمِعْتُہُ مَرَّۃً یَقُولُ : کَمْ للتَّیمْ مَسْجِدًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮১৫২ ) হজরত আবু হাইয়ের পিতা বলেন , আমি হজরত রাবী বিন খাসিমের কাছে এগুলির কোনোটি উল্লেখ করিনি , তবে তিনি একবার বলেছিলেন যে বনু তাইয়ুমের মসজিদ কয়টি ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৫২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۵۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَاصِمٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ زِرًّا وأَبَا وَائِلٍ یَقُولاَنِ : مَسْجِدُ بَنِی فُلاَنٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৫৩) হযরত আসিম বলেন , হযরত জার ও হযরত আবু ওয়াইল বলতেন যে, বনু অমুকের মসজিদ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৫৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۵۴) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ : أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ أَنْ یَقُولَ : مَسْجِدُ بَنِی فُلاَنٍ ، وَلاَ یَرَی بَأْسًا أَنْ یَقُولَ : مُصَلَّی بَنِی فُلاَنٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৫৪) হজরত ইব্রাহিম (আঃ) এটাকে জঘন্য মনে করতেন যে, বনু অমুকের মসজিদ বলা উচিত , বনু অমুকের মসজিদে বলা উচিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৫৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۵۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ قَیْسٍ ، عَنْ مُحَارِبٍ ، عَنْ جَابِرٍ ، أَنَّہُ قَالَ : فَانْأ مَسْجِدَ مُعَاذٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৫৫) হযরত জাবির (রাঃ) বলেন , মোয়াজের মসজিদ বলো না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৫৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۵۶) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِیزِ بْنِ رُفَیْعٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنِ ابن عَبَّاسٍ ، قَالَ : تؤَخِّرُ الْمُسْتَحَاضَۃُ الظُّہْرَ وَتُعَجِّلُ الْعَصْرَ ، وَتَقْرِنُ بَیْنَہُمَا ، وَتَغْتَسِلُ مَرَّۃً وَاحِدَۃً ، وَتُؤَخِّرُ الْمَغْرِبَ ، وَتُعَجِّلُ الْعِشَائَ ، وَتَغْتَسِلُ مَرَّۃً وَاحِدَۃً ، وَتَغْتَسِلُ لِلْفَجْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৫৬) হযরত ইবনে আব্বাস ( রাঃ ) বলেন, মুস্তাহাদা যোহরের নামায বিলম্বিত করবে এবং আসরের নামায তাড়াতাড়ি আদায় করবে এবং তারা একে অপরের সাথে মিলিত হবে এবং উভয়ের জন্য কতবার গোসল করবে ? সে মাগরিবের নামায দেরী করে এশার নামায তাড়াতাড়ি আদায় করবে এবং উভয়ের জন্য একবার গোসল করবে এবং তারপর ফজরের নামাযের জন্য গোসল করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৫৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۵۷) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنِ الأَجْلَحِ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ : فِی الْمُسْتَحَاضَۃِ ، قَالَ : تَجْمَعُ بَیْنَ الصَّلاَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৫৭) হজরত ইকরিমা বলেন, দুই নামাজ একত্রে মুস্তাহাদ হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৫৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۵۸) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ حَنْظَلَۃَ ، عَنِ الْقَاسِمِ قَالَ : إِنْ شَائَتْ فَلْتَجْمَعْ بَیْنَہُمَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৫৮) হযরত কাসিম বলেন , মুস্তাহাদ ব্যক্তি ইচ্ছা করলে দু’টি নামায একত্রিত করবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৫৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۵۹) حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إسْمَاعِیلَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَرْمَلَۃَ ، سَمِعَ أَبَا سَلَمَۃَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ یَقُولُ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ یَغْلِبَنَّکُمُ الأَعْرَابُ عَلَی اسْمِ صَلاَتِکُمْ فَإِنَّمَا ہِیَ الْعِشَائُ وَإِنَّمَا تَدْعُونَہَا الْعَتَمَۃُ لإعْتَامِ الإِبِلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮১৫৯ ) হজরত আবু সালামা ইবনে আবদুল রহমান বলেন , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , আরবরা যেন নামাজের নামে তোমাদের ওপর বিজয়ী না হয় । এটি ইশার সালাত এবং আপনি এটিকে আল - উতামা বলছেন , এই শব্দটি ইতাম আল-আবল (সন্ধ্যায় উটের প্রবেশ ) থেকে উদ্ভূত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৫৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۶۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ أَبِی لَبِیدٍ ، عَنْ أَبِی سَلَمَۃَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ تَغْلِبَنَّکُمُ الأَعْرَابُ عَلَی اسْمِ صَلاَتِکُمُ الْعِشَائِ ، فَإِنَّمَا ہِیَ فِی کِتَابِ اللہِ الْعِشَائُ ، وَإِنَّمَا یُعْتَمُ بِحِلاَبِ الإِبِلِ۔ (مسلم ۲۲۹۔ احمد ۲/۱۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৬০) হজরত ইবনে উমর ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , আরবরা যেন নামাযের নামে তোমাদের ওপর প্রাধান্য না পায় , আল্লাহর কিতাবের নাম মেইন ইশা , একে বলা হয় উসমা কারণ সেই সময় ( গোধূলি অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার পর) গ্রামবাসীরা তাদের উটের দুধ পান করত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৬০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۶۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ابْنُ أَبِی رَوَّادٍ ، عَنْ رَجُلٍ لَمْ یُسَمِّہِ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ یَغْلِبَنَّکُمُ الأَعْرَابُ عَلَی اسْمِ صَلاَتِکُمُ الْعِشَائِ ، فَإِنَّمَا ہِیَ فِی کِتَابِ اللہِ الْعِشَائُ ، وَإِنَّمَا یُعْتَمُ بِحِلاَبِ الإِبِلِ۔ (ابویعلی ۸۶۵۔ بیہقی ۳۷۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৬১) হজরত আবদ আল-রহমান ইবনে আউফ ( রা.) বলেন , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , আরবরা যেন নামাযের নামে তোমাদের ওপর প্রাধান্য না পায় , আল্লাহর কিতাবের নাম মেইন ইশা । এটিকে উত্মা বলা হয় কারণ সেই সময় ( গোধূলি নিখোঁজ হওয়ার পর ) গ্রামবাসীরা তাদের উটের দুধ পান করত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۶۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِیزِ بْنُ أَبِی رَوَّادٍ ، عَنْ نَافِعٍ قَالَ : کَانَ ابْنُ عُمَرَ إذَا سَمِعَہُمْ یَقُولُونَ الْعَتَمَۃُ غَضِبَ غَضَبًا شَدِیدًا ، أَوْ نَہَی نَہْیًا شَدِیدًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৬২) হজরত নাফি বলেন, হজরত ইবনে উমর (রা.) যখন লোকদের এশার নামায উসমাহ বলতে শুনতেন , তখন তিনি খুব রেগে যেতেন এবং নিষেধ করতেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۶۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ طَہْمَانَ أَبُو الْمُعْتَمِرِ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ : أَنَّہُ کَرِہَ أَنْ یَقُولَ الْعَتَمَۃُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৬৩) হজরত ইবনে সীরীন ` ` ইশার সালাত ` ` উতমাকে মাকরূহ বলতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۶۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ أَبِی فَزَارَۃَ الْعَبْسِیِّ ، عَنْ مَیْمُونِ بْنِ مِہْرَانَ ، قَالَ : قُلْتُ لِعَبْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ : مَنْ أَوَّلُ مَنْ سَمَّاہَا الْعَتَمَۃَ ؟ قَالَ : الشَّیْطَانُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৬৪) হজরত মায়মুন ইবনে মেহরান বলেন , আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলাম , উতমা কে প্রথমে এশার নামাযে ডাকলেন ? তিনি বললেন , শয়তান ...
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۶۵) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ أَبِی فَزَارَۃَ ، عَنْ مَیْمُونٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ بِنَحْوِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৬৫) এটি আইক ও সনদ থেকেও বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۶۶) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ حُبَابٍ ، عَنِ مُحَمدِ بْنِ عَبْدِ اللہِ بْنِ أَبِی سَارَۃَ ، قَالَ : سَمِعْتُ سَالِمًا وَہُوَ یَقُولُ : لاَ تَقُلِ الْعَتَمَۃَ إنَّمَا ہِیَ الْعِشَائُ الأَخِرَۃُ مَرَّتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৬৬) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আবি সারা বলেন , হজরত সেলিম ( রা .) দুবার বলেছেন যে , এ দোয়াকে উতমা বলা উচিত নয়, এটি সন্ধ্যার শেষ খাবার ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۶۷) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : حدَّثَنَا حَرِیزُ بْنُ عُثْمَانَ ، عَنْ رَاشِدِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنْ عاصِمِ بْنِ حُمَیْدٍ السَّکُونِیِّ وَکَانَ مِنْ أَصْحَابِ مُعَاذٍ ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ ، قَالَ : بَقَیْنَا رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی صَلاَۃِ الْعِشَائِ فَخَرَجَ عَلَیْنَا فَقَالَ : أَعْتِمُوا بِہَذِہِ الصَّلاَۃ ، فَقَدْ فُضِّلْتُمْ بِہَا عَلَی سَائِرِ الأُمَمِ ، وَلَمْ تُصَلِّہَا أُمَّۃٌ قَبْلَکُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮১৬৭ ) হজরত মুআয ইবনে জাবাল ( রা . ) থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন , একদিন আমরা এশার নামাজের জন্য মহানবী ( সা . ) - কে আমন্ত্রণ জানালাম , কিন্তু আপনি এতক্ষণ অপেক্ষা করলেন একজন লোক বলতে শুরু করলো যে তুমি বিনোদন আনবে না এত , যদি তুমি আমার কাছে তাশরীফ নিয়ে আসো আদম বললেন, হে আল্লাহর রাসূল ! আমাদের মন এই যে আপনি নামাজ শেষ করেছেন এবং এখন আপনি তিশরীফ আনবেন না । নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , এই রাতে অন্ধকারে তেলাওয়াত কর , কেননা তুমি এই দোয়া দ্বারা সমস্ত জাতিকে বরকত দান করেছ । তোমার পূর্বে একটি জাতি রয়েছে হ্যাঁ তারা নামাজ পড়েনি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۶۸) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِیلٍ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ لأَبِی بَکْرٍ : مَتَی تُوتِرُ ؟ قَالَ مِنْ أَوَّلِ اللَّیْلِ بَعْدَ الْعَتَمَۃِ قَبْلَ أَنْ أَنَامَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৬৮) হজরত জাবির (রাঃ) বলেন , নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) হজরত আবু বকর (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলেন আপনি কখন বিতর পড়েন ? তিনি রাতের প্রথম দিকে , উটমার পরে , ঘুমাতে যাওয়ার আগে জমা দেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۶۹) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : إذَا کَانَ سَفَرُکَ یَوْمًا إلَی الْعَتَمَۃِ فَلاَ تَقْصُرِ الصَّلاَۃ ، فَإِنْ جَاوَزْت ذَلِکَ فَقَصِّر۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৬৯) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , যখন কোনো দিন উসমাহ নামায পর্যন্ত সফর করতে হয় , তখন নামায সংক্ষিপ্ত করবেন না , যদি উসমাহর নামাযের চেয়ে বেশি সফর করতে হয় তবে তা সংক্ষিপ্ত করবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۷۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ہِشَامُ بْنُ عُرْوَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَائِشَۃَ فِی قَوْلِہِ : {وَلاَ تَجْہَرْ بِصَلاَتِکَ وَلاَ تُخَافِتْ بِہَا} قَالَتْ : فِی الدُّعَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8170) আমি হজরত আয়েশা আল্লাহ তায়ালা { ওয়ালা তাযহার বিসালাতিক ওয়া লা তুখাফিত বিহা } উক্তি সম্পর্কে বলি যে , এর অর্থ হলো দোয়া ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۷۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ عُبَیْدِ الْمُکْتِبِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ۔ وَعَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ سِمَاکِ بْنِ عُبَیْدٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالاَ : الدُّعَائُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8171) আমি হজরত ইবরাহীম ও হযরত আতা আল্লাহ তায়ালা {ওয়ালা তাযহার বিসালাতিক ওয়া লা তুখাফিত বিহা } উক্তি সম্পর্কে বলি যে , এর অর্থ হলো দোয়া ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۷۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ قَیْسِ بْنِ مُسْلِمٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، قَالَ : قِرَائَۃُ الْقُرْآنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 8172) হজরত সাঈদ ইবনে জাবির বলেন , এর অর্থ কুরআন তেলাওয়াত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۷۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ الْہَجَرِیِّ ، عَنِ أَبِی عِیَاضٍ قَالَ : الدُّعَائُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8173) আমি হজরত আবু আয়াজ আল্লাহ তায়ালা (ওয়ালা তাজহার বিসালাতিক ওয়া লা তুখাফিত বিহা ) এর উক্তি সম্পর্কে বলি যে , এটি সালাতকে বোঝায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۷۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا شُعْبَۃُ ، عَنِ أَبِی بِشْرٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، قَالَ : کَانَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إذَا قَرَأَ یَرْفَعُ صَوْتَہُ یُعْجِبُ ذَلِکَ الْمُسْلِمِینَ وَیَسُوئُ الْکُفَّارَ ، قَالَ فَنَزَلَتْ : {وَلاَ تَجْہَرْ بِصَلاَتِکَ وَلاَ تُخَافِتْ بِہَا}۔ (بخاری ۴۷۲۲۔ ترمذی ۳۱۴۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৭৪) হজরত সাঈ দুবান জাবির বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) যখন তিলাওয়াত করতেন , তখন তিনি কণ্ঠস্বর উচ্চারণ করতেন , এটি অবতীর্ণ হয়েছে { আর আপনি তা প্রকাশ করেননি এবং ভয়ও করতেন না এটা}
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۷۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ أَبِی الشَّعْثَائِ ، عَنِ الأَسْوَدِ بْنِ ہِلاَلٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : لَمْ یُخَافِتْ مَنْ أَسْمَعَ أُذُنَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৭৫) হজরত আবদুল্লাহ বলেন, যার কানে শুনছেন, তার থেকে যেন কোনো কিছু গোপন না করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস