
(۸۱۱۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ لَیْثِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنْ بَکْرِ بْنِ سَوَادَۃَ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ یَسَارٍ : أَنَّ رَجُلَیْنِ أَصَابَتْہُمَا جَنَابَۃٌ فَتَیَمَّمَا فَصَلَّیَا ، ثُمَّ أَدْرَکَا الْمَائَ فِی وَقْتٍ فَأَعَادَ أَحَدُہُمَا وَلَمْ یُعِدِ الأَخَرُ فَذُکِرَ ذَلِکَ لِلنَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : أَمَّا الَّذِی أَعَادَ فَلَہُ أَجْرُہَا مَرَّتَیْنِ ، وَأَمَّا الأَخَرُ فَقَدْ أَجْزَأَتْ عَنْہُ صَلاَتُہُ۔ (ابوداؤد ۳۴۲۔ دارقطنی ۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১১৬) হযরত আতা বলেন , জানাবাত দুই ব্যক্তিকে দেওয়া হয়েছিল এবং তারা উভয়েই তাদের নামায আদায় করেছিল । অতঃপর উভয়েই যথাসময়ে পানি পান , ফলে একজন পুনরায় সালাত আদায় করলেন এবং অপরজন এই সালাত দিয়ে শেষ করলেন । নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর কাছে উল্লেখ করা হলো এবং তিনি বললেন , যে ব্যক্তি পুনরায় সালাত আদায় করবে সে দ্বিগুণ সওয়াব পাবে এবং অপর ব্যক্তির দোয়াও পূর্ণ হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۱۷) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنِ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ الْحَارِثِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : یَتَلَوَّمُ الْجُنُبُ مَا بَیْنَہُ وَبَیْنَ آخِرِ الْوَقْتِ ، فَإِنْ وَجَدَ الْمَائَ تَوَضَّأَ ، وَإِنْ لَمْ یَجِدِ الْمَائَ تَیَمَّمَ وَصَلَّی ، فَإِنْ وَجَدَ الْمَائَ بَعْدُ اغْتَسَلَ ، وَلَمْ یُعِدِ الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8117) হযরত আলী বলেন , যায়েব সালাত শেষ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করবে , যদি সে পানি পায় তবে সে যেন অজু করে এবং পানি না পায় তাহলে সে তিম্মুমের পরে সালাত আদায় করবে । নামায পড়ার পর পানি পেলে সে গোসল করবে এবং নামাযের পুনরাবৃত্তি করবে না।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۱۸) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِیدِ بْنِ جُبَیْرِ بْنِ شَیْبَۃَ ، عَنِ ابنِ سَلَمَۃَ ، عَنْ أَبِی سَلَمَۃَ ، قَالَ : لاَ یُعِیدُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১১১৮) হজরত আবু সালামা (রা.) বলেন , তিনি নামাযের পুনরাবৃত্তি করবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۱۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الْعُمَرِیِّ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ : أَنَّہُ تَیَمَّمَ وَصَلَّی ، ثُمَّ دَخَلَ الْمَدِینَۃَ فِی وَقْتٍ فَلَمْ یُعِدْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১১৯) হযরত ইবনে উমর ( রাঃ ) বলেন , কোন ব্যক্তি যদি তিমম আদায় করে , অতঃপর নামাযের সময় শহরে প্রবেশ করে , তাহলে সে নামায পুনরায় আদায় করবে না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۲۰) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إذَا تَیَمَّمَ الرَّجُلُ فَصَلَّی ، ثُمَّ أَتَی الْمَائَ وَہُوَ فِی وَقْتٍ بَعْدَ مَا یَفْرُغُ مِنْ صَلاَتِہِ فَقَدْ فَرَغَ مِنْ صَلاَتِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১২০) হজরত ইব্রাহীম (আ.) বলেন , যখন কোনো ব্যক্তি তায়াম্মুম করার পর নামাজ পড়ে , অতঃপর নামাজ শেষ করে তাকে পানি দেওয়া হয় , তখন সে তার নামাজ শেষ করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۲۱) حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، عَنْ جَرِیرِ بْنِ حَازِمٍ، عَنْ قَیْسِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ مُجَاہِدٍ، قَالَ: لاَ یُعِیدُ، قَدْ مَضَتْ صَلاَتُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8121) হজরত মুজাহিদ বলেন , নামায শেষ হওয়ার পর সে নামাযের পুনরাবৃত্তি করবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۲۲) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ وَالشَّعْبِیِّ ، قَالاَ : إذَا صَلَّی لِغَیْرِ الْقِبْلَۃِ أَوْ تَیَمَّمَ ، أَوْ صَلَّی وَفِی ثَوْبِہِ دَمٌ أَوْ جَنَابَۃٌ ثُمَّ أَصَابَ الْمَائَ فِی وَقْتٍ أوْغَیْر وَقْتٍ ، فَلَیْسَ عَلَیْہِ إعَادَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 8122) হজরত সাঈদ বিন মুসাইব ও হজরত শাবি বলেন , যদি কোনো ব্যক্তি কেবলা ব্যতীত অন্য দিকে মুখ করে নামায পড়ে , তিনি গুনগুন করে দোয়া পড়তেন আমি কি তার কাপড়ে রক্ত থাকা অবস্থায় নামায পড়েছিলাম , নাকি নামায পড়েছিলাম , তারপর আমি ? এই সময়ের পরে পানি পাওয়া গেলে তার উপর নামায পুনরায় পড়া ওয়াজিব নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۲۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ إبْرَاہِیمَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : إذَا وَجَدَ الْمَائَ اغْتَسَلَ ، فَإِنْ شَائَ أَعَادَ ، وَإِنْ شَائَ لَمْ یُعِدْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8123) হজরত হাসান বলেন , কোনো ব্যক্তি পানি পেলে গোসল করবে এবং ইচ্ছা করলে নামায পুনরায় আদায় করবে, ইচ্ছা করলে তা করবে না।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۲۴) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ ، عَنِ الْحَکَمِ بْنِ أَبَانَ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، قَالَ : کُنْتُ أَنَا فِی رُفْقَۃٍ ، وعِکْرِمَۃُ فی رُفْقَۃٍ ، فَلَمْ یَکُنْ مَعَ عِکْرِمَۃَ وَأَصْحَابِہِ مَائٌ فَتَیَمَّمُوا وَصَلَّوْا فَأَتَوْا عَلَی الْمَائِ ، فَقَالَ لَہُم عِکْرِمَۃُ : تَرَوْنَ الشَّمْسَ عَلَی رَأْسِ الْجَبَلِ ؟ فَقَالُوا : لاَ ، قَالَ : لَوْ رَأَیْتُمُوہَا لَمْ نُعِدْ إذًا کَفَانَا التَّیَمُّمُ ، فَقَالَ : فَانْطَلَقْتُ حَتَّی دَخَلْت الْجَنَد فَلَقِیتُ عَمْرَو بْنَ مُسْلِمٍ صَاحِبَ طَاوُوس ، فَحَدَّثْتُہُ بِمَا قَالَ عِکْرِمَۃُ ، فَانْطَلَقَ إلَی طَاوُوس فَذَکَرَ ذَلِکَ لَہُ ثُمَّ رَجَعَ إلَیَّ فَقَالَ : ذَکَرْتُ لِطَاوُوس مَا قَالَ عِکْرِمَۃُ فَقَالَ : صَدَقَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮১২৪ ) হজরত হুকম ইবনে আবান বলেন , হজরত ইকরিমা ( রা . ) এক দলে এবং আমি অন্য দলে ছিলাম , তিনি নামায পড়তেন । অতঃপর তারা পানির কাছে পৌঁছলে হযরত ইকরামা ( রাঃ ) তাদেরকে বললেন, তোমরা কি পাহাড়ের চূড়ায় সূর্যের দিকে তাকিয়ে আছ ? লোকেরা বলল না । হজরত ইকরামা (রা.) বললেন , আপনি যদি সূর্য দেখতে পান , তবুও আমরা নামাজের পুনরাবৃত্তি করব না কারণ এটি আমাদের জন্য যথেষ্ট । অতঃপর যখন আমি জুন্দ নামক স্থানে পৌছালাম , তখন মরিয়ম হযরত তাওয়াসের শিষ্য আমর বিন মুসলিমের সাথে সাক্ষাত করলেন , আমি হযরত ইকরামার কথা তাঁর কাছে উল্লেখ করলাম , তখন তিনি হযরত তাওয়াসের কাছে গেলেন এবং তিনি তাদের কাছে বিষয়টি উল্লেখ করলেন । তারপর তিনি আমার কাছে ফিরে এসে আমাকে বললেন যে , আমি হযরত তাওয়াসের কাছে ইকরিমার বিষয়টি উল্লেখ করেছি এবং তিনি বললেন যে তিনি সত্য বলেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۲۵) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ ، عَنْ کَثِیرِ بْنِ نَبَاتَۃَ ، قَالَ : سَمِعْتُ ابْنَ سِیرِینَ یَقُولُ : خَرَجْتُ فِی سَفَرِ حَجٍّ أَوْ عُمْرَۃٍ ، فَلَمَّا کَانَ مِنْ آخِرِ اللَّیْلِ أَصَابَتْنِی جَنَابَۃٌ وَلَیْسَ مَعَنَا مَائٌ ، فَتَیَمَّمْت وَصَلَّیْت ، فَلَمَّا ارْتَفَعَ الضُّحَی قَالَ رَجُلٌ : یَا أَبَا بَکْرٍ أَعَدْتَ صَلاَتَکَ ؟ قَالَ : وَلَوْ لَمْ أَجِد الْمَائَ عِشْرِینَ سَنَۃً أَکُنْتُ أُعِیدُ صَلاَتِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১২৫) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , আমি হজ ও ওমরার কোনো এক সফরে ছিলাম , যখন রাতের শেষ অংশ এল , আমি জানাবাত অনুভব করলাম । আমাদের পানি ছিল না, আমি তাইয়্যাম করলাম এবং নামায পড়লাম , যখন ওযুর সময় হল , তখন লোকটি বলল , হে আবু বকর ! আপনি কি আপনার প্রার্থনা পুনরাবৃত্তি করেছেন ? তিনি বললেন , আমি যদি বিশ বছর পানি না পাই , তাহলে কি আবার নামাজ পড়বে ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۲۶) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْمُخَوَّلِ ، عَنْ أَبِی سَعْدٍ ، عَنْ أَبِی رَافِعٍ ، قَالَ : مَرَّ بِی النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَأَنَا سَاجِدٌ قَدْ عَقَصْتُ شَعْرِی فَحَلَّہُ ، أَوَ قَالَ : فَنَہَانِی عَنْہُ۔ (ابوداؤد ۶۴۶۔ عبدالرزاق ۲۹۹۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১২৬) হজরত আবু রাফি (রা.) বলেন , আমি চুল বেঁধে সালাত আদায় করছিলাম , আমি সিজদারত অবস্থায় ছিলাম যে , নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন , আপনি আমার চুল খুলে দিলেন । তিনি আমাকে এটা থেকে নিষেধ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۲۷) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی ہَاشِمٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ وَحُذَیْفَۃَ ؛ فِی الرَّجُلِ یُصَلِّی وَہُوَ عَاقِصٌ شَعْرَہُ ، فَذَکَرَا حَدِیثًا غَیْرَ أَنَّ مَعَنَاہُ أَنَّہُمَا کَرِہَاہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8127) হজরত উমর বিন খাত্তাব ও হজরত হুজাইফা ( রা .) এটাকে জঘন্য ঘোষণা করেন যে, একজন ব্যক্তি চুল বেঁটে নামাজ পড়ে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۲۸) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ زُہَیْرِ بْنِ مُحَمَّدٍ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ أَسْلَمَ ، عْن أَبَانَ بْنِ عُثْمَانَ ، قَالَ : رَأَی عُثْمَانُ رَجُلاً یُصَلِّی وَقَدْ عَقَدَ شَعْرَہُ ، فَقَالَ : یَا ابْنَ أَخِی مَثَلُ الَّذِی یُصَلِّی وَقَدْ عَقَصَ شَعْرَہُ مَثَلُ الَّذِی یُصَلِّی وَہُوَ مَکْتُوفٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১২৮) হজরত আবান ইবনে উসমান বলেন , হজরত উসমান (রা . ) এক ব্যক্তিকে দেখলেন যে চুল বেঁটে নামাজ পড়ছে । তিনি তাকে বললেন , চুল বেঁধে নামায পড়া ব্যক্তির উদাহরণ সেই ব্যক্তির মত যে হাত বেঁধে সালাত আদায় করে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۲۹) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ شَرِیکٍ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، قَالَ : کَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ إذَا صَلَّی وَقَعَ شَعْرُہُ الأَرْضَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8129) হজরত আবু ইসহাক বলেন , হজরত ইবনে আব্বাস যখন নামাজ পড়তেন, তখন তার চুল মাটিতে পড়ে যেত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۳۰) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ زَیْدِ بْنِ وَہْبٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ : أَنَّہُ دَخَلَ الْمَسْجِدَ فَإِذَا فِیہِ رَجُلٌ یُصَلِّی عَاقِصًا شَعْرَہُ ، فَلَمَّا انْصَرَفَ قَالَ عَبْدُ اللہِ : إذَا صَلَّیْت فَلاَ تَعْقِصْ شَعْرَکَ ، فَإِنَّ شَعْرَکَ یَسْجُدُ مَعَکَ وَلَکَ بِکُلِّ شَعَرَۃٍ أَجْرٌ ، فَقَالَ الرَّجُلُ : إنِّی أَخَافُ أَنْ یَتْرَبَ ، فَقَالَ : تَتْرِیبُہُ خَیْرٌ لَک۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৩০) হজরত যায়েদ বিন ওয়াহিব বলেন , হজরত আবদুল্লাহ (রা.) মসজিদে প্রবেশ করলেন এবং এক ব্যক্তিকে চুল বেঁধে সালাত আদায় করতে দেখলেন , হজরত আবদুল্লাহ (রা.) বললেন , যখন তুমি সালাত আদায় করবে তখন তোমার চুলের ওপরে বাঁধবে না । আপনার সাথে সিজদাও করে এবং আপনি প্রতিটি চুলের সিজদার সওয়াব পাবেন । একজন লোক বললো আমি ভয় পাচ্ছি যে আমার চুল ছিঁড়ে যাবে হজরত আবদুল্লাহ বলেন, তাদের ছিন্নভিন্ন করা তাদের বেঁধে রাখার চেয়ে উত্তম।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۳۱) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی فَرْوَۃَ ، قَالَ : کَانَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِی لَیْلَی یَضفِرُ شَعْرَہُ فَإِذَا صَلَّی نَشَرَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৩১) হজরত আবু ফারাহ বলেন , হজরত আবদ আল-রহমান (রা . ) চুল বেণিতে বেঁধে রাখতেন , কিন্তু যখন তিনি সালাত আদায় করতেন , তখন সেগুলো খুলে দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۳۲) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ : أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ عَقْدَ الرَّجُلِ شَعْرَہُ فِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮১৩২ ) হজরত ইব্রাহীম বলতেন , নামাযের সময় চুল বেঁধে দেওয়া মাকরূহ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۳۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ الْحَارِثِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : لاَ یُصَلِّی الرَّجُلُ وَہُوَ عَاقِصٌ شَعْرَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৩৩) হযরত আলী বলেন , চুল বেঁটে নামায পড়বেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۳۴) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ طَاوُوسٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَنَّہُ قَالَ : أُمِرْتُ أَنْ أَسْجُدَ عَلَی سَبْعَۃِ أَعْظُمٍ ، وَلاَ أَکُفَّ شَعْرًا ، وَلاَ ثَوْبًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৩৪) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , আমাকে সাতটি হাড়ের ওপর সিজদা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং আমি চুল ও কাপড় আবৃত করি না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۳۵) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ عَمْرٍو ، عَنْ طَاوُوسٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : أُمِرَ نَبِیُّکُمْ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَنْ یُسْجَدَ عَلَی سَبْعَۃٍ وَأُمِرَ أَنْ لاَ یَکُفَّ شَعْرًا وَلاَ ثَوْبًا۔ (بخاری ۸۱۵۔ ابوداؤد ۸۸۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৩৫) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , তোমার নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) সাতটি হাড়কে সিজদা করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং তিনি নির্দেশ দিয়েছেন যে , চুল ও কাপড় বাঁধা যাবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۳۶) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، وَابْنُ إدْرِیسَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی وَائِلٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : کُنَّا لاَ نَتَوَضَّأُ مِنْ مَوْطَِأ ، وَلاَ نَکُفُّ شَعْرًا وَلاَ ثَوْبًا فِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮১৩৬ ) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , আমরা যেখানে পা রাখতাম সেখান থেকে অজু করিনি এবং নামাজের সময় চুল ও কাপড় মুড়েনি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۳۷) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ أَبِی حَیَّانَ التَّیْمِیِّ ، عَنْ مُجَمِّعٍ ، قَالَ : کَانَ الْحَسَنُ بْنُ یَزِیدَ یبصرُ السُّیُوفَ فَکَانَ إِذَا أُتِیَ بِالسَّیْفِ لِیَنْظُرَ إلَیْہِ وَہُوَ فی الْمَسْجِدِ خَرَجَ بِہِ فَنَظَرَ إلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮১৩৭ ) হজরত মাজমা বলেন , হযরত হাসান বিন ইয়াজিদ তরবারি পছন্দ করতেন , যখন তাঁর কাছে তলোয়ারটি পরিদর্শনের জন্য আনা হতো , তখন তিনি মসজিদ থেকে বের হয়ে যেতেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۳۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا مُعاذ ، عَنْ أَسْلَمَ الْمِنْقَرِیِّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبْزَی الْخُزَاعِیِّ ، قَالَ : لاَ یُسَلُّ السَّیْفُ فِی الْمَسْجِدِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮১৩৮ ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আবদুল রহমান খুজাই বলেন , মসজিদে তরবারি পরিধান করা হবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۳۹) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : نَہَی أَو نُہِیَ عَنْ سَلِّ السَّیْفِ فِی الْمَسْجِدِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৩৯) হযরত আতা মসজিদে তরবারি ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۴۰) حَدَّثَنَا سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ عَمْرٍو ، سَمِعَ جَابِرًا یَقُولُ : مَرَّ رَجُلٌ فِی الْمَسْجِدِ بِسِہَامٍ ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَمْسِکْ بِنِصَالِہَا۔ (بخاری ۷۰۷۴۔ مسلم ۱۲۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৪০) হজরত জাবির (রা.) বলেন , এক ব্যক্তি যখন তীর নিয়ে মসজিদের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল , তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে নির্দেশ দেন যে , তীক্ষ্ণ অংশগুলো সাবধানে নাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۴۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ بُرَیدِ بْنِ عَبْدِ اللہِ ، عَنْ أَبِی بُرْدَۃَ ، عَنْ أَبِی مُوسَی ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إذَا مَرَّ أَحَدُکُمْ بِالنَّبْلِ فِی الْمَسْجِدِ فَلْیُمْسِکْ عَلَی نُصُولِہَا۔ (بخاری ۴۵۲۔ ابوداؤد ۲۵۸۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৪১) হজরত আবু মূসা ( রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , যখন তুমি আমার পক্ষ থেকে তীর নিয়ে মসজিদের পাশ দিয়ে যাও , তখন ডগা নাও এবং অংশগুলো সামলাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۴۲) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : إذَا مَرَرْت بِنَبْلٍ فَامْسِکْ بِنِصَالِہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৪২) হজরত আতা বলেন , তুমি যখন আমার কাছ থেকে তীর নিয়ে মসজিদের পাশ দিয়ে যাবে , তখন তার ডগা নিয়ে হেঁটে যাবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۴۳) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ سُلَیْمَانَ بْنِ سُحَیْمٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ بْنِ عَبْدِ اللہِ بْنِ مَعْبَدٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ : کَشَفَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ السِّتَارَۃَ وَالنَّاسُ صُفُوفٌ خَلْفَ أَبِی بَکْرٍ ، وَقَالَ : یَا أَیُّہَا النَّاسُ، إِنَّہُ لَمْ یَبْقَ مِنْ مُبَشِّرَاتِ النُّبُوَّۃِ إِلاَّ الرُّؤْیَا الصَّالِحَۃُ یَرَاہَا الْمُسْلِمُ أَوْ تُرَی لَہُ أَلاَ وَإِنِّی نُہِیتُ أَنْ أَقْرَأَ الْقُرْآنَ رَاکِعًا ، أَوْ سَاجِدًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৪৩) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , রাসুলুল্লাহ (সা. ) তার ইন্তেকালের সময় পর্দা উঠিয়ে দেখলেন যে , লোকেরা হজরত আবু বকর ( রা . ) - এর পেছনে ছয়টি সারিতে দাঁড়িয়ে আছে আপনি বললেন, “ হে লোকসকল! নবুওয়াতের সংবাদ থেকে শুধু সত্যিকারের স্বপ্নই থেকে যায় , যা মুসলিমরা দেখতে পাবে বা দেখানো হবে । মনোযোগ সহকারে শুন! আমাকে রুকু ও সিজদা করার সময় কুরআন তিলাওয়াত করতে নিষেধ করা হয়েছে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۴۴) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو ، قَالَ : حَدَّثَنِی إبْرَاہِیمُ بْنُ عَبْدِ اللہِ بْنِ حُنَیْنٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : سَمِعْتُ عَلِیًّا بِرَحْبَۃِ الْکُوفَۃِ یَقُولُ : نَہَانِی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، عَنْ قِرَائَۃِ الْقُرْآنِ وَأَنَا رَاکِعٌ۔ (مسلم ۲۱۳۔ احمد ۱/۸۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮১৪৪) হযরত আলী ( রাঃ ) কুফহামে বলেন যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে রুকু পড়তে নিষেধ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۱۴۵) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ الْحَارِثِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : لاَ تَقْرَأُ الْقُرْآنَ وَأَنْتَ رَاکِعٌ ، وَلاَ سَاجِدٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮১৪৫) হযরত আলী বলেন , রুকু ও সিজদা করার সময় তিলাওয়াত করবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮১৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস