
(۸۰۵۶) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ طَارِقٍ ، عَنْ حَکِیمِ بْنِ جَابِرٍ ، قَالَ : آمِینَ اسْمٌ مِنْ أَسْمَائِ اللہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮০৫৬ ) হজরত হাকিম ইবনে জাবের বলেন , আমিন আল্লাহ তায়ালার একটি নাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৫৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۵۷) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : آمِینَ اسْمٌ مِنْ أَسْمَائِ اللہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 8057 ) হযরত মুজাহিদ বলেন , আমিন আল্লাহ তায়ালার একটি নাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৫৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۵۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الرَّبِیعُ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : لَقَدْ کَانَ لَنَا دَوِیٌّ فِی مَسْجِدِنَا ہَذَا بِآمِینَ إذَا قَالَ الإِمَام : {غَیْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَیْہِمْ وَلاَ الضَّالِّینَ}۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮০৫৮) হজরত আতা বলেন , ইমাম যখন বলতেন {গায়ি রি আল -মাগজুব আলা -ই- হিম ওয়া - লা -জালি - যিন }, তখন আমাদের আমীন বলার আওয়াজ মসজিদে প্রতিধ্বনিত হতো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৫৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۵۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ رَجُلٍ ، عَنْ مُعَاذٍ : أَنَّہُ کَانَ إذَا خَتَمَ الْبَقَرَۃَ قَالَ : آمِینَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8059) হযরত মুআয সূরা আল - বাকারাহ শেষ করার সময় আমীন বলতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৫৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۶۰) حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ أَیُّوبَ ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ بُرْقَانَ ، عَنْ أَبِی حَمْزَۃَ مَوْلَی الْمُہَلَّبِ : أَنَّہُ صَلَّی إلَی جَنْبِ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، فَلَمَا قَالَ : {غَیْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَیْہِمْ وَلاَ الضَّالِّینَ} قَالَ : آمِینَ ، أَوْ شَیْئًا ہَذَا مَعَنَاہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 8060 ) হজরত জাফর বিন বারকান বলেন , আবু হামজা মাওলি মাহলাব হজরত সাঈদ বিন জাবিরের পর ছয়বার সালাত আদায় করেন , তখন তিনি বলেন আমিন । এরকম একটা কথা বললেন ...
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৬০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۶۱) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ، عَنْ ہِشَامٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ: أَنَّ أَبَا ہُرَیْرَۃَ کَانَ مُؤَذِّنًا بِالْبَحْرَیْنِ، فَقَالَ لِلإِمَامِ: لاَ تَسْبِقْنِی بِآمِینَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮০৬১) হজরত আবু হুরায়রা বাহরিনে একজন মুয়াজ্জিন ছিলেন তিনি ইমামকে বললেন , আমার আগে আমিন না বলুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۶۲) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ رَجُلٍ ، أَنَّ مُعَاذًا کَانَ إذَا قَرَأَ آخِرَ الْبَقَرَۃِ {فَانْصُرْنَا عَلَی الْقَوْمِ الْکَافِرِینَ} قَالَ : آمِینَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8062) হযরত মুআয যখন সূরা আল-বাকারাহ শেষ করে {ফানসুর্না আলা - ই আল-কওম আল-কাফির - যিন } বললেন, তখন তিনি বললেন আমিন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۶۳) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، قَالَ : لَعَلَّہُ عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنِ الزُّبَیْرِ ، قَالَ : کَانَ لِلْمَسْجِدِ رَجَّۃٌ ، أَوْ قَالَ لُجَّۃٌ إذَا قَالَ الإِمَام : {غَیْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَیْہِمْ وَلاَ الضَّالِّینَ}۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮০৬৩) হযরত যুবাইর (রাঃ) বলেন , ইমাম যখন বলতেন { গায়ি রি আল -মাগুব আলা - হি - হি - ওয়ালা - দ-জালি-নি - নি }, তখন মসজিদ আমীন ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۶۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ سُہَیْلِ بْنِ أَبِی صَالِحٍ ، عَنِ ابْنِ أَبِی سَعِیدٍ الْخُدْرِیِّ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إذَا تَثَائَبَ أَحَدُکُمْ فِی الصَّلاَۃ فَلْیَکْظِمْ مَا اسْتَطَاعَ فَإِنَّ الشَّیْطَانَ یَدْخُلُ۔ (مسلم ۵۸۔ ابوداؤد ۴۹۸۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮০৬৪) হজরত আবু সাঈদ খুদরি ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন, যখন তোমরা আমাদের কারো সাথে নামাযে শরীক হতে আসো । সুতরাং সে যেন তা বন্ধ করার চেষ্টা করে কারণ এর সাথে । এতে শয়তান মুখের মধ্যে প্রবেশ করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۶۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی فَزَارَۃَ الْعَبْسِیِّ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ الأَصَمِّ ، قَالَ : مَا تَثَائَبَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی صَلاَۃ قَطُّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮০৬৫ ) হযরত ইয়াযীদ বিন আসিম ( রাঃ ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কখনো নামাযে হাই তুলতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۶۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ ہِلاَلِ بْنِ یَِسَافٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ: إذَا تَثَائَبَ أَحَدُکُمْ فِی الصَّلاَۃ فَلْیَضَعْ یَدَہُ عَلَی فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8066) হজরত ইবনে আব্বাস (রা) বলেন, তোমাদের কেউ যখন নামাযের জন্য হাই তোলে , তখন সে যেন তার মুখের ওপর হাত রাখে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۶۷) عن قتادۃ بِمِثْلِ حَدِیثِ سُفْیَانَ۔
( 8067 )
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۶۸) حَدَّثَنَا عَبْدَۃَُ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ خِلاَسٍ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : التَّثَاؤُبُ فِی الصَّلاَۃ مِنَ الشَّیْطَانِ وَشِدَّۃُ الْعُطَاسِ وَالنُّعَاسُ عِنْدَ الْمَوْعِظَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 8068 ) হজরত আলী বলেন , নামাযে হাঁচি দেওয়া এবং প্রচারের সময় প্রচুর হাঁচি দেওয়া এবং নাক ডাকা শয়তানের পক্ষ থেকে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۶۹) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ یَزِیدَ عَنْ أَبِی ظَبْیَانَ ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ ، قَالَ : التَّثَاؤُبُ فِی الصَّلاَۃ وَالْعُطَاسُ مِنَ الشَّیْطَانِ فَتَعَوَّذُوا بِاللَّہِ مِنْہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮০৬৯) হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন , নামাজে হাঁচি ও হাঁচি শয়তানের পক্ষ থেকে , তার থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۷۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إنِّی لأَدْفَعُ التَّثَاوُبَ فِی الصَّلاَۃ بِالتَّنَحْنُحِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 8070 ) হজরত ইব্রাহিম (আ.) বলেন , আমি নামাজের সময় গলা পরিষ্কার করে হাই তোলা বন্ধ করি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۷۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إذَا تَثَائَبَ فِی الصَّلاَۃ ضَمَّ شَفَتَیْہِ ، وَمَسَحَ أَنْفَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8071) হজরত ইব্রাহিম বলেন , নামাজের সময় যখন কেউ হাই তোলে , তখন সে যেন তার ঠোঁট একত্র করে নাকে স্পর্শ করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۷۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، عَن عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ یَزِیدَ ، قَالَ : نُبِّئْتُ أَنَّ لِلشَّیْطَانِ قَارُورَۃً یُشِمُّہَا الْقَوْمَ فِی الصَّلاَۃ کَیْ یَتَثَائَبُوا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 8072 ) হজরত আবদ আল - রহমান বিন ইয়াজিদ বলেন , শয়তানের একটি বোতল আছে যা দিয়ে সে গন্ধ শুঁকিয়ে মানুষকে হাঁপিয়ে তোলে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۷۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الرَّبِیعُ ، عَنْ أَبِی مَعْشَرٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : یَرُدُّ الرَّجُلُ التَّثَاؤُبَ فِی الصَّلاَۃ مَا اسْتَطَاعَ ، فَإِنْ غَلَبَہُ وَضَعَ یَدَہُ عَلَی فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮০৭৩) হজরত ইব্রাহীম (রহঃ) বলেন , যতদূর সম্ভব নামাযের সময় একজন ব্যক্তি হাই তোলা বন্ধ করবে , যদি তা বন্ধ করা সম্ভব না হয় তবে সে যেন তার মুখের উপর হাত রাখে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۷۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ ، قَالَ : التَّثَاؤُبُ فِی الصَّلاَۃ مِنَ الشَّیْطَانِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 8074 ) হজরত আবু জাফর ( রা ) বলেন , নামাজে জামাইয়ের আগমন শয়তানের পক্ষ থেকে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۷۵) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، عَن عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ یَزِیدَ ، قَالَ : إنَّ لِلشَّیْطَانِ قَارُورَۃً فِیہَا نَفُوخٌ فَإِذَا قَامُوا إلَی الصَّلاَۃ أُنْشَقُوہَا فَأُمِرُوا عِنْدَ ذَلِکَ بِالاسْتِنْثَارِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 8075 ) হজরত আবদ আল - রহমান বিন ইয়াজিদ বলেন , শয়তানের একটি বোতল আছে , মানুষ যখন নামাজে দাঁড়ায় তখন সে সেগুলোর গন্ধ পায় । অতএব নামাযের পূর্বে নাক পরিষ্কার করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۷۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا أَبُو مَعْشَرٍ ، عَنْ سَعِیدٍ الْمَقْبُرِیِّ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ، قَالَ: إنَّ اللَّہَ یَکْرَہُ التَّثَاؤُبَ وَیُحِبُّ الْعُطَاسَ فِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 8076 ) হজরত আবু হারি রাহ. বলেন , আল্লাহ নামাযের মধ্যে হাই তোলা অপছন্দ করেন এবং হাঁচি পছন্দ করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۷۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الأَسْوَدِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : إذَا تَثَائَبَ فِی الصَّلاَۃ فَلْیُمْسِکْ ، عَنِ الْقِرَائَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8077) হযরত মুজাহিদ বলেন, তোমাদের কেউ যখন নামাযে হাই তোলে তখন সে যেন তিলাওয়াত বন্ধ করে দেয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۷۸) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ وَلَیْسَ بِالأَحْمَر ، عَنْ جَرِیرِ بْنِ حَازِمٍ ، عَنْ یَعْلَی بْنِ حَکِیمٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، قَالَ : إذَا تَثَائَبَ أَحَدُکُمْ وَہُوَ یَقْرَأُ فَلْیُمْسِکْ عَنِ الْقِرَائَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8078) হজরত ইকরামা বলেন , তোমাদের কেউ যখন তেলাওয়াত করতে করতে জামে আসে , তখন সে যেন তিলাওয়াত বন্ধ করে দেয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۷۹) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ تَمِیمٍ ، عَنْ عَمِّہِ : شُکِیَ إلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ الرَّجُلُ یَجِدُ الشَّیْئَ فِی الصَّلاَۃ یَتَشَبَّہُ عَلَیْہِ ، قَالَ : إِنَّہُ لاَ یَجِبُ عَلَیْہِ شَیْئٌ حَتَّی یَجِدَ رِیحَہُ ، وَیَسْمَعَ صَوْتَہُ۔ (بخاری ۱۳۷۔ ابوداؤد ۱۷۸)
থেকে বর্ণিতঃ
( 8079 ) হজরত ইবাদ বিন তামিম তার চাচা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর সামনে একথা উল্লেখ করা হয়েছে যে , কখনও কখনও একজন ব্যক্তিকে নামায পড়তে বলা হয় তার মনে হচ্ছে তার অযু ভেঙ্গে গেছে , এ অবস্থায় তার কি করা উচিত ? তিনি বলেন , বাতাস অনুভব না করা এবং আওয়াজ না শোনা পর্যন্ত তার উপর অযু ওয়াজিব নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۸۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ مُبَارَکٍ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ أَبِی کَثِیرٍ ، عَنْ عِیَاضِ بْنِ ہِلاَلٍ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ الْخُدْرِیِّ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إذَا جَائَ أَحَدَکُمُ الشَّیْطَانُ وَہُوَ فِی صَلاَتِہِ فَقَالَ لَہُ : إنَّکَ قَدْ أَحْدَثْتَ فَلْیَقُلْ : کَذَبْتَ مَا لَمْ یَجِدْ رِیحَہُ بِأَنْفِہِ ، أَوْ یَسْمَعْ صَوْتَہُ بِأُذُنِہِ۔(ابوداؤد ۱۰۲۱۔ احمد ۳/۵۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮০৮০) হজরত আবু সাঈদ আল - খুদরি ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , যখন শয়তান তোমাদের কাউকে সালাত আদায় করে । যদি সে এসে বলে যে , তোমার ওযু হয়ে গেছে । ভাঙা , তারপর তাকে অস্বীকার করুন যতক্ষণ না আপনি আপনার নাক থেকে গন্ধ পান বা একটি শব্দ শুনতে পান ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۸۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ سُہَیْلٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ وُضُوئَ إِلاَّ مِنْ رِیحٍ ، أَوْ صَوْتٍ۔ (ترمذی ۷۵۔ ابوداؤد ۱۷۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮০৮১) হজরত আবু হুরায়রা ( রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , যতক্ষণ না বাতাস বের হয় এবং আওয়াজ না আসে ততক্ষণ পর্যন্ত ওযু ভঙ্গ হয় না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۸۲) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِیزِ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عَطَائٍ ، قَالَ : رَأَیْتُُ السَّائِبَ بْنَ خَبَّابٍ یَشُمُّ ثَوْبَہُ فَقُلْتُ لَہُ : مِمَّ ذَلِکَ رَحِمَک اللَّہُ ؟ فَقَالَ : إنِّی سَمِعْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : لاَ وُضُوئَ إِلاَّ مِنْ رِیحٍ ، أَوْ سَمَاعٍ۔ (احمد ۳/۴۲۶۔ طبرانی ۶۶۲۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮০৮২) হজরত মুহাম্মদ ইবনে আমর ইবনে আতা বলেন , আমি হযরত সায়েব ইবনে খাবাব (রা . )- কে তার কাপড়ের গন্ধ নিতে দেখে বললাম , আল্লাহ তোমার প্রতি রহম করুন , তুমি কী করছ ? তিনি বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে বলতে শুনেছি যে, গন্ধ বা আওয়াজ না হওয়া পর্যন্ত ওযু ভঙ্গ হয় না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۸۳) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنِ الْمِنْہَالِ بْنِ عَمْرٍو ، عَنْ قَیْسِ بْنِ سَکَنٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : إنَّ الشَّیْطَانَ یَأْتِی أَحَدَکُمْ وَہُوَ فِی الصَّلاَۃ فَیَبَلُّ إحْلِیلَہُ حَتَّی یَرَی أَنَّہُ قَدْ أَحْدَثَ ، وَأَنَّہُ یَأْتِیہِ فَیَضْرِبُ دُبُرَہُ ، فَیُرِیہِ أَنَّہُ قَدْ أَحْدَثَ ، فَلاَ تَنْصَرِفُوا حَتَّی تَجِدُوا رِیحًا ، أَوْ تَجِدُوا بَلَلاً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 8083 ) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , নামাজের সময় শয়তান তোমাদের একজনের কাছে আসে এবং তার যৌনাঙ্গ ভিজিয়ে দেয় এবং সে অনুভব করে যে তার অযু ভেঙ্গে গেছে । তারপর সে তার কপালে আঘাত করে এবং সে অনুভব করে যে তার অযু ভেঙ্গে গেছে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۸۴) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا الْعَوَّامُ ، عَنْ إبْرَاہِیمِ التَّیْمِیِّ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : إنَّ الشَّیْطَانَ یَأْتِی أَحَدَکُمْ وَہُوَ فِی صَلاَتِہِ فَیَنْقُرُ دُبُرَہُ لِیُرِیَہُ أَنَّہُ قَدْ أَحْدَثَ ، فَإِذَا فَعَلَ ذَلِکَ فَلاَ یَنْصَرِفَنَّ أَحَدُکُمْ حَتَّی یَسْمَعَ صَوْتًا ، أَوْ یَجِدَ رِیحًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮০৮৪) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , কখনো কখনো শয়তান তোমাদের কারো কাছে নামাযের সময় এসে তার কপালে খোঁচা দেয় এবং সে অনুভব করে যে তার অযু ভেঙ্গে গেছে যখন তোমাদের কেউ এরকম মনে করবে , তখন নামায ছেড়ে যাবে না যতক্ষণ না তোমরা আওয়াজ শুনতে পাবে বা অজ্ঞান বোধ করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۸۵) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : سَأَلَہُ رَجُلٌ فَقَالَ لَہُ : إنَّ الشَّیْطَانَ یَأْتِینِی وَأَنَا فِی الصَّلاَۃ فَیُوَسْوِسُ إلیّ حَتَّی یَقُولَ : إنَّکَ قَدْ أَحْدَثْتَ ، فَقَالَ : لاَ یَنْصَرِفْ حَتَّی یَجِدَ لَہَا رِیحًا ، أَوْ یَسْمَعَ لَہَا طَنِینًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 8085 ) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা .) কে এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলেন যে, মাঝে মাঝে শয়তান নামাজের সময় আমার অন্তরে ফিসফিস করে বলে যে , আমার অযু ভেঙ্গে গেছে । আমি কি করব ? তিনি বললেন , এ সময় পর্যন্ত নামায ত্যাগ করবেন না আপনি একটি শব্দ শুনতে না হওয়া পর্যন্ত এটি গন্ধ করবেন না .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস