
(۷۹۹۶) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ أَنَسٍ ، أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ : إذَا حَضَرَ الْعَشَائُ وَأُقِیمَتِ الصَّلاَۃ فَابْدَؤُوا بِالْعَشَائِ۔ (بخاری ۶۷۲۔ ترمذی ۳۵۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৯৯৬) হজরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , যখন খাবার আসে এবং অপর দিকে নামাযের সময় হয় , তখন আগে খাবার খাও।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৯৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۹۹۷) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، قَالَ : حدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ رَافِعٍ ، عَنْ أُمِّ سَلَمَۃَ ، قَالَت : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إذَا حَضَرَ الْعَشَائُ وَحَضَرَتِ الصَّلاَۃُ فَابْدَؤُوا بِالْعَشَائِ۔ (احمد ۶/۲۹۱۔ ابویعلی ۶۹۵۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৯৯৭) হজরত উম্মে সালামা (রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , যখন খাবার আসে এবং অপর দিকে নামাযের সময় হয় , তখন আগে খাবার খাও।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৯৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۹۹۸) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، قَالَ : حدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إذَا وُضِعَ عَشَائُ أَحَدِکُمْ وَأُقِیمَتِ الصَّلاَۃ فَابْدَؤُوا بِالْعَشَائِ وَلاَ یَعْجَلَنَّ حَتَّی یَفْرُغَ مِنْہُ۔ قَالَ نَافِعٌ : وَکَانَ ابْنُ عُمَرَ یُوضَعُ لَہُ الطَّعَامُ فَتُقَامُ الصَّلاَۃ فَلاَ یَأْتِیہَا حَتَّی یَفْرُغَ وَإِنَّہُ لیَسْمَعُ قِرَائَۃَ الإِمَام۔ (بخاری ۶۷۳۔ ابوداؤد ۳۷۵۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৯৯৮) হজরত ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত যে , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , যখন তোমাদের জন্য খাবার রাখা হয় এবং সালাত কায়েম করা হয় , তখন আগে খাও, তারপর খাওয়া শেষ করার জন্য তাড়াহুড়া করো না । হজরত নাফি বলেন , হজরত ইবনে উমর ( রা .) - এর জন্য যখন খাবার রাখা হতো এবং নামায অপর দিকে দাঁড়িয়ে থাকত , তখন তিনি খাওয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত নামাযের জন্য যেতেন না । যদিও এ সময় তিনি ইমামের তিলাওয়াত শুনছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৯৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۹۹۹) حَدَّثَنَا ہَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ ، عَنْ أَیُّوبَ بْنِ عُتْبَۃَ ، عَنْ إیَاسِ بْنِ سَلَمَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : إذَا حَضَرَتِ الصَّلاَۃ وَالْعَشَائُ فَابْدَؤُوا بِالْعَشَائِ۔ (احمد ۴/۴۹۔ طبرانی۶۲۵۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৯৯৯) হজরত ঈস ইবনে সালামা ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , যখন নামাযের সময় হয় এবং খাবার অপর দিকে রাখা হয় , তখন আগে খাও .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৯৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۰۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ سُفْیَانَ بْنِ حُسَیْنٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِکٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إذَا حَضَرَتِ الْعَشَائُ وَالصَّلاَۃ فَابْدَؤُوا بِالْعَشَائِ۔ (احمد ۳/۲۳۸)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮০০০) হজরত আনাস ইবনে মালিক ( রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , যখন খাবার আসে এবং অন্য দিকে নামাযের সময় হয় , তখন আগে খাবার খাও। [ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۰۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ قَالَ: أَخْبَرَنَا حُمَیْدٌ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِکٍ مِثْلَ ذَلِکَ، وَلَمْ یَذْکُرِ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 8001 ) এই বাণীগুলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর প্রতি আরোপিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۰۲) حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَہَّابِ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إذَا حَضَرَ الْعَشَائُ وَأُقِیمَتِ الصَّلاَۃ فَابْدَؤُوا بِالْعَشَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮০০২) হজরত আবু কালাবা ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , যখন খাবার আসে এবং অপর দিকে নামাযের সময় হয়ে যায় , তখন আগে খাবার খাও।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۰۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَۃَ ، عَنْ ثَابِتٍ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِکٍ ، قَالَ : کُنَّا عَلَی طَعَامٍ لَنَا وَحَضَرَتِ الصَّلاَۃُ فَحَبَسَنِی أَبُو طَلْحَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮০০৩) হজরত আনাস বিন মালিক বলেন , একদা আমরা নামাযের সময় হলে খাচ্ছিলাম । হজরত আবু তালহা আমাকে খাবারের জন্য থামালেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۰۴) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، عَنِ ابْنٍ لأَبِی الْمَلِیحِ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : کُنَّا مَعَ أَبِی بَکْرٍ وَقَدْ خَرَجَ لِصَلاَۃِ الْمَغْرِبِ وَأَذَّنَ الْمُؤَذِّنُ فَتُلُقِّیَ بِقَصْعَۃٍ فِیہَا ثَرِیدٌ وَلَحْمٌ ، فَقَالَ : اجْلِسُوا فَکُلُوا فَإِنَّمَا صُنِعَ الطَّعَامُ لِیُؤْکَلَ ، فَأَکَلَ ، ثُمَّ دَعَا بِمَائٍ فَغَسَلَ أَطْرَافَ أَصَابِعِہِ وَمَضْمَضَ وَصَلَّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮০০৪) হজরত আবু মালিহ বলেন , আমরা হজরত আবু বকরের সঙ্গে ছিলাম , তিনি মাগরিবের নামাযের জন্য বের হতে লাগলেন এবং মুয়াজ্জিন আযান দিলেন । এত বীজ আর এক বাটি মাংস আনা হলোতিনি বললেন বসে খেতে কারণ খাবার তৈরি করা হয়েছে যাতে খাওয়া যায় যান তিনিও আমার কাছ থেকে খেয়ে নিলেন এবং তারপর পানি ডেকে তা দিয়ে হাত ধুয়ে সালাত আদায় করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۰۵) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ أَبِی عَاصِمٍ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ ، قَالَ : دَعَانَا یَسَارُ بْنُ نُمَیْرٍ إلَی طَعَامٍ عِنْدَ الْمَغْرِبِ ، فَقَالَ : إنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ کَانَ یَقُولُ : ابْدَؤُوا بِطَعَامِکُمْ ، ثُمَّ افْرُغُوا لِصَلاَتِکُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮০০৫ ) হজরত আলী ইবনে উবায়দুল্লাহ বলেন , হজরত ইয়াসার ইবনে নিমির আমাদেরকে মাগরিবের খাবারের জন্য ডেকে বললেন, হজরত উমর ইবনে খাত্তাব বলতেন আগে খাবার খেয়ে নামাযের জন্য রওনা হও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۰۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ أَبِی عَاصِمٍ ، عَنْ یَسَارِ بْنِ نُمَیْرٍ ، قَالَ : قَالَ عُمَرُ : إذَا وُضِعَ الْعَشَائُ وَأُقِیمَتِ الصَّلاَۃ فَابْدَؤُوا بِالْعَشَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮০০৬) হজরত ওমর বলেন , যখন খাবার পরিবেশন করা হয় এবং নামাজের সময় হয়, তখন আগে খাবার খান ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۰۷) حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ قَنَانِ بْنِ عَبْدِ اللہِ النَّہْمِیِّ ، عَنْ أَشْیَاخٍ لَہُمْ ، قَالُوا : کُنَّا عِنْدَ عَلِیٍّ وَحَضَرَ الْفِطْرُ فِی رَمَضَانَ ، فَقَالَ لَنَا عَلِیٌّ : أَفْطِرُوا ، فَإِنَّہُ أَحْسَنُ لِصَلاَتِکُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮০০৭) হজরত ফানান বিন আবদুল্লাহ নাহমী তাঁর বুজুর্গদের থেকে বর্ণনা করেন , তিনি বলেন , আমরা হজরত আলী (রা.)- এর কাছে ছিলাম যে , রমজানে রোজা ভাঙার সময় হয়েছে । হযরত আলী আমাদেরকে আগে রোজা ভাঙতে বললেন এটি আপনার প্রার্থনার জন্য ভাল .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۰۸) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ: أَنَّ الْحَسَنَ بْنَ عَلِیٍّ کَانَ یَقُولُ الْعَشَائُ قَبْلَ الصَّلاَۃ یُذْہِبُ النَّفْسَ اللَّوَّامَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮০০৮) হযরত আলী বলেন , খাওয়ার আগে নামায পড়লে তা নফসকে দূরে সরিয়ে দেয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۰۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شَرِیکٍ ، عَنْ عُثْمَانَ الثَّقَفِیِّ ، عَنْ رَجُلٍ یُقَالُ لَہُ زِیَادٌ ، قَالَ : کُنَّا عِنْدَ ابْنِ عَبَّاسٍ وَشِوَائٌ لَہُ فِی التَّنُّورِ وَحَضَرَتِ الصَّلاَۃُ فَقُلْنَا لَہُ ، فَقَالَ : لاَ حَتَّی نَأْکُلَ لاَ یَعْرِضُ لَنَا فِی صَلاَتِنَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮০০৯ ) হজরত যায়েদ বলেন , আমরা হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) - এর সঙ্গে ছিলাম এবং তাঁর চুলায় কিছু ভাজা হচ্ছিল । নামাজের সময় হয়ে গেল এবং আমরা তাদের কাছে নামাজের জন্য হাঁটার অনুমতি চাইলাম , তাই তারা বলল না , আমরা খাওয়ার পরে যাব যাতে নামায আমাদের বিরক্ত না করে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۱۰) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ یزِیْدٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ الْحَارِثِ ، قَالَ : إذَا جِیئَ بِعَشَائِکَ وَنُودِیَ بِالصَّلاَۃ فَابْدَأْ بِالْعَشَائِ ، ثُمَّ الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮০১০) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে হারিছ (রহঃ) বলেন , যখন তোমার খাবার আসবে এবং নামাযের আযান দেয়া হবে , তখন আগে খাবার খাও তারপর নামায পড়।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۱۱) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ ، عَنْ سُلَیْمَانَ بْنِ الْمُغِیرَۃِ ، عَنْ ثَابِتٍ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : قَدِمْتُ مِنَ الْعِرَاقِ فَقُرِّبَ عَشَائُ أَبِی طَلْحَۃَ وَمَعَہُ مَنْ شَائَ اللَّہُ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ لِی : ہَلُمَّ فَکُلْ فَقُلْت : حَتَّی أُصَلِّیَ ، فَقَالَ : قَدْ أَخَذْتَ بِأَخْلاَقِ أَہْلِ الْعِرَاقِ ہَلُمَّ فَکُلْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮০১১) হযরত আনাস (রাঃ) বলেন , আমি যখন ইরাক থেকে ফিরে আসি , তখন হযরত আবু তালহা (রাঃ) ও তাঁর সাথে থাকা কয়েকজন সাহাবীর কাছে খাবার রাখা ছিল । আমাকে এসে খেতে বললেন । বললাম নামায পড়ে খাবো । তিনি বললেন , তুমি ইরাকের লোকদের অভ্যাস করে এসে খাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۱۲) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ الْجُرَیرِیِّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ بُرَیْدَۃَ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ بْنُ عَمْرٍو : مَا أُبَالِی کَانَا مَصْرُورَیْنِ فِی نَاحِیَۃِ ثَوْبِی ، أَوْ نَازَعَانِی فِی صَلاَتِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮০১২) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর বলেন, আমার কথা ও ব্রজ আমার পোশাকে হোক বা আমার নামাজ আমাকে বিরক্ত করছে তাতে আমি কোনো পার্থক্য অনুভব করি না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۱۳) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ، عَنْ لَیْثٍ، عَنْ مُجَاہِدٍ، قَالَ: قَالَ عُمَرُ: لاَ تُعَالِجُوا الأَخْبَثَیْنِ فِی الصَّلاَۃ الْغَائِطَ وَالْبَوْلَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮০১৩) হজরত উমর (রা) বলেন , নামাজে দুটি নোংরা জিনিসের মুখোমুখি হয়ো না , প্রস্রাব ও মল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۱۴) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ أَبِی حُرَّۃَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، عَنْ عُمَرَ ، بِنَحْوِ ذَلِکَ۔
( 8014 )
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۱۵) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ حُمَیْدِ بْنِ ہِلاَلٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : لاَ یُصَلِّیَنَّ أَحَدُکُمْ وَہُوَ یُدَافِعُ الطَّوْفَ الْغَائِطَ وَالْبَوْلَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(8015) হজরত ইবনে আব্বাস বলেন, তোমাদের কেউ যেন কথা -বার্তার প্রতিযোগিতায় নামায না পড়ে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۱۶) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ کَثِیرٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ قَالَ : مَا أُبَالِی دَافَعْتُہُ ، أَوْ صَلَّیْتُ وَہُوَ فِی جَانِبِ ثَوْبِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮০১৬ ) হজরত সাঈদ ইবনে জাবির বলেন , আমার জন্য দোয়া করার সময় ঘাম বন্ধ করা এবং তা আমার কাপড়ে লাগানো সমান ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۱۷) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ حُبَاب ، عَنْ مُعَاوِیَۃَ بْنِ صَالِحٍ ، قَالَ : حدَّثَنِی السَّفْرُ بْنُ نُسَیْرٍ الأَسَدِیُّ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ شُرَیْحٍ الْحَضْرَمِیِّ ، أَنَّہُ سَمِعَ أَبَا أُمَامَۃَ یَقُولُ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ یَأْتِی أَحَدُکُمُ الصَّلاَۃ وَہُوَ حَاقِنٌ حَتَّی یَتَخَفَّفَ۔ (احمد ۵/۲۵۰۔ طبرانی ۷۵۰۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮০১৭) হজরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন এমন অবস্থায় নামায পড়তে না আসে যে , সে যেন প্রস্রাব ও মল আটকে আছে এটা হালকা হয়ে যায়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۱۸) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ إدْرِیسَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ : لاَ یَقُومُ أَحَدُکُمْ إلَی الصَّلاَۃ وَبِہِ أَذًی۔ (احمد ۲/۴۴۲۔ ابن حبان ۲۰۷۲)
থেকে বর্ণিতঃ
( 8018) হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : তোমাদের কেউ এই অবস্থায় নামাযের জন্য দাঁড়াবে না । তার প্রস্রাব ও মলত্যাগ করতে হতে পারে । .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۱۹) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ زَمْعَۃَ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الزُّبَیْرِ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ جَعْدَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ یَقْرَبُ الصَّلاَۃ الزَّنیء قِیلَ : یَا رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَمَا الزَّنیء ؟ قَالَ : الَّذِی یَجِدُ الرِّزّ فِی بَطْنِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮০১৯) হজরত ইয়াহইয়া বিন জাদা (রা ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , যে ব্যক্তি প্রস্রাব বন্ধ করে দেয় সে যেন নামাযের কাছে না যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۲۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ أَبِی صَدَقَۃَ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ عَتِیقٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : یُکْرَہُ حَبْسُ الأَذَی مَا لَمْ یَخَفْ فَوْتَ الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮০২০) হজরত ইবনে সীরীন মনে করতেন , নামাযের মৃত্যুর ভয় না থাকলে নামায বন্ধ করা মাকরূহ খেলা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۲۱) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ الأَرْقَمِ ، قَالَ : خَرَجَ مُعْتَمِرًا مَعَ أَصْحَابِہِ فَأَذَّنَ وَأَقَامَ ، وَقَالَ لِبَعْضِ أَصْحَابِہِ : تَقَدَّمْ إنِّی سَمِعْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : إذَا حَضَرَتِ الصَّلاَۃ وَأَحَدُکُمْ یُرِیدُ الْخَلاَئَ فَابْدَأْ بِالْخَلاَئِ۔ (ترمذ ی۱۴۲۔ ابوداؤد ۸۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(৮০২১) হজরত উরওয়া বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আরকাম তাঁর সঙ্গীদের সঙ্গে ওমরার নিয়তে বের হলেন , তিনি আযান ও ইকামাহ বললেন , তারপর তিনি তাঁর সঙ্গীকে বললেন , নামায পড়তে , কারণ আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) কে শুনেছি আল্লাহর রহমত ) বলেন যে , যখন নামাযের সময় হবে, এবং তোমাদের কারো যদি নিজেকে মুক্ত করার প্রয়োজন হয় , সে যেন আগে নিজেকে মুক্তি দেয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۲۲) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، قَالَ : سُئِلَ نَافِعٌ عَنِ الرَّجُلِ یَجِدُ النَّفْخَۃَ فِی بَطْنِہِ ؟ قَالَ : لاَ یُصَلِّی وَہُوَ یَجِدُ النَّفْخَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮০২২ ) হজরত নাফিকে জিজ্ঞেস করা হলো , যদি কোনো ব্যক্তি বাতাস অনুভব করে তাহলে সে কি সালাত আদায় করতে পারবে ? তিনি বলেছিলেন যে তিনি অজ্ঞান হয়ে নামাজ পড়বেন না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۲۳) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ أَبِی حَزْرَۃَ شَیْخٍ مِنْ أَہْلِ الْمَدِینَۃِ وَأَثْنَی عَلَیْہِ خَیْرًا ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، قَالَ : دَخَلَ بَعْضُ بَنِی أَخِی عَائِشَۃَ إلَیْہَا فَقَامَ إلَی الْمَسْجِدِ ، فَقَالَتْ لَہُ : اجْلِسْ إنِّی سَمِعْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : لاَ یُصَلِّی أَحَدُکُمْ بِحَضْرَۃِ طَعَامٍ ، وَلاَ ہُوَ یُدَافِعُ الأَخْبَثَیْنِ۔ (مسلم ۳۹۳۔ ابن حبان ۲۰۷۳)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮০২৩ ) হজরত কাসিম বিন মুহাম্মদ বলেন , হযরত আয়েশা (রা ) তাঁর খেদমতে আসেন । যখন তিনি মসজিদে যেতে লাগলেন , তখন হযরত আয়েশা ( রা ) তাকে বসতে বললেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۲۴) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، قَالَ : لأَنْ أَصُرَّہُ فِی عِمَامَتِی ، ثُمَّ أَقُومَ إلَی الصَّلاَۃ أَحَبُّ إلَیَّ مِنْ أَنْ أُدَافِعَہُ وَأَنَا أُصَلِّی ، یَعْنِی الْغَائِطَ وَالْبَوْلَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৮০২৪) হজরত ইকরামা বলেন , আমি আমার পাগড়িতে মলত্যাগ করতে পছন্দ করি , অর্থাৎ তাদের মুখোমুখি হওয়ার সময় নামায পড়ার চেয়ে বেশি পছন্দ করি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۸۰۲۵) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ بَکْرٍ ، قَالَ : لأَنْ أُہْرِیقَ الْمَائَ وَأَتَیَمَّمَ وَأُصَلِّیَ أَحَبُّ إلَیَّ مِنْ أَنْ أُصَلِّیَ وَأَنَا أُدَافِعُ غَائِطًا ، أَوْ بَوْلاً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৮০২৫) হজরত বকর বলেন , আমি প্রস্রাব করা ও নামায পড়া পছন্দ করি এবং নামাযের সময় প্রস্রাব ও মলত্যাগ প্রতিরোধ করার চেয়ে আমি এটাকে বেশি পছন্দ করি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৮০২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস