
(۵۲۹۶) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، یَقُولُ : إِذَا نَعَسَ أَحَدُکُمْ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ فَلْیَتَحَوَّلْ مِنْ مَجْلِسِہِ إِلَی غَیْرِہِ۔ (ترمذی ۵۲۶۔ ابوداؤد ۱۱۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(5296) হজরত ইবনে ওমর ( রা . ) থেকে বর্ণিত আছে যে, মহানবী ( সা . ) বলেছেন , তোমাদের কেউ জুমার দিনে ঘুমিয়ে পড়লে সে স্থান পরিবর্তন করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫২৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۲۹۷) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنِ الأَحْوَص بْنِ حَکِیمٍ ، عَنْ طَاوُوسٍ ، قَالَ : لأَنْ تَخْتَلِفَ السِّیَاطُ عَلَی ظَہْرِی ، أَحَبُّ إِلَیَّ مِنْ أَنْ أَنَامَ وَالإِمَام یَخْطُبُ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5297) হযরত তাওস বলেন , মরিয়মের পিঠে চাবুক পড়তে হবে । শুক্রবারের খুতবার সময় ঘুমানোর চেয়ে এটা আমার কাছে প্রিয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫২৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۲۹۸) حَدَّثَنَا إِسْمَاعِیلُ بْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ الْجُرَیرِیِّ ؛ أَنَّ أَبَا الْعَلاَئِ کَانَ یَنَامُ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ وَہُوَ قَاعِدٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5298 ) হজরত জারিরী বলেন , হজরত আবুল আলা শুক্রবারে বসে নামাজ পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫২৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۲۹۹) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ ، عَنْ إِسْرَائِیلَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ الْمُخْتَارِ ، عَنْ مَالِکِ بْنِ دِینَارٍ ، قَالَ : کَانَ أَبُو الْعَالِیَۃِ ، وَخِلاَسُ بْنُ عَمْرٍو یَنَامَانِ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ نَوْمًا طَوِیلاً ، ثُمَّ یَقُومَانِ فَیُصَلِّیَانِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5299) হযরত মালেক বিন দীনার বলেন , হযরত আবুল আলিয়া ও হযরত খালাস বিন আমর জুমার দিনে ঘুমাতেন এবং তারপর উঠে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫২৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۳۰۰) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : حدَّثَنَا سَعِیدُ بْنُ أَبِی عَرُوبَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ أَبِی حُرَّۃَ ، عَنْ نَافِعٍ ، قَالَ: کَانَ ابْنُ عُمَرَ یَحْتَبِی یَوْمَ الْجُمُعَۃِ وَالإِمَام یَخْطُبُ ، فَإِنْ طَالَ وَضَعَ رَأْسَہُ فِی حِجْرِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5300) হজরত নাফি বলেন যে, হজরত ইবনে উমর জুমার দিন ইমামের খুতবা দেওয়ার সময় আড়াআড়িভাবে বসতেন এবং খুতবা দীর্ঘ হলে তাঁর কোলে মাথা রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৩০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۳۰۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا یُونُسُ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یُسَلِّمُ إِذَا جَائَ وَالإِمَامُ یَخْطُبُ ، وَیَرُدُّونَ عَلَیْہِ السَّلاَمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5301) হজরত ইউনুস বলেন , হজরত হাসান যখন খুতবার সময় মসজিদে উপস্থিত থাকতেন, তখন তিনি সালাম দিতেন এবং লোকেরা তার সালামের জবাব দিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৩০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۳۰۲) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مُغِیرَۃُ ، وَالأَعْمَشُ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانُوا یَرُدُّونَ السَّلاَمَ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ وَالإِمَام یَخْطُبُ ، وَیُشَمِّتُونَ الْعَاطِسَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5302) হজরত ইব্রাহীম বলেন , পূর্বসূরিরা জুমার খুতবার সময় সালামের জবাব দিতেন এবং যে হাঁচি দেয় তাকে ইয়া রাহমাক আল্লাহও ডাকতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৩০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۳۰۳) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، وَحَمَّادٍ ؛ فِی الرَّجُلِ یَدْخُلُ الْمَسْجِدَ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ وَقَدْ خَرَجَ الإِمَام ، قَالاَ : یُسَلِّمُ وَیَرُدُّونَ عَلَیْہِ ، وَإِذَا عَطَسَ شَمَّتُوہُ وَرَدُّوا عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5303) হযরত হাকাম ও হযরত হাম্মাদ (রাঃ) ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে বলেন যে জুমার দিনে ইমামের আগমনের পর মসজিদে প্রবেশ করে এবং বলে যে সে সালাম করবে এবং লোকেরা তার সালামের জবাব দেবে । যখন সে হাঁচি দেয় তখন তারা তাকে ইয়া রাহমাক আল্লাহ বলবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৩০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۳۰۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إِسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرِ ، عَنْ عَامِرٍ ، وَسَالِمٍ ، قَالاَ : یَرُدُّ السَّلاَمَ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ وَیُسْمِعُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5304) হজরত আমীর ও হজরত সেলিম বলেন , শুক্রবারে সালামের জবাব দেওয়া হবে এবং সালাম শোনা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৩০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۳۰۵) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ أَبِی عَوَانَۃَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ طَاوُوسٍ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ أَنْ یَرُدَّ السَّلاَمَ وَیُشَمِّتَ الْعَاطِسَ وَالإِمَامُ یَخْطُبُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5305) হযরত তাওয়াস খুতবার সময় সালামের জবাব দেওয়া বা যে বিদায় না বলে তাকে ইয়া রাহমাক আল্লাহ বলাকে জঘন্য মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৩০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۳۰۶) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا ابْنُ عَوْنٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، وَابْنِ سِیرِینَ ؛ أَنَّہُ سَأَلَہُمَا عَنْ رَدِّ السَّلاَمِ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ وَالإِمَام یَخْطُبُ ؟ فَقَالاَ : کَانَ یُقَالُ: مَنْ قَالَ انْصِتْ فَقَدْ لَغَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5306 ) হজরত ইব্রাহিম ও হজরত ইবনে সিরীনকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তারা জুমার খুতবার সময় সালামের উত্তর দেবেন কি না । তিনি বলেন , যে কাউকে চুপ থাকতে বলেছে সেও একটা নিরর্থক কাজ করেছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৩০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۳۰۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : السُّکُوتَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5307) হজরত ইব্রাহিম বলেন , নীরবতা আবশ্যক ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৩০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۳۰۸) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، قَالَ : کَانَ مُحَمَّدٌ یَقُولُ : إِذَا سُلِّمَ عَلَیْک یَوْمَ الْجُمُعَۃِ وَالإِمَام یَخْطُبُ ، فَأَوْمِیئْ إِلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5308) হজরত মুহাম্মদ বলতেন , শুক্রবারের খুতবার সময় যদি তোমাকে সালাম দেওয়া হয় , তাহলে তোমার মাথার দিকে ইশারা করে উত্তর দাও।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৩০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۳۰۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ سَعِیدٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ سَعِیدَ بْنَ الْمُسَیَّبِ ، وَسَأَلَہُ رَجُلٌ عَنْ رَجُلٍ شَمَّتَ رَجُلاً وَالإِمَام یَخْطُبُ ، أَلَغَا ؟ قَالَ : لاَ ، وَلَکِنْ لاَ یَعُودُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5309) হজরত সাঈদ বিন মুসাইব ( রা . ) কে এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলেন যে , একজন ব্যক্তি যদি খুতবার সময় হাসতে হাসতে ইয়া রাহমাক আল্লাহ বলে , তাহলে সে কি অন্যায় করেছে তিনি বললেন না , কিন্তু তার আর এমন করা উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৩০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۳۱۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إِسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِیٍّ ، وَالْقَاسِمُ : یَرُدُّ فِی نَفْسِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5310) হজরত মুহাম্মদ বিন আলী ও হজরত কাসিম বলেন , তাকে মনে মনে সালামের জবাব দিতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৩১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۳۱۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إِسْرَائِیلَ ، عَنْ أَبِی الْہَیْثُمِ ، قَالَ : سَلَّمْتُ عَلَی إِبْرَاہِیمَ وَالإِمَامُ یَخْطُبُ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ فَلَمْ یَرُدَّ عَلَیَّ ، وَقَالَ حِینَ صَلَّی : إِنَّ الْکَلاَمَ یُکْرَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5311) হজরত আবুল আল- হাইথাম বলেন , আমি শুক্রবারের খুতবার সময় হজরত ইব্রাহীম (আ.)-কে সালাম দিলাম , তাই তিনি আমার সালামের জবাব দিলেন না এবং সালাত শেষ করার পর তিনি বললেন , এ উপলক্ষে কথা বলা জঘন্য।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৩১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۳۱۲) حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَہَّابِ الثَّقَفِیُّ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ؛ أَنَّ أَمِیرًا بِالْبَحْرَیْنِ أشْتَکَی ، فَأَمَرَ رَجُلاً فَصَلَّی بِالنَّاسِ ، فَلَمْ یَخْطُبْ فَصَلَّی أَرْبَعًا ، قَالَ مُحَمَّدٌ : فَأَصَابَ السُّنَّۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5312 ) হজরত আইয়ুব বলেন , একবার বাহরাইনের আমির অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি এক ব্যক্তিকে লোকদের জুমার নামাজের ইমামতি করার নির্দেশ দেন । তিনি খুতবা দেননি এবং চার রাকাত নামাজ পড়েন । হজরত মুহাম্মদ যখন এ বিষয়ে জানতে পারলেন , তিনি বললেন যে তিনি সুন্নাহ অনুসরণ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৩১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۳۱۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ؛ مِثْلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5313 ) এছাড়াও হযরত ইবনে সীরীন থেকে এটা হস্তান্তরযোগ্য নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৩১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۳۱۴) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ، عَنْ سَعِیدٍ، عَنْ أَبِی مَعْشَرٍ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ، قَالَ: إذَا لَمْ یَخْطُبِ الإِمَامُ صَلَّی أَرْبَعًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5314) হজরত ইব্রাহীম বলেন , ইমাম জুমার দিন খুতবা না দিলে চার রাকাত নামাজ পড়তে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৩১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۳۱۵) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : الإِمَامُ إِذَا لَمْ یَخْطُبْ صَلَّی أَرْبَعًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5315) হযরত হাসান বলেন, ইমাম জুমার খুতবা না দিলে চার রাকাত নামাজ পড়তে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৩১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۳۱۶) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ أَبِی بُکَیْرٍ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا إِبْرَاہِیمُ بْنُ نَافِعٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ ابْنَ طَاوُوس یَذْکُرُ ذَلِکَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : مَنْ خَطَبَ فَلْیُصَلِّ رَکْعَتَیْنِ ، وَمَنْ لَمْ یَخْطُبْ فَلْیُصَلِّ أَرْبَعًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5316) হযরত তাওয়াস বলেন , ইমাম শুক্রবারে খুতবা দিলে দুই রাকাত ইমামতি করতে হবে এবং খুতবা না দিলে চার রাকাত ইমামতি করতে হবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৩১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۳۱۷) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، قَالَ : کَانَ یُصَلِّی أَرْبَعًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5317 ) হযরত জেহরি খুতবা না দিলেও চার রাকাত পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৩১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۳۱۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ الزُّبَیْرِ بْنِ عَدِیٍّ ، عَنِ الضَّحَّاکِ ، قَالَ : یُصَلِّی أَرْبَعًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5318 ) হযরত যাহাক খুতবা না দিলেও চার রাকাত পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৩১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۳۱۹) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ بُرْدٍ ، عَنْ مَکْحُولٍ ؛ أَنَّہُ انْطَلَقَ حَاجًّا ، فَقَدِمَ تَبُوکَ فِی یَوْمَ الْجُمُعَۃِ ، فَصَلَّی إِمَامُہُمْ رَکْعَتَیْنِ ، وَلَمْ یَخْطُبْ ، فَقَالَ مَکْحُولٌ : قَاتَلَ اللَّہُ ہَذَا الَّذِی نَقَصَ صَلاَۃَ الْقَوْمِ ، وَلَمْ یَخْطُبْ ، وَإِنَّمَا قُصِّرَتْ صَلاَۃُ الْجُمُعَۃِ مِنْ أَجْلِ الْخُطْبَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5319) হযরত বারদ বলেন , হজরত মাখুল হজের নিয়তে রওয়ানা হন, যখন তিনি তাবুকে পৌঁছান, তখন শুক্রবার ছিল । তাদের ইমাম দুই রাকাত নামাজ পড়েন এবং খুতবা দেননি । হজরত মাখুল বলেন , আল্লাহ তাকে হত্যা করলে তিনি মানুষের নামাজ কমিয়ে দেন এবং খুতবা দেননি । খুতবার কারণে জুমার নামাজ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৩১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۳۲۰) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ ، عَنْ کَہْمَسٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مُسْلِمِ بْنِ یَسَارٍ ، عَنْ أَبِیہِ ؛ أَنَّہُ کَانَ إِذَا خَطَبَ الإِمَامُ ، لَمْ یُسَبِّحْ وَلَمْ یَدْعُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5320) হজরত মুসলিম ইবনে ইয়াসারের অভ্যাস ছিল যে, খুতবার সময় তিনি তসবিহ বলতেন না , দোয়াও করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৩২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۳۲۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ، عَنْ حُصَیْنٍ، عَنْ مَیْمُونٍ؛ أَنَّہُ کَرِہَ الْکَلاَمَ وَالإِمَام یَخْطُبُ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ، وَقَالَ: یَذْکُرُ اللَّہَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫৩২১) হযরত মায়মুন জুমার খুতবার সময় কথা বলাকে জঘন্য মনে করেছেন , তিনি বলেন , আদম (আঃ) আল্লাহর জিকির করবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৩২১]