
(۳۷۲۶۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی الزُّبَیْرِ ، عَنْ أَبِی الطُّفَیْلِ ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ جَمَعَ بَیْنَ الظُّہْرِ وَالْعَصْرِ ، وَالْمَغْرِبِ وَالْعِشَائِ فِی السَّفَرِ ، فِی غَزْوَۃِ تَبُوکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৭২৬২) হজরত মুআয ইবনে জাবাল (রা. ) থেকে বর্ণিত যে, নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাবুক অভিযানের সময় যোহর ও আসর , মাগরিব ও এশা আদায় করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۶۳) حَدَّثَنَا ابْنُ مُسْہِرٍ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : جَمَعَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی غَزْوَۃِ تَبُوکَ بَیْنَ الظُّہْرِ وَالْعَصْرِ ، وَبَیْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(37263) হজরত জাবির ( রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) যোহর ও আসর , মাগরিব ও এশায় গাযওয়া তাবুক সমবেত করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۶۴) حَدَّثَنَا یَزِیدُ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ أَنَسٍ ، قَالَ : کُنَّا نُسَافِرُ مَعَ أَنَسٍ إِلَی مَکَّۃَ ، فَکَانَ إِذَا زَالَتِ الشَّمْسُ ، وَہُوَ فِی مَنْزِلٍ ، لَمْ یَرْکَبْ حَتَّی یُصَلِّیَ الظُّہْرَ ، فَإِذَا رَاحَ ، فَحَضَرَتِ الْعَصْرُ صَلَّی الْعَصْرَ ، فَإِنْ سَارَ مِنْ مَنْزِلِہِ قَبْلَ أَنْ تَزُولَ الشَّمْسُ فَحَضَرَتِ الصَّلاَۃُ ، قُلْنَا : الصَّلاَۃَ ، فَیَقُولُ: سِیرُوا ، حَتَّی إِذَا کَانَ بَیْنَ الصَّلاَتَیْنِ نَزَلَ ، فَجَمَعَ بَیْنَ الظُّہْرِ وَالْعَصْرِ ، ثُمَّ قَالَ : رَأَیْتُ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إِذَا وَصَلَ ضَحْوَتہُ بِرَوْحَتِہِ صَنَعَ ہَکَذَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৭২৬৪) হজরত হাফস ইবনে উবায়দুল্লাহ ইবনে আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন , আমরা হজরত আনাস ( রা.)-এর সাথে মক্কার দিকে যাত্রা করতাম , তারপর যখন সূর্য অস্ত যেত এবং হজরত আনাস কোন গন্তব্যে অবস্থান করতেন , তাই আপনি সওয়ার হতেন না যোহরের নামায পড়ার পূর্বে এবং সন্ধ্যায় যখন বাইক চালাতেন এবং আসরের সময় হয় তখন আছর পড়তেন , কিন্তু যদি সূর্যাস্তের পূর্বে গন্তব্যস্থল থেকে বের হয়ে যান এবং নামাযের সময় হয়ে যেত , প্রার্থনা? তাই তিনি বলতেন: হাঁটতে থাক, যে পর্যন্ত না দুই সালাতের মাঝখানে থাকত, তিনি ঘোড়া থেকে নেমে যোহর ও আসর আদায় করতেন , অতঃপর বলতেন : আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রেরণ করেছি । রাসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন , তিনি যখন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত একটানা সফর করতেন, তখন তিনি তা করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۶۵) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَیْبٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ جَدِّہِ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ جَمَعَ بَیْنَ الصَّلاَتَیْنِ فِی غَزْوَۃِ بَنِی الْمُصْطَلِقِ۔ - وذُکِرَ أَنَّ أَبَا حَنِیفَۃَ قَالَ : لاَ یُجْزِئْہُ أَنْ یَفْعَلَ ذَلِک۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৭২৬৫) হযরত আমর বিন শুয়াইবের পিতামহ থেকে বর্ণিত আছে যে , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গাযওয়াহ বিনি আল - মুসতালিক - এ দুটি নামায একত্রিত করেছেন । আর (ইমাম) আবু হানিফা (রহ.) - এর উক্তিটি উল্লেখ করা হয়েছে যে , যে ব্যক্তি এ কাজ করবে তার জন্য এ আমল যথেষ্ট নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۶۶) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : أَصَابَ عُمَرُ أَرْضًا بِخَیْبَرَ ، فَأَتَی النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَسَأَلَہُ عَنْہَا ، فَقَالَ : أَصَبْتُ أَرْضًا بِخَیْبَرَ لَمْ أُصِبْ مَالاً قَطُّ عِنْدِی أَنْفَسَ مِنْہُ ، فَمَا تَأْمُرُنَا ؟ قَالَ : إِنْ شِئْتَ حَبَّسْتَ أَصْلَہَا ، وَتَصَدَّقْت بِہَا ، قَالَ : فَتَصَدَّقَ بِہَا عُمَرُ ، غَیْرَ أَنَّہُ لاَ یُبَاعُ أَصْلُہَا ، وَلاَ یُوہَبُ، وَلاَ یُورَثُ، فَتَصَدَّقَ بِہَا فِی الْفُقَرَائِ ، وَالْقُرْبَی ، وَفِی الرِّقَابِ ، وَفِی سَبِیلِ اللہِ ، وَابْنِ السَّبِیلِ، وَالضَّیْفِ ، لاَ جُنَاحَ عَلَی مَنْ وَلِیَہَا أَنْ یَأْکُلَ مِنْہَا بِالْمَعْرُوفِ ، أَوْ یُطْعِمَ صَدِیقًا غَیْرَ مُتَمَوِّلٍ فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৭২৬৬ ) হজরত ইবনে ওমর ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , হজরত উমর ( রা . ) খায়বারে এক খণ্ড জমি পেয়েছিলেন , তখন তিনি রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - এর খেদমতে এসে তাঁকে ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) জিজ্ঞেস করলেন জমি , এবং বললেন যে আমি এই জমি খাইবারে পেয়েছি , আমার মনে হয় এর চেয়ে ভাল সম্পত্তি আমি আর কখনও পাইনি । আপনি আমাকে কি আদেশ করবেন ? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি চাইলে তার চোখ বন্ধ করে দাও এবং তা সদকা করে দাও । বর্ণনাকারী বলেন , হযরত ওমর (রা. ) তাকে দান করেন । নাও পার্থক্য শুধু এই যে তার চোখ বিক্রি বা উপহার দেওয়া হয়নি আর তার কোন উত্তরাধিকার ছিল না , তাই হজরত ওমর আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য গরীব , আত্মীয়স্বজন , দাস- দাসীর স্বাধীনতা , মুসাফির ও মেহমানদের দান-খয়রাত করতেন , যে ব্যক্তি ওয়াকফের রক্ষক হলে তার খাওয়াতে কোনো অসুবিধা নেই । নিজে বা তার গরীব বন্ধুকে ওয়াকফ দিয়ে খাওয়ান ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۶۷) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ ابْنِ طَاوُوسٍ ، عَنْ أَبِیہِ ؛ أَلَمْ تَرَ أَنَّ حُجْرًا الْمَدَرِیَّ أَخْبَرَنِی ، أَنَّ فِی صَدَقَۃِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : یَأْکُلُ مِنْہَا أَہْلُہَا بِالْمَعْرُوفِ غَیْرِ الْمُنْکَرِ۔ - وذُکِرَ أنَّ أَبَا حَنِیفَۃَ قَالَ : یَجُوزُ لِلوَرَثَۃِ أَنْ یَرُدُّوا ذلِک۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৭২৬৭) হজরত ইবনে তাউস তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে , হাজর মাদ্রী আমাকে জানিয়েছিলেন যে , আপনি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর পরিবারবর্গ যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই উত্তমরূপে খেতেন . আর (ইমাম) আবু হানীফা (রহ. ) - এর উক্তি উল্লেখ করা হয়েছে যে , ওয়াকফ ও উপসালির অধিকার ওয়ারিশদের রয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۶۸) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، عَنْ عُمَرَ ، قَالَ : نَذَرْتُ نَذْرًا فِی الْجَاہِلِیَّۃِ ، فَسَأَلْتُ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بَعْدَ مَا أَسْلَمْتُ ، فَأَمَرَنِی أَنْ أَفِیَ بِنَذْرِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৭২৬৮ ) হযরত ওমর ( রাঃ ) বলতেন যে , আমি জাহিলিয়াতের মানত নিয়েছিলাম , তাই আমি আপনার ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কাছ থেকে ইসলাম গ্রহণ করেছি তিনি ) আমাকে আমার মানত পূরণের নির্দেশ দিয়েছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۶۹) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ طَاوُوسٍ ؛ فِی رَجُلٍ نَذَرَ فِی الْجَاہِلِیَّۃِ ، ثُمَّ أَسْلَمَ ، قَالَ : یَفِی بِنَذْرِہِ۔ - وذُکِرَ أنَّ أَبَا حَنِیفَۃَ قَالَ : یَسْقُطُ الْیَمِینُ إِذَا أَسْلَمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৭২৬৯ ) হযরত তাউস ( রাঃ ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে , জাহেলিয়াতের মানত গ্রহণের পর ইসলাম গ্রহণকারী এই ব্যক্তি তার মানত পূরণ করবে । আর ( ইমাম) আবু হানিফার উক্তিটি উল্লেখ করা হয়েছে যে : যখন ইসলাম আনা হয়েছিল , তখন শপথ ভঙ্গ করা হয়েছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۷۰) حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَیْجٍ ، عَنْ سُلَیْمَانَ بْنِ مُوسَی ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ عُرْوَۃَ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، قَالَتْ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَیُّمَا امْرَأَۃٍ لَمْ یُنْکِحْہَا الْوَلِیُّ ، أَوِ الْوُلاَۃُ فَنِکَاحُہَا بَاطِلٌ، قَالَہَا ثَلاَثًا، فَإِنْ أَصَابَہَا فَلَہَا مَہْرُہَا بِمَا أَصَابَ مِنْہَا، فَإِنْ تَشَاجَرُوا فَإِنَّ السُّلْطَانَ وَلِیُّ مَنْ لاَ وَلِیَّ لَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৭২৭০ ) হজরত আয়েশা ( রাঃ ) বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন মহিলাকে বিয়ে করে , কেউ হালাল নয় এবং যদি তা না হয় তবে এই মহিলার বিয়ে বাতিল । একথা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বহুবার বলেছেন , নারী তার কাছ থেকে মোহরানা পাবে , তাই লোকে ঝগড়া করলে যে রাজার অভিভাবক নেই সে অভিভাবক হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۷۱) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِی بُرْدَۃَ ، قَالَ : قَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ نِکَاحَ إِلاَّ بِوَلِیٍّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৭২৭১) হজরত আবু বুরদা ( রা ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : অভিভাবক ছাড়া কোনো বিয়ে হয় না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۷۲) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ إِسْرَائِیلَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِی بُرْدَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ نِکَاحَ إِلاَّ بِوَلِیٍّ۔ - وَذُکِرَ أَنَّ أَبَا حَنِیفَۃَ کَانَ یَقُولُ : جَائِزٌ إِذًَا کَانَ الزَّوْجُ کُفْأً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৭২৭২) হজরত আবু বুরদা (রা ) তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন : অভিভাবক ছাড়া বিয়ে হয় না । আর (ইমাম) আবু হানীফা ( রহ .)- এর উক্তিটি উল্লেখ করা হয়েছে যে : স্বামী যদি কাফু (হুম পুলা) হয় , তবে এই বিবাহ জায়েজ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۷۳) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ؛ أَنَّ سَعْدَ بْنَ عُبَادَۃَ اسْتَفْتَی النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی نَذْرٍ کَانَ عَلَی أُمِّہِ ، وَتُوُفِّیَتْ قَبْلَ أَنْ تَقْضِیَہُ ، فَقَالَ : اقْضِہِ عَنْہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৭২৭৩) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, সাদ ইবনে উবাদা ( রা . ) তাঁকে তাঁর মায়ের মান্নত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন এবং তিনি তা পূরণ করার আগেই মৃত্যুবরণ করেন , ফলে তিনি ( সা . ) ) বললেন : আপনি তাদের এই মানত দিয়েছেন । দ্বারা সম্পন্ন .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۷۴) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَطَائٍ ، عَنِ ابْنِ بُرَیْدَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : کُنْتُ جَالِسًا عِنْدَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إِذْ جَائَتْہُ امْرَأَۃٌ، فَقَالَتْ: إِنَّہُ کَانَ عَلَی أُمِّی صَوْمُ شَہْرَیْنِ، أَفَأَصُومُ عَنْہَا؟ قَالَ: صُومِی عَنْہَا ، أَرَأَیْتِ لَوْ کَانَ عَلَی أُمِّکَ دَیْنٌ قَضَیْتِیہِ ، أَکَانَ یُجْزِئُ عَنْہَا ؟ قَالَتْ : بَلَی ، قَالَ : فَصُومِی عَنْہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৭২৭৪ ) হজরত ইবনে বারিদাহ তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে , আমি তাঁর ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) সামনে বসে ছিলাম এবং মহিলাটি উপস্থিত হয়ে বললেন । মরিয়মের মায়ের উপর দুই মাস রোজা রাখা (প্রয়োজনীয়) ছিল । আমি কি তাদের পক্ষ থেকে এই রোজা রাখতে পারব ? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তাদের পক্ষ থেকে রোযা রাখ । তাহলে আমাকে বলুন, যদি আপনার মায়ের ঋণ থাকে এবং আপনি তা পরিশোধ করেন তাহলে আপনি কী করবেন এই যথেষ্ট হবে ? তিনি বললেনঃ কেন নয় ? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তাহলে তুমি তাদের পক্ষ থেকে রোযা রাখ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۷۵) حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ کُرَیْبٍ ، عَنْ کُرَیْبٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، عَنْ سِنَانِ بْنِ عَبْدِ اللہِ الْجُہَنِیِّ ، أَنَّہُ حَدَّثَتْہُ عَمَّتُہُ ؛ أَنَّہَا أَتَتِ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَتْ : یَا رَسُولَ اللہِ ، تُوُفِّیَتْ أُمِّی وَعَلَیْہَا مَشْیٌ إِلَی الْکَعْبَۃِ نَذْرًا ، فَقَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَتَسْتَطِیعِینَ تَمْشِینَ عَنْہَا ؟ قَالَتْ : نَعَمْ ، قَالَ : فَامْشِی عَنْ أُمِّکِ ، قَالَتْ : أَوَ یُجْزِئُ ذَلِکَ عَنْہَا ؟ قَالَ : نَعَمْ ، قَالَ : أَرَأَیْتِ لَوْ کَانَ عَلَیْہَا دَیْنٌ قَضَیْتِیہِ ، ہَلْ کَانَ یُقْبَلُ مِنْہا ؟ قَالَتْ : نَعَمْ ، فَقَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : اللہ أَحَقَّ۔ - وذُکِرَ أَنَّ أَبَا حَنِیفَۃَ قَالَ : لاَ یُجْزِئُ ذَلِک۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৭২৭৫) হজরত সিনান ইবনে আবদুল্লাহ জাহানীব বলেন , তাকে তার পিতামহ বলেছেন যে , তিনি নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর কাছে উপস্থিত ছিলেন এবং তিনি বললেন : হে আল্লাহর রাসূল ! মরিয়মের মা এমন অবস্থায় মারা যান যে তাকে জন্ম দেওয়ার জন্য মক্কায় আসার মানত করতে হয়েছিল । তিনি ( রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) বললেনঃ তুমি কি তার পক্ষ থেকে মক্কায় আসতে পারবে ? সে হ্যাঁ বলেছে ! তিনি (রাসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তাহলে তুমি তাদের দিক থেকে মক্কায় আসো । সায়লা জিজ্ঞেস করল: কেন ? এটা তাদের জন্য যথেষ্ট হবে , তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ হ্যাঁ ! এবং বললেনঃ আমাকে বলুন যদি আপনার মায়ের ঋণ থাকে এবং আপনি তা পরিশোধ করেন । এটা কি তোমার মা মেনে নিতেন ? তিনি জমা দিয়েছেন . হ্যাঁ ! তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ আল্লাহর হক আছে । ( তার হক আদায় করা হবে ) । আর ( ইমাম ) আবু হানিফার উক্তিটি উল্লেখ করা হয়েছে যে : এটি মৃতদের জন্য যথেষ্ট হবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۷۶) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، وَزَیْدِ بْنِ خَالِدٍ ، وَشِبْلٍ ؛ أَنَّہُمْ کَانُوا عِنْدَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَامَ رَجُلٌ ، فَقَالَ : أَنْشُدُک اللَّہَ إِلاَ قَضَیْتَ بَیْنَنَا بِکِتَابِ اللہِ ، فَقَالَ خَصْمُہُ ، وَکَانَ أَفْقَہَ مِنْہُ : اقْضِ بَیْنَنَا بِکِتَابِ اللہِ ، وَأْذَنْ لِی حَتَّی أَقُولَ ، قَالَ : قُلْ ، قَالَ : إِنَّ ابْنِی کَانَ عَسِیفًا عَلَی ہَذَا ، وَإِنَّہُ زَنَی بِامْرَأَتِہِ ، فَافْتَدَیْتُ مِنْہُ بِمِئَۃِ شَاۃٍ وَخَادِمٍ ، فَسَأَلْتُ رِجَالاً مِنْ أَہْلِ الْعِلْمِ ، فَأُخْبِرْتُ أَنَّ عَلَی ابْنِی جَلْدَ مِئَۃٍ وَتَغْرِیبَ عَامٍ ، وَأَنَّ عَلَی امْرَأَۃِ ہَذَا الرَّجْمَ ، فَقَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : وَالَّذِی نَفْسِی بِیَدِہِ ، لأَقْضِیَنَّ بَیْنَکُمَا بِکِتَابِ اللہِ : الْمِئَۃُ شَاۃٍ وَالْخَادِمُ رَدٌّ عَلَیْک ، وَعَلَی ابْنِکَ جَلْدُ مِئَۃٍ وَتَغْرِیبُ عَامٍ ، وَاغْدُ یَا أُنَیْسُ عَلَی امْرَأَۃِ ہَذَا ، فَإِنَ اعْتَرَفَتْ فَارْجُمْہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৭২৭৬ ) হজরত আবু হুরায়রা , যায়েদ বিন খালিদ ও শিবুল রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে , এরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর খেদমতে উপস্থিত ছিলেন । এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললঃ আমি আপনাকে আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি যে , আপনি আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী আমাদের মধ্যে ফয়সালা করবেন । (এত বেশি ) এই লোকটির প্রতিপক্ষ বলল : আর তাকে আগের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান মনে হচ্ছিল । আপনি আল্লাহর কিতাবের মাধ্যমে আমাদেরকে বরকত দান করেছেন এবং আমাকে কথা বলার অনুমতি দিন . আপনি বলেছেন : কথা বল ! লোকটি বললঃ মিরাই কিতাকে তার নিযুক্ত করা হয়েছিল এবং তিনি এটা করেছেন সে তার স্ত্রীর সাথে ব্যভিচার করেছে তাই আমি তার মুক্তিপণ হিসাবে তাকে একশত ছাগল এবং একটি চাকর দিয়েছিলাম অতঃপর আমি জ্ঞানীদের কাছে জানতে চাইলাম এবং তারা আমাকে বলল যে আমার ছেলেকে একশত বেত্রাঘাত এবং এক বছরের জন্য নির্বাসিত করা হবে এবং তার স্ত্রীকে পাথর মারার আদেশ রয়েছে । নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এই ব্যক্তির কসম ! যার অধিকার মেরি জন . আমি অবশ্যই আল্লাহর কিতাব দ্বারা তোমাদের মধ্যে বিচার করব একশত ছাগল ও চাকর তোমার কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হবে এবং তোমার ছেলেকে একশত বেত্রাঘাত ও এক বছরের নির্বাসনের শাস্তি দেওয়া হবে । এবং ( বললেন ) হে তারা ! আপনি তার স্ত্রীর কাছে যান , তারপর যদি সে স্বীকার করে তবে আপনি তাকে পাথর মারবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۷۷) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ بْنُ سَوَّارٍ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، عَنْ حِطَّانَ بْنِ عَبْدِ اللہِ ، عَنْ عُبَادَۃَ بْنِ الصَّامِتِ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : خُذُوا عَنِّی ، قَدْ جَعَلَ اللَّہُ لَہُنَّ سَبِیلاً : الْبِکْرُ بِالْبِکْرِ ، وَالثَّیِّبُ بِالثَّیِّبِ ، الْبِکْرُ یُجْلَدُ وَیُنْفَی ، وَالثَّیِّبُ یُجْلَدُ وَیُرْجَمُ۔ - وذُکِرَ أنَّ أبَا حَنِیفَۃَ قَالَ : لاَ یُنْفَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৭২৭৭ ) হজরত উবাদা বিন সামিত বর্ণনা করেন যে , নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ আমার কাছ থেকে ( এই আদেশ ) গ্রহণ কর যদি কোন অবিবাহিত নারী কোন অবিবাহিত পুরুষের সাথে ব্যভিচার করে এবং কোন বিবাহিত পুরুষ কোন বিবাহিত নারীর সাথে ব্যভিচার করে , তাহলে কুমারীর (অবিবাহিত) শাস্তি বেত্রাঘাত ও নির্বাসন এবং বিবাহিতদের শাস্তি হবে বেত্রাঘাত ও পাথর মারা দেওয়া আর ( ইমাম ) আবু হানিফার উক্তিটি উল্লেখ করা হয়েছে যে : তাকে নির্বাসিত করা হবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۷۸) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ أُمِّ قَیْسٍ ابْنَۃِ مِحْصَنٍ ، قَالَتْ : دَخَلْتُ بِابْنٍ لِی عَلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ لَمْ یَأْکُلَ الطَّعَامَ ، فَبَالَ عَلَیْہِ ، فَدَعَا بِمَائٍ فَرَشَّہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 37278 ) হযরত মহসিনের বিটিএম কিসবি ইন কীর্তি হাই । আমি আমার শিশুকে নিয়ে আপনার ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) খেদমত করতে এসেছি যে খাচ্ছিল না । তাই তিনি পানি ডেকে প্রস্রাবের উপর ছিটিয়ে দিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۷۹) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ سِمَاکٍ ، عَنْ قَابُوسَ بْنِ الْمُخَارِقِ ، عَنْ لُبَابَۃَ ابِنْۃِ الْحَارِثِ ، قَالَتْ : بَالَ الْحُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ عَلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقُلْتُ : أَعْطِنِی ثَوْبَک وَالْبَسْ غَیْرَہُ ، فَقَالَ : إِنَّمَا یُنْضَحُ مِنْ بَوْلِ الذَّکَرِ ، وَیُغْسَلُ مِنْ بَوْلِ الأُنْثَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 37279 ) হযরত লাবাবা বিনতে আল - হারিস বি . বলেন , হুসাইন বিন আলী রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অভিশাপ দিয়েছিলেন , তাই আমি বললাম : হ্যাঁ । আমাকে এই কাপড়গুলো দাও ( যাতে আমি এগুলো ধুতে পারি ) তুমি অন্য কিছু পরেছ । আপনি বলেছেনঃ এখানে শিশুর প্রস্রাব ছিটিয়ে দেয়া হয় এবং মেয়েটির প্রস্রাব ধুয়ে ফেলা হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۸۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَائِشَۃَ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أُتِیَ بِصَبِیٍّ فَبَالَ عَلَیْہِ، فَأَتْبَعَہُ الْمَائَ وَلَمْ یَغْسِلْہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৭২৮০) হজরত আয়েশা ( রা . ) থেকে বর্ণিত আছে যে , এক শিশুকে মহানবী ( সা . ) - এর খেদমতে আনা হলো । সে তোমাকে অভিশাপ দিয়েছে . অতঃপর আপনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাতে পানি ঢাললেন এবং ধৌত করলেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۸۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی، عَنْ عِیسَی، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنْ جَدِّہِ أَبِی لَیْلَی، قَالَ: کُنَّا عِنْدَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ جُلُوسًا ، فَجَائَ الْحُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ یَحْبُو حَتَّی جَلَسَ عَلَی صَدْرِہِ، فَبَالَ عَلَیْہِ ، قَالَ : فَابْتَدَرْنَاہُ لِنَأْخُذَہُ ، فَقَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : ابْنِی ابْنِی ، ثُمَّ دَعَا بِمَائٍ ، فَصَبَّہُ عَلَیْہِ۔ - وذُکِرَ أَنَّ أَبَا حَنِیفَۃَ قَالَ : یُغْسَلُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৭২৮১) হজরত আবুল লায়লা ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, আমরা রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর কাছে বসা ছিলাম , তখন হজরত হোসাইন বিন আলী ( রা . ) হেঁটে আমাদের কাছে এলেন ) পবিত্রতম মেঝেতে বসে তাঁর ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) উপর প্রস্রাব করলেন । বর্ণনাকারী বলেন , আমরা দ্রুত এগিয়ে গিয়ে হজরত হোসাইনকে ধরতে চাইলাম , তখন তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ আমার কন্যা ! আমার রাবিটা ! তারপর তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) পানি ডেকে তার উপর ঢেলে দিলেন । আর ( ইমাম ) আবু হানিফার উক্তিটি উল্লেখ করা হয়েছে : তাকে ধৌত করা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۸۲) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، سَمِعَ سَہْلُ بْنُ سَعْدٍ ؛ شَہِدَ الْمُتَلاعَنْیْن عَلَی عَہْدِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَرَّقَ بَیْنَہُمَا ، قَالَ : یَا رَسُولَ اللہِ ، کَذَبْتُ عَلَیْہَا إِنْ أَنَا أَمْسَکْتُہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৭২৮২) হজরত জাহরি (রা. ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি সাহল ইবনে সাদকে বলতে শুনেছেন যে, তিনি তাদের স্ত্রী ছিলেন , যারা হুজুর ( সা . ) - এর যুগে আমাকে অভিশাপ দিয়েছিল কিন্তু তাদের মধ্যে ( পরে ) উপস্থিত ছিল বিচ্ছিন্ন স্বামী বললঃ হে আল্লাহর রাসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) যদি আমি আমার স্ত্রীকে আমার কাছে রাখি , তাহলে ( যেন ) আমি তার সাথে মিথ্যা বলেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۸۳) حَدَّثَنَا یَزِیدُ ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ مَنْصُورٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : فَرَّقَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بَیْنَہُمَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(37283) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) বলেন যে , মহানবী ( সা . ) তাদের মধ্যে পার্থক্য করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۸۴) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، وَأَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : لاَعَنَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بَیْنَ رَجُلٍ مِنَ الأَنْصَارِ وَامْرَأَتِہِ ، فَفَرَّقَ بَیْنَہُمَا۔ (بخاری ۵۳۱۴۔ مسلم ۱۱۳۳)
থেকে বর্ণিতঃ
( 37284 ) হজরত ইবনে ওমর ( রা . ) থেকে বর্ণিত আছে যে , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) একজন আনসার ব্যক্তি এবং তার স্ত্রীর মধ্যে একটি পার্থক্য স্থাপন করেছিলেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۸۵) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَرَّقَ بَیْنَہُمَا۔ (مسلم ۱۱۳۰۔ دارمی ۲۲۳۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(37285) হজরত ইবনে ওমর ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) অভিসম্পাতকারী নারী ও তাদের স্ত্রীদের মধ্যে পার্থক্য করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۸۶) حَدَّثَنَا سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ عَمْرٍو ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَرَّقَ بَیْنَ الْمُتَلاعَنْیْن ، فَقَالَ : یَا رَسُولَ اللہِ ، مَالِی ، فَقَالَ : لاَ مَالَ لَک ، إِنْ کُنْتَ صَادِقًا فَبِمَا اسْتَحْلَلْتَ مِنْ فَرْجِہَا ، وَإِنْ کُنْت کَاذِبًا فَذَاکَ أَبْعَدُ لَک مِنْہَا۔ - وذُکِرَ أنَّ أبَا حَنِیفَۃَ قَالَ : یَتَزَوَّجَہَا إِذَا أَکْذَّبَ نَفْسَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(37286) হজরত ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত যে , নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উভয় অভিশাপদাতাকে পৃথক করে দিলেন এবং স্বামী বললেন, হে আল্লাহর রাসূল ! আমার সম্পদ ? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তোমার কোন সম্পদ নেই । (কারণ ) তুমি যদি সত্য হও , তবে তার কিফরজ কার জন্য হালাল মনে করেছিলে ? ( অবশ্যই, আপনি সম্পদের পরিবর্তে সম্পদ নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছেন ) এবং আপনি যদি মিথ্যাবাদী হন তবে আপনি প্রথমে সম্পদ পাবেন না । আর (ইমাম) আবু হানিফার উক্তিটি উল্লেখ করা হয়েছে যে : স্বামী যখন তার তাকজিব অস্বীকার করে , তখন সে মহিলাকে বিয়ে করতে পারে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۸۷) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، قَالَ : سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِکٍ ، یَقُولُ : سَقَطَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عَنْ فَرَسٍ فَجُحِشَ شِقُّہُ الأَیْمَنُ ، فَدَخَلْنَا عَلَیْہِ نَعُودُہُ ، فَحَضَرَتِ الصَّلاَۃُ ، فَصَلَّی بِنَا قَاعِدًا ، فَصَلَّیْنَا وَرَائَہُ قُعُودًا ، فَلَمَّا قَضَی الصَّلاَۃَ ، قَالَ : إِنَّمَا جُعِلَ الإِمَامُ لِیُؤْتَمَّ بِہِ ، فَإِذَا کَبَّرَ فَکَبِّرُوا ، وَإِذَا رَکَعَ فَارْکَعُوا ، وَإِذَا سَجَدَ فَاسْجُدُوا ، وَإِذَا رَفَعَ فَارْفَعُوا ، وَإِذَا قَالَ : سَمِعَ اللَّہُ لِمَنْ حَمِدَہُ ، فَقُولُوا : اللَّہُمَّ رَبَّنَا وَلَک الْحَمْدُ ، وَإِنْ صَلَّی قَاعِدًا فَصَلُّوا قُعُودًا أَجْمَعُونَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(37287) হজরত জাহরি থেকে বর্ণিত যে, আমি আনাস ইবনে মালিককে বলতে শুনেছি যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তার ঘোড়া থেকে পড়ে গেলেন এবং তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমি ধাত্রীর দিকে টেনে নিলাম । আমরা আপনার কাছে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছি , যখন নামাযের সময় হয়ে গেল , তখন আপনি ( রাসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বসে বসে সালাত আদায় করলেন এবং আমরা সালাত আদায় করলাম ) বসে নামাজ পড়লেন . অতঃপর নামায শেষ হলে তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেন । ইমাম নিয়োগ করা হয় যাতে তাকে অনুসরণ করা হয় তাই ইমাম যখন তাকবীর বলেন , তখন আপনি তাকবীর বলেন । আর যখন সে রুকু করবে, তোমরাও রুকু করবে। আর যখন ইমাম সিজদা করে তখন তোমরা সেজদা কর। আর ইমাম যখন মাথা তুলবেন তখন আপনি মাথা তুলবেন। এবং যখন ইমাম বলেন, সামি আল্লাহ, যাঁর প্রশংসা হোক, তখন আপনি বলবেন, হে আল্লাহ, আমাদের পালনকর্তা, এবং প্রশংসা তোমারই হোক। আর যদি ইমাম বসে নামায পড়েন তবে তোমরা সবাই বসে সালাত আদায় করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۸۸) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، قَالَتْ : اشْتَکَی النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَدَخَلَ عَلَیْہِ نَاسٌ مِنْ أَصْحَابِہِ یَعُودُونَہُ ، فَصَلَّی النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ جَالِسًا ، فَصَلُّوا بِصَلاَتِہِ قِیَامًا ، فَأَشَارَ إِلَیْہِمْ أَنَ اجْلِسُوا ، فَجَلَسُوا ، فَلَمَّا انْصَرَفَ ، قَالَ : إِنَّمَا جُعِلَ الإِمَامُ لِیُؤْتَمَّ بِہِ ، فَإِذَا رَکَعَ فَارْکَعُوا ، وَإِذَا رَفَعَ فَارْفَعُوا ، وَإِذَا صَلَّی جَالِسًا فَصَلُّوا جُلُوسًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৭২৮৮ ) হজরত আয়েশা ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) অসুস্থ হয়ে পড়লে আমার সাহাবীদের মধ্য থেকে কিছু লোক নামায পড়তে আসেন । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বসে সালাত আদায় করলেন এবং লোকেরা তাঁর ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) সামনে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করলো । তখন তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাদেরকে বসতে ইশারা করলেন । তাই ওই মানুষগুলো থেমে গেল । অতঃপর যখন তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) নামায শেষ করলেন, তখন তিনি বললেনঃ ইমাম বানানো হয়েছে যাতে তাকে অনুসরণ করা হয় তাই সে যখন রুকু কর, তোমরাও রুকু কর । আর যখন সে মাথা তুলবে, তখন তুমিও মাথা তুলবে । আর যখন সে বসে সালাত আদায় করবে তখন তোমরাও বসে সালাত আদায় করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۸۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِی سُفْیَانَ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: صُرِعَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عَنْ فَرَسٍ لَہُ ، فَوَقَعَ عَلَی جِذْعٍ نَخْلَۃِ ، فَانْفَکَّتْ قَدَمُہُ ، قَالَ : فَدَخَلْنَا عَلَیْہِ نَعُودُہُ وَہُوَ یُصَلِّی فِی مَشْرُبَۃٍ لِعَائِشَۃَ جَالِسًا ، فَصَلَّیْنَا بِصَلاَتِہِ وَنَحْنُ قِیَامٌ ، ثُمَّ دَخَلْنَا عَلَیْہِ مَرَّۃً أُخْرَی وَہُوَ یُصَلِّی جَالِسًا ، فَصَلَّیْنَا بِصَلاَتِہِ وَنَحْنُ قِیَامٌ ، فَأَوْمَأَ إِلَیْنَا أَنَ اجْلِسُوا ، فَلَمَّا صَلَّی ، قَالَ : إِنَّمَا جُعِلَ الإِمَامُ لِیُؤْتَمَّ بِہِ ، فَإِذَا صَلَّی قَائِمًا فَصَلُّوا قِیَامًا ، وَإِذَا صَلَّی جَالِسًا فَصَلُّوا جُلُوسًا ، وَلاَ تَقُومُوا وَہُوَ جَالِسٌ کَمَا تَفْعَلُ أَہْلُ فَارِسَ بِعُظَمَائِہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৭২৮৯) হজরত জাবির ( রা .) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) ঘোড়া থেকে পড়ে একটি খেজুর গাছের কাণ্ডে পড়লেন এবং তাঁর পা ফুলে উঠলেন । বর্ণনাকারী বলেন , আমরা আপনার ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কাছে সালাত আদায় করার জন্য আসলাম . আমরা দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় তাঁর ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) সামনে নামায পড়লাম , অতঃপর দ্বিতীয়বার তাঁর ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) খেদমত করলাম তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন এবং তিনি ( রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) নামায পড়ছিলেন বসা আমরা তাঁর ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) সামনে দাঁড়ালাম এবং সালাত পড়তে লাগলাম , তখন তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমাদের বসতে ইশারা করলেন অতঃপর যখন তিনি (রাসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) নামায পড়া শেষ করলেন, তখন তিনি বললেনঃ ইমামকে এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে তাকে অনুসরণ করা হয় , তাই যখন তিনি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করেন , তখন তোমরাও দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করবে সে বসে নামাজ পড়ে , আপনিও বসে নামাজ পড়ুন । যখন ইমাম বসেন , তখন দাঁড়াবেন না যেমন পারস্যরা তাদের বড়দের সাথে করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۹۰) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلاَنَ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ أَسْلَمَ ، عْن أَبِی صَالِحٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إِنَّمَا جُعِلَ الإِمَامُ لِیُؤْتَمَّ بِہِ ، فَإِذَا کَبَّرَ فَکَبِّرُوا ، وَإِذَا قَرَأَ فَأَنْصِتُوا ، وَإذَا قَالَ : {غَیْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَیْہِمْ ، وَلاَ الضَّالِّینَ} فَقُولُوا : آمِینَ ، وَإِذَا رَکَعَ فَارْکَعُوا ، وَإِذَا قَالَ : سَمِعَ اللَّہُ لِمَنْ حَمِدَہُ ، فَقُولُوا : اللَّہُمَّ رَبَّنَا وَلَک الْحَمْدُ ، وَإِذَا سَجَدَ فَاسْجُدُوا ، وَإِذَا صَلَّی جَالِسًا فَصَلُّوا جُلُوسًا۔ - وذُکِرَ أَنَّ أَبَا حَنِیفَۃَ قَالَ : لاَ یَؤُمُّ الإِمَامُ وَہُوَ جَالِسٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 37290 ) হজরত আবু হারি রাহবী ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : ইমামকে এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে তার অনুসরণ করা হয় , সুতরাং সে যখন তাকবীর বলবে, তখন তোমরা তাকবীর বলবে এবং ইমাম যখন পাঠ করবে তখন তাকবীর বলবে । , তারপর আপনি চুপ থাকবেন, এবং যখন ইমাম বলেন {গায়ি রি আল -মাগুব্বি আ লা ই -হিম , ওয়াল-আদ-জালি - নি-নি }, তখন আপনি আমীন বলুন । আর যখন ইমাম রুকু করেন, তখন আপনি রুকু করেন এবং যখন ইমাম বলেন সামিআল্লাহ লিমান হামিদা, তখন আপনি বলুন। প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমাদের পালনকর্তা, এবং প্রশংসা আপনার জন্য এবং ইমাম যখন সিজদা করেন, তখন আপনি সিজদা করেন। আর যখন ইমাম বসে সালাত আদায় করেন , তখন তোমরা বসে সালাত আদায় কর । আর ( ইমাম ) আবু হানিফা ( রহ . ) - এর উক্তি উল্লেখ করা হয়েছে যে , ইমাম বসে থাকলে তার ইকতাদা বৈধ নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۲۹۱) حَدَّثَنَا عِیسَی بْنُ یُونُسَ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ سَعِیدِ بْنِ أَبِی حُسَیْنٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا ابْنُ أَبِی مُلَیْکَۃَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا عُقْبَۃُ بْنُ الْحَارِثِ ، قَالَ : تَزَوَّجْتُ ابْنَۃَ أَبِی إِہَابٍ التَّمِیمِیِّ ، فَلَمَّا کَانَتْ صَبِیحَۃَ مِلْکِہَا ، جَائَتْ مَوْلاَۃٌ لأَہْلِ مَکَّۃَ ، فَقَالَتْ : إِنِّی قَدْ أَرْضَعْتُکُمَا ، فَرَکِبَ عُقْبَۃُ إِلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِالْمَدِینَۃِ ، فَذَکَرَ لَہُ ذَلِکَ ، وَقَالَ : سَأَلْتُ أَہْلَ الْجَارِیَۃِ فَأَنْکَرُوا ، فَقَالَ : وَکَیْفَ وَقَدْ قِیلَ ؟ فَفَارَقَہَا ، وَنَکَحَتْ غَیْرَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৭২৯১ ) হজরত উকবা ইবনে হারিছ রাদিয়াল্লাহু আনহুর নির্দেশে আমি আবু আহাব তামিমিকির কন্যাকে বিয়ে করেছিলাম , যখন তার প্রস্থানের সকাল হল । আমি তোমাদের দুজনকেই বুকের দুধ খাওয়ালাম . অতঃপর হযরত উকবা ( রাঃ ) চড়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর খেদমতে আসেন এবং তাঁর কাছে তা উল্লেখ করেন এবং তিনি বলেন যে আমি মেয়েদের জিজ্ঞাসা করেছি , কিন্তু তারা অস্বীকার করেছে এটি হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন । যখন বলা হয়েছে , কে অস্বীকার করবে ? তাই আপনি তাকে তালাক দিয়েছেন এবং সে অন্য কাউকে বিয়ে করেছে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস