(৩৯) ( ৩৭৬৮৮ ) ইবনে ইসহাকের সূত্রে , ইবনে মুবারকের সূত্রে , ‘ উমর ( রা ) এর সূত্রে , তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে তিনি বলেন : لَيْسَفِيمَ دونَ خُمْسَةِ عْوساقٍ পৃ আমি [হাদিসের সীমা (৩৭২০১-৩৭৬৮৭), সর্বমোট হাদিসঃ ৪৮৭টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৪৫৭টি]



37231 OK

(৩৭২৩১)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۳۲) حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ خَالِدٍ ، عَنْ أَفْلَحَ ، عَنِ الْقَاسِمِ ، عَنْ عَائِشَۃَ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَشْعَرَ۔ وَذُکِرَ أَنَّ أَبَا حَنِیفَۃَ قَالَ : الإِشْعَارُ مُثْلَۃٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৭২৩২) হজরত আয়েশা ( রা . ) বর্ণনা করেন যে , নবী করিম ( সা . ) কবিতা পাঠ করতেন । আর ( ইমাম) আবু হানিফার উক্তিটি উল্লেখ করা হয়েছে যে : আঘাত করা একটি মাসলা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৩১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37232 OK

(৩৭২৩২)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۳۳) حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِیسَ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ ہِلاَلِ بْنِ یَِسَافٍ ، قَالَ : أَخَذَ بِیَدِی زِیادُ بْنُ أَبِی الْجَعْدِ فَأَوْقَفَنِی عَلَی شَیْخٍ بِالرَّقَّۃِ ، یُقَالُ لَہُ : وَابِصَۃُ بْنُ مَعْبَدٍ ، قَالَ : صَلَّی رَجُلٌ خَلْفَ الصَّفِّ وَحْدَہُ ، فَأَمَرَہُ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَنْ یُعِیدَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৭২৩৩) হজরত হিলাল ইবনে ইয়াসাফ থেকে বর্ণিত যে, যায়েদ ইবনে আবি আল - জাদ আমার হাত ধরে ওয়াবসা ইবনে মাবাদ নামক একজন শিক্ষকের কাছে আমাকে থাকতে দেন , তিনি বলেন , এক ব্যক্তি যদি কাতারের পিছনে একাকী নামায পড়েন ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাকে নামায পুনরায় পড়ার নির্দেশ দিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৩২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37233 OK

(৩৭২৩৩)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۳۴) حَدَّثَنَا مُلاَزِمُ بْنُ عَمْرٍو ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ بَدْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنِی عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَلِیِّ بْنِ شَیْبَانَ ، عَنْ أَبِیہِ عَلِیِّ بْنِ شَیْبَانَ ، وَکَانَ مِنَ الْوَفْدِ ، قَالَ : خَرَجْنَا حَتَّی قَدِمْنَا عَلَی نَبِیِّ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَبَایَعَنَاہُ وَصَلَّیْنَا خَلْفَہُ ، فَرَأَی رَجُلاً یُصَلِّی خَلْفَ الصَّفِّ ، قَالَ : فَوَقَفَ عَلَیْہِ نَبِیُّ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ حَتَّی انْصَرَفَ ، فَقَالَ : اسْتَقْبِلْ صَلاَتَکَ ، فَلاَ صَلاَۃَ لِلَّذِی خَلْفَ الصَّفِّ۔ - وَذُکِرَ أَنَّ أَبَا حَنِیفَۃَ قَالَ : تُجْزِئُہُ صَلاَتُہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৭২৩৪ ) হজরত আবদ আল-রহমান বিন আলী বিন শিবান তার পিতা আলী বিন শিবান থেকে বর্ণনা করেন , যিনি প্রতিনিধিদলের একজন ছিলেন , আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর খেদমতে উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বের হলাম । তার উপর ) . তাই আমরা আপনার ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কাছে বাইয়াত করলাম এবং আপনার পিছনে সালাত আদায় করলাম । সালাত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি তাঁর পাশে দাঁড়ালেন ।আর ( ইমাম ) আবু হানিফার উক্তিটি উল্লেখ করা হয়েছে যে : এই নামায জায়েজ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৩৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37234 OK

(৩৭২৩৪)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۳۵) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، عَن عَلْقَمَۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ لاَعَنْ بَیْنَ رَجُلٍ وَامْرَأَتِہِ ، وَقَالَ : عَسَی أَنْ تَجِیئَ بِہِ أَسْوَدَ جَعْدًا ، فَجَائَتْ بِہِ أَسْوَدَ جَعْدًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 37235 ) হজরত আবদুল্লাহ ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন পুরুষ ও তার স্ত্রীকে অভিশাপ দিয়ে বললেন , এই মহিলার একটি কালো সন্তান হওয়া উচিত । তাই এই মহিলার একটি কালো সন্তানের জন্ম হয়েছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৩৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37235 OK

(৩৭২৩৫)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۳۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ مَنْصُورٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ لاَعَنَ بِالْحَمْلِ۔ (احمد ۳۵۵)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৭২৩৬ ) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) বর্ণনা করেন যে , মহানবী ( সা . ) গর্ভবতী মহিলার ওপর অভিশাপ দিয়েছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৩৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37236 OK

(৩৭২৩৬)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۳۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی خَالِدٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ؛ فِی رَجُلٍ تَبَرَّأَ مِمَّا فِی بَطْنِ امْرَأَتِہِ ، قَالَ : یُلاَعَنْہَا۔ - وَذُکِرَ أَنَّ أَبَا حَنِیفَۃَ کَانَ لاَ یَرَی الْمُلاعَنْۃ بِالْحَمْلِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৭২৩৭) আমি হযরত শাবীকে এই লোকটির ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলাম এটি একটি ফতোয়া যা তার স্ত্রীর গর্ভাবস্থার নির্দোষতা প্রকাশ করে যে এমন পুরুষ মহিলাকে অভিশাপ দেবে । আর ( ইমাম ) আবু হানিফার উক্তিটি উল্লেখ করা হয়েছে যে : তিনি গর্ভধারণের অভিশাপে বিশ্বাস করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37237 OK

(৩৭২৩৭)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۳۸) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ، عَنْ أَیُّوبَ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ، عَنْ أَبِی الْمُہَلَّبِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَیْنٍ؛ أَنَّ رَجُلاً کَانَ لَہُ سِتَّۃُ أَعْبُدٍ ، فَأَعْتَقَہُمْ عِنْدَ مَوْتِہِ ، فَأَقْرَعَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بَیْنَہُمْ ، فَأَعْتَقَ اثْنَیْنِ ، وَأَرَقَّ أَرْبَعَۃً۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৭২৩৮ ) হজরত ইমরান ইবনে হুসাইন বর্ণনা করেন যে , এক ব্যক্তির ছয়জন ক্রীতদাস ছিল , তিনি তার ইন্তেকালের সময় তাদেরকে মুক্ত করে দেন এবং তাদের মধ্যে দুজনকে মুক্ত ও চারজনকে মুক্ত ঘোষণা করেন দাস হিসাবে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37238 OK

(৩৭২৩৮)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۳۹) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ مُوسَی ، عَنْ إِسْرَائِیلَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ الْمُخْتَارِ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زِیَادٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، نَحْوَہُ ، أَوْ مِثْلَہُ۔ - وَذُکِرَ أَنَّ أَبَا حَنِیفَۃَ قَالَ : لَیْسَ ہَذَا بِشَیْئٍ ، وَلاَ یَرَی فِیہِ قُرْعَۃً۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৭২৩৯ ) হযরত আবু হারি রহঃ এ হাদীসটি নবী করীম ( সাঃ ) থেকে বর্ণনা করেছেন । এবং ( ইমাম ) আবু হানিফার উক্তিটি উল্লেখ করা হয়েছে যে : এই ধরনের স্বাধীনতার কোন বিশ্বাসযোগ্যতা নেই এবং তারা লটারির ব্যাপারে বিশ্বাসী নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37239 OK

(৩৭২৩৯)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۴۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عَبْدِ اللہِ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ خَالِدٍ ، وَشِبْلٍ ، وَأَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالُوا: کُنَّا عِنْدَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَأَتَاہُ رَجُلٌ فَسَأَلَہُ عَنِ الأَمَۃِ تَزْنِی قَبْلَ أَنْ تُحْصِنَ ؟ قَالَ: اجْلِدُوہَا ، فَإِنْ عَادَتْ فَاجْلِدُوہَا ، قَالَ فِی الثَّالِثَۃِ ، أَوِ الرَّابِعَۃِ : فَبِیعُوہَا وَلَوْ بِضَفِیرٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৭২৪০) হজরত যায়েদ বিন খালিদ , শিবুল ও আবু হারি বর্ণনা করেন যে, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর কাছে উপস্থিত ছিলাম , তিনি বললেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর কাছে এলেন । এবং তিনি তাকে উপপত্নী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন , তিনি ( রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) বললেন : তাকে বেত্রাঘাত কর , তারপর যদি সে আবার পাপ করে তবে তাকে আবার বেত্রাঘাত কর । এটা একটা চেয়ারের জন্য হলেও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37240 OK

(৩৭২৪০)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۴۱) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ عَبْدِ الأَعْلَی ، عَنْ أَبِی جَمِیلَۃَ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَقِیمُوا الْحُدُودَ عَلَی مَا مَلَکَتْ أَیْمَانُکُمْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৭২৪১) হজরত আলী ( রা ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ তোমাদের দাস - দাসীর উপর সীমাবদ্ধতা স্থাপন কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37241 OK

(৩৭২৪১)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۴۲) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ بْنِ مُوسَی ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إِذَا زَنَتْ أَمَۃُ أَحَدِکُمْ فَلْیَجْلِدْہَا ، وَلاَ یُثَرِّبْ عَلَیْہَا ، فَإِنْ عَادَتْ فَلْیَجْلِدْہَا ، فَإِنْ عَادَتْ فَلْیَبِعْہَا ، وَلَوْ بِضَفِیرٍ مِنْ شَعْرٍ۔ (نسائی ۷۲۴۷)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৭২৪২) হজরত আবু হারি ( রা . ) বর্ণনা করেন যে, নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন : তোমাদের কারো উপপত্নী যখন ব্যভিচার করে , তখন আদম (মালিক) তাকে বেত্রাঘাত করবে যাতে সে অপমানিত না হয় । পাপ, তারপর যদি ক্রীতদাস আবার এই পাপ করে , তাহলে লোকটিকে তাকে চাবুক মারা উচিত , তারপর যদি দাসীটি আবার এই পাপ করে , তবে মনিব তাকে বিক্রি করবে , যদিও তা একটি চুল বা দড়ির জন্য নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37242 OK

(৩৭২৪২)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۴۳) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ ، عَنْ لَیْثِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ أَبِی حَبِیبٍ ، عَنْ عُمَارَۃَ بْنِ أَبِی فَرْوَۃَ ، عَنْ عُرْوَۃَ ، عَنْ عَائِشَۃَ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : إذَا زَنَتِ الأَمَۃُ فَاجْلِدُوہَا ، فَإِنْ عَادَتْ فَاجْلِدُوہَا ، فَإِنْ عَادَتْ فَاجْلِدُوہَا ، فَإِنْ زَنَتْ فَاجْلِدُوہَا ، ثُمَّ بِیعُوہَا وَلَوْ بِضَفِیرٍ ۔ وَالضَّفِیرُ الْحَبْلُ۔ (احمد ۶۵)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৭২৪৩) হজরত আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ যখন কোন দাসী ব্যভিচার করে , তখন তাকে বেত্রাঘাত কর , অতঃপর যদি সে পুনরায় এ পাপ করে, তাহলে তাকে বেত্রাঘাত কর, তারপর যদি। সে আবার এই পাপ করে , তারপর তাকে চাবুক মারো, তারপর যদি সে আবার এই পাপ করে, তাকে চাবুক মারো , তারপর তাকে বিক্রি কর যদিও কি না হয়ে কি হবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37243 OK

(৩৭২৪৩)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۴۴) حَدَّثَنَا مُعَلَّی بْنُ مَنْصُورٍ ، عَنْ أَبِی أُوَیْسٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ أَبِی بَکْرٍ ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ تَمِیمٍ ، عَنْ عَمِّہِ ، وَکَانَ بَدْرِیًّا ، قَالَ : قَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إِذَا زَنَتِ الأَمَۃُ فَاجْلِدُوہَا ، ثُمَّ إِنْ زَنَتْ فَاجْلِدُوہَا ، ثُمَّ إِنْ زَنَتْ فَاجْلِدُوہَا ، ثُمَّ بِیعُوہَا وَلَوْ بِضَفِیرٍ۔ - وَذُکِرَ أَنَّ أَبَا حَنِیفَۃَ قَالَ : لاَ یَجْلِدْہَا سَیِّدُہَا۔ (نسائی ۷۲۳۸۔ دارقطنی ۱۹۷)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৭২৪৪ ) হজরত ইবাদ বিন তামিম তার চাচা বদরী থেকে বর্ণনা করেন যে , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন কোন দাসী ব্যভিচার করে , তাহলে তাকে বেত্রাঘাত কর ব্যভিচার করে , তাকে বেত্রাঘাত কর , তারপর যদি সে ব্যভিচার করে , তাকে বেত্রাঘাত কর, তারপর তাকে বিক্রি কর যদিও তা চেয়ারের জন্য না হয় । আর ( ইমাম ) আবু হানিফার উক্তিটি উল্লেখ করা হয়েছে যে , দাসীর মালিক দাসীকে চাবুক মারবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৪৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37244 OK

(৩৭২৪৪)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۴۵) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنِ الْوَلِیدِ بْنِ کَثِیرٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ کَعْبٍ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عَبْدِ اللہِ بْنِ رَافِعِ بْنِ خَدِیجٍ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ الْخُدْرِیِّ ؛ قِیلَ : یَا رَسُولَ اللہِ ، أَنَتَوَضَّأُ مِنْ بِئْرِ بُضَاعَۃَ ، وَہِیَ بِئْرٌ یُلْقَی فِیہَا الْحِیَضُ وَلُحُومُ الْکِلاَبِ وَالنَّتِنُ ؟ فَقَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : الْمَائُ طَہُورٌ ، لاَ یُنَجِّسُہُ شَیْئٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৭২৪৫ ) হজরত আবু সাঈদ খুদরি (রা.) বর্ণনা করেন যে, কেউ একজন বলল , ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ! ঋতুমতী কাপড় , কুকুরের গোশত ও ময়লা ঢেলে দেওয়া কূপ হওয়া সত্ত্বেও কি আমরা মাল দিয়ে ওযু করতে পারি ? তাই মহানবী ( সাঃ ) বলেছেনঃ পানি বিশুদ্ধ , কোন কিছুই একে অপবিত্র করে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37245 OK

(৩৭২৪৫)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۴۶) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ سِمَاکٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : اغْتَسَلَ بَعْضُ أَزْوَاجِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی جَفْنَۃٍ ، فَجَائَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ لِیَغْتَسِلَ مِنْہَا ، أَوْ لِیَتَوَضَّأَ ، فَقَالَتْ : یَا رَسُولَ اللہِ ، إِنِّی کُنْتُ جُنُبًا ، قَالَ : إِنَّ الْمَائَ لاَ یُجْنِبُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৭২৪৬) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর একজন বিশুদ্ধ স্ত্রী টবে গোসল করতেন , তখন মহানবী ( সা . ) যখন রাসূলুল্লাহ ( সা . ) রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন , তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) এই পানি দিয়ে উযূ করতে চাইলেন , তখন তাঁর স্ত্রী বললেন : আল্লাহ তাকে বরকত দান করুন ! আমি একজন জুনবি ছিলাম , তাই তিনি বললেন : আমি জুনবি হতাম না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37246 OK

(৩৭২৪৬)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۴۷) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنِ الْوَلِیدِ بْنِ کَثِیرٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَیْرِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَبْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إِذَا کَانَ الْمَائُ قُلَّتَیْنِ لَمْ یَحْمِلْ نَجَسًا۔ - وَذُکِرَ أَنَّ أَبَا حَنِیفَۃَ قَالَ : یَنْجُسُ الْمَائُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৭২৪৭) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : পানি যখন দুই কুল্লা পরিমাণে পৌঁছে যায় , তখন তা অপবিত্রতা সহ্য করতে পারে না আর (ইমাম) আবু হানিফার উক্তিটি উল্লেখ করা হয়েছে যে , পানি অপবিত্র হয়ে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37247 OK

(৩৭২৪৭)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۴۸) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ أَیُّوبَ أَبِی الْعَلاَئِ ، حَدَّثَنَا قَتَادَۃُ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : قَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ نَسِیَ صَلاَۃً ، أَوْ نَامَ عْنہَا فَکَفَّارَتُہُ أَنْ یُصَلِّیَہَا إِذَا ذَکَرَہَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৭২৪৮) হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন : যে ব্যক্তি সালাত আদায় করতে ভুলে যায় বা নামাযের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়ে, তার কাফ্ফারা হল এই যে , যখন সে সালাতের কথা স্মরণ করে তখন সে যেন সালাত আদায় করে । প্রার্থনা
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37248 OK

(৩৭২৪৮)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۴۹) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ جَامِعِ بْنِ شَدَّادٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَن بْنَ أَبِی عَلْقَمَۃَ ، قَالَ : سَمِعْتُ عَبْدَ اللہِ بْنَ مَسْعُودٍ ، قَالَ : أَقْبَلْنَا مَعَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ مِنَ الْحُدَیْبِیَۃِ فَذَکَرُوا أَنَّہُمْ نَزَلُوا دَہَاسًا مِنَ الأَرْضِ ، یَعْنِی بِالدَّہَاسِ الرَّمْلَ ، قَالَ : فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ یَکْلَؤُنَا ؟ قَالَ : فَقَالَ بِلاَلٌ : أَنَا ، فَقَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إِذًا نَنَامُ ، قَالَ : فَنَامُوا حَتَّی طَلَعَتِ الشَّمْسُ ، قَالَ: فَاسْتَیْقَظَ أُنَاسٌ ، فِیہِمْ فُلاَنٌ وَفُلاَنٌ وَفِیہِمْ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ ، قَالَ : فَقُلْنَا : اِہْضِبُوا ، یَعْنِی تَکَلَّمُوا ، قَالَ : فَاسْتَیْقَظَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : افْعَلُوا کَمَا کُنْتُمْ تَفْعَلُونَ ، قَالَ : فَفَعَلْنَا ، قَالَ : فَقَالَ : کَذَلِکَ لِمَنْ نَامَ ، أَوْ نَسِیَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৭২৪৯ ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ ( রা . ) বলেন , আমরা হাদিয়াবিয়া থেকে রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - এর সাথে আসছিলাম , ইবনে মাসউদ ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : কে আমাদের রক্ষা করবে ? বর্ণনাকারী বলেন , হযরত বিলাল ( রাঃ ) বললেনঃ আমি তা করব ! তখন মহানবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তখন আমরা ঘুমাচ্ছিলাম । এখানে : কয়েকজন লোক আতঙ্কিত হয়ে পড়ল , যাদের মধ্যে অমুক অমুক এবং তাদের মধ্যে ছিলেন উমর ইবনে খাত্তাব , এই বলে আমরা বললামঃ বলো , বর্ণনাকারী তখন কথিত আছে যে , তখন হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুব জাগ্রত হলেন এবং বললেনঃ তুমি তার সাথে যা করতে , তাই কর( প্রার্থনা ) .যদি সে থাকে তবে তার সাথে তা করা উচিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37249 OK

(৩৭২৪৯)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۵۰) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَنْ عَبْدِ الْجَبَّارِ بْنِ عَبَّاسٍ ، عَنْ عَوْنِ بْنِ أَبِی جُحَیْفَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ لِلَّذِینَ نَامُوا مَعَہُ حَتَّی طَلَعَتِ الشَّمْسُ ، فَقَالَ : إِنَّکُمْ کُنْتُمْ أَمْوَاتًا فَرَدَّ اللَّہُ إِلَیْکُمْ أَرْوَاحَکُمْ ، فَمَنْ نَامَ عَنْ صَلاَۃٍ ، أَوْ نَسِیَ صَلاَۃً ، فَلْیُصَلِّہَا إِذَا ذَکَرَہَا ، وَإِذَا اسْتَیْقَظَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৭২৫০ ) হজরত আউন ইবনে আবি হাজ্জাফা ( রা . ) তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্যোদয় পর্যন্ত তার সাথে ঘুমানোর লোকদের বললেন , তোমরা মৃত ছিলে , তাই আল্লাহ তোমাদেরকে ফিরিয়ে দিয়েছেন আপনার কাছে আত্মা , তাই যে কেউ নামাযের সময় ঘুমিয়ে পড়ে বা প্রার্থনা ভুলে যায় যখন সে এই প্রার্থনাটি স্মরণ করে যখন সে ঘুম থেকে জাগ্রত হবে , তখন সে সালাত আদায় করবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৪৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37250 OK

(৩৭২৫০)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۵۱) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ أَبِی إِسْمَاعِیلَ ، عَنْ أَبِی حَازِمٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : عَرَّسْنَا مَعَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ذَاتَ لَیْلَۃٍ ، فَلَمْ نَسْتَیْقِظْ حَتَّی آذَتْنَا الشَّمْسُ ، فَقَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لِیَأْخُذْ کُلُّ رَجُلٍ مِنْکُمْ بِرَأْسِ رَاحِلَتِہِ ، ثُمَّ یَتَنَحَّ عَنْ ہَذَا الْمَنْزِلِ ، ثُمَّ دَعَا بِالْمَائِ فَتَوَضَّأَ ، فَسَجَدَ سَجْدَتَیْنِ ، ثُمَّ أُقِیمَتِ الصَّلاَۃُ فَصَلَّی۔ - وَذُکِرَ أَنَّ أَبَا حَنِیفَۃَ قَالَ : لاَ یُجْزِئُہُ أَنْ یُصَلِّیَ إِذَا اسْتَیْقَظَ عِنْدَ طُلُوعِ الشَّمْسِ ، أَوْ عِنْدَ غُرُوبِہَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৭২৫১) হজরত আবু হুরায়রা ( রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, এক রাতে আমরা নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর সাথে শিবির স্থাপন করলাম এবং সূর্যের রশ্মি অস্তমিত হলে আমরা জেগে উঠলাম আল্লাহ তায়ালা বললেনঃ তোমাদের প্রত্যেকে যেন তার তরবারির শেষ অংশ ধরে অতঃপর সেই স্থান থেকে সরে যায় , তখন আপনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) জিজ্ঞেস করলেন । পানির জন্য ওযু করলেন এবং দুটি সিজদা করলেন । আর (ইমাম) আবূ হানীফা (রহ. ) - এর উক্তি উল্লেখ করা হয়েছে যে , যখন কোনো ব্যক্তি সূর্যোদয় বা সূর্যাস্তের সময় জাগ্রত হয় এবং ( সেই সময় ) সালাত আদায় করে , তখন তা তার জন্য যথেষ্ট হবে না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৫০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37251 OK

(৩৭২৫১)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۵۲) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنْ کَعْبِ بْنِ عُجْرَۃَ ، عَنْ بِلاَلٍ ؛ أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ مَسَحَ عَلَی الْخُفَّیْنِ وَالْخِمَارِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৭২৫২) হজরত বিলাল ( রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তার মোজা ও পাগড়ী মুছে দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৫১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37252 OK

(৩৭২৫২)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۵۳) حَدَّثَنَا یُونُسُ ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِی الْفُرَاتِ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زَیْدٍ ، عَنْ أَبِی شُرَیْحٍ ، عَنْ أَبِی مُسْلِمٍ مَوْلَی زَیْدِ بْنِ صُوحَانَ ، قَالَ : کُنْتُ مَعَ سَلْمَانَ فَرَأَی رَجُلاً یَنْزِعُ خُفَّیْہِ لِلْوُضُوئِ ، فَقَالَ لَہُ سَلْمَانُ : امْسَحْ عَلَی خُفَّیْک وَعَلَی خِمَارِکَ ، وَامْسَحْ بِنَاصِیَتِکَ ، فَإِنِّی رَأَیْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَمْسَحُ عَلَی الْخُفَّیْنِ وَالْخِمَارِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৭২৫৩) হযরত আবি মুসলিম, জায়েদ বিন সুহানের একজন আযাদকৃত দাস বর্ণনা করেন যে, আমি হযরত সালমান (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম যে, তিনি যখন তাঁর মোজা খুলে নিচ্ছিলেন , তখন হযরত সালমান ( রাঃ ) এই লোকটিকে বললেনঃ তোমার মোজা মুছে দাও এবং তোমার পাগড়ি । এটিকে মুছুন এবং আপনার কপালে মুছুন , কেননা আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে মোজা ও কাপড়ের ( পাগড়ি ) উপর দিয়েছিলাম এবং তা খাই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৫২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37253 OK

(৩৭২৫৩)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۵۴) حَدَّثَنَا یَزِیدُ ، عَنِ التَّیْمِیِّ ، عَنْ بَکْرٍ ، عَنِ ابْنِ الْمُغِیرَۃِ بْنِ شُعْبَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ؛ أَنَّہُ مَسَحَ مُقَدَّمَ رَأْسِہِ ، وَعَلَی الْخُفَّیْنِ ، وَوَضَعَ یَدَہُ عَلَی الْعِمَامَۃِ ، وَمَسَحَ عَلَی الْعِمَامَۃِ۔ - وذُکِرَ أَنَّ أبَا حَنِیفَۃَ قَالَ : لاَ یجزِئُ الْمَسْحُ عَلَیْہِِمَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৭২৫৪) হজরত ইবনে মুগীরাহ ইবনে শুবা তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার মাথার সামনের অংশ ও মোজা মুছেছেন এবং পাগড়ীর ওপর হাত রেখে তা মুছে দিয়েছেন । আর (ইমাম) আবূ হানীফা (রহ. ) - এর উক্তি উল্লেখ করা হয়েছে যে , পাগড়ী ও পাগড়ীর উপর মাসাজ করা বৈধ নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37254 OK

(৩৭২৫৪)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۵۵) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، عَن عَلْقَمَۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : صَلَّی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ صَلاَۃً فَزَادَ ، أَوْ نَقَصَ ، فَلَمَّا سَلَّمَ وَأَقْبَلَ عَلَی الْقَوْمِ بِوَجْہِہِ ، قَالُوا : یَا رَسُولَ اللہِ ، حَدَثَ فِی الصَّلاَۃِ شَیْئٌ ؟ قَالَ : وَمَا ذَاکَ ؟ قَالُوا : صَلَّیْت کَذَا وَکَذَا ، فَثَنَی رِجْلَہُ فَسَجَدَ سَجْدَتَیْنِ ، ثُمَّ سَلَّمَ وَأَقْبَلَ عَلَی الْقَوْمِ بِوَجْہِہِ ، فَقَالَ : إِنَّہُ لَوْ حَدَثَ فِی الصَّلاَۃِ شَیْئٌ أَنْبَأْتُکُمْ بِہِ ، وَلَکِنِّی بَشَرٌ أَنْسَی کَمَا تَنْسَوْنَ ، فَإِذَا نَسِیتُ فَذَکِّرُونِی ، وَإِذَا شَکَّ أَحَدُکُمْ فِی صَلاَتِہِ فَلْیَتَحَرَّ الصَّوَابَ فَلْیُتِمَّ عَلَیْہِ ، فَإِذَا سَلَّمَ سَجَدَ سَجْدَتَیْنِ۔ (بخاری ۴۰۴۔ مسلم ۴۰۱)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৭২৫৫) হজরত আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) একটি নামাযের ইমামতি করলে তিনি তা কমিয়ে দেন । অতঃপর যখন আপনি ( রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) লোকদেরকে সালাম দিলেন এবং লোকদের দিকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন , তখন লোকেরা বলল , ইয়া রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) সালাতে কি নতুন কিছু আছে ? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ এটা কি হয়েছে? লোকেরা বলল, তুমি এভাবেই এসেছ ( এই নামাযের সাথে ) পড়া হয় . তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাঁর পা অবনত করলেন এবং দুটি সিজদা করলেন , তারপর তিনি লোকদেরকে সালাম করলেন এবং বললেনঃ আমার নামাযের সময় যদি নতুন কিছু হয়ে যেত , তবে আমি আপনাকে তা জানাতাম , কিন্তু আমি একজন দাস , এবং আমি আপনার মতো ভুলে যাই । আমি যাই , তাই যখন আমি ভুলে যাই , আপনি আমাকে স্মরণ করিয়ে দেন , আর যখন তোমাদের কেউ তার সালাতের ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করে , তখন তাকে সঠিক পথে পরিচালিত করা উচিত । অতঃপর এই তাহরীতে নামায পূর্ণ করুন । সুতরাং যখন সে সালাম ফিরবে তখন সে দুটি সিজদা করবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37255 OK

(৩৭২৫৫)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۵۶) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، عَن عَلْقَمَۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ؛ أَنَّہُ صَلَّی الظُّہْرَ خَمْسًا ، فَقِیلَ لَہُ : إِنَّک صَلَّیْتَ خَمْسًا ؟ فَسَجَدَ سَجْدَتَیْنِ بَعْدَ مَا سَلَّمَ۔ - وذُکِرَ أنَّ أبَا حَنِیفَۃَ قَالَ : إِذَا لَمْ یَجْلِس فِی الرَّابِعۃِ أَعَاَد الصَّلاَۃ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 37256 ) হজরত আবদুল্লাহ ( সা . ) থেকে বর্ণিত আছে যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার যোহরের পাঁচ রাকাত পড়েছিলেন ? তাই তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) সালামের পর দুটি সিজদা করলেন । আর (ইমাম) আবূ হানীফা (রহ. ) - এর উক্তি উল্লেখ করা হয়েছে যে , যদি সে চতুর্থ রাকাতে ক্বাযাতে না বসে তবে সে নামায পুনরায় পড়বে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৫৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37256 OK

(৩৭২৫৬)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۵۷) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ عَمْرٍو؛ سَمِعَ جَابِرًا، یَقُولُ: سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ، یَقُولُ: سَمِعْتُ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، یَقُولُ : إِذَا لَمْ یَجِدَ الْمُحْرِمُ إِزَارًا ، فَلْیَلْبَسْ سَرَاوِیلَ ، وَإِذَا لَمْ یَجِدْ نَعْلَیْنِ ، فَلْیَلْبَسْ خُفَّیْنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৭২৫৭) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যে , যখন কোনো মুহরিম স্কার্ট না পায় তখন সে পায়জামা পরবে এবং যখন মুহরিমের জুতা না থাকে , তাকে মোজা পরতে হবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৫৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37257 OK

(৩৭২৫৭)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۵۸) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَنْ زُہَیْرٍ ، عَنْ أَبِی الزُّبَیْرِ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ لَمْ یَجِدْ نَعْلَیْنِ فَلْیَلْبَسْ خُفَّیْنِ ، وَمَنْ لَمْ یَجِدْ إِزَارًا فَلْیَلْبَسْ سَرَاوِیلَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৭২৫৮) হজরত জাবির ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সা ) বলেছেন : যার জুতা নেই সে যেন মোজা পরিধান করে এবং যার কটি নেই সে যেন পায়জামা পরিধান করে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৫৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37258 OK

(৩৭২৫৮)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۵۹) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : قَالَ رَجُلٌ : یَا رَسُولَ اللہِ ، مَا یَلْبَسُ الْمُحْرِمُ ؟ أَوْ مَا یَتْرُکُ الْمُحْرِمُ ؟ قَالَ : لاَ یَلْبَسُ الْقَمِیصَ ، وَلاَ السَّرَاوِیلَ ، وَلاَ الْعِمَامَۃَ ، وَلاَ الْخُفَّیْنِ ، إِلاَّ أَنْ لاَ یَجِدَ نَعْلَیْنِ ، فَمَنْ لَمْ یَجِدَ نَعْلَیْنِ ، فَلْیَلْبَسْہُمَا أَسْفَلَ مِنَ الْکَعْبَیْنِ۔ - وذُکِرَ أنَّ أَبَا حَنِیفَۃَ قَالَ : لاَ یَفْعَلُ ، فَإِن فَعَلَ فَعَلَیْہِ دَمٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৭২৫৯ ) হজরত ইবনে উমর ( রা .) থেকে বর্ণিত আছে যে, এ ব্যক্তি বলেন । ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) : মুহরিম কি পরিধান করবে ? তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ মুহরিম কেন চলে যাবে ? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ মুহরিম জামা , পায়জামা , পাগড়ী ও মোজা পরিধান করবে না । হ্যাঁ, জুতা না পাওয়া গেলে যে জুতা পায় না সে যেন পায়ের গোড়ালির নিচে মোজা পরে । আর ( ইমাম ) আবু হানিফার উক্তিটি উল্লেখ করা হয়েছে : তিনি তা করবেন না । যদি সে তা করে তবে মুহরিমকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৫৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37259 OK

(৩৭২৫৯)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۶۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ عَمْرٍو ، عَنْ جَابِرِ بْنِ زَیْدٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : صَلَّیْتُ مَعَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، ثَمَانِیًا جَمِیعًا ، وَسَبْعًا جَمِیعًا ، قَالَ : قُلْتُ : یَا أَبَا الشَّعْثَائِ ، أَظُنُّہُ أَخَّرَ الظُّہْرَ وَعَجَّلَ الْعَصْرَ ، وَأَخَّرَ الْمَغْرِبَ وَعَجَّلَ الْعِشَائَ ، قَالَ : وَأَنَا أَظُنُّ ذَلِکَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৭২৬০) হজরত জাবির ইবনে যায়েদ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত যে , তিনি বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর সাথে আট ( রাকাআত ) নামায পড়েছি এবং সাত (রাকাআত) নামায একত্রে আদায় করেছি । বর্ণনাকারী বলেছেন : আমি বললাম ! হে আবু আল-শাশাই! মেরে খাইলের মতে , তিনি প্রথমে যোহর এবং শেষ এবং আসর প্রথম পাঠ করলেন ( তাই আট রাকাত একত্রিত হয়েছিল ) এবং তিনি মাগরিবের শেষ ও এশার প্রথম দিকে পাঠ করলেন ( সেইভাবে সাত রাকাত একত্রিত হয়েছিল ) আমি এই ধারণা .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৫৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



37260 OK

(৩৭২৬০)

সহিহ হাদিস

(۳۷۲۶۱) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ سَالِمٍ ، عَنْ أَبِیہِ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ إِذَا جَدَّ بِہِ السَّیْرُ جَمَعَ بَیْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَائِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৭২৬১) হযরত সেলিম (রাঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) যখন সফরে যেতেন তখন মাগরিব ও এশা আদায় করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭২৬০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস