
(۳۷۶۲۲) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی عُبَیْدَۃَ ، حَدَّثَنَا أَبِی ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ طَلْحَۃَ ، عَنْ ذَرٍّ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبْزَی ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ أُبَیِّ بْنِ کَعْبٍ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یُوتِرُ بِـ : {سَبِّحِ اسْمَ رَبِّکَ الأَعْلَی} ، وَ{قُلْ یَا أَیُّہَا الْکَافِرُونَ} ، وَ{قُلْ ہُوَ اللَّہُ أَحَدٌ}۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৭৬২২) হজরত আবি ইবনে কাব ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : { মহান মহান আল্লাহর নাম পবিত্র } এবং তিনি আল্লাহর সঙ্গে বিতর পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۲۳) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یُوتِرُ بِثَلاَثٍ ، یَقْرَأُ فِیہِنَّ بِـ : {سَبِّحِ اسْمَ رَبِّکَ الأَعْلَی} ، وَ{قُلْ یَا أَیُّہَا الْکَافِرُونَ} ، وَ{قُلْ ہُوَ اللَّہُ أَحَدٌ}۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৭৬২৩) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সা . ) তিনটি সূরা দিয়ে বিতর পড়তেন । { سَبِِّ اسْمَ رَبِّكَ الأَعْلَي } এবং { قُلْ ْ يَ اَ يُّ هَا الْكافيرونَ } এবং { قُلْ হুَ اللَُّّ الَحَدٌ}।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۲۴) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ زُرَارَۃَ بْنِ أَوْفَی ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَیْنٍ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَوْتَرَ بـ : {سَبِّحِ اسْمَ رَبِّکَ الأَعْلَی}۔ - وَذُکِرَ أَنَّ أَبَا حَنِیفَۃَ کَرِہَ أَنْ یَخُصَّ سُوَرۃً یَقْرَأُ بِہَا فِی الْوِتْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৭৬২৪) হজরত ইমরান বিন হুসাইন ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বিতর পড়তেন । আর ( ইমাম ) আবু হানিফা ( রহ .) এর উক্তিটি উল্লেখ করা হয়েছে যে : সালাতের সময় তিলাওয়াতের জন্য একটি সূরা নির্বাচন করা মাকরূহ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۲۵) حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِیلَ ، عَنْ جَعْفَرٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ أَبِی رَافِعٍ ، قَالَ : اسْتَخْلَفَ مَرْوَانُ أَبَا ہُرَیْرَۃَ عَلَی الْمَدِینَۃِ وَخَرَجَ إِلَی مَکَّۃَ ، فَصَلَّی بِنَا أَبُو ہُرَیْرَۃَ الْجُمُعَۃَ ، فَقَرَأَ بِسُورَۃِ الْجُمُعَۃِ فِی السَّجْدَۃِ الأُولَی ، وَفِی الآخِرَۃِ : (إِذَا جَائَک الْمُنَافِقُونَ)۔ قَالَ عُبَیْدُ اللہِ : فَأَدْرَکْتُ أَبَا ہُرَیْرَۃَ حِینَ انْصَرَفَ ، فَقُلْتُ : إِنَّک قَرَأْتَ بِسُورَتَیْنِ کَانَ عَلِیٌّ رَحِمَہُ اللہِ یَقْرَأُ بِہِمَا فِی الْکُوفَۃِ ، فَقَالَ أَبُو ہُرَیْرَۃَ : إِنِّی سَمِعْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقْرَأُ بِہِمَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৭৬২৫ ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আবু রাফি (রা. ) থেকে বর্ণিত আছে যে, মারওয়ান আবু হারি রাহ. - কে মদীনার আমীর নিযুক্ত করেন এবং তিনি নিজে মক্কার দিকে গেলে আবু হারি রাহ. - কে শুক্রবারে পাঠ করেন । প্রথম রাকাতে সূরা জুমা পড়বেন এবং দ্বিতীয় রাকাতে ‘ উবি দুল্লাহ ’ পড়বেন । যখন তিনি নামায শেষ করলেন , আমি আবু হারিরার কাছে গিয়ে বললাম । প্রকৃতপক্ষে , আপনি ( আজ ) যে দুটি সূরা হযরত আলী কুফা পাঠ করতেন তা পাঠ করেছেন । আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে এ দুটি সূরা পাঠ করতে শুনেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۲۶) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ أُنَاسٍ مِنْ أَہْلِ الْمَدِینَۃِ ، أُرَی فِیہِمْ أَبَا جَعْفَرٍ ، قَالَ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقْرَأُ فِی الْجُمُعَۃِ بِسُورَۃِ الْجُمُعَۃِ ، وَالْمُنَافِقِینَ ، فَأَمَّا سُورَۃُ الْجُمُعَۃِ : فَیُبَشِّرُ بِہَا الْمُؤْمِنِینَ وَیُحَرِّضُہُمْ ، وَأَمَّا سُورَۃُ الْمُنَافِقِینَ : فَیُؤْیِسُ بِہَا الْمُنَافِقِینَ وَیُوَبِّخُہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 37626 ) হযরত হাকাম , মদীনার কিছু লোকের মধ্যে থেকে , তাদের মধ্যে আবু জাফর বিহ রহ . বর্ণিত আছে যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমার দিনে সূরা জুমা এবং মুনাফিকদের পাঠ করতেন । সূরা জুমার আয়াতের মাধ্যমে আপনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) মুমিনদেরকে সুসংবাদ দিতেন এবং নসীহত করতেন এবং সূরা মুনাফিকের আয়াতের মাধ্যমে মুনাফিকদেরকে উপদেশ দিতেন । ইয়িন হতাশ এবং তিরস্কার করত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۲۷) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْتَشِرِ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ حَبِیبِ بْنِ سَالِمٍ ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِیرٍ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یَقْرَأُ فِی الْعِیدَیْنِ ، وَفِی الْجُمُعَۃِ بـ : {سَبِّحِ اسْمَ رَبِّکَ الأَعْلَی} ، وَ {ہَلْ أَتَاکَ حَدِیثُ الْغَاشِیَۃِ} ، وَإِذَا اجْتَمَعَ الْعِیدَانِ فِی یَوْمٍ قَرَأَ بِہِمَا فِیہِمَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 37627 ) হজরত নুমান বিন বাশীর ( রা . ) থেকে বর্ণিত আছে যে , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) ঈদ ও জুমার নামাজ পড়তেন এবং যখন দুটি পড়তেন । ঈদ ( শুক্রবার ও ঈদ ) এক দিনে একত্রিত হয়েছিল , তারপর আপনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) উভয়েই তিনি উভয় সূরা পাঠ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۲۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، حَدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْتَشِرِ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ حَبِیبِ بْنِ سَالِمٍ ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِیرٍ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ؛ بِنَحْوِ حَدِیثِ جَرِیرٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৭৬২৮ ) হজরত নুমান বিন বাশীর রাসুলুল্লাহ ( সা . ) থেকে এই হাদীসটি বর্ণনা করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۲۹) حَدَّثَنَا یَعْلَی بْنُ عُبَیْدٍ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ مَعْبَدِ بْنِ خَالِدٍ ، عَنْ زَیْدٍ ، عَنْ سَمُرَۃََ ، قَالَ : کَانَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقْرَأُ فِی الْجُمُعَۃِ بـ : {سَبِّحِ اسْمَ رَبِّکَ الأَعْلَی} ، وَ {ہَلْ أَتَاک حَدِیثُ الْغَاشِیَۃِ}۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৭৬২৯ ) হজরত সামরাহ ( রা . ) বর্ণনা করেন যে , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমার নামাযে { সাবি আসমা রাব্বিক আল - আলা } পড়তেন এবং পাঠ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۳۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ ضَمْرَۃَ بْنِ سَعِیدٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ عُبَیْدَ اللہِ بْنَ عَبْدِ اللہِ بْنِ عُتْبَۃَ ، یَقُولُ : خَرَجَ عُمَرُ یَوْمَ عِیدٍ ، فَسَأَلَ أَبَا وَاقِدٍ اللَّیْثِیَّ : بِأَیِّ شَیْئٍ قَرَأَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی ہَذَا الْیَوْمِ ؟ فَقَالَ : بِـ : (ق) وَ (اقْتَرَبَتْ)۔ - وَذُکِرَ أَنَّ أَبَا حَنِیفَۃَ کَرِہَ أَنْ تُخَصَّ سُورَۃٌ لِیَومِ الْجُمُعَۃِ وَالْعِیدَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৭৬৩০ ) হজরত উবায়দুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উতবা বলেন , হজরত উমর ( রা . ) ঈদের দিন বের হয়েছিলেন । সেদিন তাঁরা কী পাঠ করেছিলেন ? তুমি বলেছিলে . প্রশ্ন এবং প্রক্সিমিটি। আর (ইমাম ) আবু হানিফা ( রহ . ) - এর উক্তি উল্লেখ করা হয়েছে যে , জুমআর ঈদের জন্য একটি সূরা নির্ধারণ করা জঘন্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۳۱) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ السَّبَّاقِ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ سَہْلِ بْنِ حُنَیْفٍ ، قَالَ : کُنْتُ أَلْقَی مِنَ الْمَذْیِ شِدَّۃً ، فَکُنْتُ أُکْثِرُ الْغُسْلَ مِنْہُ ، فَذَکَرْتُ ذَلِکَ لِرَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : إِنَّمَا یَکْفِیَک مِنْ ذَلِکَ الْوُضُوئُ ، قَالَ : قُلْتُ : یَا رَسُولَ اللہِ ، فَکَیْفَ بِمَا یُصِیبُ ثَوْبِی ؟ قَالَ : إِنَّمَا یَکْفِیَک کَفٌّ مِنْ مَائٍ تَنْضَحُ بِہِ مِنْ ثَوْبِکَ حَیْثُ تَرَی أَنَّہُ أَصَابَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৭৬৩১ ) হজরত সাহল ইবনে হানিফা বয়ান বলেন , অযু করার কারণে আমার অনেক কষ্ট হতো এবং আমি অনেক বেশি গোসল করতাম । আমি এটা রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর কাছে উল্লেখ করলাম এবং তিনি বললেনঃ তোমাদের সকলের অযু যথেষ্ট হবে হযরত সাহল বলেন । আমি বললামঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ! আমার জামাকাপড়ের সাথে কি আটকে আছে তার আদেশ কি ? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ চল , তোমার জন্য পানিই যথেষ্ট । আপনার কাপড়ের সেই অংশে স্প্রে করুন যেখানে আপনি মনে করেন এটি সংক্রামিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۳۲) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ سِمَاکٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : إِذَا أَجْنَبَ الرَّجُلُ فِی ثَوْبِہِ ، فَرَأَی فِیہِ أَثَرًا فَلْیَغْسِلْہُ ، فَإِنْ لَمْ یَرَ فِیہِ أَثَرًا فَلْیَنْضَحْہُ بِالْمَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৭৬৩২) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , কোনো ব্যক্তি যখন কোনো কাপড়ে আক্রান্ত হয় , তখন সে এই পোশাকের প্রভাব দেখায় , তখন এই পোশাকটি ধৌত করা উচিত নয় , এবং যদি কাপড়ের কোনো প্রভাব না দেয় , তাহলে ছিটিয়ে দেবে । তার উপর জল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۳۳) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، قَالَ : قَالَ رَجُلٌ مِنَ الْحَیِّ لأَبِی مَیْسَرَۃَ : إِنِّی أُجْنِبُ فِی ثَوْبِی، فَأَنْظُرُ فَلاَ أَرَی شَیْئًا ؟ قَالَ : إِذَا اغْتَسَلْتَ فَتَلَفَّفَ بِہِ وَأَنْتَ رَطْبٌ ، فَإِنَّ ذَلِکَ یُجْزِئُک۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৭৬৩৩ ) হজরত আবু ইসহাক বলেন , গোত্রের এক ব্যক্তি আবু মাইসরাকে বললেন । আমি আমার জামাকাপড় ছেড়ে তাদের দিকে তাকালাম , আমি কিছুই দেখতে পেলাম না ।আবু মাইসারা রা . আপনি যখন স্নান করেন এবং পোশাক পরেন, আপনি ভিজে গেলেও এটি আপনার জন্য এটাই যথেষ্ট .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۳۴) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ؛ فِی الرَّجُلِ یَحْتَلِمُ فِی الثَّوْبِ فَلاَ یَدْرِی أَیْنَ مَوْضِعَہُ ، قَالَ : یَنْضَحُ الثَّوْبَ بِالْمَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৭৬৩৪) আমি হজরত ইবরাহীম (রা.) - কে এমন এক ব্যক্তির কথা জিজ্ঞেস করলাম , যার পোশাকে ফুসকুড়ি ছিল এবং সে ফুসকুড়ির স্থান জানে না । বর্ণিত আছে যে, এ ব্যক্তি তার কাপড়ে পানি ছিটিয়ে দেবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۳۵) حَدَّثَنَا مَحْبُوبٌ الْقَوَارِیرِیُّ ، عَنْ مَالِکِ بْنِ حَبِیبٍ ، عَنْ سَالِمٍ ، قَالَ : سَأَلَہُ رَجُلٌ ، قَالَ : إِنِّی أَحْتَلِم فِی ثَوْبِی ؟ قَالَ : اغْسِلْہُ ، قَالَ : خَفِیَ عَلَیَّ ، قَالَ : رُشَّہُ بِالْمَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৭৬৩৫ ) হযরত সেলিম (রাঃ) সম্পর্কে একটি রেওয়ায়েত আছে যে, এক ব্যক্তি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন । আমার কাপড়ে ফুসকুড়ি আছে ? তিনি বললেনঃ কাপড় ধুয়ে ফেল । প্রশ্নকর্তা বললেন। এটা (অর্থ সহ অংশ) আমার কাছ থেকে গোপন হয়ে গেছে । হযরত সেলিম বললেনঃ এর উপর পানি ছিটিয়ে দাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۳۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ زُیَیْدِ بْنِ الصَّلْتِ ؛ أَنَّ عُمَرَ نَضَحَ مَا لَمْ یَرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৭৬৩৬) হজরত যায়েদ বিন সালাত বর্ণনা করেন যে , হজরত উমর ( রা . ) মুখ না দেখালে মুখ ছিটিয়ে দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۳۷) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، قَالَ : إِنْ أَضْلَلْتَ فَانْضَحْ۔ - وَذُکِرَ أَنَّ أَبَا حَنِیفَۃَ قَالَ : لاَ یَنْضَحَہُ ، وَلاَ یَزِیدَہ الْمَائُ إِلاَ شَرًّا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৭৬৩৭) হজরত সাঈ দেবান মুসাইব থেকে বর্ণিত যে, ( অবস্থান ) ভুলে গেলে ছিটিয়ে দাও । আর (ইমাম ) আবু হানিফার উক্তি উল্লেখ করা হয়েছে যে , তিনি এই কাপড়ে ছিটাবেন না । পানি ( ছিটালে ) অপবিত্রতা বাড়বে ( কমবে না ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۳۸) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی سُفْیَانَ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : جَائَ سُلَیْکٌ الْغَطَفَانِیُّ ، وَالنَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَخْطُبُ یَوْمَ جُمُعَۃٍ، فَقَالَ لَہُ: صَلَّیْتَ؟ قَالَ: لاَ، قَالَ: صَلِّ رَکْعَتَیْنِ تَجَوَّزْ فِیہِمَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৭৬৩৮ ) হজরত জাবের বিন বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) জুমার দিনে খুতবা দেওয়ার সময় সালাক গাতফান উপস্থিত ছিলেন । তিনি জমা দিয়েছেন . না ! তিনি ( রাসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ দুই রাকাত পড় এবং ছোট কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۳۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عِمْرَانَ ، عَنْ أَبِی مِجْلَزٍ ، قَالَ : إِذَا جِئْتَ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ وَالإِمَامُ یَخْطُبُ ، فَإِنْ شِئْتَ صَلَّیْتَ رَکْعَتَیْنِ ، وَإِنْ شِئْتَ جَلَسْتَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৭৬৩৯) হজরত আবি মাজাল থেকে বর্ণিত আছে যে , আপনি যখন জুমার দিন আসেন এবং ইমাম খুতবা দিচ্ছেন, তখন আপনি চাইলে দুই রাকাত নামায পড়বেন এবং ইচ্ছা করলে বসবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۴۰) حَدَّثَنَا أَزْہَرُ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، قَالَ : کَانَ الْحَسَنُ یَجِیئُ وَالإِمَامُ یَخْطُبُ فَیُصَلِّی رَکْعَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৭৬৪০) হজরত ইবনে আউন বলেন , ইমাম যখন খুতবা দিতেন তখন হযরত হাসান তাশরী এফ দুই রাকাত নামায পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۴۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، أَخْبَرَنَا مَنْصُورٌ ، وَأَبُو حُرَّۃَ ، وَیُونُسُ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : جَائَ سُلَیْکٌ الْغَطَفَانِیُّ ، وَالنَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَخْطُبُ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ ، وَلَمْ یَکُنْ صَلَّی الرَّکْعَتَیْنِ ، فَأَمَرَہُ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَنْ یُصَلِّیَ رَکْعَتَیْنِ یَتَجَوَّزُ فِیہِمَا۔ - وَذُکِرَ أَنَّ أَبَا حَنِیفَۃَ قَالَ : لاَ یُصَلِّیَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৭৬৪১ ) হজরত হাসান বলেন , সালিক গাতফান এলেন যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমার দিন খুতবা দিচ্ছিলেন । তারা দুই রাকাত আদায় করেনি তাই তিনি ( রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) তাদেরকে দুই রাকাত পড়তে এবং ছোট করার নির্দেশ দিলেন । আর (ইমাম) আবু হানিফার উক্তিটি উল্লেখ করা হয়েছে যে : তিনি ( খুতবা দেওয়ার সময়) সালাত আদায় করবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۴۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ زَیْنَبَ ابْنَۃِ أُمِّ سَلَمَۃَ ، عَنْ أُمِّ سَلَمَۃَ ، قَالَتْ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إِنَّکُمْ تَخْتَصِمُونَ إِلَیَّ ، وَلَعَلَّ بَعْضَکُمْ أَنْ یَکُونَ أَلْحَنَ بِحُجَّتِہِ مِنْ بَعْضٍ، وَإِنَّمَا أَقْضِی بَیْنَکُمْ عَلَی نَحْوٍ مِمَّا أَسْمَعُ مِنْکُمْ ، فَمَنْ قَضَیْتُ لَہُ مِنْ حَقِّ أَخِیہِ شَیْئًا فَلاَ یَأْخُذْہُ ، فَإِنَّمَا أَقْطَعُ لَہُ قِطْعَۃً مِنْ نَارٍ ، یَأْتِی بِہَا یَوْمَ الْقِیَامَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৭৬৪২) হজরত উম্মে সালামা (রা.) বর্ণনা করেন যে , রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন : তোমরা মরিয়মের কাছে ঝগড়া - বিবাদ নিয়ে আস এবং এটা সম্ভব যে , তোমরা নিজেদের যুক্তি অন্যদের চেয়ে ভালো করতে পারো । এবং আমি যা শুনি সেই অনুসারে আমি তোমাদের মধ্যে বিচার করি অতএব, আমি যদি তার ভাইয়ের অংশের জন্য ( কোন বিষয়ে ) সিদ্ধান্ত নিই , তবে সে তা গ্রহণ করবে না । কারণ ( এ ক্ষেত্রে ) আমি তার জন্য একটি আগুনের টুকরো কাটছি যা নিয়ে সে বিচারের দিন উপস্থিত হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۴۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أُسَامَۃَ بْنِ زَیْدٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ رَافِعٍ ، عَنْ أُمِّ سَلَمَۃَ ، قَالَتْ : جَائَ رَجُلاَنِ مِنَ الأَنْصَارِ یَخْتَصِمَانِ إِلَی رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی مَوَارِیثَ بَیْنَہُمَا قَدْ دَرَسَتْ ، لَیْسَتْ بَیْنَہُمَا بَیِّنَۃٌ ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إِنَّکُمْ تَخْتَصِمُونَ إِلَیَّ ، وَإِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ ، وَلَعَلَّ بَعْضَکُمْ أَنْ یَکُونَ أَلْحَنَ بِحُجَّتِہِ مِنْ بَعْضٍ ، وَإِنَّمَا أَقْضِی بَیْنَکُمْ ، فَمَنْ قَضَیْتُ لَہُ مِنْ حَقِّ أَخِیہِ شَیْئًا فَلاَ یَأْخُذْہُ ، فَإِنَّمَا أَقْطَعُ لَہُ قِطْعَۃً مِنَ النَّارِ ، یَأْتِی بِہِا یَوْمِ الْقِیَامَۃِ ، قَالَتْ : فَبَکَی الرَّجُلاَنِ ، وَقَالَ کُلُّ وَاحِدٍ مِنْہُمَا : حَقِّی لأَخِی یَا رَسُولَ اللہِ ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَمَا إِذْ فَعَلْتُمَا ، فَاذْہَبَا فَاقْتَسِمَا ، وَتَوَخَّیَا الْحَقَّ ، ثُمَّ اسْتَہمَا ، ثُمَّ لِیُحَلِّلْ کُلّ وَاحِدٍ مِنْکُمَا صَاحِبَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৭৬৪৩ ) হজরত উম্মে সালামা বর্ণনা করেন যে , আনসারদের মধ্যে থেকে দু’জন ব্যক্তি নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর খেদমত করছিল .উত্তরাধিকারের , যার কোন সাক্ষী ছিল না . তারা বিবাদ নিয়ে এলে রাসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তোমরা অবশ্যই মারা যাবে । আপনি আমার কাছে বিবাদ নিয়ে আসেন এবং আমি কেবল একজন মানুষ হতে পারে যে আপনার মধ্যে কেউ অন্যদের চেয়ে আপনার যুক্তি উপস্থাপন করতে পারে এবং আমি আপনার মধ্যে একটি সিদ্ধান্ত নেব যার জন্য আমি কিছু সিদ্ধান্ত নেব তার ভাইয়ের অধিকার তার নেওয়া উচিত নয় । ( এক্ষেত্রে ) আমি তার জন্য আগুনের টুকরো কাটছি যা নিয়ে সে কিয়ামতের দিন উপস্থিত হবে । উম্মে সালমা একথা বলেন তাই দুজনেই কেঁদে উঠল এবং প্রত্যেকে তাদের কাছে মিনতি করল . ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ! আমার অধিকার আমার ভাইয়ের জন্য তখন তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ যদি তোমরা এতে সন্তুষ্ট হও , তবে যাও এবং তা ভাগ করে দাও এবং প্রত্যেককে তার প্রাপ্য পূর্ণ করে দাও এবং প্রত্যেককে তার ভাই আমাকে ক্ষমা করে দাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۴۴) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ الْعَبْدِیُّ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو ، حَدَّثَنَا أَبُو سَلَمَۃَ ، عَنْ أبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ ، وَلَعَلَّ بَعْضَکُمْ أَنْ یَکُونَ أَلْحَنَ بِحُجَّتِہِ مِنْ بَعْضٍ ، فَمَنْ قَضَیْتُ لَہُ مِنْ حَقِّ أَخِیہِ ، فَإِنَّمَا أَقْطَعُ لَہُ قِطْعَۃً مِنَ النَّارِ۔ - وَذُکِرَ أَنَّ أَبَا حَنِیفَۃَ قَالَ : لَوْ أَنَّ شَاہِدَیْ زَورٍ شَہِدَا عِنْدَ الْقَاضِی عَلَی رَجُلٍ بِطَلاَقِ امْرَأَتِہِ ، فَفَرَّقَ الْقَاضِی بَیْنَہُمَا بِشَہَادَتِہِمَا ، أَنَّہُ لاَ بَأْسَ أَنْ یَتَزَوَّجَہَا أَحَدُہُمَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৭৬৪৪) আবু হুরায়রা ( রাঃ ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন । আমি শুধুমাত্র মানুষ এবং হয়ত আপনাদের মধ্যে কেউ কেউ আপনার যুক্তি অন্যদের চেয়ে ভালো করতে পারে . তাই , যার ভাইয়ের হকের ব্যাপারে আমি সিদ্ধান্ত নেব , আমি তার জন্য আগুনের টুকরো কাটছি । আর ( ইমাম ) আবু হানিফা ( রহ . ) - এর উক্তিটি উল্লেখ করা হয়েছে যে : যদি দুজন মিথ্যা সাক্ষী বিচারকের সামনে পুরুষের স্ত্রীর তালাক সম্পর্কে সাক্ষ্য দেয় এবং বিচারকের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে যদি আমি দুই স্ত্রীর মধ্যে পার্থক্য করি । , তাহলে আমি একজন মিথ্যা সাক্ষীকে ওই মহিলার সাথে বিয়ে দেবো কোন সমস্যা নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۴۵) حَدَّثَنَا سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ بَدَّلَ دِینَہُ فَاقْتُلُوہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৭৬৪৫) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সা ) বলেছেন : যে তার ধর্ম পরিবর্তন করে তাকে হত্যা কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۴۶) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، وَأَبُو مُعَاوِیَۃَ ، وَوَکِیعٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مُرَّۃَ ، عَنْ مَسْرُوقٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ یَحِلُّ دَمُ امْرِئٍ مُسْلِمٍ یَشْہَدُ أَنْ لاَ إِلَہَ إلاَّ اللَّہُ، وَأَنِّی رَسُولُ اللہِ إِلاَّ بِإِحْدَی ثَلاَثٍ : الثَّیِّبُ الزَّانِی ، وَالنَّفْسُ بِالنَّفْسِ ، وَالتَّارِکُ لِدِینِہِ الْمُفَارِقُ لِلْجَمَاعَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৭৬৪৬ ) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ একজন মুসলিম ব্যক্তি যে সাক্ষ্য দেয় যে , আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নেই এবং আমি ( মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) আমি আল্লাহর রাসূল সা . এসব কিছু ছাড়া রক্ত হালাল নয় একজন বিবাহিত ব্যভিচারী , জীবনের জন্য জীবন , এবং যে তার ধর্ম পরিত্যাগ করে এবং মণ্ডলী থেকে বিচ্ছিন্ন হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۴۷) حَدَّثَنَا عَبْدُاللہِ بْنُ إِدْرِیسَ، عَنْ ہِشَامٍ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ فِی الْمُرْتَدَّۃِ: تُسْتَتَابُ، فَإِنْ تَابَتْ، وَإِلاَّ قُتِلَتْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৭৬৪৭) হযরত হাসান ( রাঃ ) থেকে মুরতাদ মহিলা সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে যে, তাকে তওবা করতে বলা হবে, যদি সে তওবা করে তাহলে ভালো । অন্যথায় তাকে হত্যা করা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۴۸) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ عُبَیْدَۃَ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : تُقْتَلُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৭৬৪৮ ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , একজন মুরতাদ নারীকে হত্যা করা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۴۹) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، قَالَ : تُقْتَلُ۔ - وَذَکَروا أَنَّ أَبَا حَنِیفَۃَ قَالَ : لاَ تُقْتَلُ إِذَا ارْتَدَتْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৭৬৪৯) হযরত হামদ বলেন , একজন মুরতাদ মহিলাকে হত্যা করা হবে । আর ( ইমাম ) আবু হানিফার উক্তিটি উল্লেখ করা হয়েছে : কোন নারী মুরতাদ হলে তাকে হত্যা করা হবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۵۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، أَخْبَرَنَا یُونُسُ ، عَنِ الْحَسَنِ ، عَنْ أَبِی بَکْرَۃَ ، قَالَ : انْکَسَفَتِ الشَّمْسُ ، أَوِ الْقَمَرُ عَلَی عَہْدِ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : إِنَّ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ آیَتَانِ مِنْ آیَاتِ اللہِ ، لاَ یَنْکَسِفَانِ لِمَوْتِ أَحَدٍ مِنَ النَّاسِ ، فَإِذَا کَانَ ذَلِکَ فَصَلُّوا حَتَّی تَنْجَلِیَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৭৬৫০) হজরত আবু বকরা (রা.) বর্ণনা করেন যে , রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর যুগে যদি সূর্য বা চন্দ্রগ্রহণ হতো , তখন তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ( সা . ) তার উপর) বলেন । নিঃসন্দেহে সূর্য ও চন্দ্র আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মধ্যে দুটি নিদর্শন এই ব্যক্তিদের মধ্যে , কারো মৃত্যুতে কোন গ্রহন নেই , তাই যদি এটি ঘটে তবে আপনি গ্রহন শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রার্থনা করবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷۶۵۱) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ، عَنْ یَزِیدَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی لَیْلَی، قَالَ: حدَّثَنِی فُلاَنُ بْنُ فُلاَنٍ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ، قَالَ: إِنَّ کُسُوفَ الشَّمْسِ آیَۃٌ مِنْ آیَاتِ اللہِ، فَإِذَا رَأَیْتُمْ ذَلِکَ فَافْزَعُوا إِلَی الصَّلاَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 37651 ) হজরত আবদ আল - রহমান বিন আবিল লায়লা , সো - এবং - তা থেকে বর্ণনা করেন যে , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : নিঃসন্দেহে সূর্যগ্রহণ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের একটি , তাই যখন তোমরা তা দেখবে । , প্রার্থনার আশ্রয় চাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭৬৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস