
(۳۵۹۰۲) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا مِسْعَرٌ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ خَالِدٍ ، أَنَّ أَنَسًا کَانَ یَقُولُ : مَا مِنْ رَوْحَۃٍ ، وَلاَ غَدْوَۃٍ إِلاَّ تُنَادِی کُلُّ بُقْعَۃٍ جَارَتَہَا یَا جَارَتِی ، متی مَرَّ بِکَ الْیَوْمَ نَبِیٌّ ، أَوْ صِدِّیقٌ ، أَوْ عَبْدٌ ذَاکِرٌ لِلَّہِ عَلَیْک فَمِنْ قَائِلَۃٍ : نَعَمْ ، وَمِنْ قَائِلَۃٍ : لاَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫৯০২) হজরত মুহাম্মাদ বিন খালিদ (রা . ) থেকে বর্ণিত যে, হজরত আনাস ( রা . ) বলতেন যে, পৃথিবীর প্রতিটি টুকরো , তার পাশের টুকরোটি ছাড়া আর কোনো সকাল বা সন্ধ্যা কাটে না । হে ঈশ্বর ! এই দিনে আপনি কবে মহানবী (সা . ) খ্রিস্টপূর্ব শতাব্দী অতিক্রম করেছেন যে আল্লাহকে স্মরণ করে সে কি চলে গেছে ? তাই কিছু টুকরা হ্যাঁ বলে এবং কিছু টুকরা না বলে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۰۳) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ بَشِیرٍ ، عَنْ أَنَسٍ فِی قَوْلِہِ : {فَوَرَبِّکَ لَنَسْأَلَنَّہُمْ أَجْمَعِینَ عَمَّا کَانُوا یَعْمَلُونَ} قَالَ : لاَ إلَہَ إِلاَّ اللَّہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫৯০৩) হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে , আল্লাহর বাণী {ফাওরাবীক লান-নাসাল-নাহুম আজমা-ই না-উম্মা কানওয়া ইয়া-আমলুন} , তিনি বলেন , এর অর্থ আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۰۴) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : مَنِ اتَّخَذَ أَخًا فِی اللہِ بَنَی اللہ لَہُ بُرْجًا فِی الْجَنَّۃِ، وَمَنْ لَبِسَ بِأَخِیہِ ثَوْبًا أَلْبَسَہُ اللَّہُ ثَوْبًا فِی الْنَّارِ، وَمَنْ أَکَلَ بِأَخِیہِ أَکْلَۃً آکَلَہُ اللَّہُ بِہَا أَکْلَۃً فِی النَّارِ، وَمَنْ قَامَ بِأَخِیہِ مَقَامَ سُمْعَۃٍ وَرِیَائٍ أَقَامَہُ اللَّہُ یَوْمَ الْقِیَامَۃِ مَقَامَ سُمْعَۃٍ وَرِیَائٍ۔ (بخاری ۲۴۰۔ ابوداؤد ۴۸۴۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(35904) হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন , যে ব্যক্তি (কাউকে) আল্লাহর ভাই বানায় , আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করবেন । নক্ষত্রমণ্ডল তৈরি করে এবং যে ব্যক্তি তার ভাইকে অপবাদ দিয়ে দুনিয়া লাভ করে , তাহলে আল্লাহ তাকে জাহান্নামের পোশাক পরিয়ে দেবেন । এবং যে ব্যক্তি তার ভাইকে অপমান করে এবং কিছু খায় , সর্বশক্তিমান তাকে জাহান্নামে খাওয়াবেন । আল্লাহ তাকে লজ্জা ও অপমানের স্থান বানিয়ে দেবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۰۵) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ رَجُلٍ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : مَا الْتَقَی رَجُلاَنِ مِنْ أَصْحَابِ مُحَمَّدٍ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَافْتَرَقَا حَتَّی یَدْعُوَا بِدَعْوَی وَیَذْکُرَا اللَّہَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫৯০৫ ) হজরত আনাস ( রা. ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সাহাবীদের মধ্য থেকে কিছু দু’জন ব্যক্তি পরস্পরের সাথে দেখা হলে আল্লাহর জিকির করে এবং একে অপরকে ডাকার পর পৃথক হয়ে যেত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۰۶) حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ ، عَنْ أَبِی الْعُمَیْسِ ، عَنْ أَبِی طَلْحَۃَ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : لَوْ تَعْلَمُونَ مَا أَعْلَمُ لَبَکَیْتُمْ کَثِیرًا وَلَضَحِکْتُمْ قَلِیلاً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(35906) হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেছেন , আমি যা জানি তা যদি তোমরা জানতে , তাহলে তোমরা বেশি কাঁদতে এবং কম হাসতে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۰۷) حَدَّثَنَا الثَّقَفِیُّ ، عَنْ حُمَیْدٍ ، قَالَ : أَطَلْنَا الْحَدِیثَ ذَاتَ لَیْلَۃٍ ، ثُمَّ دَخَلْنَا عَلَی أَنَسِ بْنِ مَالِکٍ ، فَقَالَ : أَطَلْتُمَ الْحَدِیثَ الْبَارِحَۃَ ، أَمَا إنَّ حَدِیثَ أَوَّلِ اللَّیْلِ یُضِرُّ بِآخِرِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(35907) হযরত হামেদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন যে, এক রাতে আমাদের মধ্যে দীর্ঘ আলাপচারিতা হয়েছিল । অতঃপর আমরা হযরত আনাস বিন মালিক (রাঃ)-এর কাছে গেলাম এবং তিনি বললেনঃ আজ রাতে আপনার সাথে দীর্ঘ কথা হয়েছে । সাবধান! প্রথম রাতের কথাবার্তা শেষ রাতের জন্য ক্ষতিকর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۰۸) حَدَّثَنَا سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ أَبِی بَکْرٍ سَمِعَ أَنَسَ بْنَ مَالِکٍ یَقُولُ : یَتْبَعُ الْمَیِّتَ ثَلاَثٌ : أَہْلُہُ وَمَالُہُ وَعَمَلُہُ یَرْجِعُ أَہْلُہُ وَمَالُہُ وَیَبْقَی وَاحِدٌ ، یَعْنِی عَمَلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 35908 ) হযরত আনাস বিন মালিক বলেন , এই তিনটি জিনিস মৃতের সাথে যায় । তার মানুষ, তার সম্পদ এবং তার কর্ম। তারপর তার পরিবার ও সম্পদ ফিরে আসে ইত্যাদি অর্থাৎ এর ক্রিয়া রয়ে গেছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۰۹) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ حُصَیْنِ بْنِ عَبْدِ اللہِ الْہِفّانی ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : مَا أَعْرِفُ شَیْئًا إِلاَّ الصَّلاَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(35909) হজরত আনাস ( রা. ) থেকে বর্ণিত আছে যে , তিনি বলেন , আমি নামায ছাড়া কিছুই জানি না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۱۰) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ یَعْلَی ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ طَلْقِ بْنِ حَبِیبٍ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِکٍ ، قَالَ : ثَلاَثٌ مَنْ کُنَّ فِیہِ وَجَدَ طَعْمَ الإِیمَانِ وَحَلاَوَتَہُ : أَنْ یَکُونَ اللَّہُ وَرَسُولُہُ أَحَبَّ إلَیْہِ مِمَّا سِوَاہُمَا ، وَأَنْ یُحِبَّ فِی اللہِ ، وَأَنْ یَبْغَضَ فِی اللہِ ، وَأَنْ لَوْ أُوقِدَتْ لَہُ نَارٌ یَقَعُ فِیہَا أَحَبُّ إلَیْہِ مِنْ أَنْ یُشْرِکَ بِاللہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫৯১০ ) হজরত আনাস বিন মালিক ( রা . ) থেকে বর্ণিত আছে যে , তিনি বলেন , এ তিনটি জিনিস যার আছে সে যেন ঈমানের মাধুর্য গড়ে তোলে অর্থাৎ সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে অন্য সব কিছুর চেয়ে বেশি ভালোবাসে । আর সে যেন আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ভালোবাসে এবং আল্লাহর জন্য ঘৃণা করে এবং যে আগুনে তাকে নিক্ষেপ করা হয় তার জন্য যদি আগুন জ্বালানো হয় , তাহলে তা তার জন্য শিরক করার চেয়েও বেশি প্রিয় হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۱۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ دِرْہَمٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِکٍ یَقُولُ فِی قَوْلِہِ : {وَکُلَّ إنْسَانٍ أَلْزَمْنَاہُ طَائِرَہُ فِی عُنُقِہِ} قَالَ : کِتَابَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(35911) হযরত আনাস বিন মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন , এর অর্থ হল তাঁর আমলনামা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۱۲) حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا أَبُو رَجَائٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مَالِکٍ ، عَنِ الْبَرَائِ بْنِ عَازِبٍ : {تَحِیَّتُہُمْ یَوْمَ یَلْقَوْنَہُ سَلاَمٌ} قَالَ : یَوْمَ یَلْقَوْنَ مَلَکَ الْمَوْتِ ، لَیْسَ مِنْ مُؤْمِنٍ یَقْبِضُ رُوحَہُ إِلاَّ سَلَّمَ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 35912 ) হযরত বারা ইবনে আযিব (রহঃ ) বলেন : ইয়া এবং Wm ইয়া লাকুনাহু সালাম সম্পর্কে একটি রেওয়ায়েত আছে যে তারা বলে যে, এই সেই দিন যেদিন তারা মৃত্যুর জগতের সাথে মিলিত হবে । এমন কোন মুমিন নেই যার আত্মা সে কবজ করে তবে সে তাকে সালাম দেয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۱۳) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ عَنِ الأعمش عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَیْدَۃَ ، عَنِ الْبَرَائِ بْنِ عَازِبٍ ، قَالَ فِی قَوْلِہِ : {یُثَبِّتُ اللَّہُ الَّذِینَ آمَنُوا بِالْقَوْلِ الثَّابِتِ فِی الْحَیَاۃِ الدُّنْیَا} قَالَ : التَّثْبِیتُ فِی الْحَیَاۃِ الدُّنْیَا إذَا جَائَ الْمَلَکَانِ إِلَی الرَّجُلِ فِی الْقَبْرِ فَقَالاَ لَہُ : مَنْ رَبُّک ؟ فَقَالَ : رَبِّی اللَّہُ ، وَقَالاَ : مَا دِینُک ؟ قَالَ : دِینِی الإِسْلاَمُ ، قَالاَ : وَمَنْ نَبِیُّک ، قَالَ : مُحَمَّدٌ ، قَالَ : فَذَلِکَ التَّثْبِیتُ فِی الْحَیَاۃِ الدُّنْیَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫৯১৩ ) হজরত বারা ইবনে আযিব ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , তিনি আল্লাহর বাণী সম্পর্কে বলেছেন : “ যেদিন জীবনে দৃঢ় থাকার অর্থ হচ্ছে , যখন কবরে কোনো ব্যক্তির কাছে দুজন ফেরেশতা আসে , তখন তারা উভয়েই তাকে বলে । ব্যক্তি : তোমার প্রভু কে ? লোকটি উত্তর দিলঃ আমার রব আল্লাহ । তারপর দুজনেই জিজ্ঞেস করে তোমার ইচ্ছা কি ? সে উত্তর দেয়ঃ আমার ধর্ম ইসলাম তারপর তারা জিজ্ঞেস করেঃ তোমার নবী কে ? এটি মুহাম্মাদ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর দেওয়া উত্তর । হজরত বারা ( রহ . ) বলেন , আমার দৈনন্দিন জীবনে অবিচল থাকা বলতে এটাই বোঝায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۱۴) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ السَّائِبِ ، عَنْ زَاذَانَ ، عَنِ الْبَرَائِ ، قَالَ : {إنَّ اللَّہَ یَأْمُرُکُمْ أَنْ تُؤَدُّوا الأَمَانَاتِ إِلَی أَہْلِہَا} قَالَ : الأَمَانَۃُ فِی الصَّلاَۃِ ، وَالأَمَانَۃُ فِی الْغُسْلِ مِنَ الْجَنَابَۃ، وَالأَمَانَۃُ فِی الْکَیْلِ ، وَالأَمَانَۃُ فِی الْوَزْنِ ، وَأَعْظَمُ ذَلِکَ فِی الْوَدَائِعِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫৯১৪ ) হজরত বারা (রা. ) থেকে বর্ণিত আছে যে , তিনি বলেছেন : { নিশ্চয়ই আল্লাহ মানুষের ওপর আমানত অর্পণ করবেন } তিনি বললেন : নামাজও আমানত । আর ওজনের ভরসা আছে এবং জানাবাতের গোসলের ভরসা আছে । পরিমাপের উপর আস্থা আছে , এবং সবচেয়ে বড় আশীর্বাদের উপর আস্থা আছে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۱۵) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : أَحِبَّ فِی اللہِ ، وَأَبْغِض فِی اللہِ ، وَوَالِ فِی اللہِ ، وَعَادِ فِی اللہِ ، فَإِنَّمَا تُنَالُ وِلاَیَۃُ اللہِ بِذَلِکَ ، لاَ یَجِدُ رَجُلٌ طَعْمَ الإِیمَانِ وَإِنْ کَثُرَتْ صَلاَتُہُ وَصِیَامُہُ حَتَّی یَکُونَ کَذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫৯১৫) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে , তিনি বলেছেন: আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ভালোবাসা । আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ঘৃণা করা । আল্লাহর জন্য বন্ধুত্ব কর এবং আল্লাহর জন্য শত্রুতা কর কারণ ঈশ্বরের ইচ্ছা তার কাছ থেকে পাওয়া যায় কেউ যদি বেশি বেশি নামায পড়ে এবং রোজা রাখে , তবে সে ঈমানের মাধুর্য লাভ করতে পারবে না যতক্ষণ না সে এমন হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۱۶) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ ، عَنْ یَحْیَی ، عَنِ الْقَاسِمِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : قیلَ لَہُ : رَجُلٌ کَثِیرُ الذُّنُوبِ کَثِیرُ الْعَمَلِ أَحَبُّ إلَیْک ، أَوْ رَجُلٌ قَلِیلُ الذُّنُوبِ قَلِیلُ الْعَمَلِ ، قَالَ : مَا أَعْدِلُ بِالسَّلاَمَۃِ شَیْئًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 35916 ) হজরত কাসিম হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) সম্পর্কে বর্ণনা করেন এবং বলেন যে, তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: সবচেয়ে বেশি গুনাহ এবং সবচেয়ে বেশি আমল প্রিয় ব্যক্তি নাকি কম গুনাহ ও কম আমল সম্পন্ন ব্যক্তি ? তিনি বললেনঃ আমি নিরাপত্তাকে অন্য কোন জিনিসের সমান মনে করি না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۱۷) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ قَابُوسَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : السَّمْتُ الصَّالِحُ وَالْہَدْیُ الصَّالِحُ وَالاِقْتِصَادُ جُزْئٌ مِنْ خَمْسَۃٍ وَعِشْرِینَ جُزْئًا مِنَ النُّبُوَّۃِ۔ (احمد ۲۹۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(35917) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) থেকে বর্ণিত আছে যে , তিনি বলেন , সদাচরণ , সদাচরণ এবং সদাচরণ নবুওয়াতের পঁচিশটি উপাদানের একটি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۱۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عُثْمَانَ الثَّقَفِیِّ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ : {وَنَادَی أَصْحَابُ النَّارِ أَصْحَابَ الْجَنَّۃِ أَنْ أَفِیضُوا عَلَیْنَا مِنَ الْمَائِ} الآیَۃُ ، قَالَ : یُنَادِی الرَّجُلُ أَخَاہُ ، وَیُنَادِی الرَّجُل الرَّجُلَ فَیَقُولُ : إنِّی قَدِ احْتَرَقْت فَأَفِضْ عَلَیَّ مِنَ الْمَائِ ، قَالَ : فَیُقَالُ لہ : أَجِبْہُ ، فَیَقُولُ : إنَّ اللَّہَ حرَّمَہُمَا عَلَی الْکَافِرِینَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 35918 ) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) থেকে বর্ণিত । তিনি (রাঃ) বললেনঃ একজন লোক তার ভাইকে আওয়াজ দেবে এবং একজন লোক একজন মানুষকে আওয়াজ দেবে । একজন লোক বলবে , আমি পুড়ে গেছি তাই তুমি আমার গায়ে পানি ঢাললে । বর্ণনাকারী বলেন, এই লোকটিকে বলা হবে , তুমি তাকে উত্তর দাও । তিনি বলবেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ এগুলোকে কাফেরদের জন্য হারাম করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۱۹) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ فِی قَوْلِہِ : {الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ} قَالَ: الشَّیْطَانُ جَاثِمٌ عَلَی قَلْبِ ابْنِ آدَمَ ، فَإِذَا سَہَا وَغَفَلَ وَسْوَسَ ، وَإِذَا ذَکَرَ اللَّہَ خَنَسَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(35919) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে , আল্লাহ্র বাণী {আল-ওয়াসওয়াস-ই-খান্নাস} বলেছেন : শয়তান আদম সন্তানের অন্তরে বসে থাকে, ফলে মানুষ যখন ভুলে যায় এবং যদি সে গাফেল, শয়তান ফিসফিস করে , এবং যখন একজন মানুষ ঈশ্বরের কথা বলে , তখন সে পিছু হটে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۲۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ زَیْدٍ ، عَنْ یُوسُفَ بْنِ مِہْرَانَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ : {ذَلِکَ یَوْمٌ مَجْمُوعٌ لَہُ النَّاسُ وَذَلِکَ یَوْمٌ مَشْہُودٌ} قَالَ : یَوْمُ الْقِیَامَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫৯২০) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, আল্লাহ { জাল্লিক ইয়াওম মাজমুউ লাহ - উল - নাস ও জাল্লিক ইয়াওম মাশহুদ } । তিনি বললেনঃ এটা উম্মতের দিন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۲۱) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ قَابُوسَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ {آنَائَ اللَّیْلِ} قَالَ : جَوْفُ اللَّیْلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 35921 ) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) থেকে বর্ণিত আছে যে , তিনি বলেছেন : এটি মধ্যরাত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۲۲) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ ہَارُونَ بْنِ عَنْتَرَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : سَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ : أَیُّ الْعَمَلِ أَفْضَلُ ، قَالَ : ذِکْرُ اللہِ أَکْبَرُ ، وَمَا جَلَسَ قَوْمٌ فِی بَیْتٍ یَتَعَاطَوْنَ فِیہِ کِتَابَ اللہِ فِیمَا بَیْنَہُمْ ، وَیَتَدَارَسُونَہُ إِلاَّ أَظَلَّتْہُمَ الْمَلاَئِکَۃُ بِأَجْنِحَتِہَا ، وَکَانُوا أَضْیَافَ اللہِ ، مَا دَامُوا فِیہِ ، حَتَّی یَخُوضُوا فِی حَدِیثٍ غَیْرِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫৯২২) হজরত অন্তর থেকে বর্ণিত আছে , তিনি বলেন , আমি হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) -কে জিজ্ঞেস করলাম : কোন আমলটি উত্তম? তিনি (রাঃ) বললেনঃ আল্লাহকে স্মরণ করা সবচেয়ে বড় কাজ। কোন জাতি ঘরে বসে নিজেদের মধ্যে আল্লাহর কিতাব শেখাবে না , তবে ফেরেশতারা তাদের ডানা দিয়ে ছায়া দেয় এবং যতক্ষণ তারা এই প্রক্রিয়ায় থাকবে ততক্ষণ তারা আল্লাহর মেহমান . হ্যাঁ , যতক্ষণ না তারা অন্য কিছুতে জড়িত হয় .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۲۳) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنِ السُّدِّیِّ ، عَنْ أَبِی حَکِیمٍ الْبَارِقِیِّ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : {وَنُفِخَ فِی الصُّوْرِ فَصَعِقَ مَنْ فِی السَّمَاوَاتِ وَمَنْ فِی الأَرْضِ إِلاَّ مَنْ شَائَ اللَّہُ} قَالَ : نُفِخَ فِیہِ أَوَّلُ نَفْخَۃٍ فَصَارُوا عِظَامًا وَرُفَاتًا ، ثُمَّ نُفِخَ فِیہِ الثَّانِیَۃُ، فَإِذَا ہُمْ قِیَامٌ یَنْظُرُونَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(35923) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেছেন : {এবং সেদিন প্রথম শিঙ্গায় ফুঁক দেওয়া হবে , তারপর মানুষ হাড় - হাড় হয়ে যাবে , তারপর দ্বিতীয় শিঙ্গায় ফুঁক দেওয়া হবে । নাজুরুন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۲۴) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ مِقْسَمٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ {یَعِظُکُمُ اللَّہُ أَنْ تَعُودُوا لِمِثْلِہِ} قَالَ : یُحَرِّجُ اللَّہُ عَلَیْکُمْ أَنْ تَعُودُوا لِمِثْلِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 35924 ) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে , তিনি বলেছেন : মহান আল্লাহ আপনার জন্য বর্ষিত হোক । তিনি তোমাদেরকে তাঁর সাদৃশ্যে ফিরে আসতে নিষেধ করছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۲۵) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ، عَنْ سُفْیَانَ بْنِ حُسَیْنٍ، عَنِ الْحَکَمِ، عَنْ مُجَاہِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ فِی قَوْلِہِ: {فَاتَّقُوا اللَّہَ وَأَصْلِحُوا ذَاتَ بَیْنِکُمْ} قَالَ : ہَذَا تَحْرِیجٌ مِنَ اللہِ عَلَی الْمُؤْمِنِینَ أَنْ یَتَّقُوا وَیُصْلِحُوا ذَاتَ بَیْنِہِمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 35925) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে আল্লাহর বাণী ( ভাগ্যবান এবং ধার্মিকদের প্রতি ধার্মিক হও ) যে , তিনি বলেছেন : এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদের জন্য যারা তাকওয়া বেছে নেয় এবং নিজেদের মধ্যে শান্তি ও পবিত্রতা বজায় রাখুন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۲۶) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ قَیْسٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ : ضَمِنَ اللَّہُ لِمَنِ اتَّبَعَ الْقُرْآنَ أَنْ لاَ یَضِلَّ فِی الدُّنْیَا ، وَلاَ یَشْقَی فِی الآخِرَۃِ ، ثُمَّ تَلاَ {فَمَنِ اتَّبَعَ ہُدَایَ فَلاَ یَضِلُّ وَلاَ یَشْقَی}۔
থেকে বর্ণিতঃ
(35926 ) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত , যে ব্যক্তি কুরআনের অনুসরণ করবে , আল্লাহ তায়ালা তাকে এই নিশ্চয়তা দিয়েছেন যে , সে দুনিয়া ও আখেরাতে বিপথগামী হবে না । অতঃপর তিনি ( রাঃ ) তিলাওয়াত করলেনঃ
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۲۷) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ فِی قَوْلِہِ : {تَوَفَّتْہُ رُسُلُنَا وَہُمْ لاَ یُفَرِّطُونَ} قَالَ : أَعْوَانُ مَلَکِ الْمَوْتِ مِنَ الْمَلاَئِکَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(35927) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে , আল্লাহর বাণী { তাওয়াফাত্তুহু রুসুলনা ওয়াহুম লায়ায়ু ফারিতুন } তিনি বলেন , এরা হলেন সেই ফেরেশতা যারা মৃত্যুর দুনিয়াকে সাহায্য করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۲۸) حَدَّثَنَا حُمَیْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ سِمَاکٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ {إذَا وَقَعَتِ الْوَاقِعَۃُ} قَالَ : یَوْمُ الْقِیَامَۃِ {لَیْسَ لِوَقْعَتِہَا کَاذِبَۃٌ خَافِضَۃٌ رَافِعَۃٌ} قَالَ : تَخْفِضُ نَاسًا وَتَرْفَعُ آخَرِینَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 35928) হজরত ইবনে আব্বাস (রা . ) - এর সূত্রে তিনি বলেন , এটি সৎ জাতির দিন । তিনি বললেনঃ কিছু লোককে উন্নীত করা হবে এবং কিছু লোককে নিচু করা হবে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۲۹) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مُسْلِمٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنِ ابْنِ عبَّاسٍ : {إنَّ الْحَسَنَاتِ یُذْہِبْنَ السَّیِّئَاتِ} قَالَ : الصَّلَوَاتُ الْخَمْسُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 35929) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) থেকে বর্ণিত তিনি বললেনঃ এগুলো হল পাঁচ ওয়াক্ত নামায
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۳۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی یَحْیَی الْقَتَّاتِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : الأَرْضُ تَبْکِی عَلَی الْمُؤْمِنِ أَرْبَعِینَ صَبَاحًا۔ (ابن جریر ۲۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫৯৩০) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন , পৃথিবীর বান্দা একজন মুমিনের জন্য চল্লিশ দিন কাঁদে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۹۳۱) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ قَابُوسَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : مَنْ رَائَی رَائَی اللَّہُ بِہِ۔ (مسلم ۲۲۸۹۔ ابن حبان ۴۰۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫৯৩১) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে , তিনি বলেন , যে ব্যক্তি মুনাফিকের কাজ করে , আল্লাহ তায়ালাও তার ওপর অসন্তুষ্ট হন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৯৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস