
(۳۵۵۴۷) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ ، عَنْ أَبِی الْفَضْلِ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، قَالَتْ : قُلْتُ : یَا رَسُولَ اللہِ ، أَتَذْکُرُونَ أَہَالِیَکُمْ یَوْمَ الْقِیَامَۃِ ، فَقَالَ : أَمَّا عِنْدَ ثَلاَثٍ فَلاَ : عِنْدَ الْکِتَابِ ، وَعِنْدَ الْمِیزَانِ ، وَعِنْدَ الصِّرَاطِ۔ (ابوداؤد ۴۷۲۲۔ احمد ۱۰۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(35547) হযরত আয়েশা ( রাঃ ) থেকে বর্ণিত যে , তিনি বলেনঃ আমি জিজ্ঞাসা করলাম ইয়া রাসূলাল্লাহ ! শেষ বিচারের দিন কি আপনার পরিবারের সদস্যদের মনে থাকবে ? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তিন জায়গায় অবস্থান করো না । আমি এটা করতে হবে . কাজের সময়, পরিমাপের সময় এবং রাস্তার সেতুতে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৫৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۵۴۸) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ ، عَنْ بَہْزِ بْنِ حَکِیمٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ جَدِّہِ ، قَالَ : قُلْتُ : یَا رَسُولَ اللہِ ، أَیْنَ تَأْمُرُنِی ، قَالَ : ہَاہُنَا ، وَقَالَ بِیَدِہِ نَحْوَ الشَّامِ إنَّکُمْ محْشُرُونَ رِجَالاً وَرُکْبَانًا وَتُحْشَرُونَ عَلَی وُجُوہِکُمْ۔ (ابن ماجہ ۲۵۳۶۔ طبرانی ۹۶۹)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫৫৪৮ ) হজরত বাহজ ইবনে হাকিম তার পিতা ও দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন : আমি জিজ্ঞেস করলাম ইয়া রাসূলাল্লাহ ! আপনি আমাকে কোথায় আদেশ করবেন ? তাই তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাঁর বরকতময় হাত দিয়ে সিরিয়ার দিকে ইশারা করলেনঃ নিশ্চয়ই তোমাদের লোকদের ঘোড়ার পিঠে এবং পেঁপেতে একত্রিত করা হবে এবং তোমাদের মুখমন্ডলে থাকবে । সংগ্রহ করা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৫৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۵۴۹) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ ہَارُونَ بْنِ أَبِی وَکِیعٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : لَمَّا نَزَلَتْ ہَذِہِ الآیَۃُ {الْیَوْمَ أَکْمَلْتُ لَکُمْ دِینَکُمْ} قَالَ : یَوْمَ الْحَجِّ الأَکْبَرِ ، قَالَ : فَبَکَی عُمَرُ ، فَقَالَ لَہُ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: مَا یُبْکِیک ، قَالَ : یَا رَسُولَ اللہِ ، أَبْکَانِی أَنَّا کُنَّا فِی زِیَادَۃٍ مِنْ دِینِنَا ، فَأَمَّا إذ کَمُلَ فَإِنَّہُ لَمْ یَکْمُلْ قَطُّ شَیْئٌ إِلاَّ نَقَصَ ، قَالَ : صَدَقْتَ۔ (طبری ۸۰)
থেকে বর্ণিতঃ
( 35549 ) হজরত হারুন বিন আবিয়ুকি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন , তিনি বলেন , যখন এ আয়াত নাজিল হয় , তখন বর্ণনাকারী বলতেন : হ্যাঁ । সেদিন ছিল হজ্জে আকবরের দিন। একথা বলে হযরত ওমর (রাঃ) কাঁদতে লাগলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজরত ওমর (রা . )-কে জিজ্ঞেস করলেন , তুমি কিসের জন্য কাঁদছ ? হযরত ওমর (রা. ) বলেন ইয়া রাসূলাল্লাহ ! এটা আমাকে কাঁদিয়েছে যে আমরা আমাদের দিনে ধর্মপ্রাণ ছিলাম সুতরাং এই দিনটি যখন নিখুঁত হয় , এর মানে হল যে যখনই কিছু নিখুঁত হয় , তখনই তা ব্যর্থ হতে শুরু করে । তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তুমি সত্য বলছ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৫৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۵۵۰) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنِ الْعَلاَئِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَا مِنْ قَطْرَتَیْنِ أَحَبُّ إِلَی اللہِ مِنْ قَطْرَۃٍ فِی سَبِیلِہِ ، أَوْ مِنْ قَطْرَۃِ دُمُوعٍ قَطَرَتْ مِنْ عَیْنِ رَجُلٍ قَائِمٍ فِی جَوْفِ اللَّیْلِ مِنْ خَشْیَۃِ اللہِ ، وَمَا مِنْ جُرْعَتَیْنِ أَحَبُّ إِلَی اللہِ مِنْ جُرْعَۃٍ مُحْزِنَۃٍ مُوجِعَۃٍ رَدَّہَا صَاحِبُہَا بِحُسْنِ صَبْرٍ وَعَزَائٍ ، أَوْ جُرْعَۃِ غَیْظٍ کَظَمَ عَلَیْہَا۔ (ابن المبارک ۶۷۲۔ عبدالرزاق ۲۰۲۸۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫৫৫০) হজরত হাসান (রা.) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন , রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন : এই দুই ফোঁটার চেয়ে বেশি কোনো ফোঁটাই আল্লাহ তায়ালার কাছে প্রিয় । এটি সেই রক্তের ফোঁটা যা আল্লাহর পথে পড়েছিল এবং এটি সেই ফোঁটা যা সেই ব্যক্তির চোখ থেকে পড়েছিল যে এই রাতে আল্লাহর ভয়ে আল্লাহর সামনে দাঁড়িয়েছিল এবং এর চেয়ে আর কোন চুমুক প্রিয় নয় দুই চুমুক একটি বেদনাদায়ক এবং দুঃখজনক চুমুক যা একজন ব্যক্তির ভাল ধৈর্য এবং সহনশীলতার সাথে গ্রহণ করা উচিত এবং রাগের আরেকটি চুমুক যা একজন ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণ করা উচিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৫৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۵۵۱) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ یَمَانٍ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : کَانَتِ الْعِبَادَۃُ تَأْخُذُ علی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَیَخْرُجُ عَلَی أَصْحَابِہِ کَأَنَّہُ شِنٌّ بَالٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫৫৫১) হজরত হাসান ( রা . ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) ইবাদাতে এতটাই প্রাধান্য পেয়েছিলেন যে, তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) যদি তিশরীফ আনতেন । সাহাবায়ে কেরামের কাছে তিনি ( সাঃ ) পুরানো মিশকিজার মত অনুভব করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৫৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۵۵۲) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَثَلُ الْمُؤْمِنِ مَثَلُ الزَّرْعِ لاَ تَزَالُ الرِّیحُ تُمِیلُہُ ، وَلاَ یَزَالُ الْمُؤْمِنُ یُصِیبُہُ بَلاَئٌ ، وَمَثَلُ الْکَافِرِ مَثَلُ شَجَرَۃِ الأَرْزِ لاَ تَہْتَزُّ حَتَّی تَسْتَحْصِدَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫৫৫২ ) হজরত আবু হুরায়রা ( রা. ) থেকে বর্ণিত আছে , তিনি বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : মুমিনের উদাহরণ , অনুরূপ । বাতাস তাকে প্রতিনিয়ত নাড়া দিচ্ছে । বিশ্বাসীও প্রতিনিয়ত পরীক্ষার সম্মুখীন হয় আর অবিশ্বাসীর উদাহরণ হল একটি তেঁতুল গাছের মত যা সম্পূর্ণভাবে কাটা না হওয়া পর্যন্ত নড়ে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৫৫১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۵۵۳) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ وَمُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالاَ : حدَّثَنَا زَکَرِیَّا بْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : حَدَّثَنِی ابن کَعْبُ بْنُ مَالِکٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَثَلُ الْمُؤْمِنِ کَمَثَلِ الْخَامَۃِ مِنَ الزَّرْعِ تَفِیئُہَا الرِّیحُ تَصْرَعُہَا مَرَّۃً وَتَعْدِلُہَا أُخْرَی حَتَّی تَہِیجَ وَمَثَلُ الْکَافِرِ کَمَثَلِ الأَرْزَۃِ الْمُجَذَّبَۃِ عَلَی أَصْلِہَا ، لاَ یَفِیئُہَا شَیْئٌ حَتَّی یَکُونَ انْجِعَافُہَا مَرَّۃً وَاحِدَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫৫৫৩ ) হজরত কাব ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , তিনি বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : মুমিনের দৃষ্টান্ত হলো দরিদ্রের মতো , বাতাস তাকে নাড়াচাড়া করে । কখনো বাঁকানো আবার কখনো সোজা করা । হ্যাঁ , যতক্ষণ না এটি হলুদ হয়ে যায় , এবং অবিশ্বাসীর উদাহরণ হল একটি সাইপ্রেসের মতো যা মাটিতে তার শিকড়ের উপর সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে । কিছুই এটিকে সরাতে পারে না হ্যাঁ , যতক্ষণ না সে একবারে উপড়ে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৫৫২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۵۵۴) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ بُرَیْدِ بْنِ عَبْدِ اللہِ ، عَنْ أَبِی بُرْدَۃَ ، عَنْ أَبِی مُوسَی ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : الْمُؤْمِنُ لِلْمُؤْمِنِ کَالْبُنْیَانِ یَشُدُّ بَعْضُہُ بَعْضًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫৫৫৪) হজরত আবু মূসা ( রা. ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : “একজন মুমিন মুমিনের জন্য একটি ভবনের মতো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৫৫৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۵۵۵) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ یَعْلَی بْنِ عَطَائٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَمْرٍو ، قَالَ : مَثَلُ الْمُؤْمِنِ کَمَثَلِ النَّحْلَۃِ تَأْکُلُ طَیِّبًا وَتَضَعُ طَیِّبًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 35555 ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ( রা . ) থেকে বর্ণিত আছে , তিনি বলেন , মুমিনের উদাহরণ হল একটি মধু মৌমাছির মতো যে তা ভালো করে খেয়ে ফেলে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৫৫৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۵۵۶) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ وَوَکِیعٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِیرٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : الْمُؤْمِنُونَ کَرَجُلٍ وَاحِدٍ إنِ اشْتَکَی رَأْسُہُ تَدَاعَی لَہُ سَائِرُ جَسَدِہِ بِالْحُمَّی وَالسَّہَرِ۔ (بخاری ۶۰۱۱۔ مسلم ۲۰۰۰)
থেকে বর্ণিতঃ
( 35556 ) হজরত নুমান বিন বাশীর ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , তিনি বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : মানুষ কী ? যদি একজন ব্যক্তির মাথা অভিযোগ করে , তবে একজন ব্যক্তির পুরো শরীর জ্বর এবং সর্দি দ্বারা অনুষঙ্গী হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৫৫৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۵۵۷) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ إِسْحَاقَ ، عَنِ ابْنِ مُبَارَکٍ ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ ثَابِتٍ، قَالَ: حدَّثَنِی أَبُو حَازِمٍ، قَالَ: سَمِعْتُ سَہْلَ بْنَ سَعْدٍ یُحَدِّثُ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : الْمُؤْمِنُ مِنْ أَہْلِ الإِیمَانِ بِمَنْزِلَۃِ الرَّأْسِ مِنَ الْجَسَد، یَأْلَمُ الْمُؤْمِنُ لأَہْلِ الإِیمَانِ کَمَا یَأْلَمُ الْجَسَدُ لِمَا فِی الرَّأْسِ۔(احمد ۳۴۰۔ طبرانی ۴۶۹۳)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫৫৫৭ ) হজরত সাহল ইবনে সাদ রাসুলুল্লাহ ( সা . ) থেকে বর্ণনা করেন যে , তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন : মুমিন ( অন্যরা ) মুমিনদের জন্য শরীরের মাথা । মুমিন মুমিনের ব্যথা ঠিক সেভাবে অনুভব করে যেমন মাথার ব্যথা শরীরের বাকি অংশ অনুভব করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৫৫৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۵۵۸) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَۃَ ، عَنْ سِمَاکٍ ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِیرٍ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : مَثَلُ الْمُؤْمِنِ کَمَثَلِ الْجَسَدِ إذَا أَلِمَ بَعْضُہُ تَدَاعَی لِذَلِکَ کُلُّہُ۔ (احمد ۲۷۴۔ طیالسی ۷۹۳)
থেকে বর্ণিতঃ
( 35558 ) হজরত নুমান বিন বাশীর রাসুলুল্লাহ ( সা . ) থেকে বর্ণনা করেন যে , তিনি ( সা . ) বলেছেন : একজন মুমিনের উদাহরণ হলো একটি শরীরের মতো , যখন এর কিছু অংশ কষ্ট পায় তখন শরীরের বাকি অংশ । এছাড়াও ভোগে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৫৫৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۵۵۹) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ طَلْحَۃَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُحَادَۃَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ یَرْفَعُ عَبْدٌ نَفْسَہُ إِلاَّ وَضَعَہُ اللَّہُ وَلاَ یَضَعُ عَبْدٌ نَفْسَہُ إِلاَّ رَفَعَہُ اللَّہُ۔ (مسلم ۲۰۰۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫৫৫৯ ) হজরত হাসান ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , তিনি বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : তিনি ব্যতীত কেউ নিজেকে উঁচু করেন না যে , মহান আল্লাহ তাকে নত করেন এবং কেউ নত হন না স্বয়ং , মহান আল্লাহ তায়ালা ব্যতীত তাকে উচ্চ করে তোলেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৫৫৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۵۶۰) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، عَن عَبِیْدَۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : قَالَ لِی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : اقْرَأْ عَلَیَّ الْقُرْآنَ ، قَالَ : قُلْتُ : یَا رَسُولَ اللہِ ، أَقْرَأُ عَلَیْک وَعَلَیْک أُنْزِلَ ، قَالَ : إنِّی أَشْتَہِی أَنْ أَسْمَعَہُ مِنْ غَیْرِی ، قَالَ : فَقَرَأْت النِّسَائَ حَتَّی إذَا بَلَغْت : {فَکَیْفَ إذَا جِئْنَا مِنْ کُلِّ أُمَّۃٍ بِشَہِیدٍ وَجِئْنَا بِکَ عَلَی ہَؤُلاَئِ شَہِیدًا} رَفَعْت رَأْسِی ، أَوْ غَمَزَنِی رَجُلٌ إِلَی جَنْبِی فَرَأَیْتُ دُمُوعَہُ تَسِیلُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫৫৬০) হজরত আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন , রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমাকে বলেছেনঃ আমাকে কুরআন পাঠ কর। হজরত আবদুল্লাহ বলেন , আমি পেশ করলাম ইয়া রাসূলাল্লাহ ! আমি কি আপনার ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কাছে তা পাঠ করব ? যদিও আপনার উপর কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ আমি নিজে ছাড়া অন্য কারো কাছ থেকে কুরআন শুনতে চাই । বর্ণনাকারী বলেন , আমি সূরা নিসা তিলাওয়াত শুরু করলাম হ্যাঁ , যতক্ষণ না আমি { ফাক্কেই ফ ইফজা জাইনা মিন কুল উম্মা বিশাহ ই দে ওয়া জাইনা বিক আল-ই হাউলা ই শাহ ই দে } না উঠি , আমি মাথা তুললাম । পাশে বসা লোকটির প্রতি আকৃষ্ট হলাম . তাই আমি আপনাকে ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) দেখালাম যে আপনার অশ্রু প্রবাহিত হচ্ছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৫৫৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۵۶۱) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ حُبَابٍ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی مُعَاوِیَۃُ بْنُ صَالِحٍ ، قَالَ : حَدَّثَنِی عَمْرُو بْنُ قَیْسٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ بُسْرٍ ، أَنَّ أَعْرَابِیًّا ، قَالَ لِرَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَیُّ النَّاسِ خَیْرٌ ، قَالَ : مَنْ طَالَ عُمُرُہُ وَحَسُنَ عَمَلُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫৫৬১) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে বাসার ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, জনৈক মহিলা নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে জিজ্ঞেস করলেন , মানুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠ কে ? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ যার আয়ু ও নেক আমল আছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৫৬০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۵۶۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ کَثِیرِ بْنِ زَیْدٍ ، عَنْ سلمۃ بْنِ أَبِی یَزِیدَ ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إنَّ مِنْ سَعَادَۃِ الْمَرْئِ أَنْ یَطُولَ عُمُرُہُ وَیَرْزُقَہُ اللَّہُ الإِنَابَۃَ إلَیْہِ۔ (احمد ۳۳۳۔ بزار ۳۲۴۰)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫৫৬২ ) হজরত জাবির ইবনে আবদুল্লাহ ( রা . ) থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : এটি একজন ব্যক্তির সুখের লক্ষণ যে তার জীবন দীর্ঘ হয় এবং আল্লাহ তায়ালা তাকে তার দিকে ফিরে যাওয়ার সুখ দান করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৫৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۵۶۳) حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاہِیمَ عَن أَبِی سَلَمَۃَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: خَیْرُکُمْ أَطْوَلُکُمْ أَعْمَارًا وَأَحْسَنُکُمْ أَعْمَالاً۔(بزار ۱۹۷۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫৫৬৩) হজরত আবু হুরায়রা ( রা. ) থেকে বর্ণিত আছে যে , তিনি বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , তোমরা আমার চেয়ে উত্তম লোক , যাদের আয়ু দীর্ঘ এবং তাদের আমল ভালো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৫৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۵۶۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ طَلْحَۃَ بْنِ یَحْیَی ، قَالَ : حدَّثَنِی إبْرَاہِیمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ طَلْحَۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ شَدَّادٍ ، قَالَ : جَائَ ثَلاَثَۃُ رَہْطٍ مِنْ بَنِی عُذْرَۃٍ إِلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَأَسْلَمُوا ، قَالَ : فَقَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ یَکْفِینِی ہَؤُلاَئِ ، قَالَ : فَقَالَ : طَلْحَۃُ : أَنَا ، قَالَ : فَکَانُوا عِنْدِی ، قَالَ : فَضُرِبَ عَلَی النَّاسِ بَعْثٌ ، قَالَ : فَخَرَجَ أَحَدُہُمْ فَاسْتُشْہِدَ ، ثُمَّ ضُرِبَ بَعْثٌ فَخَرَجَ الثَّانِی فِیہِ فَاسْتُشْہِدَ ، قَالَ : وَبَقِیَ الثَّالِثُ حَتَّی مَاتَ مَرِیضًا عَلَی فِرَاشِہِ ، قَالَ طَلْحَۃُ : فَرَأَیْتُ فِی النَّوْمِ کَأَنِّی أُدْخِلْت الْجَنَّۃَ فَرَأَیْتہمْ أَعْرِفُہُمْ بِأَسْمَائِہِمْ وَسِیمَاہُمْ ، قَالَ : فَإِذَا الَّذِی مَاتَ عَلَی فِرَاشِہِ دَخَلَ أَوَّلَہُمْ ، وَإِذَا الثَّانِی مِنَ الْمُسْتَشْہِدِینَ عَلَی أَثَرِہِ ، وَإِذَا أَوَّلُہُمْ آخِرُہُمْ ، قَالَ فَدَخَلَنِی مِنْ ذَلِکَ ، قَالَ : فَأَتَیْت النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَذَکَرْت ذَلِکَ لَہُ ، فَقَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لَیْسَ أَحَدٌ عِنْدَ اللہِ أَفْضَلَ مِنْ مُعَمِّرٍ یُعَمَّرُ فِی الإِسْلاَمِ لِتَہْلِیلِہِ وَتَکْبِیرِہِ وَتَسْبِیحِہِ وَتَحْمِیدِہِ۔ (نسائی ۱۰۶۷۴۔ احمد ۱۶۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫৫৬৪) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে শাদ্দাদ ( রা . ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন , বনু ইজরা গোত্রের তিনজন লোক রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - এর খেদমত করেন এবং ইসলাম গ্রহণ করেন । বর্ণনাকারী বলেন, তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ আমার পক্ষ থেকে এই লোকদের কে রিযিক দেবে ? বর্ণনাকারী বলেন , হযরত তালহা রা তালহা বলেন , তাই তারা আমার সঙ্গে ছিল । কথিত আছে এই যাত্রায় মানুষকে যেতে হতো । বর্ণনাকারী বলেন , অতঃপর তাদের একজন বাইরে ভ্রমণ করে শহীদ হন ।অতঃপর তিনি আরেকটি যাত্রার মুখোমুখি হলেন এবং অন্য একজন তার সাথে যোগ দিলেন এবং তিনিও শহীদ হলেন বর্ণনাকারী বলেছেন যে আপনিই একমাত্র ব্যক্তি অবশিষ্ট আছেন হ্যাঁ , যতক্ষণ না সে তার বিছানায় মারা যায় . হজরত তালহা ( রা. ) বলেন , তাই আমি স্বপ্নে দেখলাম যে , আমি জান্নাতে প্রবেশ করেছি । আমি এই লোকদের তাদের নাম এবং চিহ্ন দ্বারা চিনতাম । তারা বলেন , যে ব্যক্তি তাদের সাথে তার বিছানায় মারা গেছে সে তাদের আগে জান্নাতে প্রবেশ করেছে । এবং দ্বিতীয় শহীদ তার পরে আসেন . আর তাদের মধ্যে সর্বপ্রথম শহীদ হলেন শেষ জন ।বর্ণনাকারী বলেন এটা দেখার পর আমার মাথায় একটা কথা এলো এই বলে যে , আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর খেদমতে উপস্থিত ছিলাম এবং তাঁর সামনে এ কথা উল্লেখ করলাম ।তাই তিনি ( রাসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ) বললেনঃ “ আল্লাহর কাছে এই বৃদ্ধের চেয়ে ধন্য আর কেউ নেই যে ইসলামের পথে জীবন অতিবাহিত করেছে ” । কারণ তিনি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার, সুবহানাল্লাহ এবং আলহামদুলিল্লাহ পাঠ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৫৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۵۶۵) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَنْ زُہَیْرٍ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ زَیْدٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی بَکْرَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : جَائَ رَجُلٌ إِلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : أَیُّ النَّاسِ أَفْضَلُ ، قَالَ : مَنْ طَالَ عُمُرُہُ وَحَسُنَ عَمَلُہُ ، قَالَ : أَیُّ النَّاسِ شَرٌّ ، قَالَ : مَنْ طَالَ عُمُرُہُ وَسَائَ عَمَلُہُ۔ (ترمذی ۲۳۳۰۔ احمد ۴۸)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫৫৬৫) হজরত আবদ আল - রহমান ইবনে আবি বাকরা (রা) তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - এর খেদমত করছি , এক ব্যক্তি এসে বলল , মানুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠ কে ? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) উত্তরে বললেনঃ যার আয়ু ও নেক আমল আছে । প্রশ্নকারী জিজ্ঞেস করলেন, মানুষের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ কে ? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ যার আয়ু দীর্ঘ এবং তার আমল খারাপ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৫৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۵۶۶) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَیْمُونٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ رُبیعَۃَ ، عَنْ عُبَیْدِ بْنِ خَالِدٍ السُّلَمِیِّ ، قَالَ : آخَی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بَیْنَ رَجُلَیْنِ ، فَقُتِلَ أَحَدُہُمَا وَالآخَرُ بَعْدَہُ ، فَصَلَّیْنَا عَلَیْہِ ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَا قُلْتُمْ ، قَالُوا : دَعَوْنَا اللَّہَ لَہُ اللَّہُمَّ أَلْحِقْہُ بِصَاحِبِہِ ، قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : فَأَیْنَ صَلاَتُہُ بَعْدَ صَلاَتِہِ وَصِیَامُہُ بَعْدَ صِیَامِہِ وَأَیْنَ عَمَلُہُ بَعْدَ عَمَلِہِ شَکَّ فِی الصَّوْمِ وَالْعَمَلُ الَّذِی بَیْنَہُمَا کَمَا بَیْنَ السَّمَائِ وَالأَرْضِ۔ (احمد ۲۱۹۔ ابوداؤد ۲۵۱۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫৫৬৬) হজরত উবায়েদ বিন খালিদ সালামি (রা. ) থেকে একটি রেওয়ায়েত আছে যে , তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) দুই ব্যক্তির মধ্যে এই চুক্তিগুলো স্থাপন করেছিলেন । অতঃপর তাদের একজনকে হত্যা করা হয় এবং তার পরে অন্যজন মারা যায় । তারপর আমরা তার জানাজা পড়ি। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কি বললে ? সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) বললেনঃ আমরা তার জন্য দোয়া করেছি , হে আল্লাহ ! Y এর সাথে এটি একত্রিত করুন । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেন : তাহলে এর পরে ( প্রথমটির ) সালাত কোথায় যাবে ? আর রোযার পর তার রোযা কোথায় যাবে ? আর তার কর্মের পর তার কর্ম কোথায় যাবে? রোজা নিয়ে বর্ণনাকারীর সন্দেহ আছে । তাদের মধ্যকার ক্রিয়া যেমন পৃথিবী ও আকাশের মধ্যে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৫৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۵۶۷) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، قَالَ : قَالَ الْعَبَّاسُ لأَعْلَمَنَّ مَا بَقَاء رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِینَا ، فَقُلْتُ : یَا رَسُولَ اللہِ لَوَ اتَّخَذْت عَرِیشًا فَکَلَّمْت النَّاسَ ، فَإِنَّہُمْ قَدْ آذَوْک ، قَالَ : لاَ أَزَالُ بَیْنَ أَظْہُرِہِمْ یَطَؤُونَ عَقِبِی وَیُنَازِعُونِی رِدَائِی وَیُصِیبُنِی غُبَارُہُمْ حَتَّی یَکُونَ اللَّہُ یُرِیحُنِی مِنْہُمْ۔ (بزار ۲۴۶۶۔ دارمی ۷۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫৫৬৭) হজরত ইকরামা (রা . ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন , হজরত আব্বাস (রা.) বলেছেন, আমি অবশ্যই তোমাদের বলব যে , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) তাদের মধ্যে বসবাস করার মত কী ছিল ? আমি বললামঃ হে নবী ! আপনি যদি সন্ধ্যায় এটি তৈরি করেন , তাহলে মানুষের সাথে কথা বলুন । কারণ মানুষ তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ আমি সর্বদা তাদের মাঝে থাকব । এই লোকেরা আমার পায়ে মাড়াতে থাকবে এবং আমার চাদরের ভিতরে আমার সাথে ঝগড়া করতে থাকবে । এবং আমি তাদের আশেপাশে থাকা অব্যাহত রাখব হ্যাঁ , যতক্ষণ না আল্লাহ তায়ালা আমাকে তাদের কাছ থেকে শান্তি দেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৫৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۵۶۸) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْن بُکَیْر ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مُسْلِمُ بْنُ سَعِیدٍ الْوَاسِطِیُّ ، عَنْ مَنْصُورِ بْنِ زَاذَانَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یُؤَاسِی النَّاسَ بِنَفْسِہِ حَتَّی جَعَلَ یُرَقِّعُ إزَارَہُ بِالأَدَمِ ، وَمَا جَمَعَ بَیْنَ عَشَائٍ وَغَدَائٍ ثَلاَثَۃَ أَیَّامٍ وِلاَئً حَتَّی قَبَضَہُ اللَّہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫৫৬৮ ) হজরত হাসান ( রা . ) থেকে বর্ণিত আছে যে , তিনি বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর নিজের দ্বারা মানুষকে সান্ত্বনা দিতেন । হ্যাঁ , যতক্ষণ না আপনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আপনার ক্ষতগুলিকে চামড়া দিয়ে পেঁচিয়ে নিতেন এবং আপনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) পরপর তিন দিন সকাল বেলা সালাত আদায় করতেন , যতক্ষণ না তিনি মারা যান .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৫৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۵۶۹) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ ، عَنْ بَہْزِ بْنِ حَکِیمٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ جَدِّہِ ، قَالَ : قُلْتُ یَا رَسُولَ اللہِ ، ہَذَا دِینُنَا ، قَالَ : ہَذَا دِینُکُمْ ، وَأَیْنَمَا تُحْسِنْ یَکْفِیکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫৫৬৯ ) হজরত বাহজ ইবনে হাকিম তার পিতা , তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন , তিনি বলেন , আমি জিজ্ঞেস করলাম । ইয়া রাসূলাল্লাহ ! এটাই আমাদের ধর্ম . তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ এটা তোমাদের দ্বীন । আপনি এটি যেভাবেই করুন না কেন, এটি আপনার জন্য যথেষ্ট হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৫৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۵۷۰) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ بُکَیْر ، قَالَ : حدَّثَنَا زُہَیْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، عَنْ خَالِدِ بْنِ سَعِیدٍ ، عَنِ الْمُطَّلِبِ بْنِ حَنْطَبٍ ، أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : مَنْ قَالَ ، قَبَّحَ اللَّہُ الدُّنْیَا ، قَالَتِ الدُّنْیَا : قَبَّحَ اللَّہُ أَعْصَانَا لَہُ۔ (حاکم ۳۱۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(35570) হজরত মাতাল বিন হানতাব ( রা . ) থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : “ যে ব্যক্তি যদি আল্লাহ তায়ালা দিনটিকে খারাপ করে দেন , তবে দিনটি বলা হয় । যে ব্যক্তি আল্লাহর নাফরমানী করে আল্লাহ তাকে শাস্তি দিন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৫৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۵۷۱) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ یَمَانٍ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ نِسْطَاسٍ ، عَنْ سَعِیدٍ الْمَقْبُرِیِّ ، أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : خَیْرُ النَّاسِ مَنْ یُرْجَی خَیْرُہُ وَیُؤْمَنُ شَرُّہُ ، وَشَرُّ النَّاسِ مَنْ لاَ یُرْجَی خَیْرُہُ وَلاَ یُؤْمَنُ شَرُّہُ۔ (ترمذی ۲۲۶۳۔ حاکم ۲۶۹)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫৫৭১ ) হজরত সাঈদ আল মাকবারী ( রা . ) থেকে বর্ণিত আছে যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : “ সেই ব্যক্তি সর্বোত্তম যে ভালোর আশা রাখে এবং মন্দ থেকে শান্তিতে থাকে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ সে যে ভালোর আশা রাখে না এবং খারাপ থেকে শান্তিতে থাকে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৫৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস