
(۳۵۳۹۷) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مُبَارَکٌ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : کَانَ دَاوُد النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : اللَّہُمَّ لاَ مَرَضَ یُضْنِینِی ، وَلاَ صِحَّۃَ تُنْسِینِی ، وَلَکِنْ بَیْنَ ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫৩৯৭) হজরত হাসান বলেন : হজরত দাউদ নবী ( সা . ) বলতেন : হে আল্লাহ ! আমাকে এমন রোগ দিও না যা আমাকে সম্পূর্ণ অকেজো করে দেয় , এবং আমাকে এমন স্বাস্থ্য দিও না যা আমাকে ভুলে যায় ( সত্য ) , তবে তা দান কর
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৩৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۳۹۸) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَیْمٍ ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِیِّ ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ مُحْرِزٍ ، قَالَ : کَانَ لِدَاوُدَ نَبِیِّ اللہِ عَلَیْہِ السَّلاَمُ یَوْمَ یَتَأَوَّہُ فِیہِ فَیَقُولُ : أَوَّہ مِنْ عَذَابِ اللہِ ، أَوَّہ مِنْ عَذَابِ اللہِ أَوَّہ مِنْ عَذَابِ اللہِ ، أَوَّہ مِنْ عَذَابِ اللہِ ، ولاَ أَوَّہ ، قَالَ : فَذَکَرَہَا ذَاتَ یَوْمٍ فِی مَجْلِسٍ فَغَلَبَہُ الْبُکَائُ حَتَّی قَامَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫৩৯৮ ) হজরত সাফওয়ান বিন মাহরেজ বলেন , যখনই আল্লাহর নবী ( সা . ) খুব কষ্ট পেতেন , বলতেন : আমি আল্লাহর শাস্তিকে ভয় করি , আমি আল্লাহর চিন্তায় ব্যথিত হই । এর শাস্তি , ঈশ্বরের শাস্তি ভেবে আমি দুঃখিত .আমি ঈশ্বরের শাস্তিতে ব্যথিত , তা ছাড়া আমার আর কোন দুঃখ নেই . বর্ণনাকারী বলেনঃ একদিন এক মজলিসে তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আল্লাহ্র শাস্তির কথা চিন্তা করলেন এবং তিনি এত দুঃখে কাবু হয়ে গেলেন যে , সেখানে তাঁকে উঠতে হল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৩৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۳۹۹) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَیْمٍ ، عَنْ ثَابِتٍ ، قَالَ : کَانَ دَاوُد نَبِیُّ اللہِ عَلَیْہِ السَّلاَمُ إذَا ذَکَرَ عِقَابَ اللہِ تَخَلَّعَتْ أَوْصَالُہُ لاَ یَشُدُّہَا إِلاَّ الأَسر ، فَإِذَا ذَکَرَ رَحْمَۃَ اللہِ تَرَاجَعَتْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 35399 ) হজরত সাবিত বলেন : আল্লাহর রাসূল দাউদ (আ. ) যখন আল্লাহর বন্দী হওয়ার কথা ভাবতেন , তখন তাঁর জয়েন্টটি এমনভাবে জায়গা থেকে পিছলে যেত যে , তাকে নিয়মিত ( অস্ত্রোপচারের খরচে ) ফিরিয়ে দিতে হতো। .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৩৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۴۰۰) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا مِسْعَرٌ ، قَالَ : حَدَّثَنِی عَلْقَمَۃُ بْنُ مَرْثَدٍ ، عَنْ بُرَیْدَۃَ ، قَالَ : لَوْ عُدِلَ بُکَائُ أَہْلِ الأَرْضِ بِبُکَائِ دَاوُد مَا عَدَلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫৪০০) হজরত বারিদাহ বলেন : যদি পৃথিবীতে বসবাসকারী সকল মানুষের নামাজকে হজরত দাউদ ( আ . ) - এর নামাজের সঙ্গে তুলনা করা হয় তাহলে ( এই লোকদের মন্ত্রিত্ব হজরত দাউদ (আ.)- এর নামাজের সমান হবে না । তার উপর শান্তি বর্ষিত হোক )) .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৩৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۴۰۱) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ مَالِکِ بْنِ مِغْوَلٍ ، قَالَ : کَانَ فِی زَبُورِ دَاوُد إِنِّی أَنَا اللَّہُ لاَ إلَہَ إِلاَّ أَنَا ، مَلِکُ الْمُلُوک ، قُلُوبُ الْمُلُوکِ بِیَدِی ، فَأَیُّمَا قَوْمٍ کَانُوا عَلَی طَاعَۃٍ جَعَلْت الْمُلُوکَ عَلَیْہِمْ رَحْمَۃً ، وَأَیُّمَا قَوْمٍ کَانُوا عَلَی مَعْصِیَۃٍ جَعَلْت الْمُلُوکَ عَلَیْہِمْ نِقْمَۃً ، لاَ تَشْغَلُوا أَنْفُسَکُمْ بِسَبِ الْمُلُوکِ ، وَلاَ تَتُوبُوا إلَیْہِمْ ، تُوبُوا إلَیَّ أُعَطِّفْ قُلُوبَ الْمُلُوکِ عَلَیْکُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫৪০১ ) হযরত মালেক বিন মোগল বলেনঃ হযরত দাউদ ( আঃ ) জাবুরে ( অপ্রকাশিত কিতাবে ) ছিলেনঃ নিশ্চয়ই আমি সকলের মাবুদ , আমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই । (আমি ) রাজাদের রাজা। রাজাদের হৃদয় আমার দ্বারা বন্দী হয় তারা হল যারা আনুগত্যশীল , আমি তাদের প্রতি দয়াশীল হওয়ার জন্য রাজা করব । আর যারা অবাধ্য ( একগুঁয়ে ) তাদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য আমি রাজা করব । (সুতরাং ) রাজাদের খারাপ কথা বলবেন না এবং ( আপনার প্রয়োজনে ) তাদের দিকে ফিরবেন না , তবে আমার কাছে ফিরে আসুন , আমি আপনার জন্য এটিকে নরম করে দেব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৪০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۴۰۲) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبْزَی ، قَالَ : قَالَ دَاوُدُ النَّبِیُّ عَلَیْہِ السَّلاَمُ : خُطْبَۃُ الأَحْمَقِ فِی نَادِی الْقَوْمِ کَمَثَلِ الَّذِی یَتَغَنَّی عِنْدَ رَأْسِ الْمَیِّتِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 35402 ) হজরত আবদ আল - রহমান ইবনে আবযী বলেন : নবী দাউদ ( সা . ) বলেছেন : জনগণের সমাবেশে একজন মূর্খ ব্যক্তির বক্তব্য এ রকম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৪০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۴۰۳) حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، قَالَ : حدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَۃَ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ زَیْدٍ ، عن الحسن ، عَنِ الأَحْنَفِ بْنِ قَیْسٍ ، عَنْ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : إن داود عَلَیْہِ السَّلاَمُ قَالَ : یَا رَبِ ، إنَّ بَنِی إسْرَائِیلَ یَسْأَلُونَک بِإِبْرَاہِیمَ ، وَإِسْحَاقَ وَیَعْقُوبَ ، فَاجْعَلْنِی یَا رَبِّ لَہُمْ رَابِعًا ، قَالَ : فَأَوْحَی اللَّہُ إلَیْہِ : یَا دَاوُد ، إنَّ إبْرَاہِیمَ أُلْقِیَ فِی النَّارِ فِی سببی فَصَبَرَ فِیَّ وَتِلْکَ بَلِیَّۃٌ لَمْ تَنَلْک ، وَإِنَّ إِسْحَاقَ بَذَلَ مہجۃ دمہ فی سببی فَصَبَرَ ، وََتِلْکَ بَلِیَّۃٌ لَمْ تَنَلْک ، وَإِنَّ یَعْقُوبَ أَخَذَتُ حَبِیبُہُ حَتَّی ابْیَضَّتْ عَیْنَاہُ فَصَبَرَ ، وَتِلْکَ بَلِیَّۃٌ لَمْ تَنَلْک۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫৪০৩ ) হযরত আহনাফ বিন কায়স সানবী আকরাম ( আঃ ) থেকে বর্ণিত , তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেনঃ নিশ্চয় দাউদ ( আঃ ) বলেছেনঃ হে আমার রব ! নিঃসন্দেহে ইসরাইলের সন্তানরা হলেন ইব্রাহীম , ইসহাক ও ইয়াকুব ( তিন নবীর ) মাধ্যমে চাওয়া , অতঃপর আমাকে তাদের সাথে চতুর্থ বানাও । তিনি ( রাসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ) বললেনঃ এতে আল্লাহ তাঁর কাছে ওহী পাঠালেনঃ হে দাউদ ! মরিয়মের কারণে আব্রাহামকে আগুনে নিক্ষেপ করা হয়েছিল , তাই তিনি ধৈর্য ধরেছিলেন এবং আপনি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হননি ।আইজ্যাক 1 কে মরিয়মের জন্য তার জীবন উৎসর্গ করতে হয়েছিল , তাই তিনি ধৈর্য ধরেছিলেন এবং এই বিচার তার উপর আসেনি । আর ইয়াকুব , আমি তার প্রিয়তমাকে তার থেকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছিলাম , যতক্ষণ না তার চোখের শুভ্রতা ( কান্নার মাধ্যমে) নেমে আসে , তাই সে ( ওর উপর ) ধৈর্য্য ধারণ করেছিল এবং এই পরীক্ষা তোমার থেকে ( খুব ) দূরে ছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৪০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۴۰۴) حَدَّثَنَا مُعَاوِیَۃُ بْنُ ہِشَامٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ أَبِی الْمُصْعَبِ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ کَعْبٍ ، قَالَ : کَانَ إذَا أَفْطَرَ الصَّائِمُ اسْتَقْبَلَ الْقِبْلَۃَ ، فَقَالَ : اللَّہُمَّ خَلِّصْنِی مِنْ کُلِّ مُصِیبَۃٍ نَزَلَتِ اللیلۃ مِنَ السَّمَائِ إِلَی الأَرْضِ ثَلاَثًا ، وَإِذَا طَلَعَ حَاجِبُ الشَّمْسِ ، قَالَ : اللَّہُمَّ اجْعَلْ لِی سَہْمًا فِی کُلِّ حَسَنَۃٍ نَزَلَتْ مِنَ السَّمَائِ ثَلاَثًا ، قَالَ : فَقِیلَ لَہُ ، فَقَالَ : دَعْوَۃُ دَاوُد فَلَیِّنُوا بِہَا أَلْسِنَتَکُمْ وَأَشْعِرُوہَا قُلُوبَکُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫৪০৪) হযরত কাব (রাঃ) বলেনঃ যখন ইফতারের সময় আসত, তখন একজন রোজাদার কান্নাকাটি করে বলতঃ হে আল্লাহ ! আজ রাতে স্বর্গ থেকে পৃথিবীতে নেমে আসা সমস্ত ঝামেলা থেকে আমাকে মুক্তি দিন . ( তিনি একথা বলতেন ) তিনবার । আর সূর্যের আলো ছড়িয়ে পড়লে বলতেন : হে আল্লাহ ! বেহেশত থেকে নেমে আসা প্রতিটি ভাল জিনিসে আমার অংশ রাখুন । (তিনি এ কথা বললেন ) বর্ণনাকারী বলেন : যখন এই ব্যক্তিকে (এই কথাগুলো সম্পর্কে ) জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল , তখন তিনি বললেন : ইয়া দাউদ ( আঃ ) এর দ্বারা আপনার জিহ্বাকে খুশি করুন এবং এটি আপনার অন্তরে লাগিয়ে দিন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৪০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۴۰۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ یُونُسَ بْنِ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ ابْنِ أَبْزَی ، قَالَ : قَالَ دَاوُد : نِعْمَ الْعَوْنُ الْیَسَارُ عَلَی الدِّینِ ، أَوِ الْغِنَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫৪০৫) হজরত ইবনে আবজায়ি বলেন : হজরত দাউদ (আ . ) বলেছেন : দ্বীনের ওপর সর্বোত্তম সাহায্য ( হাঁটে ) হচ্ছে ( সত্তা ) । তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ ( সর্বোত্তম সাহায্য ) সম্পদ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৪০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۴۰۶) حَدَّثَنَا قَبِیصَۃُ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ الْعَلاَئِ بْنِ الْمُسَیَّبِ، عَنْ رَجُلٍ، عَنْ مُجَاہِدٍ، قَالَ: قَالَ دَاوُد: یَا رَبِ، طَالَ عُمْرِی وَکَبِرَتْ سِنِّی وَضَعُفَ رُکْنِی، فَأَوْحَی اللَّہُ إلَیْہِ: یَا دَاوُد، طُوبَی لِمَنْ طَالَ عُمْرُہُ وَحَسُنَ عَمَلُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫৪০৬) হযরত মুজাহিদ বলেনঃ হযরত দাউদ ( আঃ ) বললেনঃ হে আমার রব ! মেরির জীবন দীর্ঘ হয়ে গেছে , এবং আমি বয়সে পৌঁছেছি , এবং মেরির শক্তি কমে গেছে । অতঃপর আল্লাহ তায়ালা তাঁর কাছে ওহী করলেনঃ হে দাউদ ! সুখী সেই ব্যক্তি যার আয়ু দীর্ঘ এবং তার আমল ভালো।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৪০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۴۰۷) حدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ خَیْثَمَۃ ، قَالَ : قَالَ سُلَیْمَانُ بْنُ دَاوُد : کُلُّ الْعَیْشِ جَرَّبْنَاہُ لَیِّنُہُ وَشَدِیدُہُ فَوَجَدْنَاہُ یَکْفِی مِنْہُ أَدْنَاہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 35407 ) হজরত খায়সমা বলেন : হজরত সুলাইমান বিন দাউদ ( আ . ) বলেছেন : আমরা সব ধরনের জীবন চেষ্টা করেছি , আরামদায়ক ও স্বস্তিদায়ক , এটিও দুঃখ - কষ্টে পরিপূর্ণ এবং আমরা উপলব্ধি করেছি যে ( আমরা যে রাষ্ট্র ) in ) পাতলা অবস্থাও এর মধ্য দিয়ে যায়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৪০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۴۰۸) حَدَّثَنَا عَبْدُاللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ خَیْثَمَۃ ، قَالَ: أَتَی مَلَکُ الْمَوْتِ سُلَیْمَانَ بْنَ دَاوُد ، وَکَانَ لَہُ صَدِیقًا ، فَقَالَ لَہُ سُلَیْمَانُ : مَا لَک تَأْتِی أَہْلَ الْبَیْتِ فَتَقْبِضُہُمْ جَمِیعًا وَتَدَعُ أَہْلَ الْبَیْتِ إِلَی جَنْبِہِمْ لاَ تَقْبِضُ مِنْہُمْ أَحَدًا ، قَالَ : مَا أَعْلَمُ بِمَا أَقْبِضُ مِنْہَا ، إنَّمَا أَکُونُ تَحْتَ الْعَرْشِ فَتُلْقَی إلَیَّ صِکَاکٌ فِیہَا أَسْمَائٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫৪০৮) হযরত খায়সামা বলেনঃ মৃত্যুর ফেরেশতা হযরত সুলায়মান বিন দাউদ (আঃ ) এর নিকট উপস্থিত হলেন এবং তাঁর ( সাঃ ) সাথে তাঁর বন্ধুত্ব ছিল । তাই আপনি তাকে বললেনঃ তুমি অদ্ভুত ! আপনি যদি আমার বাড়িতে আসেন এবং সমস্ত পরিবারের আত্মাকে কব্জা করেন , যখন আপনি লোকদের পরিবারকে ( যে বাড়িতে আমি উপস্থিত ) ছেড়ে চলে যান ( জীবিত ) , তারা তাদের কারও আত্মা কব্জা করে না ( কি ? ব্যাপার ) ? মৃত্যুর ফেরেশতা ( উত্তরে ) বললেনঃ আমি জানি না কার আত্মা আমার কাছে থাকতে হবে । আমি সিংহাসনের নীচে আছি , তাই আমার দিকে একটি পতাকা নামানো হয়েছে , তাতে ( সেই লোকদের ) নাম লেখা আছে ( আমাকে আত্মাকে ধরতে হবে ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৪০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۴۰۹) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ خَیْثَمَۃ ، قَالَ : دَخَلَ مَلَکُ الْمَوْتِ إِلَی سُلَیْمَانَ فَجَعَلَ یَنْظُرُ إِلَی رَجُلٍ مِنْ جُلَسَائِہِ یُدِیمُ النَّظَرَ إلَیْہِ ، فَلَمَّا خَرَجَ ، قَالَ الرَّجُلُ : مَنْ ہَذَا ، قَالَ : ہَذَا مَلَکُ الْمَوْتِ ، قَالَ : رَأَیْتہ یَنْظُرُ إلَیَّ کَأَنَّہُ یُرِیدُنِی ، قَالَ : فَمَا تُرِیدُ ، قَالَ : أُرِیدُ أَنْ تَحْمِلَنِی عَلَی الرِّیحِ حَتَّی تُلْقِیَنِی بِالْہِنْدِ ، قَالَ : فَدَعَا بِالرِّیحِ فَحَمَلَہُ عَلَیْہَا فَأَلْقَتْہُ فِی الْہِنْدِ ، ثُمَّ أَتَی مَلَکُ الْمَوْتِ سُلَیْمَانَ ، فَقَالَ : إنَّک کُنْت تُدِیمُ النَّظَرَ إِلَی رَجُلٍ مِنْ جُلَسَائِی قَالَ : کُنْتُ أَعْجَبُ مِنْہُ ، أُمِرْت أَنْ أقْبِضَہُ بِالْہِنْدِ وَہُوَ عِنْدَکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫৪০৯) হজরত খায়সামা বলেন : হজরত সুলাইমান ( আ. ) - এর কাছে মৃত্যুর ফেরেশতা হাজির হলেন এবং তিনি ( সা . ) আমাকে জিজ্ঞেস করতে বললেন , তিনি তার পাশে একটি বাঁধন বেঁধে খনন করতে লাগলেন । যখন তিনি (সেখান থেকে) চলে গেলেন , তখন লোকটি বললো : ইনি কে ? তিনি ( সাঃ ) বললেনঃ তিনি ছিলেন মৃত্যুর ফেরেশতা । তিনি বললেন: তিনি আমাকে দেখিয়েছিলেন যে তিনি মরিয়মের দিকে এভাবে তাকিয়ে ছিলেন , যে তিনি আমাকে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) জিজ্ঞেস করলেনঃ তাহলে তুমি কি চাও ? তিনি বললেনঃ আমি চাই তুমি আমাকে হিন্দুস্তান দেশে নিয়ে যাও । বর্ণনাকারী বলেনঃ আপনি (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বাতাসকে নির্দেশ দিয়েছিলেন , তাই বাতাস এই ব্যক্তিকে তুলে নিয়ে ভারত দেশে নিয়ে গেল । অতঃপর মৃত্যু ফেরেশতা হযরত সুলাইমান ( আঃ ) -এর নিকট উপস্থিত হলেন এবং তিনি বললেনঃ তোমরা ( আঃ ) আমার সাথী ওরা একজন লোকের দিকে তাকিয়ে ছিলমৃত্যুর ফেরেশতা বললেন: আমি তাকে নিয়ে ভাবছিলাম, ( কিভিঙ্কা ) আমাকে আদেশ করা হয়েছিল যে তার আত্মা ভারতে বন্দী করা হবে এবং সে আপনার সাথে ( বসা ) ছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৪০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۴۱۰) حَدَّثَنَا عِیسَی بْنُ یُونُسَ ، عَنِ الأَوْزَاعِیِّ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ أَبِی کَثِیرٍ ، قَالَ : قَالَ سُلَیْمَانُ بْنُ دَاوُد عَلَیْہِ السَّلاَمُ لاِبْنِہِ : یَا بُنَی ، کَمَا یَدْخُلُ الْوَتِدُ بَیْنَ الْحَجَرَیْنِ کَذَلِکَ تَدْخُلُ الْخَطِیئَۃُ بَیْنَ الْبَائِعِ وَالْمُشْتَرِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 35410 ) হজরত ইয়াহিয়া ইবনে আবি কাশির বলেন : হজরত সুলাইমান ইবনে দাউদ ( আ . ) তার ছেলেকে তার ব্যাপারে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন . করতে গিয়ে ) তিনি বললেন : হে আমার প্রিয় পুত্র !কেননা পেরেকটি ( বড় অদৃশ্য উপায়ে ) দুটি পাথর ভেদ করে , ফলে দুই বিক্রেতার মধ্যে ( লেনদেন ) খারাপ হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৪০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۴۱۱) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنِ الإِفْرِیقِیِّ ، عَنْ سَلاَمَانَ بْنِ عَامِرٍ الشَّعْبَانِیِّ ، قَالَ : أَرَأَیْتُمْ سُلَیْمَانَ ، وَمَا أُوتِیَ فِی مُلْکِہِ فَإِنَّہُ لَمْ یَرْفَعْ رَأْسَہُ إِلَی السَّمَائِ حَتَّی قَبَضَہُ اللَّہُ تَخَشُّعًا لِلَّہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 35411 ) হজরত সালামান বিন আমির শিবানী বলেন : হজরত সুলাইমান ( আ . ) ও তার রাজ্যের দিকে তাকাও ! আর তার ( মুমিনের ) অবস্থা এই যে , তিনি আল্লাহর ভয়ে আকাশের দিকে মাথা তোলেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৪১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۴۱۲) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ مَالِکِ بْنِ الْحَارِثِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : کَانَ سُلَیْمَانُ بْنُ دَاوُد النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ لاَ یُکَلَّمُ إعْظَامًا لَہُ ، قَالَ : فَلَقَدْ فَاتَتْہُ الْعَصْرُ فَمَا أَطَاقَ أَحَدٌ یُکَلِّمُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(35412) হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ ) বলেনঃ হযরত সুলাইমান বিন দাউদ ( আঃ ) তার ভয়ে ( কারো দ্বারা ) কথাও বলতেন না বর্ণনাকারী বলেন : এমনকি ( ও শাম ) তাদের ( তাদের অজান্তে ) আসরের নামায পড়তে থাকল , কিন্তু তাদের সাথে কথা বলার সাহস কারো ছিল না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৪১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۴۱۳) حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، قَالَ : حدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَۃَ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ السَّائِبِ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنْ أَبِی الدَّرْدَائِ ، قَالَ : مَاتَ ابْنُ سُلَیْمَانَ بْنِ دَاوُد ، فَوَجَدَ عَلَیْہِ وَجْدًا شَدِیدًا حَتَّی عُرِفَ ذَلِکَ فِیہِ وَفِی قَضَائِہِ ، فجاء فَبَرَزَ ذَاتَ یَوْمٍ مَلَکَانِ بَیْنَ یَدَیْہِ لِلْخُصُومِ ، فَقَالَ أَحَدُہُمَا : إنِّی بَذَرْت بَذْرًاحَتَّی إذَا اشْتَدَّ وَاسْتَحْصَدَ مَرَّ ہَذَا بِہِ فَأَفْسَدَہُ ، فَقَالَ لِلآخَرِ : مَا تَقُولُ ، فَقَالَ : صَدَقَ ، أَخَذْت الطَّرِیقَ فَأَتَیْت عَلَی ذَرْعٍ فَنَظَرْت یَمِینًا وَشِمَالا ، فَإِذَا الطَّرِیقُ عَلَیْہِ فَأَخَذْت عَلَیْہِ ، فَقَالَ سُلَیْمَانُ لِلآخَرِ : لِمَ بَذَرْت عَلَی الطَّرِیقِ أَمَا عَلِمْت أَنَّ مَأْخَذَ النَّاسِ عَلَی الطَّرِیقِ ؟ فَقَالَ : یَا سُلَیْمَانَ ، فَلِمَ تَحْزَنُ عَلَی ابْنِکَ وَأَنْتَ تَعْلَمُ أَنَّک مَیِّتٌ ، وَأَنَّ سَبِیلَ النَّاسِ إِلَی الآخِرَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(35413) হজরত আবু দারদা (রা.) বলেন : হজরত সুলাইমান ( আ . ) এর ছেলে মারা গেলে তিনি ( আ . ) তার জন্য খুব দুঃখ পেলেন ? এমনকি এর প্রভাব তার ব্যক্তিত্ব এবং সিদ্ধান্তেও অনুভূত হয়েছিল অতএব , একদিন যখন আপনি ( বিচারকদের মজলিসে ) তিশরীফ নিয়ে এসেছিলেন , তখন দুজন ফেরেশতা ( মানুষ আকারে ) আপনার খেদমতে উপস্থিত ছিলেন একটি বিবাদ মীমাংসা করার জন্য তাদের একজন বললঃ আমি বীজ বপন করেছিলাম , যখন তা কাটার জন্য প্রস্তুত হল , তখন সে ( অন্য ব্যক্তি ) পাশ দিয়ে চলে গেল এবং তা নষ্ট করে দিল । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) অপরকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কি বলছ ? তাই তিনি উত্তর দিলেনঃ তিনি সত্য বলছেন । আমি রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম যখন আমি তার খামারে এলাম, আমি ডানে বামে ঘুরলাম , কিন্তু রাস্তাটি একই ছিল ( যেখানে সে খামার করেছে ) , তাই আমি নিজে ( ক্ষেত ) দিয়ে হাঁটলাম ( তাই এটি নষ্ট হয়ে গেছে ) ) ( এ কথা শুনে ) সুলাইমান ( আ . ) প্রথম ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করলেন , তুমি রাস্তায় বীজ বপন করলে কেন ?আপনি কি জানেন না যে রাস্তা দিয়ে মানুষকে যেতে হয় ? লোকটি উত্তর দিলঃ হে সুলাইমান ( আঃ ) ! (যদি তাই হয় ) তবে কেন আপনি আপনার ছেলের জন্য (এত) দুঃখ করছেন , যদিও আপনি জানেন যে একদিন আপনারও মৃত্যু হতে চলেছে এবং এটি ( আপনিও জানেন ) যে সমস্ত মানুষ পরকালের দিকে ধাবিত হচ্ছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৪১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۴۱۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا مِسْعَرٌ ، عَنْ زَیْدٍ الْعَمِّیِّ ، عَنْ أَبِی الصِّدِّیقِ النَّاجِی ، أَنَّ سُلَیْمَانَ بْنَ دَاوُد خَرَجَ بِالنَّاسِ یَسْتَسْقِی ، فَمَرَّ عَلَی نَمْلَۃٍ مُسْتَلْقِیَۃٍ عَلَی قَفَاہَا رَافِعَۃٍ قَوَائِمَہَا إِلَی السَّمَائِ وَہِیَ تَقُولُ : اللَّہُمَّ إنَّا خَلْقٌ مِنْ خَلْقِکَ لَیْسَ بِنَا غِنًی ، عَنْ رِزْقِکَ ، فَإِمَّا أَنْ تَسْقِیَنَا وَإِمَّا أَنْ تُہْلِکَنَا ، فَقَالَ سُلَیْمَانُ لِلنَّاسِ : ارْجِعُوا فَقَدْ سُقِیتُمْ بِدَعْوَۃِ غَیْرِکُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(35414) হজরত আবু সাদিক নাজি থেকে বর্ণিত যে, হজরত সুলাইমান বিন দাউদ ( আ . ) লোকদের সঙ্গে ( মহান আল্লাহর কাছে) প্রার্থনা করার জন্য বের হয়েছিলেন এবং এটি সেই মেয়েটির সাথেই ঘটেছিল যে তাকে লালন- পালন করেছিল আকাশের দিকে পা তুলে বলছিলেন : হে আল্লাহ ! আমি আমার চেয়ে উত্তম জীব , আমি তোমার রিযিক থেকে বঞ্চিত নই , তাই আমাকে পানি দাও । তারপর আমাকে মৃত্যু দাও । সুলাইমান ( আঃ ) সাথে সাথে লোকদের বললেনঃ ফিরে যাও , অন্য কারো দোয়ায় তোমাদের পানি পান করানো হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৪১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۴۱۵) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ أَبِی خَالِدٍ ، قَالَ : ذُکِرَ عَنْ بَعْضِ الأَنْبِیَائِ أَنْ ، قَالَ : اللَّہُمَّ لاَ تُکَلِّفَنِّی طَلَبَ مَا لَمْ تُقَدِّرْہُ لِی ، وَمَا قَدَّرْت لِی مِنْ رِزْقٍ فَائتنی بِہِ فِی یُسْرٍ مِنْک وَعَافِیَۃٍ ، وَأَصْلِحْنِی بِمَا أَصْلَحْت بِہِ الصَّالِحِینَ ، فَإِنَّمَا أَصْلَحُ الصَّالِحِینَ أَنْتَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫৪১৫ ) হজরত ইসমাইল ইবনে আবি খালিদ বলেন : একজন নবী সম্পর্কে বলা হয়েছে যে , তিনি বলেছেন : হে আল্লাহ ! যা তুমি আমার ভাগ্যে লিখোনি এবং যে রিজিক আমাকে দিয়েছ তা খুঁজতে আমাকে কষ্ট দিও না । আমি ভাগ্য লিখে রেখেছি , দয়া করে সহজে এবং নিরাপদে আমার কাছে পৌঁছে দিন । আর তুমি যেভাবে ধার্মিকদের সংস্কার করেছ , আমাকেও সেভাবে সংস্কার করো । কারণ ( আমি জানি ) সালেহের সংস্কারের কথাও তিনি বলেছেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৪১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۴۱۶) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلاَنَ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ أَسْلَمَ ، أَنَّ نَبِیًّا مِنْ أَنْبِیَائِ اللہِ ، قَالَ : مَنْ أَہْلُکَ الَّذِینَ ہُمْ أَہْلُکُ الَّذِینَ فِی ظِلِّ عَرْشِکَ ، قَالَ : ہُمَ الْبَرِیئَۃُ أَیْدِیہِمْ ، الطَّاہِرَۃُ قُلُوبُہُمْ ، الَّذِینَ یَتَحَابُّونَ بِجَلاَلِی ، الَّذِینَ إذَا ذُکِرُوا ذُکِرْت بِہِمْ وَإِذَا ذُکِرْت ذُکِرُوا بِی ، اللذین یَسْبُغُونَ الْوُضُوئَ عَلَی الْمَکَارِہِ ، وَالَّذِینَ یَکْلِفُونَ بِحُبِّی کَمَا یَکْلَفُ الصَّبِیُّ بِالنَّاسِ ، وَالَّذِینَ یَأْوُونَ إِلَی ذِکْرِی کَمَا تَأْوِی الطَّیْرُ إِلَی وَکْرِہَا ، وَالَّذِینَ یَغْضَبُونَ لِمَحَارِمِی إذَا اسْتُحِلَّتْ کَمَا یَغْضَبُ النَّمِرُ إذَا حَرِمَ ، أَوَ قَالَ : حَرِبَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 35416 ) হজরত যায়েদ বিন আসলাম ( রা . ) থেকে বর্ণিত : আল্লাহর নবীদের মধ্য থেকে একজন নবী বলেছেন : আপনার প্রিয় বান্দাদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় কে ? যারা আপনার সিংহাসনের ছায়ায় থাকবে । মহান আল্লাহ বলেনঃ এরাই হবে সেসব লোক যাদের হাত থেকে ( অত্যাচার ও নিপীড়ন ) মুক্ত হবে , যাদের অন্তর পবিত্র হবে , যাদের মৃত্যু হবে আমি একে অপরকে ভালবাসি এরা হবে সেসব লোক যাদের কথা বলা হবে , তাদের ( আমার সাথে চরম সম্পর্কের ) কারণে আমার কথা বলা হবে , আর যখন আমার কথা বলা হবে , যদি তা করা হয়, তবে তারা মরিয়মের ( তাদের প্রতি চরম সহানুভূতি ও দয়া ) কারণে উল্লেখ করা হবে । , এরা হবে এমন লোক যারা ( ঠান্ডা থাকা সত্ত্বেও ) সম্পূর্ণরূপে অযু করে , আর এরা হবে আমার ভালোবাসার জন্য পাগল , যেমন একটি শিশু মানুষের ( তার পরিচিতদের ) জন্য পাগল হয় , এবং এগুলোতারা হবে যারা আমাকে স্মরণ করবে তারা আশ্রয় নেয় যেমন একটি পাখি তার নীড়ে আশ্রয় নেয় , এবং তারাই হবে যারা আমার হারাম জিনিসগুলিকে হালাল করে ( বা তাদের ) চিতাবাঘ বঞ্চিত ( শিকার থেকে ক্ষুব্ধ ) ।) , ইয়াপ বলল : ( চিতা ) তখন ( রাগান্বিত ) লড়াই করেছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৪১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۴۱۷) حَدَّثَنَا عَفَّانُ، قَالَ: حدَّثَنَا الْمُبَارَکُ ، عَنِ الْحَسَنِ، أن دَاوُدَ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ، قَالَ: اللَّہُمَّ إنِّی أَسْأَلُک مِنَ الإِخْوَانَ وَالأَصْحَابَ وَالْجِیرَانَ وَالْجُلَسَائَ مَنْ إنْ نَسِیت ذَکَّرُونِی، وَإِنْ ذَکَرْت أَعَانُونِی، وَأَعُوذُ بِکَ مِنَ الأَصْحَابِ وَالإِخْوَانِ وَالْجِیرَانِ وَالْجُلَسَائِ مَنْ إنْ نَسِیت لَمْ یُذَکِّرُونِی، وَإِنْ ذَکَرْت لَمْ یُعِینُونِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫৪১৭ ) হজরত হাসান বলেন , হযরত দাউদ ( আ . ) বললেন , হে আল্লাহ ! আপনি আমাকে ভাই , বন্ধু , প্রতিবেশী এবং সহ নাগরিক দিন যাতে আমি যদি অবহেলা করি ( সাধারণত মানবতার দাবিতে ) তবে তারা আমাকে এর জন্য দায়ী করবে , এবং সতর্কতার জগতে আমাকে সাহায্য করবে । . এবং আমাকে আমার ভাই , বন্ধু , প্রতিবেশী এবং সহ নাগরিকদের কাছ থেকে আমার আশ্রয়ে নিয়ে যান যারা অবহেলার বিরুদ্ধে সতর্ক করেন না বা সতর্ক করার সময় সাহায্য করেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৪১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۴۱۸) حَدَّثَنَا عَفَّانُ بْنُ مُسْلِمٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا مُبَارَکٌ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّ دَاوُد النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ: اللَّہُمَّ لاَ مَرَضَ یُضْنِینِی ، وَلاَ صِحَّۃَ تُنْسِینِی ، وَلَکِنْ بَیْنَ ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫৪১৮) হজরত হাসান বলেন : হজরত দাউদ নবী ( সা . ) বলতেন : হে আল্লাহ ! আমাকে এমন রোগ দিও না যা আমাকে সম্পূর্ণ অকেজো করে দেয় , এবং আমাকে এমন স্বাস্থ্য দিও না যা আমাকে ভুলে যায় ( সত্য ) , তবে তা দান কর
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৪১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۴۱۹) حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، قَالَ : حدَّثَنَا مُبَارَکٌ ، قَالَ سَمِعْت الْحَسَنَ یَقُولُ : إنَّ أَیُّوبَ عَلَیْہِ السَّلاَمُ کَانَ کُلَّمَا أَصَابَتْہُ مُصِیبَۃٌ ، قَالَ : اللَّہُمَّ أَنْتَ أَخَذْت وَأَنْتَ أَعْطَیْت مَہْمَا تُبْقِی نَفْسِی أَحْمَدْک عَلَی حُسْنِ بَلاَئِک۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫৪১৯ ) হজরত হাসান বলেন : নিঃসন্দেহে যখনই রাসুলুল্লাহ ( সা . ) - এর কাছে কোনো পরীক্ষা আসত , তখনই তিনি বলতেন : তিনি ( তাঁর দোয়া ) ( বা পিছনে ) , এবং আপনিই যিনি ( আশীর্বাদ ) দান করেন , আপনি আমার নিঃশ্বাসের স্ট্রিংগুলিকে বেঁধে রাখবেন যতক্ষণ আমি আপনার সেরা ( আমি পরীক্ষার জন্য আপনার কাছে কৃতজ্ঞ থাকব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৪১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۴۲۰) حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، قَالَ : حدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ سُلَیْمَانَ الضُّبَعِیُّ ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِیِّ ، قَالَ : بَلَغَنَا ، أَنَّ دَاوُد النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ جَزَّأَ الصَّلاَۃَ عَلَی بُیُوتِہِ : عَلَی نِسَائِہِ وَوَلَدِہِ ، فَلَمْ تَکُنْ تَأْتِی سَاعَۃٌ مِنَ اللَّیْلِ وَالنَّہَارِ إِلاَّ وَإِنْسَانٌ مِنْ آلِ دَاوُد قَائِمٌ یُصَلِّی ، فَعَمَّتْہُنَّ ہَذِہِ الآیَۃُ : {اعْمَلُوا آلَ دَاوُد شُکْرًا وَقَلِیلٌ مِنْ عِبَادِی الشَّکُورُ}۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 35420 ) হযরত সাবিত বনানী বলেনঃ আমাদের কাছে পৌঁছেছে যে , নবী হযরত দাউদ ( আঃ ) তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য এই স্থানগুলোকে উপাসনাস্থল হিসেবে নির্ধারণ করেছিলেন দিনের একটা ঘড়ি ছিল রাতের প্রতিটি প্রহরে , প্রতিবার আপনার পরিবারের কেউ নামাযে নিয়োজিত থাকবে ( এই নামাজের উপর ) । অতএব, এই আয়াতটি ( তোমাদের (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ) সকল ( আহলুল ওয়াইআল ) ( যারা এই নেক কাজে অংশীদার ছিলেন ) : হে লোকসকল ( তোমাদের পালনকর্তার) শুকরিয়া আদায় কর আমার বান্দাদের চেয়ে কম লোকই ( সত্যিকার অর্থে ) বেশি কৃতজ্ঞ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৪১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۴۲۱) حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، قَالَ: حدَّثَنَا مُعَاوِیَۃُ بْنُ عَبْدِ الْکَرِیمِ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّ دَاوُد النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ، قَالَ: إلَہِی ، لَوْ أَنَّ لِکُلِّ شَعَرَۃٍ مِنِّی لِسَانَیْنِ یُسَبِّحَانِکَ اللَّیْلَ وَالنَّہَارَ مَا قَضَیْنَا نِعْمَۃً مِنْ نِعَمِکَ عَلَیَّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫৪২১) হযরত হাসান ( রাঃ ) থেকে বর্ণিত যে , হযরত দাউদ ( আঃ ) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই আমার আল্লাহ ! যদি আমার প্রতিটি চুলের দুটি ভাষা থাকত এবং আমি দিনরাত আপনার প্রশংসায় মগ্ন থাকতাম , তবে আমি আপনার আশীর্বাদের জন্য কৃতজ্ঞ থাকব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৪২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۴۲۲) حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، قَالَ : حدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا الْجَعْدُ أَبُو عُثْمَانَ ، قَالَ : بَلَغَنَا أَنَّ دَاوُد ، قَالَ : إلَہِی ، مَا جَزَائُ مِنْ فَاضَتْ عَیْنَاہُ مِنْ خَشْیَتِکَ ؟ قَالَ : جَزَاؤُہُ أَنْ أُؤَمِّنُہُ یَوْمَ الْفَزَعِ الأَکْبَرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫৪২২) হজরত আবু উসমান বলেন : আমাদের কাছে পৌঁছেছে যে , হজরত দাউদ ( আ . ) বলেছেন : হে আল্লাহ ! তোমার ভয়ে যার চোখ অশ্রু ঝরে তার জন্য কি পুরস্কার ? আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেন : তার পুরস্কার এই যে , আমি তাকে মহা ভয়ের দিনে নিরাপদে রাখব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৪২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۴۲۳) حدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، قَالَ : مَالِکُ بْنُ مِغْوَلٍ ، عَنِ الْحَسَنِ أَبِی یُونُسَ ، عَنْ ہَارُونَ بْنِ رِئَابٍ ، قَالَ : حَدَّثَنِی ابْنُ عَمِّ حَنْظَلَۃَ کَاتِبِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، أَنَّ اللَّہَ أَوْحَی إِلَی مُوسَی : أَنَّ قَوْمَک زَیَّنُوا مَسَاجِدَہُمْ وَأَخْرَبُوا قُلُوبَہُمْ ، وَتَسَمَّنُوا کَمَا تُسَمَّنُ الْخَنَازِیرُ لِیَوْمِ ذَبْحِہَا ، وَإِنِّی نَظَرْت إلَیْہِمْ فَلَعَنْتُہُمْ ، فَلاَ أَسْتَجِیبُ دُعَائَہُمْ ، وَلاَ أُعْطِیہِمْ مَسَائِلَہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫৪২৩) হজরত হানজালা ( রা . ) যিনি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর লেখক ছিলেন , তাঁর চাচাতো ভাই বলেন যে, আল্লাহ তাবারক ওয়া তালা হজরত মুসা (আ . )- কে পাঠিয়েছিলেন , যার কাছে ওহী এসেছে । : নিঃসন্দেহে তোমার লোকেরা মসজিদগুলোকে সাজিয়েছে, কিন্তু তাদের অন্তরের অবস্থা খারাপ করে রেখেছে । এবং ( অনেক কারণে ) তারা এতটাই ফুলে গেছে যে শূকরগুলোকে জবাই করার জন্য মোটাতাজা করা হয়েছে । আমি ( তাদের খারাপ অবস্থা ) দেখে তাদের অভিশাপ দিয়েছিলাম , না আমি তাদের দোয়া কবুল করিনি , না তারা যা চেয়েছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৪২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۴۲۴) حَدَّثَنَا سُلَیْمَانُ بْنُ حَرْبٍ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَۃَ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ السَّائِبِ ، عَنْ عُبَیْدِ بْنِ عُمَیْرٍ ، أَنَّ دَاوُد صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ سَجَدَ حَتَّی نَبَتَ مَا حَوْلَہُ خَضْرَائُ مِنْ دُمُوعِہِ ، فَأَوْحَی اللَّہُ إلَیْہِ : یَا دَاوُد مَا تُرِیدُ ، تُرِیدُ أَنْ أَزِیدَک فِی مَالِکِ وَوَلَدِکَ وَعُمْرِکَ ، قَالَ : یَا رَبِ ، ہَذَا ترد عَلَیَّ فَغُفِرَ لَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫৪২৪) হজরত উবায়েদ বিন উমায়ের ( রা ) থেকে বর্ণিত যে, হজরত দাউদ ( আ . ) ( কান্নারত মন্ত্রীর সঙ্গে ) এতক্ষণ সিজদা করলেন যে , তাঁর চোখের জল তাদের চারপাশে সবুজ হয়ে গেল । অতঃপর আল্লাহ তাবারক ও তা’আলা তাকে নাযিল করলেনঃ হে দাউদ ( আঃ ) , তুমি কি চাও ? তুমি কি চাও আমি তোমার সম্পদ , সন্তান ও বয়স বাড়াই ? তখন হজরত দাউদ (আ. ) বললেন , ( অসহায়তার সঙ্গে অভিযোগ করে) হে আমার রব ! কেন ( আমার পরিচর্যার ফলে আমি দুনিয়ার প্রেমিক এবং জগতের প্রেমিক ) তুমি আমাকে তৈরি করলে সে কি এর উত্তর দিল ? ঠিক তখনই আল্লাহ তাবারক ও তায়ালা তাকে ক্ষমা করে দেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৪২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۴۲۵) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، قَالَ : حدَّثَنَا ہِشَامُ بْنُ عُرْوَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، أَنَّ مُوسَی عَلَیْہِ السَّلاَمُ ، قَالَ : یَا رَبِّ أَخْبِرْنِی بِأَکْرَمِ خَلْقِکَ عَلَیْک ؟ قَالَ : الَّذِی یُسْرِعُ إِلَی ہَوَایَ إسْرَاعَ النِّسْرِ إِلَی ہَوَاہُ ، وَالَّذِی یَکْلَفُ بِعِبَادِی الصَّالِحِینَ کَمَا یَکْلَفُ الصَّبِیُّ بِالنَّاسِ ، وَالَّذِی یَغْضَبُ إذَا انْتُہِکَتْ مَحَارِمِی غَضَبَ النَّمِرِ لِنَفْسِہِ، فَإِنَّ النَّمِرَ إذَا غَضَبَ لَمْ یُبَالِ أَکَثُرَ النَّاسُ أَمْ قَلُّوا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫৪২৫) হজরত হিশাম বিন আরওয়া তার পিতা মাজিদ থেকে বর্ণনা করেন যে , হজরত মুসা ( আ . ) আল্লাহ তাবারক ওয়া তায়ালাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন , হে আমার রব আমাকে বলুন আপনার সৃষ্টির মধ্যে সবচেয়ে সম্মানিত কোনটি ? মহান আল্লাহ বলেছেন : ( আমার কাছে ) সেই ব্যক্তি ( সবচেয়ে সম্মানিত ) যে ( স্বেচ্ছায় ) আমার আদেশ পালন করে এক পাশ দিয়ে শকুনকে তার খাদ্যের দিকে ( অত্যন্ত উৎসাহ ও উৎসাহের সাথে ) উড়ে যায় । আর যে ব্যক্তি ( সেই আমার উপস্থিতিতে সবচেয়ে সম্মানিত ) যে আমার বান্দাদের কাছে ছোট শিশুর মতো মুক্ত সে মানুষের প্রিয় । এমনকি সেই ব্যক্তি ( আমার উপস্থিতিতে তিনি সবচেয়ে সম্মানিত ) যে আমার আদেশ লঙ্ঘন করার জন্য এতটাই ক্ষুব্ধ যে সে নিজেকে রক্ষা করবে । এবং যখন চিতা রাগ করে , তখন সে চিন্তা করে না যে আরও প্রতিযোগী আছে . একটু .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৪২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۴۲۶) حَدَّثَنَا مُعَاوِیَۃُ بْنُ ہِشَامٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ أَسْلَمَ ، عْن عَبْدِ اللہِ بْنِ عُبَیْدٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : قَالَ مُوسَی عَلَیْہِ السَّلاَمُ : أَیْ رَبِ ، ذَکَرْت إبْرَاہِیمَ وَإِسْحَاقَ وَیَعْقُوبَ ، بِمَ أَعْطَیْتہمْ ذَاکَ ، قَالَ : إنَّ إبْرَاہِیمَ لَمْ یَعْدِلْ بِی شَیْئًا إِلاَّ اخْتَارَنِی ، وَإِنَّ إِسْحَاقَ جَادَ بِنَفْسِہِ وَہُوَ بِمَا سِوَاہَا أَجْوَدُ ، وَإِنَّ یَعْقُوبَ لَمَ ابْتَلِہِ بِبَلاَئٍ إِلاَّ ازْدَادَ بِی حُسْنَ ظَنٍّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫৪২৬ ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উবাইদের পিতা মাজিদ বলেন : হজরত মূসা ( আ . ) বললেন : হে আমার রব ! হজরত ইব্রাহিম , হজরত ইসহাক ও হজরত আকূব । তিনি ( তাঁর প্রিয় বান্দাদের মধ্যে ) উল্লেখ করেছেন , কিসের (আমলের ) জন্য আপনি তাদের এই ( পদ ও পদমর্যাদা ) দান করেছেন ? আল্লাহ তাবারক ওয়া তায়ালা ( উত্তরে ) বললেন : নিশ্চয়ই , যখনই ইব্রাহীম ( আঃ ) হত্যা করেছেন ( মিথ্যা বা অবৈধতার মূর্তি ) যদি তারা আমাকে তার সাথে তুলনা করে তবে তারা তার সাথে ( আমাকে তুলনা করে ) এই মিথ্যা ও অবৈধ কাজকে ছেড়ে দিয়ে আমার আদেশে এবং ) আমি দুঃখিত . আর ইসহাক ( আঃ ) মরিয়ম রেযার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন এবং তাঁর জীবন ছাড়াও অন্যান্য জিনিস ( খয়রাত ও শুভ রাত্রির জন্য অর্থ ব্যয় করার বিষয়ে ) তাদের সম্পদ অনেক বেশি ছিল ।আমি এবং এটি আমার প্রতি তার আস্থার চিহ্ন ছিল যে যখনই আমি তাকে চেষ্টা করেছি , আমার প্রতি তার সদিচ্ছা বেড়েছে ( সন্দেহ করবেন না ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৪২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস