
(۳۲۴۷۶) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنِ الْمُخْتَارِ بْنِ فُلْفُلٍ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : جَائَ رَجُلٌ إلَی رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : یَا خَیْرَ الْبَرِیَّۃِ ، فَقَالَ : ذَاکَ إبْرَاہِیمُ۔ (مسلم ۱۸۳۹۔ ابوداؤد ۴۶۳۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৪৭৬) হজরত আনাস (রা.) বলেন , এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর কাছে এসে বললেন , হে সকল সৃষ্টির সেরা ! তিনি বললেন , তারা ইব্রাহিম আ
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۴۷۷) حَدَّثَنَا یَعْلَی بْنُ عُبَیْدٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ أَبِی خَالِدٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، قَالَ : یُحْشَرُ النَّاسُ عُرَاۃً حُفَاۃً ، فَأَوَّلُ مَنْ یُلْقَی بِثَوْبٍ إبْرَاہِیمُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৪৭৭) হজরত সাঈদ বিন জুবের বলেন , মানুষকে উলঙ্গ অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হবে এবং সর্বপ্রথম হজরত ইবরাহীম ( আ . ) - কে পোশাক পরানো হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۴۷۸) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ قَابُوسَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : لَمَّا فَرَغَ إبْرَاہِیمُ عَلَیْہِ السَّلاَمُ مِنْ بِنَائِ الْبَیْتِ الْعَتِیقِ قِیلَ لَہُ : {أَذِّنْ فِی النَّاسِ بِالْحَجِّ} قَالَ : رَبِ وَمَا یَبْلُغُ صَوْتِی ؟ قَالَ : أَذِّنْ وَعَلَیَّ الْبَلاَغُ ، فَقَالَ إبْرَاہِیمُ عَلَیْہِ السَّلاَمُ : یَا أَیُّہَا النَّاسُ کُتِبَ عَلَیْکُمَ الْحَجُّ إلَی الْبَیْتِ الْعَتِیقِ ، قَالَ : فَسَمِعَہُ مَا بَیْنَ السَّمَائِ إلَی الأَرْضِ ، أَلاَ تَرَی أَنَّ النَّاسَ یَجِیئُونَ مِنْ أَقَاصِی الأَرْضِ یُلَبُّونَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৪৭৮) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , যখন ইবরাহীম ( আ. ) আল্লাহর ঘর নির্মাণ শেষ করলেন , তখন তাকে বলা হলো , তিনি লোকদের মধ্যে হজের ঘোষণা দিতে বললেন, হে প্রভু ! মরিয়মের আওয়াজ কার কাছে পৌঁছাবে , আল্লাহ বললেন , তোমরা ঘোষণা কর , পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব আমার , যেমন হজরত ইব্রাহিম ( আ . ) বলেছেন , হে লোক সকল ! আল্লাহর ঘরের হজ তোমাদের ওপর ফরজ করা হয়েছে , তাই আসমান - জমিনের সবকিছু এ আওয়াজ শুনতে পেল , তুমি কি দেখ না পৃথিবীর দূর - দূরান্ত থেকে মানুষ ধ্বনি করে আসছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۴۷۹) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی عُبَیْدَۃَ بْنِ مَعْن ، قَالَ : حدَّثَنِی أَبِی ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی صَالِحٍ ، قَالَ : انْطَلَقَ إبْرَاہِیمُ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَمْتَارُ فَلَمْ یَقْدِرْ عَلَی الطَّعَامِ ، فَمَرَّ بِسِہْلَۃٍ حَمْرَائَ ، فَأَخَذَ مِنْہَا ثُمَّ رَجَعَ إلَی أَہْلِہِ ، فَقَالُوا : مَا ہَذَا ؟ قَالَ : حِنْطَۃٌ حَمْرَائُ ، قَالَ : ففَتَحُوہَا فَوَجَدُوہَا حِنْطَۃً حَمْرَائَ ، قَالَ : فَکَانَ إذَا زَرَعَ مِنْہَا شَیْئًا خَرَجَ سُنْبُلَۃً مِنْ أَصْلِہَا إلَی فَرْعِہَا حَبًّا مُتَرَاکِبًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৪৭৯) হজরত আবু সালেহ বলেন, ইবরাহীম ( আ . ) খাবারের সন্ধানে বের হয়েছিলেন কিন্তু কোনো খাবার আনতে পারছিলেন না , তাই তিনি লাল বেলে মাটি থেকে এসে তার কাছ থেকে কিছু নিয়ে গেলেন তিনি তার বাড়িতে ফিরে গিয়ে বললেন , আপনি কি করেছেন ? তিনি বললেন , এটি লাল গম, যখন তিনি এটি খুললেন , তাতে লাল গম ছিল , তাই যখনই তিনি কিছু বপন করতেন তখনই তার কান থেকে অনেকগুলি দানা বের হত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۴۸۰) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ أَبِی عُثْمَانَ ، عَنْ سَلْمَانَ ، قَالَ : لَمَّا أُرِیَ إبْرَاہِیمُ مَلَکُوتَ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضِ رَأَی عَبْدًا عَلَی فَاحِشَۃٍ فَدَعَا عَلَیْہِ فَہَلَکَ ، ثُمَّ رَأَی آخَرَ فَدَعَا عَلَیْہِ فَہَلَکَ ، فَقَالَ اللَّہُ: أَنْزِلُوا عَبْدِی ، لاَ یُہْلِکُ عِبَادِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৪৮০) হজরত সালমান বলেন , যখন ইবরাহীম ( আ. ) - কে আসমান ও জমিনের রাজত্ব দেখানো হলো , তখন তিনি একজন বান্দাকে অশ্লীল কাজ করতে দেখলেন , তাই তিনি তার কাছে দোয়া করলেন এবং তিনি মারা গেলেন , তারপর তিনি অন্য একজনকে দেখে দোয়া করলেন তার কাছে এবং সেও ধ্বংস হয়ে গেল , যেমন আল্লাহ বলেছেন : আমার বান্দা এটা খুলে ফেল , এটাই এই মৃত বান্দাদের হত্যা করো না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۴۸۱) حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ ، عَنِ التَّیْمِیِّ ، عَنْ أَبِی عُثْمَانَ ، عَنْ سَلْمَانَ ، قَالَ : أُرْسِلَ عَلَی إبْرَاہِیمَ عَلَیْہِ السَّلاَمُ أَسَدَانِ مُجَوَّعَانِ ، قَالَ : فَلَحَسَاہُ وَسَجَدَا لَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৪৮১) হজরত সালমান বলেন , হজরত ইব্রাহীম (আ.)-এর ওপর দুটি ক্ষুধার্ত সিংহ ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল , ফলে তারা তাকে চাটতে শুরু করে এবং তাকে সেজদা করতে থাকে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۴۸۲) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مُلیلٍ ، عَنْ عَلِیٍّ : فِی قَوْلِہِ : {یَا نَارُ کُونِی بَرْدًا وَسَلاَمًا عَلَی إبْرَاہِیمَ} قَالَ : لَوْلا أَنَّہُ قَالَ {وَسَلاَمًا} لَقَتَلَہُ بَرْدُہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৪৮২) আবদুল্লাহ ইবনে মুলিল হযরত আলী (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন আল্লাহর নির্দেশে { ইয়া নার কুনি বরদা ওয়া সাল্লাম আলা ইবরাহীম } তিনি বলেন , আল্লাহ যদি {ওয়াসসালাম} না বলতেন , তাহলে এত ঠান্ডা হতো যে তা মেরে ফেলত । তাদের .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۴۸۳) حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ ثَابِتٍ ، قَالَ : حدَّثَنِی مُوسَی مَوْلَی أَبِی بَکْرَۃَ ، قَالَ : حَدَّثَنِی سَعِیدُ بْنُ جُبَیْرٍ ، قَالَ : لَمَّا أری إبْرَاہِیمُ عَلَیْہِ السَّلاَمُ فِی الْمَنَامِ ذَبْحَ إِسْحَاقَ سَارَ بِہِ مَسِیرَۃَ شَہْرٍ فِی غَدَاۃٍ وَاحِدَۃٍ حَتَّی أَتَی الْمَنْحَرَ بِمِنًی ، فَلَمَّا صَرَفَ اللَّہُ عَنْہُ الذَّبْحَ قَامَ بِکَبْشٍ فَذَبَحَہُ ، ثُمَّ رَجَعَ بِہِ مَسِیرَۃَ شَہْرٍ فِی رَوْحَۃٍ وَاحِدَۃٍ ، طُوِیَتْ لَہُ الأَوْدِیَۃُ وَالْجِبَالُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৪৮৩) হজরত সাঈদ বিন জুবের বলেন , ইব্রাহীম ( আ . ) - কে স্বপ্নে হজরত ইসহাক ( আ . ) - কে জবাই করা দেখানো হলে তিনি একদিন একটি মাছ তাদের অনেক দূরে নিয়ে গেলেন , যতক্ষণ না তারা সক্ষম হন । খালে সাঁতার কাটতে তারা সেই স্থানে এলো , যখন আল্লাহ তাদের কাছ থেকে জবেহ সরিয়ে নিলেন , তারা ভেড়াগুলোকে জবাই করলেন , তারপর তারা সন্ধ্যায় যে দূরত্বে ভ্রমণ করেছিলেন সেখান থেকে ফিরে গেলেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۴۸۴) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ أَبِی سُلَیْمَانَ ، عَنْ کَعْبٍ ، قَالَ : مَا أَحْرَقَتِ النَّارُ مِنْ إبْرَاہِیمَ إلاَّ وِثَاقَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৪৮৪ ) হজরত কাব বলেন , আগুন হজরত ইব্রাহীম ( আ . ) - এর রশি ছাড়া আর কিছুই পোড়ায়নি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۴۸۵) حَدَّثَنَا مُعَاوِیَۃُ بْنُ ہِشَامٍ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ أَسْلَمَ ، عْن عَبْدِ اللہِ بْنِ عُبَیْدِ بْنِ عُمَیْرٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : قَالَ مُوسَی : یَا رَبِّ : ذَکَرْت إبْرَاہِیمَ وَإِسْحَاقَ وَیَعْقُوبَ ، بِمَ أَعْطَیْتَہُمْ ذَاکَ ؟ قَالَ : إنَّ إبْرَاہِیمَ لَمْ یُعْدَلْ بِی شَیْئٍ إلاَّ اخْتَارَنِی ، وَإِنَّ إِسْحَاقَ جَادَ لِی بِنَفْسِہِ فَہُوَ لِمَا سِوَاہَا أَجْوَدُ ، وَإِنَّ یَعْقُوبَ لَمْ أَبْتَلِہِ بِبَلاَئٍ إلاَّ زَادَ بِی حُسْنَ ظَنٍّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৪৮৫ ) হজরত উবাইদ বিন উমাইর বলেন , হজরত মুসা (আ.) বললেন , হে আমার রব ! আপনার আছে হজরত ইব্রাহিম , ইসহাক ও ইয়াকুব । উল্লেখ করেছেন , আপনি তাদের এই অনুগ্রহ দিয়েছেন ? আল্লাহ বলেছিলেন যে আব্রাহাম আমাকে বেছে নিয়েছিলেন যে কোনও উপায়ে তিনি তাকে আমার থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন , এবং আইজ্যাক তার জীবন রক্ষা করেছিলেন । রেইলে বলিদান করেছিলেন , তারপরে তারা আরও কিছু ত্যাগ করতে চলেছে , এবং আমি জ্যাকবকেও একই পরীক্ষা করেছি । যেভাবে আমি আমার সাথে তার ভালো বিশ্বাসের চেষ্টা করেছি .আগে থেকে বেড়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۴۸۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ سَلَمَۃَ ، عَنْ مُجَاہِدٍ : {وَأَذِّنْ فِی النَّاسِ بِالْحَجِّ} قَالَ : لَمَّا أُمِرَ إبْرَاہِیمُ أَنْ یُؤَذِّنَ بِالْحَجِّ فَقَامَ ، فَقَالَ : یَا أَیُّہَا النَّاسُ ، أَجِیبُوا رَبَّکُمْ ، فَأَجَابُوہُ : لَبَّیْکَ اللَّہُمَّ لَبَّیْکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(32486) হজরত মুজাহিদ { وَائِنْ في النَّاسِ بِلْحجِّ } বলেন , যখন ইবরাহীম ( আ . )- কে হজের ঘোষণা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলো , তখন তিনি দাঁড়িয়ে বললেন , বন্ধুরা! তোমার প্রভুর নির্দেশে বলুন , লাবিক , তাই তিনি বললেন, আল্লাহর ঠোঁট ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۴۸۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ ابْنِ أَبِی نَجِیحٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ : {وَإِذَ ابْتَلَی إبْرَاہِیمَ رَبُّہُ بِکَلِمَاتٍ فَأَتَمَّہُنَّ} قَالَ : اُبْتُلِیَ بِالآیَاتِ الَّتِی بَعْدَہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 32487 ) মুজাহিদা ইব্রাহের প্রভু শব্দের সাথে ব্যাখ্যার দ্বিতীয় চেইন থেকে বলেছেন , তাই তিনি শান্তিতে আছেন : যখন তারা এই আয়াতের পরে কী হয়েছিল
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۴۸۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ : {وَإِذَ ابْتَلَی إبْرَاہِیمَ رَبُّہُ بِکَلِمَاتٍ} قَالَ : مِنْہُنَّ الْخِتَانُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৪৮৮) হযরত শাবী (র) { وَذَ عبتَلَي يبرَاهِي مَ رَبُّه بكلمَاتٍ } এর অধীনে বলেন যে , এ শব্দগুলোও সুন্নত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۴۸۹) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ دَاوُدَ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ : {وَإِذَ ابْتَلَی إبْرَاہِیمَ رَبُّہُ بِکَلِمَاتٍ} قَالَ : لَمْ یُبْتَلْ أَحَدٌ بِہَذَا الدِّینِ فَأَقَامَہُ إلاَّ إبْرَاہِیمُ علیہ السلام۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৪৮৯ ) ইকরিমা হজরত ইবনে আব্বাস থেকে { وَإَإْتَلَّيْتَلَيْرَهُي مَرَّبُهُ بكلِمَّتٍ } এর অধীনে বর্ণনা করেন , তিনি বলেন , এ দ্বীনে পরীক্ষা করা হবে এমন কোনো ব্যক্তি নেই যাকে এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করা হয়েছে ( আবরা ) ছাড়া তার উপর ) .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۴۹۰) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ فِرَاسٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَمْرٍو ، قَالَ : أَوَّلُ کَلِمَۃٍ قَالَہَا إبْرَاہِیمُ حِینَ أُلْقِیَ فِی النَّارِ : حَسْبُنَا اللَّہُ وَنِعْمَ الْوَکِیلُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৪৯০) লোকেরা বর্ণনা করেন যে, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) বলেন , ইবরাহীম ( আ . ) আগুনে পড়ার পর সর্বপ্রথম যে কথাটি বলেছিলেন তা হলো হাসবুনা আল্লাহ ওয়া নি’আম আল ওয়াক
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۴۹۱) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ ، عَنْ سَعِیدٍ : أَنَّ إبْرَاہِیمَ أَوَّلُ النَّاسِ أَضَافَ الضَّیْفَ ، وَأَوَّلُ النَّاسِ اُخْتُتِنَ ، وَأَوَّلُ النَّاسِ قَلَّمَ أَظْفَارَہُ ، وَجَزَّ شَارِبَہُ ، وَاسْتَحَدَّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৪৯১ ) হজরত সাঈদ থেকে বর্ণিত আছে যে , হজরত ইব্রাহীম ( আ . ) সর্বপ্রথম একজন মেহমানকে আপ্যায়ন করেন এবং সর্বপ্রথম সুন্নত করেন এবং সর্বপ্রথম নখ ছেঁটে দেন এবং গোঁফ কেটে দেন চুল .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۴۹۲) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ ، عَنْ سَعِیدٍ : أنَّ إبْرَاہِیمَ عَلَیْہِ السَّلاَمُ أَوَّلُ مَنْ رَأَی الشَّیْبَ ، فَقَالَ : یَا رَبِ ، مَا ہَذَا ؟ قَالَ : الْوَقَارُ ، قَالَ : یَا رَبِ ، زِدْنِی وَقَارًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৪৯২ ) ইয়াহইয়া বিন সাঈদ হজরত সাঈদ থেকে বর্ণনা করেন যে , হজরত ইবরাহীম ( আ . ) সর্বপ্রথম সাদা চুল দেখে বললেন , হে প্রভু ! এটা কি ? আল্লাহ বললেন এই যে মর্যাদা তুমি চেয়েছ , হে আমার প্রভু ! আমার মর্যাদা বাড়াও .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۴۹۳) حَدَّثَنَا عِیسَی بْنُ یُونُسَ ، عَنْ رَبِیعَۃَ بْنِ عُثْمَانَ التَّیْمِیِّ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاہِیمَ ، عَن أَبِیہِ : أنَّہُ قَالَ : أَوَّلُ مَنْ خَطَبَ عَلَی الْمَنَابِرِ إبْرَاہِیمُ خَلِیلُ اللہِ علیہ السلام۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৪৯৩) সাদ বিন ইব্রাহিম বলেন যে , হজরত ইব্রাহিম বলেন , হজরত ইব্রাহিম ( আ . ) প্রথমে মিম্বরে খুতবা দিয়েছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۴۹۴) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ : {فَمَا وَجَدْنَا فِیہَا غَیْرَ بَیْتٍ مِنَ الْمُسْلِمِینَ} قَالَ : لُوطٌ عَلَیْہِ السَّلاَمُ وَابْنَتَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(32494) হযরত মুজাহিদ আল্লাহর উক্তি {ফাম্মা ওয়াজদনা ফী হা গায়ে রাব বাই ত মিন আল - মুসলিম য়ি ন } এর ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে যে এটি লূত ( আঃ ) কে নির্দেশ করে এবং সে দুটি বিটি কি ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۴۹۵) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، حَدَّثَنَا سُلَیْمَانُ بْنُ الْمُغِیرَۃِ ، عَنْ حُمَیْدِ بْنِ ہِلاَلٍ ، قَالَ : قَالَ جُنْدُبٌ ، قَالَ حُذَیْفَۃُ : لَمَّا أُرْسِلَتِ الرُّسُلُ إلَی قَوْمِ لُوطٍ لِیُہْلِکُوہُمْ قِیلَ لَہُمْ: لاَ تُہْلِکُوہُمْ حَتَّی یَشْہَدَ عَلَیْہِمْ لُوطٌ ثَلاَثَ مِرَارٍ، قَالَ: وَکَانَ طَرِیقُہُمْ عَلَی إبْرَاہِیمَ عَلَیْہِ السَّلاَمُ ، قَالَ : فَأَتَوْا إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : فَلَمَّا بَشَّرُوہُ بِمَا بَشَّرُوہُ ، قَالَ : {فَلَمَّا ذَہَبَ عَنْ إبْرَاہِیمَ الرَّوْعُ وَجَائَتْہُ الْبُشْرَی یُجَادِلُنَا فِی قَوْمِ لُوطٍ} قَالَ : وَکَانَ مُجَادَلَتُہُ إیَّاہُمْ إِنَّہُ قَالَ : أَرَأَیْتُمْ إنْ کَانَ فِیہَا خَمْسُونَ مِنَ الْمُسْلِمِینَ أَتُہْلِکُونَہُمْ ؟ قَالُوا : لاَ ، قَالَ : أَفَرَأَیْتُمْ إنْ کَانَ فِیہَا أَرْبَعُونَ ؟ قَالَ : قَالُوا : لاَ ، حَتَّی انْتَہَی إلَی عَشْرَۃٍ ، أَوْ خَمْسَۃٍ - حُمَیْدٌ شَکَّ فِی ذَلِکَ - ، قَالَ : قَالُوا : فَأَتَوْا لُوطًا وَہُوَ یَعْمَلُ فِی أَرْضٍ لَہُ ، قَالَ : فَحَسِبَہُمْ بَشَرًا ، قَالَ : فَأَقْبَلَ بِہِمْ خَفِیًّا حَتَّی أَمْسَی إلَی أَہْلِہِ۔ قَالَ: فَمَشَوْا مَعَہُ فَالْتَفَتَ إلَیْہِمْ، قَالَ: وَمَا تَدْرُونَ مَا یَصْنَعُ ہَؤُلاَئِ؟ قَالُوا: وَمَا یَصْنَعُونَ؟ فَقَالَ: مَا مِنَ النَّاسِ أَحَدٌ ہُوَ شَرّ مِنْہُمْ، قَالَ: فَلَبِسُوا آدَاتَہُمْ عَلَی مَا قَالَ، وَمَشَوْا مَعَہُ، قَالَ: ثُمَّ قَالَ مِثْلَ ہَذَا، فَأَعَادَ عَلَیْہِمْ مِثْلَ ہَذَا ثَلاَثَ مِرَارٍ ، قَالَ: فَانْتَہَی بِہِمْ إلَی أَہْلِہِ ، قَالَ : فَانْطَلَقَتِ امْرَأَتُہُ الْعَجُوزُ - عَجُوزُ السُّوئِ - إلَی قَوْمِہِ ، فَقَالَتْ : لَقَدْ تَضَیَّفَ لُوطٌ اللَّیْلَۃَ رِجَالاً مَا رَأَیْت رِجَالاً قَطُّ أَحْسَنَ مِنْہُمْ وُجُوہًا ، وَلاَ أَطْیَبَ رِیحًا مِنْہُمْ۔ قَالَ : فَأَقْبَلُوا یُہْرَعُونَ إلَیْہِ حَتَّی دَافَعُوہُ الْبَابَ حَتَّی کَادُوا یَغْلِبُونَہُ عَلَیْہِ ، قَالَ : فَأَہْوَی مَلَکٌ مِنْہُمْ بِجَنَاحِہِ ، فَصَفَقَہُ دُونَہُمْ ، قَالَ : وَعَلاَ لُوطٌ الْبَابَ وَعَلَوْہ مَعَہُ ، قَالَ : فَجَعَلَ یُخَاطِبُہُمْ : {ہَؤُلاَئِ بَنَاتِی ہُنَّ أَطْہَرُ لَکُمْ فَاتَّقُوا اللَّہَ وَلاَ تُخْزُونِی فِی ضَیْفِی أَلَیْسَ مِنْکُمْ رَجُلٌ رَشِیدٌ} قَالَ : فَقَالُوا : {لَقَدْ عَلِمْتَ مَا لَنَا فِی بَنَاتِکَ مِنْ حَقٍّ وَإِنَّک لَتَعْلَمُ مَا نُرِیدُ} قَالَ : فَقَالَ : {لَوْ أَنَّ لِی بِکُمْ قُوَّۃً ، أَوْ آوِی إلَی رُکْنٍ شَدِیدٍ} قَالَ : قَالُوا : {یَا لُوطُ إنَّا رُسُلُ رَبِّکَ لَنْ یَصِلُوا إلَیْک} قَالَ : فَذَاکَ حِینَ عَلِمَ أَنَّہُمْ رُسُلُ اللہِ ، ثُمَّ قَرَأَ إلَی قَوْلِہِ : {أَلَیْسَ الصُّبْحُ بِقَرِیبٍ}۔ قَالَ : وَقَالَ مَلَکٌ : فَأَہْوَی بِجَنَاحِہِ ہَکَذَا - یَعْنِی : شِبْہَ الضَّرْبِ - ، فَمَا غَشِیَہُ أَحَدٌ مِنْہُمْ تِلْکَ اللَّیْلَۃَ إلاَّ عَمِیَ ، قَالَ : فَبَاتُوا بِشَرِّ لَیْلَۃٍ عُمْیَانًا یَنْتَظِرُونَ الْعَذَابَ ، قَالَ : وَسَارَ بِأَہْلِہِ ، قَالَ : اسْتَأْذَنَ جِبْرِیلُ فِی ہَلَکَتِہِمْ ، فَأُذِنَ لَہُ ، فَاحْتَمَلَ الأَرْضَ الَّتِی کَانُوا عَلَیْہَا ، قَالَ : فَأَلْوَی بِہَا حَتَّی سَمِعَ أَہْلُ سَمَائِ الدُّنْیَا ضُغَائَ کِلاَبِہِمْ ، قَالَ ، ثُمَّ قَلَبَہَا بِہِمْ ، قَالَ : فَسَمِعَتِ امْرَأَتُہُ - یَعْنِی : لُوطًا عَلَیْہِ السَّلاَمُ - الْوَجْبَۃَ وَہِیَ مَعَہُ فَالْتَفَتَتْ فَأَصَابَہَا الْعَذَابُ ، قَالَ : وَتَتَبَّعَتْ سُفّارَہُمْ بِالْحِجَارَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৪৯৫) জুনদব বর্ণনা করেন যে, হজরত হুযায়ফা ( রা.) বলেন , যখন লূত (আ. ) - এর সম্প্রদায়কে ধ্বংস করার জন্য দুজন ফেরেশতা পাঠানো হয়েছিল , তখন তাদের বলা হয়েছিল : যতক্ষণ না লূত ( আ . ) তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিচ্ছেন ততক্ষণ তাদের হত্যা করা হবে না । তিনবার বলে যে, তাদের পথ ইব্রাহীম ( আঃ ) এর কাছ দিয়ে যেতেন , তাই তিনি ইবরাহীম ( আঃ ) -এর কাছে এসে সুসংবাদ দিলেন , আল্লাহ বলেন : তারা বলে যে তাদের সাথে এমনভাবে ঝগড়া হয়েছিল যে তারা বলেছিল যে এই গ্রামে যদি পঞ্চাশ জন মুসলমান থাকে তবে আপনি তাদের হত্যা করবেন ? তারা বললো না , তুমি বললে , তাহলে তাতে যদি চল্লিশজন মুসলমান থাকে তাহলে কি তুমি তাদের হত্যা করবে ? তিনি বলেন , না . হ্যাঁ, যতক্ষণ না তুমি দশ - পাঁচে পৌঁছো , হামিদ বর্ণনাকারী এতে সন্দেহ করেন . তাই তারা লূত (আঃ)-এর কাছে আসে এরপর যখন তিনি তাঁর জমিতে কাজ করছিলেন , তিনি তাদের মানুষ হিসাবে গ্রহণ করেছিলেন, তাই তিনি তাদের গোপনে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যান । ( 2 ) এরপর তিনি তাদের সাথে হাঁটতে লাগলেন , অতঃপর তাদের দিকে ফিরে বললেন : তোমরা কি জানো এরা কি করছে ? তারা বলল কি করছ ? তিনি বললেন , তার চেয়ে খারাপ লোক আর কেউ নেই , তাই সে কিছু না বলে তার সাথে হাঁটা শুরু করল , তারপর আবার তাকে বলল , তাই সে একই উত্তর দিল , সে তিনবার এমন করল , তার পর সে তাদের বাড়িতে নিয়ে গেলেন , তাই তাদের বৃদ্ধির জন্য তিনি তাঁর লোকেদের কাছে এসে বললেন যে আজ রাতে লোটের অতিথি এসেছে যারা তিনি কখনও দেখেননি তার চেয়ে বেশি সুন্দর এবং সুগন্ধি । (৩) অতঃপর তারা তাদের কাছে ছুটে এলো যতক্ষণ না তারা দরজা ঠেলে দিতে লাগলো , তখন ফেরেশতা তাদের ডানা মেরে তাড়িয়ে দিলেন এবং লূত ( আঃ ) এর কাছে চলে গেলেন গেট এবং তারাও উপরে গেল , এবং তিনি তাদের সম্বোধন করে বললেন , এরা মেরি খরগোশ । এটি আপনার জন্য আরও খাবার আমার অতিথিদের সম্পর্কে আমাকে বিব্রত করবেন না । আপনি কি বিবেকবান মানুষ নন ? তারা বলল, আপনি জানেন যে আপনার সন্তানদের উপর আমাদের কোন অধিকার নেই এবং আপনি জানেন আমরা কি চাই । তিনি বললেনঃ আমার যদি কিছু শক্তি থাকত এবং আমি যদি একজন শক্তিশালী সাহায্যকারীর সাহায্য নিতে পারতাম । তারা বলল, হে লূত! আমরা তোমার রবের পক্ষ থেকে প্রেরিত হয়েছি এবং তারা আমাদের কাছে পৌঁছাতে পারবে না । তখন তারা জানতে পারে তারা আল্লাহর প্রেরিত ফেরেশতা । তারপর তিনি পর্যন্ত তেলাওয়াত করলেন (৪) কথিত আছে যে , একজন ফেরেশতা তার ডানা এমনভাবে নাড়ালেন যে , তিনি যতদূর পৌঁছালেন , ততক্ষণে তিনি অন্ধ হয়ে গেলেন এবং তারা রাত কাটালেন শাস্তির জন্য, এবং লূত (আঃ ) তার পরিবারের সাথে চলে গেলেন এবং যখন রায়েল তাদের হত্যা করার অনুমতি চাইলেন এবং তিনি তাদের অনুমতি দিলেন , হ্যাঁ , তারা যে মাটিতে ছিল তা উঠিয়ে দিল । যতক্ষণ না স্বর্গ ও পৃথিবীর ফেরেশতারা তাদের কুকুরের আওয়াজ শুনতে পেল , তখন তারা তা ফিরিয়ে দিল , এবং আপনার সাথে থাকা স্ত্রী শব্দটি শুনতে পেলেন এবং যখন তিনি ফিরে গেলেন , তখন তিনিও যন্ত্রণা পেয়েছিলেন এবং তাদের দূতদের উপর পাথর বর্ষণ করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۴۹۶) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : خَرَجَ مُوسَی عَلَیْہِ السَّلاَمُ یُنَادِی : لَبَّیْکَ ، قَالَ : وَجِبَالُ الرَّوْحَائِ تُجِیبُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৪৯৬) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন , হজরত মূসা ( আ . ) ‘লিবিক ’ ডাকতেন এবং রূহের পাহাড় তার জবাব দিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۴۹۷) حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ ، قَالَ : حدَّثَنَا وُہَیْبٌ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ یَحْیَی ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ : أَنَّ رَجُلاً مِنَ الأَنْصَارِ سَمِعَ رَجُلاً مِنَ الْیَہُودِ وَہُوَ فِی السُّوقِ وَہُوَ یَقُولُ : وَالَّذِی اصْطَفَی مُوسَی عَلَی الْبَشَرِ ، فَضَرَبَ وَجْہَہُ ، وَقَالَ : أَیْ خَبِیثُ ، أَعَلَی أَبِی الْقَاسِمِ ؟ فَانْطَلَقَ الْیَہُودِیُّ إلَی رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : یَا أَبَا الْقَاسِمِ ، ضَرَبَ وَجْہِی فُلاَنٌ ، فَأَرْسَلَ إلَیْہِ فَدَعَاہُ ، فَقَالَ : لِمَ ضَرَبْت وَجْہَہُ ، فَقَالَ : إنِّی مَرَرْت بِہِ فِی السُّوقِ فَسَمِعْتُہُ یَقُولُ : وَالَّذِی اصْطَفَی مُوسَی عَلَی الْبَشَرِ ، فَأَخَذَتْنِی غَضْبَۃٌ فَضَرَبْتُ وَجْہَہُ ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ تُخَیِّرُوا بَیْنَ الأَنْبِیَائِ ، فَإِنَّ النَّاسَ یُصْعَقُونَ یَوْمَ الْقِیَامَۃِ فَأَرْفَعُ رَأْسِی فَإِذَا أَنَا بِمُوسَی آخِذٌ بِقَائِمَۃٍ مِنْ قَوَائِمِ الْعَرْشِ فَلاَ أَدْرِی أَصَعِقَ فِیمَنْ صَعِقَ فَأَفَاقَ قَبْلِی ، أَوْ حُوسِبَ بِصَعْقَتِہِ الأُولَی ، أَوَ قَالَ : کَفَتْہُ صَعْقَتُہُ الأُولَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৪৯৭ ) হজরত আবু সাঈদ বলেন , আনসারদের একজন ব্যক্তি আজকে বাজারে তিনি তাদের বলতে শুনেছেন , যে মূসাকে মানবজাতির উপর অনুগ্রহ দান করেছেন তার কসম , তিনি তার মুখে চড় মেরে বললেন , হে খাবি ! এটা কি আবু আল-কাসিম ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর উপর ? তাই সে হুদি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর কাছে গিয়ে বললেন , হে আবু আল-কাসিম! অমুক লোকটা আমার মুখে মারল , তুমি একজন লোক পাঠিয়ে তাকে ডেকে বললে কেন তার মুখে মারলে ? তিনি বলেন, আমি বাজারে তার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম , তখন আমি তাকে বলতে শুনলাম , “সেই সত্তার কসম, যিনি মূসাকে মানবজাতির উপর অনুগ্রহ করেছেন । ” তখন আমি রাগান্বিত হয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-এর মুখে আঘাত করলাম আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ একজন নবীকে অন্যের উপর প্রাধান্য দিও না , কেননা কিয়ামতের দিন মানুষ ধাক্কা খাবে , তাই আমি মাথা তুললে মূসা ( আঃ ) ।সিংহাসনের পা ধরে রাখলে আমি জানি না যে তারা মানুষের সাথে ধাক্কা খেয়ে আমার সামনে আফিকাহ হবে নাকি প্রথম ধাক্কাটাই তাদের জন্য যথেষ্ট হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۴۹۸) حَدَّثَنَا یَعْلَی بْنُ عُبَیْدٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ أَبِی خَالِدٍ ، عَنْ عَامِرٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ الْحَارِثِ ، عَنْ کَعْبٍ، قَالَ: إنَّ اللَّہَ قَسَمَ کَلاَمُہُ وَرُؤْیَتَہُ بَیْنَ مُوسَی وَمُحَمَّدٍ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَکَلَّمَہُ مُوسَی مَرَّتَیْنِ، وَرَآہُ مُحَمَّدٌ مَرَّتَیْنِ۔ (حاکم ۵۷۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৪৯৮) আবদুল্লাহ ইবনে হারিস বর্ণনা করেন যে , হজরত কাব বলেন , মহান আল্লাহ মূসা ( আলাইহিস সালাম ) ও মুহাম্মাদ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর কাছে তাঁর বাণী ও দর্শন পাঠিয়েছিলেন ) তাদেরকে বিভক্ত করে , তাই মূসা ( আঃ ) আল্লাহর সাথে দুবার এবং মুহাম্মাদ ( সাঃ ) এর সাথে দুবার কথা বললেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۴۹۹) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ الْجُرَیْرِیِّ ، عَنْ أَبِی السَّلیل ، عَنْ قَیْسِ بْنِ عُبَادٍ - وَکَانَ مِنْ أکْثَرِ النَّاسِ ، أَوْ مِنْ أَحْدَثِ النَّاسِ ، عَنْ بَنِی إسْرَائِیلَ - قَالَ : فَحَدَّثَنَا أَنَّ الشِّرْذِمَۃَ الَّذِینَ سَمَّاہُمْ فِرْعَوْنُ مِنْ بَنِی إسْرَائِیلَ کَانُوا سِتَّمِئَۃِ أَلْفٍ ، وَکَانَ مُقَدَّمَۃُ فِرْعَوْنَ سَبْعَمِئَۃِ أَلْفٍ ، کُلُّ رَجُلٍ مِنْہُمْ عَلَی حِصَانٍ ، عَلَی رَأْسِہِ بَیْضَۃٌ وَبِیَدِہِ حَرْبَۃٌ وَہُوَ خَلْفَہُمْ فِی الدُّہْمِ ، فَلَمَّا انْتَہَی مُوسَی عَلَیْہِ السَّلاَمُ بِبَنِی إسْرَائِیلَ إلَی الْبَحْرِ ، قَالَتْ بَنُو إسْرَائِیلَ : أَیْنَ مَا وَعَدْتنَا ہَذَا الْبَحْرُ بَیْنَ أَیْدِینَا ، وَہَذَا فِرْعَوْنُ وَجُنُودُہُ قَدْ دَہَمَنَا أَو مِنْ خَلْفِنَا ، فَقَالَ مُوسَی عَلَیْہِ السَّلاَمُ لِلْبَحْرِ : انْفَلِقْ أَبَا خَالِدٍ ، فَقَالَ : لاَ أَنَفْلِقُ لَک یَا مُوسَی ، أَنَا أَقْدَمُ مِنْک خَلْقًا ، أَوْ أَشَدُّ ، قَالَ : فَنُودِیَ : {أَنَ اضْرِبْ بِعَصَاک الْبَحْرَ} فَضَرَبَ {فَانْفَلَقَ}۔ قَالَ الْجُرَیْرِیُّ : وَکَانُوا اثْنَیْ عَشَرَ سِبْطًا ، وَکَانَ لِکُلِّ سِبْطٍ مِنْہُمْ طَرِیقٌ ، فَلَمَّا انْتَہَی أَوَّلُ جُنُودِ فِرْعَوْنَ إلَی الْبَحْرِ ہَابَتِ الْخَیْلُ اللہب ، وَمُثِّلَ لِحِصَانٍ مِنْہَا فَرَسٌ وَدِیقٌ ، فَوَجَدَ رِیحَہَا ، فَأبسلَ تَتْبَعُہُ الْخَیْلُ ، فَلَمَّا تَتَامَّ آخِرُ جُنُودِ فِرْعَوْنَ فِی الْبَحْرِ خَرَجَ آخِرُ بَنِی إسْرَائِیلَ مِنَ الْبَحْرِ فَانْصَفَقَ عَلَیْہِمْ ، فَقَالَتْ بَنُو إسْرَائِیلَ : مَا مَاتَ فِرْعَوْنُ ، وَمَا کَانَ لِیَمُوتَ أَبَدًا ، قَالَ : فَلَمْ یَعُدُ أَنْ سَمَّعَ اللَّہُ تَکْذِیبَہُمْ نَبِیَّہُ ، فَرَمَی بِہِ عَلَی السَّاحِلِ کَأَنَّہُ ثَوْرٌ أَحْمَرُ یَتَرَاء اہُ بَنُو إسْرَائِیلَ۔ (ابن جریر ۱۹)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৪৯৯ ) আবু আল - সলিল হজরত কায়েস ইবনে ইবাদ থেকে বর্ণনা করেন , যিনি বনী ইসরাঈল সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি বর্ণনা করেছেন , তিনি বলেন , তিনি বলেন , আমরা তাদের বলেছিলাম যে , ফেরাউন যাদের নাম লিখেছিল তাদের সংখ্যা ছিল ছয় লাখ এবং ফেরাউনের সৈন্যদল ছিল সাত লাখ লোকের , এবং প্রত্যেক ব্যক্তি একটি ঘোড়ায় চড়বে এবং সে তার মাথায় থাকবে এবং তার হাতে একটি বর্শা থাকবে এবং সে ঐ লোকদের পিছনে থাকবে যখন মূসা ( আ . ) ) বনী ইসরাঈলকে সমুদ্রের দিকে নিয়ে গেলেন , তখন বনী ইসরাঈলরা বললো , তোমরা আমাদের সাথে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলে তা কোথায় ? আমরা , মূসা । ( আঃ ) বললেনঃ হে সাগর! ভাঙ্গো, সে বলল, হে মূসা, আমি তোমার জন্য ভেঙ্গে পড়ি না , আমি তোমার আগে জন্মেছি , অথবা তিনি বললেন , আমি শক্তিশালী , তাই আওয়াজ দেওয়া হয়েছিল যে সিম তোমার আসরকে নেদারে আঘাত করো , যখন তুমি লাঠিতে আঘাত করো, তখন এটি । ফেটে যাওয়া জুরিরি বলেন যে তারা বারোটি গোত্র এবং প্রতিটি গোত্রের একটি পৃথক পথ ছিল যখন ফেরাউনের সেনাবাহিনীর প্রথম অংশটি সমুদ্রের কাছে পৌঁছেছিল , তখন ঘোড়াগুলি মশালকে ভয় পেয়েছিল এবং প্রতিটি ঘোড়ার সামনে একটি মহিলা ঘোড়ার আকার ছিল ঘোড়াগুলো তাদের পিছু পিছু ছুটতে লাগল , যখন সেনাবাহিনীর শেষ অংশটি সমুদ্রের কাছে পৌঁছল , তখন বনী ইসরাঈলরা সাগর থেকে বেরিয়ে গেল , তখন সাগর তাদের সাথে মিলিত হল , ইসরাঈলরা বলল যে , ফেরাউন মারা যায়নি । কখনো মরবে না , তাই এখন আল্লাহ তাদের অস্বীকার করেছেন যতক্ষণ না সমুদ্র এটিকে তীরে ছুড়ে দেয় যে এটি একটি লাল বলদ বলে বলা হয়েছিল , এবং ইস্রায়েলের সন্তানরা তা খেতে শুরু করেছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۵۰۰) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ، عَنْ یُونُسَ بْنِ أَبِی إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَیْمُونٍ، عَنْ عَبْدِاللہِ بْنِ مَسْعُودٍ: أَنَّ مُوسَی عَلَیْہِ السَّلاَمُ حِینَ أَسْرَی بِبَنِی إسْرَائِیلَ بَلَغَ فِرْعَوْنَ، فَأَمَرَ بِشَاۃٍ فَذُبِحَتْ، ثُمَّ قَالَ: لاَ وَاللہِ لاَ یُفْرَغُ مِنْ سَلْخِہَا حَتَّی یَجْتَمِعَ إلَیَّ سِتُّمِئَۃِ أَلْفٍ مِنَ الْقِبْطِ، قَالَ: فَانْطَلَقَ مُوسَی عَلَیْہِ السَّلاَمُ حَتَّی انْتَہَی إلَی الْبَحْرِ، فَقَالَ لَہُ: اُفْرُقْ، فَقَالَ: الْبَحْرُ: لَقَدَ اسْتَکْبَرْت یَا مُوسَی، وَہَلَ فَرَقْت لأَحَدٍ مِنْ وَلَدِ آدَمَ فَأَفْرُقَ لَک؟ قَالَ: وَمَعَ مُوسَی عَلَیْہِ السَّلاَمُ رَجُلٌ عَلَی حِصَانٍ لَہُ ، فَقَالَ لَہُ ذَاکَ الرَّجُلُ : أَیْنَ أُمِرْت یَا نَبِیَّ اللہِ ؟ قَالَ : مَا أُمِرْت إلاَّ بِہَذَا الْوَجْہِ ، قَالَ : فَأَقْحَمَ فَرَسَہُ فَسَبَحَ بِہِ فَخَرَجَ ، فَقَالَ : أَیْنَ أُمِرْت یَا نَبِیَّ اللہِ ؟ قَالَ : مَا أُمِرْت إلاَّ بِہَذَا الْوَجْہِ ، قَالَ : وَاللہِ مَا کَذَبْت ، وَلاَ کُذِّبْت ، قَالَ : ثُمَّ اقْتَحَمَ الثَّانِیَۃَ فَسَبَحَ بِہِ ، ثُمَّ خَرَجَ ، فَقَالَ: أَیْنَ أُمِرْت یَا نَبِیَّ اللہِ ؟ قَالَ : مَا أُمِرْت إلاَّ بِہَذَا الْوَجْہِ ، قَالَ : وَاللہِ مَا کَذَبْت ، وَلاَ کُذِّبْت ، قَالَ : فَأَوْحَی اللَّہُ إلَی مُوسَی عَلَیْہِ السَّلاَمُ : {أَنَ اضْرِبْ بِعَصَاک} فَضَرَبَ مُوسَی بِعَصَاہُ {فَانْفَلَقَ ، فَکَانَ کُلُّ فِرْقٍ کَالطَّوْدِ الْعَظِیمِ} کَالْجَبَلِ الْعَظِیمِ ، فَکَانَ فِیہِ اثْنَا عَشَرَ طَرِیقًا لاِثْنَیْ عَشَرَ سِبْطًا ، لِکُلِّ سِبْطٍ طَرِیقٌ یَتَرَائَوْنَ ، فَلَمَّا خَرَجَ أَصْحَابُ مُوسَی وَتَتَامَّ أَصْحَابُ فِرْعَوْنَ الْتَقَی الْبَحْرُ عَلَیْہِمْ فَأَغْرَقَہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৫০০) আমর ইবনে মায়মুন হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা. ) থেকে বর্ণনা করেন যে , মুসা ( আ . ) যখন রাতে বনী ইসরাঈলকে নিয়ে যাচ্ছিলেন , তখন ফেরাউনের বাহিনী এসে পৌঁছলে তিনি একটি ছাগলকে জবাই করার নির্দেশ দেন এবং বললেন , ছয় লাখ কপ্টস যেন তার চামড়ার সামনে জড়ো হয় , তাই মূসা ( আঃ ) তাদের নিয়ে গেলেন এবং সমুদ্রের কাছে পৌঁছনো পর্যন্ত হাঁটলেন, তারপর তারা একে ভেঙ্গে ফেলতে বললেন , সাগর বলল , হে মূসা ! তুমি অহংকার করে ঘুরে বেড়াও, আমি কি আদম সন্তান , আমি কি কারো জন্য ছিঁড়ে গেছি যে তোমার জন্য আমাকে ছিঁড়ে ফেলা উচিত ? কথিত আছে , এক ব্যক্তি মূসা ( আঃ ) -এর সাথে ঘোড়ায় চড়ে যাচ্ছিলেন , তিনি বললেন , হে আল্লাহর রাসূল ! আপনাকে কোন দিকে আসতে আদেশ করা হয়েছে? তিনি বললেন , আমাকে এভাবে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে , তাই তিনি তার ঘোড়াটিকে সাগরে রেখে তাতে সাঁতার কাটতে লাগলেন , তারপর বেরিয়ে এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল ! আপনাকে কোথায় যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে? তিনি বলেন , আমাকে এ দিকে আসতে আদেশ করা হয়েছে । , বারোটি গোত্রের জন্য বারোটি পথ তৈরি করা হয়েছিল , এবং প্রতিটি গোত্রের একটি পৃথক পথ ছিল এবং তারা একে অপরের দিকে তাকাচ্ছিল , যখন মূসা ( আঃ ) সাথে তারা বেরিয়ে গেল এবং তারা সবাই ফেরাউনের সাথে সমুদ্রের কাছে পৌঁছে গেল , তারপর সমুদ্র মিলিত হল । তারা এবং তারা সবাই ডুবে গেছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۵۰۱) عن أبی نضرۃ ، عن جابر: {فَصَعِقَ مَن فِی السَّمَاوَاتِ وَمَن فِی الأَرْضِ إِلاَّ مَن شَاء اللَّہُ} قَالَ: موسی ممن استثنی اللہ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(32501) হজরত জাবির আল্লাহর নির্দেশে বলেন {ফাসাইক মিন ফি আল-সামাওয়াত ওয়া মিন ফি আল- আরদ ইলা মিন শা আল্লাহ } যে মূসা ( আ . ) সেই লোকদের মধ্যে একজন যাদেরকে আল্লাহ ব্যতিক্রম করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۵۰۲) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ سُلَیْمَانَ التَّیْمِیِّ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ عُمَارَۃَ بْنِ عَبْدٍ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ: انْطَلَقَ مُوسَی وَہَارُونُ علیہما السلام وَانْطَلَقَ شَبَّر وَشَبِیر، فَانْتَہَوْا إلَی جَبَلٍ فِیہِ سَرِیرٌ فَنَامَ عَلَیْہِ ہَارُونُ فَقُبِضَ رُوحُہُ ، فَرَجَعَ مُوسَی إلَی قَوْمِہِ ، فَقَالُوا : أَنْتَ قَتَلْتہ ، حَسَدْتَنَا عَلَی خُلُقِہِ ، أَوْ عَلَی لِینِہِ ، أَوْ کَلِمَۃً نَحْوَہَا - الشَّکُّ مِنْ سُفْیَانَ - ، قَالَ : کَیْفَ أَقْتُلُہُ وَمَعِی ابْنَاہُ ؟ قَالَ : فَاخْتَارُوا من شئتم ، قَالَ: فَاخْتَارُوا مِنْ کُلِّ سِبْطٍ عَشْرَۃً ، قَالَ : وَذَلِکَ قَوْلُہُ : {وَاخْتَارَ مُوسَی قَوْمَہُ سَبْعِینَ رَجُلاً} فَانْتَہَوْا إلَیْہِ فَقَالُوا : مَنْ قَتَلَک یَا ہَارُونُ ، قَالَ : مَا قَتَلَنِی أَحَد ، وَلَکِنْ تَوَفَّانِی اللَّہُ ، قَالُوا : یَا مُوسَی مَا تُعْصَی بَعْدُ، قَالَ: فَأَخَذَتْہُمَ الرَّجْفَۃُ، فَجَعَلَ یَتَرَدَّدُ یَمِینًا وَشِمَالاً وَیَقُولُ : {لَوْ شِئْت أہْلَکْتَہُمْ مِنْ قَبْلُ وَإِیَّایَ أَتُہْلِکُنَا بِمَا فَعَلَ السُّفَہَائُ مِنَّا إنْ ہِیَ إلاَّ فِتْنَتُک} قَالَ : فَدَعَا اللَّہَ فَأَحْیَاہُمْ وَجَعَلَہُمْ أَنْبِیَائَ کُلَّہُمْ۔ (ابن جریر ۷۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৫০২) হযরত আলী ( রাঃ ) বলেন যে, মুসা ও হারুন ( আঃ ) এবং শাবুর ও শাবির হাঁটতে হাঁটতে একটি পাহাড়ে পৌছালেন যেখানে একটি বিছানা ছিল , অতঃপর হারুন ( আঃ ) তাতে ঘুমিয়ে পড়লেন এবং তাঁর আত্মা হল। মূসা ( আঃ ) তার কওমের কাছে ফিরে গেলেন, তখন তার সম্প্রদায় বলতে লাগলো যে আপনি তাকে হত্যা করেছেন , এবং তাদের নৈতিকতার কারণে আপনি আমাদের প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়েছেন , অথবা বলেছেন , বা এরকম একটি শব্দ বলেছেন , রবি কে- তে শাক সুফী । তিনি বলেছিলেন , আমার কাছে তাদের ছেলে থাকা অবস্থায় আমি কীভাবে তাদের হত্যা করব ? তাই তারা প্রতিটি গোত্র থেকে দশজন লোক বেছে নিল, এই হল আল্লাহর নির্দেশের অর্থ {ওয়াখতার মূসা কওমাহ সাত পুরুষ } , যখন তারা তাদের কাছে পৌঁছল, তখন তারা তাদের জিজ্ঞেস করল, হে হারুন! তোমাকে কে মেরেছে ? তিনি বললেন , আমাকে কেউ হত্যা করেনি , কিন্তু আল্লাহ আমাকে হত্যা করেছেন । আজকের পর আমরা তোমার অবাধ্য হব না , তাই ভূমিকম্প হল এবং তারা মারা গেল এবং তারা ডানে - বামে ঘোরাফেরা করতে লাগল এবং বলল : মিন কাবুল হুইট ইয়া আতুলকুন্না বিমা ফা ফাল আল সুফহাউ মিন্না ইনহিয়া ইলা ফিতনাতক } এরপর তারা নামায পড়ল, তারপর আল্লাহ তাদের পুনরুজ্জীবিত করলেন এবং সবাইকে নবী বানিয়ে দিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۵۰۳) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ ، قَالَ : حدَّثَنَا إسْرَائِیلُ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَیْمُونٍ الأَوْدِیِّ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ ، أَنَّ مُوسَی عَلَیْہِ السَّلاَمُ لَمَّا وَرَدَ مَائَ مَدْیَنَ وَجَدَ عَلَیْہِ أُمَّۃً مِنَ النَّاسِ یَسْقُونَ ، فَلَمَّا فَرَغُوا أَعَادُوا الصَّخْرَۃَ عَلَی الْبِئْرِ ، وَلاَ یُطِیقُ رَفْعَہَا إلاَّ عَشْرَۃُ رِجَالٍ ، فَإِذَا ہُوَ بِامْرَأَتَیْنِ تَذُودَانِ ، قَالَ : مَا خَطْبُکُمَا فَحَدَّثَتَاہُ فَأَتَی الْحَجَرَ فَرَفَعَہُ ، ثُمَّ لَمْ یَسْتَقِ إلاَّ ذَنُوبًا وَاحِدًا حَتَّی رُوِیَتِ الْغَنَمُ وَرَجَعَتِ الْمَرْأَتَانِ إلَی أَبِیہِمَا فَحَدَّثَتَاہُ ، وَتَوَلَّی مُوسَی عَلَیْہِ السَّلاَمُ إلَی الظِّلِّ ، فَقَالَ : {رَبِّ إنِّی لِمَا أَنْزَلْتَ إلَیَّ مِنْ خَیْرٍ فَقِیرٌ}۔ قَالَ : {فَجَائَتْہُ إحْدَاہُمَا تَمْشِی عَلَی اسْتِحْیَائٍ} وَاضِعَۃً ثَوْبَہَا عَلَی وَجْہِہَا ، {قَالَتْ إنَّ أَبِی یَدْعُوک لِیَجْزِیَک أَجْرَ مَا سَقَیْتَ لَنَا} قَالَ لَہَا : امْشِی خَلْفِی وَصِفِی لِی الطَّرِیقَ ، فَإِنِّی أَکْرَہُ أَنْ تُصِیبَ الرِّیحُ ثَوْبَک فَیَصِفَ لِی جَسَدَک ، فَلَمَّا انْتَہَی إلَی أَبِیہَا قَصَّ عَلَیْہِ ، قَالَتْ إحْدَاہُمَا : {یَا أَبَتِ اسْتَأْجِرْہُ إنَّ خَیْرَ مَنِ اسْتَأْجَرْتَ الْقَوِیُّ الأَمِینُ} قَالَ : یَا بُنَیَّۃُ ، مَا عِلْمُک بِأَمَانَتِہِ وَقُوَّتِہِ ، قَالَتْ : أَمَّا قُوَّتُہُ فَرَفْعُہُ الْحَجَرَ ، وَلاَ یُطِیقُہُ إلاَّ عَشْرَۃٌ ، وَأَمَّا أَمَانَتُہُ ، فَقَالَ : لِی امْشِی خَلْفِی وَصِفِی لِی الطَّرِیقَ فَإِنِّی أَخَافُ أَنْ تُصِیبَ الرِّیحُ ثَوْبَک فَیَصِفَ جَسَدَک۔ فَقَالَ : عُمَرُ فَأَقْبَلَتْ إلَیْہِ لَیْسَتْ بِسَلْفَعٍ مِنَ النِّسَائِ لاَ خَرَّاجَۃٍ وَلأَوَلاَجَۃٍ ، وَاضِعَۃً ثَوْبُہَا عَلَی وَجْہِہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৫০৩) আমর বিন মায়মন ও উদী বর্ণনা করেন যে, হযরত উমর বিন খাত্তাব (রাঃ) বলেন , যখন মূসা ( আঃ ) মদীনার পানিতে পৌছালেন , তখন কিছু লোক তাকে বলল , তারা আবার কূপের উপর পাথর বসিয়ে দিল আপনি যখন আপনার ছাগলটি সরিয়ে নিচ্ছিলেন তখন আপনি তাদের কাছে দশজন মহিলাকে দিয়েছিলেন তারা আপনাকে বলেছিল , তাই আপনি পাথরের কাছে এসে এটি তুলেছিলেন , এবং যখন বালতিটি টানা হয়েছিল , তখন ছাগলগুলিকে জল দেওয়া হয়েছিল , এবং দুটি মহিলা তাদের পিতার ছিল এবং তারা তাদের কাছ থেকে ঘটনাটি বর্ণনা করেছিল , এবং মূসা ( আ . ) (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাকে আমার সাথে দেখা করতে নিয়ে গেলেন এবং বললেন , ইয়ার ফকির বলেন , তাদের মধ্য থেকে একজন মহিলা মুখে কাপড় বেঁধে আপনার কাছে এসে বলতে লাগল যে , আমার পিতা আপনাকে তাই ডাকতেন আমাদের ছাগলকে পানি দেওয়ার জন্য আপনাকে অর্থ প্রদান করতে হবে , আপনি বলেছিলেন , আমাকে অনুসরণ করুন এবং আমাকে পথ দেখান , কারণ আমি এটি জানি । এটা খারাপ যে বাতাস আপনার পোশাক স্পর্শ করেছে এবং আমি আপনার শরীর দেখেছি । প্রকৃতপক্ষে , সর্বোত্তম কর্মী সেই যে শক্তিশালী এবং বিশ্বস্ত , তিনি বলেছিলেন । আপনি কিভাবে তার বিশ্বাস এবং ক্ষমতা সম্পর্কে জানলেন ? তিনি বলেন, তার শক্তির জ্ঞান এলো যে, দশজন লোক যখন পাথরটি তুলছিল তখন সে একাই পাথরটি তুলেছিল এবং তার বিশ্বাসের জ্ঞান এমনভাবে এসেছিল যে তিনি আমাকে বলেছিলেন যে আমার অনুসরণ করো এবং আমাকে পথ দেখাও । কারণ আমি ভয় পাচ্ছি যে বাতাস তোমার কাপড় স্পর্শ করবে এবং আমি তোমার শরীর দেখতে পাব । হজরত ওমর (রা.) বলেন যে , তিনি এমনভাবে তাঁর কাছে এসেছিলেন যে তিনি মহিলাদের মতো বসে ছিলেন না এবং তিনি ঘর থেকে বের হতেন না এবং খুব বেশি প্রবেশ করতেন না এবং মুখের উপর একটি কাপড় রেখেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۵۰۴) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنِ الْمِنْہَالِ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، وَعَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ الْحَارِثِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : لَمَّا أَتَی مُوسَی قَوْمَہُ فَأَمَرَہُمْ بِالزَّکَاۃِ ، فَجَمَعَہُمْ قَارُونُ ، فَقَالَ : ہَذَا قَدْ جَائَکُمْ بِالصَّوْمِ وَالصَّلاَۃِ وَبِأَشْیَائَ تُطِیقُونَہَا ، فَتَحْتَمِلُونَ أَنْ تُعْطُوہُ أَمْوَالَکُمْ ؟ قَالُوا : مَا نَحْتَمِلُ أَنْ نُعْطِیَہُ أَمْوَالَنَا فَمَا تَرَی؟ قَالَ : أَرَی أَنْ نُرْسِلَ إلَی بَغِیِّ بَنِی إسْرَائِیلَ فَنَأْمُرَہَا أَنْ تَرْمِیَہُ عَلَی رُؤُوسِ الأَحْبَارِ وَالنَّاسِ بِأَنَّہُ أَرَادَہَا عَلَی نَفْسِہَا ، فَفَعَلُوا ، فَرَمَتْ مُوسَی عَلَیْہِ السَّلاَمُ عَلَی رُؤُوسِ النَّاسِ ، فَدَعَا اللَّہَ عَلَیْہِمْ ، فَأَوْحَی اللَّہُ تَعَالَی إلَی الأَرْضِ أَنْ أَطِیعِیہِ، فَقَالَ لَہَا مُوسَی عَلَیْہِ السَّلاَمُ: خُذِیہِمْ، فَأَخَذَتْہُمْ إلَی أَعقَابہم فَجَعَلُوا یَقُولُونَ: یَامُوسَی یَا مُوسَی فَقَالَ: خُذِیہِمْ ، فَأَخَذَتْہُمْ إلَی رُکَبِہِمْ، قَالَ: فَجَعَلُوا یَقُولُونَ: یَا مُوسَی یَا مُوسَی، قَالَ: خُذِیہِمْ، فَأَخَذَتْہُمْ إلَی حُجَزِہِمْ ، فَجَعَلُوا یَقُولُونَ یَا مُوسَی یَا مُوسَی، قَالَ: خُذِیہِمْ، فَأَخَذَتْہُمْ إلَی أَعْنَاقِہِمْ، فَجَعَلُوا یَقُولُونَ : یَا مُوسَی یَا مُوسَی، قَالَ: فَأَخَذَتْہُمْ فَغَیَّبَتْہُمْ ، فَأَوْحَی اللَّہُ تَعَالَی إلَی مُوسَی عَلَیْہِ السَّلاَمُ: یَا مُوسَی، سَأَلَک عِبَادِی وَتَضَرَّعُوا إلَیْک فَأَبَیْت أَنْ تُجِیبَہُمْ، أَمَا وَعِزَّتِی لَوْ إیَّایَ دَعَوْنِی لاَجَبْتُہُمْ۔ (حاکم ۴۰۸)
থেকে বর্ণিতঃ
(32504) আবদুল্লাহ ইবনে হারিস হজরত ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, যখন মূসা ( আ . ) তার সম্প্রদায়ের কাছে আসেন এবং তাদেরকে যাকাত দেওয়ার নির্দেশ দেন , তখন কারুন তাদের সংগ্রহ করেন এবং তিনি বলেন : তিনি তার কাছ থেকে সালাত সম্পর্কে একটি নির্দেশ নিয়ে এসেছিলেন । রোজা, এবং রোজা , যা করার ক্ষমতা আপনার আছে, তাই আপনি তাদের আপনার সম্পত্তি প্রদান করার ক্ষমতা আছে ? তারা বললো আমরা তার ক্ষমতা নই , তোমার কি মনে হয় ? তিনি বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য যে , আমরা বনী ইসরাঈলের ব্যভিচারীকে একটি বার্তা পাঠাই এবং তাকে লোকদের সামনে তাকে দোষারোপ করার নির্দেশ দিই যে সে এ কাজ করেছে । যার সম্মানে আঘাত করা হয়েছে , তাই তারা এমনটি করেছে , এবং এই মহিলাটি লোকদের সামনে মূসা ( আঃ)-কে অপবাদ দিয়েছিল এবং তিনি তাঁর বিরুদ্ধে প্রার্থনা করেছিলেন যে আল্লাহ তায়ালা তাদের আনুগত্য করার জন্য পৃথিবীতে প্রকাশ করেছিলেন , তখন মূসা ( আঃ ) তাকে ধরে রাখতে বললেন । তাদের হাঁটু পর্যন্ত ধরে বলল , হে মূসা ! হে মূসা ! অতঃপর তিনি তাদেরকে ধরতে বললেন , অতঃপর তিনি তাদের হাঁটু পর্যন্ত ধরে রাখলেন , তারা বললেন, হে মূসা ! হে মূসা ! অতঃপর তিনি তাদেরকে ধরতে বললেন , অতঃপর তিনি তাদেরকে কোমর পর্যন্ত ধরলেন , তারপর তারা বললেন, হে মূসা ! হে মূসা ! তিনি তাদেরকে ধরতে বললেন , অতঃপর তিনি তাদেরকে গলা পর্যন্ত ধরলেন , তারা বললেন, হে মূসা ! হে মূসা ! অতঃপর পৃথিবী তাদেরকে অদৃশ্য করে দিল , তখন আল্লাহ তায়ালা মূসা ( আঃ ) -এর কাছে ওহী পাঠালেন যে , হে মুসা ! আমার দাসেরা আপনাকে প্রশ্ন করেছিল এবং আপনার সামনে ভিক্ষা করেছিল , কিন্তু আপনি তাদের মানতে অস্বীকার করেছিলেন , আমার সম্মান ! তারা আমাকে ডাকলে আমি তাদের দোয়া কবুল করতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۵۰۵) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ مُوسَی بْنِ قَیْسٍ ، عَنْ سَلَمَۃَ بْنِ کُہَیْلٍ : {وَأَلْقَیْت عَلَیْک مَحَبَّۃً مِنِّی} قَالَ: حَبَّبْتُک إلَی عِبَادِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৫০৫ ) হযরত সালামা বিন কাহিলা ( রাঃ ) আল্লাহর বাণী { ওয়ালকাইত আল - ইক মাহবাবা মিন্নি } যে তিনি বলেন , “ আমি তোমাকে তাঁর বান্দাদের প্রিয় বানিয়েছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস