(৩১) ( ৩৩১৯৫ ) আবূ দাআল্লাহ থেকে বর্ণিতঃ আমরা মুসা ইবনু উব দাউদ ইবনু মুদরিক থেকে , উর ইবনুল জুব আয়েশা (রাঃ ) থেকে জানালাম , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এই মসজিদে নামায পড় [হাদিসের সীমা (৩৩৫০৬-৩৪৪০৫), সর্বমোট হাদিসঃ ৯০০টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৭৫০টি]



32445 OK

(৩২৪৪৫)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۴۶) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ یُونُسَ بْنِ عَمْرٍو ، عَنْ بُرَیْدِ بْنِ أَبِی مَرْیَمَ ، عْن أَنَسِ بْنِ مَالِکٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ صَلَّی عَلَیَّ صَلاَۃً وَاحِدَۃً صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ عَشْرَ صَلَوَاتٍ ، وَحَطَّ عَنْہُ عَشْرَ سَیِّئَاتٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩২৪৪৬) হজরত আনাস বিন মালিক (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দোয়া করবে , আল্লাহ তার দশবার বরকত দেবেন এবং তার দশটি গুনাহ মাফ করবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32446 OK

(৩২৪৪৬)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۴۷) حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا مُوسَی بْنُ یَعْقُوبَ الزَّمْعِیُّ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی عَبْدُ اللہِ بْنُ کَیْسَانَ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی عَبْدُ اللہِ بْنُ شَدَّادِ بْنِ الْہَادِ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إنَّ أَوْلَی النَّاسِ بِی یَوْمَ الْقِیَامَۃِ أَکْثَرُہُمْ عَلَیَّ صَلاَۃً۔ (ترمذی ۴۸۴۔ ابن حبان ۹۱۱)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৪৪৭) হজরত ইবনে মাসউদ (রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , কিয়ামতের দিন মৃত্যুর সবচেয়ে কাছের সেই ব্যক্তি হবে যার ওপর আমার ওপর বেশি রহমত বর্ষিত হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32447 OK

(৩২৪৪৭)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۴۸) حَدَّثَنَا یُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، عَنْ حَمَّادٍ بْنِ سَلَمَۃ ، عَنْ ثَابِتٍ ، عَنْ سُلَیْمَانَ مَوْلَی الْحَسَنِ بْنِ عَلِیٍّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ أَبِی طَلْحَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ : أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ جَائَ ذَاتَ یَوْمٍ وَالسُّرُورُ فِی وَجْہِہِ، فَقَالُوا : یَا رَسُولَ اللہِ إنَّا لَنَرَی السُّرُورَ فِی وَجْہِکَ ؟ فَقَالَ : إِنَّہُ أَتَانِی الْمَلَکُ ، فَقَالَ : یَا مُحَمَّدُ أَمَا یُرْضِیک أنَّہُ لاَ یُصَلِّی عَلَیْک مِنْ أُمَّتِکَ أَحَدٌ إلاَّ صَلَّیْت عَلَیْہِ عَشْرًا ، وَلاَ یُسَلِّمُ عَلَیْک أَحَدٌ مِنْ أُمَّتِکَ إلاَّ سَلَّمْتُ عَلَیْہِ عَشْرًا ؟ قَالَ : بَلَی۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৪৪৮ ) হজরত আবু তালহা বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন সফরে গেলেন , এমন সময় তাঁর চেহারায় খুশির চিহ্ন দেখা গেল , একজন ফেরেশতা আমার কাছে এসে বললেন , হে মুহাম্মদ ! ! আপনি কি এতে সন্তুষ্ট নন যে আপনার উম্মতের যে কেউ আপনার প্রতি একবার দরূদ পাঠায় , আমি তার প্রতি দশবার রহমত নাযিল করি এবং তিনি বলেছেন , যে আপনাকে একবার সালাম করবে , তাকে দশবার সালাম দেবে , কেন নয় ! আমি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32448 OK

(৩২৪৪৮)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۴۹) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ الْحُبَابِ، عَنْ مُوسَی بْنِ عُبَیْدَۃَ، قَالَ: حدَّثَنِی قَیْسُ بْنُ عَبْدِالرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی صَعْصَعَۃَ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاہِیمَ، عَن أَبِیہِ، عَنْ جَدِّہِ عَبْدِالرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ: أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ: سَجَدْت شُکْرًا فِیمَا أَبْلاَنِی مِنْ أُمَّتِی : مَنْ صَلَّی عَلَیَّ صَلاَۃً کُتِبَتْ لَہُ عَشْرُ حَسَنَاتٍ ، وَحُطَّ عَنْہُ عَشْرُ سَیِّئَاتٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৪৪৯ ) হজরত আবদ আল-রহমান বিন আওফ ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : আমি জাতির পক্ষ থেকে আমাকে যে নেয়ামত দান করেছি তার জন্য আমি সেজদা করলাম আমার উপর একবার দোয়া করলে তার জন্য দশটি নেকী লেখা হবে এবং তার দশটি গুনাহ মাফ হয়ে যাবে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32449 OK

(৩২৪৪৯)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۵۰) حَدَّثَنَا ہشیم ، عن الْعَوَّامِ ، قَالَ : حدَّثَنِی رَجُلٌ مِنْ بَنِی أَسَدٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ ، إِنَّہُ قَالَ : مَنْ صَلَّی عَلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کُتِبَتْ لَہُ عَشْرُ حَسَنَاتٍ وَحُطَّ عَنْہُ عَشْرُ سَیِّئَاتٍ وَرُفِعَ لَہُ عَشْرُ دَرَجَاتٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৪৫০ ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর ( রা . ) বলেন , যে ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ ( সা . ) - এর ওপর দরূদ পাঠ করবে তার জন্য দশটি নেকী লেখা হবে এবং তার দশটি মর্যাদা উন্নীত করা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৪৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32450 OK

(৩২৪৫০)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۵۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَامِرِ بْنِ رَبِیعَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ صَلَّی عَلَیَّ لَمْ تَزَلَ الْمَلاَئِکَۃُ تُصَلِّی عَلَیْہِ مَا دَامَ یُصَلِّی عَلَی ، فَلْیُقِلَّ الْعَبْدُ مِنْ ذَلِکَ ، أَوْ یُکْثِر۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৪৫১ ) হজরত আমীর বিন রাবী আহা বলেন , রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমার উপর দরূদ পাঠায় , ততক্ষণ পর্যন্ত ফেরেশতারা তার জন্য দোয়া করতে থাকে আমি , তাই আপনি যদি চান, কম আশীর্বাদ পাঠান . ইয়াজিয়া এদাহ ভিজ
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৫০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32451 OK

(৩২৪৫১)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۵۲) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا حُصَیْنٌ ، عَنْ یَزِیدَ الرَّقَاشِیِّ ، قَالَ : إنَّ مَلَکًا مُوَکَّلٌ بِمَنْ صَلَّی عَلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَنْ یُبَلِّغَ عَنْہُ إلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، أَنَّ فُلاَنًا مِنْ أُمَّتِکَ صَلَّی عَلَیْک۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৪৫২ ) হুসাইন বর্ণনা করেন যে ইয়াজিদ আল - রাকাশী বলেছেন যে একজন ফেরেশতাকে নিযুক্ত করা হয় যে ব্যক্তিকে নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর কাছে বরকত পাঠানো হয় । আপনার অমুক জাতি আপনার প্রতি রহমত বর্ষণ করেছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৫১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32452 OK

(৩২৪৫২)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۵۳) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ جَعْفَرٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ ذُکِرْت عِنْدَہُ فَنَسِیَ الصَّلاَۃَ عَلَیَّ خَطِئَ طَرِیقَ الْجَنَّۃِ یَوْمَ الْقِیَامَۃِ۔ (ابن ماجہ ۹۰۸)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩২৪৫৩) হজরত জাফর (রা.) এর পিতা বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , ‘ যার নাম আমার সামনে এসেছে , সে যেন আমার ওপর দরূদ পাঠায় । ’ যদি সে ভুলে যায় , তবে সে পথভ্রষ্ট হবে । বিচার দিবসে জান্নাতের পথ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৫২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32453 OK

(৩২৪৫৩)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۵۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ بَدْرِ بْنِ عُثْمَانَ ، قَالَ : سَمِعْتُ عِکْرِمَۃَ ، قَالَ : الْکَوْثَرُ مَا أُعْطِیَہُ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ مِنَ الْخَیْرِ وَالنُّبُوَّۃِ وَالإِسْلاَمِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩২৪৫৪) বদর বিন উসমান বলেন , হজরত ইকরামা ( রা . ) বলেন , কাউসার হলো সেই নেকী , নবুওয়াত ও ইসলাম যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেওয়া হয়েছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32454 OK

(৩২৪৫৪)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۵۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ فِطْرٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ {إنَّا أَعْطَیْنَاک الْکَوْثَرَ} ، قَالَ : حوْضٌ فِی الْجَنَّۃِ أُعْطِیہ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৪৫৫ ) হজরত আত্তা আল্লাহর নির্দেশের ব্যাখ্যায় {ইন্না আত ই নাক আল - কাওতার } বলেন , কাওতার হলো জান্নাতের একটি আধার , যাকে আল্লাহর রাসূল ( সা . ) ( সা . ) তাকে) দেওয়া হয়েছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32455 OK

(৩২৪৫৫)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۵۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ بَدْرِ بْنِ عُثْمَانَ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، قَالَ : لَمَّا أُوحِیَ إلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَتْ قُرَیْشٌ : بُتِرَ مُحَمَّدٌ مِنَّا ، فَنَزَلَتْ : {إنَّ شَانِئَک ہُوَ الأَبْتَرُ} : الَّذِی رَمَاک بِہِ ہُوَ الأَبْتَرُ۔ (طبری ۳۳۰)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩২৪৫৬) হজরত ইকরামা বলেন , নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর কাছে ওহী নাযিল হলে কুরাইশরা বলেছিল যে, মুহাম্মাদ (সাঃ ) আমাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন , তাই আয়াতটি নাযিল হল যে, যিনি তোমাদেরকে বললেন । এটা কেটে যাওয়া প্রজন্ম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৫৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32456 OK

(৩২৪৫৬)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۵۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ أَبِی یَعْلَی ، عَنْ رَبِیعِ بْنِ خُثَیْمٍ ، قَالَ : لاَ نُفَضِّلُ عَلَی نَبِیِّنَا مُحَمَّدٍ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَحَدًا ، وَلاَ نُفَضِّلُ عَلَی إبْرَاہِیمَ خَلِیلِ اللہِ أَحَدًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৪৫৭ ) হজরত আবু আলী হজরত রাবিয়া বিন খাসিম থেকে বর্ণনা করেন যে , তিনি বলেন , আমরা আমাদের নবী মুহাম্মদ ( সা . ) - কে কাউকে দান করিনি , তারা অন্য কাউকে সম্মানও দেয় না ইবরাহীম মাখলিল আল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর চেয়ে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৫৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32457 OK

(৩২৪৫৭)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۵۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ یَحْیَی ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ تُخَیِّرُوا بَیْنَ الأَنْبِیَائِ۔ (بخاری ۶۹۱۶۔ مسلم ۱۸۴۵)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩২৪৫৮) হজরত আবু সাঈদ (রা) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , এক নবীকে অন্য নবীর চেয়ে উত্তম মনে করো না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৫৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32458 OK

(৩২৪৫৮)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۵۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سَلَمَۃَ بْنِ نُبَیْطٍ ، عَنِ الضِّحَاکِ ، قَالَ : جَائَ جِبْرِیلُ إلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَأَقْرَأَہُ آخِرَ الْبَقَرَۃِ حَتَّی إذَا حَفِظَہَا ، قَالَ : اقْرَأْہَا عَلَی ، فَقَرَأَہَا النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَجَعَلَ جِبْرِیلُ یَقُولُ : ذَلِکَ لَک ، ذَلِکَ لَک {لاَ تُؤَاخِذْنَا إنْ نَسِینَا أَوْ أَخْطَأْنَا}۔ (ابن جریر ۱۶۰)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩২৪৫৯) জাহাক বলেন , জিবরাঈল (আঃ ) নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর কাছে এসে তাঁকে সূরা বাকারার শেষ আয়াত তিলাওয়াত করলেন । হ্যাঁ , যখন তার মনে পড়ল , তখন তিনি আমাকে এটি পাঠ করতে বললেন , তাই নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তা পাঠ করতে থাকলেন এবং জিব্রাইল (আঃ ) বলতে থাকেন , এটা আপনার জন্য , এটা আপনার জন্য , আমরা যদি ভুলে যাই বা ভুল করি তাহলে আমাদের দোষারোপ করবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৫৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32459 OK

(৩২৪৫৯)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۶۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ حَبِیبٍ ، عَنْ خَیْثَمَۃ ، قَالَ : قیلَ لِلنَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إنْ شِئْت أَعْطَیْنَاک مَفَاتِحَ الأَرْضِ وَخَزَائِنَہَا ، لاَ یَنْقُصُک ذَلِکَ عِنْدَنَا شَیْئًا فِی الآخِرَۃِ ، وَإِنْ شِئْت جَمَعْتُہَا لَک فِی الآخِرَۃِ ، قَالَ : لاَ ، بَلَ اجْمَعْہَا لِی فِی الآخِرَۃِ ، فَنَزَلَتْ : {تَبَارَکَ الَّذِی إنْ شَائَ جَعَلَ لَک خَیْرًا مِنْ ذَلِکَ جَنَّاتٍ تَجْرِی مِنْ تَحْتِہَا الأَنْہَارُ وَیَجْعَلْ لَک قُصُورًا}۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৪৬০ ) হযরত খায়সমা ( রাঃ ) বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে , আপনি যদি চান তবে আমরা আপনাকে পৃথিবীর চাবি দিয়ে দেব এবং আখেরাতে আমাদের কোন কিছুর অভাব হবে না তার কাছ থেকে , এবং আপনি যদি চান , আপনি আখেরাতের জন্য সংগ্রহ করেছেন , তিনি বলেন , আমি বরং আখিরাতে নিজের জন্য সংগ্রহ করব , তাই আয়াতটি নাযিল হয় { এই জান্নাতগুলি থেকে আপনার জন্য এটি আপনার দোষ করুন । }
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৫৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32460 OK

(৩২৪৬০)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۶۱) حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، قَالَ : حدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَۃَ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَیْشٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مَسْعُودٍ : إِنَّہُ قَالَ : کُنْتُ غُلاَمًا یَافِعًا أَرْعَی غَنَمًا لِعُقْبَۃَ بْنِ أَبِی مُعَیْطٍ ، فَجَائَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَأَبُو بَکْرٍ - وَقَدْ فَرَّا مِنَ الْمُشْرِکِینَ - فَقَالاَ : یَا غُلاَمُ ، ہَلْ لَکَ مِنْ لَبَنٍ تَسْقِینَا ؟ قُلْتُ : إنِّی مُؤْتَمَنٌ وَلَسْت سَاقِیَکُمَا ، فَقَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : ہَلْ عِنْدَکَ مِنْ جَذَعَۃٍ لَمْ یَنْزُ عَلَیْہَا الْفَحْلُ ؟ قُلْتُ : نَعَمْ ، فَأَتَیْتُہُمَا بِہَا فَاعْتَقَلَہَا النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، وَمَسَحَ الضَّرْعَ وَدَعَا فَحَفَلَ الضَّرْعُ ، ثُمَّ أَتَاہُ أَبُو بَکْرٍ بِصَخْرَۃٍ مُنْقَعِرَۃٍ - أَوْ مُنْقَرَۃٍ - فَاحْتَلَبَ فِیہَا ، فَشَرِبَ وَشَرِبَ أَبُو بَکْرٍ ، ثُمَّ شَرِبْت ، ثُمَّ قَالَ لِلضَّرْعِ : اقْلِصْ ، فَقَلَصَ ، قَالَ : فَأَتَیْتُہُ بَعْدَ ذَلِکَ فَقُلْتُ : عَلِّمْنِی مِنْ ہَذَا الْقَوْلِ ، قَالَ : إنَّک غُلاَمٌ مُعَلَّمٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩২৪৬১) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন , আমি ছোট ছিলাম এবং উকবা ইবনে আবি মুইত ( রা .) এর ছাগল চরাতাম , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ও হজরত আবু বকর (রা . ) এলেন মুশরিকদের পক্ষ থেকে বললেন , হে বালক ! আপনার কি আমাদের খাওয়ানোর জন্য কোন খাবার আছে ? আমি বললাম যে আমি আমিন , আমি তোমাকে খাওয়াতে পারি না । এমন একটা ছাগল আছে যার গায়ে কোন পুরুষের হাত নেই ? আমি বললাম হ্যাঁ ! আমি তাদের কাছে নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর পা নিয়ে এলাম তিনি তা খুলে তল স্পর্শ করলেন এবং দোয়া করলেন , তারপর হজরত আবু বকর (রা.) একটি খোদাই করা পাথর তাঁর কাছে আনলেন , তিনি তাতে দুধ ঢেলে দিলেন , তিনি দুধ পান করলেন এবং হজরত আবু বকর (রা.) ও পান করলেন , তারপর আমি পান করলাম , তারপর আপনি তলকে সঙ্কুচিত করতে বললেন । , তাই সঙ্কুচিত হয়ে গেল , তার পর আমি আপনার কাছে এসে বললাম যে আমার কথা থেকে আমাকেও শেখান , তিনি বললেন আপনি আমাকে শেখান । আপনি একটি খারাপ ছেলে.
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৬০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32461 OK

(৩২৪৬১)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۶۲) حَدَّثَنَا یعلی بْنُ عُبَیْدٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا أَبُو سنان ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مَالِکٍ ، عَنْ مَکْحُولٍ ، قَالَ : کَانَ لِعُمَرَ عَلَی رَجُلٍ مِنَ الْیَہُودِ حَقٌّ ، فَأَتَاہُ یَطْلُبُہُ فَلَقِیَہُ ، فَقَالَ لَہُ عُمَرُ : لاَ وَالَّذِی اصْطَفَی مُحَمَّدًا صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عَلَی الْبَشَرِ ، لاَ أُفَارِقُک وَأَنَا أَطْلُبُک بِشَیْئٍ ، فَقَالَ الْیَہُودِیُّ : مَا اصْطَفَی اللَّہُ مُحَمَّدًا عَلَی الْبَشَرِ ، فَلَطَمَہُ عُمَرُ ، فَقَالَ : بَیْنِی وَبَیْنَکَ أَبُو الْقَاسِمِ ، فَقَالَ : إنَّ عُمَرَ قَالَ : لاَ وَالَّذِی اصْطَفَی مُحَمَّدًا صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عَلَی الْبَشَرِ قُلْتُ لَہُ : مَا اصْطَفَی اللَّہُ مُحَمَّدًا عَلَی الْبَشَرِ ، فَلَطَمَنِی ، فَقَالَ : أَمَّا أَنْتَ یَا عُمَرُ ، فَأَرْضِہِ مِنْ لَطْمَتِہِ ، بَلَی یَا یَہُودِی ، آدم صفی اللہ ، وإبراہیم خلیل اللہ ، وموسی نجی اللہ ، وعیسی روح اللہ ، وأنا حبیب اللہ ، بَلَی یَا یَہُودِی تَسَمّی اللَّہُ بِاسْمَیْنِ سَمَّی بِہِمَا أُمَّتِی ہُوَ السَّلاَمُ ، وَسَمَّی أُمَّتِی الْمُسْلِمِینَ ، وَہُوَ الْمُؤْمِنُ وَسَمَّی أُمَّتِی الْمُؤْمِنِینَ ، بَلَی یَا یَہُودِی ، طَلَبْتُمْ یَوْمًا ذُخِرَ لَنَا ، الْیَوْمَ لَنَا وَغَدًا لَکُمْ ، وَبَعْدَ غَدٍ لِلنَّصَارَی ، بَلَی یَا یَہُودِی ، أَنْتُمَ الأَوَّلُونَ وَنَحْنُ الآخِرُونَ السَّابِقُونَ یَوْمَ الْقِیَامَۃِ ، بَلَی إنَّ الْجَنَّۃَ مُحَرَّمَۃٌ عَلَی الأَنْبِیَائِ حَتَّی أَدْخُلَہَا ، وَہِیَ مُحَرَّمَۃٌ عَلَی الأُمَمِ حَتَّی تَدْخُلَہَا أُمَّتِی۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩২৪৬২) হযরত মাখুল বলেন , হযরত ওমর রা হুদি ঠিকই বলেছিল, সে তার কাছে দাবি করতে এসেছিল এবং তার সাথে দেখা করে বলেছিল: যিনি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে মনোনীত করেছেন , আমি তোমাকে বিয়ে করব ততক্ষণ পর্যন্ত আমি বিচ্ছেদ হব না সামান্য কিছু বাকি ছিল , ইহুদীরা বলল , আল্লাহ মুহাম্মাদ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কে মানুষের উপর থাপ্পড় মারেননি এবং বললেন আবুল কাসিম ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) শান্তি স্থাপন করবেন আমার এবং আপনার মধ্যে তিনি বলেন যে , উমর আমাকে বলেছেন যে , যিনি মুহাম্মাদকে মানবজাতির প্রতি অনুগ্রহ করেছেন , আমি বলেছিলাম যে আল্লাহ মুহাম্মাদকে অনুগ্রহ করেননি , তিনি আমাকে চড় মেরেছেন । তুমি তাকে থাপ্পড় মেরে খুশি কর , আর হে হুদি ! হ্যাঁ , আদম সাফি আল্লাহ , ইব্রাহিম মাখালিল আল্লাহ , মুসা নাজি আল্লাহ , ঈসা আল্লাহর রূহ , আর আমি হাবীব আল্লাহ , হে হুদি ! হ্যাঁ , আল্লাহ নিজের জন্য দুটি নাম বেছে নিয়ে মরিয়ম জাতিকে দিয়েছেন , তা হল শান্তি এবং তিনি মরিয়ম জাতির নাম রেখেছেন মুসলিম এবং তিনি মরিয়ম জাতির নাম রেখেছেন মুমিন । বিশ্বাসীরা , হ্যাঁ! হে প্রভু , আমি সেই দিনটির সন্ধান করেছি যেটি আমাদের জন্য সংরক্ষিত ছিল , আজ আমাদের দিন , আগামীকাল আপনার এবং পরশু খ্রিস্টানদের জন্য , হ্যাঁ , প্রভু ! তোমরাই প্রথম এবং আমরাই শেষ এবং বিচারের দিন আমরাই সর্বপ্রথম জান্নাতে প্রবেশ করব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৬১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32462 OK

(৩২৪৬২)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۶۳) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو ، عَنْ أَبِی سَلَمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ : {وَلَقَدْ رَآہُ نَزْلَۃً أُخْرَی} ، قَالَ : رَأَی رَبَّہُ۔ (ترمذی ۳۲۸۰)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩২৪৬৩) হজরত ইবনে আব্বাস (ওয়ালকাদ রহঃ নাজলা - উখরাই ) এর তাফসীরে বলা হয়েছে যে , তিনি তাঁর পালনকর্তার কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৬২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32463 OK

(৩২৪৬৩)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۶۴) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِیزِ بْنُ عُمَرَ ، قَالَ : حَدَّثَنِی رَجُلٌ مِنْ بَنِی سَلاَمَانِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنْ أُمِّہِ : أَنَّ خَالَہَا حَبِیبَ بْنَ فویکٍ حَدَّثَہَا : أَنَّ أَبَاہُ خَرَجَ بِہِ إلَی رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَعَیْنَاہُ مُبْیَضَّتَانِ لاَ یُبْصِرُ بِہِمَا شَیْئًا ، فَسَأَلَہُ : مَا أَصَابَہُ ؟ قَالَ : کُنْتُ أُمَرِّنُ خَیْلاً لِی ، فَوَقَعَتْ رِجْلِی عَلَی بَیْضِ حَیَّۃٍ فَأُصِیبَ بَصَرِی ، فَنَفَثَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی عَیْنَیْہِ فَأَبْصَرَ ، قَالَ : فَرَأَیْتُہُ یُدْخِلُ الْخَیْطَ فِی الإِبْرَۃِ وَإِنَّہُ لاَبْنُ ثَمَانِینَ سَنَۃً ، وَإِنَّ عَیْنَیْہِ لَمُبْیَضَّتَانِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 32464 ) হাবীব ইবনে ফুয়াইক (রাঃ) বলেন , তার পিতা তাকে রাসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর কাছে নিয়ে গেলেন অথচ তার চোখ সাদা ছিল এবং তারা তাদের কাছ থেকে কিছুই দেখতে পেল না , আপনি তাদের জিজ্ঞেস করলেন , তোমার কি হয়েছে ? আমি তিনি বলেন , আমি যখন আমার ঘোড়াটি সংশোধন করছিলাম তখন আমার পা একটি সাপের ডিমের উপর পড়ল , এতে আমার চোখে প্রভাব পড়ল । রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাদের চোখে ফুঁ দিলে তারা দেখতে লাগল , বলতে লাগলেন । যে আমি তাদের দেখালাম যে আমি আশি বছর বয়সে ঘুমাচ্ছিলাম তারা ঘুরছে এবং তাদের চোখ সাদা ছিল
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৬৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32464 OK

(৩২৪৬৪)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۶۵) حَدَّثَنَا عِیسَی بْنُ یُونُسَ ، عَنْ عُمَرَ مَوْلَی غُفْرَۃَ ، قَالَ : حَدَّثَنِی إبْرَاہِیمُ بْنُ مُحَمَّدٍ مِنْ وَلَدِ عَلِیٍّ ، قَالَ : کَانَ عَلِیٌّ إذَا نَعَتَ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ : لَمْ یَکُنْ بِالطَّوِیلِ الْمُمَغَّطِ ، وَلاَ بِالْقَصِیرِ الْمُتَرَدِّد ، کَانَ رَبْعَۃً مِنَ الرِّجَالِ ، کَانَ جَعْدَ الشَّعْرِ ، وَلَمْ یَکُنْ بِالْجَعْدِ الْقَطِطِ ، وَلاَ بِالسَّبْطِ ، کَانَ جَعْدًا رَجِلا ، وَلَمْ یَکُنْ بِالْمُطَہَّمِ ، وَلاَ الْمُکَلْثَمِ ، کَانَ فِی الْوَجْہِ تَدْوِیرٌ ، أَبْیَضَ مُشْرَبًا حُمْرَۃً ، أَدْعَجَ الْعَیْنَیْنِ ، أَہْدَبَ الأَشْفَارِ ، جَلِیلَ الْمُشَاشِ وَالْکَتَدِ ، أَجْرَدَ ، ذَا مَسْرُبَۃٍ ، شَثْنَ الْکَفَّیْنِ وَالْقَدَمَیْنِ ، إذَا مَشَی تَقَلَّعَ کَأَنَّمَا یَمْشِی فِی صَبَبٍ ، إِذَا الْتَفَتَ الْتَفَتَ مَعًا ، بَیْنَ کَتِفَیْہِ خَاتَمُ النُّبُوَّۃِ وَہُوَ خَاتَمُ النَّبِیُّینَ ، أَجْوَدَ النَّاسِ کَفًّا ، وَأَجْرَأَ النَّاسِ صَدْرًا ، وَأَصْدَقَ النَّاسِ لَہْجَۃً ، وَأَوْفَی النَّاسِ بِذِمَّۃٍ ، وَأَلْیَنَہُمْ عَرِیکَۃً ، وَأَکْرَمَہُمْ عِشْرَۃً ، مَنْ رَآہُ بَدِیہَۃً ہَابَہُ ، وَمَنْ خَالَطَہُ مَعْرِفَۃً أَحَبَّہُ ، یَقُولُ نَاعِتُہُ : لَمْ أَرَ مِثْلَہُ قَبْلَہُ وَلاَ بَعْدَہُ۔ (احمد ۸۹۔ ابن سعد ۴۱۰)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩২৪৬৫) হজরত ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মাদ, যিনি হজরত আলীর বংশধরদের একজন , বলেন যে , হজরত আলী জাবের বৈশিষ্ট্য হলো , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলতেন যে , আপনি লম্বাও ছিলেন না আবার খুব খাটোও ছিলেন না । , আপনি মাঝারি উচ্চতার ছিলেন, এবং আপনার চুল ছিল হালকা কোঁকড়া এবং খুব কোঁকড়া চুল ছিল এবং সোজা চুল ছিল না , আপনি খুব মাংসল এবং বৃত্তাকার মুখ ছিলেন না , তবে আপনার মুখে কিছুটা গোলাকার ছিল । ফর্সা - চর্মযুক্ত লাল রঙের ইঙ্গিত , তোমার চোখের রঙ খুব গাঢ় এবং চোখের দোররা লম্বা ছিল . কাঁধের উপরের এবং মাঝখানের অংশগুলি ছিল মজবুত , লোমহীন এবং আপনার বুকে চুলের টুকরো নাভি পর্যন্ত , মোটা তালু এবং শক্ত পা যখন আপনি হাঁটতেন তখন তিনি এমনভাবে হাঁটতেন যেন তিনি একটি ঢালের দিকে যাচ্ছেন যে কোন দিকে , তিনি সম্পূর্ণরূপে ফিরে গেলেন , তাঁর কাঁধের মধ্যে ছিল নবুওয়াতের সীলমোহর , এবং তিনি ছিলেন খাতামুল - নাবিয়ীন , সবচেয়ে বেশি উদার ও উদার , এবং সবচেয়ে সত্যবাদী এবং সবচেয়ে প্রতিশ্রুতিপূর্ণ , এবং সবচেয়ে সামাজিক , যে আপনি হঠাৎ করে দেখেন তিনি মূর্তিমান হয়ে যান , এবং যে আপনার সাথে একত্রিত হয় সে আপনাকে ভালবাসতে শুরু করে, যে আপনার প্রশংসা করে সে বলে যে আমি আপনাকে যা দিয়েছিলাম তা খাইনি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৬৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32465 OK

(৩২৪৬৫)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۶۶) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ سِمَاکٍ ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَۃَ ، قَالَ : کَانَتْ فِی سَاقَیْ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ حُمُوشَۃٌ ، وَکَانَ لاَ یَضْحَکُ إلاَّ تَبَسُّمًا ، وَکُنْت إذَا نَظَرْت قُلْتُ : أَکْحَلَ الْعَیْنَیْنِ وَلَیْسَ بِأَکْحَلَ۔ (ابویعلی ۷۴۲۴)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৪৬৬ ) হজরত জাবির ইবনে সামরা ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) - এর পা সামান্য চিকন ছিল , তারা যদি আপনাকে দেখেন , তবে বলবেন আপনি মাথা লাগাননি মাথা প্রয়োগ করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৬৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32466 OK

(৩২৪৬৬)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۶۷) حَدَّثَنَا شَرِیکُ بْنُ عَبْدِ اللہِ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ عُمَیْرٍ ، عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنْ عَلِیٍّ : إِنَّہُ وَصَفَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : کَانَ عَظِیمَ الْہَامَۃِ ، أَبْیَضَ مُشْرَبًا حُمْرَۃً ، عَظِیمَ اللِّحْیَۃِ ضَخْمَ الْکَرَادِیسِ ، شَثْنَ الْکَفَّیْنِ وَالْقَدَمَیْنِ ، طَوِیلَ الْمَسْرُبَۃِ ، کَثِیرَ شَعْرِ الرَّأْسِ ، رَجِلَہ ، یَتَکَفَّأُ فِی مِشْیَتِہِ کَأَنَّمَا یَنْحَدِرُ فِی صَبَبٍ، لاَ طَوِیلٌ ، وَلاَ قَصِیرٌ ، لَمْ أَرَ مِثْلَہُ قَبْلَہُ وَلاَ بَعْدَہُ۔ (ابن حبان ۶۳۱۱۔ احمد ۱۳۴)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩২৪৬৭) হজরত নাফি বিন জুবের হজরত আলী ( রা . ) থেকে বর্ণনা করেন যে , তিনি রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - কে ডেকে বললেন , তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ মাথা , লাল ফর্সা , লম্বা দাড়ি , মোটা হাড় , মোটা হাত ও পা , বুক থেকে নাভি পর্যন্ত চুলের লম্বা তালা , এবং তাদের ঘন এবং সামান্য কোঁকড়া চুল ছিল , তারা দৃঢ়ভাবে হাঁটতে বেছে নিয়েছে যেন তারা একটি ঢালে নেমে যাচ্ছে , তারা খুব বেশি লম্বা বা খুব ছোটও ছিল না আপনি বা আপনার পরে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৬৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32467 OK

(৩২৪৬৭)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۶۸) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ مُوسَی ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ سِمَاکٍ : إِنَّہُ سَمِعَ جَابِرَ بْنَ سَمُرَۃَ یَقُولُ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَدْ شَمِطَ مُقَدَّمُ رَأْسِہِ وَلِحْیَتِہِ ، فَکَانَ إذَا ادَّہَنَ ، ثُمَّ مَشَطَہُ لَمْ یَبِنْ ، وَکَانَ کَثِیرَ شَعْرِ اللِّحْیَۃِ ، فَقَالَ رَجُلٌ : وَجْہُہُ مِثْلُ السَّیْفِ ؟ فَقَالَ : لاَ ، بَلْ کَانَ مِثْلَ الشَّمْسِ وَالْقَمَرِ ، مُسْتَدِیرٌ ، وَرَأَیْت الْخَاتَمَ بَیْنَ کَتِفَیْہِ مِثْلَ بَیْضَۃِ الْحَمَامَۃِ تُشْبِہُ جَسَدَہُ۔ (مسلم ۱۸۲۳۔ احمد ۱۰۴)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩২৪৬৮) হজরত জাবির বিন সামরা বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর মাথার সামনের অংশের চুল এবং দাড়ি সাদা হয়ে গেল যখন তিনি তেল লাগিয়ে চিরুনি দিতেন । তাদের দেখা যাবে না এবং আপনার দাড়ির চুল অনেক বেশি ছিল , এই লোকটি বলেছিল যে আপনার মুখ তলোয়ারের মতো । তিনি বললেন , না , কিন্তু তা ছিল সূর্য ও চাঁদের মতো গোলাকার, এবং আমি আপনার কাঁধের মধ্যে একটি ঘুঘুর ডিমের আকারের ভবিষ্যদ্বাণীর মোহর দেখেছি , যা আপনার দেহের মতো
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৬৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32468 OK

(৩২৪৬৮)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۶۹) حَدَّثَنَا ہَوْذَۃُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَوْفٌ، عَنْ یَزِیدَ الْفَارِسِیِّ، قَالَ: رَأَیْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی ألنَّوْمِ زَمَنَ ابْنِ عَبَّاسٍ عَلَی الْبَصْرَۃِ، قَالَ: فَقُلْتُ لابْنِ عَبَّاسٍ: إنِّی قَد رَأَیْت رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی النَّوْمِ ، قَالَ : فَہَلْ تَسْتَطِیعُ تَنْعَتُ ہَذَا الرَّجُلَ الَّذِی رَأَیْت ؟ قُلْتُ : نَعَمْ ، أَنْعَتُ لَک رَجُلاً بَیْنَ الرَّجُلَیْنِ جِسْمُہُ وَلَحْمُہُ أَسْمَرُ فِی الْبَیَاضِ، حَسَنَ الْمَضْحَکِ، أَکْحَلَ الْعَیْنَیْنِ جَمِیلَ دَوَائِرِ الْوَجْہِ، قَدْ مَلاَتْ لِحْیَتَہُ مِنْ لَدُنْ ہَذِہِ إلَی ہَذِہِ - وَأَشَارَ بِیَدِہِ إلَی صُدْغَیْہِ - حَتَّی کَادَتْ تَمْلاَ نَحْرَہُ - قَالَ عَوْفٌ : وَلاَ أَدْرِی مَا کَانَ مَعَ ہَذَا مِنَ النَّعْتِ - ، فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ : لَوْ رَأَیْتہ فِی الْیَقِظَۃِ مَا اسْتَطَعْت أَنْ تَنْعَتَہُ فَوْقَ ہَذَا۔ (احمد ۳۶۱)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৪৬৯) হজরত ইয়াযিদ ফারসী বলেন , আমি রাসুলুল্লাহ ( সা. ) - কে বসরায় হজরত ইবনে আব্বাসের শাসনামলে স্বপ্নে দেখেছি , তাই আমি হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) - কে জিজ্ঞেস করলাম যে , আমি রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - কে দেখেছি মহানবী ( সা . ) - এর গুণাবলী বর্ণনা করতে পারেন ? আমি বললাম হ্যাঁ ! আপনি উচ্চতায় মাঝারি , গম রঙের সেরা হাসি , ধূসর চোখ , সুদর্শন মুখ, আপনার দাড়িতে আপনার মুখটি হ্যাঁ থেকে হ্যাঁ হয়ে গেছে , এবং তিনি কনফেটির দিকে ইশারা করলেন , হ্যাঁ যতক্ষণ না এটি আপনার পূরণ করার জন্য যথেষ্ট আউফ বলেন , এ ছাড়া আর কোন গুণাবলী আমার মনে নেই , তাই হজরত ইবনে আব্বাস (রা. ) বললেন , আপনি যদি মহানবী ( সা . ) - কে জাগ্রত অবস্থায় দেখতেন , তাহলে এর চেয়ে ভালো বর্ণনা দিতে পারতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৬৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32469 OK

(৩২৪৬৯)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۷۰) حَدَّثَنَا سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْکَدِرِ ، سَمِعَ جَابِرًا یَقُولُ : مَا سُئِلَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ شَیْئًا قَطُّ فَقَالَ : لاَ۔ (بخاری ۶۰۳۴۔ مسلم ۱۸۰۵)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৪৭০ ) হযরত জাবির ( রাঃ ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কে এমন কোন প্রশ্ন করা হয়নি যার উত্তর তিনি দেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৬৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32470 OK

(৩২৪৭০)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۷۱) حَدَّثَنَا یَعْلَی بْنُ عُبَیْدٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَعْرِضُ الْکِتَابَ عَلَی جِبْرِیلَ فِی کُلِّ رَمَضَانَ ، فَإِذَا أَصْبَحَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ مِنَ اللَّیْلَۃِ الَّتِی یَعْرِضُ فِیہَا مَا یَعْرِضُ أَصْبَحَ وَہُوَ أَجْوَدُ مِنَ الرِّیحِ الْمُرْسَلَۃِ لاَ یُسْأَلُ شَیْئًا إلاَّ أَعْطَاہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩২৪৭১) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) প্রতি রমজানে জিবরাঈল ( আ . ) - এর সঙ্গে কোরআন পড়তেন , যখন সে রাতে ফজর হতো , তাহলে আপনি তা পড়তেন বাতাসের চেয়েও বেশি উদার ছিলে , আর তোমার কাছে যা চাওয়া হত তাই দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৭০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32471 OK

(৩২৪৭১)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۷۲) حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، قَالَ : حدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَۃَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا ثَابِتٌ ، عَنْ أَنَسٍ : أَنَّ أَبَا بَکْرٍ کَانَ رَدِیفَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ مِنْ مَکَّۃَ إلَی الْمَدِینَۃِ ، وَکَانَ أَبُو بَکْرٍ یَخْتَلِفُ إلَی الشَّامِ ، قَالَ : وَکَانَ یُعْرَفُ وَکَانَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ لاَ یُعْرَفُ ، فَکَانُوا یَقُولُونَ : یَا أَبَا بَکْرٍ، مَنْ ہَذَا الْغُلاَمُ بَیْنَ یَدَیْک ، قَالَ : ہَذَا ہَادٍ یَہْدِی السَّبِیلَ ، قَالَ ، فَلَمَّا دَنَوَا مِنَ الْمَدِینَۃِ نَزَلاَ الْحَرَّۃَ ، وَبَعَثَوا إلَی الأَنْصَارِ فَجَاؤُوا ، قَالَ : فَشَہِدْتُہُ یَوْمَ دَخَلَ الْمَدِینَۃَ فَمَا رَأَیْتُ یَوْمًا کَانَ أَحْسَنَ ، وَلاَ أَضْوَأَ مِنْ یَوْمٍ دَخَلَ عَلَیْنَا فِیہِ ، وَشَہِدْتُہُ یَوْمَ مَاتَ فَمَا رَأَیْتُ یَوْمًا کَانَ أَقْبَحَ ، وَلاَ أَظْلَمَ مِنْ یَوْمٍ مَاتَ فِیہِ ، صَلَوَاتُ اللہِ وَرَحْمَتُہُ وَرِضْوَانُہُ عَلَیْہِ۔ (احمد ۱۲۲۔ ترمذی ۳۶۱۸)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩২৪৭২) হজরত আনাস বলেন , হজরত আবু বকর ( রা . ) মক্কা থেকে মদীনায় রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সাথে ছিলেন এবং হজরত আবু বকর ( রা.) সিরিয়ায় আসতেন এবং তিনি সুপরিচিত ছিলেন । আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তেমন পরিচিত ছিলেন না , তাই লোকেরা বলত, হে আবু বকর! তোমার সাথে ছেলেটা কে ? তিনি বলতেন যে এই নেতাই আমাকে পথ দেখাচ্ছেন, যখন তিনি মদীনার নিকটবর্তী হয়েছিলেন , তিনি হাররাহের স্থানে অবস্থান করেছিলেন এবং তিনি আনসারদের কাছে একটি বার্তা পাঠান , যেদিন আমি আপনাকে দেখেছি আপনি মদীনায় প্রবেশ করেছেন , যেদিন আপনি আমাদের কাছে এসেছেন তার চেয়ে উত্তম ও উজ্জ্বল দিন আমি আর কোনো দিন দেখতে পারিনি , যেদিন আপনি মারা গেছেন , সেই দিনটির চেয়ে খারাপ ও অন্ধকার আমি আর কোনো দিন দেখিনি এবং আনন্দ আপনার সাথে হতে পারে.
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৭১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32472 OK

(৩২৪৭২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمن ، حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرٍ بْنِ أَبِی شَیْبَۃ ، قَالَ : (۳۲۴۷۳) حَدَّثَنَا وَکِیعُ بْنُ الْجَرَّاحِ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْمُغِیرَۃِ بْنِ النُّعْمَانِ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : قامَ فِینَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : أَوَّلُ الْخَلاَئِقِ یُلْقَی بِثَوْبٍ إبْرَاہِیمُ۔ (مسلم ۲۱۹۴۔ ترمذی ۳۱۶۷)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩২৪৭৩) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) আমাদের মাঝে দাঁড়ালেন এবং বললেন , সকল সৃষ্টির মধ্যে সর্বপ্রথম ইবরাহীম ( আ . ) পোশাক পরবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৭২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32473 OK

(৩২৪৭৩)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۷۴) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا أَبُو حَصِینٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ : {وَإِبْرَاہِیمَ الَّذِی وَفَّی} قَالَ : بَلَّغَ مَا أُمِرَ بِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৪৭৪ ) হজরত সাঈদ বিন জাবায়ের ( রা . ) আল্লাহর নির্দেশের অর্থ { ওয়াইবরাহী মা আল - দাযী ওয়াফাই } বলেন , তাকে যা করতে আদেশ করা হয়েছে তা পৌছে দেওয়া হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৭৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32474 OK

(৩২৪৭৪)

সহিহ হাদিস

(۳۲۴۷۵) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا عَاصِمٌ ، عَنْ زِرٍّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : الأَوَّاہُ الدُّعَائُ۔ یُرِیدُ {إنَّ إبْرَاہِیمَ لاَوَّاہٌ}۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৪৭৫ ) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , আল - আওয়াহ অর্থ যে প্রচুর প্রার্থনা করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৪৭৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস