(৩১) ( ৩৩১৯৫ ) আবূ দাআল্লাহ থেকে বর্ণিতঃ আমরা মুসা ইবনু উব দাউদ ইবনু মুদরিক থেকে , উর ইবনুল জুব আয়েশা (রাঃ ) থেকে জানালাম , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এই মসজিদে নামায পড় [হাদিসের সীমা (৩৩৫০৬-৩৪৪০৫), সর্বমোট হাদিসঃ ৯০০টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৬০টি]



33135 OK

(৩৩১৩৫)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۳۶) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : جَعَلَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِدَائَ الْعَرَبِیِّ یَوْمَ بَدْرٍ أَرْبَعِینَ أُوقِیَّۃً ، وَجَعَلَ فِدَائَ الْمَوْلَی عِشْرِینَ أُوقِیَّۃً ، وَالأُوقِیَّۃُ أَرْبَعُونَ دِرْہَمًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩১৩৬ ) হজরত মুগীরাহ বলেন , হজরত ইব্রাহীম ( রা . ) বলেন , বদরের যুদ্ধের দিন আল্লাহর রাসূল ( সা . ) আরবদেরকে চল্লিশটি সাককীয়া নির্ধারণ করে দেন একজন গোলামের বিশ সাককিয়াহএবং এর মূল্য 40 দিরহাম .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৩৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33136 OK

(৩৩১৩৬)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۳۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ مِسْعَرٍ، عَنْ وَبَرَۃَ، عَنْ خَرَشَۃَ، قَالَ: قَالَ عُمَرُ: ہَلاَکُ الْعَرَبِ إذَا بَلَغَ أَبْنَائُ بَنَاتِ فَارِسَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩১৩৭) হজরত খুরশা (রা.) বলেন , হজরত ওমর (রা . ) বলেছেন : আরবদের ধ্বংস তখনই হবে যখন পারস্যের মেয়েদের সন্তানরা প্রাপ্তবয়স্ক হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33137 OK

(৩৩১৩৭)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۳۸) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ حُصَیْنِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ مُخَارِقٍ ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِہَابٍ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ غَشَّ الْعَرَبَ لَمْ یَدْخُلْ فِی شَفَاعَتِی وَلَمْ تَنَلْہُ مَوَدَّتِی۔ (ترمذی ۳۹۲۸)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩১৩৮ ) হজরত উসমান ইবনে আফফান (রা.) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : যে ব্যক্তি আরববাসীকে ধোঁকা দেবে , সে আমার জন্য সুপারিশ করবে না । আর সে কখনো ভালোবাসা পাবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33138 OK

(৩৩১৩৮)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۳۹) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ، عَنْ شَبِیبِ بْنِ غَرْقَدَۃَ، عَنِ الْمُسْتَظِلِّ بْنِ حُصَیْنٍ، قَالَ خَطَبَنَا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ، فَقَالَ : قدْ عَلِمْت وَرَبِّ الْکَعْبَۃِ مَتَی تَہْلِکُ الْعَرَبُ ، فَقَامَ إلَیْہِ رَجُلٌ مِنَ الْمُسْلِمِینَ ، فَقَالَ : مَتَی یَہْلِکُونَ یَا أَمِیرَ الْمُؤْمِنِینَ، قَالَ: حِینَ یَسُوسُ أَمَرَہُمْ مَنْ لَمْ یُعَالِجْ الْجَاہِلِیَّۃِ وَلَمْ یَصْحَبِ الرَّسُولَ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৩১৩৯) হজরত মুস্তাযল ইবনে হুসাইন ( রা .) বলেন , হজরত উমর ইবনে খাত্তাব (রা.) আমাদেরকে উদ্দেশ্য করে বললেন , কাবার প্রতিপালকের শপথ ! আমি জানি আরবের মানুষ কবে ধ্বংস হবে ? এক ব্যক্তি দাড়িয়ে মুসলমানদের জিজ্ঞেস করলঃ হে ঈমানদার সেনাপতিঃ এই লোকদের কবে অবরুদ্ধ করা হবে ? তিনি ( রাঃ ) বললেনঃ যখন তার ব্যাপারটি এমন একজন ব্যক্তির দ্বারা পরিচালিত হবে যে কখনও জাহেলিয়াত করেনি এবং না রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম । .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33139 OK

(৩৩১৩৯)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۴۰) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ أَبِی سِنَانٍ ، عَنْ حُصَیْنٍ الْمُزَنِیّ ، قَالَ : قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ : إنَّمَا مَثَلُ الْعَرَبِ مِثْلُ جَمَلٍ أَنِفٍ اتَّبَعَ قَائِدَہُ فَلْیَنْظُرْ قَائِدُہُ حَیْثُ یَقُودُ ، فَأَمَّا أَنَا فَوَرَبِّ الْکَعْبَۃِ لأَحْمِلَنَّہُمْ عَلَی الطَّرِیقِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৩১৪০) হজরত হুসাইন মাজানি ( রা . ) বলেন যে, হজরত উমর ইবনে খাত্তাব (রা.) বলেছেন : নিশ্চয়ই আরবদের উদাহরণ হচ্ছে সম্মানিত ও আপনার শাসকের অনুগত । তাই তাদের নেতাকে দেখাতে হবে তিনি তাদের কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন । আমি যদি থেকে যাই , কাবার শপথ ! আমি অবশ্যই তাদের সঠিক পথে রাখব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33140 OK

(৩৩১৪০)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۴۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ ، عَنْ قَیْسٍ ، قَالَ : کَانَ عَمْرُو بْنُ مَعْدِی کَرِبَ یَمُرُّ عَلَیْنَا أَیَّامَ الْقَادِسِیَّۃِ وَنَحْنُ صُفُوفٌ فَیَقُولُ : یَا مَعْشَرَ الْعَرَبِ کُونُوا أسودا أشداء ، فإنما الأسد من أَغْنَی شَأْنَہُ ، إِنَّمَا الْفَارِسِیُّ تَیْسٌ بَعْدَ أَنْ یَلْقَی نَیْزَکَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩১৪১) হজরত কায়েস ( রহঃ) বলেন , হযরত আমর বিন মাদী কারব ( রহঃ) কাদিসিয়ার দিনে আমাদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যখন আমরা দলে দলে ছিলাম , তিনি ( রহঃ ) বললেনঃ হে আরবের দল ! তোমরা ভয়ংকর আক্রমণকারী সিংহ হয়ে যাও । অবশ্য সিংহ তার অবস্থার প্রতি উদাসীন । সত্যই , রানী একটি হরিণের মতো যাকে বর্শা দিয়ে বিদ্ধ করা হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33141 OK

(৩৩১৪১)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۴۲) حَدَّثَنَا سُوَیْد الْکَلْبِیُّ ، قَالَ : حدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِیزِ بْنُ أَبِی سَلَمَۃَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللہِ بن کَثِیرَ بْنِ الصَّلْتِ ، قَالَ : نکح مَوْلَی لَنَا عَرَبِیَّۃٌ ، فَأَتَی عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِیزِ فَاسْتَعْدَی عَلَیْہِ ، فَقَالَ : وَاللہِ قَدْ عَدَا مَوْلَی آلِ کَثِیرٍ طَوْرَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৩১৪২) হজরত মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে কাশির ইবনে আল সালাত (রহ. ) বলেন , আমাদের আযাদকৃত ক্রীতদাস একজন আরব মহিলাকে বিয়ে করেছিল । অতঃপর তাকে হজরত উমর ইবনে আবদুল আজিজ ( রা. )- এর কাছে নিয়ে এসে তার বিরুদ্ধে সাহায্য প্রার্থনা করলে তিনি ( রা.) বললেন , আল্লাহর কসম ! তাহকিক আল - কাশিরের দাস তার পদমর্যাদা এবং তার সীমার বাইরে কাজ করেছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33142 OK

(৩৩১৪২)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۴۳) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللہِ بْنِ الزُّبَیْرِ الأَسَدِیُّ ، عَنِ ابْنِ أَبِی ذِئْبٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، عَنْ عُمَرَ أَنَّہُ نَہَی أَنْ یَتَزَوَّجَ الْعَرَبِیُّ الأَمَۃَ ، وَأَنَّہُ قَضَی فِی الْعَرَبِ یَتَزَوَّجُونَ الإِمَائَ وَأَوْلاَدُہُمْ بِالْفِدَائِ : سِتُّ قَلاَئِصَ ، الرِّجَالُ وَالنِّسَائُ سَوَائٌ ، وَالْمَوَالِی مِثْلُ ذَلِکَ إذَا لَمْ یَعْلَمْ ، قَالَ الزُّہْرِیُّ : الْعَرَبِیُّ وَالْمَوْلَی لاَ یَسْتَوِیَانِ فِی النَّسَبِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৩১৪৩) হজরত সাঈদ বিন মুসাইয়িব বলেন , হজরত ওমর ( রা. ) একজন আরবকে ক্রীতদাসীকে বিয়ে করতে নিষেধ করেছিলেন । আপনি আরবদের দাসীদের বিয়ে করার ছয়টি মামলার রায় দিয়েছেন । এটা জানা না গেলেও এই আদেশ । হজরত জাহরি বলেন , আরব ও মাওয়ালি বংশ সমান নয়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33143 OK

(৩৩১৪৩)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۴۴) حَدَّثَنَا سُلَیْمَانُ بْنُ حَرْبٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی رَزِینٍ ، قَالَ حَدَّثَتْنِی أُمِّی ، قَالَتْ : کَانَتْ أُمُّ الْحُرَیْرِ إذَا مَاتَ رَجُلٌ مِنَ الْعَرَبِ اشْتَدَّ عَلَیْہَا ذَلِکَ ، فَقِیلَ لَہَا : یَا أُمَّ الحُرَیْرِ ، إنَّا نَرَاک إذَا مَاتَ رَجُلٌ مِنَ الْعَرَبِ اشْتَدَّ عَلَیْک ، قَالَتْ : سَمِعْت مَوْلاَیَ یَقُولُ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إنَّ مِنَ اقْتِرَابِ السَّاعَۃِ ہَلاَکُ الْعَرَبِ۔ وَکَانَ مَوْلاَہَا طَلْحَۃُ بْنُ مَالِکٍ۔ (ترمذی ۳۹۲۹)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৩১৪৪) হজরত মুহাম্মদ বিন আবি রাজীন ( রা.) তার মা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি হজরত উম্মে জারির ( রা .) -এর প্রতি অত্যন্ত কঠোর ছিলেন । এই যে , যখন এক আরব লোক মারা গেল , তখন তাকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হল : হে আম জারীর ( রাঃ )! প্রকৃতপক্ষে , আমরা আপনাকে (রহঃ) দেখিয়েছি যে যখন একজন আরব লোক মারা যায়, তখন আপনার ( রাঃ ) জন্য এটি খুব কঠিন । তিনি ( রাঃ ) বললেনঃ আমি আমার হুজুরকে এভাবে বলতে শুনেছিঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিশ্চয়ই আরবরা ধ্বংস হয়ে যাবে উম্মতের নৈকট্যের আলামত । আর তার ওস্তাদ ছিলেন হযরত তালহা বিন মালিক (রা.)।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৪৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33144 OK

(৩৩১৪৪)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۴۵) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِی یَعْقُوبَ، قَالَ سَمِعْت عَبْدَ الرَّحْمَن بْنَ أَبِی بَکْرَۃَ یُحَدِّثُ، عَنْ أَبِیہِ أَنَّ الأَقْرَعَ بْنَ حَابِسٍ جَائَ إلَی رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : إنَّمَا بَایَعَک سُرَّاقُ الْحَاجِّ مِنْ أَسْلَمَ وَغِفَارٍ وَمُزَیْنَۃَ وَأَحْسِبُ جُہَیْنَۃَ ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَرَأَیْت إِنْ کَانَ أَسْلَمُ وَغِفَارٌ وَأَحْسِبُ جُہَیْنَۃَ خَیْرًا مِنْ بَنِی تَمِیمٍ وَمِنْ بَنِی عَامِرٍ وَأَسَدٍ وَغَطَفَانَ أخَابُوا وَخَسِرُوا ، قَالَ : نَعَمْ ، قَالَ : فَوَالَّذِی نَفْسِی بِیَدِہِ إنَّہُمْ لأَخْیَرُ مِنْہُمْ۔ (بخاری ۳۵۱۶۔ مسلم ۱۹۵۵)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৩১৪৫) হজরত আবদুল রহমান ইবনে আবি বাকরা (রা.) তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তার পিতা হজরত আবু বকরা (রা.) বলেছেন : হজরত ইকরা ইবনে হাবস (রা.) রাসূলুল্লাহ ( সা . ) এর কাছে এসেছিলেন । এবং আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক ) এবং বললেন : নিশ্চয়ই আপনার ( রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) থেকে ইসলামের গোত্র , গাফির ও মুযি নয় । বর্ণনাকারী বলেন . আমি মনে করি উপজাতি কিছু বলেনি . চোররা আনুগত্যের অঙ্গীকার করেছিল . এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তোমরা যদি ইসলামের গোত্র , গাফফার গোত্র এবং যারা ঈমান আনে না , তাদের মতামত কি ? বনু আমির , আসাদ, গাতফান প্রমুখের চেয়ে উত্তম , তারা কি লোকসানে নেই ? আপনি (রাঃ) বললেনঃ হ্যাঁ ! তিনি ( রাসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তাই সেই সত্তার কসম যার ক্ষমতায় মৃতদের জীবন । এগুলো তাদের চেয়ে ভালো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33145 OK

(৩৩১৪৫)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۴۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ عُمَیْرٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی بَکْرَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَرَأَیْتُمْ إِنْ کَانَتْ جُہَیْنَۃُ وَأَسْلَمُ وَغِفَارٌ خَیْرًا مِنْ بَنِی تَمِیمٍ وَمِنْ بَنِی عَبْدِ اللہِ بْنِ غَطَفَانَ وَعَامِرِ بْنِ صَعْصَعَۃَ وَمَدَّ بِہَا صَوْتَہُ ، قَالُوا : یَا رَسُولَ اللہِ ، فَقَدْ خَابُوا وَخَسِرُوا ، قَالَ : فَإِنَّہُمْ خَیْرٌ۔ (بخاری ۳۵۱۵۔ مسلم ۱۹۵۶)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৩১৪৬ ) হজরত আবু বকরা (রা.) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : গোত্রটি ইসলামের কথা না বললে তোমার মতামত কী , এবং তুমি কি বনু তুম গোত্র গাফফার গোত্রের লোকদের চেয়ে উত্তম ? আবদুল্লাহ ইবনে গাতফান, আমির ইবনে সা’আ ও অন্যান্যরা ? আর তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) একথা বলার সময় আওয়াজ তুলেছিলেন । সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ ! তাহলে সেই মানুষগুলো ক্ষতি ও ক্ষতির মধ্যে পড়বে । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ নিশ্চয়ই এরাই সেরা মানুষ .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33146 OK

(৩৩১৪৬)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۴۷) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا سَلَمَۃَ یُحَدِّثُ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ : أَسْلَمُ وَغِفَارٌ وَمُزَیْنَۃُ وَمَنْ کَانَ مِنْ جُہَیْنَۃَ ، أَوْ جُہَیْنَۃُ ، خَیْرٌ مِنْ بَنِی تَمِیمٍ وَمِنْ بَنِی عَامِرٍ وَالْحَلِیفَیْنِ : أَسَدٍ وَغَطَفَانَ۔ (مسلم ۱۹۵۵۔ احمد ۴۶۸)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩১৪৭ ) হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : ইসলামের গোত্র , গাফফার গোত্র , মাজ গোত্র এবং যারা গোত্রভুক্ত নয় আমি হ্যাঁ তিনি বলেন , বনু তামিম গোত্র এবং বনু আমির গোত্র এবং তাদের উভয়ের হালিফ আসাদ গোত্র ও গাতফান গোত্রের চেয়ে উত্তম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33147 OK

(৩৩১৪৭)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۴۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاہِیمَ ، عَن عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ ہُرْمُزَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ : قرَیْشٌ وَالأَنْصَارُ وَأَسْلَمُ وَغِفَارٌ مَوَالٍ لِلَّہِ وَلِرَسُولِہِ ، وَلاَ مَوْلَی لَہُمْ غَیْرَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩১৪৮ ) হজরত আবু হুরায়রা ( রা. ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : কুরাইশ গোত্র , আনসার , ইসলামের গোত্র এবং ক্ষমাশীল গোত্রের লোকেরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সা. ) এর বন্ধু । আল্লাহ তার উপর ) । এই মানুষদের ছাড়া আর কোন বন্ধু নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33148 OK

(৩৩১৪৮)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۴۹) حَدَّثَنَا مُعَاوِیَۃُ بْنُ ہِشَامٍ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ رَاشِدٍ ، عَنْ إیَاسِ بْنِ سَلَمَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَسْلَمُ سَالَمَہَا اللَّہُ وَغِفَارٌ غَفَرَ اللَّہُ لَہَا۔ (احمد ۴۸)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৩১৪৯) হজরত সালামা ( রা. ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা. ) বলেছেন : যারা ইসলামের গোত্রভুক্ত তাদের আল্লাহ হেফাজত করুন এবং যারা গাফফার গোত্রের অন্তর্ভুক্ত তাদের হেফাজত করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33149 OK

(৩৩১৪৯)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۵۰) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا ابْنُ إِسْحَاقَ ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ أَبِی أَنَسٍ ، عَنْ حَنْظَلَۃَ بْنِ عَلِیٍّ الأَسْلَمِیِّ ، عَنْ خُفَافِ بْنِ إیمَائِ بْنِ رَحَضَۃَ الْغِفَارِیِّ ، قَالَ : صَلَّی بِنَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَلَمَّا رَفَعَ رَأْسَہُ مِنَ الرَّکْعَۃِ الآخِرَۃِ ، قَالَ : أَسْلَمُ سَالَمَہَا اللَّہُ وَغِفَارٌ غَفَرَ اللَّہُ لَہَا ، ثُمَّ أَقْبَلَ ، فَقَالَ : إنِّی لَسْتُ أَنَا قُلْتُ ہَذَا ، وَلَکِنَّ اللَّہَ قَالَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(33150) হজরত খাফফ ইবনে আই মা ইবনে রাহযা গাফফারী ( রা. ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমাদেরকে নামায শিখিয়েছিলেন যখন তিনি দ্বিতীয় রাকাআত থেকে মাথা উঠাতেন এবং বলতেন : আল্লাহ ইসলামের গোত্রের লোকদের হেফাজত করুন । এবং আল্লাহ , পরম ক্ষমাশীল, তাদের ক্ষমা করুন । অতঃপর তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমাদের দিকে ফিরে বললেনঃ নিশ্চয় আমি একথা বলিনি । আল্লাহ তায়ালা বলেন :
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৪৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33150 OK

(৩৩১৫০)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۵۱) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ الأَسَدِیُّ ، قَالَ : حدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ زَکَرِیَّا ، عَنْ سَعْدِ بْنِ طَارِقٍ ، قَالَ : حَدَّثَنِی سَالِمُ بْنُ أَبِی الْجَعْدِ أَنَّ أَبَا الدَّرْدَائِ کَانَ یَحْلِفُ بِاللہِ : لاَ تَبْقَی قَبِیلَۃٌ إلاَّ ضَارَعَتِ النَّصْرَانِیَّۃَ غَیْرَ قَیْسٍ ، یَا مَعْشَرَ الْمُسْلِمِینَ فَأَحِبُّوا قَیْسًا ، یَا مَعْشَرَ الْمُسْلِمِینَ فَأَحِبُّوا قَیْسًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৩১৫১ ) হজরত সেলিম বিন আবি আল - জাদ (রহ:) বলেন , হজরত আবু আল - দারদাই ( রা. ) আল্লাহর নামে শপথ করতেন যে, কোনো গোত্র ছাড়া বাকি থাকবে না সবাই খ্রিস্টানদের মতো হবে । কাবি লাহ কিস ব্যতীত । হে মুসলিম সম্প্রদায় ! মুমিনদেরকে ভালবাস , হে মুসলিম সম্প্রদায় ! যারা ধার্মিক তাদের ভালোবাসুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৫০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33151 OK

(৩৩১৫১)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۵۲) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ ، قَالَ : حدَّثَنَا أَبُو الْحریشِ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : کُنْتُ فِی غَزَاۃٍ مَعَ مَسْلَمَۃَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِکِ بِالتُّرْک فَہَدَّدَہُ رَسُولُ خَاقَانَ وَکَتَبَ إلَیْہِ : لأَلْقَیَنَّکَ بِحَزَاوَرَۃِ التُّرْک ، فَکَتَبَ إلَیْہِ مَسْلَمَۃُ : إنَّک تَلْقَانِی بِحَزَاوَرَۃِ التُّرْکِ وَأَنَا أَلْقَاک بِحَزَاوَرَۃِ الْعَرَبِ ، یَعْنِی قَیْسًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৩১৫২) হযরত যায়েদ বিন মুহাম্মাদ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেন যে , আমি তুরস্কের এক অভিযানে হযরত মুসলিমাহ বিন আব্দুল মুলক (রাঃ) -এর সাথে ছিলাম । তাই খাকান বাদশাহের দূত তাদের অনেক ভয় দেখান এবং তাদের কাছে একটি চিঠি লেখেন । আমি তুরস্কের শক্তিশালী যুবকদের সাথে দেখা করব । এর জবাবে হজরত মুসলিমাহ (রা.) তাঁকে একটি চিঠি লিখেছিলেন: নিশ্চয়ই আপনি তুরস্কের শক্তিশালী লোকদের সঙ্গে দেখা করবেন , আমি আরবের শক্তিশালী লোকদের সঙ্গে আপনার সাক্ষাৎ করব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৫১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33152 OK

(৩৩১৫২)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۵۳) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا الْعَوَّامُ ، قَالَ: حَدَّثَنِی مَنْصُورٌ، عَنْ رِبْعِیِّ بْنِ حِرَاشٍ، عَنْ حُذَیْفَۃَ، قَالَ : ادْنُوا یَا مَعْشَرَ مُضَرَ إنَّ مِنْکُمْ سَیِّدَ وَلَدِ آدَمَ ، وَمِنْکُمْ سَوَابِقُ کَسَوَابِقِ الْخَیْلِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৩১৫৩) হজরত রুবাই ইবনে হারাশ (রা.) বলেন , হজরত হুযিফা ( রা. ) বলেছেন : হে ক্ষতিকর দল ! কাছে আসো , নিঃসন্দেহে তুমি আমার থেকে আদম সন্তানের নেতা , আর তোমরাই হবে আমার উপরে যেমন ঘোড়ারা দৌড়ে শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৫২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33153 OK

(৩৩১৫৩)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۵۴) حَدَّثَنَا حُمَیْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ الْمُؤَمَّلِ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إذَا اخْتَلَفَ النَّاسُ فَالْحَقُّ فِی مُضَرَ۔ (ابو یعلی ۲۵۱۳۔ طبرانی ۱۱۴۱۸)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩১৫৪) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : যখন মানুষ মতভেদ শুরু করবে তখন গোত্রের হক নষ্ট হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33154 OK

(৩৩১৫৪)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۵۵) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَنْ سُفْیَانَ ، قَالَ : قَالَ عُمَرُ : قَیْسٌ مَلاَحِمُ الْعَرَبِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩১৫৫) হজরত সুফীন ( রা . ) বলেন , হজরত ওমর (রা . ) বলেছেন : লেহ কাইস গোত্র আরবের যোদ্ধা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33155 OK

(৩৩১৫৫)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۵۶) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ عَوْنِ بْنِ أَبِی جُحَیْفَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : أَتَیْنَا رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِالأَبْطَحِ فِی قُبَّۃٍ لَہُ حَمْرَائَ ، فَقَالَ : مَنْ أَنْتُمْ قُلْنَا : بَنُو عَامِرٍ ، قَالَ : مَرْحَبًا أَنْتُمْ مِنِّی۔ (طبرانی ۲۶۴۔ بزار ۲۸۳۱)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৩১৫৬) হজরত আবু জুহাইফা ( রা.) বলেন যে, রাসুলুল্লাহ ( সা . ) আবতাহ মাকামে আমাদের কাছে তিশরীফ নিয়ে এসেছিলেন , যখন তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) একটি লাল পোশাক পরিহিত ছিলেন । তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কে? আমরা বললাম , তারা বনু আমির গোত্রের লোক । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ স্বাগতম । আপনি মানুষ আমার থেকে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৫৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33156 OK

(৩৩১৫৬)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۵۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ مَیْسَرَۃَ ، عَنِ النَّزَّالِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إنَّا کُنَّا وَأَنْتُمْ فِی الْجَاہِلِیَّۃِ بَنِی عَبْدِ مَنَافٍ فَنَحْنُ الْیَوْمَ بَنُو عَبْدِ اللہِ وأنتم بنو عبد اللہ۔ (بخاری ۱۲)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩১৫৭ ) হজরত নিজাল (রা.) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : নিশ্চয়ই আমরা এবং তোমরা জাহেলিয়াতের যুগের লোকদেরকে বনু আবদে মানাফ বলা হতো তাই আজ আমরা বনু আবদুল্লাহ আর তুমিও বনু আবদুল্লাহ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৫৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33157 OK

(৩৩১৫৭)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۵۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أبی ہِلاَلٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : اللَّہُمَّ اکْفِنِی عَامِرًا وَاہْدِ بَنِی عَامِرٍ۔ (عبدالرزاق ۱۹۸۸۴)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩১৫৮) হযরত কাতাদাহ (রাঃ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাঃ ) বলেছেনঃ হে আল্লাহ ! সুতরাং আমার জন্য যথেষ্ট : আমির ইবনে তুফাইল থেকে , এবং বনু আমির ইবনে সাসাআহ গোত্রের গোত্রকে নির্দেশনা দিন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৫৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33158 OK

(৩৩১৫৮)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۵۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ خَشْرَمٍ الْجَعْفَرِیِّ أَنَّ مُلاَعِبَ الأَسِنَّۃِ عَامِرَ بْنَ مَالِکٍ بَعَثَ إِلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَسْأَلُہُ الدَّوَائَ أو الشِّفَائَ مِنْ دَائٍ نَزَلَ بِہِ فَبَعَثَ إلَیْہِ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِعَسَلٍ، أَوْ بعُکَّۃٍ مِنْ عَسَلٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩১৫৯) হজরত খুশরাম জাফরি ( রহ . ) বলেন যে , হজরত আমীর বিন মালিক ( রা . ) ওষুধ চাওয়ার জন্য একজন দূত পাঠালেন অথবা কোন রোগ থেকে আরোগ্যের জন্য যান তাই নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাদের মধ্যে মধু ও মধু নিক্ষেপ করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৫৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33159 OK

(৩৩১৫৯)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۶۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ سَالِمٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، قَالَ : جَائَتِ ابْنَۃُ خَالِدِ بْنِ سِنَانٍ الْعَبْسِیِّ إلَی رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : مَرْحَبًا بِابْنَۃِ أَخِی مَرْحَبًا بِابْنَۃِ نَبِیٍّ ضَیَّعَہُ قَوْمُہُ۔ (بزار ۲۳۶۱۔ طبرانی ۱۲۲۵۰)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩১৬০ ) হজরত সাঈদ ইবনে জাবির ( রা . ) বলেন যে , হযরত খালিদ ইবনে সিনান আল - আবসী রাসুলুল্লাহ ( সা . ) - এর খেদমতে আসলেন তাঁকে বললেনঃ আমার ভাই , নবীজীকে স্বাগতম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৫৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33160 OK

(৩৩১৬০)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۶۱) حَدَّثَنَا أَبُو نُعَیْمٍ ، عَنْ شَرِیکٍ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، قَالَ : قَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : یَا بَنِی عَبْسٍ ، مَا شِعَارُکُمْ ، قَالُوا : حَرَامٌ ، قَالَ : بَلْ شِعَارُکُمْ حَلاَلٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩১৬১ ) হজরত আবু ইসহাক (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , হে আব্বাসের সন্তানগণ ! আপনার চিহ্ন কি ? তিনি বললেনঃ হারাম । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ বরং তোমার নিদর্শন হল “ হালাল”।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৬০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33161 OK

(৩৩১৬১)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۶۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا أَبُو الضَّرِیسِ عُقْبَۃُ بْنُ عَمَّارٍ الْعَبْسِیُّ ، عَنْ مَسْعُودِ بْنِ حِرَاشٍ أَخٍ لِرِبْعِیِّ بْنِ حِرَاشٍ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ سَأَلَ الْعَبْسِیِّینَ : أَیُّ الْخَیْلِ وَجَدْتُمُوہُ أَصْبَرُ فِی حَرْبِکُمْ ، قَالُوا : الْکُمَیْتُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৩১৬২) হজরত মাসউদ ইবনে হারাশ (রা.) যিনি হজরত রুবাই ইবনে হারাশ ( রা. ) -এর ভাই বলেন , হজরত উমর ইবনে খাত্তাব (রা.) বনু আব্বাসের গোত্রকে জিজ্ঞেস করলেন , তোমরা কোন ঘোড়ার সন্ধান পাও ? আরও ধৈর্যশীল ? তিনি বললেনঃ একটি কালো ও লাল ঘোড়া ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৬১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33162 OK

(৩৩১৬২)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۶۳) حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَہَّابِ الثَّقَفِیُّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ خُثَیْمٍ ، عَنْ أَبِی الزُّبَیْرِ ، عَنْ جَابِرٍ أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ حَاصَرَ أَہْلَ الطَّائِفِ فَجَائَہُ أَصْحَابُہُ فَقَالُوا : یَا رَسُولَ اللہِ ، أَحْرَقَتْنَا نِبَالُ ثَقِیفٍ ، فَادْعُ اللَّہَ عَلَیْہِمْ ، فَقَالَ : اللَّہُمَّ اہْدِ ثَقِیفًا۔ (احمد ۳۴۳)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৩১৬৩) হজরত জাবির (রা.) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা. ) যখন তায়েফবাসীদের অবরোধ করলেন , তখন তাঁর ( সা. ) সাহাবীগণ তাঁর ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) খেদমতে এসে বললেন : ইয়া রাসূলাল্লাহ! সাকিফের তীর আমাদের মেরে ফেলেছে সুতরাং আপনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহর কাছে দোয়া করুন । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর উপর দোয়া করলেন । হে আল্লাহ! সাকিফ গোত্রকে হেদায়েত দান কর
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৬২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33163 OK

(৩৩১৬৩)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۶۴) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ بْنِ نَافِعٍ ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ مُسْلِمٍ ، عَنْ طَاوُوسٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لَقَدْ ہَمَمْت أَنْ لاَ أَقْبَلَ إلاَّ مِنْ قُرَشِیٍّ ، أَوْ أَنْصَارِیٍّ ، أَوْ ثَقَفِیٍّ۔ (عبدالرزاق ۱۶۵۲۱۔ ابن حبان ۶۳۸۴)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩১৬৪) হজরত তাউস ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : তাহক্বীক কামি মনস্থির করেছেন যে , কুরাইশ বা আনসারী বা ইশকফী ছাড়া কার কাছ থেকে আমি এ উপহার গ্রহণ করব না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৬৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



33164 OK

(৩৩১৬৪)

সহিহ হাদিস

(۳۳۱۶۵) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ أَبِی سَعِیدٍ الْمَقْبُرِیِّ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لَقَدْ ہَمَمْت أَنْ لاَ أَقْبَلَ ہَدِیَّۃً إلاَّ مِنْ قُرَشِیٍّ ، أَوْ أَنْصَارِیٍّ ، أَوْ ثَقَفِیٍّ ، أَوْ دَوْسِیٍّ۔ (ترمذی ۳۹۴۶)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩১৬৫ ) হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : তাহকীক কামি দৃঢ় নিয়ত করেছে যে , আমি ব্যতীত কারো কাছ থেকে উপহার গ্রহণ করব না । কোরেশী বা আনসারী বা আশকফি বা আদুসি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩১৬৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস