
(۳۲۹۸۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ الْبَرَائِ بْنِ عَازِبٍ ، قَالَ : أُہْدِیَ لِلنَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ثَوْبٌ مِنْ حَرِیرٍ فَجَعَلُوا یَعْجَبُونَ مِنْ لِینِہِ ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لَمَنَادِیلُ سَعْدٍ فِی الْجَنَّۃِ أَلْیَنُ مِنْ ہَذَا۔ (بخاری ۶۶۴۰۔ ابن ماجہ ۱۵۷)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৯৮৬ ) হজরত বারা ইবনে আযিব ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - কে একজোড়া রেশম দেওয়া হয়েছিল । তাই মানুষ তার ভদ্রতা নিয়ে আশ্চর্য হতে থাকে । এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ জান্নাতে সাদের রুমাল এর চেয়ে নরম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۸۷) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ سِمَاکٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ شَدَّادٍ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ لِسَعْدٍ وَہُوَ یَکِیدُ بِنَفْسِہِ : جَزَاک اللَّہُ خَیْرًا مِنْ سَیِّدِ قَوْمٍ فَقَدْ صَدَقْت اللَّہَ مَا وَعَدْتہ وَہُوَ صَادِقٌ مَا وَعَدَک۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৯৮৭) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে শাদ্দাদ (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) হজরত সাদ ( রা. ) - কে বললেন : যখন তিনি জানতেন তার অবস্থা ছিল । আল্লাহ আপনার জাতির নেতাকে উত্তম প্রতিদান দিন । সুতরাং আপনি আল্লাহর সাথে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, আপনি তা সত্য করেছেন এবং তিনি আপনার সাথে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা পূরণ করার ক্ষেত্রেও তিনি সত্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۸۸) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُرَحْبِیلَ ، قَالَ : لَمَّا أُصِیبَ سَعْدُ بْنُ مُعَاذٍ بِالرَّمْیَۃِ یَوْمَ الْخَنْدَقِ جَعَلَ دَمُہُ یَسِیلُ عَلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَجَائَ أَبُو بَکْرٍ فَجَعَلَ یَقُولُ : وَانْقِطَاعَ ظَہْرَاہُ ، فَقَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : یَا أَبَا بَکْرٍ ، فَجَائَ عُمَرُ ، فَقَالَ : إنَّا لِلَّہِ وَإِنَّا إلَیْہِ رَاجِعُونَ۔ (احمد ۱۵۰۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৯৮৮) হজরত আমর ইবনে শাহরাবিল ( রা.) বলেন , গাযওয়া খন্দকের দিন হজরত সাদ ইবনে মুআয ( রা. ) -কে তীর ছুড়ে মারা হলে তার রক্ত রাসূলুল্লাহ ( সা. ) - এর ওপর ছিটকে পড়ে আল্লাহ তার উপর পড়ছিলেন: তখন আবু বকর (রাঃ) এসে বললেনঃ তার পিঠ ভেঙ্গে যাক! এতে রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ হে আবু বকর ! তখন হজরত ওমর (রা.) এসে পাঠ করলেন আনা লিল্লা ওয়ানাল্লাহি হি রাজিউন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۸۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ مِسْعَرٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، قَالَ: کَانَ أَبُو الدَّرْدَائِ مِنَ الَّذِینَ أُوتُوا الْعِلْمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৯৮৯) হযরত মাসআর ( রহঃ ) বলেন যে, হযরত কাসিম বিন আবদ আল-রহমান (রহঃ) বলেছেনঃ হযরত আবু দারদা ( রাঃ ) হলেন তাদের একজন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۹۰) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ الأَعْمَشُ : أُرَاہُ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : قَدِمَتْ عَلَی عُمَرَ حُلَلٌ ، فَجَعَلَ یُقَسِّمُہَا بَیْنَ النَّاسِ فَمَرَّتْ بِہِ حُلَّۃٌ نَجْرَانِیَّۃٌ جَیِّدَۃٌ ، فَوَضَعَہَا تَحْتَ فَخِذِہِ حَتَّی مَرَّ عَلَی اسْمِی ، فَقُلْتُ : اکْسُنِیہَا ، فَقَالَ : أَکْسُوہَا وَاللہِ رَجُلاً خَیْرًا مِنْک وَأَبُوہُ خَیْرٌ مِنْ أَبِیک ، فَدَعَا عَبْدَ اللہِ بن حنظلۃ بْنَ الرَّاہِبِ ، فَکَسَاہُ إیَّاہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(32990) হজরত আমিশ (রা.) বলেন যে, হজরত ইবনে ওমর (রা.) বলেছেন : হজরত ওমর (রা.)-এর কাছে কয়েক দম্পতি এসেছিল। তাই তারা এই জোড়াগুলো মানুষের মধ্যে বিতরণ করছিল । আমার কাছে একজোড়া নাজরানী এসেছিল , যা ছিল মূল্যবান , এবং আপনি ( রা . ) সেগুলোকে আপনার উরুর নিচে রেখেছিলেন : হ্যাঁ , আমার নাম না আসা পর্যন্ত । আমি বললামঃ এই জুটি আমার উপর পরিয়ে দিন আপনি ( রাঃ) বললেনঃ আল্লাহর কসম ! এই জুটি দিয়ে আমি এমন একজনকে পোশাক পরব যে তোমার চেয়ে ভালো এবং তার বাবা তোমার বাবার চেয়ে ভালো । অতঃপর তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে হানযালা ইবনে রাহাব (রা.)-কে ডাকলেন । এবং এই দম্পতি এটি পরতেন .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۹۱) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا زَکَرِیَّا ، قَالَ : سَمِعْتُ عَامِرًا یَقُولُ : شَبَّہَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ثَلاَثَۃَ نَفَرٍ مِنْ أُمَّتِہِ ، قَالَ : دِحْیَۃُ الْکَلْبِیُّ یُشْبِہُ جِبْرِیلَ ، وَعُرْوَۃُ بْنُ مَسْعُودٍ الثَّقَفِیُّ یُشْبِہُ عِیسَی ابْنَ مَرْیَمَ ، وَعَبْدُ الْعُزَّی یُشْبِہُ الدَّجَّالَ۔ (ابن سعد ۲۵۰)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৯৯১ ) হজরত আমীর ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) তাঁর উম্মতের তিন সদস্যের তুলনা করেছেন । হজরত দাহিয়া কালবী ( রা. ) জিব্রাইল ( আ . ) - এর অনুরূপ আর হজরত আরওয়া ইবনে মাসউদ আল-থাক্বীফ হজরত ঈসা ইবনে মরিয়ম ( আ . ) - এর মতো এবং আবদুল উযি দাজ্জালের মতো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۹۲) حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُوسَی ، قَالَ : حدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَۃَ ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِیِّ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی لَیْلَی أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ دَعَا لِعَبْدِ اللہِ بْنِ رَوَاحَۃَ : اللَّہُمَّ زِدْہُ طَاعَۃً إلَی طَاعَتِکَ وَطَاعَۃِ رَسُولِکَ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ۔ (بیہقی ۲۵۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(32992) হজরত আবদ আল-রহমান ইবনে আবিল লায়লা ( রা. ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা (রা .) - এর জন্য দোয়া করেছিলেন ! হে আল্লাহ! অতএব , আপনার আনুগত্যের প্রতি এবং আপনার রাসূল ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর আনুগত্যের প্রতি তার প্রতি আমার আনুগত্য আরও বাড়িয়ে দিন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۹۳) حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ ، عَنْ قَیْسٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ لِعَبْدِ اللہِ بْنِ رَوَاحَۃَ : أَلاَ تُحَرِّکُ بِنَا الرِّکَابَ ، فَقَالَ عَبْدُ اللہِ : إنِّی قَدْ تَرَکْت قَوْلِی ، قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ : اسْمَعْ وَأَطِعْ فَنَزَلَ یَسُوقُ نَبِیَّ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَیَقُولُ : اللَّہُمَّ لَوْلاَ أَنْتَ مَا اہْتَدَیْنَا وَلاَ تَصَدَّقْنَا وَلاَ صَلَّیْنَا فَأَنْزِلَنْ سَکِینَۃً عَلَیْنَا وَثَبِّتِ الأَقْدَامَ إِنْ لاَقَیْنَا إنَّ الَّذِینَ کَفَرُوا بَغَوْا عَلَیْنَا فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : اللَّہُمَّ ارْحَمْہُ ، فَقَالَ عُمَرُ : وَجَبَتْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৯৯৩) হজরত কায়স ( রা .) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা. ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা ( রা . ) - কে বললেন , তুমি আমাদের নড়াচড়া কর না কেন ? তখন আবদুল্লাহ ( রাঃ ) বললেনঃ তাহকী কুম তার কবিতা ত্যাগ করেছে । হযরত ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ) বললেনঃ শোন এবং মান্য কর । অতঃপর তিনি (রাঃ) নামলেন এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর ঘোড়ায় চড়ে এই আয়াত তিলাওয়াত করছিলেন । হে আল্লাহ! যদি আপনি না হতেন তবে আমরা হেদায়েত পেতাম না , আমরা দান করতাম না এবং আমরা সালাত আদায় করতাম না নিঃসন্দেহে কাফেররা আমাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিল । এতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ হে আল্লাহ ! তাই তার প্রতি দয়া করুন। হযরত ওমর (রাঃ) বললেনঃ জান্নাত ওয়াজিব হয়ে গেছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۹۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی صَالِحٍ ، قَالَ : لَمَّا بَلَغَ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَوْلُ سَلْمَانَ لأَبِی الدَّرْدَائِ إنَّ لأَہْلِکَ عَلَیْک حَقًّا وَلِبَصَرِکَ عَلَیْک حَقًّا ، قَالَ : فَقَالَ : ثَکِلَتْ سَلْمَانَ أُمُّہُ ، لَقَدِ اتَّسَعَ من الْعِلْمِ۔ (ابن سعد ۸۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(32994) হজরত আবু সালেহ (রা.) বলেন , যখন রাসূলুল্লাহ ( সা. ) হজরত সালমান ( রা. ) হজরত আবু আল - দারদাই (রা.)- কে যা বললেন, তা শুনেছিলেন নিশ্চয় আপনার পরিবারের সদস্যদেরও আপনার উপর অধিকার আছে । আর তোমার উপর তোমার চোখেরও অধিকার আছে । তাই তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ সালমান তার মাকে হারিয়েছে । তার জ্ঞানের পরিধি অনেক বিশাল .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۹۵) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : سَلْمَانُ سَابِقُ فَارِسَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৯৯৫) হজরত হাসান (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : সালমান ( রা . ) ও ইরানের লোকদের পথ দেখাতে যাচ্ছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۹۶) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، عَنْ أَبِی الْبَخْتَرِیِّ ، قَالَ : قالَوا لِعَلِیٍّ : أَخْبِرْنَا عَنْ سَلْمَانَ ، قَالَ : أَدْرَکَ الْعِلْمَ الأَوَّلَ وَالْعِلْمَ الآخِرَ ، بَحْرٌ لاَ ینزع قَعْرُہُ ، ہُوَ مِنَّا أَہْلَ الْبَیْتِ۔ (حاکم ۵۹۸)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৯৯৬) হযরত আবুল বাখত্রী ( রাঃ) বলেন , লোকেরা হযরত আলী ( রাঃ )-কে জিজ্ঞেস করলঃ আপনি ( রাঃ) হযরত সালমান ( রাঃ ) সম্পর্কে আমাদেরকে বলুন । তিনি (রহঃ) বলেনঃ তিনি প্রথম ও পরবর্তী লোকদের জ্ঞান পেয়েছেন । এমন সমুদ্র ছিল যার গভীরতা খালি করা যায় না তিনি আমাদের পরিবারের একজন সদস্য ছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۹۷) حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : لَقَدْ رَأَیْتنَا وَإِنَّا لَمُتَوَافِرُونَ ، وَمَا فِینَا أَحَدٌ أَمْلَکُ لِنَفْسِہِ مِنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(32997) হজরত ইব্রাহিম ( রা.) বলেন যে, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ ( রা. ) বলেছেন : তাহকীক কাইম আমাদের লোকদের দেখেছেন । সন্দেহ নেই আমরা সবাই ধনী ছিলাম । এবং আমাদের মধ্যে কেউই এমন ছিল না . যিনি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) -এর চেয়েও বেশি আত্মার মালিক ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۹۸) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ سَالِمٍ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : مَا مِنَّا أَحَدٌ أَدْرَکَ الدُّنْیَا إلاَّ وَقَدْ مَالَ بِہَا ، أَوْ مَالَتْ بِہِ إلاَّ عَبْدَ اللہِ بْنَ عُمَرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৯৯৮) হজরত সেলিম ( রা. ) বলেন যে, হজরত জাবির ( রা . ) বলেছেন : আমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যে দুনিয়া খুঁজে পেয়েছিল কেবল হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) ছাড়া।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۹۹) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ أَبِی بُکَیْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا زَائِدَۃُ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ زِرٍّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : کَانَ أَوَّلَ مَنْ أَظْہَرَ إسْلاَمُہُ سَبْعَۃٌ : رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، وَأَبُو بَکْرٍ ، وَعَمَّارٌ وَأُمُّہُ سُمَیَّۃُ وَصُہَیْبٌ وَبِلاَلٌ وَالْمِقْدَادُ ، فَأَمَّا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَمَنَعَہُ اللَّہُ بِعَمِّہِ أَبِی طَالِبٍ ، وَأَمَّا أَبُو بَکْرٍ فَمَنَعَہُ اللَّہُ بِقَوْمِہِ ، وَأَمَّا سَائِرُہُمْ فَأَخَذَہُمُ الْمُشْرِکُونَ فَأَلْبَسُوہُمْ أَدْرَاعَ الْحَدِیدِ وَصَہَرُوہُمْ فِی الشَّمْسِ ، فَمَا مِنْہُمْ مِنْ أَحَدٍ إلاَّ وَأَتَاہُمْ عَلَی مَا أَرَادُوا إلاَّ بِلاَلاً فَإِنَّہُ ہَانَتْ عَلَیْہِ نَفْسُہُ فِی اللہِ وَہَانَ عَلَی قَوْمِہِ فَأَخَذُوہُ فَأَعْطَوْہُ الْوِلْدَانَ فَجَعَلُوا یَطُوفُونَ بِہِ فِی شِعَابِ مَکَّۃَ وَہُوَ یَقُولُ : أَحَدٌ أَحَدٌ۔ (حاکم ۲۸۴۔ ابن حبان ۷۰۸۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৯৯৯) হজরত জার (রা.) বলেন যে, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেছেন : প্রথম সাত ব্যক্তি ইসলাম অবতীর্ণ করেন তারা হলেন হজরত রাসূলুল্লাহ, হজরত আবু বকর, হজরত আম্মার (রা.) এবং তাঁর মাতা হজরত সামিয়া (রা.) । হযরত সাহেব , হযরত বিলাল ও হযরত মুকদাদ ( রহ . ) ছাত্রদের দ্বারা সুরক্ষিত আর আবু বকর (রাঃ) কে আল্লাহ তায়ালা তাঁর লোকদের মাধ্যমে রক্ষা করেছিলেন । আর বাকি সবাই কুরাইশদের হাতে বন্দী হয় । আর লোহার বর্ম গায়ে লাগিয়ে সূর্যের তাপে রাখো । তাদের উদ্দেশ্যের সামনে তারা নিচু হওয়া ছাড়া আর কিছুই ছিল না । হযরত বিলাল (রাঃ) ব্যতীত। তাই সে আল্লাহর ব্যাপারে নিজেকে অসময়ে পরিণত করেছে । আর এটা জাতির জন্য সহজ হয়ে গেল । তাই এই লোকেরা তাদের ধরে বাচ্চাদের কাছে রেফার করে । এবং শিশুরা তাদের মক্কার রাস্তায় ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দিত যখন তারা একে অপরকে ডাকছিল যে আল্লাহ একমাত্র ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۰۰۰) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : أَوَّلُ مَنْ أَظْہَرَ الإسْلاَمَ سَبْعَۃٌ : رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، وَأَبُو بَکْرٍ وَبِلاَلٌ وَخَبَّابٌ وَصُہَیْبٌ وَعَمَّارٌ وَسُمَیَّۃُ أُمُّ عَمَّارٍ ، قَالَ : فَأَمَّا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَمَنَعَہُ عَمُّہُ ، وَأَمَّا أَبُو بَکْرٍ فَمَنَعَہُ قَوْمُہُ وَأُخِذَ الآخَرُونَ فَأَلْبَسُوہُمْ أَدْرَاعَ الْحَدِیدِ ، ثُمَّ صَہَرُوہُمْ فِی الشَّمْسِ حَتَّی بَلَغَ الْجُہْدُ مِنْہُمْ کُلَّ مَبْلَغٍ ، فَأَعْطَوْہُمْ کُلَّ مَا سَأَلُوا ، فَجَائَ إلَی کُلِّ رَجُلٍ مِنْہُمْ قَوْمُہُ بِأَنْطَاعِ الأَدَمِ فِیہَا الْمَائُ فَأَلْقَوْہُمْ فِیہِ ، ثُمَّ حُمِلُوا بِجَوَانِبِہِ إلاَّ بِلاَلا ، فَجَعَلُوا فِی عُنُقِہِ حَبْلاً ، ثُمَّ أَمَرُوا صِبْیَانَہُمْ یَشْتَدُّونَ بِہِ بَیْنَ أَخْشَبَیْ مَکَّۃَ وَجَعَلَ یَقُولُ : أَحَدٌ أَحَدٌ۔ (احمد ۲۸۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩০০০) হজরত মনসুর (রহ.) বলেন , হজরত মুজাহিদ (রহ.) বলেছেন : সর্বপ্রথম সাতজন ইসলাম প্রদর্শন করেন। হজরত রাসূলুল্লাহ ( সা. ), হজরত আবু বকর (রা.), হজরত বিলাল (রা.), হজরত খাব্বাব (রা.), হজরত সাহেব ( রা. ) , হজরত আম্মার (রা.) , হজরত সামি (রা.) যিনি হজরত আম্মার ( রা .) এর মাতা । আরএ ) । যাইহোক , আল্লাহর রসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাঁর চাচা দ্বারা সুরক্ষিত ছিলেন এবং আবু বকর ( রাঃ ) তাঁর সম্প্রদায়ের দ্বারা সুরক্ষিত ছিলেন এবং তারপর কাফেররা তাদের লোহার বর্ম পরিধান করে এবং তারপর তাপ দেয় তাদের উপর সূর্য . হ্যাঁ , যতক্ষণ না ইককে তাদের কাছ থেকে চরম কষ্ট সহ্য করতে হয়েছিল , তাই এই লোকেরা তাকে যা চেয়েছিল তার সবকিছু দিয়েছিল । জাতির সদস্যরা একটি বড় চামড়ার ঝুড়িতে করে এসব মুখ থেকে প্রতিটি মানুষের জন্য পানি এনে তাতে রাখতো ।অতঃপর হযরত বিলাল (রাঃ) ব্যতীত তাদের পাশ থেকে নিয়ে যাওয়া হয় । কাফেররা তাদের গলায় দড়ি বেঁধে তারপর বাচ্চাদেরকে মক্কার দুই পাহাড়ের মাঝে টেনে নিয়ে যেতে বলে ।এ অবস্থায়ও আপনি ( রহঃ ) বলতেন । ঈশ্বরই ঈশ্বর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۰۰۱) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ الْحُبَابِ ، قَالَ : حدَّثَنِی حُسَیْنُ بْنُ وَاقِدٍ ، قَالَ : حَدَّثَنِی عَبْدُ اللہِ بْنُ بُرَیْدَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : سَمِعْتُ خَشْخَشَۃً أَمَامِی فَقُلْت ، مَنْ ہَذَا ، قَالُوا : بِلاَلٌ ، فَأَخْبَرَہُ، قَالَ : بِمَا سَبَقْتَنِی إلَی الْجَنَّۃِ ، قَالَ : یَا رَسُولَ اللہِ مَا أَحْدَثْتُ إلاَّ تَوَضَّأْتُ ، وَلاَ تَوَضَّأْت ، إلاَّ رَأَیْت أَنَّ لِلَّہِ عَلَیَّ رَکْعَتَیْنِ أُصَلِّیہِمَا قَالَ : بِہَا۔ (ابن حبان ۷۰۸۷۔ ابن خزیمۃ ۱۲۰۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩০০১) হজরত বারিদাহ ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা. ) বলেছেন : আমি আমার সামনে হাহাকারের আওয়াজ শুনতে পেলাম , অতঃপর জিজ্ঞেস করলাম : এ কে ? ফেরেশতারা বললেনঃ ইনি বিলাল । অতঃপর তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) হজরত বিলাল (রা.)-কে এ বিষয়ে অবহিত করলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন, কোন কাজের কারণে তুমি আমার উপর অগ্রাধিকার পেয়েছ? তিনি (রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ ! এটা আমার সাথে কখনও হয়নি , তবে আমি অযু করেছিলাম . আর আমি কখনো ওযু করিনি ব্যতীত যে আমি মনে করতাম যে, নিশ্চয়ই আল্লাহর আমার উপর দুই রাকাত পড়ার অধিকার রয়েছে , আমি সেগুলো পড়লাম , আপনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ এর জন্য । এই কারণে . [ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩০০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۰۰۲) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ ، عَنْ قَیْسٍ ، قَالَ : اشْتَرَی أَبُو بَکْرٍ بِلاَلاً بِخَمْسِ أَوَاقٍ ، ثُمَّ أَعْتَقَہُ ، قَالَ : فَقَالَ لَہُ بِلاَلٌ : یَا أَبَا بَکْرٍ إِنْ کُنْتَ إنَّمَا أَعْتَقْتنِی لِتَتَّخِذَنِی خَازِنًا ، فَاتَّخِذْنِی خَازِنًا وَإِنْ کُنْت إنَّمَا أَعْتَقْتنِی لِلَّہِ فَدَعَنْی فَأَعْمَلُ لِلَّہِ ، قَالَ : فَبَکَی أَبُو بَکْرٍ ، ثُمَّ قَالَ : بَلْ أَعْتَقْتُک لِلَّہِ۔ (بخاری ۳۷۵۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩০০২) হজরত কায়েস ( রা. ) বলেন যে, হজরত আবু বকর (রা.) হজরত বিলালকে পাঁচ আউন্স রূপা দিয়ে ক্রয় করে মুক্ত করে দেন । হজরত বিলাল (রা.) তাকে বললেন, তুমি যদি আমাকে মুক্ত করেছ কারণ তুমি আমাকে তোমার কোষাধ্যক্ষ বানিয়েছ , তাহলে তুমি যদি আমাকে চাও, আমাকে তোমার কোষাধ্যক্ষ করো , আর যদি তুমি আমাকে আযাদ করে দাও তাহলে তা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য, তাই আমাকে একা ছেড়ে দাও। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাজ করতে পারি । বর্ণনাকারী বলেন, হজরত আবু বকর (রা . ) এ কথা শুনে কেঁদে ফেললেন এবং বললেন , বরং আমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তোমাদের সবাইকে মুক্ত করেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩০০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۰۰۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِیزِ بْنِ عَبْدِ اللہِ الْمَاجِشُونِ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْکَدِرِ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : قَالَ عُمَرُ : أَبُو بَکْرٍ سَیِّدُنَا وَأَعْتَقَ سَیِّدَنَا ، یَعْنِی بِلاَلاً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩০০৩) হজরত জাবির (রা.) বলেন , হজরত ওমর (রা.) বলেছেন , আবু বকর (রা . ) আমাদের মনিব । এবং তারা আমাদের প্রভুকে মুক্তি দিয়েছে হযরত বিলাল ( রাঃ ) -এর কাছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩০০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۰۰۴) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : حدَّثَنَا ۔۔ کَانَ بِلاَلٌ خَازِنَ أَبِی بَکْرٍ وَمُؤَذِّنَ النَّبِیّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩০০৪) হজরত হিশাম (রা.) বলেন , তাঁর পিতা হজরত উরওয়া (রা.) বলেছেন : হজরত বিলাল (রা.) ছিলেন হজরত আবু বকরের কোষাধ্যক্ষ এবং রাসূলুল্লাহ ( সা . )- এর মুয়াজ্জিন ছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩০০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۰۰۵) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، قَالَ : سَمِعْتُ ہِشَامًا ، قَالَ : حَدَّثَنَا الْحَسَنُ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : بِلاَلٌ سَابِقٌ الْحَبَشَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩০০৫) হজরত হাসান (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ (সা. ) বলেছেন : হজরত বিলাল ( রা .) হাবশীদের ছাড়িয়ে গেছেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩০০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۰۰۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ أَبِی خَالِدٍ ، عَنْ قَیْسِ بْنِ أَبِی حَازِمٍ ، عَنْ جَرِیرِ بْنِ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : مَا حَجَبَنِی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ مُنْذُ أَسْلَمْت ، وَلاَ رَآنِی قَطُّ إلاَّ تَبَسَّمَ۔ (مسلم ۱۹۲۵۔ طبرانی ۱۲۲۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩০০৬) হজরত কায়েস ইবনে আবি হাযিম (রা . ) বলেন , হজরত জারীর ইবনে আবদুল্লাহ (রা . ) বলেন , আমি যখন থেকে ইসলাম গ্রহণ করেছি , তখন থেকে রাসূলুল্লাহ ( সা . ) আমাকে কখনো বঞ্চিত করেননি । . আর আপনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমার দিকে তাকাতেন না যখন আপনি চুম্বন করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩০০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۰۰۷) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَنْ یُونُسَ بْنِ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ الْمُغِیرَۃِ بْنِ شِبْلِ بْنِ عَوْفٍ ، عَنْ جَرِیرٍ ، قَالَ : لَمَّا دَنَوْت مِنَ الْمَدِینَۃِ أَنَخْت رَاحِلَتِی ، ثُمَّ حَلَلْت عَیْبَتِی وَلَبِسْت حُلَّتِی ، قَالَ : فَدَخَلْت وَرَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَخْطُبُ فَسَلَّمْت عَلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَرَمَانِی النَّاسُ بِالْحَدْقِ ، فَقُلْتُ لِجَلِیسِی : یَا عَبْدَ اللہِ أَذَکَرَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ مِنْ أَمْرِی شَیْئًا ، قَالَ : نَعَمْ ذَکَرَک بِأَحْسَنِ الذِّکْرِ ، فقَالَ : بَیْنَمَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَخْطُبُ إذْ عَرَضَ لَہُ فِی خُطْبَتِہِ ، فَقَالَ : إِنَّہُ سَیَدْخُلُ عَلَیْکُمْ مِنْ ہَذَا الْفَجِّ ، أَوْ مِنْ ہَذَا الْبَابِ مِنْ خَیْرِ ذِی یَمَنٍ عَلَی وَجْہِہِ مَسْحَۃُ مَلَکٍ ، قَالَ جَرِیرٌ : فَحَمِدْت اللَّہَ عَلَی مَا أَبْلاَنِی۔ (نسائی ۸۳۰۴۔ احمد ۳۵۹)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৩০০৭) হজরত মুগীরাহ ইবনে শিবাল ইবনে আওফ (রা.) বলেন যে, হজরত জারির ইবনে আবদুল্লাহ ( রা . ) বলেছেন : আমি যখন মাদী বা মুনওয়ারার নিকটবর্তী হলাম , তখন আমি আমার সওয়ারীতে বসলাম এবং তারপর আমার নোংরা জোড়া খুলে ফেললাম । এবং একটি পরিষ্কার জোড়া লাগান। অতঃপর আমি মাদীতে প্রবেশ করলাম যখন রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) খুতবা দিচ্ছিলেন । আমি যখন নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-কে সালাম দিলাম , তখন লোকেরা আমার দিকে অত্যন্ত সম্মানের দৃষ্টিতে তাকালো , তখন আমি তাঁর কাছে বসলাম , তিনি বললেন , হে আল্লাহর বান্দা! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি আমার ব্যাপারে কিছু উল্লেখ করেছেন ? লোকটি বললঃ হ্যাঁ ! আপনি (রহঃ) আপনাকে খুব ভালোভাবে উল্লেখ করেছেন । তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেন , যখন তিনি ( রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) খুতবা দিচ্ছিলেন, তখন তিনি ( রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) বললেনঃ ইয়া খ . এই প্রশস্ত পথ থেকে বা এই দরজা দিয়ে একজন ব্যক্তি আপনার কাছে আসবে , যে খুব ভাল এবং বরকতময় হবে এবং তার চেহারায় একজন ফেরেশতার ছাপ থাকবে । হযরত জারীর ( রাঃ ) বলেন । তাই আমাকে এই পুরস্কার দেওয়ার জন্য আমি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করলাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩০০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۰۰۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ ، عَنْ قَیْسٍ ، عَنْ جَرِیرٍ ، قَالَ : قَالَ لِی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَلاَ تُرِیحُنِی مِنْ ذِی الْخَلَصَۃِ بَیْتٍ کَانَ لِخَثْعَمَ فِی الْجَاہِلِیَّۃِ یُسَمَّی الْکَعْبَۃَ الْیَمَانِیَّۃَ ، قَالَ : قُلْتُ : یَا رَسُولَ اللہِ إنِّی رَجُلٌ لاَ أَثْبُتُ عَلَی الْخَیْلِ ، قَالَ : فَمَسَحَ فِی صَدْرِی ، وَقَالَ : اللَّہُمَّ اجْعَلْہُ ہَادِیًا مَہْدِیًّا حَتَّی وَجَدْت بَرْدَہَا۔ (مسلم ۱۹۲۶۔ احمد ۳۶۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩০০৮) হযরত জারীর ( রাঃ) বলেন যে , রাসূলুল্লাহ ( সাঃ ) আমাকে বললেনঃ তুমি কি আমাকে যীউল - খালসা থেকে মুক্তি দিতে পারবে ? জাহিলী যুগে খাশামের আবাসস্থল ছিল ধী আল - খালসা , যাকে কাবা বলা হত । তিনি বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ ! নিশ্চয়ই আমি এমন একজন ব্যক্তি যে ঘোড়ায় শক্তভাবে দাঁড়াতে পারি না তাই আপনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আপনার বরকতময় হাত আমার বুকে রেখে দোয়া করলেন , হে আল্লাহ ! তাকে গাইড করুন যিনি হেদায়েত ও হেদায়েত দান করেন তাকে করুন । বর্ণনাকারী বলেছেন যে আমি এর শীতলতা অনুভব করেছি .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩০০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۰۰۹) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : یَدْخُلُ الْجَنَّۃَ بِشَفَاعَۃِ رَجُلٍ مِنْ أُمَّتِی مِثْلُ رَبِیعَۃَ وَمُضَرَ ، قَالَ : حَدَّثَنِی حَوْشَبٌ : قَالَ : فَقُلْنَا لِلْحَسَنِ : ہَلْ سَمَّی لَکُمْ ، قَالَ : نَعَمْ أُوَیْسٌ الْقَرَنِیُّ۔ (ترمذی ۲۴۳۸۔ احمد ۴۶۹)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৩০০৯) হজরত হাসান ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : হে মরিয়ম , আমার উম্মতের একজন মানুষের জন্য সুপারিশ করুন , যার কারণে রাবিআহ গোত্র ও গোত্রের যত লোক সম্ভব জান্নাতে প্রবেশ করবে । হজরত হাওয়াই থাব ( রা. ) বলেন , আমরা হজরত হাসান ( রা . ) - কে জিজ্ঞেস করলাম : আপনি কি এই ব্যক্তির নাম জানেন ? হযরত ও ওয়াই এস কোরান ( রহ. )।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩০০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۰۱۰) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُلَیْمَانُ بْنُ الْمُغِیرَۃِ ، عَنِ الْجَرِیرِیِّ ، عَنْ أَبِی نَضِرَۃَ ، عَنْ أُسَیْرِ بْنِ جَابِرٍ ، عَنْ عُمَرَ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَنَّہُ قَالَ : سَیَقْدَمُ عَلَیْکُمْ رَجُلٌ یُقَالُ لَہُ أُوَیْسٌ کَانَ بِہِ بَیَاضٌ ، فَدَعَا اللَّہَ لَہُ فَأَذْہَبَہُ اللَّہُ ، فَمَنْ لَقِیَہُ مِنْکُمْ فَمُرُوہُ فَلْیَسْتَغْفِرْ لَہُ ، قَالَ : فَلَقِیَہُ عُمَرُ ، فَقَالَ : اسْتَغْفِرْ لِی ، فَاسْتَغْفَرَ لَہُ۔ (مسلم ۱۹۶۸۔ احمد ۳۸)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৩০১০) হজরত উমর ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : আনকারিবে তোমাদের কাছে এক ব্যক্তি আসবে যার নাম হবে ওয়াইস । তার মুখে সাদা দাগ থাকবে । তাই সে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করবে, তাহলে আল্লাহ তাকে ধ্বংস করবেন । আমার সাথে যার সাথে দেখা হবে , সে যেন তাকে আদেশ করে নিজের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে । বর্ণনাকারী বলেনঃ হযরত ওমর (রাঃ ) তার সাথে দেখা করে বললেনঃ আমার মৃত্যুর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর । তাই আপনি (রাঃ) তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩০০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۰۱۱) حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ رِفَاعَۃَ بْنِ رَافِعٍ الأَنْصَارِیِّ ، أَنَّ مَلَکًا أَتَی رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : کَیْفَ أَصْحَابُ بَدْرٍ فِیکُمْ ، فَقَالَ : أَفْضَلُ النَّاسِ ، فَقَالَ الْمَلَکُ : وَکَذَلِکَ مَنْ شَہِدَ بَدْرًا مِنَ الْمَلاَئِکَۃِ۔ (بخاری ۳۹۹۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩০১১) হজরত ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ ( রা. ) বলেন , হজরত মুআয ইবনে রিফাহ (রা.) বলেছেন : নিঃসন্দেহে আল্লাহর রাসূল ( সা . ) একজন ফেরেশতা আমার খেদমতে এসে জিজ্ঞেস করলেন : কী ? আপনার বদরের সাহাবীদের অবস্থা কি ? এতে তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ আমি সর্বোত্তম মানুষ । তাই ফেরেশতা বললেনঃ এভাবে বদর যুদ্ধে উপস্থিত ফেরেশতাদের মধ্যে আমরাই শ্রেষ্ঠ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩০১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۰۱۲) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ عَمْرٍو ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ أَبِی رَافِعٍ أَخْبَرَہُ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَا یُدْرِیک لَعَلَّ اللَّہَ قَدِ اطَّلَعَ عَلَی أَہْلِ بَدْرٍ ، فَقَالَ : اعْمَلُوا مَا شِئْتُمْ فَقَدْ غَفَرْت لَکُمْ۔ (بخاری ۳۰۰۷۔ مسلم ۱۹۴۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৩০১২ ) হজরত আলী ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : তোমরা সবাই কি জানো যে , আল্লাহ তায়ালা বদরে অংশগ্রহণকারীদের দিকে ফিরে বললেন : তোমরা যা চাও তাই কর , মহান আল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করেছেন .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩০১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۰۱۳) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَۃَ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ أَبِی النَّجُودِ ، عَنْ أَبِی صَالِحٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إنَّ اللَّہَ تَبَارَکَ وَتَعَالَی اطَّلَعَ عَلَی أَہْلِ بَدْرٍ ، فَقَالَ : اعْمَلُوا مَا شِئْتُمْ فَقَدْ غَفَرْت لَکُمْ۔ (ابوداؤد ۴۶۲۲۔ احمد ۲۹۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৩০১৩) হজরত আবু হুরায়রা ( রা.) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা বদরের যুদ্ধকারীদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বললেন : তুমি যা চাও তাই করো । জাতিগুলো তোমাকে ক্ষমা করেছে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩০১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۰۱۴) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ بْنُ سَوَّارٍ ، عَنْ لَیْثِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنْ أَبِی الزُّبَیْرِ ، عَنْ جَابِرٍ أَنَّ عَبْدَ حَاطِبِ بْنَ أَبِی بَلْتَعَۃَ أَتَی رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ لِیَشْتَکِیَ حَاطِبًا ، فَقَالَ : یَا رَسُولَ اللہِ ، لَیَدْخُلَنَّ حَاطِبٌ النَّارَ ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : کَذَبْت لاَ یَدْخُلُہَا إِنَّہُ قَدْ شَہِدَ بَدْرًا وَالْحُدَیْبِیَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩০১৪) হজরত জাবির (রা.) বলেন , হজরত হাতিব ইবনে আবি বালতাহ (রা.)- এর ক্রীতদাস রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর খেদমতে এসে অভিযোগ করেন যাতে তিনি ( রা . ) অভিযোগ করেন এবং বলেন : হে আল্লাহর রাসূল! ! হাতিব অবশ্যই জাহান্নামে প্রবেশ করবে । এতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তুমি মিথ্যা বলেছ , তারা জাহান্নামে প্রবেশ করবে না , কারণ তারা বদর যুদ্ধ এবং হাদীর যুদ্ধে উপস্থিত ছিলাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩০১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۰۱۵) حَدَّثَنَا عَبْدُالرَّحِیمِ بْنُ سُلَیْمَانَ، عَنْ إسْرَائِیلَ، عَنْ سِمَاکِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ: {کُنْتُمْ خَیْرَ أُمَّۃٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ} قَالَ: الَّذِینَ ہَاجَرُوا مَعَ مُحَمَّدٍ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إلَی الْمَدِینَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩০১৫) হজরত সাঈদ ইবনে জাবির ( রা . ) বলেন যে , হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) কুরআনের এই আয়াতটি ব্যবহার করেছেন ( তোমরা সর্বোত্তম জাতি , যারা বিতাড়িত হয়েছিল ) । এরাই তারা যারা মুহাম্মাদ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর সাথে মদীনায় হিজরত করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩০১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস