
(۳۲۸۹۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : رَضِیت لأُمَّتِی مَا رَضِیَ لَہَا ابْنُ أُمِّ عَبْدٍ۔ (حاکم ۳۱۸۔ طبرانی ۸۴۵۸)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৮৯৬) হজরত কাসিম ইবনে আবদ আল-রহমান ( রা. ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : আমি আমার উম্মতের জন্য তা পছন্দ করেছি যাকে ইবনে উম্মে আবদে পছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۹۷) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ أُمِّ مُوسَی ، قَالَتْ : سَمِعْت عَلِیًّا یَقُولُ : أَمَرَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ابْنَ مَسْعُودٍ أَنْ یَصْعَدَ شَجَرَۃً فَیَأْتِیَہُ بِشَیْئٍ مِنْہَا ، فَنَظَرَ أَصْحَابُہُ إِلَی حُمُوشَۃِ سَاقَیْہِ فَضَحِکُوا مِنْہَا، فَقَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: مَا یُضْحِکُکُمْ لَرِجْلُ عَبْدِاللہِ فِی الْمِیزَانِ أَثْقَلُ مِنْ أُحُدٍ۔ (احمد ۱۱۴۔ ابویعلی ۵۹۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৮৯৭) হজরত আলী ( রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা. ) হজরত ইবনে মাসউদ (রা.)-কে একটি গাছে উঠতে এবং কিছু ফল নিয়ে আসার নির্দেশ দেন তখন রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর সাহাবীগণ তাঁর পাতলা পা দেখে হাসতে লাগলেন । এতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি হাসছ কেন ? আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ যার পা দাঁড়িপাল্লায় উহুদ পাহাড়ের চেয়েও ভারী হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۹۸) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی عُبَیْدَۃَ ، قَالَ : حدَّثَنِی أَبِی ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ بْنُ مَسْعُودٍ ، لَقَدْ رَأَیْتُنِی سَادِسَ سِتَّۃٍ مَا عَلَی ظَہْرِ الأَرْضِ مُسْلِمٌ غَیْرُنَا۔ (ابن حبان ۶۲۔ حاکم ۳۱۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(32898) হজরত আবদ আল-রহমান (রা.) বলেন যে, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা. ) বলেছেন : আমি নিজেকে মন্দ থেকে মুক্ত করেছি । আমরা ছাড়া পৃথিবীতে কোন মুসলমান ছিল না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۹۹) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، عَن عَلْقَمَۃَ ، عَنْ عُمَرَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ سَرَّہُ أَنْ یَقْرَأَ الْقُرْآنَ رَطْبًا کَمَا أُنْزِلَ ، فَلْیَقْرَأْہُ عَلَی قِرَائَۃِ ابْنِ أُمِّ عَبْدٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 32899) হজরত ওমর (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা. ) বলেছেন : যে ব্যক্তি পবিত্র কুরআন এমনভাবে তিলাওয়াত করতে চায় যেন তা নাজিল হয়েছে , তাই সে যেন তা তিলাওয়াত করে । ইবনে উম্মে আবদ এর
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۰۰) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ شَقِیقٍ ، عَنْ حُذَیْفَۃَ ، قَالَ : لَقَدْ عَلِمَ الْمَحْفُوظُونَ مِنْ أَصْحَابِ مُحَمَّدٍ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ أَقْرَبُہُمْ عِنْدَ اللہِ وَسِیلَۃً یَوْمَ الْقِیَامَۃِ۔ (احمد ۳۹۵)
থেকে বর্ণিতঃ
( 32900) হজরত শাকীক ( রা. ) বলেন , হজরত হুজাইফা ( রা. ) বলেছেন : মুহাম্মদ ( সা. )- এর ভাগ্যবান সাহাবীরা জানেন যে , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা . ) কেয়ামতের দিন আল্লাহর সবচেয়ে কাছের মানুষ হবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۰۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنْ مَالِکِ بْنِ الْحَارِثِ ، عَنْ أَبِی خَالِدٍ ، قَالَ : وَفَدْت إِلَی عُمَرَ فَفَضَّلَ أَہْلَ الشَّامِ عَلَیْنَا فِی الْجَائِزَۃِ ، فَقُلْنَا لَہُ ، فَقَالَ : یَا أَہْلَ الْکُوفَۃِ أَجَزِعْتُمْ أَنْ فَضَّلْت أَہْلَ الشَّامِ عَلَیْکُمْ فِی الْجَائِزَۃِ لِبُعْدِ شُقَّتِہِمْ ، فَقَدْ آثَرْتُکُمْ بِابْنِ أُمِّ عَبْدٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(32901) হজরত মালিক ইবনে হারিস (রা.) বলেন , হজরত আবু খালিদ (রা.) বলেন , আমি যখন একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে হজরত ওমর (রা.)- এর কাছে এলাম , তখন তিনি সিরিয়ার লোকদেরকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন : হে কুফাবাসী ! তুমি কি ভয় পাচ্ছ যে , তোমার রোজা রাখার কারণে আমি সিরিয়াবাসীকে পুরস্কৃত করেছি ? আমি তোমাকে উম্মে আবদের উপর নিজের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۰۲) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ وَہْبٍ ، قَالَ : أَقْبَلَ عَبْدُ اللہِ ذَاتَ یَوْمٍ ، وَعُمَرُ جَالِسٌ ، فَقَالَ : کَنِیفٌ مُلِیء فِقْہًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(32902) হজরত যায়েদ বিন ওয়াহব (রা.) বলেন , একদিন হজরত ওমর (রা.) বসে ছিলেন , তিনি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) - কে সামনে থেকে আসতে দেখে বললেন , ক : দাড়িওয়ালা ফিকাহে পরিপূর্ণ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۰۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ حَارِثَۃَ بْنِ مُضَرِّبٍ ، قَالَ : قرِئَ عَلَیْنَا کِتَابُ عُمَرَ : أَمَّا بَعْدُ فإنی قَدْ بَعَثْت إلَیْکُمْ عَمَّارَ بْنَ یَاسِرٍ أَمِیرًا ، وَعَبْدَ اللہِ بْنَ مَسْعُودٍ مُؤَدِّبًا وَوَزِیرًا وَہُمَا مِنَ النُّجَبَائِ مِنْ أَصْحَابِ مُحَمَّدٍ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَآثَرْتُکُمْ بِابْنِ أُمِّ عَبْدٍ عَلَی نَفْسِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(32903) হজরত আবু ইসহাক (রা.) বলেন যে, হজরত হারিসা ইবনে মুযরাব (রা.) বলেন , হজরত ওমর ( রা. ) -এর চিঠি আমাদের কাছে পড়ে শোনানো হয়েছিল । যেখানে আমি লিখেছিলাম : প্রশংসা ও সালামের পর আমি হজরত আম্মার ইবনে আস ( রা. )- কে আমির হিসেবে এবং হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ ( রা .)- কে শিক্ষক ও মন্ত্রী করে আপনার পাশে পাঠালাম । তারা উভয়েই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সম্মানিত সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত । আর হজরত ইবনে উম্মে আবদ (রা.) - এর ক্ষেত্রে আমি নিজের ওপর অন্যদের অগ্রাধিকার দিয়েছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۰۴) حَدَّثَنَا أَبُو معاویۃ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، عَنْ أَبِی الْبَخْتَرِیِّ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالُوا : أَخْبِرْنَا عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : عَلِمَ الْقُرْآنَ وَالسُّنَّۃَ ، وَکَفَی بِذَلِکَ عِلْمًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৯০৪) হজরত আবুল বাখতারি ( রা. ) বলেন , লোকেরা হযরত আলী ( রা. ) - কে জিজ্ঞেস করল, আপনি (রা.) আমাদেরকে হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ ( রা . ) সম্পর্কে বলেছেন তিনি (রাঃ ) বললেনঃ সে কুরআন ও হাদীস শিখেছে । আর এ সবই তাদের জন্য যথেষ্ট ছিল জ্ঞানের দিক থেকে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۰۵) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ صَالِحِ بْنِ حَیَّانَ ، عَنِ ابْنِ بُرَیْدَۃَ (قَالُوا لِلَّذِینَ أُوتُوا الْعِلْمَ مَاذَا قَالَ آنِفًا) ہُوَ عَبْدُ اللہِ بْنُ مَسْعُودٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৯০৫) হজরত সালেহ ইবনে হাইন ( রহ.) বলেন : হজরত ইবনে বারিদাহ ( র. ) বলেছেন : কোরআনের এই আয়াতটি (ক্বালুয়া লিল -দি -ইয়িন না ওতুওয়া আল - ইলম মাজা ক্বাল-আনিফা) যারা আছে তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করে ? জ্ঞান দান করা হয়েছে , এখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বললেন ? এর দ্বারা হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) কে বুঝানো হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۰۶) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، عَن عَلْقَمَۃَ ، قَالَ : کَانَ عَبْدُ اللہِ یُشَبَّہُ بِالنَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی ہَدْیِہِ وَدَلِّہِ وَسَمْتِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৯০৬) হজরত ইব্রাহীম ( রা. ) বলেন , হজরত আল -কামা (রা.) বলেছেন : হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ ( রা . ) চলাফেরা , পথপ্রদর্শন ও পথপ্রদর্শক ছিলেন মহানবী ( সা . ) এর মতো । .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۰۷) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنْ حَبَّۃَ بْنِ جُوَیْنٍ ، قَالَ : کُنَّا جُلُوسًا عِنْدَ عَلِیٍّ فَذَکَرْنَا بَعْضَ قَوْلِ عَبْدِ اللہِ وَأَثْنَی الْقَوْمُ عَلَیْہِ فَقَالُوا : یَا أَمِیرَ الْمُؤْمِنِینَ مَا رَأَیْنَا رَجُلاً أَحْسَنَ خُلُقًا ، وَلا أَرْفَقَ تَعْلِیمًا ، وَلا أَشَدَّ وَرَعًا ، وَلا أَحْسَنَ مُجَالَسَۃً مِنَ ابْنِ مَسْعُودٍ ، فَقَالَ عَلِیٌّ : نَشَدْتُکُمَ اللَّہَ إِنَّہُ لَلصِّدْقُ مِنْ قُلُوبِکُمْ ، قَالُوا : نَعَمْ ، قَالَ : اللَّہُمَّ إنِّی أُشْہِدُک أَنِّی أَقُولُ مِثْلَ مَا قَالُوا ، وَأَفْضَلُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(32907) হজরত আমিশ (রা.) বলেন , হজরত হাবা ইবনে জুওয়াইন ( রা. ) বলেন , আমরা লোকেরা হযরত আলী (রা. )- এর কাছে বসে ছিলাম , তখন আমরা হজরতকে জিজ্ঞেস করলাম , তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) -এর কিছু কথা উল্লেখ করলেন এবং লোকেরা শুরু করল। তাঁর প্রশংসা করে বললেনঃ হে ঈমানদার সেনাপতি ! আমরা কি করেছিলাম ? হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ ( রা. ) - এর চেয়ে বেশি নেককার , বিদ্যায় নম্র , পরহেজগার এবং উত্তম ব্যক্তিকে আমি দেখতে পাব না, হজরত আলী ( রা . ) বলেছেন : আমি তোমাদের লোকদের কাছে আল্লাহর কসম জিজ্ঞাসা করছি আপনি আন্তরিকতার সাথে এটি বলছেন । লোকেরা বললঃ হ্যাঁ ! তিনি (রাঃ) বললেনঃ হে আল্লাহ! নিঃসন্দেহে আমি আপনাকে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে , নিঃসন্দেহে আমিও সেই কথাই বলি যা এই লোকেরা বলেছে । যে তারা আরও ভালো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۰۸) حَدَّثَنَا یَعْلَی ، قَالَ: حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِی عُبَیْدَۃَ ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا مُوسَی یَقُولُ: لَمَجْلِسٌ کُنْتُ أُجَالِسُہُ عَبْدَ اللہِ أَوْثَقُ مِنْ عَمَلِ سَنَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(32908) হজরত আবু উবাইদাহ ( রা.) বলেন , হজরত আবু মূসা ( রা. ) বলেন , যে মজলিসে আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা. )- এর সাথে সাক্ষাত করতাম , তিনি বসতেন । তিনি সুন্নাহ অনুসরণে অত্যন্ত শক্তিশালী ছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۰۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ ہَانِئِ بْنِ ہَانِئٍ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : کُنَّا جُلُوسًا عِنْدَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَجَائَ عَمَّارٌ یَسْتَأْذِنُ ، فَقَالَ : ائْذَنُوا لَہُ مَرْحَبًا بِالطَّیِّبِ الْمُطَیَّبِ۔ (ابن حبان ۷۰۷۵۔ احمد ۱۳۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৯০৯) হজরত আলী ( রা. ) বলেন , আমরা রাসূলুল্লাহ ( সা. ) - এর কাছে বসে ছিলাম , তখন হযরত আম্মার ইবনে আস ( রা . ) অনুমতি চাইলেন তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তাদেরকে অনুমতি দিন , বিশুদ্ধ প্রকৃতির ব্যক্তিকে স্বাগত জানাই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۱۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أبی عمار ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُرَحْبِیلَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : عَمَّارٌ مُلِئَ إیمَانًا إِلَی مُشَاشِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৯১০) হজরত আমর ইবনে শাহরাবিল ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা. ) বলেছেন : আম্মার ( রা . ) পূর্ণ ঈমানদার ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۱۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ أَبِی لَیْلَی الْکِنْدِیِّ ، قَالَ : جَائَ خَبَّابٌ إِلَی عُمَرَ ، فَقَالَ : ادْنُہُ فَمَا أَحَدٌ أَحَقُّ بِہَذَا الْمَجْلِسِ مِنْک إلاَّ عَمَّارٌ فَجَعَلَ خَبَّابٌ یُرِیہِ آثَارًا بِظَہْرِہِ مِمَّا عَذَّبَہُ الْمُشْرِکُونَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৯১১) হজরত আবুল লায়লা কুন্দি ( রহ. ) বলেন , হজরত খাব্বাব (রা. ) হজরত ওমর (রা .)- এর কাছে তিশরীফ নিয়ে আসেন । তিনি (রাঃ) বললেনঃ নিকটবর্তী হও , তাহলে হযরত আম্মার (রাঃ) ব্যতীত এই সমাবেশের বেশি হকদার আর কেউ নেই । অতঃপর হযরত খাব্বাব ( রাঃ ) তাঁর পিঠে মুশরিকদের কষ্টের চিহ্ন দেখালেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۱۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَمَّارٍ ، عَنْ سَالِمٍ ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : ابْنُ سُمَیَّۃَ مَا خُیِّرَ بَیْنَ أَمْرَیْنِ إلاَّ اخْتَارَ أَرْشَدَہُمَا۔ (احمد ۳۸۹۔ حاکم ۳۸۸)
থেকে বর্ণিতঃ
(32912) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : সামী ( রা . ) এর ছেলে । অর্থাৎ হজরত আম্মার ( রা. ) - কে যখনই দুটি বিষয়ের মধ্যে একটি বাছাই করা হয়েছে , তখনই তিনি অধিকতর সঠিকটি বেছে নিয়েছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۱۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ سَلَمَۃَ بْنِ کُہَیْلٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَا لَہُمْ وَلِعَمَّارٍ یَدْعُوہُمْ إِلَی الْجَنَّۃِ وَیَدْعُونَہُ إِلَی النَّارِ ، وَکَذَلِکَ دَأْبُ الأَشْقِیَائِ الْفُجَّارِ۔ (احمد ۱۵۹۸)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৯১৩) হযরত মুজাহিদ (রাঃ) বলেন যে , রাসূলুল্লাহ ( সাঃ ) বলেছেনঃ আম্মার ( রাঃ ) সম্পর্কে এই লোকদের কি হয়েছিল ? আম্মার (রাঃ ) তাদেরকে জান্নাতের দিকে ডাকেন আর সেই লোকেরা তাদেরকে জাহান্নামের দিকে ডাকেন ? আর এটাই হতভাগ্য ও হতভাগ্যদের অভ্যাস ও পথ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۱۴) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا مِسْعَرٌ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، عَنْ أَبِی الْبَخْتَرِیِّ ، قَالَ : سُئِلَ عَلِیٌّ ، عَنْ عَمَّارٍ ، قَالَ : مُؤْمِنٌ نَسِیّ ، وَإِنْ ذَکَّرْتہ ذَکَرَ ، وَقَدْ دَخَلَ الإِیمَانُ فِی سَمْعِہِ وَبَصَرِہِ ، وَذَکَرَ مَا شَائَ اللَّہُ مِنْ جَسَدِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(32914) হজরত আবুল বাখতারি ( রা. ) বলেন যে, হজরত আলী ( রা.) -কে হজরত আম্মার (রা.) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল : তিনি (রা.) বলেন : যারা ভুলে যায় তারা ছিল ঈমানদার। আপনি তাদের মনে করিয়ে দিলে তারা মনে পড়ে । আর তাদের কানে ও চোখে ঈমান ঢুকে গেল আর আপনি (রাঃ) তার শরীরের সেই অংশের কথা উল্লেখ করেছেন যা আল্লাহ ইচ্ছা করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۱۵) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، عَنْ أَبِی الْبَخْتَرِیِّ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : قَالُوا لَہُ : أَخْبِرْنَا عَنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالُوا : أَخْبِرْنَا عَنْ عَمَّارٍ ، قَالَ : مُؤْمِنٌ نَسِیّ وَإِنْ ذَکَّرْتہ ذَکَرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(32915) লোকেরা হজরত আলী (রা.)-কে বললো, আমরা যেন তাদের হজরত আম্মার ( রা .) -এর কথা বলি । তিনি বলেছিলেন যে তিনি একজন বিশ্বাসী যিনি ভুলে গিয়েছিলেন মনে পড়লে মনে রেখো
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۱۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی قَیْسٍ ، عَنْ ہُذَیْلٍ ، قَالَ : أُتِیَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَقِیلَ لَہُ : إنَّ عَمَّارًا وَقَعَ عَلَیْہِ جَبَلٌ فَمَاتَ ، قَالَ : مَا مَاتَ عَمَّارٌ۔ (ابن سعد ۲۵۴۔ احمد ۱۵۹۷)
থেকে বর্ণিতঃ
( 32916 ) হযরত হজরত ( রা. ) বলেন , এক ব্যক্তি নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর কাছে এলেন এবং রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর কাছে একটি প্রদীপ নিভে যাওয়ার খবর পাওয়া গেল । হজরত আম্মার (রা.)- এর ওপর , যা তাঁর মৃত্যু ঘটায় । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ আম্মার (রাঃ) মারা যাননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۱۷) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ آدَمَ ، قَالَ : حدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنْ وَرْدَانَ الْمُؤَذِّنِ أَنَّہُ سَمِعَ الْقَاسِمَ بْنَ مُخَیْمِرَۃَ یَقُولُ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مُلِئَ عَمَّارٌ إیمَانًا إلَی الْمُشَاشِ وَہُوَ مِمَّنْ حُرِّمَ عَلَی النَّارِ۔ (ابن عساکر ۴۳)
থেকে বর্ণিতঃ
( 32917) হযরত কাসিম বিন মুখী মুররাহ ( রাঃ ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাঃ ) বলেছেনঃ আম্মার ( রাঃ ) ঈমানে পরিপূর্ণ । তারা সেই লোকদের অন্তর্ভুক্ত যাদের জন্য জাহান্নাম হারাম করা হয়েছে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۱۸) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا الْعَوَّامُ بْنُ حَوْشَبٍ ، عَنْ سَلَمَۃَ بْنِ کُہَیْلٍ ، عَنْ عَلْقَمَۃَ ، عَنْ خَالِدِ بْنِ الْوَلِیدِ ، قَالَ : کَانَ بَیْنِی وَبَیْنَ عَمَّارٍ کَلاَمٌ فَانْطَلَقَ عَمَّارٌ یَشْکُونِی إلَی رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَأَتَیْت رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَہُوَ یَشْکُونِی ، فَجَعَلَ عَمَّارٌ لاَ یَزِیدُہُ إلاَّ غِلْظَۃً ، وَرَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ سَاکِتٌ فَبَکَی عَمَّارٌ ، وَقَالَ : یَا رَسُولَ اللہِ أَلاَ تَسْمَعُہُ قَالَ : فَرَفَعَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إلَیَّ رَأْسَہُ ، فَقَالَ : مَنْ عَادَی عَمَّارًا عَادَاہُ اللَّہُ وَمَنْ أَبْغَضَ عَمَّارًا أَبْغَضَہُ اللَّہُ ، قَالَ : فَخَرَجْت فَمَا کَانَ شَیْئٌ أَبْغَضُ إلَیَّ مِنْ غَضَبِ عَمَّارٍ ، فَلَقِیتہ فَرَضِیَ۔ (احمد ۸۹۔ حاکم ۳۹۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(32918) হযরত আলকামা (রহঃ) বলেন যে হযরত খালিদ বিন ওয়ালীদ ( রাঃ ) বলেছেনঃ মরিয়ম ও আম্মার (রাঃ ) এর মধ্যে কিছু কটু কথা হয়েছিল । তখন আম্মার ( রাঃ ) গিয়ে রাসূলুল্লাহ ( সাঃ ) এর কাছে অভিযোগ করলেন । সুতরাং , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর খেদমতে উপস্থিত হলাম যখন তিনি আমার ব্যাপারে অভিযোগ করছিলেন । কথোপকথনের সময় হযরত আম্মারের রাগ বাড়তে থাকে । আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নীরব ছিলেন । তখন আম্মার (রাঃ) কাঁদতে লাগলেন এবং বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! তুমি কি শুনছ না ? এতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) মরিয়ম ( রাঃ) এর দিকে মাথা তুলে বললেনঃ যে ব্যক্তি আম্মার (রাঃ)-এর সাথে শত্রুতা করবে , আল্লাহতায়ালা সেই ব্যক্তির সাথে শত্রুতা করবেন এবং যে ব্যক্তি আম্মার ( রাঃ )-কে ঘৃণা করবে আল্লাহ তা‘আলা আলা সেই ব্যক্তিকে ঘৃণা করবে । হজরত খালিদ বিন ওয়ালিদ ( রা. ) বলেন , আমি এমন অবস্থায় বাড়ি থেকে বের হয়েছিলাম যে, হজরত আম্মার ( রা . ) ছাড়া আর কিছুই আমাকে বিরক্ত করেনি । তারপর আমি তাদের সাথে দেখা করি এবং তারা রাজি হয়ে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۱۹) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا الْمَسْعُودِیُّ ، عَنِ الْقَاسِمِ بن عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، قَالَ : أَوَّلُ مَنْ بَنَی مَسْجِدًا یُصَلَّی فِیہِ عَمَّارُ بْنُ یَاسِرٍ۔ (ابن ابی عاصم ۱۱۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৯১৯) হজরত মাসউদ ( রা.) বলেন যে, হজরত কাসিম ইবনে আবদুল রহমান (রা.) বলেছেন : সর্বপ্রথম যে মসজিদে নামাজ আদায় করা হতো তা হযরত আম্মার ইবনে আস (রাযি.) নির্মাণ করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۲۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ أَبِی مَالِکٍ : {إلاَّ مَنْ أُکْرِہَ وَقَلْبُہُ مُطْمَئِنٌّ بِالإِیمَانِ} قَالَ : نَزَلَتْ فِی عَمَّارٍ۔ (ابن جریر ۱۸۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(32920) হজরত হুসাইন ( রা.) বলেন যে, হজরত আবু মালিক (রা.) বলেছেন : কুরআন একটি আয়াত { তারা ব্যতীত যারা এটিকে ঘৃণা করে এবং তাদের অন্তর এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত ) (ব্যতীত যে ব্যক্তি বাধ্য হয় ) ঘটেছিল যখন তার অন্তর ঈমানে পরিতৃপ্ত ছিল ) এই আয়াতটি হযরত আম্মার ( রা . ) সম্পর্কে । প্রকাশিত
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۲۱) حَدَّثَنَا عَثَّامُ بْنُ عَلِیٍّ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ ہَانِئِ بْنِ ہَانِئٍ ، قَالَ : اسْتَأْذَنَ عَمَّارٌ عَلَی عَلِیٍّ ، فَقَالَ : مَرْحَبًا بِالطَّیِّبِ الْمُطَیَّبِ سَمِعْت رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : مُلِئَ عَمَّارٌ إیمَانًا إِلَی مُشَاشِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৯২১) হজরত হানি বিন হানি ( রা.) বলেন , হজরত আম্মার (রা.) হযরত আলী ( রা.) - এর কাছে আসার অনুমতি চাইলে তিনি ( রা . ) বললেন : একজন ব্যক্তির জন্য বিশুদ্ধ স্বভাব আমি রাসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে বলতে শুনেছিঃ আম্মার ( রাঃ ) ঈমানে পরিপূর্ণ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۲۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنِ الْحَکَمِ : (إلاَّ مَنْ أُکْرِہَ وَقَلْبُہُ مُطْمَئِنٌّ بِالإِیمَانِ) قَالَ : نَزَلَتْ فِی عَمَّارٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(32922) হজরত জাবির (রা.) বলেন যে, হজরত হাকাম (রা.) কুরআনের এই আয়াতটি উল্লেখ করেছেন : অনুবাদ : কিন্তু যে ব্যক্তি বাধ্য হয় এবং যার অন্তর ঈমানে পরিতৃপ্ত হয় সে ছিল। তিনি বলেনঃ এই আয়াতটি হযরত আম্মার ( রাঃ ) সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۲۳) حَدَّثَنَا یَزِیدُ ، عَنْ حُمَیْدٍ الطَّوِیلِ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِکٍ أنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ : یَقْدَمُ عَلَیْکُمْ قَوْمٌ ہُمْ أَرَقُّ أَفْئِدَۃً ، قَالَ : فَقَدِمَ الأَشْعَرِیُّونَ وَفِیہِمْ أَبُو مُوسَی ، قَالَ : فَجَعَلُوا یَرْتَجِزُونَ وَیَقُولُونَ : غَدًا نَلْقَی الأَحِبَّۃ مُحَمَّدًا وَحِزْبَہْ۔ (احمد ۱۰۵)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৯২৩ ) হযরত আনাস বিন মালিক (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ ( সাঃ ) বলেছেনঃ তোমাদের কাছে এমন কিছু লোক আসবে যারা খুব কোমল মনের বর্ণনাকারী বলেন . তখন আশআর গোত্রের লোকেরা এলো , যাদের মধ্যে হজরত আবু মূসা ( রা.) ছিলেন । তারা নিম্নোক্ত আয়াত তিলাওয়াত করছিল: অনুবাদ: আগামীকাল আমরা প্রিয় মানুষ , মুহাম্মাদ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ও তাঁর দলের সাথে দেখা করব।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۲۴) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ مَالِکِ بْنِ مِغْوَلٍ ، عَنِ ابْنِ بُرَیْدَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لَقَدْ أُوتِیَ الأَشْعَرِیُّ مِزْمَارًا مِنْ مَزَامِیرِ آلِ دَاوُد۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৯২৪) হজরত বুরিদাহ ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা. ) বলেছেন : আশআর গোত্রের লোকদেরকে আল দাউদ ( আ . ) - এর উচ্চারণ দ্বারা ডাকা হয়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۹۲۵) حُدِّثْت عَنِ ابْنِ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ عُرْوَۃَ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، قَالَتْ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لقد أُوتِیَ الأَشْعَرِیُّ مِزْمَارًا مِنْ مَزَامِیرِ آلِ دَاوُد۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৯২৫) হজরত আয়েশা ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : আল দাউদ ( সা . ) গোত্রের লোকদের তাহক্বীক কুবাইলাহ উচ্চারণটি আমার দেওয়া ছিল
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৯২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস