
(۳۲۸۶۶) حَدَّثَنَا عَبْد اللہ بن نُمَیْر ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ مِقْسَمٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ لِجَعْفَرٍ : أَشْبَہْت خَلْقِی وَخُلُقِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৮৬৬ ) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) হজরত জাফর ( রা . ) - কে বলেছেন : তুমি আমার মতো নৈতিকতার স্রষ্টা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۶۷) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ مُوسَی ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ الْبَرَائِ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ لِجَعْفَرٍ : أَشْبَہْت خَلْقِی وَخُلُقِی۔ (بخاری ۲۶۹۹۔ ترمذی ۳۷۶۵)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৮৬৭ ) হজরত বারা ইবনে আযিব (রা.) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) হজরত জাফর ( রা. ) - কে বলেছেন : তুমি সৃষ্টি ও নৈতিকতায় সর্বোত্তম আমার মতো হও
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۶۸) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ أَبِی فَرْوَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی لَیْلَی أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ : أَمَّا أَنْتَ یا جَعْفَر فَأَشْبَہْت خَلْقِی وَخُلُقِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৮৬৮) হজরত আবদ আল - রহমান ইবনে আবিল লায়লা ( রা. ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , হে জাফর ! সৃজনশীলতা এবং নৈতিকতায় আমার মতো হোন .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۶۹) حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ ، عَنْ زَکَرِیَّا ، عَنْ عَامِرٍ أَنَّ جَعْفَرَ بْنَ أَبِی طَالِبٍ قُتِلَ یَوْمَ مُؤْتَۃَ بِالْبَلْقَائِ ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: اللَّہُمَّ اخْلُفْ جَعْفَرًا فِی أَہْلِہِ بِأَفْضَلِ مَا خَلَفْت عَبْدًا مِنْ عِبَادِکَ الصَّالِحِینَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৮৬৯) হজরত আমীর (রা.) বলেন , হজরত জাফর (রা . ) গাযওয়া মোতার দিন বলকা নামক স্থানে নিহত হন , তখন রাসূলুল্লাহ ( সা . ) দোয়া করেন : হে আল্লাহ! অতএব , জাফরের পরিবার , আমি সেই ব্যক্তিকে করেছি যাকে তুমি তোমার নেক বান্দাদের উত্তরাধিকারী বানিয়েছ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۷۰) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنِ الأَجْلَحِ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : أُتِیَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ حِینَ افْتَتَحَ خَیْبَرَ فَقِیلَ لَہُ : قَدِمَ جَعْفَرٌ مِنْ عِنْدِ النَّجَاشِیِّ ، فَقَالَ : مَا أَدْرِی بِأَیِّہِمَا أَنَا أَفْرَحُ بِقُدُومِ جَعْفَرٍ ، أَوْ بِفَتْحِ خَیْبَرَ ، ثُمَّ تَلَقَّاہُ وَالْتَزَمَہُ وَقَبَّلَ مَا بَیْنَ عَیْنَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(32870) ইমাম শাবী ( রহঃ) বলেন , যখন খাইবার দুর্গ জয় করা হয়, তখন পথচারীর কাছ থেকে খবর শুনে কেউ এসে রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে হযরত জাফর (রাঃ) এর অপবিত্রতার কথা জানায় ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ আমি জানি না এ দু’টির মধ্যে কোনটি আমার কাছে বেশি পছন্দনীয় । জাফর (রহঃ) এর আগমনে । বিজয়ের সুসংবাদ অতঃপর তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাদের সাথে সাক্ষাত করলেন এবং তাদেরকে নিজের কাছে টেনে নিলেন এবং দুই চোখের মধ্যবর্তী স্থানে চুম্বন করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۷۱) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا زَکَرِیَّا ، عَنْ عَامِرٍ أَنَّ عَلِیًّا تَزَوَّجَ أَسْمَائَ ابْنَۃَ عُمَیْسٍ فَتَفَاخَرَ ابْنَاہَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ وَمُحَمَّدُ بْنُ أَبِی بَکْرٍ ، فَقَالَ : کُلُّ وَاحِدٍ مِنْہُمَا : أَنَا أَکْرَمُ مِنْک ، وَأَبِی خَیْرٌ مِنْ أَبِیک ، فَقَالَ لَہَا عَلِیٌّ : اقْضِی بَیْنَہُمَا ، فَقَالَتْ : مَا رَأَیْت شَابًّا مِنَ الْعَرَبِ خَیْرًا مِنْ جَعْفَرٍ ، وَمَا رَأَیْت کَہْلاً کَانَ خَیْرًا مِنْ أَبِی بَکْرٍ ، فَقَالَ لَہَا عَلِیٌّ : مَا تَرَکْت لَنَا شَیْئًا وَلَوْ قُلْت غَیْرَ ہَذَا لَمَقَتُّک ، فَقَالَتْ : وَاللہِ إنَّ ثَلاثَۃً أَنْتَ أَخَسُّہُمْ لَخِیَارٌ۔ (ابن سعد ۲۸۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(32871) হজরত আমীর (রা.) বলেন যে, হজরত আলী ( রা. ) হজরত আসমা বিনতে উমাইস ( রা.)- কে বিয়ে করেন , তখন হজরত আসমার ছেলে মুহাম্মদ ইবনে জাফর এবং মুহাম্মদ ইবনে আবি বুকাররা একে অপরকে নিয়ে গর্ব করতে শুরু করেন । আইক আমাকে বললেনঃ আমি তোমার চেয়ে সম্মানিত এবং আমার পিতা তোমার পিতার চেয়ে উত্তম হযরত আলী ( রাঃ ) বললেনঃ আমি তাদের উভয়কে পুরস্কৃত করব হযরত ইসমাইল ( রহঃ) বললেনঃ আমি জাফর ( রাঃ ) এর চেয়ে উত্তম কোন আরব যুবক দেখিনি । আর আবু বকর ( রাঃ ) এর চেয়ে উত্তম কোন বৃদ্ধ আমি দেখিনি । হযরত আলী ( রাঃ ) তাদেরকে বললেনঃ তোমরা আমাদের জন্য কিছুই রেখে যাওনি । আপনি যদি এর বাইরে অন্য কিছুর উত্তর দিতেন তবে আমি আপনার উপর খুব রাগ করতাম । হজরত ইসমাইল (রা.) বললেন , আর তুমি তিনজনের মধ্যে সর্বনিম্ন ভালো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۷۲) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ عُمَیْرِ بْنِ إِسْحَاقَ أَنَّ حَمْزَۃَ کَانَ یُقَاتِلُ بَیْنَ یَدَیِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِسَیْفَیْنِ وَیَقُولُ : أَنَا أَسَدُ اللہِ وَأَسَدُ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ۔ (حاکم ۱۹۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৮৭২) হজরত ইবনে আউন (রা.) বলেন যে, হজরত উমাইর ইবনে ইসহাক (রা.) বলেছেন : হজরত হামজা (রা. ) রাসুলুল্লাহ (সা . ) - এর সামনে দুটি তরবারি নিয়ে যুদ্ধ করতেন ! আমি আল্লাহর প্রশংসা এবং আল্লাহর রাসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর প্রশংসা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۷۳) حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ ، عَنْ زَکَرِیَّا ، عَنْ عَامِرٍ ، قَالَ : قتِلَ حَمْزَۃُ یَوْمَ أُحُدٍ وَقُتِلَ حَنْظَلَۃُ بْنُ الرَّاہِبِ الَّذِی طَہَّرَتْہُ الْمَلائِکَۃُ یَوْمَ أُحُدٍ۔ (بیہقی ۱۵)
থেকে বর্ণিতঃ
( 32873) হজরত যাকারিয়া ( রা. ) বলেন যে, হজরত আমীর ( রা .) বলেছেন : হজরত হামজা (রা . ) উহুদের যুদ্ধের দিন শহীদ হন । আর হযরত হানযালা বিন রাহাব ( রহঃ ) ও শহীদ হন , যাকে ফেরেশতাগণ পবিত্র করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۷۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ سَالِمٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، قَالَ : لَمَّا أُصِیبَ حَمْزَۃُ بْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ وَمُصْعَبُ بْنُ عُمَیْرٍ یَوْمَ أُحُدٍ وَرَأَوْا مِنَ الْخَیْرِ مَا رَأَوْا ، قَالُوا : یَا لَیْتَ إخْوَانَنَا یَعْلَمُونَ مَا أَصَبْنَا مِنَ الْخَیْرِ کَیْ یَزْدَادُوا رَغْبَۃً ، فَقَالَ اللَّہُ : أَنَا أُبَلِّغُ عَنْکُمْ فَأَنْزَلَ اللَّہُ : {وَلا تَحْسَبَنَّ الَّذِینَ قُتِلُوا فِی سَبِیلِ اللہِ أَمْوَاتًا بَلْ أَحْیَائٌ عِنْدَ رَبِّہِمْ یُرْزَقُونَ} إِلَی قَوْلِہِ {وَأَنَّ اللَّہَ لاَ یُضِیعُ أَجْرَ الْمُؤْمِنِینَ}۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৮৭৪) হজরত সেলিম (রা.) বলেন , হজরত সাঈদ ইবনে জাবায়ের ( রা.) বলেন , যখন উহুদ অভিযানের দিন হজরত হামজা ইবনে আবদুল মুত্তালিব ও হজরত মুসআব ইবনে উমায়র ( রা .) শহীদ হন এবং সওয়াব দেখেন এবং পুরষ্কার তারা পাবে , তারা বলল । আমি আশা করি আমাদের ভাইরাও এটি সম্পর্কে জানত আমরা সওয়াব ও পুরষ্কার পেয়েছি জেনে তাদের আবেগ আরও বাড়ত । তাই মহান আল্লাহ বললেন , আমি তোমার পক্ষ থেকে তাদের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দেব । তখন আল্লাহ এই আয়াত নাযিল করলেন ! অনুবাদ: আর যারা আল্লাহর পথে নিহত হয়েছে তাদেরকে মৃত মনে করো না, বরং তারা তাদের পালনকর্তার কাছে জীবিত এবং তাদের রিযিক দেওয়া হচ্ছে । আল্লাহর এই বাণী পর্যন্ত। আর নিশ্চয়ই আল্লাহ মুমিনদের প্রতিদান নষ্ট করেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۷۵) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ یَزِیدَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ الْحَارِثِ ، قَالَ : حدَّثَنِی عَبْدُ الْمُطَّلِبِ بْنُ رَبِیعَۃَ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ أَنَّ الْعَبَّاسَ دَخَلَ عَلَی رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وأنا عندہ ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ أَغْضَبَک ، قَالَ : یَا رَسُولَ اللہِ : مَا لَنَا وَلِقُرَیْشٍ إذَا تَلاقَوْا تَلاقَوْا بِوُجُوہٍ مُبَشِّرَۃٍ ، وَإِذَا لَقَوْنَا لَقَوْنَا بِغَیْرِ ذَلِکَ ، قَالَ : فَغَضِبَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ حَتَّی احْمَرَّ وَجْہُہُ وَحَتَّی اسْتَدَرَّ عَرَقٌ بَیْنَ عَیْنَیْہِ ، وَکَانَ إذَا غَضِبَ اسْتَدَرَّ ، فَلَمَّا سُرِّیَ عَنْہُ ، قَالَ : وَالَّذِی نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِیَدِہِ لاَ یَدْخُلُ قَلْبَ رَجُلٍ الإِیمَانُ حَتَّی یُحِبَّکُمْ لِلَّہِ وَلِرَسُولِہِ ، ثُمَّ قَالَ : أَیُّہَا النَّاسُ ، مَنْ آذَی الْعَبَّاسَ فَقَدْ آذَانِی، إنَّمَا عَمُّ الرَّجُلِ صِنْوُ أَبِیہِ۔ (ترمذی ۳۷۸۵۔ احمد ۲۰۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(32875) হজরত আবদুল মুতাব ইবনে রবী আহা ইবনে হারিস ইবনে আবদুল মুত্তালিব (রা.) বলেন , হজরত আব্বাস (রা.) এমন অবস্থায় রাসূলুল্লাহ (সা. )- এর কাছে এসেছিলেন যে, তিনি ( সা . ) ) এটি ছিল . তখন রসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তোমাকে কে রাগান্বিত করেছে ? তিনি (রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ ! কুরাইশদের কি হয়েছিল ? তারা যখন একে অপরের সাথে দেখা করে, তারা খুব খুশি মুখে দেখা করে এবং তারা যখন আমাদের সাথে দেখা করে তখন তারা এমন হয় না ? বর্ণনাকারী বলেন , একথা শুনে রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) রাগান্বিত হলেন । হ্যাঁ, যতক্ষণ না রাসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর চেহারা রাগে লাল হয়ে গেল এবং দু’চোখের মাঝখানের শিরা ফেটে যেতে লাগল । আর যখন তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) রাগান্বিত হতেন তখন এই রগ ফেটে যেত । অতঃপর যখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চলে গেলেন , তিনি বললেনঃ সেই সত্তার কসম যার ক্ষমতা মুহাম্মাদ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর হাতে । এই বিশ্বাস কখনই কোন মানুষের হৃদয়ে প্রবেশ করবে না হ্যাঁ , যতক্ষণ না সে আল্লাহ ও তাঁর রসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর সন্তুষ্টির জন্য তোমাদের লোকদেরকে ভালবাসে , অতঃপর তিনি বললেনঃ হে লোক সকল! যে হজরত আব্বাস ( রা . ) - এর ক্ষতি করেছে , সে আমারই ক্ষতি করেছে । আসলে একজন মানুষের চাচা তার বাবার মতো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۷۶) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ شَابُورٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : احْفَظَونِی فِی الْعَبَّاسِ فَإِنَّہُ بَقِیَّۃُ آبَائِی ، وَإِنَّ عَمَّ الرَّجُلِ صِنْوُ أَبِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৮৭৬ ) হযরত মুজাহিদ ( রাঃ ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাঃ ) বলেছেনঃ তোমরা কি মরিয়মকে রক্ষা কর ? তাই নিশ্চয়ই আমার পূর্বপুরুষরা আমার মধ্যে একমাত্র অবশিষ্ট আছেআর নিশ্চয়ই একজন মানুষের চাচা তার বাবার মতো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۷۷) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ أَبِی الضُّحَی مُسْلِمِ بْنِ صُبَیْحٍ ، قَالَ : قَالَ الْعَبَّاسُ : یَا رَسُولَ اللہِ إنَّا لَنَرَی وُجُوہَ قَوْمٍ وَقَائِعَ أَوْقَعْتُہَا فِیہِمْ ، فَقَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لَنْ یُصِیبُوا خَیْرًا حَتَّی یُحِبُّوکُمْ لِلَّہِ وَلِقَرَابَتِی ، أتَرْجُو سَلْہَبٌ شَفَاعَتِی ، وَلا یَرْجُوہَا بَنُو عَبْدِ الْمُطَّلِبِ۔ (طبرانی ۱۲۲۲۸)
থেকে বর্ণিতঃ
(32877) হজরত আবু আল-জাহি মুসলিম ইবনে সাবিহ ( রা. ) বলেন , হজরত আব্বাস (রা.) বলেন , হে আল্লাহর রাসূল ( সা . ) ! যখন আমরা মানুষের মুখে অসন্তোষ দেখতে পেলাম , তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন , এরা কখনো ভালোকে গ্রহণ করতে পারে না । হ্যাঁ , আমি তোমাদেরকে আমার আত্মীয়তার কারণে ভালোবাসি , হে সালাহের লোকেরা , তোমরা কি আমার সুপারিশের আশা কর এবং বনু আবদুল মুত্তালিবের লোকেরা করবে না ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۷۸) حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، قَالَ : حدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَۃَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا ثَابِتٌ ، عَنْ أَبِی عُثْمَانَ النَّہْدِیِّ أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ لِلْعَبَّاسِ : ہَلُمَّ ہَاہُنَا فَإِنَّک صِنْوی ۔ (ابن سعد ۲۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৮৭৮) হজরত আবু উসমান আল-নাহদী ( রা. ) বলেন , রাসূলুল্লাহ (সা . ) হজরত আব্বাস (রা.) - কে বলেছেন : হ্যাঁ , এসো , নিশ্চয়ই তুমি (রা.) আমার পিতার মতো হও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۷۹) حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ ، عَنْ زَکَرِیَّا ، عَنْ عَامِرٍ ، قَالَ : انْطَلَقَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَمَعَہُ الْعَبَّاسُ وَکَانَ الْعَبَّاسُ ذَا رَأْیٍ ، فَقَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَیْ عَمِّ إذَا رَأَیْت لِی خَطَأ فَمُرْنِی بِہِ۔ (ابن ابی عاصم ۳۴۹)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৮৭৯) হজরত আমীর (রা.) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) তিশরীফ নিচ্ছিলেন এবং হজরত আব্বাস ( রা.) ও রাসূল ( সা . ) এর সঙ্গে ছিলেন । হজরত আব্বাস ( রা. ) কিছু দেখলেন । তখন নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ হে চাচা জান ! যখন আপনি ( রহঃ ) আমার মধ্যে কোন ভুল দেখবেন , তখন আমাকে বলবেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۸۰) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنِی إسْمَاعِیلُ بْنُ أَبِی خَالِدٍ ، عَنْ شُعَیْبِ بْنِ یَسَارٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، قَالَ : دَعَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ابْنَ عَبَّاسٍ فَأَجْلَسَہُ فِی حِجْرِہِ ، وَمَسَحَ عَلَی رَأْسِہِ وَدَعَا لَہُ بِالْعِلْمِ۔ (ابن ابی عاصم ۲۷۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(32880) হজরত ইকরামা (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) হজরত ইবনে আব্বাস (রা .) - এর জন্য বরকত প্রার্থনা করেছেন । তাই তিনি তাদের কোলে বসালেন এবং তাদের মাথায় হাত রেখে জ্ঞান প্রার্থনা করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۸۱) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ ، عَنْ شُعَیْبِ بْنِ یَسَارٍ ، قَالَ : جَائَ طَیْرٌ أَبْیَضُ فَدَخَلَ فِی کَفَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ حِینَ أُدْرِجَ ، ثُمَّ مَا رُئِیَ بَعْدُ۔ (طبرانی ۱۰۵۸۱۔ حاکم ۵۴۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(32881) হজরত ইসমাইল ( রা .) বলেন , হজরত শোয়াইব ইবনে ইয়াসার ( রা.) বলেন , যখন হজরত ইবনে আব্বাস ( রা. ) - কে কাফন পরানো হলো , তখন একটি সাদা পাখি এসে তাদের কাফনের মধ্যে প্রবেশ করল , এরপর পাখিটি আর কখনোই ছিল না । খাওয়া হয়েছে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۸۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِی حَفْصَۃَ ، عَنْ رَجُلٍ یُقَالُ لَہُ أَبُو کُلْثُومٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ ابْنَ الْحَنَفِیَّۃِ یَقُولُ فِی جِنَازَۃِ ابْنِ عَبَّاسٍ : الْیَوْمَ مَاتَ رَبَّانِیُّ الْعِلْمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৮৮২) হজরত আবু কুলসুম (রা.) বলেন , আমি হজরত ইবনে হানাফী ( রা.) - কে হজরত ইবনে আব্বাস (রা.)-এর জানাজায় দেখেছি । আমি তাকে বলতে শুনেছিঃ আজ নিখুঁত জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তি মারা গেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۸۳) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی الضُّحَی ، عَنْ مَسْرُوقٍ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : لَوْ أَدْرَکَ ابْنُ عَبَّاسٍ أَسْنَانَنَا مَا عَاشَرَہُ مِنَّا رَجُلٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৮৮৩) হজরত মাসরূক (রা.) বলেন , হজরত আবদুল্লাহ (রা.) বলেছেন : ইবনে আব্বাস (রা.) যদি আমাদের সময়ে থাকতেন , তাহলে আমাদের কারো কাছে তাঁর জ্ঞান পৌঁছবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۸۴) حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ مُسْلِمٍ ، عَنْ مَسْرُوقٍ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : نِعْمَ تُرْجُمَانُ الْقُرْآنِ ابْنُ عَبَّاسٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(32884) হজরত মাসরুক (রা.) বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেছেন : ইবনে আব্বাস (রা.) কোরআনের সর্বোত্তম ব্যাখ্যাকারী ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۸۵) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ بَکْرٍ ، عَنْ حَاتِمِ بْنِ أَبِی صَغِیرَۃَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِینَارٍ أَنَّ کُرَیْبًا أَخْبَرَہُ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ : دَعَا لِی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَنْ یَزِیدَنِی اللہ عِلْمًا وَفَہْمًا۔ (احمد ۳۳۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(32885) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন যে , আল্লাহর রাসূল ( সা . ) মৃতদের জন্য দোয়া করতেন , আল্লাহ আমাকে আরও জ্ঞান ও বুঝ দান করুন । এটি বাড়ুক ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۸۶) حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عن زکریا ، عَنْ عَامِرٍ ، قَالَ : دَخَلَ الْعَبَّاسُ عَلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَلَمْ یَرَ عِنْدَہُ أَحَدًا ، فَقَالَ لَہُ ابْنُہُ : لَقَدْ رَأَیْت عِنْدَہُ رَجُلاً ، فَقَالَ الْعَبَّاسُ : یَا رَسُولَ اللہِ زَعَمَ ابْنُ عَمِّکَ أَنَّہُ رَأَی عِنْدَکَ رَجُلاً ، فَقَالَ عَبْدُ اللہِ : نَعَمْ وَالَّذِی أَنْزَلَ عَلَیْک الْکِتَابَ ، قَالَ : ذَاکَ جِبْرِیلُ۔ (طیالسی ۲۷۰۸۔ احمد ۲۹۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৮৮৬) হজরত আমীর (রা.) বলেন যে, হজরত আব্বাস (রা.) রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - এর কাছে এসেছিলেন এবং তিনি ( সা. ) তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন , তিনি কাউকে তাঁর সঙ্গে ঘুমাতে দেননি , যদিও তাঁর ছেলে তাঁকে তাহকীক কামেন বলেছিল একজন মানুষকে তার ( রাঃ ) সাথে ঘুমাতে দিন । তখন হযরত আব্বাস (রাঃ) বললেন , হে আল্লাহর রাসূল! আপনার চাচাতো ভাই বলেছেন যে তিনি আপনাকে ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) একজন পুরুষকে দান করেছেন । তাই হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলতে লাগলেন। হ্যাঁ ! সেই সত্তার কসম যিনি আপনার উপর কিতাব নাযিল করেছেন ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) । তাদের বাধ্য করা হয়েছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۸۷) حَدَّثَنَا سُلَیْمَانُ بْنُ حَرْبٍ قَالَ: حدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَۃَ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ خُثَیْمٍ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: کُنْتُ فِی بَیْتِ مَیْمُونَۃَ ابْنَۃِ الْحَارِثِ فَوَضَعْت لِرَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ طَہُورَہُ ، فَقَالَ : مَنْ وَضَعَ ہَذَا ، فَقَالَتْ مَیْمُونَۃُ : عَبْدُ اللہِ ، فَقَالَ : اللَّہُمَّ فَقِّہْہُ فِی الدِّینِ وَعَلِّمْہُ التَّأْوِیلَ۔ (احمد ۲۳۸)
থেকে বর্ণিতঃ
(32887) হজরত সাঈদ ইবনে জাবায়ের ( রা. ) বলেন , হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , আমি উম্মুল মুমিনীন হযরত মায় মুনা বিনতে আল হারিস (রা. ) - এর ঘরে ছিলাম যে , আমি রাসূলের জন্য ওযু করার জন্য পানি রেখেছিলাম আল্লাহর ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) জিজ্ঞেস করলেনঃ এই পানি কে রেখেছে ? হজরত মাই মুনা ( রা.) বলেন, হে আবদুল্লাহ , আপনি (রাসূলুল্লাহ ( সা . ) সালাত আদায় করেছেন । হে আল্লাহ! তাকে ধর্মের বুঝ দিন এবং ব্যাখ্যা শেখান ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۸۸) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ کُلَیْبٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ عُمَرَ سَأَلَ أَصْحَابَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، عَنْ شَیْئٍ ، قَالَ : فَسَأَلَنِی فَأَخْبَرْتہ ، فَقَالَ : أَعْیَیتمُونِی أَنْ تَأْتُوا بِمِثْلِ مَا أَتَی بِہِ ہَذَا الْغُلامُ الَّذِی لَمْ تَجْتَمِعْ شؤن رَأْسِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(32888) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , হজরত ওমর (রা.) রাসূলুল্লাহ ( সা. ) -এর সাহাবীদেরকে একটি বিষয়ে জিজ্ঞেস করেছিলেন । তারপর তারা আমাকে সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করল , আমি তাদের বললাম , তারপর তারা বলতে শুরু করল। আপনারা আমাকে এমন একটি সন্তানের জন্ম দেওয়ার জন্য দোষারোপ করছেন যার মাথার হাড় এখনও জোড়া হয়নি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۸۹) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ إدْرِیسَ ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ بْنِ سُوَیْد ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ یَزِیدَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : قَالَ لِی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إِذْنُک عَلَی أَنْ تَرْفَعَ الْحِجَابَ ، وَأَنْ تَسْمَعَ سِوَادِی حَتَّی أَنْہَاک۔ (مسلم ۱۷۰۸۔ ابن ماجہ ۱۳۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৮৮৯) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) আমাকে বলেছেন : তোমার অনুমতি শুধু আমার ঘরে আসার জন্য , পর্দা উঠিয়ে দাও এবং আমার আওয়াজ শুনে চলে যাও যতক্ষণ না আমি তোমাকে নিষেধ করি .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۹۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الْمَسْعُودِیُّ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ عُمَیْرٍ ، عَنْ أَبِی الْمَلِیحِ الْہُذَلِیِّ ، قَالَ : کَانَ عَبْدُ اللہِ یَسْتُرُ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إذَا اغْتَسَلَ ، وَیُوقِظُہُ إذَا نَامَ ، وَیَمْشِی مَعَہُ فِی الأَرْضِ وَحْشًا۔ (ابن سعد ۱۵۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৮৯০) হজরত আবুল আল -লাইহ আল- হাযলী ( রা . ) বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ ( রা . ) যখন গোসল করতেন এবং রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - কে জাগাতেন তখন তিনি পর্দা করতেন তাঁর উপর ) যখন তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ঘুমিয়ে পড়তেন এবং তিনি একটি নিয়ে যেতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۹۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الْمَسْعُودِیُّ ، عَنْ عَیَّاشٍ الْعَامِرِیِّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ شَدَّادٍ الْکِنَانِیِّ ، قَالَ : کَانَ ابْنَ مَسْعُودٍ صَاحِبُ الْوِسَادِ وَالسِّوَاکِ۔ (ابن سعد ۱۵۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(32891) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে শাদ্দাদ কানানী ( রা .) বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ ( রা. ) রাসূলুল্লাহ ( সা. ) - এর গোপন বাহক ছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۹۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الْمَسْعُودِیُّ ، عَنِ القاسم ، قَالَ : کَانَ عَبْدُ اللہِ یُلْبِسُ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ نَعْلَیْہِ وَیَمْشِی أَمَامَہُ۔ (ابن سعد ۱۵۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৮৯২) হজরত কাসিম (রা.) বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) রাসূলুল্লাহ ( সা. ) - এর গায়ে জুতা পরাতেন এবং তিনি ( সা. ) তাঁর সামনে দিয়ে হাঁটতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۹۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ الْحَارِثِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لَوْ کُنْتُ مُسْتَخْلِفًا عَنْ غَیْرِ مَشُورَۃٍ لاسْتَخْلَفْت ابْنَ أُمِّ عَبْدٍ۔ (ترمذی ۳۸۰۹۔ احمد ۷۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৮৯৩) হযরত আলী ( রাঃ) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ ( সাঃ ) বলেছেনঃ আমি যদি তার সাথে পরামর্শ না করে কাউকে খলিফা নিযুক্ত করি , তবে ইবনে তিনি উম্মে আবদ (রাঃ) কে খলীফা বানাবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۹۴) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، قَالَ : حدَّثَنِی زَائِدَۃُ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ أَبِی النَّجُودِ ، عَنْ زِرٍّ ، قَالَ : جَعَلَ الْقَوْمُ یَضْحَکُونَ مِمَّا تَصْنَعُ الرِّیحُ بِعَبْدِ اللہِ تکفتہ ، قَالَ : فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لَہُوَ أَثْقَلُ عِنْدَ اللہِ یَوْمَ الْقِیَامَۃِ مِیزَانًا مِنْ أُحُدٍ۔ (ابوداؤد ۳۵۵۔ احمد ۳۲۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৮৯৪) হজরত আসিম ইবনে আবি আল -নুজুদ (রহ.) বলেন যে, হজরত জার ইবনে হাবিশ ( রা. ) বলেছেন : লোকেরা হাসাহাসি করত যখন বাতাস প্রবাহিত হয় , তখন হজরত আবদুল্লাহ ( রা.) উল্টে যায় । তাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কোন সন্দেহ নেই এ জাতির দিন আল্লাহর পাল্লা উহুদ পাহাড়ের চেয়েও ভারী হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۸۹۵) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی عُبَیْدَۃَ ، قَالَ : حدَّثَنَا أَبِی ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنِ الْعَلائِ بْنِ بَدْرٍ ، عَنْ تَمِیمِ بْنِ حَذْلَمَ ، قَالَ : قَدْ جَالَسْت أَصْحَابَ مُحَمَّدٍ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَأَبَا بَکْرٍ وَعُمَرَ فَمَا رَأَیْت أحدا أَزْہَدَ فِی الدُّنْیَا، وَلا أَرْغَبَ فِی الآخِرَۃِ، وَلا أَحَبَّ إلَیَّ أَنْ أَکُونَ فِی مِسْلاَخِہِ یَوْمَ الْقِیَامَۃِ مِنْک یَا عَبْدَاللہِ بْنَ مَسْعُودٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৮৯৫) হজরত তামিম বিন হাজলাম ( রা . ) বলেন, আমি মুহাম্মদ ( সা . ) - এর অনেক সাহাবীর মজলিস বেছে নিয়েছি । হজরত আবু বকর (রা . ) ও হজরত ওমর ( রা . ) - এর চেয়ে আমি ইবন মাসউদ ( রা . ) - এর চেয়ে দুনিয়া ও আখেরাতের প্রতি বিদ্বেষপূর্ণ কাউকে দেখিনি । হে আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ), আমি পছন্দ করি না যে আমি তোমাকে (রাঃ) ছেড়ে জাতির দিবসে তাদের সাথে থাকি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৮৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস