
(۳۲۷۱۶) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، قَالَ : حدَّثَنَا ہِشَامٌ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِیرِینَ ، عَنْ عُقْبَۃَ بْنِ أَوْسٍ السَّدُوسِیِّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ ، قَالَ : یَکُونُ فِی ہَذِہِ الأُمَّۃِ اثْنَا عَشَرَ خَلِیفَۃً : أَبُو بَکْرٍ أَصَبْتُمَ اسْمَہُ ، وَعُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ قَرْنٌ مِنْ حَدِیدٍ أَصَبْتُمَ اسْمَہُ ، وَعُثْمَان بْنُ عَفَّانَ ذُو النُّورَیْنِ أُوتِیَ کِفْلَیْنِ مِنَ الرَّحْمَۃِ ، قُتِلَ مَظْلُومًا ، أَصَبْتُمَ اسْمَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(32716) হজরত উকবা বিন আউস আল-সাদ্দুস ( রা. ) বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) বলেছেন : এই উম্মাতে বারো (১২) জন খলিফা হবেন । আবু বকর ( রা. ) আপনি তার নাম নিশ্চিত করেছেন । আর উমর বিন খাত্তাব (রাঃ) যিনি হবেন অত্যন্ত বিশ্বস্ত। আপনারা লোকেরা তার নামের নিশ্চিতকরণ পেয়েছেন এবং উসমান বিন আফফান ( রা . ) জুল নুরীন জিন্নাহকে রহমতের দুটি দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে । এবং তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় . আপনারা মানুষ তার নামের কোন নিশ্চিতকরণ পেয়েছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۱۷) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ مُجَمِّعٍ ، قَالَ : دَخَلَ عَبْدُ الرَّحْمَن بْنُ أَبِی لَیْلَی عَلَی الْحَجَّاجِ ، فَقَالَ لِجُلَسَائِہِ : إذَا أَرَدْتُمْ أَنْ تَنْظُرُوا إِلَی رَجُلٍ یَسُبُّ أَمِیرَ الْمُؤْمِنِینَ عُثْمَانَ فَہَذَا عِنْدَکُمْ ، یَعْنِی عَبْدَ الرَّحْمَن ، فَقَالَ عَبْدُ الرَّحْمَن : مَعَاذَ اللہِ أَیُّہَا الأَمِیرُ أَنْ أَکُونَ أَسُبُّ عُثْمَانَ إِنَّہُ لَیَحْجِزُنِی ، عَنْ ذَلِکَ آیَۃٌ فِی کِتَابِ اللہِ ، قَالَ اللَّہُ : {لِلْفُقَرَائِ الْمُہَاجِرِینَ الَّذِینَ أُخْرِجُوا مِنْ دِیَارِہِمْ وَأَمْوَالِہِمْ یَبْتَغُونَ فَضْلاً مِنَ اللہِ وَرِضْوَانًا وَیَنْصُرُونَ اللَّہَ وَرَسُولَہُ أُولَئِکَ ہُمَ الصَّادِقُونَ} ، فَکَانَ عُثْمَان مِنْہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(32717) হজরত মাজমা (রা.) বলেন , হজরত আবদ আল-রহমান ইবনে আবিল লায়লা ( রা. ) হাজ্জাজ ইবনে ইয়া ওয়াসুফের সঙ্গে দেখা করতে গেলেন এবং তিনি তার সঙ্গীদের বললেন , যদি তোমরা এমন ব্যক্তিকে দেখতে চাও যে সেনাপতিকে অপমান করে। বিশ্বস্ত হজরত উসমান ( রা . ) তাহলে এই ব্যক্তি আবদুল রহমান আপনার সঙ্গে আছেন , তাহলে তাকে দেখান । তখন হযরত আব্দুর রহমান (রাঃ ) বললেন , হে আমীর ! আল্লাহ আমাকে হযরত উসমান (রাঃ) কে অপমান করা থেকে রক্ষা করুন । নিঃসন্দেহে আল্লাহর কিতাবে পাওয়া এই বরকতময় আয়াতটি আমাকে এ কাজ থেকে বিরত রেখেছে এবং আমাকে নিরাপদ রেখেছে । আল্লাহ বলেছেন : ( অনুবাদ : সেই সম্পদও ) দরিদ্র মুহাজিরদের জন্য যারা তাদের বাড়িঘর এবং তাদের সম্পত্তি থেকে বিতাড়িত হয়েছে । যারা আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনা করে এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে সাহায্য করে , এরাই প্রকৃত মানুষ ) হজরত উসমান (রা. ) ছিলেন তাদের একজন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۱۸) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ الْحُبَابِ ، قَالَ : حدَّثَنِی ابْنُ لَہِیعَۃَ ، قَالَ : حَدَّثَنِی یَزِیدُ بْنُ عَمْرٍو الْمَعَافِرِیُّ ، قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا ثَوْرٍ الْفَہْمِیَّ یَقُولُ : قَدِمَ عَبْدُ الرَّحْمَن بْنُ عُدَیْسٍ الْبَلَوِیُّ وَکَانَ مِمَّنْ بَایَعَ تَحْتَ الشَّجَرَۃِ فَصَعِدَ الْمِنْبَرَ فَحَمِدَ اللَّہَ وَأَثْنَی عَلَیْہِ ، ثُمَّ ذَکَرَ عُثْمَانَ ، فَقَالَ أَبُو ثَوْرٍ : فَدَخَلْتُ عَلَی عُثْمَانَ وَہُوَ مَحْصُورٌ ، فَقُلْتُ : إنَّ فُلاَنًا ذَکَرَ کَذَا وَکَذَا ، فَقَالَ عُثْمَان : وَمِنْ أَیْنَ وَقَدِ اخْتَبَأْتُ عِنْدَ اللہِ عَشْرًا : إنِّی لَرَابِعُ الإسْلاَمِ، وَقَدْ زَوَّجَنِی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ابْنَتَہُ ، ثُمَّ ابْنَتَہُ ، وَقَدْ بَایَعْت رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِیَدِی ہَذِہِ الْیُمْنَی فَمَا مَسِسْتُ بِہَا ذَکَرِی ، وَلاَ تَغَنَّیْتُ ، وَلاَ تَمَنَّیْت ، وَلاَ شَرِبْت خَمْرًا فِی جَاہِلِیَّۃٍ ، وَلاَ إسْلاَمٍ ، وَقَدْ قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ یَشْتَرِی ہَذِہِ الزَّنقَۃَ ، وَیَزِیدُہَا فِی الْمَسْجِدِ لَہُ بَیْتٌ فِی الْجَنَّۃِ ، فَاشْتَرَیْتہَا وَزِدْتہَا فِی الْمَسْجِدِ۔ (ابن ابی عاصم ۱۳۰۸)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৭১৮) হযরত ইয়াযীদ বিন আমর আল-মুদ্দাইন ( রহঃ ) বলেন যে, হযরত আবু থর আল-ফাম ( রাঃ ) বলেছেনঃ আবদ আল-রহমান বিন উদাইস , যারা গাছের নিচে বাইয়াত করেছিল , সে বালাউয়াদের কাছে এসে মিম্বরে আরোহণ করলেন : হামদু সানার পর তিনি হযরত উসমান ( রা. )- এর কথা উল্লেখ করলেন । তাই হজরত আবু থর (রা.) বলেন যে , অবরোধের সময় আমি হজরত উসমান (রা.) - এর কাছে এসে বললাম , অমুক ব্যক্তি আপনার ( রা . ) সম্পর্কে বলছেন । তখন হজরত উসমান (রা . ) বললেন , কার কাছ থেকে এমন কাজ করা যায় ? যদিও আমি আল্লাহ দশটি বৈশিষ্ট্য রেখেছেন অর্থাৎ আমি চতুর্থ ব্যক্তি যিনি ইসলাম গ্রহণ করেছেন । আর তাহকীক রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাঁর এক কন্যাকে আমার সাথে বিবাহ করলেন , তারপর তিনি অন্য কন্যাকে বিয়ে করলেন এবং তাহকীক আমি আমার এই ডান হাত দিয়ে রাসূলুল্লাহর ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কাছে বাইয়াত করলাম , তারপর আর কখনও করিনি এটা দিয়ে আমার গোপনাঙ্গ স্পর্শ . আর আমি কখনো প্রেম করিনি . আর আমি কখনোই এই কামনা করিনি আর আমি জাহিলিয়াতের যুগে বা ইসলামের যুগেও মদ পান করিনি ।আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , যে ব্যক্তি এই রাস্তার একটি অংশ ক্রয় করে তা দিয়ে মসজিদ প্রশস্ত করবে , তার জন্য কি আমার ঘর বেহেশতে হবে ? তাই আমি এই জায়গাটি কিনে মসজিদটি প্রসারিত করেছি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۱۹) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا مِسْعَرٌ ، قَالَ : حَدَّثَنِی عَبْدُ الرَّحْمَن بْنُ مِلْحَانَ ، قَالَ : ذُکِرَ عِنْدَ ابْنِ عُمَرَ عُثْمَان ، وَعُمَرُ ، فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ : أَرَأَیْتَ لَوْ کَانَ لَکَ بَعِیرَانِ أَحَدُہُمَا قَوِیٌّ ، وَالآخَرُ ضَعِیفٌ أَکُنْتَ تَقْتُلُ الضَّعِیفَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(32719) হজরত মাসআর (রা.) বলেন , হজরত আবদ আল-রহমান বিন মুলহান (রা.) বলেন , হজরত উসমান (রা.) ও হজরত ওমর (রা.) যখন জেগে উঠলেন, তখন তার সামনে হজরত উসমান (রা.) এর কথা বলা হলো তিনি (রাঃ) বললেনঃ তোমার কাছে যদি দুটি উট থাকে , তার মধ্যে একটি শক্তিশালী এবং অপরটি দুর্বল , তাহলে তুমি কি একটি দুর্বল উটকে হত্যা করবে ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۲۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ أَبِی سَلْمَانَ ، قَالَ : سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ ، عَنْ عُثْمَانَ ، فَقَالَ مِسْعَرٌ : إمَا قَالَ: تَحْسَبُہُ ، أَوَ قَالَ : نَحْسَبُہُ مِنْ خِیَارِنَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(32720) হজরত মাসআর (রা.) বলেন , হজরত আবু সুলাইমান ( রা.) বলেন , আমি হজরত ইবনে ওমর (রা.)-কে হজরত উসমান ( রা .) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম । বর্ণনাকারী বলেন যে, তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আপনি তাকে আমাদের মধ্যে সর্বোত্তম মনে করেছেন । তিনি বললেনঃ আমরা তাকে আমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ও শ্রেষ্ঠ মনে করতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۲۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ عُمَیْرٍ ، عَنْ کُلْثُومٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ ابْنَ مَسْعُودٍ یَقُولُ : مَا أُحِبُّ أَنِّی رَمَیْت عُثْمَانَ بِسَہْمٍ ، قَالَ مسعر : أُرَاہُ أَرَادَ قَتْلَہُ ، وَلاَ أَنَّ لِی مِثْلَ أُحُدٍ ذَہَبًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(32721) হজরত কুলসুম (রা.) বলেন , হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) বলতেন : আমি পছন্দ করিনি যে , হজরত উসমান ( রা .) - কে হত্যার উদ্দেশ্যে হত্যা করা হোক , যদিও আমি সোনা পাই উহুদ পর্বতের সমান ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۲۲) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ الأَسَدِیُّ ، عَنِ الأَوْزَاعِیِّ ، عَنْ حَسَّانَ بْنِ عَطِیَّۃَ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ لِعُثْمَانَ : غَفَرَ اللَّہُ لَکَ مَا قَدَّمْت ، وَمَا أَخَّرْت ، وَمَا أَسْرَرْت ، وَمَا أَعْلَنْت ، وَمَا أَخْفَیْت ، وَمَا أَبْدَیْت ، وَمَا ہُوَ کَائِنٌ إِلَی یَوْمِ الْقِیَامَۃِ۔ حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو بَکْر عَبْدُ اللہِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِی شَیْبَۃَ قَالَ :
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৭২২) হজরত হাসান ইবনে আতিয়াহ ( রা. ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা. ) হজরত উসমান ( রা . ) কে বললেন । আল্লাহ আপনার গুনাহ মাফ করুন যা আপনি আগে করেছেন এবং যা আপনি পরে করবেন এবং আপনি যা গোপনে করেছেন এবং আপনি যা প্রকাশ্যে করেছেন । এবং আপনি যা গোপন করেছেন এবং যা প্রকাশ করেছেন এবং কেয়ামত পর্যন্ত আপনি যা করবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۲۳) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ ، قَالَ : حَدَّثَنِی أَبُو عَوْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ حَاطِبٍ ، قَالَ : ذُکِرَ عُثْمَان ، فَقَالَ الْحَسَنُ بْنُ عَلِیٍّ : ہَذَا أَمِیرُ الْمُؤْمِنِینَ یَأْتِیکُمَ الآنَ فَیُخْبِرُکُمْ ، قَالَ : فَجَائَ عَلِیٌّ ، فَقَالَ : کَانَ عُثْمَان مِنَ الَّذِینَ {آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ ثُمَّ اتَّقَوْا وَآمَنُوا ثُمَّ اتَّقَوْا وَأَحْسَنُوا وَاللَّہُ یُحِبُّ الْمُحْسِنِینَ} حَتَّی أَتَمَّ الآیَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(32723) হজরত মুহাম্মদ বিন হাতিব (রা.) বলেন, হজরত উসমান ( রা .)-এর কথা বলা হলে , হজরত হাসান ইবনে আলী ( রা . ) বললেন , ইয়া আমির আল - মুমিন ( রা ) আপনার কাছে এলে তাদের সম্পর্কে জানাবেন . বর্ণনাকারী বলেনঃ তাই হযরত আলী ( রাঃ ) তিশরীফ নিয়ে এলেন । এবং তিনি বললেনঃ হযরত উসমান (রাঃ) সেই লোকদের একজন ছিলেন , তারপর তিনি এই আয়াতটি পূর্ণ পাঠ করলেন । অনুবাদ: ঐ লোকেরা ঈমানে অবিচল ছিল এবং সৎকাজ করেছে, তারপর হারাম জিনিস পরিহার করেছে এবং আল্লাহর হুকুম পালন করেছে , তারপর তাকওয়া অবলম্বন করেছে এবং সৎকাজ করেছে । আর যারা ভালো কাজ করে আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۲۴) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو ، عَنْ أَبِی سَلَمَۃَ ، قَالَ : قَالَ نَافِعُ بْنُ عَبْدِ الْحَارِثِ : دَخَلَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ حَائِطًا مِنْ حِیطَانِ الْمَدِینَۃِ ، وَقَالَ لِی : أَمْسِکْ عَلَی الْبَاب ، فَجَائَ حَتَّی جَلَسَ عَلَی الْقُفِّ وَدَلَّی رِجْلَیْہِ فِی الْبِئْرِ فَضُرِبَ الْبَابُ ، فَقُلْتُ : مَنْ ہَذَا ؟ قَالَ : أَبُو بَکْرٍ ، قُلْتُ : یَا رَسُولَ اللہِ ہَذَا أَبُو بَکْرٍ ، فَقَالَ : ائْذَنْ لَہُ وَبَشِّرْہُ بِالْجَنَّۃِ ، قَالَ : فَأَذِنْت لَہُ وَبَشَّرْتُہُ بِالْجَنَّۃِ ، فَجَائَ فَجَلَسَ مَعَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عَلَی الْقُفِّ وَدَلَّی رِجْلَیْہِ فِی الْبِئْرِ ، ثُمَّ ضُرِبَ الْبَابُ ، فَقُلْتُ : مَنْ ہَذَا ، قَالَ : عُمَرُ ، قُلْتُ : یَا رَسُولَ اللہِ ہَذَا عُمَرُ ، فَقَالَ : ائْذَنْ لَہُ وَبَشِّرْہُ بِالْجَنَّۃِ ، قَالَ : فَأَذِنْت لَہُ وَبَشَّرْتُہُ بِالْجَنَّۃِ فَجَائَ فَجَلَسَ مَعَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عَلَی الْقُفِّ وَدَلَّی رِجْلَیْہِ فِی الْبِئْرِ ، ثُمَّ ضُرِبَ الْبَابُ فَقُلْتُ : مَنْ ہَذَا ، قَالَ : عُثْمَان ، قُلْتُ : یَا رَسُولَ اللہِ ہَذَا عُثْمَان ، قَالَ : ائْذَنْ لَہُ وَبَشِّرْہُ بِالْجَنَّۃِ مَعَ بَلاَئٍ ، قَالَ : فَأَذِنْتُ لَہُ وَبَشَّرْتُہُ بِالْجَنَّۃِ فَدَخَلَ فَجَلَسَ مَعَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عَلَی الْقُفِّ وَدَلَّی رِجْلَیْہِ فِی الْبِئْرِ۔ (ابوداؤد ۵۱۴۶۔ احمد ۵۱۴۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৭২৪ ) হজরত নাফি ইবনে হারিস (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) মদীনার বাগান থেকে এ বাগানে প্রবেশ করে আমাকে বললেন , আমার ওপর দরজা বন্ধ করে দাও । অতঃপর তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কূপের চারপাশে নির্মিত মন্দিরে বসলেন এবং তাঁর উভয় পা কূপের মধ্যে রাখলেন । দরজাটা বেজে উঠতেই জিজ্ঞেস করলাম : কে ? তিনি বললেনঃ আমি আবু বকর রা. আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ ! ইনি হলেন আবু বকর (রাঃ ) । তখন তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তাদেরকে অনুমতি দাও এবং জান্নাতের সুসংবাদ দাও । অতঃপর তারা এসে রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর সাথে কূপের মন্দিরে বসলেন এবং তিনিও তাঁর উভয় পা কুয়ায় ডুবিয়ে দিলেনতারপর দরজা বেজে উঠল। আমি জিজ্ঞেস করলাম : এই ব্যক্তি কে ? তিনি বললেনঃ আমি উমর রা. আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ ! ইনি ওমর ( রাঃ ) । তখন তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তাদেরকেও অনুমতি দাও এবং তাদেরকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও । বর্ণনাকারী বলেন , আমি তাদের আসতে অনুমতি দিয়েছিলাম এবং স্বর্গের সুসংবাদও জানিয়েছিলামঅতঃপর তিনি গিয়ে রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর সাথে কূপের মন্দিরে বসলেন এবং তিনিও তাঁর উভয় পা কূপে ডুবিয়ে দিলেন তারপর দরজা বেজে উঠল। আমি জিজ্ঞেস করলাম : কোন ব্যক্তি? বলতে লাগলেন! আমি উসমান (রাঃ)। আমি জমা দেওয়া ইয়া রাসূলাল্লাহ! ইনি উসমান ( রাঃ ) । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তাদেরকেও অনুমতি দিন । আর বেহেশতের সুসংবাদ দাও । পরীক্ষা দিয়ে। বর্ণনাকারী বলেন , আমিও তাদের অনুমতি দিয়েছিলাম এবং বেহেশতের সুসংবাদ জানিয়েছিলাম ।অতঃপর তারা প্রবেশ করে কূপের মাজারে রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর সাথে বসল এবং তাদের উভয় পা কুয়ায় ঝুলিয়ে রাখল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۲۵) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا سُفْیَانُ بْنُ حُسَیْنٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : لَمَّا عَرَضَ عُمَرُ ابْنَتَہُ عَلَی عُثْمَانَ ، قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَلاَ أَدُلُّ عُثْمَانَ عَلَی مَنْ ہُوَ خَیْرٌ مِنْہَا ، وَأَدُلُّہَا عَلَی مَنْ ہُوَ خَیْرٌ لَہَا مِنْ عُثْمَانَ ، قَالَ : فَتَزَوَّجَہَا رَسُولُ اللہِ وَزَوَّجَ عُثْمَانَ ابْنَتَہُ۔ (حاکم ۱۰۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( 32725) হজরত সুফীন ইবনে হুসাইন ( রা. ) বলেন , হজরত হাসান (রা.) বলেন , যখন হজরত ওমর (রা. ) তার ছেলে উসমান ( রা . ) কে বললেন , তখন রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বললেন : উসমানের চেয়ে উত্তম ব্যক্তিকে আমি কেন পথ দেখাব না ? আর উসমানের জন্য এই মহিলার চেয়ে উত্তম কোন মহিলার কাছে আমি তাকে পথ দেখাব না । বর্ণনাকারী বলেন . তাই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ব্যক্তিগতভাবে হজরত ওমর ( রা . ) - কে বিয়ে করেন । আর হজরত উসমান ( রা . ) তার স্ত্রীকে বিয়ে করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۲۶) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ أَنَّہُ ذُکِرَ عِنْدَہُ عُثْمَان ، فَقَالَ رَجُلٌ : إِنَّہُمْ یَسُبُّونَہُ ، فَقَالَ : وَیْحَہُمْ یَسُبُّونَ رَجُلاً دَخَلَ عَلَی النَّجَاشِیِّ فِی نَفَرٍ مِنْ أَصْحَابِ محمد صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَکُلُّہُمْ أَعْطَی الْفِتْنَۃَ غَیْرَہُ ، قَالُوا : وَمَا الْفِتْنَۃُ الَّتِی أَعْطَوْہَا ، قَالَ : کَانَ لاَ یَدْخُلُ عَلَیْہِ أَحَدٌ إلاَّ أَوْمَأَ إلیہ بِرَأْسِہِ فَأَبَی عُثْمَان ، فَقَالَ : مَا مَنَعَک أَنْ تَسْجُدَ کَمَا سَجَدَ أَصْحَابُک ، فَقَالَ : مَا کُنْتُ لأَسْجُدَ لأَحَدٍ دُونَ اللہِ عَزَّ وَجَلَّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(32726) হজরত আসিম (রা.) বলেন যে, হজরত ইবনে সিরীন ( রা. ) - এর কাছে হজরত উসমান ( রা.)-এর কথা বলা হলে তিনি তাঁকে একজন মানুষ বলা শুরু করেন । আসলে , মানুষ তাদের গালি দিচ্ছে ! তখন তিনি ( রাঃ ) বললেনঃ মৃত্যু তাদের জন্য যারা অপবিত্র বাদশাহ মুহাম্মাদ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর উপর প্রবেশ করেছে , যার মধ্যে তারা সবাই পড়েছিল প্রলোভন ! লোকেরা জিজ্ঞেস করলোঃ ঐ লোকেরা কোন ফিতনায় পড়েছিল ? তিনি (রাঃ) বললেনঃ যে কেউ এই বাদশাহের কাছে প্রবেশ করবে , তিনি মাথা নত করে সালাম দিতেন। হজরত উসমান ( রা . ) তা করতে অস্বীকৃতি জানালে এই বাদশাহ জিজ্ঞেস করলেন , তোমার সাথীদের মতো সেজদা করতে তোমাকে কিসে বাধা দিল ? তখন তিনি ( রহঃ ) বললেনঃ আমি মহান আল্লাহ ছাড়া কাউকে সিজদা করি না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۲۷) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ وَوَکِیعٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عَدِیِّ بْنِ ثَابِتٍ ، عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَیْشٍ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ أَبِی طَالِبٍ ، قَالَ : وَالَّذِی فَلَقَ الْحَبَّۃَ وَبَرَأَ النَّسَمَۃَ إِنَّہُ لَعَہْدُ النَّبِیِّ الأُمِّیِّ إلَیَّ أَنَّہُ لاَ یُحِبُّنِی إلاَّ مُؤْمِنٌ ، وَلاَ یُبْغِضُنِی إلاَّ مُنَافِقٌ۔ (احمد ۹۵۔ ابن حبان ۶۹۲۴)
থেকে বর্ণিতঃ
( 32727 ) হজরত জার বিন হাবিশ ( রা . ) বলেন , হজরত আলী ( রা . ) বলেছেন : সেই সত্তার কসম , যিনি শস্য বিভক্ত করে মানুষকে জন্ম দিয়েছেন আর মুনাফিক আমাকে ঘৃণা করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۲۸) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ وَوَکِیعٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَیْدَۃَ ، عَنِ ابْنِ بُرَیْدَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ کُنْتُ وَلِیَّہُ فَعَلِیٌّ وَلِیُّہُ۔ (احمد ۳۵۰۔ بزار ۲۵۳۵)
থেকে বর্ণিতঃ
( 32728 ) হজরত বারিদাহ ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : আমি আলীর বন্ধু ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۲۹) حَدَّثَنَا جَرِیرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِیدِ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ أُمِّ مُوسَی ، عَنْ أُمِّ سَلَمَۃَ ، قَالَتْ : وَالَّذِی أَحْلِفُ بِہِ إِنْ کَانَ عَلِیٌّ لأَقْرَبَ النَّاسِ عَہْدًا بِرَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَتْ : عُدْنَا رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَوْمَ قُبِضَ فِی بَیْتِ عَائِشَۃَ فَجَعَلَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ غَدَاۃً بَعْدَ غَدَاۃٍ یَقُولُ : جَائَ عَلِیٌّ؟ مِرَارًا ، قَالَتْ : وَأَظُنُّہُ کَانَ بَعَثَہُ فِی حَاجَۃٍ ، قَالَتْ : فَجَائَ بَعْدُ فَظَنَنَّا أَنَّ لَہُ إلَیْہِ حَاجَۃً ، فَخَرَجْنَا مِنَ الْبَیْتِ فَقَعَدْنَا بِالْبَابِ ، فَکُنْت مِنْ أَدْنَاہُمْ مِنَ الْبَابِ ، فَأَکَبَّ عَلَیْہِ عَلِیٌّ فَجَعَلَ یُسَارُّہُ وَیُنَاجِیہِ ، ثُمَّ قُبِضَ مِنْ یَوْمِہِ ذَلِکَ ، فَکَانَ أَقْرَبَ النَّاسِ بِہِ عَہْدًا۔ ئنسائی ۷۱۰۸۔ طبرانی ۸۸۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৭২৯ ) হজরত উম্মে মূসা ( রা.) বলেন , হজরত উম্মে সালামা (রা.) বলেছেন : আমি শপথ করে বলছি যে, হযরত আলী ( রা . ) মানুষের মধ্যে সর্বোত্তম ছিলেন , তিনি রাসূলুল্লাহ ( সা . ) -এর নিকটবর্তী ছিলেন ) চুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে । তুমিই বলো . যেদিন তিনি হযরত আয়েশা ( রাঃ ) -এর ঘরে ইন্তেকাল করেন , সেদিন আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর জন্য দোয়া করছিলাম । তাই রাসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) সকালে একটু পর পর বারবার বলতেনঃ আলী ( রাঃ ) কি ঘুম থেকে উঠলেন ? আপনি (রহঃ ) একথা বলেছেন । আমি ভেবেছিলাম যে আপনি ( সা . ) রাসুল ( সাঃ ) তাদের কিছু করেননি । অতঃপর তারা কিছুক্ষণের জন্য আমাদের কাছে আসলে আমরা অনুভব করলাম যে আপনার ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাদের সাথে কিছু করার আছে , তাই আমরা ঘর থেকে বের হয়ে দরজার কাছে গেলাম । তাই তাদের সবার মধ্যে আমি ছিলাম দরজার সবচেয়ে কাছের . তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) হযরত আলী ( রাঃ ) -কে নিজের দিকে টেনে আনলেন এবং তাঁর কাছে ফিসফিস করতে থাকলেন । তারপর একই দিনে তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ইন্তেকাল করেন । সুতরাং আপনি (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সবচেয়ে বেশি অঙ্গীকারের দিক থেকে তাঁর ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) নিকটতম ছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۳۰) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ، عَنْ عَطَائِ بْنِ السَّائِبِ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَیْدَۃَ ، قَالَ: سَأَلَ رَجُلٌ ابْنَ عُمَرَ ، فَقَالَ: أَخْبِرْنِی، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : إذَا أَرَدْت أَنْ تَسْأَلَ عَنْ عَلِیٍّ فَانْظُرْ إِلَی مَنْزِلِہِ مِنْ مَنْزِلِ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ہَذَا مَنْزِلُہُ وَہَذَا مَنْزِلُ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ : فَإِنِّی أَبْغَضُہُ ، قَالَ : فَأَبْغَضَک اللَّہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(32730) হজরত সাদ ইবনে উবাইদাহ ( রা. ) বলেন , এক ব্যক্তি হজরত ইবনে ওমর (রা. ) -কে জিজ্ঞেস করলেন , আপনি (রা.) আমাকে হযরত আলী ( রা .) সম্পর্কে অবহিত করেন । তিনি (রাঃ) বললেনঃ যদি তুমি হযরত আলী (রাঃ ) সম্পর্কে কিছু জিজ্ঞেস করতে চাও , তাহলে রাসূলুল্লাহ ( সাঃ ) এর ঘরের নিকটে যাও এটি তাদের ঘর এবং এটি আল্লাহর রাসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর ঘর । লোকটি বললঃ আমি তাদের ঘৃণা করি ! তিনি (রাঃ) বললেনঃ তাহলে আল্লাহও তোমাকে ঘৃণা করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۳۱) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، عَنْ أَبِی الْبَخْتَرِیِّ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : بَعَثَنِی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إِلَی أَہْلِ الْیَمَنِ لأَقْضِیَ بَیْنَہُمْ ، فَقُلْتُ : یَا رَسُولَ اللہِ ، إنِّی لاَ عِلْمَ لِی بِالْقَضَائِ ، قَالَ : فَضَرَبَ بِیَدِہِ عَلَی صَدْرِی ، فَقَالَ : اللَّہُمَّ اہْدِ قَلْبَہُ وَسَدِّدْ لِسَانَہُ ، فَمَا شَکَکْت فِی قَضَائٍ بَیْنَ اثْنَیْنِ حَتَّی جَلَسْتُ مَجْلِسِی ہَذَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৭৩১) হযরত আলী ( রাঃ ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাঃ ) আমাকে ইয়েমেনের লোকদের কাছে পাঠাতে চেয়েছিলেন যাতে আমি তাদের মধ্যে বিচার করতে পারি । তখন আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি কাযা সম্পর্কে কিছু জানি না , তিনি (রাঃ ) বলেনঃ তিনি ( রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমার বুকে হাত মারলেন এবং দোয়া করলেন হে আল্লাহ! তার হৃদয়কে গাইড করুন । এবং তার জিহ্বা সোজা . তাই দুটি বন্ডের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়ে আমার কোনো সন্দেহ ছিল না আজও এই জায়গায় বসে আছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۳۲) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، عَنْ أَبِی الْبَخْتَرِیِّ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالُوا : لَہُ : أَخْبِرْنَا عَنْ نَفْسِکَ ، قَالَ : کُنْتُ إذَا سَأَلْتُ أُعْطِیت وَإِذَا سَکَتّ ابْتُدِئْت۔ (نسائی ۸۵۰۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(32732) হজরত আমর বিন মারাহ (রা.) বলেন , হজরত আবুল বাখতি ( রা.) বলেন , লোকেরা হযরত আলী ( রা. )-কে বলল, আপনি (রা.) আপনার সম্পর্কে বলুন কি আমি ভুল করছি ? তিনি (রাঃ) বললেনঃ আমি যখন কিছু চাইতাম, তখন তা আমাকে দেওয়া হত । আর যখন আমি চুপ ছিলাম , তখন আমার সাথে শুরু হয়েছিল .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۳۳) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ عَوْفٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَمْرِو ابْنِ ہِنْدٍ الْجَمَلِیِّ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : کُنْتُ إذَا سَأَلْت رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَعْطَانِی ، وَإِذَا سَکَتّ ابْتَدَأَنِی۔ (ترمذی ۳۷۲۲۔ حاکم ۱۲۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(32733) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে হিন্দ আল-জামলী ( রা. ) বলেন , হজরত আলী ( রা. ) বলেছেন , রাসূলুল্লাহ ( সা. ) কখন জিজ্ঞেস করতেন , আমি যদি কিছু চাইতাম , আপনি তা দিতেন ? আমাকে . আর আমি যখন চুপ থাকতাম , সে আমাকে দিয়ে শুরু করত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۳۴) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ حُبْشِیِّ بْنِ جُنَادَۃَ ، قَالَ : قلْت لَہُ : یَا أَبَا أسْحَاقَ ، أَیْنَ رَأَیْتہ ، قَالَ : وَقَفَ عَلَیْنَا فِی مَجْلِسِنَا ، فَقَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : عَلِیٌّ مِنِّی وَأَنَا مِنْہُ، وَلاَ یُؤَدِّی عَنِّی إلاَّ عَلِیٌّ۔ (ترمذی ۳۷۱۹۔ ابن ماجہ ۱۱۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(32734) হজরত আবু ইসহাক বলেন , হজরত হাবশী ইবনে জানাদাহ (রা.) বলেন , এ বিষয়ে হজরত শিরিক ( রা. ) বলেন , আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম , হে আবু ইসহাক! আপনি ( রাঃ ) কি তাদের হ্যাঁ দিয়েছেন ? তিনি ( রাঃ ) বলেনঃ হযরত হাবশী ( রাঃ ) আমাদের মজলিসে উপস্থিত ছিলেন এবং বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ ( সাঃ ) কে বলতে শুনেছিঃ আলী আমার থেকে এবং আমি তাঁর থেকে এবং আমি ছাড়া আর কেউ তার প্রতিদান পাবে না আলী ( রাঃ )
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۳۵) حَدَّثَنَا مُطَّلِبُ بْنُ زِیَادٍ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِیلٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِاللہِ، قَالَ: کُنَّا بِالْجُحْفَۃِ بِغَدِیرِ خُمٍّ إذْ خَرَجَ عَلَیْنَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَأَخَذَ بِیَدِ عَلِیٍّ ، فَقَالَ : مَنْ کُنْتُ مَوْلاَہُ فَعَلِیٌّ مَوْلاَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(32735) হজরত জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) বলেন , আমরা গাদির রাখম উপলক্ষে হাজফায় ছিলাম, যখন রাসূলুল্লাহ ( সা . ) আমাদের সঙ্গে দেখা করতে এলেন , তখন তিনি আলী (রা.)-এর হাত ধরে বললেন : আমি তার বন্ধু , তাই আলীও তার বন্ধু ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۳۶) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ حَنَشِ بْنِ الْحَارِثِ ، عَنْ رِیَاحِ بْنِ الْحَارِثِ ، قَالَ : بَیْنَا عَلِیٌّ جَالِسًا فِی الرَّحْبَۃِ إذْ جَائَ رَجُلٌ عَلَیْہِ أَثَرُ السَّفَرِ ، فَقَالَ : السَّلاَمُ عَلَیْک یَا مَوْلاَیَ ، فَقَالَ : مَنْ ہَذَا ، فَقَالُوا : ہَذَا أَبُو أَیُّوبَ الأَنْصَارِیُّ ، فَقَالَ : إنِّی سَمِعْت رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : مَنْ کُنْتُ مَوْلاَہُ فَعَلِیٌّ مَوْلاَہُ۔ (طبرانی ۴۰۵۲)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৭৩৬) হজরত রিয়া ইবনে হারিস (রা.) বলেন , হযরত আলী ( রা. ) একটি প্রশস্ত জায়গায় বসে ছিলেন , হঠাৎ এক ব্যক্তি তাঁর কাছে এলেন , সফরের চিহ্ন স্পষ্ট হয়ে গেল । তিনি বললেনঃ বন্ধু তোমার উপর শান্তি বর্ষিত হোক । আপনি জিজ্ঞেস করলেনঃ এই ব্যক্তি কে ? তখন লোকেরা বললঃ ইনি হযরত আবু আই ওয়াব আনসারী ( রাঃ ) তখন তিনি বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ ( সাঃ ) কে বলতে শুনেছিঃ আমি যার বন্ধু , আলীও তার বন্ধু ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۳۷) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِی وَقَّاصٍ ، قَالَ : خَلَّفَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عَلِیَّ بْنَ أَبِی طَالِبٍ فِی غَزْوَۃِ تَبُوکَ ، فَقَالَ : یَا رَسُولَ اللہِ تُخَلِّفُنِی فِی النِّسَائِ وَالصِّبْیَانِ ، فَقَالَ : أَمَا تَرْضَی أَنْ تَکُونَ مِنِّی بِمَنْزِلَۃِ ہَارُونَ مِنْ مُوسَی غَیْرَ أَنَّہُ لاَ نَبِیَّ بَعْدِی۔ (بخاری ۴۴۱۶۔ مسلم ۳۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৭৩৭) হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রা.) বলেন , তাবুক যুদ্ধের সময় রাসূলুল্লাহ ( সা . ) হযরত আলী ( রা.)-কে তাঁর উত্তরাধিকারী বানিয়েছিলেন । তুমি কি আমাকে নারী - শিশু ছেড়ে চলে যাবে ? এতে তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তুমি কি খুশি নও যে তুমি আমার নিকটে আছ ? ) ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۳۸) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : سَمِعْتُ إبْرَاہِیمَ بْنَ سَعْدٍ یُحَدِّثُ عَنْ سَعْدٍ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، أَنَّہُ قَالَ لِعَلِیٍّ : أَمَا تَرْضَی أَنْ تَکُونَ مِنِّی بِمَنْزِلَۃِ ہَارُونَ مِنْ مُوسَی۔ (بخاری ۳۷۰۶۔ مسلم ۱۸۷۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৭৩৮) হজরত সাদ (রা.) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) হজরত আলী ( রা . ) - কে বললেন , তুমি কি এতে খুশি নও , তাহলে তুমি আমার কাছে হজরত হারুন ( রা . ) - এর কাছাকাছি ছিলেন ? মূসা ( আঃ ) ...
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۳۹) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ مُوسَی الْجُہَنِیِّ ، قَالَ : حدَّثَتْنِی فَاطِمَۃُ ابْنَۃُ عَلِیٍّ ، قَالَتْ : حَدَّثَتْنِی أَسْمَائُ ابْنَۃُ عُمَیْسٍ ، قَالَتْ : سَمِعْت رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ لِعَلِیٍّ : أَنْتَ مِنِّی بِمَنْزِلَۃِ ہَارُونَ مِنْ مُوسَی ، إلاَّ أَنَّہُ لَیْسَ نَبِیٌّ بَعْدِی۔ (نسائی ۸۱۴۳۔ احمد ۴۳۸)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৭৩৯) হজরত আসমা বিনতে উমাইস ( রা. ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা. ) হজরত আলী ( রা . ) -কে বললেন , তুমি আমার কাছে হজরত হারুন ( রা . ) হজরত মুসা ( আ . ) - এর নিকটবর্তী ছিলেন আমি কিন্তু আমার পরে আর কোন নবী নেই
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۴۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ فُضَیْلِ بْنِ مَرْزُوقٍ ، عَنْ عَطِیَّۃَ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ أَرْقَمَ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ لِعَلِیٍّ : أَنْتَ مِنِّی بِمَنْزِلَۃِ ہَارُونَ مِنْ مُوسَی ، إلاَّ أَنَّہُ لَیْسَ نَبِیٌّ بَعْدِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৭৪০) হজরত যায়েদ বিন আরকাম (রা. ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) হযরত আলী ( রা . ) - কে বললেন , তুমি আমার কাছে হজরত হারুন ( রা . ) হজরত মুসা ( আ . ) - এর নিকটবর্তী ছিলেন কিন্তু আমার পরে আর কোন নবী নেই
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۴۱) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ مُوسَی بْنِ مُسْلِمٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَابِطٍ، عَنْ سَعْدٍ، قَالَ: قدِمَ مُعَاوِیَۃُ فِی بَعْضِ حَجَّاتِہِ، فَأَتَاہُ سَعْدٌ، فَذَکَرُوا عَلِیًّا، فَنَالَ مِنْہُ مُعَاوِیَۃُ، فَغَضِبَ سَعْدٌ، فَقَالَ: تَقُولُ ہَذَا لِرَجُلٍ، سَمِعْت رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ لَہُ ثَلاَثُ خِصَالٍ ، لأَنْ تَکُونَ لِی خَصْلَۃٌ مِنْہَا أَحَبُّ إلَیَّ مِنَ الدُّنْیَا ، وَمَا فِیہَا : سَمِعْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : مَنْ کُنْتُ مَوْلاَہُ فَعَلِیٌّ مَوْلاَہ ، وَسَمِعْتُ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : أَنْتَ مِنِّی بِمَنْزِلَۃِ ہَارُونَ مِنْ مُوسَی ، إلاَّ أَنَّہُ لاَ نَبِیَّ بَعْدِی ، وَسَمِعْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : لأُعْطِیَنَّ الرَّایَۃَ رَجُلاً یُحِبُّ اللَّہَ وَرَسُولَہُ۔(مسلم ۱۸۷۱۔ ترمذی ۲۹۹۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(32741) হজরত আবদ আল-রহমান বিন সাবাত (রা.) বলেন যে, হজরত সাদ (রা.) বলেছেন : হজরত মুয়াবিয়া ( রা .) হজ উপলক্ষে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গেলে হজরত সাদ (রা.) তাঁর কাছে এলেন, লোকেরা হযরত আলী (রাঃ)-এর কথা বললে হযরত মুয়াবিয়া ( রাঃ ) কিছু কথা বললেন , তখন হযরত সাদ (রাঃ) রেগে গেলেন , তিনি (রাঃ) বললেনঃ আপনি এমন একজন ব্যক্তির কথা বলছেন যে আমি নিজেই তাঁর সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জানালেন । এই বিবরণগুলি বলতে শুনেছি . এবং আমার চারপাশের জগত এবং এতে বিদ্যমান সবকিছু সম্পর্কে আমার একটি নিখুঁত জ্ঞান আছে এটাও ভালো লেগেছে । আমি শুনেছি যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি যারই বন্ধু । আলীও তার বন্ধু । আমি শুনেছি যে , মহানবী ( সাঃ ) বলেছেনঃ তুমি আমার নিকটবর্তী হজরত হারুন ( আঃ ) হজরত মুসা ( আঃ ) এর মতই নিকটবর্তী) কিন্তু আমার পরে আর কোন নবী নেই আর আমি শুনেছি যে , রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ আমি অবশ্যই এমন একজনকে একটি পতাকা দেব যাকে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ভালোবাসেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۴۲) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ حَصِیرَۃَ ، قَالَ : حَدَّثَنِی أَبُو سُلَیْمَانَ الْجُہَنِیُّ ، یَعْنِی زَیْدَ بْنَ وَہْبٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ عَلِیًّا عَلَی الْمِنْبَرِ وَہُوَ یَقُولُ : أَنَا عَبْدُ اللہِ ، وَأَخُو رَسُولِہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، لَمْ یَقُلْہَا أَحَدٌ قَبْلِی ، وَلاَ یَقُولُہَا أَحَدٌ بَعْدِی إلاَّ کَذَّابٌ مُفْتَرٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(32742) হজরত আবু সুলাইমান ইলান ( রা. ) এবং যায়েদ বিন ওয়াহব ( রা. ) বলেন যে, আমি হযরত আলী ( রা. ) -কে মিম্বরে বলতে শুনেছি যে , আমি আল্লাহর বান্দা এবং তাঁর রাসূল (সা . ) - এর ভাই । তার উপর ) . এটা আমার আগে কেউ বলেনি এবং আমার পরে মিথ্যাবাদী ছাড়া কেউ এ কথা বলবে না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۴۳) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ ہَاشِمٍ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنِ الْحَکَمِ ، وَالْمِنْہَالِ ، وَعِیسَی ، عَنْ عبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی لَیْلَی ، قَالَ : کَانَ عَلِیٌّ یَخْرُجُ فِی الشِّتَائِ فِی إزَارٍ وَرِدَائٍ ثَوْبَیْنِ خَفِیفَیْنِ ، وَفِی الصَّیْفِ فِی الْقَبَائِ الْمَحْشُوِّ وَالثَّوْبِ الثَّقِیلِ ، فَقَالَ : النَّاسُ لِعَبْدِ الرَّحْمَنِ : لَوْ قُلْتُ لأَبِیک فَإِنَّہُ یَسْمرُ مَعَہُ ، فَسَأَلْت أَبِی ، فَقُلْتُ : إنَّ النَّاسَ قَدْ رَأَوْا مِنْ أَمِیرِ الْمُؤْمِنِینَ شَیْئًا اسْتَنْکَرُوہُ ، قَالَ : وَمَا ذَاکَ ، قَالَ : یَخْرُجُ فِی الْحَرِّ الشَّدِیدِ فِی الْقَبَائِ الْمَحْشُوِّ وَالثَّوْبِ الثَّقِیلِ ، وَلاَ یُبَالِی ذَلِکَ ، وَیَخْرُجُ فِی الْبَرْدِ الشَّدِیدِ فِی الثَّوْبَیْنِ الْخَفِیفَیْنِ وَالْمُلاَئَتَیْنِ لاَ یُبَالِی ذَلِکَ وَلاَ یَتَّقِی بَرْدًا ، فَہَلْ سَمِعْت فِی ذَلِکَ شَیْئًا فَقَدْ أَمَرُونِی أَنْ أَسْأَلَک أَنْ تَسْأَلَہُ إذَا سَمَرْت عِنْدَہُ ، فَسَمَرَ عِنْدَہُ ، فَقَالَ : یَا أَمِیرَ الْمُؤْمِنِینَ ، إنَّ النَّاسَ قَدْ تَفَقَّدُوا مِنْک شَیْئًا ، قَالَ : وَمَا ہُوَ ، قَالَ : تَخْرُجُ فِی الْحَرِّ الشَّدِیدِ فِی الْقَبَائِ الْمَحْشُوِّ أو الثَّوْبِ الثَّقِیلِ وَتَخْرُجُ فِی الْبَرْدِ الشَّدِیدِ فِی الثَّوْبَیْنِ الْخَفِیفَیْنِ وَفِی الْمُلاَئَتَیْنِ لاَ تُبَالِی ذَلِکَ ، وَلاَ تَتَّقِی بَرْدًا ، قَالَ : وَمَا کُنْتَ مَعَنَا یَا أَبَا لَیْلَی بِخَیْبَرَ ، قَالَ : قُلْتُ بَلَی ، وَاللہِ قَدْ کُنْت مَعَکُمْ ، قَالَ : فَإِنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بَعَثَ أَبَا بَکْرٍ فَسَارَ بِالنَّاسِ فَانْہَزَمَ حَتَّی رَجَعَ إلَیْہِ ، وَبَعَثَ عُمَرَ فَانْہَزَمَ بِالنَّاسِ حَتَّی انْتَہَی إلَیْہِ ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لأُعْطِیَنَّ الرَّایَۃَ رَجُلاً یُحِبُّ اللَّہَ وَرَسُولَہُ وَیُحِبُّہُ اللَّہُ وَرَسُولُہُ ، یَفْتَحُ اللَّہُ لَہُ ، لَیْسَ بِفَرَّارٍ فَأَرْسَلَ إلَیَّ فَدَعَانِی ، فَأَتَیْتہ وَأَنَا أَرْمَدُ لاَ أُبْصِرُ شَیْئًا ، فَتَفَلَ فِی عَیْنِی ، وَقَالَ : اللَّہُمَّ اکْفِہِ الْحَرَّ وَالْبَرْدَ ، قَالَ فَمَا آذَانِی بَعْدُ حَرٌّ ، وَلاَ بَرْدٌ۔ (احمد ۹۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩২৭৪৩) হজরত হাকাম (রা.) ও হজরত মানহাল (রা.) ও হজরত আয়েশা ( রা. ) এই সকল ভদ্রলোক বলেন যে, হজরত আবদুল রহমান ইবনে আবি লায়লা ( রা . ) বলেন : যে হযরত আলী ( রা. ) বাইরে যেতেন শীতকালে কাপড়ের দুই স্তর । এবং গ্রীষ্মে আমি গরম পোশাক এবং ভারী পোশাক পরি চলে যাও ! তখন লোকেরা হজরত আবদ আল - রহমানকে বলতে শুরু করে: আপনি যদি আপনার পিতাকে জিজ্ঞাসা করেন তবে তিনি আপনাকে বিভ্রান্ত করবেন কারণ তিনি রাতে তাঁর সাথে কথা বলেন । তাই আমি আমার বাবাকে জিজ্ঞেস করলাম : আমিরুল মুমিনীনের মধ্যে লোকেরা কী দেখে যা তারা অদ্ভুত বলে মনে করে ? তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ এটা কোন পনির ? আমি বললামঃ আপনি ( রহঃ ) গরম কাপড় এবং ভারী কাপড় পরে বের হন এবং আপনি ( রহঃ ) এর পরোয়া করেন না । আর প্রচন্ড ঠান্ডায় আপনি ( রহঃ ) জামাকাপড় ও ছোট চাদর পরে দুবার বের হন এবং আপনি ( রহঃ ) এসবের কোন খেয়াল রাখেন না । আপনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ঠান্ডা এড়িয়ে যান বা না করুন । আপনি কি তাদের কাছ থেকে এই সম্পর্কে কিছু শুনেছেন ? কারণ লোকেরা আমাকে বলেছে যে আপনি রাতে হযরত আলী ( রাঃ ) এর সাথে কথা বলার সময় আমি আপনাকে এ সম্পর্কে জানতে চাই । অতঃপর রাতে হযরত আলী ( রাঃ ) এর সাথে কথা বললে তিনি তাকে বললেনঃ হে ঈমানদার সেনাপতিঃ আপনি ( রাঃ ) যা করেছেন তা লোকেরা পরীক্ষা করে দেখেছে তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ এটা কি ? তিনি বললেনঃ তুমি ( রাঃ ) গরম কাপড় বা ভারী কাপড় পরে বের হও আর প্রচণ্ড ঠাণ্ডা অবস্থায় আপনি ( রা . ) দুবার জামা - কাপড় পরে বের হন । আর আপনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এসবের পরোয়া করেন না । আর আপনি (রহঃ ) ঠাণ্ডা থেকে বাঁচার চেষ্টা করছেন না ! তিনি ( রাঃ ) বললেনঃ হে আবু লায়লা , আপনি কি খাইবার যুদ্ধে আমাদের সাথে ছিলেন না ? আমি বললাম , কেন না ! আল্লাহর কসম , আমি তোমার সাথে ছিলাম । তিনি (রাঃ) বলেনঃ রাসুলুল্লাহ ( সাঃ ) হজরত আবু বকর (রাঃ)-কে পাঠালেন এবং তিনি লোকদের নিয়ে গেলেন , কিন্তু পরাজিত হয়ে ফিরে গেলেন । এবং হজরত ওমর (রা.)-কে পাঠালেন , কিন্তু তিনিও পরাজিত হয়ে ফিরে গেলেন , তখন রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বললেন : যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ( সা . ) ও আল্লাহকে ভালোবাসে তাকে আমি পতাকা দেব । এবং তাঁর রাসুল (সাঃ ) এই ব্যক্তিকে ভালোবাসেন । আল্লাহ তাকে বিজয় দান করবেন । ওই ব্যক্তি ঘুরে ফিরে পালাবে না । তাই আপনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমাকে ডাকার জন্য একজন দূত পাঠালেন । আমি সেবায় যোগ দিয়েছিলাম , এবং আমি কনজেক্টিভাইটিসে ভুগছিলাম এবং কিছুই দেখতে পাচ্ছিলাম না । অতঃপর তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমার চোখে লালা ঢাললেন এবং সালাত আদায় করলেন । হে আল্লাহ! তাই এটি ঠান্ডা এবং তাপ থেকে যথেষ্ট এটা কর তিনি ( রাঃ ) বললেনঃ তারপর থেকে আমি কখনো ঠান্ডা বা গরমে বিরক্ত হইনি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۴۴) حَدَّثَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ ، عَنْ شَرِیکٍ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ رِبْعِیٍّ ، عَنْ عَلِیٍّ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ : یَا مَعْشَرَ قُرَیْشٍ ، لَیَبْعَثَنَّ اللَّہُ عَلَیْکُمْ رَجُلاً مِنْکُمْ قَدِ امْتَحَنَ اللَّہُ قَلْبَہُ لِلإِیمَانِ فَیَضْرِبُکُمْ ، أَوْ یَضْرِبُ رِقَابَکُمْ ، فَقَالَ أَبُو بَکْرٍ : أَنَا ہُوَ یَا رَسُولَ اللہِ ، قَالَ : لاَ فَقَالَ عُمَرُ : أَنَا ہُوَ یَا رَسُولَ اللہِ ، قَالَ : لاَ ، وَلَکِنَّہُ خَاصِفُ النَّعْلِ ، وَکَانَ أَعْطَی عَلِیًّا نَعْلَہُ یَخْصِفُہَا۔ (ترمذی ۲۶۶۰۔ احمد ۱۵۵)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২৭৪৪ ) হজরত আলী ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : হে কুরাইশ দল ! আল্লাহ তায়ালা অবশ্যই এমন একজনকে পাঠাবেন যে আপনার মধ্য থেকে হবে আল্লাহ তার অন্তরকে বিশ্বাস করার জন্য মনোনীত করেছেন তাই সে তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলবে তিনি বললেনঃ সে তোমার ঘাড়ে আঘাত করবে । তখন হজরত আবু বকর (রা) বললেন , হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি সেই মানুষ ? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ না , হযরত ওমর ( রাঃ ) জিজ্ঞেস করলেন । ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি কি সেই মানুষ ? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ না , তবে তিনি জুতাতে কলম লাগাতে চলেছেন । এবং হজরত আলী ( রা . ) একটি জুতা দিয়ে আশীর্বাদ করেছিলেন যাতে তিনি একটি কলম লাগিয়েছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲۷۴۵) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی غنیۃ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ بْنِ رَجَائٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ الْخُدْرِیِّ ، قَالَ : کُنَّا جُلُوسًا فِی الْمَسْجِدِ فَخَرَجَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَجَلَسَ إلَیْنَا وَلَکَأَنَّ عَلَی رُؤُوسِنَا الطَّیْرَ ، لاَ یَتَکَلَّمُ أَحَدٌ مِنَّا ، فَقَالَ : إنَّ مِنْکُمْ رَجُلاً یُقَاتِلُ النَّاسَ عَلَی تَأْوِیلِ الْقُرْآنِ کَمَا قُوتِلْتُمْ عَلَی تَنْزِیلِہِ ، فَقَامَ أَبُوبَکْرٍ، فَقَالَ: أَنَا ہُوَ یَا رَسُولَ اللہِ، قَالَ: لاَ، فَقَامَ عُمَرُ، فَقَالَ: أَنَا ہُوَ یَا رَسُولَ اللہِ، قَالَ: لاَ، وَلَکِنَّہُ خَاصِفُ النَّعْلِ فِی الْحُجْرَۃِ ، قَالَ : فَخَرَجَ عَلَیْنَا عَلِیٌّ وَمَعَہُ نَعْلُ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یُصْلِحُ مِنْہَا۔ (احمد ۳۱۔ حاکم ۱۲۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(32745) হজরত রাজাই ( রা . ) বলেন , হজরত আবু সাঈদ খুদরি ( রা . ) বলেন , আমরা মসজিদে বসে ছিলাম এমন সময় রাসূলুল্লাহ ( সা . ) আমাদের কাছে এসে বসলেন । আমরা কারো সাথে কথা বলতাম না যেন পাখি আমাদের মাথায় বসে আছে । তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তোমাদের মধ্যে এমন একজন ব্যক্তি থাকবে যে কুরআনের তাফসীর নিয়ে মানুষের সাথে যুদ্ধ করবে যেমনটি নাযিল হওয়ার সময় তোমাদের সাথে যুদ্ধ করা হয়েছিল . তখন হজরত আবু বকর (রা.) উঠে দাঁড়ালেন এবং বললেন , হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি সেই মানুষ ? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ না তখন হযরত ওমর (রাঃ) উঠে দাঁড়ালেন এবং বললেন , ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি কি সেই মানুষ ? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ না , তবে ঐ ব্যক্তি ঘরে জুতা কলম করছে । বর্ণনাকারী বলেন . অতঃপর হযরত আলী ( রাঃ ) আমাদের কাছে এ অবস্থায় এলেন যে, তাঁর কাছে রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর জুতা ছিল যা তিনি ঠিক করে রেখেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৭৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস