(৩১) ( ৩৩১৯৫ ) আবূ দাআল্লাহ থেকে বর্ণিতঃ আমরা মুসা ইবনু উব দাউদ ইবনু মুদরিক থেকে , উর ইবনুল জুব আয়েশা (রাঃ ) থেকে জানালাম , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এই মসজিদে নামায পড় [হাদিসের সীমা (৩৩৫০৬-৩৪৪০৫), সর্বমোট হাদিসঃ ৯০০টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৫৭০টি]



32625 OK

(৩২৬২৫)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۲۶) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ سَلِمَۃَ ، عَنْ عَلِیٍّ أَنَّہُ قَالَ : أَلاَ أُخْبِرُکُمْ بِخَیْرِ ہَذِہِ الأُمَّۃِ بَعْدَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَبُو بَکْرٍ ، وَعُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(32626 ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে সালামা (রা.) বলেন , হজরত আলী ( রা. ) বলেছেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - এর পর আমি কি এ উম্মতের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তির খবর দেব না ? তাই তারা হলেন হজরত আবু বকর (রা.) ও হজরত উমর ইবনে খাত্তাব (রা .) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬২৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32626 OK

(৩২৬২৬)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۲۷) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ یُثَیْعٍ ، قَالَ : کَانَ أَبُو بَکْرٍ مَعَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَوْمَ بَدْرٍ عَلَی الْعَرِیشِ۔ (طبری ۱۹۰)


থেকে বর্ণিতঃ

(32627) হজরত আবু ইসহাক (রা.) বলেন , হজরত যায়েদ ইবনে ইয়াআ ( রা.) বলেন , বদর যুদ্ধের দিন হজরত আবু বকর (রা. ) রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - এর কুঁড়েঘরে অবস্থান করেন । রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাথে ছিলেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬২৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32627 OK

(৩২৬২৭)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۲۸) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ حُمَیْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لِکُلِّ أَہْلِ عَمَلٍ بَابٌ مِنْ أَبْوَابِ الْجَنَّۃِ یُدْعَوْنَ مِنْہُ بِذَاکَ الْعَمَلِ، فَلأَہْلِ الصِّیَامِ بَابٌ یُقَالُ لَہُ الرَّیَّانُ ، فَقَالَ أَبُو بَکْرٍ : یَا رَسُولَ اللہِ ، فَہَلْ مِنْ أَحَدٍ یُدْعَی مِنْ تِلْکَ الأَبْوَابِ کُلِّہَا ، قَالَ : نَعَمْ ، وَإِنِّی أَرْجُو أَنْ تَکُونَ مِنْہُمْ یَا أَبَا بَکْرٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(32628) হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন : প্রত্যেক আমলকারীর জন্য জান্নাতের একটি দরজা থাকবে । এবং এই কর্মের কারণে তাদের এই গেট থেকে ডাকা হবে । তাই রোজাদারের জন্য একটি দরজা আছে যাকে রেইন বলা হয় তখন হজরত আবু বকর (রা.) বললেন , এমন কোনো ব্যক্তি কি থাকবে যাকে এ সব দরজা থেকে ডাকা হবে ? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ হ্যাঁ ! এবং অবশ্যই আমি আশা করি আপনি তাদের মধ্যে থাকবেন হে আবু বকর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬২৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32628 OK

(৩২৬২৮)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۲۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِیزِ بْنِ عَبْدِ اللہِ الْمَاجِشُونِ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْکَدِرِ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : قَالَ عُمَرُ : أَبُو بَکْرٍ سَیِّدُنَا وَأَعْتَقَ سَیِّدَنَا ، یَعْنِی بِلالاً۔ (بخاری ۳۷۵۴)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩২৬২৯) হজরত জাবির (রা.) বলেন , হজরত ওমর (রা.) বলেছেন , আবু বকর (রা. ) আমাদের সর্দার এবং তিনি আমাদের সর্দার হযরত বিলাল ( রা .) -কে মুক্ত করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬২৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32629 OK

(৩২৬২৯)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۳۰) حَدَّثَنَا یَزِیدُ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَۃَ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ زَیْدٍ ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، قَالَتْ : تَمَثَّلْتُ بِہَذَا الْبَیْتِ ، وَأَبُو بَکْرٍ یَقْضِی وَأَبْیَضُ یُسْتَسْقَی الْغَمَامُ بِوَجْہِہِ ثُمَالُ الْیَتَامَی عِصْمَۃٌ لِلأَرَامِلِ فَقَالَ أَبُو بَکْرٍ : ذَلِکَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(32630) হজরত কাসিম বিন মুহাম্মদ (রা.) বলেন , হজরত আয়েশা (রা. ) বলেন , আমি নমুনা হিসেবে এই কবিতাটি পাঠ করছিলাম যখন আবু বকর ফয়সালা (রা.) বললেন : বলছিলেন। আর সাদা মুখ যাদের , যাদের মুখ দিয়ে মেঘ থেকে পানি চাওয়া হয় । এটি এতিমদের প্রার্থনা এবং বিধবাদের অন্যায় তখন হজরত আবু বকর (রা. ) বললেন , তিনি আল্লাহর রাসূল ( সা . )
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬২৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32630 OK

(৩২৬৩০)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۳۱) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ مَکْحُولٍ ، عَنْ غُضَیْفِ بْنِ الْحَارِثِ رَجُلٍ مِنْ أَیْلَۃَ ، عَنْ أَبِی ذَرٍّ ، سَمِعْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : إنَّ اللَّہَ وَضَعَ الْحَقَّ عَلَی لِسَانِ عُمَرَ۔ (ابوداؤد ۶۹۵۵۔ احمد ۱۶۵)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩২৬৩১) হজরত আবু যার (রা) বলেন , আমি রাসুলুল্লাহ ( সা. )- কে বলতে শুনেছি যে , নিঃসন্দেহে আল্লাহ তায়ালা উমর ( রা . ) - এর জিহ্বায় সত্য ছড়িয়ে দিয়েছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬৩০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32631 OK

(৩২৬৩১)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۳۲) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ عُمَرَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ سَالِمٍ ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِاللہِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِیہِ، أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ: أُرِیتُ فِی النَّوْمِ کَأَنِّی أَنْزِعُ بِدَلْوِ بَکْرَۃٍ عَلَی قَلِیبٍ، فَجَائَ أَبُو بَکْرٍ فَنَزَعَ ذَنُوبًا، أَوْ ذَنُوبَیْنِ فَنَزَعَ نَزْعًا ضَعِیفًا وَاللَّہُ یَغْفِرُ لَہُ، ثُمَّ جَائَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ فَاسْتَسْقَی فَاسْتَحَالَتْ غَرْبًا، فَلَمْ أَرَ عَبْقَرِیًّا مِنَ النَّاسِ یَفْرِی فَرِیَّہُ حَتَّی رَوِیَ النَّاسُ وَضَرَبُوا بِالْعَطَنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৬৩২ ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : আমাকে স্বপ্নে দেখা গেছে , যেন আমি কুয়োর ওপর চরকায় নাচ করছি , তখন আবু বকর (রা . ) আসলেন এবং তারপর তিনি তিনি দুটি পুতুল বের করে খুব দুর্বলভাবে নাচলেন । আল্লাহ তার প্রতি রহম করুন , অতঃপর উমর বিন খাত্তাব (রাঃ) আসলেন , অতঃপর তিনি চামড়ার বালতি ঘন হওয়া পর্যন্ত পানি টেনে নিলেন । তাই আমি উমর ( রাঃ ) এর মত শক্তিশালী ব্যক্তিকে দেখিনি যার সাথে হাইরাত ইংরেজী কাজ করে । আর সেই সব লোক জলের ধারে বসল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬৩১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32632 OK

(৩২৬৩২)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۳۳) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو ، عَنْ أَبِی سَلَمَۃَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : بَیْنَا أَنَا أَسْقِی عَلَی بِئْرٍ إذْ جَائَ ابْنُ أَبِی قُحَافَۃَ فَنَزَعَ ذَنُوبًا ، أَوْ ذَنُوبَیْنِ فِیہِمَا ضَعْفٌ وَاللَّہُ یَغْفِرُ لَہُ ، ثُمَّ جَائَ عُمَرُ فَنَزَعَ حَتَّی اسْتَحَالَتْ فِی یَدِہِ غَرْبًا ، وَضَرَبَ النَّاسُ بِالْعَطَنِ فَمَا رَأَیْت عَبْقَرِیًّا یَفْرِی فَرِیَّہُ۔ (بخاری ۳۶۶۴۔ مسلم ۱۸۶۰)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৬৩৩) হজরত আবু হুরায়রা ( রা. ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ তিনি যখন কূপ থেকে পানি পান করছিলেন তখন ইবনু আবী কাহাফা (রাঃ) -এর কাছে এসে জিজ্ঞাসা করলেন আল্লাহ তাদের প্রতি রহম করুন . অতঃপর উমর বিন খাত্তাব এসে ঢোল নাচলেন তাদের হাতে চামড়ার পুতুলের চিহ্ন না পাওয়া পর্যন্ত মানুষ পানির কাছে বসে রইল । অতএব , আমি এমন কোন শক্তিশালী ব্যক্তিকে দেখিনি যার সাথে ইংরেজি কাজ করে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬৩২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32633 OK

(৩২৬৩৩)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۳۴) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنِ الأَشْعَثِ ، عَنِ الأَسْوَدِ بْنِ ہِلالٍ ، أَنَّ أَعْرَابِیًّا لَہُمْ ، قَالَ : شَہِدْت صَلاۃَ الصُّبْحِ مَعَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ذَاتَ یَوْمٍ ، فَأَقْبَلَ عَلَی النَّاسِ بِوَجْہِہِ ، فَقَالَ : رَأَیْت نَاسًا مِنْ أُمَّتِی الْبَارِحَۃَ ، وُزِنُوا فَوُزِنَ أَبُو بَکْرٍ فَوَزَنَ ، ثُمَّ وُزِنَ عُمَرُ فَوَزَنَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৬৩৪ ) হজরত আসওয়াদ বিন হিলাল ( রা. ) বলেন যে, একজন মহিলা তাঁকে বললেন যে , আমি একদিন সকালের নামাযে ভবিষ্যদ্বাণী করলাম । তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর সাথে উপস্থিত ছিলেন । অতঃপর তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) লোকদের দিকে মুখ করে বললেনঃ গত রাতে আমি আমার উম্মতের লোকদের দেখিয়ে দিয়েছি যে তারা কী ওজন করছে । তাই যখন আবু বকর (রা. )- এর ওজন করা হয়েছিল , তখন তাঁর কাঁধ ভারী ছিল । অতঃপর উমর (রাঃ ) কে ওজন করা হয়েছিল এবং তাঁর কাঁধ ভারী ছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬৩৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32634 OK

(৩২৬৩৪)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۳۵) حَدَّثَنَا عبد اللہِ بْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ زَکَرِیَّا ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاہِیمَ ، عَن أَبِی سَلَمَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إِنَّہُ کَانَ فِیمَنْ مَضَی رِجَالٌ مُحَدَّثون فِی غَیْرِ نُبُوَّۃٍ ، فَإِنْ یَکُنْ فِی أُمَّتِی أَحَدٌ مِنْہُمْ فَعُمَرُ۔ (مسلم ۱۸۶۴۔ ترمذی ۳۶۹۳)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৬৩৫ ) হজরত আবু সালামা (রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : নিঃসন্দেহে যারা ইন্তেকাল করেছেন তাদের মধ্যে এমন কিছু লোক ছিল যাদের ধারণা সঠিক ছিল তারা নবী ছিলেন না । সুতরাং আমার উম্মতের মধ্যে যদি কেউ থাকে , তবে তিনি হজরত ওমর ( রা . ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬৩৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32635 OK

(৩২৬৩৫)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۳۶) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ إدْرِیسَ وَوَکِیعٌ وَابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ ، عَنْ قَیْسٍ ، قَالَ : قَالَ عبْدُ اللہِ : مَا زِلْنَا أَعِزَّۃً مُنْذُ أَسْلَمَ عُمَرُ۔ (بخاری ۳۶۸۴۔ حاکم ۸۴)


থেকে বর্ণিতঃ

(32636) হজরত কায়েস ( রা.) বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেছেন : হজরত ওমর ( রা. ) যখন ইসলাম গ্রহণ করেন , তখন তাঁর কারণে আমরা সম্মানিত হয়েছিলাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬৩৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32636 OK

(৩২৬৩৬)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۳۷) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ إدْرِیسَ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ وَإِسْمَاعِیلَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : قَالَ عَلِیٌّ : مَا کُنَّا نُبْعِدُ أَنَّ السَّکِینَۃَ تَنْطِقُ بِلِسَانِ عُمَرَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(32637) ইমাম শাবী ( রা.) বলেন যে, হযরত আলী ( রা.) বলেছেন : আমরা এত দূরের কথা ভাবিনি যে , হজরত ওমর (রা.)-এর রহমত যে কোন ভাষায় কথা বলে তাতে কোনো সন্দেহ নেই ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32637 OK

(৩২৬৩৭)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۳۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، عَنِ الأَسْوَدِ ، قَالَ عَبْدُ اللہِ : إذَا ذُکِرَ الصَّالِحُونَ فَحَیَّ ہَلاً بِعُمَرَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(32638) হজরত আসওয়াদ (রা.) বলেন , হজরত আবদুল্লাহর সামনে যখন শান্তিপ্রিয়দের কথা বলা হতো , তিনি সঙ্গে সঙ্গে হজরত ওমর (রা.) উচ্চারণ করতেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32638 OK

(৩২৬৩৮)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۳۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ قَیْسِ بْنِ مُسْلِمٍ ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِہَابٍ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : إذَا ذُکِرَ الصَّالِحُونَ فَحَیَّ ہَلاً بِعُمَرَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(32639) হজরত তারিক বিন শিহাব (রা.) বলেন, হজরত আবদুল্লাহ (রা.)-এর সামনে যখন শান্তি স্থাপনকারী ও শান্তিপ্রিয়দের কথা বলা হতো , তখন তিনি (রা.) সঙ্গে সঙ্গে হজরত ওমর (রা.) উচ্চারণ করতেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32639 OK

(৩২৬৩৯)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۴۰) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ أَبِی سُلَیْمَانَ ، عَنْ وَاصِلٍ الأَحْدَبِ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ وَہْبٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : إنَّ عُمَرَ کَانَ لِلإِسْلامِ حِصْنًا حَصِینًا ، یَدْخُلُ فِیہِ الإسْلامُ ، وَلا یَخْرُجُ مِنْہُ ، فَلَمَّا قُتِلَ عُمَرُ انْثَلَمَ الْحِصْنُ فَالإِسْلامُ یَخْرُجُ مِنْہُ وَلا یَدْخُلُ فِیہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(32640) হজরত যায়েদ বিন ওয়াহব ( রা. ) বলেন যে, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা. ) বলেছেন : নিঃসন্দেহে হজরত উমর (রা.) ইসলামের একটি শক্তিশালী দুর্গ ছিলেন । আমার মধ্যে ইসলাম প্রবেশ করেছে এবং ইসলাম সেখান থেকে বের হয়নি । তাই হজরত ওমর ( রা . ) নিহত হলে এই দুর্গে ফাটল দেখা দেয় । অতঃপর ইসলাম তা ত্যাগ করে তাতে আর প্রবেশ করেনি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32640 OK

(৩২৬৪০)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۴۱) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ قَیْسِ بْنِ مُسْلِمٍ ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِہَابٍ ، قَالَ : قالَتْ أُمُّ أَیْمَنَ لَمَّا قُتِلَ عُمَرُ الْیَوْمَ وَہَی الإسْلامُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩২৬৪১) হজরত তারিক বিন শিহাব (রা.) বলেন , যেদিন হজরত ওমর (রা.) নিহত হন , সেদিন হজরত উমায়মান ( রা . ) বলেছিলেন : আজ ইসলামের জন্ম হয়েছে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32641 OK

(৩২৬৪১)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۴۲) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ زِرٍّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : لَقِیَ رَجُلٌ شَیْطَانًا فِی بَعْضِ طُرُقِ الْمَدِینَۃِ فَاتخِذا فَصُرِعَ الشَّیْطَانَ ، فَسئلَ عَبْدُ اللہِ ، فَقَالَ : مَنْ تظنونہ إلاَّ عُمَرَ۔ (بیہقی ۱۲۳)


থেকে বর্ণিতঃ

(32642) হজরত জার (রা. ) বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ ( রা . ) বলেছেন : মানুষকে পাগল করা হয়নি , একজন মানুষের মধ্যে শয়তান পাওয়া গেছে । তাই দুজনেই একে অপরকে চেপে ধরল এবং শয়তানকে পিছনে ঠেলে দেওয়া হল । হজরত আবদুল্লাহ (রা.) কে জিজ্ঞেস করা হলো সে ব্যক্তি কে ? তিনি (রাঃ) বললেনঃ আপনার মতে হযরত ওমর (রাঃ) ছাড়া আর কে হতে পারে ? !
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32642 OK

(৩২৬৪২)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۴۳) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، وعَنْ إبْرَاہِیمَ بْنِ الْمُہَاجِرِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : کَانَ عُمَرُ إذَا رَأَی الرَّأْیَ نَزَلَ بِہِ الْقُرْآنُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(32643) হজরত ইব্রাহীম বিন মাহাজির (রা.) বলেন , হজরত মুজাহিদ (রা.) বলেছেন : হজরত ওমর (রা.)- এর মতামত যা থাকত তা কোরআন থেকে অবতীর্ণ হতো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32643 OK

(৩২৬৪৩)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۴۴) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنِ الْمُسَیَّبِ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : مَا کُنَّا نَتَعَاجَمُ أَصْحَابَ مُحَمَّدٍ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، أَنَّ مَلَکًا یَنْطِقُ بِلِسَانِ عُمَرَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(32644) হজরত মুসাইব ( রা.) বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেছেন : আমরা , মুহাম্মাদ ( সা. ) - এর সাহাবীরা এ কথা অস্বীকার করি না যে , নিশ্চয় ফেরেশতা হজরত ওমর (রা.)- এর ভাষায় কথা বলেন )
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬৪৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32644 OK

(৩২৬৪৪)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۴۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ وَاصِلٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : کُنَّا نُحَدَّثُ ، أَوْ کُنَّا نَتَحَدَّثُ ، أَنَّ الشَّیَاطِینَ کَانَتْ مُصَفَّدَۃً فِی زَمَانِ عُمَرَ ، فَلَمَّا أُصِیبَ بُثَّتْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(32645) হযরত ওয়াসিল (রহঃ) বলেন যে, হযরত মুজাহিদ (রহঃ) বলেছেনঃ আমরা নিজেদের মধ্যে আছি । তারা বলতেন হজরত ওমর ( রা . ) - এর সময় শয়তানকে হাতকড়ায় বেঁধে রাখা হয়েছিল । সুতরাং যখন আপনি ( রহঃ ) ইন্তেকাল করলেন , তখন তিনি মুক্ত হলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32645 OK

(৩২৬৪৫)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۴۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ وَاصِلٍ ، عَنْ أَبِی وَائِلٍ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : مَا رَأَیْت عُمَرَ إلاَّ وَکَأَنَّ بَیْنَ عَیْنَیْہِ مَلَکًا یُسَدِّدُہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৬৪৬ ) হজরত আবু ওয়াইল (রা.) বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন , হজরত ওমর (রা.)- এর ব্যাপারে আমার কোনো অভিমত ছিল না , এ ছাড়া যেন কোনো ফেরেশতা তাদের দুই চোখের মাঝখানে অবস্থান করে তাদের সরল পথে পরিচালিত করছে । .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32646 OK

(৩২৬৪৬)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۴۷) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ عُمَیْرٍ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ وَہْبٍ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : إنَّ أَہْلَ الْبَیْتِ مِنَ الْعَرَبِ لَمْ تَدْخُلْ عَلَیْہِمْ مُصِیبَۃُ عُمَرَ لأَہْلُ بَیْتِ سُوئٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩২৬৪৭) হজরত যায়েদ বিন ওয়াহব (রা.) বলেন , হজরত ওমর (রা . ) বলেছেন , নিশ্চয়ই আরবদের মধ্যে যে পরিবারে হজরত ওমর ( রা . ) মৃত্যুবরণ করেছেন , সে পরিবারে বিপর্যয় প্রবেশ করেনি হ্যাঁ , এটি একটি খারাপ পরিবার ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32647 OK

(৩২৬৪৭)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۴۸) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ وَالثَّقَفِیُّ ، عَنْ حُمَیْدٍ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : قَالَ أَبُو طَلْحَۃَ یَوْمَ مَاتَ عُمَرُ : مَا أَہْلُ بَیْتٍ حَاضِرٍ ، وَلا بَادٍ إلاَّ وَقَدْ دَخَلَ عَلَیْہِمْ نَقْصٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(32648) হজরত আনাস (রা.) বলেন, হজরত ওমর (রা.)- এর ইন্তেকালের দিন হজরত তালহা ( রা . ) বলেন : পরিবারটি একই নয় যে তারা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32648 OK

(৩২৬৪৮)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۴۹) حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ ، عَنِ الْعُمَرِیِّ ، عَنْ جَہْمِ بْنِ أَبِی الْجَہْمِ ، عَنِ الْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَۃَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إنَّ اللَّہَ جَعَلَ الْحَقَّ عَلَی لِسَانِ عُمَرَ وَقَلْبِہِ۔ (ابن حبان ۶۸۸۹)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৬৪৯ ) হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ উমর ( রা. ) - এর জিহ্বা ও অন্তরে সত্য দান করেছেন । এটি স্থাপন করা হয়েছে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32649 OK

(৩২৬৪৯)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۵۰) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ الْمَلِکِ : حَدَّثَنِی قَبِیصَۃُ بْنُ جَابِرٍ ، قَالَ : مَا رَأَیْت رَجُلاً أَعْلَمَ بِاللہِ ، وَلا أَقْرَأَ لِکِتَابِ اللہِ ، وَلا أَفْقَہَ فِی دِینِ اللہِ مِنْ عُمَرَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(32650 ) হজরত আবদুল মুলক (রা.) বলেন , হজরত কুবাইসা ইবনে জাবির ( রা. ) বলেছেন : আমি এমন কোনো ব্যক্তিকে দেখিনি , যিনি হজরত ওমর (রা.) - এর চেয়ে উত্তম ছিলেন , যিনি আল্লাহকে সবচেয়ে বেশি জানেন যে আল্লাহর কিতাব সবচেয়ে বেশি পড়ে এবং আল্লাহর দ্বীন সবচেয়ে বেশি বোঝে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬৪৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32650 OK

(৩২৬৫০)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۵۱) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ وَہْبٍ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : مَا أَظُنُّ أَہْلَ بَیْتٍ مِنَ الْمُسْلِمِینَ لَمْ یَدْخُلْ عَلَیْہِمْ حُزْنُ عُمَرَ یَوْمَ أُصِیبَ عُمَرُ إلاَّ أَہْلَ بَیْتِ سُوئٍ ، إنَّ عُمَرَ کَانَ أَعْلَمَنَا بِاللہِ وَأَقْرَأَنَا لِکِتَابِ اللہِ وَأَفْقَہَنَا فِی دِینِ اللہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(32651) হজরত যায়েদ ইবনে ওয়াহব (রা.) বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেছেন : আমি মনে করি না যে , মুসলমানদের এমন কোনো পরিবার আছে যেখানে হযরত উমর ( রা .)-এর ইন্তেকালের দিন হজরত ওমর (রা.)-এর শোক থাকতে পারে । প্রবেশ করিনি, তবে একটি খারাপ পরিবার থাকবে । নিঃসন্দেহে হজরত ওমর ( রা . ) আমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আল্লাহ তায়ালার জ্ঞান রাখেন , যিনি আমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আল্লাহর কিতাব পাঠ করেন এবং আমরাই ছিলাম এন সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি বোঝা
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬৫০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32651 OK

(৩২৬৫১)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۵۲) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ أَبِی النَّجُودِ ، عَنْ زِرٍّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : إذَا ذُکِرَ الصَّالِحُونَ فَحَیَّ ہَلاً بِعُمَرَ ، إنَّ إسْلامَہُ کَانَ نَصْرًا ، وَإِنَّ إمَارَتَہُ کَانَتْ فَتْحًا ، وَایْمُ اللہِ ، مَا أَعْلَمُ عَلَی الأَرْضِ شَیْئًا إلاَّ وَقَدْ وَجَدَ فَقْدَ عُمَرَ حَتَّی الْعِضَاہُ ، وَایْمُ اللہِ إنِّی لأَحْسَبُ بَیْنَ عَیْنَیْہِ مَلَکًا یُسَدِّدُہُ وَیُرْشِدُہُ ، وَایْمُ اللہِ إِنِّی لأَحْسَبُ الشَّیْطَانَ یَفْرَقُ أَنْ یُحْدِثَ فِی الإِسْلاَمِ فَیَرُدَّ عَلَیْہِ عُمَرُ ، وَایْمُ اللہِ لَوْ أَعْلَمُ أَنَّ کَلْبًا یُحِبُّ عُمَرَ لأَحْبَبْتہ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(32652) হজরত জার (রা.) বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.)-এর সামনে গাড়ির কথা বলা হলে তিনি সঙ্গে সঙ্গে হজরত ওমর (রা.)-এর জপ করতেন। এবং বলেন! নিশ্চয়ই তার ইসলাম ছিল মুসলমানদের সাহায্য এবং তার খেলাফত ছিল মুসলমানদের বিজয় । আল্লাহর কসম ! হজরত ওমর ( রা . ) কে মিস করা ছাড়া পৃথিবীতে আমি কিছুই জানি না । হ্যাঁ , এমনকি কাঁটাযুক্ত গাছও । আল্লাহর কসম ! প্রকৃতপক্ষে, আমি মনে করতাম যে তাদের দুই চোখের মাঝে একজন ফেরেশতা রয়েছে যে তাদের সরল পথ দেখায় এবং তাদের পথ দেখায় । আর আল্লাহর কসম ! নিঃসন্দেহে শয়তান ভীত ছিল যে সে ইসলামে কোনো ত্রুটি করবে কারণ হযরত ওমর (রা . ) তা তার কাছে ফিরিয়ে আনবেন । আল্লাহর কসম ! যদি আমি জানতে পারি যে একটি কুকুরও হযরত ওমর (রাঃ) কে ভালবাসে তবে আমিও তাকে ভালবাসতে শুরু করব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬৫১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32652 OK

(৩২৬৫২)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۵۳) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، وَأَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ مَیْسَرَۃَ ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ ، قَالَ : إنَّ عُمَرَ فِی الْجَنَّۃِ ، وَإِنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ مَا رَأَی فِی نَوْمِہِ وَفِی یَقْظَتِہِ فَہُوَ حَقٌ ، إِنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ : بَیْنَمَا أَنَا فِی الْجَنَّۃِ إذ رَأَیْت فِیہَا دَارًا ، فَقُلْتُ : لِمَنْ ہَذِہِ ؟ فَقِیلَ : لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ۔ (احمد ۲۴۵۔ ابن حبان ۶۸۸۴)


থেকে বর্ণিতঃ

(32653) হজরত মুসআব ইবনে সাদ (রা.) বলেন , হজরত মুআয ইবনে জাবাল ( রা.) বলেছেন : নিশ্চয়ই উমর ( রা.) জান্নাতে আছেন এবং হজরত রাসূলুল্লাহ ( সা. ) যা - ই হোক না কেন আল্লাহর রাসূল ( সা . ) তার উপর) ঘুমানো বা জাগ্রত অবস্থায় খাওয়া ঠিক । রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ আমি বেহেশতে ছিলাম যখন আমি তাকে জিজ্ঞেস করলামঃ এটা কার জন্য ? তাই বলা হলঃ উমর বিন খাত্তাবের জন্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬৫২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32653 OK

(৩২৬৫৩)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۵۴) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ ، عَنْ حُمَیْدٍ ، عَنْ أَنَسٍ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ : دَخَلْت الْجَنَّۃَ فَإِذَا أَنَا بِقَصْرٍ مِنْ ذَہَبٍ ، فَقُلْتُ : لِمَنْ ہَذَا ؟ قَالُوا : لِشَابٍّ مِنْ قُرَیْشٍ ، فَظَنَنْت أَنِّی أَنَا ہُوَ ، فَقُلْتُ : لِمَنْ ہُوَ؟ قَالُوا : لِعُمَرَ۔ (احمد ۱۷۹۔ ابن حبان ۶۸۸۷)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৬৫৪ ) হজরত আনাস ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : আমি জান্নাতে প্রবেশ করার পর আমি যখন সুন্দর সোনার তৈরি একটি প্রাসাদ দেখলাম , তখন জিজ্ঞেস করলাম , এটি কার বাড়ি ? ফেরেশতারা বললেনঃ কুরাইশের এক যুবকের কথা । তাই আমি ধরে নিলাম যে সে অবশ্যই আমি , তাই আমি জিজ্ঞাসা করলাম : সে কোন যুবক ? তিনি বললেনঃ ওমর বিন খাত্তাব রা.
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32654 OK

(৩২৬৫৪)

সহিহ হাদিস

(۳۲۶۵۵) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ أَبِی سَلَمَۃَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ : دَخَلْت الْجَنَّۃَ فَإِذَا فِیہَا قَصْرٌ مِنْ ذَہَبٍ فَأَعْجَبَنِی حُسْنُہُ ، فَسَأَلْت : لِمَنْ ہَذَا ؟ فَقِیلَ لِی : لِعُمَرَ ، فَمَا مَنَعَنِِی أَنْ أَدْخُلَہُ إلاَّ لِمَا أَعْلَمُ مِنْ غَیْرَتِکَ یَا أَبَا حَفْصٍ ، فَبَکَی عُمَرُ ، وَقَالَ : یَا رَسُولَ اللہِ ، عَلَیْک أَغَارُ ؟!۔ (بخاری ۳۲۴۲۔ احمد ۳۳۹)


থেকে বর্ণিতঃ

( 32655 ) হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : আমি যখন জান্নাতে প্রবেশ করি , তখন আমি একটি সোনার প্রাসাদ খেয়েছিলাম , যার সৌন্দর্য আমি খুব ভালো পেয়েছি । তাই আমি জিজ্ঞেস করলামঃ এটা কার জন্য ? তাই আমাকে বলা হলোঃ উমর বিন খাত্তাবের জন্য সুতরাং , আমাকে সেখানে প্রবেশ করতে বাধা দেয়নি , শুধু যে আমি তোমার ঈর্ষার কথা ভেবেছিলাম , হে আবু হাফস । তখন হযরত ওমর (রাঃ) কাঁদতে লাগলেন এবং বললেন , ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি কি আপনার ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) প্রতি ঈর্ষান্বিত হব ? !
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৬৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস