(৩১) ( ৩৩১৯৫ ) আবূ দাআল্লাহ থেকে বর্ণিতঃ আমরা মুসা ইবনু উব দাউদ ইবনু মুদরিক থেকে , উর ইবনুল জুব আয়েশা (রাঃ ) থেকে জানালাম , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এই মসজিদে নামায পড় [হাদিসের সীমা (৩৩৫০৬-৩৪৪০৫), সর্বমোট হাদিসঃ ৯০০টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৬৩০টি]



32565 OK

(৩২৫৬৫)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۶۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ رَجُلٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ : {وَآتَیْنَاہُ الْحُکْمَ صَبِیًّا} قَالَ : الْقُرْآنَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(32566) মুজাহিদরা { وَاطَيْ نَاحُ الْحْكْمَ سبِيّّ } এর অর্থ উদ্ধৃত করেছেন যে এটি কুরআনকে নির্দেশ করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৬৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32566 OK

(৩২৫৬৬)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۶۷) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ مَنْصُورِ بْنِ صَفِیَّۃَ ، عَنْ أُمِّہِ ، قَالَ : دَخَلَ ابْنُ عُمَرَ الْمَسْجِدَ وَابْنُ الزُّبَیْرِ مَصْلُوبٌ ، فَقَالُوا : ہذہ أَسْمَائُ ، قَالَ : فَأَتَاہَا فَذَکَّرَہَا وَوَعَظَہَا ، وَقَالَ لَہَا : إنَّ الْجِیفَۃَ لَیْسَتْ بِشَیْئٍ ، وَإِنَّمَا الأَرْوَاحُ عِنْدَ اللہِ فَاصْبِرِی وَاحْتَسِبِی ، قَالَتْ : وَمَا یَمْنَعنی مِنَ الصَّبْرِ وَقَدْ أُہْدِیَ رَأْسُ یَحْیَی بْنِ زَکَرِیَّا إلَی بَغِیٍّ مِنْ بَغَایَا بَنِی إسْرَائِیلَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৫৬৭) মনসুর ইবনে সাফিয়্যাহ তার মা থেকে বর্ণনা করেছেন যে , হযরত ইবনে উমর ( রা.) মসজিদে প্রবেশ করলেন যখন ইবনে জুবায়ের ( রা. ) স্তম্ভে ঝুলছিলেন , লোকেরা বলতে লাগল যে , হযরত আসমা তিশরীফ কথা বলছেন , তিনি তাদের কাছে গেলেন , তাদের কাছে প্রচার করলেন এবং বললেন যে , দেহ কোন জিনিস নয় , আল্লাহর কাছে তাই আত্মা এখানে পৌঁছে , তাই তিনি বললেন , ধৈর্য্য থেকে আমাকে কি বাধা দেবে ? ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ইস্রায়েলের ব্যভিচারিণীকে দেওয়া হয়েছে ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৬৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32567 OK

(৩২৫৬৭)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۶۸) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : مَا قُتِلَ یَحْیَی بْنُ زَکَرِیَّا إلاَّ فِی امْرَأَۃٍ بَغِیٍّ ، قَالَتْ لِصَاحِبِہَا : لاَ أَرْضَی عَنْک حَتَّی تَأْتِیَنِی بِرَأْسِہِ ، قَالَ : فَذَبَحَہُ فَأَتَاہَا بِرَأْسِہِ فِی طَسْتٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৫৬৮ ) হজরত আরওয়া বলেন , হজরত ইয়াহইয়া ইবনে জাকারিয়া ( আ . ) একজন ব্যভিচারী মহিলার কারণে নিহত হয়েছেন , যে তার সঙ্গীকে বলেছিল যে , তুমি তাদের মাথা আমার কাছে না আনলে আমি তোমার প্রতি সন্তুষ্ট হব না , এই বলে যে সে তাদের জবাই করেছে । এবং আমি একটি অসম্মান তার মাথা আনা হয়েছে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৬৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32568 OK

(৩২৫৬৮)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۶۹) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ مُجَاہِدٍ: فِی قَوْلِہِ: {لَمْ نَجْعَلْ لَہُ مِنْ قَبْلُ سَمِیًّا} قَالَ: مِثْلَہُ فِی الْفَضْلِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(32569) মুজাহিদ থেকে বর্ণিত হয়েছে যে { আমি তার পূর্বে জানতাম না } এর ব্যাখ্যা এই যে , এটি এই ফযিলতকে নির্দেশ করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৬৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32569 OK

(৩২৫৬৯)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۷۰) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَمْرٍو ، قَالَ : مَا مِنْ أَحَدٍ إلاَّ وَقَدْ أَخْطَأَ ، أَوْ ہَمَّ بِخَطِیئَۃٍ ، لَیْسَ یَحْیَی بْنَ زَکَرِیَّا ، ثُمَّ قَرَأَ : {وَسَیِّدًا وَحَصُورًا} ، ثُمَّ رَفَعَ مِنَ الأَرْضِ شَیْئًا ، ثُمَّ قَالَ : مَا کَانَ مَعَہُ إلاَّ مِثْلُ ہَذَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৫৭০ ) সাঈদ বিন মুসাইব , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা . ) থেকে বর্ণনা করেন , প্রত্যেক ব্যক্তিই কিছু না কিছু ভুল করেছে । তিনি কি অন্যায় করতে চেয়েছিলেন , হায়্যা বিন যাকারিয়া ( আঃ ) ব্যতীত , তারপর তিনি {ওয়াসাইদা ওয়াহাসুরাহ } পাঠ করলেন , তারপর মাটি থেকে কয়েকটি জিনিস তুলে নিলেন এবং বললেন : তাদের কাছে এর চেয়ে বেশি কিছুই ছিল না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৬৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32570 OK

(৩২৫৭০)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۷۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شَرِیکٍ ، عَنْ سَالِمٍ ، عَنْ سَعِیدٍ : {وَسَیِّدًا وَحَصُورًا} قَالَ : الْحَلِیمُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(32571) হজরত সাঈদ ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, { وَسَيِّدِ وَحسورِّ } এর অর্থ হল, সহনশীল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৭০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32571 OK

(৩২৫৭১)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۷۲) حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، قَالَ : حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَۃَ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ زَیْدٍ ، عَنْ یُوسُفَ بْنِ مِہْرَانَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ : مَا مِنْ أَحَدٍ إلاَّ وَقَدْ أَخْطَأَ ، أَوْ ہَمَّ بِخَطِیئَۃٍ إلاَّ یَحْیَی بْنَ زَکَرِیَّا۔ (احمد ۲۹۵۔ ابویعلی ۲۵۳۸)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৫৭২) হজরত ইবনে আব্বাস রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে , তিনি বলেছেন , প্রত্যেক ব্যক্তিই কিছু না কিছু ভুল করেছে । তিনি হায়া ইবনে জাকারিয়া ( আঃ ) ব্যতীত অন্যায় করতে চেয়েছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৭১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32572 OK

(৩২৫৭২)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۷۳) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ : {لَمْ نَجْعَلْ لَہُ مِنْ قَبْلُ سَمِیًّا} قَالَ : شِبْہًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(32573) মুজাহিদ থেকে {লাম নাজাল লাহু মিন কাবুল সামি আ .} এর অর্থ বর্ণিত হয়েছে। অর্থাৎ তাদের মত কিছুই সৃষ্টি হয়নি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৭২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32573 OK

(৩২৫৭৩)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۷۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَمْرٍو ، قَالَ : ذُو الْقَرْنَیْنِ نَبِیٌّ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৫৭৪ ) মুজাহিদ হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেন যে, হজরত যুল - কারন একজন নবী ছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৭৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32574 OK

(৩২৫৭৪)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۷۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الْعَلاَئِ بْنِ عَبْدِ الْکَرِیمِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : کَانَ مَلِکَ الأَرْضِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৫৭৫ ) মুজাহিদেয়িক ও সুন্দ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন , তিনি ছিলেন সমগ্র পৃথিবীর রাজা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৭৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32575 OK

(৩২৫৭৫)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۷۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ بَسَّامٍ، عَنْ أَبِی الطُّفَیْلِ، عَنْ عَلِیٍّ، قَالَ: کَانَ رَجُلاً صَالِحًا، نَاصَحَ اللَّہَ فَنَصَحَہُ فَضُرِبَ عَلَی قَرْنِہِ الأَیْمَنِ فَمَاتَ فَأَحْیَاہُ اللَّہُ ، ثُمَّ ضُرِبَ عَلَی قَرْنِہِ الأَیْسَرِ فَمَاتَ فَأَحْیَاہُ اللَّہُ ، وَفِیکُمْ مِثْلُہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৫৭৬ ) হজরত আলী ( রা .) থেকে বর্ণিত আবু তুফায়েল বলেন , তিনি একজন ভালো মানুষ ছিলেন , তিনি আল্লাহর কাছে শুভকামনা ব্যক্ত করেছিলেন , তাই আল্লাহ তাকে পুরস্কৃত করেন , দস্তগিরি বলেন , তাই তার মাথার ডান পাশে আঘাত করা হয় এবং তিনি মারা যান , তারপর আল্লাহ তাকে জীবন দেন তখন তার মাথার বাম দিকে আঘাত করা হয় এবং যখন তারা মারা যায়, তখন আল্লাহ তাদের পুনরায় জীবন দান করেন এবং আপনি তাদের কাছ থেকে উপস্থিত হন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৭৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32576 OK

(৩২৫৭৬)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۷۷) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ حَبِیبِ بْنِ أَبِی ثَابِتٍ ، عَنْ أَبِی الطُّفَیْلِ ، قَالَ : سُئِلَ عَلِیٌّ عَنْ ذِی الْقَرْنَیْنِ ؟ فَقَالَ : لَمْ یَکُنْ نَبِیًّا ، وَلاَ مَلِکًا ، وَلَکِنَّہُ کَانَ عَابِدًا نَاصَحَ اللَّہَ فَنَصَحَہُ ، فَدَعَا قَوْمَہُ إلَی اللہِ فَضُرِبَ عَلَی قَرْنِہِ الأَیْمَنِ فَمَاتَ فَأَحْیَاہُ اللَّہُ ، ثُمَّ دَعَا قَوْمَہُ إلَی اللہِ فَضُرِبَ عَلَی قَرْنِہِ الأَیْسَرِ فَمَاتَ فَأَحْیَاہُ اللَّہُ فَسُمِّیَ ذَا الْقَرْنَیْنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 32577 ) আবু তুফাইলায়িক অন্য একটি ট্রান্সমিশন থেকে বর্ণনা করেন যে হযরত আলীকে যুল - কারনাইন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল এবং তিনি বলেছিলেন যে তিনি ছিলেন নবী . তারা রাজা ছিলেন না, তারা ছিলেন আল্লাহর বান্দা , যারা আল্লাহর কাছে মঙ্গল কামনা করতেন । , তাই আল্লাহ তাদের মঙ্গল কামনা করেছিলেন , তাই তিনি তার লোকদেরকে আল্লাহর দিকে নিয়ে গেলেন এবং তার মাথার ডান দিকে আঘাত করা হয়েছিল , এবং যখন তিনি মারা গেলেন , আল্লাহ তাকে জীবিত করলেন , তারপর তিনি তার লোকদেরকে আল্লাহর দিকে ডাকলেন । আবার তারা মাথার বাম পাশে আঘাত করলে তিনি আবার মারা যান , ফলে আল্লাহ তাকে জীবিত করেন , এ কারণেই তার নাম প্রসিদ্ধ হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৭৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32577 OK

(৩২৫৭৭)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۷۸) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ مُوسَی ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ سِمَاکٍ ، عَنْ حَبِیبِ بْنِ حِمَازٍ ، قَالَ : قیلَ لِعَلِیٍّ : کَیْفَ بَلَغَ ذُو الْقَرْنَیْنِ الْمَشْرِقَ وَالْمَغْرِبَ ؟ قَالَ : سُخِّرَ لَہُ السَّحَابُ ، وَبُسِطَ لَہُ النُّورُ ، وَمُدَّ لَہُ الأَسْبَابُ ، ثُمَّ قَالَ : أَزِیدُک ؟ قَالَ : حَسْبِی۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩২৫৭৮) হাবিব বিন হামাজ বলেন , হযরত আলীকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল কার দ্বারা যুল - কুরআন পূর্ব ও পশ্চিমে পৌঁছেছে ? তিনি বললেন , মেঘ তোমার জন্য বশীভূত হয়েছে , তোমার জন্য আলো ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং উপায় প্রসারিত করা হয়েছে , তারপর তিনি বললেন .আমি কি তোমাকে আরও কিছু বলব ? সে বলল এটা শুধু কফি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৭৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32578 OK

(৩২৫৭৮)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۷۹) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : لَمْ یَمْلِکَ الأَرْضَ کُلَّہَا إلاَّ أَرْبَعَۃٌ : مُسْلِمَانِ وَکَافِرَانِ ، فَأَمَّا الْمُسْلِمَانِ : فَسُلَیْمَانُ بْنُ دَاوُد ، وَذُو الْقَرْنَیْنِ ، وَأَمَّا الْکَافِرَانِ فَبُخْتَ نُصَّرَ ، وَالَّذِی حَاجَّ إبْرَاہِیمَ فِی رَبِّہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩২৫৭৯) মুজাহিদ বলেন , সমগ্র দেশে মাত্র চারজন বাদশাহ হয়েছে , দুইজন মুসলমান এবং দুইজন কাফের , মুসলমানরা হযরত সুলায়মান বিন দাউদ ও যুল - কারনা নন এবং কাফের নন একজন হলেন বখত নসর যে ব্যক্তি ইব্রাহীম ( আঃ ) এর সাথে তার পালনকর্তা সম্পর্কে তর্ক করেছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৭৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32579 OK

(৩২৫৭৯)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۸۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ، عَنْ یُونُسَ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: أُلْقِیَ یُوسُفُ فِی الْجُبِّ وَہُوَ ابْنُ سَبْعَ عَشْرَۃَ سَنَۃً، وَکَانَ فِی الْعُبُودِیَّۃِ وَفِی السِّجْنِ وَفِی الْمُلْکِ ثَمَانِینَ سَنَۃً ، ثُمَّ جُمِعَ شَمْلُہُ فَعَاشَ بَعْدَ ذَلِکَ ثَلاَثًا وَعِشْرِینَ سَنَۃً۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৫৮০ ) হজরত হাসান বলেন , হজরত ইউসুফ ( আ . ) - কে সতেরো বছর বয়সে একটি কূপে নিক্ষেপ করা হয় এবং তিনি দাসত্ব , কারাবরণ ও রাজত্ব সহ্য করেন , এরপর আপনার পরিবার একত্রিত হয় যে আপনি আশি বছর বেঁচে ছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৭৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32580 OK

(৩২৫৮০)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۸۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنْ رَبِیعَۃَ الْجُرَشِیِّ ، قَالَ : قسِمَ الْحُسْنُ نِصْفَیْنِ ، فَأُعْطِیَ یُوسُفُ وَأُمُّہُ نِصْفَ حُسْنِ الْخَلْقِ ، وَسَائِرُ الْخَلْقِ نِصْفًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৫৮১ ) রাবী আয়া জারশী থেকে বর্ণিত আছে যে , সৌন্দর্যের দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছিল, তাই হজরত ইউসুফ ও তার মাকে অর্ধেক সৌন্দর্য দেওয়া হয়েছিল এবং অন্য সমস্ত প্রাণীদের অর্ধেক দেওয়া হয়েছিল
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৮০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32581 OK

(৩২৫৮১)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۸۲) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ أَبِی سَعِیدٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : سُئِلَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ أَکْرَمُ النَّاسِ ؟ قَالَ : أَتْقَاہُمْ لِلَّہِ ، قَالُوا : لَیْسَ ، عَنْ ہَذَا نَسْأَلُک ، قَالَ : فَأَکْرَمُ النَّاسِ یُوسُفُ نَبِیُّ اللہِ ، بْنُ نَبِیِّ اللہِ ، بْنِ نَبِیِّ اللہِ ، بْنِ خَلِیلِ اللہِ صَلَوَاتُ اللہِ عَلَیْہِمْ۔ (بخاری ۳۳۷۴۔ مسلم ۱۸۴۶)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩২৫৮২) হজরত আবু হুরায়রা ( রা ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল সবচেয়ে উদার কে ? তিনি , যিনি সবচেয়ে ধার্মিক , বললেন , আমরা আপনাকে এটি জিজ্ঞাসা করছি না , তারপর তিনি বললেন , তাহলে আল্লাহর রাসূল সা ইউসুফ ( আঃ ) আল্লাহর নবীর পুত্র এবং তার পিতা আল্লাহর নবীর পুত্র এবং তার পিতা আল্লাহর খলীলের পুত্র । তোমার উপর শান্তি হোক .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৮১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32582 OK

(৩২৫৮২)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۸۳) حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، قَالَ : حدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَۃَ ، عَنْ ثَابِتٍ ، عَنْ أَنَسٍ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ : أُعْطِیَ یُوسُفُ شَطْرَ الْحُسْنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৫৮৩ ) হজরত আনাস ( রা . ) বর্ণনা করেন যে , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , ইউসুফ ( আ . ) - কে নেকির অর্ধেক দেওয়া হয়েছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৮২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32583 OK

(৩২৫৮৩)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۸۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِی الأَحْوَصِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : أُعْطِیَ یُوسُفُ عَلَیْہِ السَّلاَمُ وَأُمُّہُ ثُلُثَ حُسْنِ الْخَلْقِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৫৮৪ ) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , ইউসুফ ( আ . ) ও তাঁর মাতাকে সৃষ্টির সৌন্দর্যের এক - তৃতীয়াংশ দেওয়া হয়েছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৮৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32584 OK

(৩২৫৮৪)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۸۵) حَدَّثَنَا وَکِیع ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُدَیْرٍ ، عَنْ أَبِی مِجْلَزٍ ، قَالَ : جَائَ عَبْدُ اللہِ بْنُ عَبَّاسٍ إلَی ابْنِ سَلاَمٍ ، فَقَالَ : إنِّی أُرِیدُ أَنْ أَسْأَلَک عَنْ ثَلاَثٍ ، قَالَ : تَسْأَلُنِی وَأَنْتَ تَقْرَأُ الْقُرْآنَ ؟ قَالَ : نَعَمْ ، قَالَ : فَسَلْ ، قَالَ أَخْبِرْنِی عَنْ تُبَّعٍ مَا کَانَ ؟ وَعَنْ عُزَیْرٍ مَا کَانَ ؟ وَعَنْ سُلَیْمَانَ لِمَ تَفَقَّدَ الْہُدْہُدَ ؟۔ فَقَالَ : أَمَّا تُبَّعٌ : فَکَانَ رَجُلاً مِنَ الْعَرَبِ ، فَظَہَرَ عَلَی النَّاسِ وسبی فِتْیَۃً مِنَ الأَحْبَارِ فَاسْتَدْخَلَہُمْ ، وَکَانَ یُحَدِّثُہُمْ وَیُحَدِّثُونَہُ ، فَقَالَ قَوْمُہُ : إنَّ تُبَّعًا قَدْ تَرَکَ دِینَکُمْ وتَابَعَ الْفِتْیَۃَ ، فَقَالَ تُبَّعٌ لِلْفِتْیَۃِ : قَدْ تَسْمَعُونَ مَا قَالَ ہَؤُلاَئِ ، قَالُوا : بَیْنَنَا وَبَیْنَہُمَ النَّارُ الَّتِی تُحْرِقُ الْکَاذِبَ وَیَنْجُو مِنْہَا الصَّادِقُ ، قَالُوا : نَعَمْ ، قَالَ تُبَّعٌ لِلْفِتْیَۃِ : اُدْخُلُوہَا ، قَالَ : فَتَقَلَّدُوا مَصَاحِفَہُمْ فَدَخَلُوہَا ، فَانْفَرَجَتْ لَہُمْ حَتَّی قَطَعُوہَا ، ثُمَّ قَالَ لِقَوْمِہِ : اُدْخُلُوہَا ، فَلَمَّا دَخَلُوہَا سَفَعَتِ النَّارُ وُجُوہَہُمْ فَنَکَصُوا ! فَقَالَ : لَتَدْخُلُنَّہَا ، قَالَ : فَدَخَلُوہَا فَانْفَرَجَتْ لَہُمْ ، حَتَّی إذَا تَوَسَّطُوہَا أَحَاطَتْ بِہِمْ فَأَحْرَقَتْہُمْ۔ قَالَ : فَأَسْلَمَ تُبَّعٌ وَکَانَ رَجُلاً صَالِحًا۔ وَأَمَّا عُزَیْرٌ : فَإِنَّ بَیْتَ الْمَقْدِسِ لَمَّا خَرِبَ وَدَرَسَ الْعِلْمُ وَمُزِّقَت التَّوْرَاۃُ ، کَانَ یَتَوَحَّشُ فِی الْجِبَالِ ، فَکَانَ یَرِدُ عَیْنًا یَشْرَبُ مِنْہَا ، قَالَ : فَوَرَدَہَا یَوْمًا فَإِذَا امْرَأَۃٌ قَدْ تَمَثَّلَتْ لَہُ ، فَلَمَّا رَآہَا نَکَصَ ، فَلَمَّا أَجْہَدَہُ الْعَطَشُ أَتَاہَا فَإِذَا ہِیَ تَبْکِی ، قَالَ : مَا یُبْکِیک ؟ قَالَتْ : أَبْکِی عَلَی ابْنِی ، قَالَ : کَانَ ابْنُک یَرْزُقُ ؟ قَالَتْ : لاَ ، قَالَ : کَانَ یَخْلُقُ ؟ قَالَتْ : لاَ ، قَالَ : فَلاَ تَبْکِینَ عَلَیْہِ ، قَالَتْ : فَمَنْ أَنْتَ ؟ أَتُرِیدُ قَوْمَک ؟ اُدْخُلْ ہَذَہ الْعَیْنَ فَإِنَّک سَتَجِدُہُمْ ، قَالَ : فَدَخَلَہَا ، قَالَ : فَکَانَ کُلَّمَا دَخَلَہَا زِیدَ فِی عِلْمِہِ حَتَّی انْتَہَی إلَی قَوْمِہِ ، وَقَدْ رَدَّ اللَّہُ إلَیْہِ عِلْمَہُ ، فَأَحْیَا لَہُمَ التَّوْرَاۃَ وَأَحْیَا لَہُمَ الْعِلْمَ ، قَالَ : فَہَذَا عُزَیْرٌ۔ وَأَمَّا سُلَیْمَانُ : فَإِنَّہُ نَزَلَ مَنْزِلاً فِی سَفَرٍ فَلَمْ یَدْرِ مَا بُعْدُ الْمَائِ مِنْہُ ، فَسَأَلَ مَنْ یَعْلَمُ عِلْمَہُ ؟ فَقَالُوا : الْہُدْہُدُ ، فَہُنَاکَ تَفَقَّدَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩২৫৮৫) আবু মাজালজ বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস ( রা .) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.)-এর কাছে এসে বললেন , আমি তোমাকে তিনটি কথা জিজ্ঞেস করতে চাই , তিনি বললেন , তুমি নিজে কোরআন পড়ছ হ্যাঁ ! হযরত বললেন এবং তাকে জিজ্ঞেস করলেন , তিনি বললেন , তুমি কে ছিলে ? আর উজাইর কে ছিলেন ? এবং কেন তারা সুলাইমান ( আঃ ) -কে খুঁজল ? তিনি বলেন , আরবের গোত্রের কিছু লোক ছিল , তারা জনগণের উপর বিজয়ী হয়েছিল এবং অনেক খ্রিস্টান আলেমকে বন্দী করেছিল এবং তাদের সাথে কথা বলার সময় তাদের লোকেরা বলতে শুরু করেছিল : লোকেরা তোমাদের ধর্ম ত্যাগ করে ক্রীতদাসদের অনুসরণ করেছে , তাই লোকেরা তাদের বলল । ক্রীতদাস , মানুষ কি বলছে শুনছো ? তারা বলেছিল যে এই আগুন আমাদের এবং আপনার মধ্যে সিদ্ধান্ত নেবে এবং এটি মিথ্যাবাদীকে পুড়িয়ে ফেলবে । এবং প্রকৃত পরিত্রাণ পাওয়া যাবে, তারা বলল, এটা ঠিক আছে , তাই তাবা এই দাসদের বললেন, এই আগুনে প্রবেশ কর , তাই তারা এতে প্রবেশ করল, এবং আগুন তাদের মুখ ঝলসে গেল এবং তারা ফিরে গেল, তিনি বললেন, আপনাকে অবশ্যই প্রবেশ করতে হবে , অতঃপর তারা সেখানে প্রবেশ করল এবং যখন তারা এর মাঝখানে পৌঁছল , তখন আগুন তাদের ঘিরে ফেলল এবং তাদের পুড়িয়ে ফেলল , সে তার অনুসারীদেরকে ইসলামে নিয়ে গেল এবং সে ছিল একজন ভালো মানুষ । আর উজাইরের কাহিনী হল যে , যখন পবিত্র মন্দির ধ্বংস হয়ে গেল এবং তাওরাতকে টুকরো টুকরো করে ফেলা হল , তখন তিনি পাহাড়ে যেতেন এবং একটি ঝর্ণায় গিয়ে সেখান থেকে পানি পান করতেন ।একদিন তারা সেখানে এসে এক মহিলা তাদের দেখালেন , তিনি আপনাকে কষ্ট দিলে আপনি আবার এলেন , আপনি দেখলেন , মহিলাটি কাঁদছে , আপনি কার জন্য কাঁদছেন ?তিনি বললেন , আমি আমার ছেলের জন্য কাঁদছি । তুমি কি বলেছিলে যে সে তোমার সব কিছুর যোগান দিত ? তারা বলতে লাগলো , তুমি কি বলেছিলে যে সে কিছু জন্ম দিয়েছে ? সে বলতে লাগলো না , তুমি তাকে কাঁদতে না বলতে বললে , সে বলতে লাগলো তুমি কে ? আপনি কি আপনার নিজের লোকদের কাছে যেতে চান ? এই ঝর্ণায় প্রবেশ করার মাধ্যমে আপনি তাদের কাছে পৌঁছাবেন , তাই আপনি এতে প্রবেশ করেছেন , আপনি যত বেশি প্রবেশ করেছেন, ততই আপনার জ্ঞান বৃদ্ধি পেয়েছে , যতক্ষণ না আপনি জাতির কাছে পৌঁছেছেন, এবং আল্লাহ তাকে তার জ্ঞান ফিরিয়ে দিয়েছেন , তারপর তিনি তাওরাতকে পুনরুজ্জীবিত করেছেন এবং জ্ঞানকে পুনরুজ্জীবিত করেছেন । আবদুল্লাহ ইবনে সালাম বলেছেন । এটি হযরত উযাইর (রা.) এর ঘটনা । হজরত সুলাইমান (আ . ) ভ্রমণের সময় এক জায়গায় অবস্থান করেন এবং তিনি পানির দূরত্ব জানতেন না বলে জিজ্ঞেস করেন কে জানে ? লোকে বলেছিল যে তুমি তখন তাকে খুঁজছিলে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৮৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32585 OK

(৩২৫৮৫)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۸۶) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ وَوَکِیعٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مُرَّۃَ ، عَنْ أَبِی الأَحْوَصِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إنِّی أَبْرَأُ إِلَی کُلِّ خَلِیلٍ مِنْ خُلَّتِہِ غَیْرَ أَنَّ اللَّہَ اتَّخَذَ صَاحِبَکُمْ خَلِیلاً ، وَلَوْ کُنْتُ مُتَّخِذًا خَلِیلاً لاتَّخَذْتُ أَبَا بَکْرٍ خَلِیلاً ، إلاَّ أَنَّ وَکِیعًا قَالَ : مِنْ خِلِّہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৫৮৬ ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ ( রা . ) বলেন , হজরত রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : আমি নিশ্চিত যে প্রত্যেক বন্ধু তার বন্ধুর চেয়ে উত্তম , কিন্তু আল্লাহ তোমাকে বন্ধু বানিয়েছেন । আর আমি যদি কাউকে বন্ধু বানাতাম তবে আবু বকর (রাঃ) কে বন্ধু করতাম । আর হযরত ওয়াকিয়া ( রহঃ ) মানখলার বাণী উদ্ধৃত করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৮৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32586 OK

(৩২৫৮৬)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۸۷) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، قَالَ : قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ فِی الجد : أَمَّا الَّذِی قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لَوْ کُنْتُ مُتَّخِذًا مِنْ ہَذِہِ الأُمَّۃِ خَلِیلاً لاتَّخَذْتُہُ ، فَقَضَاہُ أَبًا۔ (بخاری ۳۶۵۶۔ دارمی ۲۹۱۰)


থেকে বর্ণিতঃ

(32587) হজরত ইকরামা (রা.) বলেন , হজরত ইবনে আব্বাস ( রা. ) জাদ সম্পর্কে বলেছেন : সেই ব্যক্তি যার সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : যদি আমি হতাম । এই উম্মতের কাউকে বন্ধু বানাতে হলে আমি আবু বকরকে বানাব। তাই হজরত আবু বকর ( রা . ) তার পিতার পক্ষে সিদ্ধান্ত নেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৮৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32587 OK

(৩২৫৮৭)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۸۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عَطِیَّۃَ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: إنَّ أَہْلَ الدَّرَجَاتِ الْعُلَی لَیَرَوْنَ مَنْ ہُوَ أَسْفَلُ مِنْہُمْ کَمَا تَرَوْنَ الْکَوْکَبَ الطَّالِعَ فِی الأُفُقِ مِنْ آفَاقِ السَّمَائِ، وَإِنَّ أَبَا بَکْرٍ وَعُمَرَ مِنْہُمْ وَأَنْعَمَا۔ (ترمذی ۳۶۵۸۔ احمد ۲۷)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৫৮৮) হজরত আবু সাঈদ ( রা.) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : নিশ্চয়ই জান্নাতে তাদের থেকে নিম্ন মর্যাদার লোকদের দেওয়া হবে , লোকেরা এদিক থেকে তোমাকে দেখতে পাবে আকাশে নক্ষত্রটি উদিত হওয়া দেখুন . আর নিঃসন্দেহে হজরত আবু বকর (রা.) এবং হজরত ওমর (রা.) এই লোকদের মধ্যে থাকবেন এবং তারা সুন্দর জীবনযাপন করবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৮৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32588 OK

(৩২৫৮৮)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۸۹) حَدَّثَنَا یُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا فُلَیْحُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ سَالِمٍ أَبِی النَّضْرِ ، عَنْ عُبَیْدِ بْنِ حُنَیْنٍ وَبُسْرِ بْنِ سَعیدٍ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ الْخُدْرِیِّ ، قَالَ : خَطَبَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ النَّاسَ ، فَقَالَ : إنَّ أَمَنَّ النَّاسِ عَلَیَّ فِی صُحْبَتِہِ وَمَالِہِ أَبُو بَکْرٍ ، وَلَوْ کُنْتُ مُتَّخِذًا مِنَ النَّاسِ خَلِیلاً لاتَّخَذْت أَبَا بَکْرٍ ، وَلَکِنْ أُخُوَّۃُ الإسْلاَمِ وَمَوَدَّتُہُ ، لاَ یَبْقَی فِی الْمَسْجِدِ بَابٌ إلاَّ سُدَّ إلاَّ بَابَ أَبِی بَکْرٍ۔ (بخاری ۳۹۰۴۔ مسلم ۱۸۵۵)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩২৫৮৯) হজরত আবু সাঈদ আল - খুদরি ( রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা. ) লোকদের উদ্দেশে বললেন , নিশ্চয়ই আবু বকর ( রা . ) তাঁর ভালোবাসা ও সম্পদের দিক থেকে আমার কাছে সবচেয়ে বেশি দয়ালু । আমি যদি আমার বন্ধুদের একজনকে বন্ধু বানাতে পারি , তাহলে আমি আবু বকরকে বন্ধু বানাতাম, কারণ তার মধ্যে ইসলামী ভ্রাতৃত্ব ও ভালোবাসা রয়েছে । আর আবু বকরের দরজা ব্যতীত মসজিদে খোলা সমস্ত দরজা বন্ধ করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৮৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32589 OK

(৩২৫৮৯)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۹۰) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی صَالِحٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَا نَفَعَنِی مَالٌ مَا نَفَعَنِی مَالُ أَبِی بَکْرٍ ، قَالَ : فَبَکَی أَبُو بَکْرٍ ، فَقَالَ : ہَلْ أَنَا وَمَالِی إلاَّ لَکَ یَا رَسُولَ اللہِ۔ (ترمذی ۳۶۶۱۔ احمد ۲۵۳)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩২৫৯০) হজরত আবু হুরায়রা ( রা. ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা. ) বলেছেন : আবু বকরের ধন-সম্পদ যতটা লাভবান হয়েছে , কারো ধন - সম্পদ আমাকে ততটা উপকার করেনি । বর্ণনাকারী বলেনঃ এ কথা শুনে হযরত আবু বকর (রাঃ) কেঁদে ফেললেন । অতঃপর তিনি বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি এবং আমার ধন - সম্পদ আপনার জন্য ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) !
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৮৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32590 OK

(৩২৫৯০)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۹۱) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ أَشْعَثَ بن أَبِی الشَّعْثَائِ ، عَنِ الأَسْوَدِ بْنِ ہِلاَلٍ ، أَنَّ أَعْرَابِیًّا لَہُمْ قَالَ : شَہِدْتُ صَلاَۃَ الصُّبْحِ مَعَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ذَاتَ یَوْمٍ فَأَقْبَلَ عَلَی النَّاسِ بِوَجْہِہِ ، فَقَالَ : رَأَیْت أُنَاسًا مِنْ أُمَّتِی الْبَارِحَۃَ وُزِنُوا ، فَوُزِنَ أَبُو بَکْرٍ فَوَزَنَ ، ثُمَّ وُزِنَ عُمَرُ فَوَزَنَ۔ (احمد ۶۳)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩২৫৯১ ) হজরত আসওয়াদ বিন হিলাল ( রা . ) বলেন , আরবরা তাদের প্রহার করেছে ! একদিন আমি নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর সাথে ফজরের নামায পড়লাম অতঃপর তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাঁর দিকে মুখ করে বললেনঃ আমি গত রাতে তা দেখেছি মানুষের কর্মের ওজন করা হয়েছিল . সুতরাং আবু বকর (রাঃ)-এর আমলকে ওজন করা হলে তা ওজনদার হয়ে গেল , আর হযরত ওমর (রাঃ ) -এর আমলকে ওজন করা হলে তাও ওজনদার হয়ে গেল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৯০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32591 OK

(৩২৫৯১)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۹۲) حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، قَالَ : حدَّثَنَا ہَمَّامٌ ، قَالَ : حَدَّثَنَا ثَابِتٌ ، عَنْ أَنَسٍ ، أَنَّ أَبَا بَکْرٍ حَدَّثَہُ ، قَالَ : قُلْتُ لِلنَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَنَحْنُ فِی الْغَارِ : لَوْ أَنَّ أَحَدَہُمْ یَنْظُرُ إِلَی قَدَمَیْہِ لأَبْصَرَنَا تَحْتَ قَدَمَیْہِ ، فَقَالَ : یَا أَبَا بَکْرٍ ، مَا ظَنُّک بِاثْنَیْنِ اللَّہُ ثَالِثُہُمَا۔ (ترمذی ۳۰۹۶۔ احمد ۴)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৫৯২ ) হজরত আনাস ( রা. ) বলেন , হজরত আবু বকর ( রা. ) বলেন , আমরা গুহায় থাকা সত্ত্বেও আমি রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - কে জিজ্ঞেস করেছিলাম । এই লোকদের কেউ যদি তার পায়ের দিকে তাকায় , সে আমাদের তার পায়ের নীচে দেখতে পাবে ! তখন আপনি ( রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) বললেনঃ হে আবু বকর ! যাদের মাথা আল্লাহ তায়ালা এই দুজন সম্পর্কে আপনার কি ধারণা ? !
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৯১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32592 OK

(৩২৫৯২)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۹۳) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ أَبِی مَالِکٍ الأَشْجَعِیِّ ، عَنْ سَالِمٍ ، قَالَ : قلْت لابْنِ الْحَنَفِیَّۃِ : أَبُو بَکْرٍ کَانَ أَوَّلَ الْقَوْمِ إسْلاَمًا ، قَالَ : لاَ ، قُلْتُ مِمَّ عَلاَ أَبُو بَکْرٍ ، وَبَسَقَ حَتَّی لاَ یُذْکَرَ غَیْرُ أَبِی بَکْرٍ ، فَقَالَ : کَانَ أَفْضَلَہُمْ إسْلاَمًا حِینَ أَسْلَمَ حَتَّی لَحِقَ بِاللہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩২৫৯৩) হজরত সেলিম (রা.) বলেন , আমি হজরত ইবনে হানাফী ( রা.)-কে জিজ্ঞেস করলাম , হজরত আবু বকর (রা.) কি ইসলাম গ্রহণকারী প্রথম ব্যক্তি ছিলেন ? তিনি বললেনঃ না ! আমি বললাম ! তাহলে হজরত আবু বকর (রা.) কেন উচ্চ মর্যাদা ও খ্যাতি অর্জন করেছিলেন , যদিও আবু বকর (রা. ) ছাড়া অন্য কারো কথা উল্লেখ করা হয়নি ? তখন তিনি ( রাঃ) বললেনঃ যখন আপনি (রাঃ) ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন, তখন আপনি (রাঃ) ইসলামের দিক থেকে সর্বোত্তম ছিলেন, যতক্ষণ না আপনি ( রাঃ ) আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৯২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32593 OK

(৩২৫৯৩)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۹۴) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ خَالِدٍ ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَرْحَمُ أُمَّتِی أَبُو بَکْرٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৫৯৪ ) হজরত আবু কালাবা ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : আবু বকর ( রা . ) উম্মতের মধ্যে সবচেয়ে দয়ালু
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৯৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



32594 OK

(৩২৫৯৪)

সহিহ হাদিস

(۳۲۵۹۵) حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ عَوْفٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ نَعَتَ یَوْمًا الْجَنَّۃَ ، وَمَا فِیہَا مِنَ الْکَرَامَۃِ ، فَقَالَ فِیمَا یَقُولُ : إنَّ فِیہَا لَطَیْرًا أَمْثَالَ الْبُخْتِ ، فَقَالَ أَبُو بَکْرٍ : یَا رَسُولَ اللہِ ، إنَّ تِلْکَ الطَّیْرَ نَاعِمَۃٌ ، فَقَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : یَا أَبَا بَکْرٍ ، مَنْ یَأْکُلُ مِنْہَا أَنْعَمُ مِنْہَا ، وَاللہِ یَا أَبَا بَکْرٍ ، إنِّی لأَرْجُو أَنْ تَکُونَ مِمَّنْ یَأْکُلُ مِنْہَا۔ (احمد ۲۲۱)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩২৫৯৫ ) হজরত হাসান ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন জান্নাত ও তাতে পাওয়া নেয়ামতের কথা উল্লেখ করলেন , তখন তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর কথা বললেন এটা : নিঃসন্দেহে এতে যে পাখিগুলো পাওয়া যাবে সেগুলো খোরাসানের উটের মতো হবে । তখন আবু বকর (রাঃ) বললেন , হে আল্লাহর রাসূল! সেই পাখিগুলোও কি মোটা হবে ? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আবু বকর ! যে এগুলি খাবে সে এতে খুশি হবে। আল্লাহর কসম ! হে আবু বকর! আমি আশা করি আপনি যারা এগুলো খাবেন তাদের মধ্যে থাকবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২৫৯৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস