
(۵۰۰۳) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِیزِ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ سَالِمٍ ، وَعَامِرٍ ، قَالاَ : إذَا کُنْتَ فِی مَائٍ وَطِینٍ لاَ تَجِدُ مَکَانًا تَسْجُدُ عَلَیْہِ ، فَأَوْمِیئْ بِرَأْسِکَ إیمَائً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5003) হজরত সেলিম ও হজরত আমীর বলেন, আপনি যখন কারো জায়গায় থাকেন এবং আপনার সিজদা করার জায়গা না থাকে , তখন ইশারা করে সেজদা করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۰۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ جَرِیرِ بْنِ حَازِمٍ ، عَنْ غَالِبِ بْنِ سُلَیْمَانَ ، عَنْ رَجُلٍ مِنْ حُدَّان ، عَنْ جَابِرِ بْنِ زَیْدٍ ؛ أَنَّہُ وَقَعَ فِی مَائٍ وَطِینٍ فَجَعَلَ یَرْکَعُ ، فَإِذَا أَرَادَ أَنْ یَسْجُدَ أَوْمَأَ ، فَقُلْتُ لَہُ ؟ فَقَالَ : یَا أَحْمَقُ ، أَتُرِیدُ أَنْ أُفْسِدَ ثِیَابِی؟
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫০০৪ ) হাদানের এক ব্যক্তি বলেন যে , হযরত জাবির বিন যায়েদ জুতা পরে নামাজ পড়ছিলেন । আমি তাকে প্রশ্ন করলে সে বলল , তুমি বোকা ! সে কি চায় আমি আমার জামাকাপড় নষ্ট করি ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۰۵) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنْ یَحْیَی ، عَنْ ضَمْضَمٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَمَرَ بِقَتْلِ الأَسْوَدَیْنِ فِی الصَّلاَۃ ، الْحَیَّۃِ وَالْعَقْرَبِ۔ (ابن ماجہ ۱۲۴۵۔ احمد ۲/۲۴۸)
থেকে বর্ণিতঃ
(৫০০৫) হজরত আবু হারি রহঃ বলেন , নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুটি কালো বস্তু , একটি সাপ ও একটি বিচ্ছুকে হত্যা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۰۶) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ ، عَنْ بُرْدٍ ، عَنْ سُلَیْمَانَ بْنِ مُوسَی ، قَالَ : رَأَی نَبِیُّ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ رَجُلاً یُصَلِّی جَالِسًا ، فَقَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لِمَ تُصَلِّی جَالِسًا ؟ فَقَالَ : إنَّ عَقْرَبًا لَسَعَتْنِی ، قَالَ : فَإِذَا رَأَی أَحَدُکُمْ عَقْرَبًا ، وَإِنْ کَانَ فِی الصَّلاَۃ ، فَلْیَأْخُذْ نَعْلَہُ الْیُسْرَی ، فَلْیَقْتُلْہَا بِہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫০০৬) হজরত সুলাইমান ইবনে মূসা ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এক ব্যক্তিকে দেখলেন যে বসে বসে সালাত আদায় করছে । আপনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন আপনি বসে বসে নামাজ পড়ছেন কেন ? তিনি বলেন , আমাকে বিচ্ছু কামড়েছে । মহানবী ( সা . ) বলেছেন , নামাজের সময় যখন তুমি বিচ্ছু দেখবে , তখন তোমার জুতা নিয়ে তা মেরে ফেলবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۰۷) حَدَّثَنَا حُمَیْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ حَسَنٍ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ؛ أَنَّ عَلِیًّا قَتَلَہَا وَہُوَ فِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫০০৭) হজরত ইবনে আবি লায়লা বলেন , হযরত আলী নামাজরত অবস্থায় একটি বিচ্ছু মেরেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۰۸) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ دِینَارٍ ؛ رَأَی ابْنُ عُمَرَ رِیشَۃً وَہُوَ یُصَلِّی ، فَحَسِبَ أَنَّہَا عَقْرَبٌ ، فَضَرَبَہَا بِنَعْلِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫০০৮) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে দীনার বলেন , হজরত ইবনে উমর ( রা . ) নামাযে কিছু নড়াচড়া করতে দেখে একে বিচ্ছু মনে করলেন এবং জুতা দিয়ে মেরে ফেললেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۰۹) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ شعبۃ ، عَنْ أَبِی الْعَالِیَۃِ ؛ أَنَّہُ قَتَلَہَا وَہُوَ یُصَلِّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5009) হজরত শুবা বলেন , হজরত আবু আলী নামাজের সময় একটি বিচ্ছু মেরেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۱۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بَأْسًا بِقَتْلِہَا وَہُوَ فِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5010) হযরত হাসান বলেন , নামাযের সময় বিচ্ছু মারা জায়েজ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۱۱) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ ، عَنْ سَلْم بْنِ أَبِی الذَّیَّالِ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : یَقْتُلُہَا وَہُوَ یُصَلِّی ، قَالَ : وَقَالَ قَتَادَۃُ : إذَا لَمْ تَعْرِضْ لَکَ فَلاَ تَقْتُلْہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5011) হযরত হাসান বলেন , নামাজের সময় বিচ্ছু মারা জায়েজ । হযরত কাতাদা বলেন , যদি সে তোমার কাছে না আসে তবে তাকে হত্যা করো না।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۱۲) حَدَّثَنَا عَبَّادٌ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : اقْتُلْہَا وَأَنْتَ فِی الصَّلاَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5012) হযরত আতা (রাঃ) বলেন , আপনি নামাজের মাধ্যমে একটি বিচ্ছু মারতে পারেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۱۳) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ فُضَیْلٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ أَنَّہُ قَالَ فِی الْعَقْرَبِ یَرَاہَا الرَّجُلُ فِی الصَّلاَۃ ، قَالَ : اصْرِفْہَا عَنْک ، قُلْتُ : فَإِنْ أَبَتْ ؟ قَالَ : اصْرِفْہَا عَنْک ، قُلْتُ : فَإِنْ أَبَتْ ؟ قَالَ : فَاقْتُلْہَا ، وَاغْسِلْ مَکَانَہَا الَّذِی قَتَلْتہَا فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5013) হজরত ফাজিল বলেন , হজরত ইব্রাহিম (আ . ) বলেছেন , কোনো ব্যক্তি নামাজের সময় বিচ্ছু দিলে তাকে তা সরিয়ে দিতে হবে । আমি বললাম সে যদি আবার তার দিকে এগিয়ে যায় ? আবার সরিয়ে দিতে বললেন । আমি বললাম যদি সে আবার তার দিকে এগিয়ে যায় ? তাকে মেরে তার জায়গা ধুয়ে দিতে বলেছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۱۴) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ؛ أَنَّ مُوَرِّقًا قَتَلَہَا وَہُوَ یُصَلِّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5014) হযরত কাতাদাহ বলেন , হযরত মুরাক নামাজের সময় একটি বিচ্ছু মেরেছিলেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۱۵) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ أَنَّہُ سُئِلَ عَنْ قَتْلِ الْعَقْرَبِ فِی الصَّلاَۃ ؟ فَقَالَ : إنَّ فِی الصَّلاَۃ لَشُغْلاً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5015 ) হজরত মুগীরাহ বলেন , হজরত ইবরাহীম (আ. ) - কে নামাজের সময় একটি বিচ্ছু মারা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন , নামাজ তার নিজস্ব ব্যস্ততা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۱۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِیدِ بْنِ جَعْفَرٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ تَمِیمِ بْنِ مَحْمُودٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ شِبْلٍ ، قَالَ : نَہَی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَنْ یُوَطِّنَ الرَّجُلُ الْمَکَانَ یُصَلِّی فِیہِ کَمَا یُوَطِّنُ الْبَعِیرُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5016) হজরত আবদ আল-রহমান বিন শাবুল বলেন যে , মহানবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) সালাতের জন্য নিয়মিত স্থান নির্ধারণ করতে নিষেধ করেছেন যা একটি উটের মতো , এটি নিজের জন্য একটি স্থান নির্ধারণ করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۱۷) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ الْقَطَّانُ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یَتَّخِذُ فِی بَیْتِہِ مَکَانًا یُصَلِّی فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5017) হজরত নাফি বলেন, হজরত ইবনে উমর ( রা.) তাঁর বাড়িতে নামাজ পড়ার জন্য কোনো বিশেষ জায়গা তৈরি করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۱۸) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ نَبِیہٍ ، عَنْ جُمْہَانَ ، قَالَ : رَأَیْتُ سَعْدًا جَائَ مِرَارًا وَالنَّاسُ فِی الصَّلاَۃ ، فَمَشَی بَیْنَ الصَّفِّ وَالْجِدَارِ حَتَّی انْتَہَی إلَی مُصَلاَّہُ ، وَکَانَ یُصَلِّی عِنْدَ الاسْطُوَانَۃِ الْخَامِسَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5018 ) হজরত জামহান বলেন , আমি হজরত সাদ (রা.)-কে বহুবার দেখেছি যে , তিনি মসজিদে এসেছেন এবং লোকেরা নামাজ পড়ছেন । তারা সারি ও প্রাচীরের মাঝখানে হেঁটে তাদের নামাযের স্থানে পৌঁছে গেল । তিনি পঞ্চম স্তম্ভের কাছে নামাজ পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۱۹) حَدَّثَنَا سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ أَبِی یَزِیدَ ، قَالَ : رَأَیْتُ الْمِسْوَرَ بْنَ مَخْرَمَۃَ بَعْدَ مَا تُقَامُ الصَّلاَۃُ یَتَخَلَّلُ الصُّفُوفَ حَتَّی یَنْتَہِیَ إلَی الثَّانِی ، أَوِ الأَوَّلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5019) হযরত উবায়েদ আল্লাহ ইবনে আবি রা ইয়াযীদ বলেন , আমি হযরত মাসূর বিন মুখরামাকে দেখেছি যে , জামাত দাঁড়ানোর পর তিনি প্রথমে তাদের পাশ দিয়ে সারিবদ্ধভাবে চলে গেলেন । আমি দ্বিতীয় সারিতে পৌঁছেছি .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۲۰) حَدَّثَنَا مَعْنُ بْنُ عِیسَی ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ صَالِحٍ التَّمَّارِ ، قَالَ : رَأَیْتُ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ یَلْزَمُ مُصَلًّی وَاحِدًا فِی الْمَسْجِدِ یُصَلِّی فِیہِ ، وَلاَ یُصَلِّی فِی غَیْرِہِ ، وَرَأَیْت سَعِیدَ بْنَ الْمُسَیَّبِ یَفْعَلُ ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৫০২০) হজরত মুহাম্মদ বিন সালেহ বলেন , আমি হজরত কাসিম বিন মুহাম্মদকে দেখেছি যে , তিনি মসজিদের একটি নির্দিষ্ট স্থানে নামাজের ইমামতি করতেন, কিন্তু ওই স্থান ছাড়া অন্য কোনো নামাজ পড়তেন না আমি হযরত সাঈদ বিন মুসাইব রা. - কেও একই কাজ করতে দেখেছি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۲۱) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ سُئِلَ عَنْ قَوْمٍ انْکَسَرَتْ بِہِمْ سَفِینَتُہُمْ ، فَأَدْرَکَتْہُمُ الصَّلاَۃ وَہُمْ فِی الْمَائِ ؟ قَالَ : یُومِئُونَ إِیمَائً ، فَإِنْ خَرَجُوا عُرَاۃً ؟ قَالَ : یُصَلُّونَ قُعُودًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5021 ) হজরত ইবনে জারিজ বলেন , হজরত আতা (রা.) - কে সেসব লোক সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল , যাদের জাহাজ ভেঙে যায় এবং তাদের নামাযের সময় হয়ে যায় । তিনি ইশারায় নামাজ পড়বেন বলে জানান । উলঙ্গ হয়ে বের হলে বসে নামাজ পড়বে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۲۲) حَدَّثَنَا عِیسَی بْنُ یُونُسَ ، عَنِ الأَوْزَاعِیِّ ، عَنْ وَاصِلٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ؛ أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِیزِ سَأَلَہُ عَنْ قَوْمٍ انْکَسَرَتْ بِہِمْ سَفِینَتُہُمْ ، فَخَرَجُوا ، فَحَضَرَتِ الصَّلاَۃُ ؟ فَقَالَ : یَکُونُ إِمَامُہُمْ مَیْسَرَتَہُمْ ، وَیَصُفُّونَ صَفًّا وَاحِدًا ، وَیَسْتَتِرُ کُلُّ رَجُلٍ مِنْہُمْ بِیَدِہِ الْیُسْرَی عَلَی فَرْجِہِ مِنْ غَیْرِ أَنْ یَمَسَّ الْفَرْجَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৫০২২) হজরত মুজাহিদ বলেন , তিনি হজরত ওমর ইবনে আবদুল আজিজ ( রা . ) -কে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে , যাদের নৌকা ভেঙ্গে যায় এবং তারা যদি নামাযের সময় হয়ে যায় এবং তাদের শরীরে কাপড় নেই ) তাহলে তারা কী করবে ? বলুন , তাদের ইমাম তাদের বাম দিকে থাকবে । তারা সবাই একটি সারি গঠন করবে . প্রত্যেক পুরুষ তার বাম হাত দিয়ে তার গোপন স্থান ঢেকে রাখবে কিন্তু কোন গোপন স্থান স্পর্শ করবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۲۳) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ فِی الْقَوْمِ تَنْکَسِرُ بِہِمُ السَّفِینَۃُ فَیَخْرُجُونَ عُرَاۃً ، کَیْفَ یُصَلُّونَ ؟ قَالَ : جُلُوسًا ، وَإِمَامُہُمْ وَسَطُہُمْ ، وَیَسْجُدُونَ وَیَغُضُّونَ أَبْصَارَہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৫০২৩) যাদের নৌকা ভেঙ্গে যায় এবং তারা উলঙ্গ অবস্থায় সেখান থেকে বের হয় তাদের সম্পর্কে হজরত হাসান বলেন , তারা বসে সালাত আদায় করবে , তাদের ইমাম হবে তাদের মাঝখানে এবং তারা সেজদা করার সময় তাদের দৃষ্টি অবনত রাখবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۲۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ بْنِ یَزِیدَ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ فِی الْعُرَاۃِ ، قَالَ : یُصَلُّونَ قُعُودًا ، یُومِئُونَ إِیمَائً ، یَقُومُ إِمَامُہُمْ وَسَطَہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৫০২৪) বস্ত্র বঞ্চিত ব্যক্তিদের সম্পর্কে হযরত আতা বলেন যে, তারা বসে সালাত আদায় করবে এবং তাদের মাঝখানে তাদের ইমাম থাকবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۲۵) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ ، عَنْ حُمْرَانَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : الْغَرِیقُ یَسْجُدُ عَلَی مَتْنِ الْمَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫০২৫) হজরত হাসান বলেন , পানিতে নিমজ্জিত ব্যক্তি পানির উপরিভাগে সিজদা করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস