
(۴۷۹۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مُغِیرَۃُ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ فِی رَجُلٍ نَسِیَ الظُّہْرَ ، ثُمَّ ذَکَرَہَا وَہُوَ فِی الْعَصْرِ ، قَالَ : یَنْصَرِفُ فَیُصَلِّی الظُّہْرَ ، ثُمَّ یُصَلِّی الْعَصْرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৭৯৩) যে ব্যক্তি যোহরের নামায পড়তে ভুলে যায় এবং আছরের সময় যোহরের নামাযের কথা মনে পড়ে , সে যেন আসরের নামায ভেঙ্গে আগে যোহরের নামায পড়ে , পরে আসরের নামায পড়ে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۹۴) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مُغِیرَۃُ فِی حَدِیثِہِ : وَإِنْ ذَکَرَہَا بَعْدَ مَا صَلَّی الْعَصْرَ فَقَدْ مَضَتْ ، وَیُصَلِّی الظُّہْرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪৭৯৪ ) হজরত মুগীরাহ তার বর্ণনায় বলেন , আসরের নামায পড়ার পর মনে পড়লে আসরের নামায হয়ে গেছে এবং এখন যোহরের নামায পড়তে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۹۵) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، قَالَ : إِنْ ذَکَرَ وَہُوَ فِی الصَّلاَۃ ، انْصَرَفَ فَصَلَّی الظُّہْرَ، ثُمَّ صَلَّی الْعَصْرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪৭৯৫ ) হজরত জাহরি বলেন , একজন ব্যক্তির উচিত আসরের সালাত আদায় করা । যদি তার মনে পড়ে যে সে যোহরের নামায পড়েনি , তাহলে সে এই নামায ভঙ্গ করে প্রথমে যোহরের নামায পড়বে এবং তারপর আসরের নামায পড়বে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۹۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، قَالَ : سَأَلْتُ الْحَکَمَ وَحَمَّادًا عَنْ رَجُلٍ ذَکَرَ صَلاَۃً وَہُوَ فِی صَلاَۃٍ ؟ قَالاَ : إِنْ ذَکَرَہَا قَبْلَ أَنْ یَتَشَہَّدَ ، أَوْ یَجْلِسَ مِقْدَارَ التَّشَہُّدِ تَرَکَ ہَذِہِ وَعَادَ إلَی تِلْکَ ، وَإِنْ ذَکَرَہَا بَعْدَ ذَلِکَ اعْتَدَّ بِہَذِہِ ، وَعَادَ إلَی تِلْکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৭৯৬) হজরত শুবা বলেন , আমরা হজরত হাকাম ও হজরত হামাদকে ওই ব্যক্তির সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে একটি নামাজ পড়ে অন্য নামাজের কথা স্মরণ করে । এই দুইজন বলেছেন যে, যদি তার তাশাহহুদ পড়ার আগে বা তাশাহহুদের জন্য বসার আগে স্মরণ হয় , তবে সে যেন এই নামাযটি বাদ দিয়ে প্রথমে এই নামাযটি আদায় করে এবং যদি তাশাহহুদের পরে স্মরণ করে তবে সে যেন এই নামাযটি গণনা করে দ্বিতীয়টিতে ফিরে যায় প্রার্থনা
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۹۷) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مَنْصُورٌ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : یُصَلِّی الْعَصْرَ ، فَإِذَا فَرَغَ صَلَّی الظُّہْرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৭৯৭) হযরত হাসান বলেন , ( যোহরের নামায ছুটে গেলে ) প্রথমে আসরের নামায পড়বেন তারপর যোহরের নামায পড়বেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۹۸) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ طَاوُوسٍ ، قَالَ : إذَا ذَکَرَ وَہُوَ فِی الْعَصْرِ أَنَّہُ لَمْ یُصَلِّ الظُّہْرَ ، فَإِنَّہُ یُصَلِّی الْعَصْرَ ، ثُمَّ یُصَلِّی الظُّہْرَ بَعْدُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৭৯৮) হযরত তাওয়াস বলেন , আছরের নামাযের সময় যদি কোন ব্যক্তির মনে পড়ে যে, সে যোহরের নামায পড়েনি , তাহলে সে প্রথমে আসরের সালাত আদায় করবে এবং তারপর যোহরের সালাত আদায় করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۹۹) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ مَالِکِ بْنِ أَنَسٍ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ : إذَا ذَکَرْتَ وَأَنْتَ تُصَلِّی الْعَصْرَ أَنَّک لَمْ تُصَلِّ الظُّہْرَ ، مَضَیْت فِیہَا ، ثُمَّ صَلَّیْت الظُّہْرَ ، فَإِذَا صَلَّیْتَ الْعَصْرَ وَذَکَرْت أَنَّک لَمْ تُصَلِّ الظُّہْرَ فَصَلَّیْت أَجْزَأَتْک۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৭৯৯) হযরত ইবনে উমর ( রাঃ ) বলতেন , আসরের নামাযের সময় যদি মনে পড়ে যে তুমি যোহরের নামায পড়নি , তাহলে আসরের নামায পড়তে থাক , তারপর যোহরের নামায পড় । আসরের নামায পড়ার পর যখন মনে পড়ে যে , তুমি যোহরের নামায পড়নি , তখন তোমার আসরের নামায পড়ে গেছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۸۰۰) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنِ الْحَسَنِ ، مِثْلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৮০০) হযরত হাসান থেকেও এটা হস্তান্তরযোগ্য নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৮০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۸۰۱) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ فِی رَجُلٍ صَلَّی بِقَوْمٍ الظُّہْرَ وَہِیَ لَہُ الْعَصْرُ ، قَالَ : تَمَّتْ صَلاَتُہُ ، وَیُعِیدُ مَنْ خَلْفَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪৮০১ ) হযরত ইব্রাহীম ( আঃ ) যে ব্যক্তি লোকদের যোহরের নামাযের ইমামতি করে তার সম্পর্কে বলেন , এটা তার আসরের নামাযই হোক যে , তার নামায মুক্তাদা আদায় করবে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৮০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۸۰۲) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ خَالِدٍ ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ ، قَالَ : لاَ تُجْزِئُ صَلاَۃٌ وَاحِدَۃٌ عَنْ قَوْمَیْنِ شَتَّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৮০২) হজরত আবু কালাবা বলেন, দুটি ভিন্ন নামায দ্বারা একটি জামাত গঠন করা যায় না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৮০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۸۰۳) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ مَنْصُورٍ ، قَالَ : انْتَہَیْت إلَی الْمَسْجِدِ الْجَامِعِ وَأَنَا أَرَی أَنَّہُمْ لَمْ یُصَلُّوا الظُّہْرَ ، فَقُمْتُ أَتَطَوَّعُ حَتَّی أُقِیمَتِ الصَّلاَۃ ، فَلَمَّا صَلَّوْا إذَا ہِیَ الْعَصْرُ ، فَقُمْت فَصَلَّیْت بِہِمُ الظُّہْرَ ، ثُمَّ صَلَّیْت الْعَصْرَ ، ثُمَّ أَتَیْتُ الْحَسَنَ ، فَذَکَرْت ذَلِکَ لَہُ فَأَمَرَنِی بِمِثْلِ الَّذِی صَنَعْت۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪৮০৩ ) হজরত ইবাদ বিন মনসুর বলেন , আমি জামে মসজিদে এসে দেখলাম , লোকেরা দুপুরের নামাজ পড়েনি । দুপুরের জন্য অপেক্ষা করার সময় , জামাত না হওয়া পর্যন্ত আমি নফিল পড়তে লাগলাম । যখন তিনি নামায শেষ করলেন , আমি জানতে পারলাম এটা আসরের সালাত । তাই আমি আবার আমার দুপুরের নামায পড়লাম অতঃপর তিনি আসরের নামায পড়লেন । অতঃপর আমি হজরত হাসান ( রা . ) -এর কাছে এলাম এবং তাঁর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলাম , তখন তিনি আমাকে যা করেছি তা করার নির্দেশ দিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৮০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۸۰۴) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِیرِینَ ، عَنْ کَثِیرِ بْنِ أَفْلَحَ ، قَالَ : انْتَہَیْنَا إلَی الْمَسْجِدِ وَلَمْ أُصَلِّ الْمَغْرِبَ ، فَأُقِیمَتِ الصَّلاَۃ فَصَلَّیْت مَعَہُمْ وَأَنَا أَرَی أَنَّہَا الْمَغْرِبُ ، فَإِذَا ہِیَ الْعِشَائُ ، فَقُمْت فَصَلَّیْت الْمَغْرِبَ ، ثُمَّ صَلَّیْت الْعِشَائَ ، ثُمَّ سَأَلْتُ ، فَأَمَرُونِی بِالَّذِی صَنَعْت۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪৮০৪ ) হজরত কাশির বিন আফলাহ বলেন , আমি মসজিদে পৌঁছেছি , আমি এখন পর্যন্ত মাগরিবের নামাজ পড়িনি । জামাত উঠার সাথে সাথে আমি মাগরিবের নামায ভেবে তাদের সাথে নামায পড়লাম , কিন্তু জানতে পারলাম তারা এশার নামায পড়ছে । তাই প্রথমে মাগরিবের নামায পড়লাম তারপর এশার নামাজ পড়লাম । তারপর আমি এই বিষয়ে প্রবীণদের জিজ্ঞাসা করলাম এবং তারা আমাকে একই কাজ করার আদেশ দিলেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৮০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۸۰۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ بُرْقَانَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ؛ فِی رَجُلٍ دَخَلَ مَعَ قَوْمٍ فِی الظُّہْرِ ، وَہِیَ لَہُمُ الْعَصْرُ ؟ قَالَ : یَبْدَأُ بِالَّذِی بَدَأَ اللَّہُ بِہِ یُصَلِّی الظُّہْرَ ، ثُمَّ یُصَلِّی الْعَصْرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪৮০৫ ) হজরত জাহরি (রা.) বলেন , যে ব্যক্তি যোহরের নামাযকে ভুল বুঝে কোন জামাতে শরীক হয় যখন সে আছরের নামায পড়বে সে সেই নামায পড়বে যা আল্লাহ প্রথমে নির্ধারণ করেছেন অর্থাৎ যোহরের নামায এবং পরে আসরের সালাত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৮০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۸۰۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، قَالَ : بَلَغَنِی عَنْ طَاوُوسٍ ، وَعَطَائٍ ، أَنَّہُمَا قَالاَ : یُجْزِئُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪৮০৬ ) হযরত তাওয়াস ও হযরত আতা বলেন , তার সালাতও এভাবেই হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৮০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۸۰۷) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللہِ الأَسَدِیُّ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ أَبَا جَعْفَرٍ وَسَالِمًا ، وَالْقَاسِمَ ، وَعَطَائً عَنْ رَجُلٍ دَخَلَ مَعَ قَوْمٍ فِی الْعَصْرِ وَہُوَ یَرَی أَنَّہَا الظُّہْرُ ؟ قَالُوا : یَنْصَرِفُ فَیُصَلِّی الظُّہْرَ، ویُجْزِئُ عَنْہُ الْعَصْرُ ، قَالَ : وَسَأَلْت عَامِرًا ، وَمُسْلِمَ بْنَ صُبَیْحٍ ، فَقَالاَ : یَنْصَرِفُ فَیُصَلِّی الظُّہْرَ ، ثُمَّ یُصَلِّی الْعَصْرَ ، فَإِنَّ اللَّہَ قَدْ کَتَبَہَا عِنْدَہُ قَبْلَ الْعَصْرِ ، فَلاَ تَکُونُ لَہُ الظُّہْرُ ۔ وَقَالَ جَابِرٌ : عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، مِثْلَ ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪৮০৭) হজরত জাবির বলেন , আমি হজরত আবু জাফর, হজরত সেলিম, হজরত কাসিম ও হজরত আতা ( রা . ) - কে জিজ্ঞেস করলাম যে , যারা যোহরের নামায পড়ে জামাতে শরীক হয়েছিল । তিনি বললেন , তিনি সালামের পর যোহরের নামায পড়বেন , তবে তার আসরের নামায হবে । তিনি বলেন , আমি হজরত আমীর , হজরত মুসলিম বিন সাবিহ ( রা . ) - কে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন , তিনি প্রথমে যোহরের নামায পড়বেন এবং তারপর আসরের সালাত আদায় করবেন তাই আসরের পর যোহরের নামায পড়া যাবে না । হযরত জাবির বলেন , হযরত হামদ ও হযরত ইব্রাহিম ম এই মতামত .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৮০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۸۰۸) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، وَالْحَسَنِ ، قَالاَ : فِی رَجُلٍ دَخَلَ مَعَ قَوْمٍ فِی صَلاَۃِ الْعَصْرِ، وَہُوَ یَحْسَبُہُمْ فِی صَلاَۃِ الظُّہْرِ، فَإِذَا ہُمْ فِی الْعَصْرِ، قَالَ: یَسْتَقْبِلُ الصَّلاَتَیْنِ جَمِیعًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৮০৮) হজরত সাঈদ বিন মুসাইয়্যিব ও হযরত হাসান এমন ব্যক্তি সম্পর্কে বলেন , যে ব্যক্তি যোহরের নামায পড়ার সময় আছরের নামায পড়ছিল , তাই সে উভয় নামাযের পুনরাবৃত্তি করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৮০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۸۰۹) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا یُونُسُ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ فِی الْمُسَافِر إذَا نَسِیَ صَلاَۃً فَذَکَرَہَا فِی الْحَضَرِ: صَلَّی صَلاَۃَ السَّفَرِ، وَإِذَا نَسِیَ صَلاَۃً فِی الْحَضَرِ فَذَکَرَہَا فِی السَّفَرِ، فَلْیُصَلِّ صَلاَۃَ الْحَضَرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(4809) হজরত হাসান বলেন , কোনো মুসাফির যদি সফরে কোনো সালাত ভুলে যায় এবং সে যেন তাতে উপস্থিত হয় । যদি সে নামায পড়ে তবে সে সফরে নামায আদায় করবে এবং সফরে নামায ভুলে গেলে । নামায পড়লে হযরতের নামায পড়বে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৮০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۸۱۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، وَعُبَیْدَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ مِثْلَ ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪৮১০ ) হজরত ইব্রাহিম আ তিনি বলেন না .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৮১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۸۱۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنِ أبی الْفَضْلِ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : إذَا نَسِیَ صَلاَۃً فِی الْحَضَرِ ، فَذَکَرَہَا فِی السَّفَرِ صَلَّی صَلاَۃَ الْحَضَرِ، وَإِذَا نَسِیَ صَلاَۃً فِی السَّفَرِ فَذَکَرَہَا فِی الْحَضَرِ، صَلَّی صَلاَۃَ السَّفَرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৮১১) হজরত হাসান বলেন , যদি কোনো ব্যক্তি হাজরে নামাজ ভুলে যায় এবং সফর করে । নামায পড়লে হযরতের নামায পড়বে । আর সফরে যদি সে কোন সালাত ভুলে যায় এবং সে যেন তাতে উপস্থিত হয় নামায পড়লে সে সফরের সালাত আদায় করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৮১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۸۱۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : سَمِعْتُ سُفْیَانَ یَقُولُ : یُصَلِّی الصَّلاَۃ الَّتِی نَسِیَہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪৮১২ ) হজরত সুফীন বলেন , যে নামাজ তিনি ভুলে গিয়েছিলেন , সে একই নামাজ পড়বেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৮১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۸۱۳) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الْخَالِقِ ، عَنْ حَمَّادٍ ، قَالَ : إذَا نَسِیَ صَلاَۃً فِی الْحَضَرِ فَذَکَرَہَا فِی السَّفَرِ صَلَّی أَرْبَعًا ، وَإِذَا نَسِیَ صَلاَۃً فِی السَّفَرِ فَذَکَرَہَا فِی الْحَضَرِ ، صَلَّی صَلاَۃَ سَفَرٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৮১৩) হজরত হাম্মাদ বলেন , যদি কোনো ব্যক্তি উপস্থিতিতে নামাজ পড়তে ভুলে যায় এবং তাকে সফরে পাঠানো হয় । তারপর চার রাকাত পড়বে । আর সফরে আমি যদি কোন নামায পড়তে ভুলে যাই তাহলে অবশ্যই তাতে অংশ নিতে হবে তিনি সফরের সালাত আদায় করবেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৮১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۸۱۴) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا أَبُو الزُّبَیْرِ ، عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنْ أَبِی عُبَیْدَۃَ بْنِ عَبْدِ اللہِ ، عَنْ أَبِیہِ ؛ أَنَّ الْمُشْرِکِینَ شَغَلُوا النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَوْمَ الْخَنْدَقِ عَنْ أَرْبَعِ صَلَوَاتٍ ، حَتَّی ذَہَبَ مِنَ اللَّیْلِ مَا شَائَ اللَّہُ ، قَالَ : فَأَمَرَ بِلاَلاً فَأَذَّنَ وَأَقَامَ ، فَصَلَّی الظُّہْرَ ، ثُمَّ أَقَامَ فَصَلَّی الْعَصْرَ ، ثُمَّ أَقَامَ فَصَلَّی الْمَغْرِبَ ، ثُمَّ أَقَامَ فَصَلَّی الْعِشَائَ۔ (ترمذی ۱۷۹۔ احمد ۱/۳۷۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৮১৪) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা. ) বলেন , বদর যুদ্ধের সময় মুশরিকরা রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - কে চারটি নামাজে নিয়োজিত রেখেছিল । রাত্রির পর্যাপ্ত অংশ অতিবাহিত হলে মহানবী ( সা . ) হজরত বিলাল (রা . ) - কে নামাজের আযান দেওয়ার নির্দেশ দেন । তিনি নামাযের জন্য আযান দিলেন এবং বললেন ‘ উম্মাত’, তারপর তিনি প্রথমে যোহরের সালাত আদায় করলেন , তারপর তিনি ‘ইকামাহ’ বললেন , তারপর ‘আসরের সালাত ’ বললেন , তারপর তিনি ‘ ইকামাহ’ বললেন। তিনি মাগরিবের সালাত (নামায/ নামায /নামাজ ) বললেন , তারপর ইকামাহ করলেন এবং ইশার সালাত পড়লেন ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৮১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۸۱۵) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِی ذِئْبٍ ، عَنِ الْمَقْبُرِیِّ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی سَعِیدٍ الْخُدْرِیِّ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : حُبِسْنَا یَوْمَ الْخَنْدَقِ عَنِ الظُّہْرِ وَالْعَصْرِ وَالْمَغْرِبِ وَالْعِشَائِ ، حَتَّی کُفِینَا ذَلِکَ ، وَذَلِکَ قولہ تعالی : {وَکَفَی اللَّہُ الْمُؤْمِنِینَ الْقِتَالَ وَکَانَ اللَّہُ قَوِیًّا عَزِیزًا} فَقَامَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَأَمَرَ بِلاَلاً ، فَأَقَامَ الصَّلاَۃ ، ثُمَّ صَلَّی الظُّہْرَ کَمَا کَانَ یُصَلِّیہَا قَبْلَ ذَلِکَ ، ثُمَّ أَقَامَ الْعَصْرَ ، فَصَلَّی الْعَصْرَ کَمَا کَانَ یُصَلِّیہَا قَبْلَ ذَلِکَ ، ثُمَّ أَقَامَ الْمَغْرِبَ ، فَصَلَّی الْمَغْرِبَ کَمَا کَانَ یُصَلِّیہَا قَبْلَ ذَلِکَ ، ثُمَّ أَقَامَ الْعِشَائَ فَصَلاَّہَا کَمَا کَانَ یُصَلِّیہَا قَبْلَ ذَلِکَ ، قَبْلَ أَنْ یَنْزِلَ : {فَإِنْ خِفْتُمْ فَرِجَالاً أَوْ رُکْبَانًا}۔ (احمد ۳/۶۸۔ دارمی ۱۵۲۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৮১৫) হযরত আবু সাঈদ (রাঃ) বলেন , আমরা গাযওয়া খন্দকে যোহর , আসর, মাগরিব ও এশার নামাজ পড়তে পারিনি । হ্যাঁ , যতক্ষণ না আল্লাহ তায়ালা এই আয়াতটি নাযিল করেন { ওয়াকফ - ই -আল্লাহ-মুমিন - নি -নি-আল -কিতাল-ওয়া- কান -আল্লাহ ক্বওয়ি - ই - আ - আযিযি - জা } তখন মহানবী (সা.) তিনি ও তাঁর পরিবারের উপর দাঁড়ালেন এবং তিনি হজরত বিলালকে নামাযের জন্য দাঁড়ানোর নির্দেশ দিলেন , তারপর তিনি যোহরের সালাত আদায় করলেন যেভাবে তিনি আগে পড়তেন । অতঃপর তিনি আসরের ইকামত বললেন এবং আসরের সালাত আদায় করলেন যেভাবে তিনি আগে পড়তেন । তারপর আগের মত মাগরিবের নামায পড়ুন । অতঃপর তিনি এশার নামাযের জন্য ইকামত বললেন এবং ইশার সালাত সেভাবে আদায় করলেন যেভাবে তিনি আগে পড়তেন । এই প্রক্রিয়াটি এই আয়াত নাযিলের পূর্বের ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৮১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۸۱۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عن سَعْدِ بْنِ إِبْرَاہِیمَ ، عَن حُمَیْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، قَالَ : قَالَ عُمَرُ : مَنْ فَاتَہُ شَیْئٌ مِنْ قِرَائَتِہِ بِاللَّیْلِ ، فَصَلَّی مَا بَیْنَہُ وَبَیْنَ الظُّہْرِ ، فَکَأَنَّمَا صَلَّی بِاللَّیْلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৮১৬) হজরত উমর (রা.) বলেন , কোনো ব্যক্তির যদি রাতে তিলাওয়াত করার অভ্যাস থাকে এবং তা করতে অক্ষম হয়, তাহলে সে যেন যোহরের আগে আগে তা করে, যেন সে রাতে এ আমল করেছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৮১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۸۱۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الأَوْزَاعِیِّ ، عَنْ عَبْدَۃَ ، عَنْ أَبِی بَکْرِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ ؛ أَنَّ رَجُلاً اسْتَأْذَنَ عَلَی عُمَرَ بِالْہَاجِرَۃِ ، فَحَجَبَہُ طَوِیلاً ، ثُمَّ أَذِنَ لَہُ ، فَقَالَ : إنِّی کُنْتُ نِمْتُ عَنْ حِزْبِیْ ، فَکُنْت أَقْضِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৮১৭) হজরত আবু বকর ইবনে আমর বলেন , এক ব্যক্তি হজরত ওমর (রা.)- এর কাছে দুপুরে উপস্থিত হওয়ার অনুমতি চাইলেন । তারা তাকে বেশিক্ষণ অনুমতি দেয়নি । এরপর তিনি অনুমতি পান । হজরত উমর ( রা .) তাকে বলেন যে, তিনি রাতে কুরআনের কিছু অংশ পড়তেন , তাই তিনি তা পড়তেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৮১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۸۱۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ عُثْمَانَ الثَّقَفِیِّ ، عَنْ أَبِی عُبَیْدِ اللہِ مَوْلَی ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : قَالَ عَلِیٌّ : مَنْ فَاتَہُ شَیْئٌ مِنْ حِزْبِہِ ، فَصَلاَّہُ ارْتِفَاعَ النَّہَارِ ، فَکَأَنَّمَا صَلاَّہُ بِاللَّیْلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৮১৮) হজরত আলী (রা ) বলেন , যদি কোনো ব্যক্তি রাতের তেলাওয়াতের কোনো ফরজ মিস করেন , তবে ভোরের পর তা পাঠ করা রাতে পাঠ করার সমান ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৮১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۸۱۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَفْلَحَ ، عَنِ الْقَاسِمِ ، قَالَ : کُنَّا نَأْتِی عَائِشَۃَ قَبْلَ صَلاَۃِ الْفَجْرِ فَأَتَیْنَاہَا ذَاتَ یَوْمٍ فَإِذَا ہِیَ تُصَلِّی ، فَقَالَتْ : نِمْت عَنْ حِزْبِی فِی ہَذِہِ اللَّیْلَۃِ فَلَمْ أَکُنْ لأَدَعَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৮১৯) হজরত কাসিম বলেন , আমরা ফজরের (সম্ভবত জোহরের ) নামাযের আগে হযরত আয়েশার খেদমতে উপস্থিত হতাম এবং একদিন যখন আমরা উপস্থিত হলাম , তখন তিনি সেখানে নামাজ পড়ছিলেন তিনি বলেন , আজ রাতে যদি আমি আমার ওয়াজিফা নামায আদায় করতে না পারতাম , তাহলে আমি তা ত্যাগ করাকে সঙ্গত মনে করতাম না , তাই আমি এই সময়ে তা আদায় করছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৮১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۸۲۰) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو ، عَنْ أَبِی سَلَمَۃَ ، قَالَ : مَنْ فَاتَہُ جُزْؤُہُ مِنَ اللَّیْلِ فَقَضَاہُ قَبْلَ أَنْ تَزُولَ الشَّمْسُ ، فَقَدْ أَدْرَکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৮২০) হজরত আবু সালামা (রা) বলেন , যদি কোনো ব্যক্তির আমল রাতে মারা যায় এবং সে সূর্য ডোবার আগে তার কাযা আদায় করে, তাহলে সে যেন তার আমল পূর্ণ করল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৮২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۸۲۱) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ الْحَارِثِ ، عَنْ عَلِیٍّ (ح) وَعَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالاَ : ہُوَ کَلاَمٌ ، یَعْنِی الْفَتْحَ عَلَی الإِمَام۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪৮২১) হজরত আলী ও হজরত ইব্রাহিম বলেন , ইমামকে খাবার দেওয়া কোনো কথা নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৮২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۸۲۲) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ أَنَّہُ کان یَکْرَہُ أَنْ یَفْتَحَ عَلَی الإِمَام۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৮২২) হজরত ইব্রাহীম মনে করতেন যে ইমামকে খাবার দেয় তাকে জঘন্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৮২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস