
(۲۶۰۳) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنِ الْجُرَیْرِیِّ ، عَنْ أَبِی نَضْرَۃَ ، عَنْ کَعْبٍ ، قَالَ : إذَا رَکَعْت فَانْصَبْ وَجْہَک لِلْقِبْلَۃِ ، وَضَعْ یَدَیْک عَلَی رُکْبَتَیْک ، وَلاَ تُدَبِّح کَمَا یُدَبِّحُ الْحِمَارُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2603) হজরত কাব বলেন , যখন তুমি রুকু করবে তখন তোমার মুখ কিবলার দিকে রাখবে এবং উভয় হাত হাঁটুর ওপর রাখবে। আর মাথাটা এতটা বাঁকাও না যে সেটা গাধার মাথার মত কোমর থেকে নেমে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۴) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ، عَنْ مُغِیرَۃَ، عَنْ إبْرَاہِیمَ؛ أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ أَنْ یَرْفَعَ الرجل رَأْسَہُ إذَا کَانَ رَاکِعًا، أَوْ یُصَوِّبَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2604) হজরত মুগীরাহ বলেন , হজরত ইবরাহীম (আ.) এটাকে অপছন্দ করতেন যে , রুকু করার সময় কোনো ব্যক্তি মাথা উঁচু করে উঠুক বা পুরোপুরি সোজা করে ফেলুক ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

۲۶۰۵) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسُ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الأَسْوَدِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ التَّحَادُبَ فِی الرُّکُوعِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2605) হযরত মুজাহিদ রুকু করার সময় কাকের মত রুকু করা অপছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۶) حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ ، عَنْ حَبِیبِ بْنِ الشَّہِیدِ ، قَالَ : سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ سیرین یَقُولُ : الرُّکُوعُ ہَکَذَا ، وَوَصَفَ مُعَاذٌ أَنَّہُ یُسَوِّی ظَہْرَہُ ، لاَ یُصَوِّبُ رَأْسَہُ ، وَلاَ یَرْفَعُہُ ، قَالَ : سَمِعْتُ الْحَسَنَ یَقُولُ مِثْلَ ذَلِکَ ، غَیْرَ أَنَّ الْحَسَنَ تَکَلَّمَ بِہِ کَلاَمًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2606) হজরত হাবিব ইবনে শহীদ বলেন , আমি হজরত মুহাম্মদ ইবনে সিরীনকে বলতে শুনেছি যে , এভাবে রুকু করা হয় । তখন হযরত মুয়াজ রা এমতাবস্থায় তিনি বলেন , ব্যক্তিকে কোমর সম্পূর্ণ সোজা রাখতে হবে , এমনভাবে যেন মাথা পুরোপুরি সোজা না হয় এবং উঠানো না হয় । তারা বলেন , আমি হযরত হাসানকেও দেখেছি আমি তাকে এই কথা বলতে শুনেছি , কিন্তু হাসান এটা নিয়ে কথা বলতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۷) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ أَبِی فَرْوَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی لَیْلَی ، قَالَ : کَانَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إذَا رَکَعَ لَوْ صَبَبْتَ عَلَی کَتِفَیْہِ مَائً لاَسْتَقَرَّ۔ (طبرانی ۱۲۷۵۵۔ عبدالرزاق ۲۸۷۲)
থেকে বর্ণিতঃ
( 2607 ) হজরত আবদ আল - রহমান বিন আবিল লায়লা বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) যখন রুকু অবস্থায় থাকতেন , তখন তিনি তা করতেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঢালের অভাবে সেখানেই থাকতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۸) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ أَنَسٍ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : إذَا قَالَ الإِمَامُ : سَمِعَ اللَّہُ لِمَنْ حَمِدَہُ ، فَقُولُوا : اللَّہُمَّ رَبَّنَا لَکَ الْحَمْدُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2608) হজরত আনাস ( রা .) থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , ইমাম যখন বলেন , সামিআল্লাহ লিমান হামিদাহু , তখন তুমি বলবে, আল্লাহ আমাদের পালনকর্তা! তুমি, আল-হামদু।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۰۹) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ: أَخبرنا عُمَرُ بْنُ أَبِی سَلَمَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، رَفَعَہُ ، قَالَ : وَإذَا قَالَ الإِمَامُ: سَمِعَ اللَّہُ لِمَنْ حَمِدَہُ ، فَقُولُوا : اللَّہُمَّ رَبَّنَا لَکَ الْحَمْدُ۔ (بخاری ۷۲۲۔ مسلم ۳۰۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(2609) হজরত আবু হারি রাহ.- এর সূত্রে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , যখন ইমাম বলেন , সামি আল্লাহ, মান হামিদা, তখন তুমি বলা উচিত আল্লাহ, আমাদের পালনকর্তা, তোমাকে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۱۰) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ أَبِی عَرُوبَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ یُونُسَ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنْ حِطَّانَ بْنِ عَبْدِ اللہِ ، عَنْ أَبِی مُوسَی ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : إذَا قَالَ الإِمَامُ : سَمِعَ اللَّہُ لِمَنْ حَمِدَہُ ، فَقُولُوا : اللَّہُمَّ رَبَّنَا لَکَ الْحَمْدُ ۔ یَسْمَعُ اللَّہُ لَکُمْ۔ (مسلم ۴۰۳۔ احمد ۴/۴۰۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(2610) হজরত আবু মূসা ( রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , যখন ইমাম বলেন , সামি আল্লাহ , মান হামিদা, তখন তোমরা বলবে। আল্লাহ, আমাদের প্রভু, তোমার প্রতি, আলহামদু। আল্লাহ তায়ালা আপনার কথা শোনেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۱۱) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ ، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ أَسْلَمَ ، عَنْ أَبِی صَالِحٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إنَّمَا جُعِلَ الإِمَامُ لِیُؤْتَمَّ بِہِ ، فَإِذَا رَکَعَ فَارْکَعُوا ، وَإذَا قَالَ : سَمِعَ اللَّہُ لِمَنْ حَمِدَہُ ، فَقُولُوا : اللَّہُمَّ رَبَّنَا لَکَ الْحَمْدُ۔ (مسلم ۳۰۶۔ ابوداؤد ۶۰۴)
থেকে বর্ণিতঃ
( 2611) হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) থেকে বর্ণিত আছে যে , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , ইমাম নিযুক্ত করা হয়েছে যাতে আপনি তাকে অনুসরণ করেন , যখন তিনি রুকু করেন, তখন আপনি রুকু করেন এবং যখন ইমাম বলেন, সামি -আল্লাহ লিম্ন হামদাহ, অতঃপর তুমি বলো, ওম আল্লাহ রাব্না লাক আল্লাহ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۱۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ سَلَمَۃَ ، عَنْ أَبِی الأَحْوَصِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : إذَا قَالَ الإِمَامُ : سَمِعَ اللَّہُ لِمَنْ حَمِدَہُ ، قَالَ مَنْ خَلْفَہُ : اللَّہُمَّ رَبَّنَا لَکَ الْحَمْدُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2612) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , ইমাম যখন বলেন, সামিআল্লাহ লিম্নহামদাহ, তখন মুকতাদা ইয়ি আল্লাহুম রাব্বান্না লাক আল - হামদুকাহ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۱۳) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ مُطَرِّفٍ ، عَنْ عَامِرٍ ، قَالَ : لاَ یَقُل الْقَوْمُ خَلْفَ الإِمَامِ : سَمِعَ اللَّہُ لِمَنْ حَمِدَہُ ، وَلَکِنْ لِیَقُولُوا : اللَّہُمَّ رَبَّنَا لَکَ الْحَمْدُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2613) হজরত আমীর বলেন , ইমাম মুক্তাদা- এর পর তিনি বলেননি , আল্লাহ শোন, তাঁর প্রশংসা কর , বরং তিনি বলেছেন , আল্লাহ, প্রভু, প্রশংসা তাঁর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۱۴) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ أَبِی بُکْیر ، قَالَ : حدَّثَنَا زُہَیْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِیلٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ الْخُدْرِیِّ ، أَنَّہُ سَمِعَ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : إذَا قَالَ إمَامُکُمْ : سَمِعَ اللَّہُ لِمَنْ حَمِدَہُ ، فَقُولُوا : اللَّہُمَّ رَبَّنَا لَکَ الْحَمْدُ۔ (احمد ۳/۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(2614) হজরত আবু সাঈদ ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, মহানবী ( সা . ) বলেছেন , যখন তোমাদের ইমাম বলেন, সামি আল্লাহ, মান হামিদাহ, তখন তুমি বলবে আল্লাহ, আমাদের প্রভু, তোমার প্রতি, আল-হামদুক।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۱۵) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، قَالَ : کَانَ مُحَمَّدٌ یَقُولُ إذَا قَالَ : سَمِعَ اللَّہُ لِمَنْ حَمِدَہُ ، قَالَ مَنْ خَلْفَہُ: سَمِعَ اللَّہُ لِمَنْ حَمِدَہُ ، اللَّہُمَّ رَبَّنَا لَکَ الْحَمْدُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2615) হজরত মুহাম্মদ বলেন , ইমাম যখন বলবে, সামি আল্লাহু লিমান হামিদাহু, তখন তাঁর মুক্তাদা বলবে সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহু, হে আল্লাহ, আমাদের পালনকর্তা, আপনার প্রশংসা হোক ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۱۶) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِیزِ بْنِ رُفَیْعٍ ، عَنْ رَجُلٍ مِنْ أَہْلِ الْمَدِینَۃِ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ؛ أَنَّہُ سَمِعَ خَفْقَ نَعْلِی وَہُوَ سَاجِدٌ ، فَلَمَّا فَرَغَ مِنْ صَلاَتِہِ ، قَالَ : مَنْ ہَذَا الَّذِی سَمِعْتُ خَفْقَ نَعْلِہِ ؟ قَالَ : أَنَا یَا رَسُولَ اللہِ ، قَالَ : فَمَا صَنَعْت ؟ قَالَ : وَجَدْتُّک سَاجِدًا فَسَجَدْت ، فَقَالَ : ہَکَذَا فَاصْنَعُوا ، وَلاَ تَعْتَدُّوا بِہَا ، مَنْ وَجَدَنِی رَاکِعًا ، أَوْ سَاجِدًا ، أَوْ قَائِمًا ، فَلْیَکُنْ مَعِی عَلَی حَالِی الَّتِی أَنَا عَلَیْہَا۔ (عبدالرزاق ۳۳۷۳۔ بیہقی ۸۹)
থেকে বর্ণিতঃ
( 2616 ) কতিপয় সভ্য সাহাবী বর্ণনা করেন যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সেজদারত অবস্থায় আমার জুতার আওয়াজ শুনতে পেলেন , আপনি যখন সালাত শেষ করলেন , তখন আপনি বললেন , কার জুতা আমি কি শুনেছি আমি জমা দিয়েছিলাম যে আমি . তুমি বললে , তাহলে কি করলে ? আমি বললাম যে আমি তোমাকে সিজদা অবস্থায় পেয়েছি এবং আমিও তোমার সাথে সিজদা করেছি ।রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এটা করো না এবং এই রাকাত গণনা করো না । যে আমাকে রুকু , সিজদা অবস্থায় পায় , সে আমার সাথে এই অবস্থা শেয়ার করতে চায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۱۷) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِیزِ بْنِ رُفَیْعٍ ، عَنْ رَجُلٍ مِنَ الأَنْصَارِ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ؛ بِمِثْلِہِ۔
( 2617 )
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۱۸) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ سَالِمٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ وَزَیْدِ بْنِ ثَابِتٍ ، قَالاَ : إِنْ وَجَدَہُمْ وَقَدْ رَفَعُوا رُؤُوسَہُمْ مِنَ الرُّکُوعِ کَبَّرَ وَسَجَدَ ، وَلَمْ یَعْتَدَّ بِہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2618) হজরত ইবনে ওমর ও হজরত যায়েদ ইবনে সাবিত বলেন , যদি কোনো ব্যক্তি মানুষকে এমন অবস্থায় পায় যে, তারা রুকু থেকে মাথা তুলেছে, তাহলে সে আল্লাহু আকবার বলে সেজদা করবে এবং রাকাত গণনা করবে না।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۱۹) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ (ح) ، وَمُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ فِی الرَّجُلِ یَنْتَہِی إلَی الإِمَامِ وَہُوَ سَاجِدٌ ، قَالاَ : یَتْبَعُہُ وَیَسْجُدُ مَعَہُ ، وَلاَ یُخَالِفُہُ ، وَلاَ یَعْتَدُّ بِالسُّجُودِ إِلاَّ أَنْ یُدْرِکَ الرُّکُوعَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2619) হযরত ইব্রাহীম (আঃ) সেই ব্যক্তি সম্পর্কে বলেন যে ইমামকে সেজদা অবস্থায় পায় সে যেন তাকে অনুসরণ করে এবং তার সাথে সেজদা করে । ইমামের বিরুদ্ধে কাজ করবেন না । এছাড়াও , সিজদার কারণে , এই রাকাত গণনা করা উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مُغِیرَۃُ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : عَلَی أَیِّ حَالٍ أَدْرَکْتَ الإِمَامَ فَلاَ تُخَالِفْہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2620 ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , ইমামকে কোনো অবস্থায় পেলে তার বিরোধিতা করবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۱) حدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ ، عَنْ سَلْمِ بْنِ أَبِی الذَّیَّالِ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، قَالَ : إذَا أَدْرَکْتَہُمْ وَہُمْ سُجُودٌ ، فَاسْجُدْ مَعَہُمْ ، وَلاَ تَعْتَدَّ بِتِلْکَ الرَّکْعَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2621) হযরত কাতাদা (রাঃ) বলেন , আপনি যদি মানুষকে সিজদা অবস্থায় পান , তাহলে তাদের সাথে সিজদা করুন এবং এই রাকাত গণনা করবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۲) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی عَدِیٍّ ، عَنْ دَاوُدَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : إذَا وَجَدْتہمْ سُجُودًا فَاسْجُدْ مَعَہُمْ ، وَلاَ تَعْتَدَّ بِہَا ، وَقَالَ أَبُو الْعَالِیَۃِ : اُسْجُدْ مَعَہُمْ وَاعْتَدَّ بِہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2622) হজরত শাবি বলেন , আপনি যদি মানুষকে সিজদা অবস্থায় পান , তাহলে তাদের সাথে সিজদা করুন এবং এই রাকাত গণনা করবেন না। হযরত আবুল আলিয়া (রাঃ) বলেনঃ তাদের সাথে সিজদা কর এবং এই রাকাত গণনা কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۳) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : عَلَی أَیِّ حَالٍ وَجَدْتَ الإِمَامَ ، فَاصْنَعْ کَمَا یَصْنَعُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2623) হজরত ইবনে উমর বলেন , ইমামকে যে অবস্থায়ই পান , তিনি যেমন করেন তেমনই করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۴) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : عَلَی أَیِّ حَالٍ وَجَدْت الإِمَامَ ، فَاصْنَعْ کَمَا یَصْنَعُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2624) হজরত ইব্রাহিম বলেন , ইমামকে যে অবস্থায়ই পাও , তিনি যেমন করেন তেমনই করো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۵) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی عَدِیٍّ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : کَانَ یَسْتَحِبُّ أَنْ لاَ یُدْرِکَ الْقَوْمَ عَلَی حَالٍ فِی الصَّلاَۃِ ، إِلاَّ دَخَلَ مَعَہُمْ فِیہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2625) হজরত মুহাম্মদ জামাতের সময় যে অবস্থাতেই লোকেদের সাথে মেলামেশা করতে পছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۶) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ دَاوُدَ، عَنِ الشَّعْبِیِّ؛ فِی الرَّجُلِ یَنْتَہِی إلَی الْقَوْمِ وَہُمْ سُجُودٌ، قَالَ: یَسْجُدُ مَعَہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2626) হযরত শাবী (রঃ) সেই ব্যক্তি সম্পর্কে বলেন যে মানুষকে সেজদা অবস্থায় পায় সে যেন তাদের সাথে সিজদা করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۷) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ ہِشَام ، عَنِ الْحَسَنِ ، وَابْنِ سِیرِینَ قَالاَ : لاَ یَقُومُ الرَّجُلُ قَائِمًا مُنْتَصِبًا ، وَالْقَوْمُ قَدْ وَضَعُوا رُؤُوسَہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2627 ) হজরত হাসান ও হজরত ইবনে সিরীন বলেন , মানুষ যখন তাদের কপাল মাটিতে রাখে , তখন মানুষের জন্য সোজা হয়ে দাঁড়ানো ভালো নয়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۸) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ الْحُبَابِ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَۃَ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ لِلرَّجُلِ إذَا جَائَ وَالإِمَامُ سَاجِدٌ ، أَنْ یَتَمَثَّلَ قَائِمًا حَتَّی یَتْبَعَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2628) হযরত আরওয়া এটাকে জঘন্য মনে করতেন যে, ইমাম যেন সেজদা অবস্থায় থাকে এবং নামাযের জন্য আগত ব্যক্তি যেন সোজা হয়ে দাঁড়ায় । তাকে ইমামের অনুসরণ করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۲۹) حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ خَالِدٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی الْمَوَالِی ، عَنْ عُمَرَ بْنِ أَبِی مُسْلِمٍ ، قَالَ : کانَ عُرْوَۃُ بْنُ الزُّبَیْرِ یَقُولُ : إذَا جَائَ أَحَدُکُمْ وَالإِمَامُ سَاجِدٌ ، فَلْیَسْجُدْ مَعَ النَّاسِ ، وَلاَ یَعْتَدَّ بِہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2629) হযরত উরওয়া ইবনে যুবাইর (রাঃ) বলতেন , যখন কোন ব্যক্তি জামাতে পৌঁছায় যে , ইমাম সেজদা অবস্থায় আছে , তখন সে যেন লোকদের সাথে সেজদা করে এবং সেই রাকাত না করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۳۰) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ آدَمَ ، قَالَ : حدَّثَنَا إسْرَائِیلُ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ ہُبَیْرَۃَ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : لاَ یَعْتَدُّ بِالسُّجُودِ إذَا لَمْ یُدْرِکِ الرُّکُوعَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2630 ) হজরত আলী বলেন , যদি তুমি রুকু না কর , তাহলে সেই রাকাত গণনা করো না।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۳۱) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ آدَمَ ، قَالَ : حدَّثَنَا إسْرَائِیلُ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِی الأَحْوَصِ وَہُبَیْرَۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : إذَا لَمْ تُدْرِکِ الرُّکُوعَ فَلاَ تَعْتَدُّ بِالسُّجُودِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2631) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , যদি তুমি রুকু না কর , তাহলে এই রাকাত গণনা করো না।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۶۳۲) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ کُلَیْبٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : کَانَ عَبْدُ اللہِ بْنُ یَزِیدَ الْخَطْمِیِّ إذَا رَفَعَ رَأْسَہُ مِنَ الرَّکْعَۃِ ہَوَی بِالتَّکْبِیرَۃِ ، فَکَأَنَّہُ فِی أُرْجُوحَۃٍ حَتَّی یَسْجُدَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2632) হজরত কালাইব বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াজিদ খাতামি যখন রুকু থেকে মাথা উঠাতেন , তখন তিনি তাকবীর বলতেন , আমি সেভাবেই রুকু করতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৬৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস