
(۴۷۰۳) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : کَانَ یُصَلِّی خَلْفَ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : وَکَانَتْ صَلاَتُہُ نَحْوًا مِنْ صَلاَۃِ قَیْسٍ یُتِمُّ الرُّکُوعَ وَالسُّجُودَ وَیُجَوِّزُ ، قَالَ : فَقِیلَ لأَبِی ہُرَیْرَۃَ : ہَکَذَا کَانَتْ صَلاَۃُ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ؟ قَالَ : نَعَمْ ، وَأَجْوَزُ۔ (ابویعلی ۶۴۲۲۔ حمیدی ۹۸۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৭০৩) হজরত ইসমাইল বলেন , তাঁর পিতা (আবু খালিদ) হজরত আবু হুরায়রা (রা.)- এর পেছনে নামাজ পড়তেন । হজরত আবু হারি রাহ. - এর নামায ছিল হজরত কায়েসের নামাযের মতোহজরত আবু হারি রাহ.-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলো এটা কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সালাত ছিল ? তিনি বলেছিলেন যে এটি তার চেয়ে অনেক ছোট ছিল .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۰۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ بْنَ أَبِی خَالِدٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : رَأَیْتُ أَبَا ہُرَیْرَۃَ صَلَّی صَلاَۃً تَجَوَّزَ فِیہَا ، فَقُلْتُ لَہُ : ہَکَذَا کَانَتْ صَلاَۃُ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ؟ قَالَ : نَعَمْ ، وَأَجْوَزُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(4704) হজরত আবু খালিদ বলেন , আমি হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) - কে খুব সংক্ষিপ্ত সালাত আদায় করতে দেখেছি , আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম , এটা কার সালাত ছিল ? তিনি বললেন , হ্যাঁ , এটা অনেক ছোট হতো
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۰۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَیْمُونٍ ، قَالَ : لَمَّا طُعِنَ عُمَرُ وَمَاجَ النَّاسُ، تَقَدَّمَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ فَقَرَأَ بِأَقْصَرَ سُورَتَیْنِ فِی الْقُرْآنِ : {إنَّا أَعْطَیْنَاک الْکَوْثَرَ} وَ {إذَا جَائَ نَصْرُ اللہِ وَالْفَتْحُ}۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৭০৫) হজরত আমর ইবনে মায়মুন বলেন , হজরত ওমর যখন বর্শার আঘাতে নিহত হন এবং লোকেরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় , তখন হজরত আবদুল রহমান ইবনে আওফ এগিয়ে গিয়ে নামাজের ইমামতি করেন , পবিত্র কোরআনের দুটি ছোট সূরা , সূরা আল -কাওসার এবং সূরা আল - নুসর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۰۶) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ کَانَ یُخَفِّفُ الصَّلاَۃ ، وَیُتِمُّ الرُّکُوعَ وَالسُّجُودَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৭০৬) হযরত ইব্রাহীম (আঃ) নামায সংক্ষিপ্ত করতেন , কিন্তু সম্পূর্ণ রুকু ও সিজদা করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۰۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عِمْرَانَ ، عَنْ أَبِی مِجْلَزٍ ، قَالَ : کَانُوا یُتِمُّونَ وَیُوجِزُونَ ، وَیُبَادِرُونَ الْوَسْوَسَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৭০৭) হজরত আবু মাজালজ বলেন , পূর্ববর্তীরা পুরো নামাজ পড়তেন, কিন্তু তা সংক্ষিপ্ত রাখতেন এবং শয়তানী চিন্তা থেকে রক্ষা করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۰۸) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ حُمَیْدٍ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ مِنْ أَخَفِّ النَّاسِ صَلاَۃً وَأَوْجَزَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪৭০৮) হযরত আনাস (রাঃ ) বলেন যে , নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সালাত ছিল সকল মানুষের চেয়ে সংক্ষিপ্ত ও সূক্ষ্ম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۰۹) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ مُہَاجِرٍ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَیْمُونٍ ، قَالَ : مَا رَأَیْت الصَّلاَۃ فِی مَوْضِعٍ أَخَفَّ مِنْہَا فِیمَا بَیْنَ ہَذَیْنِ الْحَائِطَیْنِ ، یَعْنِی مَسْجِدَ الْکُوفَۃِ الأَعْظَمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪৭০৯ ) হজরত আমর বিন মায়মুন বলেন , এই দুই দেয়ালের মধ্যে সবচেয়ে ছোট নামাজ হলো অর্থাৎ কুফার জামে মসজিদ দেখা গেছে , কোথাও দেখা যায়নি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۱۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، وَابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ قَیْسٍ ، قَالَ : کُنَّ النِّسَائُ إذَا مَرَرْنَ عَلَی عبیدَۃَ وَہُوَ یُصَلِّی ، قُلْنَ : خَفِّفُوا ، فَإِنَّہَا صَلاَۃُ عبیدَۃَ ، یَعْنِی مِنْ خِفَّتِہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৭১০) হজরত নুমান বিন কায়স বলেন , মহিলারা যখন হজরত উবাইদা (রা.)- এর পাশ দিয়ে যেতেন এবং তিনি নামায পড়ছিলেন , তখন তারা তাকে বলত যে , হজরত উবাইদা ( রা . ) - এর নামাজ কত ছোট ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۱۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا حُمَیْدٌ ، عَنْ أَنَسٍ ؛ أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : إنِّی لأَکُونُ فِی الصَّلاَۃ فَأَسْمَعُ صَوْتَ الصَّبِیِّ یَبْکِی ، فَأَتَجَوَّزُ فِی صَلاَتِی مَخَافَۃَ أَنْ أَشُقَّ عَلَی أُمِّہِ۔ (ترمذی ۳۷۶۔ احمد ۲۵۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৭১১) হজরত আনাস ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , আমি কখনো কখনো নামায পড়ছি এবং কোনো শিশুর কান্নার আওয়াজ শুনতে পাই যদি তা আওয়াজ হয় , তাহলে আমি নামায সংক্ষিপ্ত করে দেই তার মায়ের শ্রমের ভয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۱۲) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ إِسْحَاقَ ، عَنِ ابْنِ المُبَارَکِ ، عَنِ الأَوْزَاعِیِّ ، قَالَ : حدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ أَبِی کَثِیرٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ أَبِی قَتَادَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ: إنِّی لأَکُونُ فِی الصَّلاَۃ فَأُرِیدُ أَنْ أُطَوِّلَ فِیہَا، فَأَسْمَعُ بُکَائَ الصَّبِیِّ فَأَتَجَوَّزُ فِی الصَّلاَۃ ، کَرَاہِیَۃَ أَنْ أَشُقَّ عَلَی أُمِّہِ۔ (بخاری ۷۰۷۔ ابوداؤد ۷۸۵۔ احمد ۳۰۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(4712) হজরত আবু কাতাদা ( রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ কখনো কখনো আমি নামাজে থাকি এবং নামায দীর্ঘ করতে চাই, অতঃপর যখন কোন শিশুর কান্নার আওয়াজ শুনতে পাই। , আমি নামাজ সংক্ষিপ্ত করি , কারণ আমি তার মায়ের পরিশ্রম পছন্দ করি না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۱۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی الْحُوَیْرِثِ الزُّرَقِیِّ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ حسین ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إنِّی لأَسْمَعُ بُکَائَ الصَّبِیِّ خَلْفِی فَأُخَفِّفُ ، شَفَقَۃَ أَنْ أَفْتِنَ أُمَّہُ۔ (عبدالرزاق ۳۷۲۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(4713) হজরত আলী ইবনে হুসাইন ( রা . ) বলেন যে, মহানবী ( সা . ) বলেছেন , আমি মাঝে মাঝে সালাত পড়ি যখন কেউ আমাকে অনুসরণ করে । যখন আমি একটি শিশুর কান্নার আওয়াজ শুনি , তখন আমি নামায সংক্ষিপ্ত করি , কারণ আমি এর মায়ের মহিমাকে ভয় পাই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۱۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی السَّوْدَائِ النَّہْدِیِّ ، عَنِ ابْنِ سَابِطٍ ؛ أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَرَأَ فِی الرَّکْعَۃِ الأُولَی بِسُورَۃٍ نَحْوًا مِنْ سِتِّینَ آیَۃً ، فَسَمِعَ بُکَائَ صَبِیٍّ ، قَالَ : فَقَرَأَ فِی الثَّانِیَۃِ بِثَلاَثِ آیَاتٍ۔ (ابوداؤد ۳۹۔ عبدالرزاق ۳۷۲۴)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪৭১৪ ) হজরত ইবনে সাবাত বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি নামাযের প্রথম রাকাতে ষাটটি আয়াত তিলাওয়াত করতেন , অতঃপর একটি শিশুর কান্নার আওয়াজ শুনে তিনি মাত্র তিনটি আয়াত পাঠ করলেন । দ্বিতীয় রাকাত .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۱۵) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ أَبِی ہَارُونَ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ ، فِیمَا نَعْلَمُ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : أَنِّی لأَکُونُ فِی الصَّلاَۃ ، فَأَسْمَعُ بُکَائَ الصَّبِیِّ ، فَأُخَفِّفُ مَخَافَۃَ أَنْ أَشُقَّ عَلَی أُمِّہِ ، أَوَ قَالَ : أَنْ تُفْتَنَ أُمُّہُ۔ (عبدالرزاق ۳۷۲۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৭১৫ ) হজরত আবু সাঈদ ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , কখনো কখনো আমি নামায পড়তাম এবং কোনো শিশুর কান্নার আওয়াজ শুনলে আমি ছোট করে দিতাম তার মায়ের শ্রমের ভয়ে প্রার্থনা .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۱۶) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ؛ فِی الرَّجُلِ یُدْرِکُ مَعَ الإِمَامِ وِتْرًا مِنْ صَلاَتِہِ ، قَالَ : یُصَلِّی مَا أَدْرَکَ ، وَلاَ یَسْجُدُ سَجْدَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৭১৬) ইমামের সাথে এক রাকাত মিস করা ব্যক্তি সম্পর্কে হযরত সাঈদ বিন মুসাইব বলেন , সে যত বেশি নামায আদায় করবে এবং দুই সেজদা করবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۱۷) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، قَالَ : سُئِلَ یُونُسُ عَنِ الرَّجُلِ یُدْرِکُ مِنْ صَلاَۃِ الْقَوْمِ رَکْعَۃً ، أَوْ تَفُوتُہُ رَکْعَۃٌ ؟ قَالَ : کَانَ الْحَسَنُ وَمُحَمَّدُ لاَ یَرَیَانِ عَلَیْہِ سُجُودًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 4717 ) হজরত ইবনে আলিয়া বলেন , হজরত ইউনুস (রা.) -কে সেই ব্যক্তির সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল , যার জামাত থেকে এক রাকাত পড়ে যায় বা সে এক রাকাত পায় , তাহলে সে কি রুকু করবে ? তিনি বলেন , হজরত হাসান ও হজরত মুহাম্মদ এক ব্যক্তির ওপর দুটি সিজদা ফরজ হওয়ার ব্যাপারে বিশ্বাসী ছিলেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۱۸) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ رَجُلٍ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ ، وَابْنَ الزُّبَیْرِ وَأَبَا سَعِیدٍ ، وَابْنَ عُمَرَ ؛ کَانُوا إذَا فَاتَہُمْ وِتْرٌ مِنْ صَلاَۃِ الإِمَام ، سَجَدُوا سَجْدَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৭১৮) হজরত আতা বলেন , হজরত ইবনে আব্বাস, হজরত ইবনে যুবাইর , হজরত আবু সাঈদ এবং হজরত ইবনে উমর (রা.) জামাত থেকে এক রাকাত বাদ পড়লে দুটি সাজদাহ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۱۹) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ ، وَابْنِ عُمَرَ ، وَابْنِ الزُّبَیْرِ ؛ قَالُوا : إذَا فَاتَہُ بَعْضُ الصَّلاَۃ قَامَ فَقَضَی ، وَسَجَدَ سَجْدَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(4719) হজরত আবু সাঈদ , হজরত ইবনে উমর ও হজরত ইবনে যুবাইর বলেন , যদি কোনো ব্যক্তির কোনো জামাত থেকে কিছু নামায বাকি থাকে তবে সে যেন তা পূর্ণ করে এবং দুটি সেজদা করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۲۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ ، قَالَ : إذَا أَدْرَکَ الرَّجُلُ سَجْدَۃً مِنْ صَلاَۃِ الإِمَام سجَدَ إلَیْہَا أُخْرَی ، ثُمَّ سَجَدَ سَجْدَتَیْنِ بَعْدَ مَا یَفْرُغُ مِنْ صَلاَتِہِ ، وَإِذَا أَدْرَکَ سَجْدَتَیْنِ ، سَجَدَ بَعْدَ مَا یَفْرُغُ مِنْ صَلاَتِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৭২০) হজরত আবু কালাবা বলেন , যদি কোনো ব্যক্তি ইমামের সাথে একটি সিজদা পায় , তবে সে যেন তার সাথে আরেকটি সিজদা করে। অতঃপর ইমাম তার নামায শেষ করার পর দুই সেজদা করবে। যদি সে ইমামের সাথে দুটি সিজদা করে তবে তাকে সালাত শেষ করে দুটি সেজদা করতে হবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۲۱) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنَ عُمَرَ ؛ مِثْلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(4721) হজরত ইবনে উমর থেকেও এটা হস্তান্তরযোগ্য নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۲۲) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، وَطَاوُوس ، وَمُجَاہِدٍ ؛ قَالُوا : إذَا فَاتَکَ وِتْرٌ مِنْ صَلاَۃِ الإِمَام ، فَاقْضِ مَا فَاتَکَ ، وَاسْجُدْ سَجْدَتَیْنِ وَأَنْتَ جَالِسٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৭২২) হযরত আতা, হযরত তাওয়াস ও হযরত মুজাহিদ বলেন, জামাতে তোমার একটি রাকাত বাদ পড়লে তা পূরণ করে বসবে এবং সেজদা করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۲۳) حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَہَّابِ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ أَبِی مَعْشَرٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : یَسْجُدُ مَعَہُمْ ، وَلاَ یَسْجُدُ إلَیْہَا أُخْرَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৭২৩) হজরত ইব্রাহিম (আঃ) বলেন , তিনি মানুষের সাথে সিজদা করবেন এবং তার সাথে অন্য কেউ সিজদা করবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۲۴) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ أَنَسٍ ؛ أَنَّہُ فَاتَتْہُ رَکْعَۃٌ فَقَامَ فَتَطَوَّعَ ، ثُمَّ ذَکَرَ فَصَلَّی الرَّکْعَۃَ الَّتِی فَاتَتْہُ ، وَسَجَدَ سَجْدَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৭২৪) হযরত কাতাদাহ বলেন যে, হযরত আনাস (রাঃ) ইমামের সাথে এক রাকাত পড়ে গেলেন এবং নফল পড়লেন, তারপর যখন সেই রাকাতটি তাঁর কাছে এলো , তখন তিনি আরো দুটি সিজদা করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۲۵) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، قَالَ : یَقْطَعُ وَیُصَلِّی الرَّکْعَۃَ ، قَالَ : وَأَظُنُّہُ ، قَالَ : وَیَسْجُدُ سَجْدَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৭২৫) হযরত হুকুম দেন যে, যদি কোন ব্যক্তির ইমামের সাথে একটি রাকাত অবশিষ্ট থাকে এবং সে তা ভুলে গিয়ে নফল পড়ে , তখন সে যেন এই রাকাতটি আদায় করে নেয় । বর্ণনাকারী বলেছেন যে আমি জানতাম না তিনি আরো বলেন , দুই সিজদা করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۲۶) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ فِی رَجُلٍ فَاتَتْہُ مَعَ الإِمَامِ رَکْعَۃٌ ، فَلَمَّا سَلَّمَ الإِمَام ظَنَّ أَنَّہُ قَدْ أَدْرَکَ مَعَہُ أَوَّلَ الصَّلاَۃ فَقَامَ یَتَطَوَّعُ ، فَقَالَ الْحَسَنُ : إذَا أَدَخَلَ تَطَوُّعًا فِی فَرِیضَۃٍ فَسَدَتْ عَلَیْہِ صَلاَتُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 4726 ) হযরত হাসানকে ইমামের সাথে এক রাকাত নামায পড়া ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল । প্রথম থেকেই তিনি ইমামের সাথে যুক্ত ছিলেন , তাই তিনি সালাম ফিরিয়ে দিয়ে নফিল পড়তে শুরু করলেন । হজরত হাসান বলেন , তিনি যখন নফল নামায ফরয করলেন , তখন তার নামায ভেঙ্গে গেল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۲۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ إبْرَاہِیمَ بْنِ الْمُہَاجِرِ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَلِیٍّ ؛ أَنَّہُ کَرِہَ الصَّلاَۃ فِی الطَّاقِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 4727 ) হজরত আলী কসাইখানায় নামায পড়াকে জঘন্য ঘোষণা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۲۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مُوسَی بْنِ قَیْسٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ إبْرَاہِیمَ یَتَنَکَّبُ الطَّاقَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪৭২৮ ) হজরত মুসা বিন কায়স বলেন , আমি হজরত ইব্রাহিম মিদি খাকে কসাইখানা থেকে বাঁচাতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۲۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ أَبِی زِیاد ، عَنْ عُبَیْدِ بْنِ أَبِی الْجَعْدِ ، عَنْ کَعْبٍ ؛ أَنَّہُ کَرِہَ المذبح فِی الْمَسْجِدِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪৭২৯ ) হজরত কাব মসজিদে কসাইখানা নির্মাণ করা জঘন্য মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۳۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ: حدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ صَالِحٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ سَعِیدِ بْنِ أَبْجَرَ، عَنْ نُعَیْمِ بْنِ أَبِی ہِنْدٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِی الْجَعْدِ ، قَالَ : لاَ تَتَّخِذُوا المذابح فِی الْمَسَاجِدِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৭৩০) হজরত সেলিম বিন আবি জাদ বলেন , মসজিদে কসাইখানা বানাবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۳۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مُغِیرَۃُ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ الصَّلاَۃ فِی الطَّاقِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৭৩১) হজরত ইব্রাহিম ( আঃ ) কসাইখানায় নামায পড়াকে জঘন্য ঘোষণা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷۳۲) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ قَالَ : أَخْبَرَنَا یَحْیَی بْنُ بَدْرٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ الصَّلاَۃَ فِی الطَّاقِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪৭৩২ ) হযরত হাসান কসাইখানায় নামায পড়াকে জঘন্য ঘোষণা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস