
(۴۲۲۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا یُونُسُ ، عَنِ الْحَسَنِ (ح) وَأَخْبَرَنَا مُغِیرَۃُ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ فِی الرَّجُلِ یَقْرَأُ السَّجْدَۃَ ، ثُمَّ یُعِیدُ قِرَائَتَہَا ، قَالاَ : تُجْزِئُہُ السَّجْدَۃُ الأُولَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪২২৩) হজরত হাসান ও হজরত ইব্রাহীম ( রা . ) বলেন , কেউ যদি এই আয়াতটি একবার পাঠ করে , তাহলে তার জন্য একটি সিজদাই যথেষ্ট হবে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۲۴) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : إذَا قَرَأْتَ السَّجْدَۃَ أَجْزَأَک أَنْ تَسْجُدَ بِہَا مَرَّۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪২২৪ ) হজরত মুজাহিদ বলেন , আপনি যখন সিজদার আয়াতটি একাধিকবার পাঠ করেন , তখন এই সেজদাই আপনার জন্য যথেষ্ট ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۲۵) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ السَّائِبِ ، عَنْ أَبِی عَبْدِ الرَّحْمَنِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَقْرَأُ السَّجْدَۃَ فَیَسْجُدُ ، ثُمَّ یُعِیدُہَا فِی مَجْلِسِہِ ذَلِکَ مِرَارًا ، لاَ یَسْجُدُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪২২৫ ) হজরত আতা ইবনে সায়েব বলেন , হজরত আবূ আবদ আল - রহমান যখন সিজদার আয়াত পাঠ করতেন , তখন তিনি কী করতেন এবং এক মজলিসে একবার সেজদা করতেন ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۲۶) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا خَالِدٌ ، عَنْ أَبِی الْعَالِیَۃِ ، قَالَ : کَانُوا یَکْرَہُونَ اخْتِصَارَ السُّجُودِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪২২৬) হজরত আবু আলিয়া (রা ) বলেন , পূর্ববর্তীরা সেজদা এড়ানোর জন্য সেজদার আয়াত ছেড়ে দেওয়াকে মাকরূহ মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۲۷) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، وَعَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، وَابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ دَاوُدَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : کَانُوا یَکْرَہُونَ اخْتِصَارَ السُّجُودِ ، وَکَانُوا یَکْرَہُونَ إذَا أَتَوْا عَلَی السَّجْدَۃِ أَنْ یُجَاوِزُوہَا حَتَّی یَسْجُدُوا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪২২৭) হজরত শাবি বলেন , পূর্বপুরুষরা সেজদা এড়ানোর জন্য সিজদার আয়াত ছেড়ে দেওয়াকে মাকরুহ মনে করতেন । আর সেজদার কোনো আয়াত পাঠ করা এবং সেজদা না করে পাস করাকে তিনি জঘন্য মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۲۸) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مَنْصُورٌ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، قَالَ : ثَلاَثٌ مِمَّا أَحْدَثَ النَّاسُ : اخْتِصَارُ السُّجُودِ ، وَرَفْعُ الأَیْدِی فِی الدُّعَائِ ، قَالَ ہُشَیْمٌ : وَنَسِیتُ الثَّالِثَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪২২৮ ) হজরত সাঈদ বিন মুসাইয়্যিব বলেন , মানুষের মধ্যে দুটি বিদআত সৃষ্টি হয়েছে : সেজদা পরিহার করা , সেজদা ত্যাগ করা এবং দোয়া করা । আমি হাত তুললাম । রবি হাশিম বলেছেন যে আমি তৃতীয় জিনিসটি ভুলে গেছি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۲۹) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ مُبَارَکٍ ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِیزِ بْنِ قُرَیْرٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ ابْنَ سِیرِینَ عَنِ اخْتِصَارِ السُّجُودِ ؟ فَکَرِہَہُ وَعَبَسَ وَجْہُہُ ، وَقَالَ : لاَ أَدْرِی مَا ہَذَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪২২৯ ) হজরত আবদুল আজিজ ইবনে কুরাইর বলেন , আমি হজরত ইবনে সিরীন থেকে সিজদা ত্যাগ করার বিষয়ে জানতে পেরেছি , তাই তিনি এটাকে জঘন্য মনে করলেন এবং বললেন যে , আমি জানি না এটা কি ধরনের কর্ম!
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۳۰) حَدَّثَنَا ابْنُ مُبَارَکٍ ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، قَالَ : ہُوَ مِمَّا أَحْدَثَ النَّاسُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪২৩০ ) হজরত সাঈদ বিন মুসাইয়িব বলেন , সেজদা এড়াতে সিজদার আয়াত এড়িয়ে যাওয়া মানুষের উদ্ভাবিত একটি পদ্ধতি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۳۱) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانُوا یَکْرَہُونَ أَنْ تُخْتَصَرَ السَّجْدَۃُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪২৩১) হজরত ইব্রাহীম বলেন , পূর্বসূরিরা এটাকে জঘন্য মনে করতেন যে, সেজদা এড়ানোর জন্য সেজদার আয়াত বাদ দিতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۳۲) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : کَانَ یُکْرَہُ أَنْ یُخْتَصَرَ سُجُودُ الْقُرْآنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪২৩২) হযরত হাসান মনে করতেন যে, সেজদা এড়াতে সেজদার আয়াত বাদ দিতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۳۳) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ، عَنِ أَبِی الْمُعْتَمِرِ، عَنْ قَتَادَۃَ، عَنْ شَہْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، قَالَ: ہُوَ مِمَّا أَحْدَثَ النَّاسُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪২৩৩ ) হযরত শাহর বিন হাওশাব বলেন , সেজদা এড়ানোর জন্য সেজদার আয়াত বাদ দেওয়া মানুষের উদ্ভাবিত একটি পদ্ধতি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۳۴) حَدَّثَنَا وَکِیعُ بْنُ الْجَرَّاحِ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ وَبَرَۃَ ، قَالَ : سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ ، وَأَنَا مُقْبِلٌ مِنَ الْمَدِینَۃِ عَنِ الرَّجُلِ یَقْرَأُ السَّجْدَۃَ وَہُوَ عَلَی الدَّابَّۃِ ؟ قَالَ : یُومِیئُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪২৩৪) হজরত ওয়াবরা বলেন , মদীনা থেকে আসার সময় আমি হজরত ইবনে উমর (রা.)- কে জিজ্ঞেস করলাম , যদি কোনো ব্যক্তি সওয়ারির সময় সিজদার আয়াত পাঠ করে , তাহলে সে কী করবে ? ইশারায় প্রণাম করতে বললেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۳۵) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ فِی الرَّجُلِ یَقْرَأُ السَّجْدَۃَ وَہُوَ عَلَی دَابَّۃٍ ، قَالَ : یُومِیئُ بِرَأْسِہِ إیمَائً حَیْثُ کَانَ وَجْہُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(4235) হজরত ইব্রাহীম (আঃ) যে ব্যক্তি সওয়ারী অবস্থায় সেজদার আয়াত পাঠ করে তার সম্পর্কে বলেন যে, সে যেন তার মাথা নত করে এবং তার মুখের যে দিকেই ইশারা করে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۳۶) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، قَالَ : کُنْتُ أَسِیرُ مَعَ أَبِی عُبَیْدَۃَ بَیْنَ الْکُوفَۃِ وَالْحِیرَۃِ ، فَقَرَأَ السَّجْدَۃَ ، فَذَہَبْت أَنْزِلُ لأَسْجُدَ ، فَقَالَ : یُجْزِیک أَنْ تُومِیئَ بِرَأْسِکَ ، قَالَ : وَأَوْمَأَ بِرَأْسِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪২৩৬ ) হজরত সাঈদ ইবনে জাবির বলেন , তিনি আবু উবাইদাহ (রা.) - এর সঙ্গে কুফা ও হায়রার মাঝখানে হাঁটছিলেন । তিনি সিজদার আয়াত পাঠ করলেন , আমি আমার ঘোড়া থেকে নেমে সেজদা করতে লাগলাম । তিনি বললেন , তোমার জন্য মাথা দিয়ে ইঙ্গিত করাই যথেষ্ট । তিনিও মাথা নিচু করার ইঙ্গিত দিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۳۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ ثُوَیْرٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَلِیٍّ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَقْرَأُ السَّجْدَۃَ وَہُوَ عَلَی رَاحِلَتِہِ فَیُومِیئُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪২৩৭) হজরত সাবিরের পিতা বলেন , হযরত আলী যখন সওয়ারী অবস্থায় সাজদার আয়াতটি পাঠ করতেন , তখন তিনি মাথা নত করার জন্য একটি চিহ্ন তৈরি করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۳۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَامِرٍ ، عَنْ أَبِی عُبَیْدَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ زَیْدٍ ، قَالَ : کَانَ یَقْرَأُ السَّجْدَۃَ عَلَی رَاحِلَتِہِ فَیُومِیئُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪২৩৮) হযরত সাঈদ বিন যায়েদ সওয়ারী অবস্থায় সাজদার আয়াত পাঠ করার সময় মাথা নত করার চিহ্ন তৈরি করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۳۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ إسْرَائِیلَ، عَنْ ثُوَیْرٍ، قَالَ: رَأَیْتُ ابْنَ الزُّبَیْرِ یَقْرَأُ السَّجْدَۃَ وَہُوَ عَلَی رَاحِلَتِہِ، فَیُومِیئُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪২৩৯) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু সওয়ারির সময় সাজদার আয়াত পাঠ করার সময় মাথা নত করার জন্য একটি চিহ্ন তৈরি করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۴۰) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ فِی الرَّجُلِ یَقْرَأُ السَّجْدَۃَ وَہُوَ عَلَی دَابَّتِہِ ، قَالَ: یُومِیئُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪২৪০) হযরত আতা (রাঃ) বলেন , যে ব্যক্তি সওয়ারী অবস্থায় সেজদার আয়াত পাঠ করে সে যেন মাথা নত করার ইশারা করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۴۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ شِبَاکٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ؛ قَالَ : إِذَا قَرَأَ السَّجْدَۃَ وَہُوَ عَلَی دَابَّتِہِ أَوْمَأَ بِرَأْسِہِ إِیمَائً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪২৪১) হযরত ইব্রাহীম (আঃ) সওয়ারী অবস্থায় সাজদার আয়াত পাঠ করার সময় মাথা নত করার ইশারা করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۴۲) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا حَمَّادٌ ؛ أَنَّ إبْرَاہِیمَ سَأَلَ عَلْقَمَۃَ : أَیَنْزِلُ عَنْ دَابَّتِہِ لِلسَّجْدَۃِ ؟ فَأَمَرَہُ أَنْ لاَ یَنْزِلَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪২৪২) হজরত ইব্রাহীম (আ.) হজরত আল - কামাকে জিজ্ঞেস করলেন , যদি কোনো ব্যক্তি সওয়ার হয়ে সেজদার আয়াত পাঠ করে , সে কি সেজদা করতে নামবে ? সে বললো না , কিন্তু মাথা না নামিয়ে ইশারা করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۴۳) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ الْقَطَّانُ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : إنَّمَا السَّجْدَۃُ عَلَی مَنْ جَلَسَ لَہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪২৪৩) হজরত ইবনে আব্বাস (রা) বলেন, যে ব্যক্তি তিলাওয়াত শোনার জন্য বসে তার ওপর সেজদা ওয়াজিব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۴۴) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا خَالِدٌ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : قَالَ عُمَرُ : إنَّمَا السَّجْدَۃُ فِی الْمَسْجِدِ ، وَعِنْدَ الذِّکْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪২৪৪) হযরত উমর (রাঃ) বলেন, মসজিদে তেলাওয়াত ও স্মরণের সময় সিজদা করা ওয়াজিব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۴۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَبِی الْعَوَّامِ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : إنَّمَا السَّجْدَۃُ عَلَی مَنْ جَلَسَ لَہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪২৪৫) হজরত ইবনে আব্বাস (রা) বলেন, যে ব্যক্তি তেলাওয়াত শোনার জন্য বসে আছে তার জন্যও সিজদা আবশ্যক ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۴۶) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا یُونُسُ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : إنَّمَا السُّجُودُ عَلَی مَنْ جَلَسَ لَہُ ، وَأَنْصَتَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪২৪৬) হজরত হাসান বলেন, প্রত্যেক ব্যক্তির ওপর সেজদা ওয়াজিব যে তিলাওয়াতকারীর কাছে বসে শুনবে এবং তার জন্য নীরব থাকবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۴۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی عَرُوبَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، عَنْ عُثْمَانَ ، قَالَ : إنَّمَا السَّجْدَۃُ عَلَی مَنْ جَلَسَ لَہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪২৪৭) হযরত উসমান (রাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি তিলাওয়াত শোনার জন্য বসে তার উপর সেজদা ওয়াজিব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۴۸) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ؛ أَنَّ قَاصًّا کَانَ یَجْلِسُ قَرِیبًا مِنْ مَجْلِسِہِ ، فَیَقْرَأُ السَّجْدَۃَ ، فَلاَ یَسْجُدُ سَعِیدٌ وَقَدْ سَمِعَہَا ، قَالَ : فَقِیلَ لَہُ : فَمَا یَمْنَعُک مِنَ السُّجُودِ ؟ قَالَ : لَیْسَ إلَیْہِ جَلَسْتُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪২৪৮ ) হজরত ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ বলেন , এক ব্যক্তি হজরত সাঈদ ইবনে মুসাইবের বসার জায়গার কাছে বসতেন । সেজদার আয়াত পাঠ করলে হযরত সা’দ এ আয়াতটি শোনা সত্ত্বেও সেজদা করতেন না । কেউ তার কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন , তিনি তার তেলাওয়াত শুনতে বসেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۴۹) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، وَنَافِعٍ ، وَسَعِید بْنِ جُبَیْرٍ ، قَالُوا : مَنْ سَمِعَ السَّجْدَۃَ ، فَعَلَیْہِ أَنْ یَسْجُدَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪২৪৯) হজরত হামাদ, হজরত ইব্রাহিম , হজরত নাফি ও হজরত সাঈদ ইবনে জাবির বলেন , যে ব্যক্তি সিজদার আয়াতটি শুনবে , তার ওপর সেজদা ওয়াজিব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۵۰) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ السَّائِبِ ، عَنْ أَبِی عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، قَالَ : دَخَلَ سَلْمَانُ الْفَارِسِیُّ الْمَسْجِدَ وَفِیہِ قَوْمٌ یَقْرَؤُونَ ، فَقَرَؤُوا السَّجْدَۃَ فَسَجَدُوا ، فَقَالَ لَہُ صَاحِبُہُ : یَا أَبَا عَبْدِ اللہِ ، لَوْلاَ أَتَیْنَا ہَؤُلاَئِ الْقَوْمَ ، فَقَالَ : مَا لِہَذَا غَدَوْنَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪২৫০ ) হজরত আবু আবদুল রহমান বলেন , একবার হজরত সালমান মসজিদে প্রবেশ করলেন এবং লোকেরা কুরআন তিলাওয়াত করছিল। তিনি সিজদার আয়াত পাঠ করলেন এবং সেজদা করলেন এই ব্যক্তি হযরত সালমান (রাঃ)-কে বললেন , হে আবূ আবদুল্লাহ! আসুন আমরা এই লোকদের মত সিজদা না করি । তিনি বলেন , আমরা হ্যাঁ , সেজন্য তারা আসেনি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۵۱) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنِ الْجُرَیْرِیِّ ، عَنْ أَبِی الْعَلاَئِ ، عَنْ مُطَرِّفٍ ، قَالَ : سَأَلْتُہُ عَنِ الرَّجُلِ یَتَمَارَی فِی السَّجْدَۃِ ، أَسَمِعَہَا أَمْ لَمْ یَسْمَعْہَا ؟ قَالَ : وَسَمِعَہَا ، فَمَاذَا ؟ ثُمَّ قَالَ مُطَرِّفٌ : سَأَلْتُ عِمْرَانَ بْنَ حُصَیْنٍ عَنْ الرَّجُلِ لاَ یَدْرِی أَسَمِعَ السَّجْدَۃَ ، أَمْ لاَ ؟ قَالَ : وَسَمِعَہَا ، فَمَاذَا ؟۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪২৫১ ) হজরত আবুল আলা বলেন , আমি হজরত মুতরফ ( রা . ) - কে জিজ্ঞেস করলাম , যে ব্যক্তি সেজদার আয়াত শুনেছে কি না , সে সম্পর্কে তার কী করা উচিত ? তিনি বললেন , শুনলে কী করবেন ? তখন হজরত মুতরফ বলেন , আমি হজরত ইমরান ইবনে হাসানাহ ( রা . ) - কে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে সে সাজদার আয়াত শুনেছে কি না , সে কী করবে ? শুনলে কি করতেন বলতো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২৫১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲۵۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، وَمُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ عَطِیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : إنَّمَا السَّجْدَۃُ عَلَی مَنْ سَمِعَہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪২৫২) হজরত ইবনে ওমর বলেন, যে সিজদার আয়াত শ্রবণ করে তার ওপর সেজদা ওয়াজিব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২৫২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস