
(۴۰۷۳) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ الْحُبَابِ ، عَنِ الرَّبِیعِ بْنِ الْمُنْذِرِ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ سَعِیدٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ أَبِی سَعِیدَ بْنَ جُبَیْرٍ یُصَلِّی عَلَی بِسَاطٍ یَسْجُدُ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪০৭৩ ) হজরত আবদুল মুলক ইবনে সাঈদ বলেন , আমি আমার পিতা হজরত সাঈদ ইবনে জুবেরকে কোনো দরজায় নামায পড়তে দেখেছি এবং তিনি সেজদা করতেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۷۴) حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مُفَضَّلٍ ، عَنْ سَلَمَۃَ بْنِ عَلْقَمَۃَ ، عَنْ نَافِعٍ ، قَالَ : کَانَ ابْنُ عُمَرَ إذَا صَلَّی عَلَی شَیْئٍ سَجَد عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪০৭৪) হজরত নাফি বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর ( রা . ) কোনো কিছুর ওপর নামায পড়লে সেজদা করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۷۵) حَدَّثَنَا ہَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ تَوْبَۃَ الْعَنْبَرِیِّ ، قَالَ : سَمِعْتُ بَکْرَ بْنَ عَبْدِ اللہِ الْمُزَنِیّ یَقُولُ : إنَّ قَیْسَ بْنَ عُبَادٍ الْقَیْسِیَّ صَلَّی عَلَی لِبْدِ دَابَّتِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪০৭৫) হজরত বকর ইবনে আবদুল্লাহ মুজনি বলেন , হজরত কায়েস ইবনে উবাদ কায়েস তার ঘোড়ার ওপর রাখা গদির ওপর নামাজ পড়েছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۷۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ أَبِی خَالِدٍ ، قَالَ ، رَأَیْت مُرَّۃً الْہَمْدَانِیَّ یُصَلِّی عَلَی لِبْدٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪০৭৬) হজরত ইসমাইল ইবনে আবি খালিদ বলেন , আমি মারাহ হামাদানীকে ঘোড়ার ওপর রাখা গদির ওপর নামাজ পড়তে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۷۷) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یُصَلِّی عَلَی طُنْفُسَۃٍ قَدَمَاہُ وَرُکْبَتَاہُ عَلَیْہَا ، وَیَدَاہُ وَوَجْہُہُ عَلَی الأَرْضِ ، أَوْ عَلَی بُورِیٍّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪০৭৭ ) হযরত ইউনুস (রাঃ) বলেন , হযরত হাসান ( রাঃ) এমনভাবে কার্পেটের উপর সালাত আদায় করতেন যে , তাঁর পা ও হাঁটু কার্পেটের উপর এবং তাঁর হাত ও মুখমন্ডল মাটিতে থাকত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۷۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مَنْ رَأَی إبْرَاہِیمَ وَالْحَسَنَ یُصَلِّیَانِ عَلَی بِسَاطٍ فِیہِ تَصَاوِیرُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪০৭৮ ) হজরত সুফীন বলেন , হজরত ইব্রাহিম ও হজরত হাসান ই - সি দারিতে নামাজের ইমামতি করতেন । অন্য কথায় , আমি ভিতরের দিকে ছবি তুলতাম
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۷۹) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا ابْنُ عَوْنٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : الصَّلاَۃُ عَلَی الطُّنْفُسَۃِ مُحْدَثٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(4079 ) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , কার্পেটে নামায পড়া বিদআত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۸۰) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، قَالَ : الصَّلاَۃُ عَلَی الطُّنْفُسَۃِ مُحْدَثٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(4080 ) হযরত সাঈদ বিন মুসায়্যিব বলেন , কার্পেটে নামায পড়া বিদআত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۸۱) حَدَّثَنَا زِیَادُ بْنُ الرَّبِیعِ ، عَنْ صَالِحٍ الدَّہَان ؛ أَنَّ جَابِرَ بْنَ زَیْدٍ کَانَ یَکْرَہُ الصَّلاَۃَ عَلَی کُلِّ شَیْئٍ مِنَ الْحَیَوَانِ ، وَیَسْتَحِبُّ الصَّلاَۃَ عَلَی کُلِّ شَیْئٍ مِنْ نَبَاتِ الأَرْضِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪০৮১) হজরত জাবির বিন জায়েদ পশুর লোম বা অন্য কোনো জিনিসের ওপর নামায পড়াকে মাকরূহ মনে করতেন এবং গাছপালা বা অন্য কোনো জিনিস দিয়ে নামায পড়াকে মুস্তাহাব মনে করতেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۸۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ عَبْدِ الْکَرِیمِ ، عَنْ أَبِی عُبَیْدَۃَ ، قَالَ : کَانَ عَبْدُ اللہِ لاَ یُصَلِّی ، وَلاَ یَسْجُدُ إِلاَّ عَلَی الأَرْضِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪০৮২) হজরত আবু উবাইদাহ বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ( রা ) শুধু মাটিতে নামায পড়তেন এবং মাটিতে সিজদা করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۸۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مَعْقِلِ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ عَبْدِ الْکَرِیمِ الْجَزَرِیِّ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِالصَّلاَۃِ عَلَی الأَرْضِ وَعَلَی مَا أَنْبَتَتْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪০৮৩ ) হজরত মুজাহিদ বলেন , জমিনে ও মাটির তৈরি জিনিসের ওপর সিজদা করার কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۸۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مَنْصُورٍ وَحُصَیْنٍ ، قَالَ سُفْیَانُ : أَوْ أَحَدُہُمَا ، عَنْ أَبِی حَازِمٍ الأَشْجَعِیِّ، عَنْ مَوْلاَتِہِ عَزَّۃَ ، قَالَتْ : سَمِعْت أَبَا بَکْرٍ یَنْہَی عَنِ الصَّلاَۃِ عَلَی الْبَرَادِعِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪০৮৪) হজরত আবু বকর (রা.) সওয়ারীর জিনের নিচে রাখা গদিতে নামায পড়াকে মাকরূহ মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۸۵) حَدَّثَنَا حَاتِمٌ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ أَبِیہِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ أَنْ یُسْجَدَ عَلَی شَیْئٍ دُونَ الأَرْضِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪০৮৫) হজরত হিশাম বলেন, আমার পিতা পৃথিবী ছাড়া অন্য কোথাও নামাজ পড়াকে জঘন্য মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۸۶) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِی ہِنْدٍ ، عَنْ أَبِی نَضْرَۃَ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : خَرَجَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ذَاتَ لَیْلَۃٍ وَأَصْحَابُہُ یَنْتَظِرُونَہُ لِصَلاَۃِ الْعِشَائِ الآخِرَۃِ ، فَقَالَ : نَامَ النَّاسُ وَرَقَدُوا ، وَأَنْتُمْ تَنْتَظِرُونَ الصَّلاَۃَ ، أَمَا إنَّکُمْ فِی صَلاَۃٍ مَا انْتَظَرْتُمُوہَا ، وَلَوْلاَ ضَعْفُ الضَّعِیفِ وَکِبَرُ الْکَبِیرِ ، لَأَخَّرْتُ ہَذِہِ الصَّلاَۃَ إلَی شَطْرِ اللَّیْلِ۔ (ابو یعلی ۱۹۳۵۔ ابن حبان ۱۵۲۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(৪০৮৬) হজরত জাবির (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এক রাতে তিশরীতে এলেন এবং তাঁর সাথীরা এশার সালাতের জন্য অপেক্ষা করছিলেন । তিনি বললেন , লোকেরা নামাজ পড়ে ঘুমিয়েছে আর আপনি নামাজের জন্য অপেক্ষা করছেন। যেহেতু আপনি নামাজ পড়ার জন্য অপেক্ষা করছেন, আপনি নামাজে আছেন । যদি দুর্বলদের দুর্বলতা ও বৃদ্ধদের বৃদ্ধ বয়স না হতো , তাহলে আমি এই নামাজকে মধ্যরাত পর্যন্ত বিলম্বিত করতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۸۷) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ مُسْلِمٍ ، عَنْ سُوَیْد بْنِ غَفَلَۃَ ، قَالَ : مَنْ دَخَلَ الْمَسْجِدَ وَہُوَ عَلَی طُہُورٍ ، لَمْ یَزَلْ عَاکِفًا فِیہِ مَا دَامَ فِیہِ حَتَّی یَخْرُجَ مِنْہُ ، أَوْ یُحْدِثَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪০৮৭) হজরত সুওয়াইদ বিন গাফলা বলেন , যে ব্যক্তি ওযু অবস্থায় মসজিদে প্রবেশ করে সে মসজিদ থেকে বের হওয়া পর্যন্ত ইতিকাফ অবস্থায় থাকে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۸۸) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانَ یُقَالُ ، إذَا صَلَّی الرَّجُلُ ثُمَّ جَلَسَ فِی مُصَلاَّہُ فَہُوَ فِی صَلاَۃٍ ، وَالْمَلاَئِکَۃُ تُصَلِّی عَلَیْہِ مَا لَمْ یُحْدِثْ فِیہِ ، وَإِذَا جَلَسَ فِی الْمَسْجِدِ فَہُوَ فِی صَلاَۃٍ مَا لَمْ یُحْدِثْ، وَمَا لَمْ یُؤْذِ فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪০৮৮) হজরত ইব্রাহীম বলেন , বলা হতো যে , যতক্ষণ নামায পড়ার পর ব্যক্তি তার জায়গায় বসে থাকে , ততক্ষণ পর্যন্ত ফেরেশতারা তাকে দোয়া করেন যতক্ষণ না সে অজু করে । আর যতক্ষণ সে মসজিদে বসে থাকে , ততক্ষণ নামাযের মধ্যে থাকে যতক্ষণ সে অযু না করে এবং যতক্ষণ সে কাউকে কষ্ট না দেয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۸۹) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنِ الْحَکَمِ بْنِ أَبَانَ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، قَالَ : مَا مِنْ رَجُلٍ صَلَّی صَلاَۃً وَیَنْتَظِرُ أُخْرَی ، إِلاَّ قَالَتِ الْمَلاَئِکَۃُ : عَبْدُک فُلاَنٌ اللَّہُمَّ ارْحَمْہُ حَتَّی یُصَلِّیَہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(4089) হজরত ইকরামা বলেন , যখন কোনো ব্যক্তি একটি নামাজ পড়ার পর অন্য নামাজের জন্য অপেক্ষা করে , তখন ফেরেশতারা তার জন্য অপেক্ষা করে যতক্ষণ না সে এই নামাজ আদায় করে। তারা দোয়া করতে থাকে যে হে আল্লাহ! তোমার অমুক বান্দার প্রতি দয়া কর।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۹۰) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ مُسْلِمٍ ، عَنْ سُوَیْد بْنِ غَفَلَۃَ ، قَالَ : إذَا کَانَ الرَّجُلُ جَالِسًا فِی الْمَسْجِدِ یَنْتَظِرُ الصَّلاَۃَ ، فَہُوَ مُعْتَکِفٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪০৯০) হজরত সুওয়াইদ বিন গাফলা বলেন , যতক্ষণ কোনো ব্যক্তি মসজিদে বসে নামাযের জন্য অপেক্ষা করে , ততক্ষণ সে ইতিকাফ অবস্থায় থাকে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۹۱) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ حُبَابٍ ، عَنْ عَیَّاشٍ الْحَضْرَمِیِّ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا یَحْیَی بْنُ مَیْمُونٍ قَاضِی مِصْرَ ، قَالَ : حَدَّثَنِی سَہْلُ بْنُ سَعْدٍ ؛ أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : مَنِ انْتَظَرَ الصَّلاَۃَ ، فَہُوَ فِی صَلاَۃٍ مَا لَمْ یُحْدِثْ۔ (احمد ۵/۳۳۱۔ ابو یعلی ۷۵۴۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(৪০৯১) হজরত সাহল ইবনে সাদ ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , যে ব্যক্তি নামাযের জন্য অপেক্ষা করে, ততক্ষণ সে নামাযের মধ্যেই থাকে যতক্ষণ না সে অজু করে। ঘটতে পারে না।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۹۲) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی سُفْیَانَ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : جَہَّزَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ جَیْشًا حَتَّی انْتَصَفَ اللَّیْلُ ، أَوْ بَلَغَ ذَلِکَ ، ثُمَّ خَرَجَ إلَیْنَا ، فَقَالَ : صَلَّی النَّاسُ وَرَقَدُوا وَأَنْتُمْ تَنْتَظِرُونَ الصَّلاَۃَ ، أَمَا إنَّکُمْ لَمْ تَزَالُوا فِی صَلاَۃٍ مَا انْتَظَرْتُمُوہَا۔ (احمد ۳/۳۶۷۔ ابو یعلی ۱۹۳۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪০৯২ ) হজরত জাবির ( রা .) বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি সৈন্যদল পাঠালেন এবং তিনি বললেন যে , লোকেরা সালাত আদায় করে ঘুমিয়েছে , যখন আপনি সালাতের জন্য অপেক্ষা করছেন । নামাজ, আপনি নামাজের অবস্থায় আছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۹۳) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی صَالِحٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إذَا دَخَلَ أَحَدُکُمُ الْمَسْجِدَ کَانَ فِی صَلاَۃٍ مَا کَانَتِ الصَّلاَۃُ تَحْبِسُہُ ، وَالْمَلاَئِکَۃُ یُصَلُّونَ عَلَی أَحَدِکُمْ مَا دَامَ فِی مَجْلِسِہِ الَّذِی صَلَّی فِیہِ ، یَقُولُونَ : اللَّہُمَّ اغْفِرْ لَہُ ، اللَّہُمَّ ارْحَمْہُ ، اللَّہُمَّ تُبْ عَلَیْہِ ، مَا لَمْ یُؤْذِ فِیہِ ، مَا لَمْ یُحْدِثْ فِیہِ۔ (بخاری ۴۷۷۔ ابوداؤد ۵۶۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(4093) আবূ হুরায়রা ( রাঃ ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , তোমাদের কেউ যখন মসজিদে প্রবেশ করে , তখন সে সালাতের মধ্যে থাকে যতক্ষণ না। প্রার্থনা এটি বন্ধ করে দেয়। ফেরেশতারা আপনার প্রতি রহমত বর্ষণ করতে থাকে যতক্ষণ না আপনি সেখানে বসে থাকবেন যেখানে সালাত আদায় করা হয়েছে । ফেরেশতারা বলেন , হে আল্লাহ! তাকে ক্ষমা করুন , তার প্রতি দয়া করুন এবং তাকে ক্ষমা করুন। তিনি এই দোয়া করতে থাকেন যতক্ষণ না তিনি কাউকে কষ্ট না দেন এবং অযু না করা পর্যন্ত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۹۴) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ السَّائِبِ ، عَنْ أَبِی عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، قَالَ : حدَّثَنَا رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : إذَا صَلَّی أَحَدُکُمْ فَقَضَی صَلاَتَہُ ، ثُمَّ قَعَدَ فِی مُصَلاَّہُ یَذْکُرُ اللَّہَ فَہُوَ فِی صَلاَۃٍ ، وَإِنَّ الْمَلاَئِکَۃَ یُصَلُّونَ عَلَیْہِ ، یَقُولُونَ : اللَّہُمَّ ارْحَمْہُ وَاغْفِرْ لَہُ ، وَإِنْ ہُوَ دَخَلَ مُصَلاَّہُ یَنْتَظِرُ کَانَ مِثْلَ ذَلِکَ۔ (ابن سعد ۱۷۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(4094) হে সাহাবীগণ , বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যদি নামায পড়ার পর বসে আল্লাহকে স্মরণ করে , তবে সে সালাতের মধ্যে থাকে । ফেরেশতারা তার জন্য প্রার্থনা করতে থাকে । ফেরেশতারা বলেন , হে আল্লাহ ! তার প্রতি দয়া করুন এবং তাকে ক্ষমা করুন । যখন সে নামাযের স্থানে বসে নামাযের জন্য অপেক্ষা করে , তখনও সে একই প্রার্থনা পায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۹۵) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ أَبِی عُثْمَانَ ، قَالَ : احْتَبَسَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عَنْ أَصْحَابِہِ فِی صَلاَۃِ الْعِشَائِ ، حَتَّی بَقِیَ ثُلُثُ اللَّیْلِ ، فَأَتَاہُمْ وَبَعْضُہُمْ قَائِمٌ ، وَبَعْضُہُمْ قَاعِدٌ ، وَبَعْضُہُمْ مُضْطَجِعٌ ، فَقَالَ : مَا زِلْتُمْ فِی صَلاَۃٍ مُنْذُ انْتَظَرْتُمُوہَا ، قَائِمُکُمْ وَقَاعِدُکُمْ وَمُضْطَجِعُکُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪০৯৫) হজরত আবু উসমান ( রা . ) বলেন , এক রাতে রাসুলুল্লাহ ( সা . ) তাঁর সাহাবীদের এশার নামাজের ব্যবস্থা করতে পারলেন না , যখন রাতের এক - তৃতীয়াংশ বাকি ছিল , তখন তিনি দেখলেন যে কেউ কেউ লোকেরা দাঁড়িয়ে ছিল , কেউ বসে ছিল , এবং কেউ শুয়ে ছিল তিনি তাদের বললেন , যেহেতু তোমরা সালাতের জন্য অপেক্ষা করছ, তাই তোমরা সালাতের মধ্যেই আছ। তুমি দাঁড়াতে , বসতে এবং আমার সাথে শুতে পারো
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۹۶) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : لاَ یَزَالُ أَحَدُکُمْ فِی صَلاَۃٍ مَا دَامَتِ الصَّلاَۃُ تَحْبِسُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪০৯৬) হজরত আবু হারি ( রা . ) বলেন , যতক্ষণ নামায তোমাকে থামায় ততক্ষণ তুমি নামাযের মধ্যেই আছ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۹۷) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا حُمَیْدٌ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : أَخَّرَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ذَاتَ لَیْلَۃٍ الصَّلاَۃَ إلَی شَطْرِ اللَّیْلِ ، فَجَعَلَ النَّاسُ یُصَلُّونَ وَیَنْکَفِئُونَ ، فَخَرَجَ وَقَدْ بَقِیَتْ عِصَابَۃٌ فَصَلَّی بِہِمْ ، فَلَمَّا سَلَّمَ أَقْبَلَ عَلَیْہِم بِوَجْہِہِ ، فَقَالَ : إنَّ النَّاسَ قَدْ صَلَّوْا وَرَقَدُوا ، وَإِنَّکُمْ لَمْ تَزَالُوا فِی صَلاَۃٍ مُنْذُ انْتَظَرْتُمُ الصَّلاَۃَ ، قَالَ : فَکَأَنِّی أَنْظُرُ إلَی وَبِیصِ خَاتَمِہِ فِی یَدِہِ۔ (بخاری ۸۴۷۔ مسلم ۲۲۲)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪০৯৭ ) হজরত আনাস (রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এশার সালাত মধ্যরাত পর্যন্ত বিলম্বিত করতেন । কেউ কেউ নামাজ পড়ে নিজ নিজ বাড়িতে যেতে লাগলেন । রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মসজিদে গেলেন , তখন মসজিদে কিছু লোক উপস্থিত ছিল এবং তিনি তাঁর দিকে মুখ করে বললেন , লোকেরা নামায পড়েছে এবং তারা ঘুমিয়ে পড়েছে , যেহেতু আপনি সালাতের জন্য অপেক্ষা করছেন । আপনি নামাযের মধ্যে আছেন হযরত আনাস ( রাঃ ) বলেন , এই দৃশ্যটিও আমার সামনে এমনভাবে আছে যে আমি এখনও আপনার বরকতময় আংটির আলো দেখতে পাচ্ছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۹۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ صَدَقَۃَ بْنِ یَسَارٍ ، عَنْ أَبِی سَلَمَۃَ ، قَالَ : کَانُوا یُشَبِّہُونَ صَلاَۃَ الْہَجِیرِ بِصَلاَۃٍ فِی جَوْفِ اللَّیْلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪০৯৮) হযরত আবু সালামা ( রাঃ ) বলেন , পূর্বপুরুষগণ সূর্যাস্তের পর নামায পড়াকে তাহজুদের সালাতের সাথে তুলনা করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۹۹) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ إِبْرَاہِیمَ ، عَن عَبْدِ الْعَزِیزِ بْنِ صُہَیْبٍ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : صَلُّوا صَلاَۃَ الْہَجِیرِ ، فَإِنَّا کُنَّا نَسْتَحِبّہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪০৯৯ ) হযরত আনাস ( রাঃ ) বলেনঃ সূর্যাস্তের পর নামায পড়াকে আমরা মুস্তাহাব মনে করতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۱۰۰) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ مُوسَی بْنِ عُبَیْدَۃَ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : صَلُّوا صَلاَۃَ الأَصَالِ حِینَ یَفِیئَ الْفَیئُ عِنْدَ النِّدَائِ بِالظُّہْرِ ، مَنْ صَلاَّہَا فَکَأَنَّمَا تَہَجَّدَ بِاللَّیْلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪১০০ ) হজরত সাদ বিন ইব্রাহীম বলেন , যোহরের আযানের সময় সূর্য অস্ত গেলে সূর্যাস্তের সালাত আদায় করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪১০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۱۰۱) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَیْدٍ ، عَنْ ہَارُونَ بْنِ عَنْتَرَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَسْوَدِ ، عَنْ أَبِہِم ، قَالَ : أَصَبْت أَنَا وَعَلْقَمَۃُ صَحِیفَۃً ، فَانْطَلَقْنَا بِہَا إلَی عَبْدِ اللہِ ، فَجَلَسْنَا بِالْبَابِ وَقَدْ زَالَتِ الشَّمْسُ ، أَوْ کَادَتْ تَزُولُ ، فَاسْتَیْقَظَ وَأَرْسَلَ الْجَارِیَۃَ ، فَقَالَ : اُنْظُرِی مَنْ بِالْبَابِ ، فَرَجَعَتْ إلَیْہِ ، فَقَالَتْ : عَلْقَمَۃُ وَالأَسْوَدُ ، فَقَالاَ : ائْذَنِی لَہُمَا ، فَدَخَلْنَا ، فَقَالَ : کَأَنَّکُمَا قَدْ أَطَلْتُمَا الْجُلُوسَ بِالْبَابِ ؟ قَالاَ : أَجَلْ ، قَالَ : فَمَا مَنَعَکُمَا أَنْ تَسْتَأْذِنَا ؟ قَالاَ: خَشِینَا أَنْ تَکُونَ نَائِمًا ، قَالَ : مَا کُنْت أُحِبُّ أَنْ تَظُنُّوا بِی ہَذَا ، إنَّ ہَذِہِ سَاعَۃٌ کُنَّا نُشَبِّہُہَا بِصَلاَۃِ اللَّیْلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪১০১) হজরত আসওয়াদ বলেন , হজরত আলকামা ও আমি একটি পবিত্র কিতাব পেলাম , আমরা তা হজরত আবদুল্লাহর কাছে নিয়ে এসে তাঁর দরজায় বসলাম । যখন সূর্য অস্ত গেল সে পালাতে যাচ্ছিল , তাই সে উঠে তার চাকরকে দরজায় কে আছে তা দেখতে পাঠাল । সে ফিরে গেল এবং তিনি বলেছেন যে আলকামাহ ও আসওয়াদ রয়েছে । তিনি বলেছিলেন যে তাদের আমার কাছে আসতে দেওয়া উচিত । আমরা এলে তিনি বললেন , আপনি হয়তো অনেকক্ষণ দরজায় বসে আছেন । আমরা বললাম হ্যাঁ । তিনি বললেন , ভেতরে আসার অনুমতি চাইলেন না কেন ? আমরা বললাম যে আমরা ভেবেছিলাম আপনি ঘুমাচ্ছেন না । সে বলল তুমি আমার সম্পর্কে ভাববেন না ! এটি সেই সময় যেখানে আমরা নামাজকে তাহাজ্জুদের নামাজের সাথে তুলনা করতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪১০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۱۰۲) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ جَعْفَرٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : صَلاَۃُ الأَوَّابِینَ بَعْدَ زَوَالِ الشَّمْسِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪১০২) হজরত জাফর (রা.)-এর পিতা বলেন , আওয়াবিনের নামাযই সূর্যাস্তের পর পাঠ করা উচিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪১০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস