
(۳۹۸۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ یَاسِینَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، قَالَ : إذَا کَانَ قَدْرَ الدِّرْہَمِ أَعَادَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯৮৩) হজরত জাহরি বলেন , রক্তের দাগ এক দিরহামের সমান হলে তিনি নামায পুনরায় পড়বেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۸۴) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُغِیرَۃُ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ فِی الدَّمِ یَکُونُ فِی الثَّوْبِ قَدْرَ الدِّینَارِ، أَوِ الدِّرْہَمِ ، قَالَ : فَلْیُعِدْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯৮৪) হজরত ইব্রাহিম ( আ . ) বলতেন , কাপড়ে আলো থাকলে যদি এক দিরহামের সমান রক্তের চিহ্ন থাকে তবে নামায পুনরাবৃত্তি হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۸۵) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا حُصَیْنٌ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : سَأَلْتُہ عَنِ الرَّجُلِ یَری فِی ثَوْبِہِ الدَّمُ وَہُوَ فِی الصَّلاَۃِ ؟ قَالَ : إِنْ کَانَ کَثِیرًا فَلْیُلْقِ الثَّوْبَ عَنْہُ ، وَإِنْ کَانَ قَلِیلاً فَلْیَمْضِ فِی صَلاَتِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৯৮৫ ) হজরত হুসাইন বলেন , আমি হজরত ইবরাহীম (আ . ) - কে জিজ্ঞেস করলাম , নামাজের সময় কোনো ব্যক্তির কাপড়ে রক্ত পড়লে তিনি কী করবেন ? তিনি বললেন , রক্ত বেশি হলে কাপড় খুলে ফেল এবং কম হলে নামাজ পড়তে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۸۶) حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ ، قَالَ : سَأَلْتُہُ عَنِ الدَّمِ أَرَاہُ فِی ثَوْبِی بَعْدَ مَا أُصَلِّی؟ قَالَ : اغْسِلْہُ وَأَعِدِ الصَّلاَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৯৮৬) হজরত আসিম বলেন , আমি আবু কালাবাকে জিজ্ঞেস করলাম , নামায পড়ার পর কাপড়ে রক্ত দেখলে কি করব ? তিনি বললেন, ধুয়ে আবার নামায পড়।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۸۷) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ أَبِی مَعْشَرٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ فِی رَجُلٍ صَلَّی وَفِی ثَوْبِہِ دَمٌ ، فَلَمَّا انْصَرَفَ رَآہُ ، قَالَ : لاَ یُعِیدُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯৮৭) হযরত ইব্রাহীম (আঃ) নামায শেষ করার পর যে ব্যক্তির কাপড়ে রক্ত লেগে আছে তার সম্পর্কে বলেন যে , সে নামায পুনরায় পড়বে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۸۸) حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ وَرْدَانَ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : إذَا صَلَّیْتَ فَرَأَیْتَ فِی ثَوْبِکَ دَمًا فَلاَ تُعِدْ ، قَدْ مَضَتْ صَلاَتُک۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯৮৮) হযরত হাসান বলেন , নামায পড়ার পর যখন তুমি তোমার কাপড়ে রক্তের চিহ্ন দেখতে পাবে তখন নামাযের পুনরাবৃত্তি করো না, তোমার নামায হয়ে গেছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۸۹) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ أَنَّہُ لَمْ یَکُنْ یَرَی فِی الدَّمِ وَالْمَنِیِّ فِی الثَّوْبِ أَنْ تُعَادَ مِنْہُ الصَّلاَۃُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯৮৯) হযরত হিশাম বলেন , হযরত আতা রা জামাকাপড়ের ওপর টাকা দিতে হবে এমন মতামত ছিল না অথবা রক্তের চিহ্ন নিয়ে নামায বারবার পড়তে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۹۰) حَدَّثَنَا حُمَیْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ حَسَنٍ ، عَنْ مُطَرِّفٍ ، عَنِ الْحَکَمِ ؛ فِی رَجُلٍ صَلَّی وَفِی ثَوْبِہِ دَمٌ ، قَالَ : إِنْ کَانَ کَثِیرًا یُعِیدُ مِنْہُ الصَّلاَۃ ، وَإِنْ کَانَ قَلِیلاً لَمْ یُعِدْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯৯০) যে ব্যক্তি নামায পড়ে এবং তার কাপড়ে রক্তের দাগ থাকে সে সম্পর্কে হজরত হাকাম বলেন , বেশি হলে নামায পড়বে এবং কম হলে পুনরায় করবে না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۹۱) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ، عَنْ عَطَائٍ، قَالَ: رَأَیْتُہُ یُصَلِّی وَفِی ثَوْبِہِ کَفٌّ مِنْ دَمٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯৯১) হজরত আবু সাহাক বলেন , আমি হজরত আতা (রা.)-কে নামায পড়তে অনুমতি দিয়েছিলাম যদিও তার কাপড়ে এক হাতের তালুর সমান রক্ত ছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۹۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ زُیَیْدِ بْنِ الصَّلْتِ ) ؛ أَنَّ عُمَرَ غَسَلَ مَا رَأَی فِی ثَوْبِہِ ، وَنَضَحَ مَا لَمْ یَرَ ، وَأَعَادَ بَعْدَ مَا ارْتَفَعَ الضُّحَی مُتَمَکِّنًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯৯২) হযরত যায়েদ বিন সালাত বলেন , হজরত উমর (রা.) তার কাপড়ে বীর্যের চিহ্ন দেখতে পেলে তা ধুয়ে ফেলতেন এবং যদি কোনো চিহ্ন না দেখা যেত, তাহলে তাদের ওপর পানি ছিটিয়ে দিতেন এবং তারা চাশতের সময় নামায পুনরায় পড়তেন .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۹۳) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ ، عَنْ سُلَیْمَانَ بْنِ یَسَارٍ ؛ أَنَّ عُمَرَ صَلَّی صَلاَۃَ الْغَدَاۃِ ، ثُمَّ غَدَا إلَی أَرْضٍ لَہُ بِالْجُرْفِ ، فَوَجَدَ فِی ثَوْبِہِ احْتِلاَمًا ، قَالَ : فَغَسَلَ الاحْتِلاَمَ وَاغْتَسَلَ ، ثُمَّ أَعَادَ صَلاَۃَ الصُّبْحِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯৯৩) হজরত সুলাইমান বিন ইয়াসার বলেন যে , হজরত উমর ( রা . ) ফজরের নামাজ আদায় করলেন , তারপর জারফ নামক স্থানে নিজ জমিতে গেলেন , সেখানে ইহতেলামের আলামত খেয়ে গোসল করলেন এবং ফজরের নামাজ পড়লেন .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۹۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ أَفْلَحَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : صَلَّیْت وَفِی ثَوْبِی جَنَابَۃٌ ، فَأَمَرَنِی ابْنُ عُمَرَ فَأَعَدْت۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯৯৪) হজরত আফলাহ বলেন , আমি নামায পড়েছিলাম যখন আমার কাপড়ে জানাবাতে দাগ ছিল , হযরত ইবনে উমর (রাঃ) আমাকে আবার নামায পড়ার নির্দেশ দিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۹۵) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مُغِیرَۃُ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ فِی الرَّجُلِ یُصَلِّی وَفِی ثَوْبِہِ جَنَابَۃٌ ، قَالَ : مَضَتْ صَلاَتُہُ ، وَلاَ إعَادَۃَ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯৯৫) যে ব্যক্তি নামায পড়ে তার কাপড়ে জানাবাতের দাগ থাকে সে সম্পর্কে হজরত ইব্রাহীম বলেন যে , তার নামায হয়ে গেছে এবং পুনরায় পড়ার প্রয়োজন নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۹۶) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا یُونُسُ وَمَنْصُورٌ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ : یُعِیدُ مَا کَانَ فِی وَقْتٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯৯৬) হজরত হাসান বলতেন , নামাযের সময় শঙ্কিত হয়ে পড়লে তা পুনরাবৃত্তি করতে হবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۹۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی عَرُوبَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ؛ أَنَّہُ قَالَ : مَنْ صَلَّی وَفِی ثَوْبِہِ جَنَابَۃٌ ، فَلاَ إعَادَۃَ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯৯৭) হজরত সাঈদ বিন মুসায়্যিব বলেন , যে ব্যক্তি নিশান জানাবাতের সাথে সালাত আদায় করেছে তার পুনরায় আদায় করার প্রয়োজন নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۹۸) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إذَا وَجَدَ فِی ثَوْبِہِ دَمًا ، أَوْ مَنِیًّا غَسَلَہُ ، وَلَمْ یُعِدِ الصَّلاَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯৯৮) হজরত ইব্রাহীম বলেন , যদি কোনো ব্যক্তির কাপড়ে রক্ত লেগে থাকে , তবে সে তা ধুয়ে ফেলবে এবং নামাজের পুনরাবৃত্তি করবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۹۹) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، عَن عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ یَزِیدَ ، قَالَ : کَانَ عَبْدُ اللہِ یَنْہَضُ فِی الصَّلاَۃِ عَلَی صُدُورِ قَدَمَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯৯৯) হজরত আবদ আল-রহমান বিন ইয়াযিদ বলেন , হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) তাদের পা চেপে উঠাতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۰۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ یَزِیدَ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ زِیَادِ بْنِ أَبِی الْجَعْدِ ، عَنْ عُبَیْدِ بْنِ أَبِی الْجَعْدِ ، قَالَ : کَانَ عَلِیٌّ یَنْہَضُ فِی الصَّلاَۃِ عَلَی صُدُورِ قَدَمَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪০০০) হজরত উবাইদ ইবনে আবি জাদ বলেন , হযরত আলী (রা.) তাদের পা চেপে উঠাতেন । [ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۰۱) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِِ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عُمَارَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ یَزِیدَ ، قَالَ : کَانَ عَبْدُ اللہِ یَنْہَضُ فِی الصَّلاَۃِ عَلَی صُدُورِ قَدَمَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(4001) হজরত আবদ আল-রহমান বিন ইয়াজিদ বলেন , হজরত আবদুল্লাহ (রা.) পায়ের ধার চেপে সালাত আদায় করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۰۲) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ خَیْثَمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : رَأَیْتُہُ یَنْہَضُ فِی الصَّلاَۃِ عَلَی صُدُورِ قَدَمَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪০০২ ) হজরত খায়সামা বলেন , আমি হজরত ইবনে উমরকে পায়ের প্রান্ত চেপে উঠতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۰۳) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : کَانَ ابْنُ أَبِی لَیْلَی یَنْہَضُ فِی الصَّلاَۃِ عَلَی صُدُورِ قَدَمَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪০০৩) হজরত মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ বলেন , হজরত ইবনে আবি লায়লা তার পাগুলোকে চেপে উঠাতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۰۴) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِِ ، عَنْ عِیسَی بْنِ مَیْسَرَۃَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ؛ أَنَّ عُمَرَ وَعَلِیًّا وَأَصْحَابَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانُوا یَنْہَضُونَ فِی الصَّلاَۃِ عَلَی صُدُورِ أَقْدَامِہِمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪০০৪) হজরত শাবি বলেন , হজরত ওমর, হযরত আলী এবং অনেক সাহাবী তাদের পায়ের প্রান্তে চাপ দিয়ে উম উঠাতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۰۵) حَدَّثَنَا حُمَیْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، عَنْ وَہْبِ بْنِ کَیْسَانَ ، قَالَ : رَأَیْتُ ابْنَ الزُّبَیْرِ إذَا سَجَدَ السَّجْدَۃَ الثَّانِیَۃَ قَامَ کَمَا ہُوَ عَلَی صُدُورِ قَدَمَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪০০৫) হজরত ওয়াহিব বিন কি - সান বলেন , আমি হজরত ইবনে জুবায়েরকে দেখেছি , তিনি তার দুই মাথার উপর সিজদা করলেন , তারপর এমনভাবে দাঁড়ালেন যেন তিনি তার পায়ের ধারে দাঁড়িয়ে আছেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۰۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ وَہْبِ بْنِ کَیْسَانَ ، عَنِ ابْنِ الزُّبَیْرِ ؛ بِنَحْوِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪০০৬) এটি আইক ও সনদ থেকেও বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۰۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ أُسَامَۃَ، وَالْعُمَرِیِّ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ؛ أَنَّہُ کَانَ یَنْہَضُ فِی الصَّلاَۃِ عَلَی صُدُورِ قَدَمَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪০০৭) হজরত নাফি বলেন , হজরত ইবনে উমর ( রা .) পায়ের ধার চেপে নামাজ আদায় করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۰۸) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ إِبْرَاہِیمَ ، عَن أَبِی الْمُعَلَّی ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانَ ابْنُ مَسْعُودٍ فِی الرَّکْعَۃِ الأُولَی وَالثَّالِثَۃِ لاَ یَقْعُدُ حِینَ یُرِیدُ أَنْ یَقُومَ حَتَّی یَقُومَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪০০৮) হজরত ইব্রাহিম বলেন , হজরত ইবনে মাসউদ ( রা . ) প্রথম ও তৃতীয় রাকাতের পর যখন উঠতেন , তখন তিনি দাঁড়াতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۰۹) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، قَالَ : کَانَ أَشْیَاخُنَا لاَ یُمَایلُونَ ، یَعْنِی إذَا رَفَعَ أَحَدُہُمْ رَأْسَہُ مِنَ السَّجْدَۃِ الثَّانِیَۃِ فِی الرَّکْعَۃِ الأُولَی وَالثَّالِثَۃِ یَنْہَضُ کَمَا ہُوَ ، وَلَمْ یَجْلِسْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪০০৯ ) হযরত জাহরি বলেন , আমাদের শায়খ যখন প্রথম ও তৃতীয় রাকাতে দ্বিতীয় সেজদা থেকে মাথা উঠাতেন , তখন তিনি সোজা হয়ে দাঁড়াতেন এবং তাদের মাঝখানে বসতেন না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۱۰) حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ الزُّبَیْرِ بْنِ عَدِیٍّ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ أَنَّہُ کَانَ یُسْرِعُ فِی الْقِیَامِ فِی الرَّکْعَۃِ الأُولَی مِنْ آخِرِ سَجْدَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৪০১০) হজরত জুবায়ের ইবনে আদী বলেন , হজরত ইব্রাহিম প্রথম রাকাতের দ্বিতীয় সেজদা থেকে উঠে সঙ্গে সঙ্গে উঠে দাঁড়াতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۱۱) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِِ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلاَنَ ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ أَبِی عَیَّاشٍ ، قَالَ : أَدْرَکْت غَیْرَ وَاحِدٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَکَانَ إذَا رَفَعَ رَأْسَہُ مِنَ السَّجْدَۃِ فِی أَوَّلِ رَکْعَۃٍ وَالثَّالِثَۃِ ، قَامَ کَمَا ہُوَ وَلَمْ یَجْلِسْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 4011 ) হজরত নুমান বিন আবি আয়াশ বলেন , আমি অনেক সাহাবীর কাছে গিয়েছি । যখন তিনি প্রথম ও তৃতীয় রাকাতের সিজদা থেকে মাথা উঠাতেন , তখন সোজা হয়ে দাঁড়াতেন এবং তাদের মাঝখানে দাঁড়াতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰۱۲) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنْ خَالِدٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ أَبَا قِلاَبَۃَ وَالْحَسَنَ یَعْتَمِدَانِ عَلَی أَیْدِیہِمَا فِی الصَّلاَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪০১২) হজরত খালিদ বলেন , আমি আবু কালাবা ও হযরত হাসানকে নামাজে আমার হাত সমর্থন করতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস