
(۳۶۵۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ یَزِیدَ الْفَقِیرِ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : کُنَّا نَتَحَدَّثُ ، أَنَّہُ لاَ صَلاَۃَ إِلاَّ بِقِرَائَۃِ فَاتِحَۃِ الْکِتَابِ فَمَا زَادَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৬৫৩) হজরত জাবির বলেন , আমরা তাকে বলতাম যে , যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা এবং তার কিছু বেশি পাঠ করবে না , তার নামায হবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৫৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۵۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الحَسَن ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : تُجْزِیئُ فَاتِحَۃُ الْکِتَابِ فِی التَّطَوُّعِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৬৫৪) হযরত মুজাহিদ বলেন , নফল নামাযের সময় সূরা ফাতিহা পাঠ করাই যথেষ্ট ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৫৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۵۵) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، وَوَکِیعٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عُمَارَۃَ بْنِ عُمَیْرٍ ، عَنْ أَبِی مَعْمَرٍ ، قَالَ : قلْنَا لِخَبَّابٍ : بِأَیِّ شَیْئٍ کُنْتُمْ تَعْرِفُونَ قِرَائَۃَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی الظُّہْرِ وَالْعَصْرِ ؟ قَالَ : بِاضْطِرَابِ لِحْیَتِہِ ، وَقَالَ أَبُو مُعَاوِیَۃَ : لَحْیَیْہِ۔ (بخاری ۷۷۷۔ ابوداؤد ۷۹۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৬৫৫) হজরত আবু মুয়াম্মার বলেন , আমি হজরত খাব্বাব (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলাম , আপনি যোহর ও আসরের সময় রাসূলুল্লাহ ( সা . )- এর তিলাওয়াত কীভাবে জানতেন ? তিনি বলেন , দোয়ার দাড়ি কাঁপানোর কারণে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৫৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۵۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی الزَّعْرَائِ ، عَنْ أَبِی الأَحْوَصِ ، عَمَّنْ سَمِعَ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : کَانُوا یَعْرِفُونَ قِرَائَتَہُ فِی الظُّہْرِ وَالْعَصْرِ بِاضْطِرَابِ لِحْیَیْہِ۔ (احمد ۵/۳۷۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৬৫৬) হজরত আবু আল-হুস বলেন, সাহাবায়ে কেরাম আমযাহার ও আসরের সময় তাঁর বরকতময় দাড়ির নড়াচড়া দেখে হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর তিলাওয়াত অনুমান করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৫৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۵۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ سَلَمَۃَ بْنِ کُہَیْلٍ ، عَنِ الْحَسَنِ الْعُرَنِیِّ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : مَا أَدْرِی، کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقْرَأُ فِی الظُّہْرِ وَالْعَصْرِ ؟ وَلَکِنَّا نَقْرَأُ۔ (ابوداؤد ۸۰۵۔ احمد ۱/۲۴۹)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৬৫৭ ) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) বলেন , আমি জানি না রাসূলুল্লাহ ( সা . ) যোহর ও আসরের নামাজ পড়তেন কি না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৫৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۵۸) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ حَبِیبِ بْنِ شَہِیدٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : فِی کُلِّ صَلاَۃٍ أَقْرَأُ ، فَمَا أَعْلَنَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَعْلَنَّا ، وَمَا أَخْفَی أَخْفَیْنَا۔ (بخاری ۷۷۲۔ مسلم ۴۴)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৬৫৮ ) হজরত আবু হুরায়রা ( রাঃ ) বলেন , আমি প্রত্যেক নামাযে পড়ি , যে দোয়াটি হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ধীরে ধীরে পাঠ করতেন আমি তা ধীরে ধীরে পাঠ করি যেভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ তায়ালা উচ্চস্বরে পাঠ করলেন , আমিও উচ্চস্বরে পাঠ করি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৫৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۵۹) حَدَّثَنَا جَرِیرُ بْنِ عَبْدِ الْحَمِیدِ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ عَبَّادٍ ، قَالَ : کَانَ خَبَّابُ بْنُ الأَرَتِّ یَجْہَرُ بِالْقِرَائَۃِ فِی الظُّہْرِ وَالْعَصْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৬৫৯) হযরত ইয়াহইয়া বিন উবাদ বলেন , হযরত খাব্বাব বিন আরত যোহর ও আসরের সময় উচ্চস্বরে তিলাওয়াত করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৫৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۶۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ کِلاَبِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ عَمِّہِ ، قَالَ: تَعَلَّمْت {إذَا زُلْزِلَتِ الأَرض} خَلْفَ خَبَّابٍ فِی الْعَصْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৬৬০ ) হজরত কালব ইবনে আমর তার চাচা থেকে বর্ণনা করেন যে , আমি আসরের নামাযে হযরত খাব্বাবের কাছ থেকে সূরা আল - জালজাল শিখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৬০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۶۱) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ دَاوُدَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ؛ أَنَّ سَعِیدَ بْنِ الْعَاصِ صَلَّی بِالنَّاسِ الظُّہْرَ أَوِ الْعَصْرَ ، فَجَہَرَ بِالْقِرَائَۃِ فَسَبَّحَ الْقَوْمُ ، فَمَضَی فِی قِرَائَتِہِ ، فَلَمَّا فَرَغَ صَعِدَ الْمِنْبَرَ ، فَخَطَبَ النَّاسَ ، فَقَالَ : فِی کُلِّ صَلاَۃٍ قِرَائَۃٌ ، وَإِنَّ صَلاَۃَ النَّہَارِ تخرس ، وَإِنِّی کَرِہْت أَنْ أَسْکُتَ ، فَلاَ تَرَوْنَ أَنِّی فَعَلْت ذَلِکَ بِدْعَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৬৬১ ) হজরত শাবি বলেন , হজরত সাঈদ বিন আস ( রা . ) লোকদের যোহরের নামায পড়াতেন এবং উচ্চস্বরে পাঠ করতেন , লোকেরা তাকে অনুসরণ করে তার প্রশংসা করতে থাকে হজরত সাঈদ তার তেলাওয়াত চালিয়ে গেলেন এবং তিনি শেষ করে মিম্বরে আরোহণ করলেন এবং বললেন , প্রতিটি নামায তেলাওয়াত করছে এবং প্রতিদিনের নামাজ নীরব । অর্থাৎ ধীর স্বরে আবৃত্তি করা হয় । আমি চুপ থাকা ঘৃণা করি। তাই ভাববেন না যে আমি কোনো উদ্ভাবন করেছি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۶۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ حُسَیْنِ بْنِ عُقَیْلٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مُزَاحِمٍ ، قَالَ : صَلَّیْت خَلْفَ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، فَکَانَ الصَّفُّ الأَوَّلُ یَفْقَہُونَ قِرَائَتَہُ فِی الظُّہْرِ وَالْعَصْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৬৬২) হজরত মুহাম্মাদ বিন মুজাহিম বলেন , আমি হযরত সাঈদ বিন জুবির ( রা . ) - এর পেছনে যোহর ও আসরের নামাজ পড়তেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۶۳) حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ مَسْعَدَۃَ ، عَنْ حُمَیْدٍ ، قَالَ : صَلَّیْت خَلْفَ أَنَسٍ الظُّہْرَ ، فَقَرَأَ بِـ: {سَبِّحِ اسْمَ رَبِّکَ الأَعْلَی} وَجَعَلَ یُسْمِعُنَا الآیَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৬৬৩ ) হজরত হামেদ বলেন , আমি হজরত আনাসের পেছনে যোহরের নামায পড়লাম , তারপর তিনি সূরা আল - ইয়া পাঠ করলেন । তিনি আমাদের এই আয়াতটি শোনাতেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۶۴) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ زَیْدِ بْنِ جُدْعَانَ ، عَنْ أَبِی عُثْمَانَ ، قَالَ : سَمِعْتُ مِنْ عُمَرَ نَغْمَۃً مِنْ (ق) فِی الظُّہْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৬৬৪) হজরত আবু উসমান বলেন , আমি যোহরের নামাযে হজরত ওমর (রা . ) - এর পেছনে ধীর স্বরে সূরা ক্বাক পাঠ করতে শুনেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۶۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ إسْرَائِیلَ، عَنْ جَابِرٍ، عَنْ عَبْدِالرَّحْمَنِ بْنِ الأَسْوَدِ؛ أَنَّ الأَسْوَدَ وَعَلْقَمَۃَ کَانَا یَجْہَرَانِ فِی الظُّہْرِ وَالْعَصْرِ فَلاَ یَسْجُدَانِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৬৬৫) হযরত আবদ আল - রহমান বিন আসওয়াদ বলেন , হযরত আসওয়াদ ও হযরত আলকামা যোহর ও আসরের সময় উচ্চস্বরে পাঠ করার সময় সিজদা করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۶۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ إسْرَائِیلَ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: سَأَلْتُ الشَّعْبِیَّ ، وَالْحَکَمَ ، وَسَالِمًا وَالْقَاسِمَ ، وَمُجَاہِدًا، وَعَطَائً ؛ عَنِ الرَّجُلِ یَجْہَرُ فِی الظُّہْرِ أَوَ الْعَصْرِ ؟ قَالُوا : لَیْسَ عَلَیْہِ سَہْوٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৬৬৬) হজরত জাবির বলেন , আমি শাবি , হক , সেলিম, কাসিম , মুজাহিদ ও আতাকে জিজ্ঞেস করলাম , যে ব্যক্তি যোহর ও আসরের সময় উচ্চস্বরে পাঠ করে , তাহলে তার হুকুম কী ? তিনি বলেন , এতে কোনো সিজদা নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۶۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ بَشِیرٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ؛ أَنَّ أَنَسًا جَہَرَ فِی الظُّہْرِ وَالْعَصْرِ ، فَلَمْ یَسْجُدْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৬৬৭) হযরত কাতাদাহ বলেন , হযরত আনাস (রাঃ) জোহর ও আসরের সময় উচ্চস্বরে তেলাওয়াত করতেন , তারপর সিজদাও করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۶۸) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہُ سُئِلَ عَنِ الرَّجُلِ یَجْہَرُ فِیمَا لاَ یُجْہَرُ فِیہِ ؟ قَالَ : یَسْجُدُ سَجْدَتَیِ السَّہْوِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৬৬৮ ) হজরত ইয়াবিনাস বলেন , হজরত হাসানকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে ব্যক্তি নামাজের সময় বিষপান করে , তার কী করা উচিত ? সে সিজদা করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۶۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إذَا جَہَرَ فِیمَا یُخَافَتُ فِیہِ ، أَوْ خَافَتَ فِیمَا یُجْہَرُ فِیہِ ، فَعَلَیْہِ سَجْدَتَا السَّہْوِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৬৬৯) হজরত ইব্রাহিম বলেন , যখন কেউ প্রধান নামাজে জহর পাঠ করে এবং জাহরী নামাজে ধীরে ধীরে পাঠ করে তখন সেজদা করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۷۰) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا لَیْثٌ ، عَنْ طَاوُوسٍ ، قَالَ : مَنْ فَاتَہُ شَیْئٌ مِنْ صَلاَۃِ الإِمَامِ ، فَإِنْ شَائَ جَہَرَ ، وَإِنْ شَائَ لَمْ یَجْہَرْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৬৭০) হযরত তাওস বলেন, জাহরী নামাযে ইমামের সাথে কোন রাকাত অবশিষ্ট থাকলে তা আদায় করার সময় ইচ্ছা করলে জহর আদায় করতে হবে এবং ইচ্ছা করলে তা আদায় করতে হবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۷۱) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ أَبِی الْعُمَیْسِ ، قَالَ : قَالَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِیزِ : اصْنَعُوا مِثْلَ مَا صَنَعَ الإِمَامُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৬৭১) হজরত উমর বিন আবদ আল আজিজ বলেন , ইমাম যেভাবে নামায আদায় করেন সেভাবে বাকি নামাজ আদায় করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۷۲) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ أَبِی الْعُمَیْسِ ، عَنِ الْمُغِیرَۃِ بْنِ حَکِیمٍ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِیزِ ؛نَحْوَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৬৭২) এটি আইক ও সনদ থেকেও বর্ণিত আছে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۷۳) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ عَمْرٍو قَالَ : فَاتَتْ عُبَیْدَ بْنَ عُمَیْرٍ رَکْعَۃٌ مِنَ الْمَغْرِبِ ، فَسَمِعْتُہُ یَقْرَأُ : {وَاللَّیْلِ إذَا یَغْشَی}۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৬৭৩ ) হজরত আমর বলেন , মাগরিবের মধ্যে উবায়দ বিন উমায়েরের এক রাকাত বাকি ছিল , আমি তাকে ওই রাকাতে সূরা আল - লিল বলতে শুনেছি । তিনি তিলাওয়াত করছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۷۴) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ مُفَضَّلِ بْنِ مُہَلْہِل ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانُوا یَسْتَحِبُّونَ لِمَنْ سُبِقَ بِبَعْضِ الصَّلاَۃِ فِی الْفَجْرِ أَوِ الْمَغْرِبِ أَوِ الْعِشَائِ إذَا قَامَ یَقْضِی ، أَنْ یَجْہَرَ بِالْقِرَائَۃِ ، کَیْ یَعْلَمَ مَنْ لاَ یَعْلَمُ أَنَّ الْقِرَائَۃَ فِیمَا یُقْضَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৬৭৪) হজরত ইব্রাহিম বলেন , পূর্ববর্তীরা এটাকে মুস্তাহাব মনে করতেন যে , যে ব্যক্তির ফজর , মাগরিব ও এশার কিছু নামায বাকি আছে , সে যেন সেগুলো পড়ার সময় উচ্চস্বরে পাঠ করে , যাতে অজ্ঞরা জানতে পারে যে , বাকি নামায পড়া হয়েছে আমাকে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۷۵) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ فِی الرَّجُلِ یُصَلِّی الْمَغْرِبَ وَحْدَہُ ، قَالَ : یُسْمِعُ قِرَائَتَہُ أُذُنَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৬৭৫) যে ব্যক্তি একাকী মাগরিবের সালাত পড়বে তার সম্পর্কে হজরত হাসান বলেন , সে তার কানে নিজের তেলাওয়াত শোনাবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۷۶) حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ بْنِ نَجِیحٍ ، قَالَ : کُنْتُ مَعَ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، فَقُمْنَا إلَی الْمَغْرِبِ وَقَدْ سُبِقْنَا بِرَکْعَۃٍ ، فَلَمَّا قَامَ سَعِیدٌ یَقْضِی قَرَأَ بِـ : { أَلْہَاکُمُ التَّکَاثُرُ} ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৬৭৬ ) হজরত আইয়ুব ইবনে নাজিহ বলেন , আমি সাঈদ ইবনে জুবেরের সঙ্গে ছিলাম । আমরা যখন মাগরিবের নামায পড়তে যাই , তখন আমাদের এক রাকাত পড়ে যায় হজরত সাঈদ যখন এই রাকাত পড়ার জন্য দাঁড়ালেন, তখন তিনি সূরা তাকাথির পাঠ করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۷۷) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، عَنْ عَبِیْدَۃَ ؛ فِی الْقِرَائَۃِ فِی صَلاَۃِ النَّہَارِ ، أَسْمِعْ نَفْسَک۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৬৭৭) হজরত উবাইদা (রা.) প্রতিদিনের নামাজ সম্পর্কে বলেন যেগুলো আপনি নিজের কাছে পাঠ করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۷۸) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، عَنْ عَبِیْدَۃَ (ح) وَعَنْ لَیْثٍ ، عَنِ ابْنِ سَابِطٍ ، قَالاَ : أَدْنَی مَا یُقْرَأُ الْقُرْآنُ أَنْ تُسْمِعَ أُذُنَیْک۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৬৭৮) হযরত লায়ছ ও হযরত ইবনে সাবাত বলেন যে, কুরআনের তিলাওয়াত অল্প পরিমাণ যা আপনি কানে শোনেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۷۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، عَن عَلْقَمَۃَ ، قَالَ : صَلَّیْت إلَی جَنْبِ عَبْدِ اللہِ بِالنَّہَارِ ، فَلَمْ أَدْرِ أَیَّ شَیْئٍ قَرَأَ ، حَتَّی انْتَہَی إلَی قَوْلِہِ : {رَبِّ زِدْنِی عِلْمًا} فَظَنَنْت أَنَّہُ یَقْرَأُ فِی طَہ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৬৭৯ ) হজরত আল কামা বলেন , আমি একদিন হজরত আবদুল্লাহর সঙ্গে সালাত আদায় করলাম , আমি জানতাম না তিনি কোথা থেকে তেলাওয়াত করছেন । যাইহোক, যখন তিনি {রাব্বি জিদনে ইলমা} বললেন , তখন আমি জানতে পারলাম যে তিনি সূরা ত্বহা পাঠ করছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۸۰) حَدَّثَنَا حَفْصٌ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : حدَّثَنِی مَنْ صَلَّی خَلْفَ ابْنِ مَسْعُودٍ ، فَذَکَرَ نَحْوًا مِنْ حَدِیثِ وَکِیعٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৬৮০) এটি আইক ও সনদ থেকেও বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۸۱) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ أَبِی بِشْرٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّہُ رَأَی رَجُلاً یَجْہَرُ بِالْقِرَائَۃِ نَہَارًا ، فَدَعَاہُ فَقَالَ : إنَّ صَلاَۃَ النَّہَارِ لاَ یُجْہَرُ فِیہَا ، فَأَسِرَّ قِرَائَتَک۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৬৮১ ) হজরত সাঈদ ইবনে জাবির বলেন , হজরত ইবনে উমর (রা. ) এক ব্যক্তিকে দেখতে পেলেন যে দিনের বেলায় উচ্চস্বরে তেলাওয়াত করছে । তিনি তাকে ডেকে বললেন , দিনের নামাজের সময় উচ্চস্বরে তেলাওয়াত করা উচিত নয় । নিচু স্বরে আবৃত্তি করুন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶۸۲) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ عَاصِمٍ ، قَالَ : کَانَ ابْنُ سِیرِینَ یَتَطَوَّعُ فَکُنَّا نَسْمَعُ قِرَائَتَہُ ، فَإِذَا قَامَ إلَی الصَّلاَۃِ خَفِیَ عَلَیْنَا مَا یَقْرَأُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৬৮২ ) হজরত আসিম বলেন , হজরত ইবনে সিরীন এত উচ্চকণ্ঠে তেলাওয়াত করতেন যে আমরা তার কণ্ঠ শুনতে পেতাম । কিন্তু যখন তারা ফরয সালাত আদায় করছিলেন তখন আমরা তাদের তিলাওয়াতের আওয়াজ শুনতে পেতাম না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস