
(۳۵۰۳) حَدَّثَنَا حَفْصٌ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِی یَحْیَی، عَنِ امْرَأَۃٍ مِنْہُمْ، عَنْ جَدَّۃٍ لَہَا ؛ أَنَّ عُمَرَ مَرَّ بِامْرَأَۃٍ وَہِیَ تُوقِظُ صَبِیًّا لَہَا یُصَلِّی وَہُوَ یَتَلَکَّأُ، فَقَالَ: دَعِیہِ فَلَیْسَتْ عَلَیْہِ حَتَّی یَعْقِلَہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫০৩) হযরত ওমর (রাঃ) একবার এক মহিলার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যে তার সন্তানকে নামাযের জন্য জাগিয়ে দিচ্ছিল এবং সে একগুঁয়ে ছিল । হজরত উমর (রা. ) তাকে বললেন , তাকে ছেড়ে দাও, সে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত তার ওপর সালাত ফরয নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۰۴) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ، عَنْ حَجَّاج، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: یُعَلَّمُ الصَّبِیَّ الصَّلاَۃَ إذَا عَرَفَ یَمِینَہُ مِنْ شِمَالِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫০৪) হজরত ইবনে উমর (রা.) বলেন , শিশুকে তখন নামাজ শেখানো হবে যখন সে তার মা ও তার স্ত্রীর মধ্যে পার্থক্য করতে পারবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۰۵) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ، وَحَفْصٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إبْرَاہِیمَ، قَالَ: کَانَ یُعَلَّمُ الصَّبِیُّ الصَّلاَۃَ إذَا اثَّغَرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫০৫) হজরত আমিশ বলেন , হজরত ইবরাহীম শিশুকে নামাজ পড়াতেন যখন তার দুধের দাঁত একবার ভেঙে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۰۶) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ، عَنْ مُغِیرَۃَ، عَنْ إبْرَاہِیمَ، قَالَ: کَانُوا یُعَلِّمُونَ الصِّبْیَانَ الصَّلاَۃَ إذَا اثَّغَرُوا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫০৬ ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , পূর্বপুরুষেরা শিশুদের দোয়া শিখাতেন যখন তাদের দুধের দাঁত একবার ভেঙ্গে আবার বেরিয়ে আসত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۰۷) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ، عَنْ ہِشَامٍ، عَنْ أَبِیہِ، قَالَ: کَانَ یُعَلِّمُ بَنِیہِ الصَّلاَۃَ إذَا عَقَلُوا، وَالصَّوْمَ إذَا أَطَاقُوا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(3507) হযরত উরওয়া ( রাঃ ) শিশুদের জ্ঞান থাকলে নামায পড়তে শেখাতেন এবং যখন তারা তা করার শক্তি পেত তখন রোজা রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۰۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ سُفْیَانَ، عَنْ حَبِیبِ بْنِ أَبِی ثَابِتٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْیَحْصُبِیِّ، قَالَ: یُؤْمَرُ الصَّبِیُّ بِالصَّلاَۃِ إذَا عَدَّ عِشْرِینَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫০৮) হজরত আবদুল রহমান ইয়া হাসবি বলেন , শিশু যখন বিশটি গণনা শুরু করবে , তখন তাকে নামায পড়ার নির্দেশ দেওয়া হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۰۹) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ، عَنْ سُفْیَانَ، عَنْ حَبِیبِ بْنِ أَبِی ثَابِتٍ، عَنِ امْرَأَۃِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْیَحْصُبِیِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْیَحْصُبِیِّ، بِمِثْلِہِ۔
( 3509 )
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۱۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ سُفْیَانَ، عَنْ أَبِی رَجَائٍ، عَنْ مَکْحُولٍ، قَالَ: یُؤْمَرُ الصَّبِیُّ بِہَا إذَا بَلَغَ السَّبْعَ، وَیُضْرَبُ عَلَیْہَا إذَا بَلَغَ عَشْرًا
থেকে বর্ণিতঃ
(3510) হজরত মাখুল বলেন , যখন একটি শিশু সাত বছর বয়সে পরিণত হবে তখন তাকে নামাজের আদেশ দেওয়া হবে এবং যখন সে দশ বছর বয়সে পরিণত হবে তখন তাকে সালাত ত্যাগ করার জন্য হত্যা করা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۱۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ سُفْیَانَ، عَنْ أَبِی فَزَارَۃَ، عَنْ مَیْمُونِ بْنِ مِہْرَانَ، قَالَ: یُؤْمَرُ بِہَا إذَا بَلَغَ حُلْمَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫১১) হজরত মায়মুন বিন মেহরান বলেন , শিশু যখন প্রাপ্তবয়স্ক হবে, তখন তাকে নামাজ পড়ার নির্দেশ দেওয়া হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۱۲) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ، عَنْ حَجَّاجٍ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ، قَالَ: کَانَ یُعَلَّمُ الصَّبِیُّ الصَّلاۃ مَا بَیْنَ سَبْعِ سِنِینَ إلَی عَشَرِ سِنِینَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(3512) হজরত আবু ইসহাক ( রা . ) সাত থেকে দশ বছর বয়সে শিশুটিকে নামাজ পড়া শিখাতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۱۳) حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إسْمَاعِیلَ، عَنْ جَعْفَرٍ، عَنْ أَبِیہِ، قَالَ: کَانَ عَلِیُّ بْنُ الْحُسَیْنِ یَأْمُرُ الصِّبْیَانَ أَنْ یُصَلُّوا الظُّہْرَ وَالْعَصْرَ جَمِیعًا وَالْمَغْرِبَ وَالْعِشَائَ جَمِیعًا فَیُقَالُ یُصَلُّونَ الصَّلاَۃَ لِغَیْرِ وَقْتِہَا فَیَقُولُ ہَذَا خَیْرٌ مِنْ أَنْ یَنَامُوا عَنْہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫১৩) হজরত জাফর তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে , হজরত আলী বিন হুসাইন শিশুদেরকে যোহর ও আসরের নামাজ একসঙ্গে আদায় করতেন এবং মাগরিব ও এশার নামাজ একসঙ্গে আদায় করতেন কেউ তাদের বলেছে এভাবে তারা সময় ছাড়া নামাজ পড়বে । হযরত আলী বিন হুসাইন বললেন , হ্যাঁ নামাজ না পড়ে ঘুমিয়ে যাওয়াই ভালো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۱۴) حَدَّثَنَا حَفْصٌ، عَنْ أَشْعَثَ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ، قَالَ: یُعَلَّمُ الصَّبِیُّ الصَّلاَۃَ إذَا عَرَفَ یَمِینَہُ مِنْ شِمَالِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 3514 ) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , শিশু যখন ধাত্রী ও স্ত্রীর মধ্যে পার্থক্য করতে শুরু করবে তখন তাকে নামাজ শেখানো হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۱۵) حَدَّثَنَا حَفْصٌ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ مِثْلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫১৫) হজরত ইবনে ওমর থেকেও এটা হস্তান্তরযোগ্য নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۱۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، قَالَ: حدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ عُمَارَۃَ، عَنْ أَبِی الأَحْوَصِ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللہِ حَافِظُوا عَلَی أَبْنَائِکُمْ عَلَی الصَّلاَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫১৬) হজরত আবদুল্লাহ বলেন : বাচ্চাদের নামাজে অভ্যস্ত কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۱۷) حَدَّثَنَا سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ، عَنْ عَبْدِ الْکَرِیمِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَیْبٍ، قَالَ: کَانَ الْغُلاَمُ إذَا أَفْصَحَ مِنْ بَنِی عَبْدِ الْمُطَّلِبِ عَلَّمَہُ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ہَذِہِ الآیَۃَ سَبْعَ مَرَّاتٍ: {الْحَمْدُ لِلَّہِ الَّذِی لَمْ یَتَّخِذْ وَلَدًا وَلَمْ یَکُنْ لَہُ شَرِیکٌ فِی الْمُلْکِ}۔ (عبدالرزاق ۷۹۷۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫১৭) হজরত আমর ইবনে শুআইব (রা.) বলেন, বনু আবদুল মুত্তালিবে যখন কোনো শিশু কথা বলতে শুরু করত , তখন মহানবী (সা . ) তাকে এই আয়াতটি সাতবার ( অনুবাদ ) শিক্ষা দিতেন সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যার কোন সন্তান নেই এবং তাঁর রাজত্বে তাঁর কোন শরীক নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۱۸) حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إسْمَاعِیلَ، عَنْ جَعْفَرٍ، عَنْ أَبِیہِ، قَالَ: کَانَ عَلِیُّ بْنُ الْحُسَیْنِ یُعَلِّمُ وَلَدَہُ یَقُولُ قُلْ آمَنْت بِاللَّہِ وَکَفَرْت بِالطَّاغُوتِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 3518 ) হযরত আলী বিন হুসাইন তার সন্তানকে এই শিক্ষা দিতেন ( অনুবাদ ) আমি আল্লাহকে বিশ্বাস করি এবং শয়তানকে অস্বীকার করি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۱۹) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ، عَنِ الْعَوَّامِ، عَنْ إبْرَاہِیمَ التَّیْمِیِّ، قَالَ: کَانُوا یَسْتَحِبُّونَ أَنْ یُلَقِّنُوا الصَّبِیَّ الصَّلاَۃَ وَیُعْرِبُ أَوَّلَ مَا یَتَکَلَّمُ یَقُولُ لاَ إلَہَ إِلاَّ اللَّہُ سَبْعَ مَرَّاتٍ فَیَکُونُ ذَلِکَ أَوَّلَ شَیْئٍ یَتَکَلَّمُ بِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫১৯ ) হজরত ইব্রাহীম মুতামি বলেন , পূর্বসূরিরা শিশুকে নামায পড়াতে পছন্দ করতেন এবং শিশুটি যখন বলতে শুরু করত , তখন তাকে প্রথমে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলতে শেখানো হতো তারা চেয়েছিল এই শব্দটি প্রথমে শিশুর জিভ থেকে বেরিয়ে আসুক ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۲۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ ہَمَّامٍ، عَنْ أَبِیہِ، أَنَّ الأَشْعَثَ قَدَّمَ غُلاَمًا فَقِیلَ لَہُ، فَقَالَ: إنَّمَا قَدَّمْت الْقُرْآنَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 3520 ) হজরত হাম্মাম তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, একবার হজরত আশআস (রা.) একটি ছেলেকে নামাজের জন্য নিয়ে গেলেন । তার কাছে আপত্তি তোলা হলে তিনি বলেন , আমি কোরআনকে উন্নত করেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۲۱) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ، عَنْ ہِشَامٍ، عَنْ أَبِیہِ، قَالَ: لَمَّا قَدِمَ الأَشْعَثُ، قَدَّمَ غُلاَمًا فَعَابُوا ذَلِکَ عَلَیْہِ، فَقَالَ: مَا قَدَّمْتُہُ، وَلَکِنِّی قَدَّمْت الْقُرْآنَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫২১ ) হজরত হিশাম তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, হজরত আশআত যখন তিশরীফ নিয়ে আসেন , তখন তিনি একটি ছেলেকে নামাযের জন্য সামনে আনেন এবং লোকেরা এতে আপত্তি জানায় । এ বিষয়ে হযরত আশআত (রা ) বলেন , আমি তাকে সামনের দিকে ঠেলে দেইনি , বরং আমি কোরআনকে এগিয়ে দিয়েছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۲۲) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ، عَنْ یُونُسَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ إبْرَاہِیمَ، قَالَ: لاَ بَأْسَ أَنْ یَؤُمَّ الْغُلاَمُ قَبْلَ أَنْ یَحْتَلِمَ فِی شَہْرِ رَمَضَانَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫২২ ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , শিশুর প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই রমজান মাসে ইমামতি করাতে কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

۳۵۲۳) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ، عَنْ ہِشَامٍ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: لاَ بَأْسَ أَنْ یَؤُمَّ الْغُلاَمُ قَبْلَ أَنْ یَحْتَلِمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫২৩) হজরত হাসান বলেন , প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে শিশুর ইমামতি করাতে কোনো দোষ নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۲۴) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ عَیَّاشٍ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ، عَنْ عَطَاء، وَعُمَر بْنِ عَبْدِ الْعَزِیز، قَالاَ: لاَ یَؤُمُّ الْغُلاَمُ قَبْلَ أَنْ یَحْتَلِمَ فِی الْفَرِیضَۃِ وَلاَ غَیْرِہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫২৪) হজরত আতা ও হজরত উমর ইবনে আবদ আল-আযীয বলেন , শিশু সাবালক হওয়ার আগে ফরজ ও নফলের ইমামতি করতে পারে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۲۵) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ عَیَّاشٍ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِیزِ، عَنِ الشَّعْبِیِّ، قَالَ: لاَ یَؤُمُّ الْغُلاَمُ حَتَّی یَحْتَلِمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(3525) হজরত শাবি বলেন , একটি শিশু প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত ইমাম হতে পারে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۲۶) حَدَّثَنَا رَوَّادُ بْنُ جَرَّاحٍ أَبُو عِصَامٍ، عَنِ الأَوْزَاعِیِّ، عَنْ وَاصِلٍ أَبِی بَکْرٍ، عَنْ مُجَاہِدٍ، قَالَ: لاَ یَؤُمُّ غُلاَمٌ حَتَّی یَحْتَلِمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(3526) হজরত মুজাহিদ বলেন , শিশু প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত ইমামতি করতে পারে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۲۷) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ، عَنْ مُغِیرَۃَ، عَنْ إبْرَاہِیمَ، قَالَ: کَانَ یُکْرَہُ التَّمَطِّیَ عِنْدَ النِّسَائِ، وَفِی الصَّلاَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(3527) হযরত ইব্রাহীম ( আঃ ) মহিলাদের নিকটবর্তী হওয়া এবং নামায পড়াকে জঘন্য মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۲۸) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ، عَنْ لَیْثٍ، قَالَ: قَالَ سَعِیدُ بْنُ جُبَیْرٍ: التَّمَطِّی یَنْقُصُ الصَّلاَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 3528 ) হজরত সাঈদ বিন জাবির বলেন , পিষে ফেলা নামাযকে নষ্ট করে দেয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۲۹) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأحمر، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ أَبِی الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ، قَالَ: نَہَی النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَنْ یُصَلِّیَ الرَّجُلُ فِی الثَّوْبِ الْوَاحِدِ، لَیْسَ عَلَی عَاتِقَیہِ مِنْہُ شَیْئٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৫২৯) হজরত আবু হারি ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) এমনভাবে নামাজ পড়তে নিষেধ করেছেন যাতে কাঁধে কোনো কাপড় না থাকে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۳۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ، عَنْ أَبِی الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ؛ مِثْلَہُ۔ (مسلم ۲۷۷۔ ابوداؤد ۶۲۶)
( 3530 )
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۳۱) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ، عَنْ إبْرَاہِیمَ التَّیْمِیِّ، قَالَ: کَانَ الرَّجُلُ مِنْ أَصْحَابِ مُحَمَّدٍ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إذَا لَمْ یَجِدْ رِدَائً یُصَلِّی فِیہِ، وَضَعَ عَلَی عَاتِقَیہِ عِقَالاً ثُمَّ صَلَّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫৩১ ) হজরত ইবরাহীম মুতামী ( রা . ) বলেন , সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন নামায পড়তেন , তারা চাদর বা কম্বল না থাকলে কাঁধে রশি বেঁধে সালাত আদায় করতেন । .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵۳۲) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ، عَنْ مُغِیرَۃَ، عَنْ إبْرَاہِیمَ، قَالَ: کَانُوا یَکْرَہُونَ إعْرَائَ الْمَنَاکِبِ فِی الصَّلاَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫৩২) হজরত ইব্রাহিম বলেন , পূর্বপুরুষেরা নামাজে কাঁধ খালি করাকে জঘন্য মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস