
(۳۴۴۳) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ، عَنِ الْمَقْبُرِیِّ، عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ ہِشَامٍ، عَنْ أَبِیہِ، عَنْ عَمَّارِ بْنِ یَاسِرٍ ؛ أَنَّہُ دَخَلَ الْمَسْجِدَ فَصَلَّی رَکْعَتَیْنِ خَفِیفَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৪৪৩) হজরত আরওয়া বলেন , হযরত আম্মার ইবনে আস মসজিদে প্রবেশ করে হালকা দুই রাকাত আদায় করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴۴۴) حَدَّثَنَا عَبَّادٌ، عن عَبْدِ الْمَلِکِ، عَنْ عَطَائٍ ؛ فِی الرَّجُلِ یَدْخُلُ الْمَسْجِدَ یُصَلِّی فِیہِ کُلَّمَا مَرَّ ؟ قَالَ: یُصَلِّی رَکْعَتَیْنِ، ثُم یَمُرُّ فِیہِ سَائِرَ یَوْمِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৪৪৪ ) হযরত আতা (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে , কোন ব্যক্তি যখনই মসজিদের পাশ দিয়ে যাবে তখন কি দুই রাকাত নামায পড়বে ? তুমি বললে না , একবার দুই রাকাত পড়ে তারপর সারাদিন কাটাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴۴۵) حَدَّثَنَا حَرَمِیُّ بْنُ عُمَارَۃَ، عَنْ أَبِی خَلْدَۃَ، قَالَ: رَأَیْتُ عِکْرِمَۃَ دَخَلَ الْمَسْجِدَ فَصَلَّی فِیہِ رَکْعَتَیْنِ، وَقَالَ: ہَذَا حَقُّ الْمَسْجِدِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৪৪৫ ) হজরত আবু খালদাহ বলেন , আমি হজরত ইকরামাকে মসজিদে প্রবেশ করে দুই রাকাত নামাজ পড়তে দেখেছি । তখন তিনি বললেন , এটা মসজিদের হক ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴۴۶) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، قَالَ: حدَّثَنَا مِسْعَرٌ، عَنْ مُحَارِبِ بْنِ دِثَارٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللہِ، قَالَ: أَتَیْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَہُوَ فِی الْمَسْجِدِ، فَقَالَ: صَلِّ رَکْعَتَیْنِ۔ (بخاری ۴۴۳۔ مسلم ۴۹۵)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৪৪৬ ) হজরত জাবির ইবনে আবদুল্লাহ বলেন , আমি মসজিদে নববী ( সা . ) - এর খেদমতে উপস্থিত হলাম , তিনি বললেন , দুরাকাত নামায পড় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴۴۷) حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِیزِ بْنُ مُحَمَّدٍ الدَّرَاوَرْدِیُّ، عَنْ زَیْدِ بْنِ أَسْلَمَ، قَالَ: کَانَ أَصْحَابُ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَدْخُلُونَ الْمَسْجِدَ، ثُمَّ یَخْرُجُونَ وَلاَ یُصَلُّونَ، قَالَ: وَرَأَیْت ابْنَ عُمَرَ یَفْعَلُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৪৪৭) হযরত যায়েদ বিন আসলাম ( রাঃ ) বলেন যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর সাহাবীগণ মসজিদে প্রবেশ করতেন এবং নামাজ না পড়েই চলে যেতেন । তিনি বলেন , আমি হযরত ইবনে উমরকেও দেখেছি সে খায় না .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴۴۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ سَعِیدِ بْنِ أَبِی ہِنْدٍ، عَنْ نَافِعٍ ؛ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ کَانَ یَمُرُّ فِی الْمَسْجِدِ، وَلاَ یُصَلِّی فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৪৪৮) হজরত নাফি বলেন , হজরত ইবনে উমর (রা.) মসজিদের পাশ দিয়ে যেতেন এবং নামাজ পড়তেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

۳۴۴۹) حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِیَۃَ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، قَالَ: مَرَرْتُ مَعَ الشَّعْبِیِّ فِی مَسْجِدِ الْکُوفَۃِ، فَقُلْتُ لَہُ: أَلاَ تُصَلِّی ؟ قَالَ: إذنْ وَرَبِّی لاَ نَزَالُ نُصَلِّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৪৪৯ ) হজরত ইবনে আউন বলেন , আমি হজরত শাবির সঙ্গে কুফার মসজিদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম , আমি তাকে বললাম , তুমি কি নামায পড়বে না? তিনি বললেন , আমার প্রভুর কসম ! এভাবেই আমরা নামাজ পড়তে থাকব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴۵۰) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ، عَنْ حَنَشٍ، قَالَ: رَأَیْتُ سُوَیْد بْنَ غَفَلَۃَ یَمُرُّ فِی مَسْجِدِنَا، فَرُبَّمَا صَلَّی، وَرُبَّمَا لَمْ یُصَلِّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৪৫০) হজরত হানাশ বলেন , আমি হজরত সুইদ বিন গাফলা ( রা .) -কে দেখেছি যে, তিনি আমাদের মসজিদের পাশ দিয়ে যেতেন , কখনো নামাজ পড়তেন , কখনো পড়তেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴۵۱) حَدَّثَنَا مَعْنُ بْنُ عِیسَی، عَنْ خَالِدِ بْنِ أَبِی بَکْرٍ، قَالَ: رَأَیْتُ سَالِمًا یَدْخُلُ مِنَ الْمَسْجِدِ حَتَّی یَخْرُجَ مِنَ الْخَوْخَۃِ، فَلاَ یُصَلِّی فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৪৫১ ) হযরত খালিদ বিন আবি বকর ( রাঃ ) বলেন , আমি সালিমকে মসজিদে প্রবেশ করতে দেখেছি এবং জানালা দিয়ে বের হয়ে মসজিদে সালাত পড়ছি না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৫১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴۵۲) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ، عَنْ مُغِیرَۃَ، عَنْ إبْرَاہِیمَ (ح) وَعَنْ لَیْثٍ، عَنْ مُجَاہِدٍ (ح) وَأَبُو إِسْحَاقَ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ؛ أَنَّہُمْ کَرِہُوا الضَّجَّۃَ فِی الصَّلاَۃِ إذَا ذَکَرَ الإِمَامُ آیَۃَ رَحْمَۃٍ، أَوْ آیَۃَ عَذَابٍ، أَوْ ذَکَرَ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৪৫২) হজরত সাঈদ বিন জুবের বলেন , পূর্ববর্তীগণ নামাযে রহমত , শাস্তি বা হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর উল্লেখ করে কান্না করাকে মাকরূহ বলেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৫২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴۵۳) حَدَّثَنَا عِیسَی بْنُ یُونُسَ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ، عَنْ عَطَائٍ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: خَیْرُ الْمَسْجِدِ الْمَقَامُ، ثُمَّ مَیَامِنُ الْمَسْجِدِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৪৫৩) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর বলেন , মসজিদে সর্বোত্তম স্থান হচ্ছে ইবরাহীমের অবস্থান । এটি উপাসনার স্থান . তারপর মসজিদের ডান পাশে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৫৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴۵۴) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ، عَنْ مُغِیرَۃَ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ إبْرَاہِیمَ، قَالَ: یُسْتَحَبُّ یَمِینُ الإِمَامِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৪৫৪) হযরত ইব্রাহীম (আঃ ) ইমামের ডান পাশে দাঁড়ানোকে মুস্তাহাব মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৫৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴۵۵) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ، عَنْ سَعِیدٍ، عَنْ أَبِی مَعْشَرٍ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ أَنَّہُ کَانَ یُعْجِبُہُ أَنْ یَقُومَ عَنْ یَمِینِ الإِمَامِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৪৫৫) হযরত ইব্রাহিম ( আঃ ) ইমামের ডান পাশে দাঁড়াতে পছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৫৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴۵۶) حَدَّثَنَا مَعْنُ بْنُ عِیسَی، عَنْ سَلَمَۃَ بْنِ أَبِی یَحْیَی، قَالَ: رَأَیْتُ سَعِیدَ بْنَ الْمُسَیَّبِ یُصَلِّی فِی الشِّقِّ الأَیْمَنِ مِنَ الْمَسْجِدِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৪৫৬) হযরত সালমা ইবনে আবি রা ইয়াহিয়া বলেন , আমি হজরত সাঈদ বিন মুসাইবকে দেখেছি যে , তিনি মসজিদের ডান অংশে নামাজের ইমামতি করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৫৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴۵۷) حَدَّثَنَا مَعْنُ بْنُ عِیسَی، عَنْ سَلَمَۃَ بْنِ أَبِی یَحْیَی، قَالَ: رَأَیْتُ أنس بن مالک یُصَلِّی فِی الشِّقِّ الأَیْسَر مِنَ الْمَسْجِدِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৪৫৭) হযরত সালমা ইবনে আবি রা ইয়াহইয়া বলেনঃ আমি হযরত আনাস বিন মালিককে দেখেছি যে , তিনি মসজিদের বাম অংশে সালাত আদায় করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৫৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴۵۸) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ، عَنْ سُفْیَانَ، عَنْ عِمْرَانَ الْمُنْقِرِیِّ، عَنِ الْحَسَنِ، وَابْنِ سِیرِینَ ؛ أَنَّہُمَا کَانَا یُصَلِّیَانِ عَنْ یَسَارِ الإِمَامِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৪৫৮) হজরত ইমরান মুনকারী বলেন , হজরত হাসান ও হজরত ইবনে সিরীন উভয়েই ইমামের বাম দিকে নামায পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৫৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴۵۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ مِسْعَرٍ، عَنْ ثَابِتِ بْنِ عُبَیْدٍ، عَنِ ابْنِ الْبَرَائِ، عَنْ أَبِیہِ، قَالَ: کُنَّا نُحِبُّ أَو نَسْتَحِبُّ أَنْ نَقُومَ عَنْ یَمِینِ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ۔ (احمد ۳۰۴۔ مسلم ۶۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৪৫৯) হযরত বারা (রাঃ) বলেন , আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর ডান পাশে দাঁড়াতে পছন্দ করতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৫৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴۶۰) حَدَّثَنَا الْمُحَارِبِیُّ، عَنْ حَجَّاجِ بْنِ دِینَارٍ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ، قَالَ: مَیَامِنُ الصُّفُوفِ تَزِیدُ عَلَی سَائِرِ المسجد، خَمْسًا وَعِشْرِینَ دَرَجَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৪৬০ ) হজরত আবু জাফর ( রা . ) বলেন , ডান পাশের সারিগুলোর মূল্য মসজিদের বাকি অংশের তুলনায় পঁচিশ গুণ বেশি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৬০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴۶۱) حَدَّثَنَا سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ، عَنِ الزُّہْرِیِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِیہِ، رَفَعَہُ، قَالَ: إنَّ الَّذِی تَفُوتُہُ الْعَصْرُ، کَأَنَّمَا وُتِرَ أَہْلَہُ وَمَالَہُ۔ (مسلم ۴۳۶۔ احمد ۲/۱۳۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৪৬১) হজরত ইবনে ওমর ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , যে ব্যক্তির আছরের নামাজ পড়ে সে তার কাছ থেকে ঘরের সমস্ত লোক ও সম্পদ কেড়ে নিয়েছে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴۶۲) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ، عَنْ حَجَّاجٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: مَنْ تَرَکَ الْعَصْرَ حَتَّی تَغِیبَ الشَّمْسُ مِنْ غَیْرِ عُذْرٍ، فَکَأَنَّمَا وُتِرَ أَہْلَہُ وَمَالَہُ۔ (بخاری ۵۵۲۔ مسلم ۵/۴۳۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৪৬২) হজরত ইবনে উমর (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , যে ব্যক্তি আসরের সালাত ছেড়ে দেয় । হ্যাঁ , সূর্যাস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনিই সেই ব্যক্তি যার কাছ থেকে তার বাড়ির সমস্ত লোক এবং সম্পত্তি কেড়ে নেওয়া হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴۶۳) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ، قَالَ: حدَّثَنَا لَیْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ أبی حَبِیبٍ، عَنْ عِرَاکٍ، عَنْ نَوْفَلِ بْنِ مُعَاوِیَۃَ بْنِ عُرْوَۃَ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ: إِنَّ من الصلوات صلاۃ من فاتتہ، فَکَأَنَّمَا وُتِرَ أَہْلَہُ وَمَالَہُ ۔ قَالَ ابن عمر: سَمِعْتُ النبی صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یقول: ہِیَ صَلاَۃُ الْعَصْرِ۔ (بخاری ۳۶۰۲۔ احمد ۴۲۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৪৬৩) হজরত নওফল ইবনে মুয়াবিয়া ( রা ) বলেন যে , আমি মহানবী ( সা . ) - কে বলতে শুনেছি , আমার পক্ষ থেকে একমাত্র দোয়া হলো যে , তার পরিবার - পরিজন ও সম্পদ কেড়ে নেওয়া হয়েছে । আমি হজরত ইবনে ওমর বলেন , আমি নবুওয়াত করেছিলাম আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে , এটা আসরের সালাত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴۶۴) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبَّادُ بْنُ مَیْسَرَۃَ الْمُنْقِرِیُّ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ، وَالْحَسَنِ ؛أَنَّہُمَا کَانَا جَالِسَیْنِ، فَقَالَ أَبُو قِلاَبَۃَ: قَالَ أَبُو الدَّرْدَائِ: مَنْ تَرَکَ الْعَصْرَ حَتَّی تَفُوتَہُ مِنْ غَیْرِ عُذْرٍ، فَقَدْ حَبِطَ عَمَلُہُ، قَالَ: وَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: مَنْ تَرَکَ صَلاَۃً مَکْتُوبَۃً حَتَّی تَفُوتَہُ مِنْ غَیْرِ عُذْرٍ، فَقَدْ حَبِطَ عَمَلُہُ۔ (احمد ۶/۴۴۲)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৪৬৪) হজরত ইবাদ ইবনে মায়সারা বলেন , হযরত আবু কালাবা ও হযরত হাসান (রা.) একবার তাঁর নামায নষ্ট করেছিলেন বা তাঁর আমল নষ্ট করেছিলেন। তিনি বলেন , রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , যে ব্যক্তি বিনা ওজরে ফরয সালাত ছেড়ে দেয় , তার আমল নষ্ট হয়ে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴۶۵) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِِ، عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ، قَالَ: مَنْ فَاتَتْہُ الْعَصْرُ، فَکَأَنَّمَا وُتِرَ أَہْلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৪৬৫ ) হজরত আবু জাফর বলেন , যার আসরের সালাত মারা গেছে সে তার থেকে যার পরিবারের সদস্যদের কেড়ে নেওয়া হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴۶۶) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ، قَالَ: حدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ مَالِکِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: کَانَ سُلَیْمَانُ بْنُ دَاوُد النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ لاَ یُکَلَّمُ إعْظَامًا لَہُ، فَلَقَدْ فَاتَتْہُ الْعَصْرُ، وَمَا اسْتَطَاعَ أَحَدٌ أَنْ یُکَلِّمَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৪৬৬) হজরত ইবনে আব্বাস বলেন , হজরত সুলাইমান ইবনে দাউদের মহানুভবতার কারণে কেউ তার সঙ্গে কথা বলতে পারত না । একবার তার আসরের নামায শেষ হলে তার সাথে কথা বলার শক্তি কারো ছিল না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴۶۷) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ قَالَ: حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ أَبِی خَالِدٍ، عَنْ أَوْسِ بْنِ ضَمْعَجٍ، قَالَ: أُخْبِرْتُ أَنَّہُ مَنْ أَخْطَأَتْہُ الْعَصْرُ، فَکَأَنَّمَا وُتِرَ أَہْلَہُ وَمَالَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৪৬৭) হজরত আউস ইবনে জামাজ বলেন, আমাকে বলা হয়েছে যে , যার আছরের নামায ছুটে গেছে সেই ব্যক্তি যার কাছ থেকে তার ঘরের লোক এবং তার সমস্ত ধন - সম্পদ কেড়ে নেওয়া হয়েছে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴۶۸) حَدَّثَنَا عِیسَی بْنُ یُونُسَ، وَوَکِیعٌ، عَنِ الأَوْزَاعِیِّ، عَنْ یَحْیَی بْنِ أَبِی کَثِیرٍ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ، عَنْ أَبِی الْمُہَاجِرِ، عَنْ بُرَیْدَۃَ الأَسْلَمِیِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: مَنْ فَاتَتْہُ صَلاَۃُ الْعَصْرِ حَبِطَ عَمَلُہُ۔ (ابن ماجہ ۶۹۴۔ احمد ۵/۳۶۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৪৬৮) হযরত বারিদাহ ইসলামী ( রাঃ ) বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , যে ব্যক্তির আসরের সালাত ছুটে যায় , তার আমল বরবাদ হয়ে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴۶۹) حَدَّثَنَا یَزِیدُ، عن ہِشَامٍ، عَنْ یَحْیَی، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ، عَنْ أَبِی الْمَلِیحِ، عَنْ بُرَیْدَۃَ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ؛ مِثْلَ حَدِیثِ عِیسَی وَوَکِیعٍ۔ (بخاری ۵۹۴۔ احمد ۵/۳۵۷)
( ৩৪৬৯ )
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴۷۰) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إسْمَاعِیلَ بْنِ رَجَائٍ، عَنْ أَوْسِ بْنِ ضَمْعَجٍ، عَنْ أَبِی مَسْعُودٍ الأَنْصَارِیِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: یَؤُمُّ الْقَوْمَ أَقْرَؤُہُمْ لِکِتَابِ اللہِ، فَإِنْ کَانُوا فِی الْقِرَائَۃِ سَوَائً فَأَعْلمُہمْ بِالسُّنَّۃِ، فَإِنْ کَانُوا فِی السُّنَّۃِ سَوَائً، فَأَقْدَمُہُمْ ہِجْرَۃً، فَإِنْ کَانُوا فِی الْہِجْرَۃِ سَوَائً، فَأَقْدَمُہُمْ سِلْمًا، وَلاَ یَؤُمَّنَّ الرَّجُلُ الرَّجُلَ فِی سُلْطَانِہِ، وَلاَ یَقْعُدْ فِی بَیْتِہِ عَلَی تَکْرِمَتِہِ إِلاَّ بِإِذْنِہِ۔ (مسلم ۶۹۰۔ ابوداؤد ۳/۵۸۳)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৪৭০ ) হজরত আবু মাসউদ আনসারী ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , যে ব্যক্তি সবচেয়ে বেশি আল্লাহর কিতাব পাঠ করবে সে ইমামতি করবে যদি তারা সবাই সমান হয় সুন্নতের সবচেয়ে বেশি জ্ঞান থাকা উচিত হিজরায় ইমামতি করা , সবাই সমান , তাই ইসলামের দৃষ্টিতে বড় তার নেতৃত্ব দেওয়া উচিত , অন্যের রাজত্বে কোনো মানুষের নেতৃত্ব দেওয়া উচিত নয় । আমি তাকে তার বালিশে রাখলাম অনুমতি ছাড়া বসবেন না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴۷۱) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِِ، عَنِ ابْنِ أَبِی عَرُوبَۃَ، عَنْ قَتَادَۃَ، عَنْ أَبِی نَضْرَۃَ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: إذَا کَانُوا ثَلاَثَۃً فَلْیَؤُمَّہُمْ أَحَدُہُمْ، وَأَحَقُّہُمْ بِالإِمَامَۃِ أَقْرَؤُہُمْ۔ (مسلم ۴۶۴۔ احمد ۳۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৪৭১ ) হজরত আবু সাঈদ ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , দুই ব্যক্তি থাকলে তাদের একজন ইমামতি করবে এবং ইমামতির সবচেয়ে বেশি হকদার যিনি সবচেয়ে বেশি তিলাওয়াতকারী ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴۷۲) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ، عَنْ مُجَالِدٍ، عَنِ الشَّعْبِیِّ، وَزَیْدِ بْنِ إیَاسٍ قَالاَ: حدَّثَنَا مُرَّۃُ بْنُ شَرَاحِیلَ، قَالَ: کُنْتُ فِی بَیْتٍ فِیہِ عَبْدُ اللہِ بْنُ مَسْعُودٍ، وَحُذَیْفَۃُ، وَأَبُو مُوسَی الأَشْعَرِیُّ، فَحَضَرَتِ الصَّلاَۃُ، فَقَالَ ہَذَا لِہَذَا: تَقَدَّمْ، وَقَالَ ہَذَا لِہَذَا: تَقَدَّمْ، وعبد اللہ بین أبی مُوسَی وَحُذَیْفَۃ، فَأَخَذَا بِنَاحِیَتَیْہِ فَقَدَّمَاہُ، قُلْتُ: مِمَّ ذَلِکَ ؟ قَالَ: إِنَّہُ شَہِدَ بَدْرًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৪৭২) হজরত মারাহ ইবনে শিরাহিল বলেন , আমি একটি ঘরে ছিলাম , যেখানে হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ , হজরত হুযিফা ও হজরত আবু মূসা আল - আশআরীও উপস্থিত ছিলেন । নামাজের সময় হয়ে গেল . তারা একে অপরকে বললো, এগিয়ে যাও। তাদের মধ্যে হজরত আবদুল্লাহ , হজরত আবু মুসা ও হজরত হুযিফা ছিলেন । দুজনেই তাদের এগিয়ে নিয়ে গেল । আমি জিজ্ঞাসা করলাম তাদের উন্নতির কারণ কি ? তিনি বলেন , বদর এই যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ছিলেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস