(৩) ( 5025 ) মুতাম্মিরের একটি হাদিস, হুমরানের সূত্রে, আল হাসানের সূত্রে, যিনি বলেছেন: আল গারি ক প্রণাম পাঠের জলে [হাদিসের সীমা (২৩৯৩-৫০২৫), সর্বমোট হাদিসঃ ২৬৩৩টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১৬৭৩টি]



3353 OK

(৩৩৫৩)

সহিহ হাদিস

(۳۳۵۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ أَبِی بِشْرٍ ، عَنْ حَبِیبِ بْنِ سَالِمٍ ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِیرٍ ، قَالَ : أَنَا مِنْ أَعْلَمِ النَّاسِ ، أَوْ کَأَعْلَمِ النَّاسِ بِوَقْتِ صَلاَۃِ ) رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ الْعِشَائَ ، کَانَ یُصَلِّیہَا بَعْدَ سُقُوطِ الْقَمَرِ لَیْلَۃَ الثَّانِیَۃِ مِنْ أَوَّلِ الشَّہْرِ۔ (ترمذی ۱۶۵۔ احمد ۴/۲۷۰)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩৫৩ ) হজরত নুমান বিন বাশীর বলেন , আমি এ বছরের শুরুতে রসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর এশার নামাযের সাথে সবচেয়ে বেশি পরিচিত দ্বিতীয় রাতে এশার নামাজ আদায় করা হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3354 OK

(৩৩৫৪)

সহিহ হাদিস

(۳۳۵۴) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ عَوْفٍ ، عَنْ أَبِی الْمِنْہَالِ ، عَنْ أَبِی بَرْزَۃَ ، قَالَ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَسْتَحِبُّ أَنْ یُؤَخِّرَ مِنَ الْعِشَائِ الَّتِی یَدْعُونَہَا النَّاسُ الْعَتَمَۃَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৩৫৪) হজরত আবু বারজা (রা. ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এশার সালাত বিলম্বিত হওয়া পছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3355 OK

(৩৩৫৫)

সহিহ হাদিস

(۳۳۵۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِیلٍ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یُعَجِّلُ الْعِشَائَ وَیُؤَخِّرُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৩৫৫) হজরত জাবির ইবনে সামরা ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এশার সালাত কখনো তাড়াতাড়ি পড়তেন এবং কখনো দেরিতে পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৫৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3356 OK

(৩৩৫৬)

সহিহ হাদিস

(۳۳۵۶) حَدَّثَنَا ابْنُ مُبَارَکٍ ، عَنْ أُسَامَۃَ بْنِ زَیْدٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا ابْنُ شِہَابٍ ، عَنْ عُرْوَۃَ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کان یُصَلِّی الْعِشَائَ حِینَ یَسْوَدُّ الأَفُقُ ، وَرُبَّمَا أَخَّرَہَا حَتَّی یَجْتَمِعَ النَّاسُ۔ (ابوداؤد ۳۹۷۔ ابن خزیمۃ ۳۵۲)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৩৫৬) হযরত উরওয়া (রাঃ) বলেন যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন সময়ে এশার সালাত আদায় করতেন যখন দিগন্ত কালো হয়ে যেত এবং কখনো কখনো দেরীতে নামায পড়তেন যাতে লোকেরা সমবেত হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৫৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3357 OK

(৩৩৫৭)

সহিহ হাদিস

(۳۳۵۷) حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَکِ ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عُثْمَانَ ، عَنِ ابْنِ لَبِیبَۃَ ، قَالَ : قَالَ لِی أَبُو ہُرَیْرَۃَ : صَلِّ الْعِشَائَ إذَا ذَہَبَ الشَّفَقُ وَادْلاَمَّ اللَّیْلُ مَا بَیْنَکَ وَبَیْنَ ثُلُثِ اللَّیْلِ ، وَمَا عَجَّلْتَ بَعْدَ ذَہَابِ بَیَاضِ الأُفُقِ فَہُوَ أَفْضَلُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৩৫৭) হজরত ইবনে লাবিবা (রা) বলেন , হজরত আবু হুরায়রা ( রা .) আমাকে বলেছেন , গোধূলি অদৃশ্য হয়ে গেলে এশার নামাজ আদায় কর এবং রাতের নক্ষত্রের আগে তা আদায় কর । দিগন্ত সাদা হয়ে যাওয়ার পর যত তাড়াতাড়ি পড়বেন ততই ভালো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৫৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3358 OK

(৩৩৫৮)

সহিহ হাদিস

(۳۳۵۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ؛ أَنَّ عُمَرَ کَتَبَ إلَی أَبِی مُوسَی أَنْ صَلِّ الْعِشَائَ إلَی ثُلُثِ اللَّیْلِ ، فَإِنْ أَخَّرْت فَإِلَی الشَّطْرِ ، وَلاَ تَکُنْ مِنَ الْغَافِلِینَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৩৫৮) হজরত উরওয়া বলেন , হজরত উমর ( রা .) হজরত আবু মূসা (রা.)কে চিঠি লিখেছিলেন যে, তিনি এশার সালাত রাতের তৃতীয়াংশ পর্যন্ত আদায় করুন , আর যদি দেরি করতে চান তাহলে অর্ধেক রাত পর্যন্ত নামায আদায় করুন অসতর্ক হবেন না .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৫৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3359 OK

(৩৩৫৯)

সহিহ হাদিস

(۳۳۵۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ یَزِیدَ ، قَالَ : کَانَ ابْنُ مَسْعُودٍ یُؤَخِّرُ الْعِشَائَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(3359) হজরত আবদ আল-রহমান ইবনে ইয়াজিদ বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা . ) এশার নামাজ দেরিতে পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৫৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3360 OK

(৩৩৬০)

সহিহ হাদিস

(۳۳۶۰) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : وَقْتُ الْعِشَائِ الآخِرَۃِ رُبْعُ اللَّیْلِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩৬০ ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , এশার নামাজের সময় হলো চতুর্থ রাত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৬০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3361 OK

(৩৩৬১)

সহিহ হাদিস

(۳۳۶۱) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَرْوَانَ ، قَالَ : سَأَلْتُ أَبِی ، قُلْتُ : صَلَّیْتَ مَعَ عَلِیٍّ ، فَأَخْبِرْنِی کَیْفَ کَانَ یُصَلِّی الْعِشَائَ ؟ قَالَ : إذَا غَابَ الشَّفَقُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৩৬১) হজরত আমর বিন মারওয়ান বলেন , আমি আমার পিতাকে বললাম যে, তিনি হযরত আলী (রা.)-এর সাথে সালাত আদায় করেছেন , আপনি আমাকে বলবেন তিনি এশার সালাত কোন সময়ে পড়তেন তিনি বলেন , শফাক নিখোঁজ হলে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৬১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3362 OK

(৩৩৬২)

সহিহ হাদিস

(۳۳۶۲) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ بُرْدٍ ، عَنْ مَکْحُولٍ ، قَالَ : وَقْتُ الْعِشَائِ إلَی ثُلُثِ اللَّیْلِ ، وَلاَ نَوْمَ ، وَلاَ غَفلَۃَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩৬২ ) হযরত মাখুল বলেন , এশার সময় রাতের তৃতীয়াংশ পর্যন্ত । কোন অবহেলা নেই .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৬২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3363 OK

(৩৩৬৩)

সহিহ হাদিস

(۳۳۶۳) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : انْتَظَرْنَا لَیْلَۃً رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ لِصَلاَۃِ الْعِشَائِ الآخِرَۃِ ، حَتَّی کَانَ ثُلُثُ اللَّیْلِ ، أَوْ بَعْدُ ، ثُمَّ خَرَجَ إلَیْنَا ، فَلاَ أَدْرِی أَشَیْئٌ شَغَلَہُ أَوْ حَاجَۃٌ کَانَتْ لَہُ فِی أَہْلِہِ ، فَقَالَ : مَا أَعْلَمُ أَہْلَ دِینٍ یَنْتَظِرُونَ ہَذِہِ الصَّلاَۃَ غَیْرَکُمْ ، وَلَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَی أُمَّتِی لَصَلَّیْتُ بِہِمْ ہَذِہِ الصَّلاَۃَ ہَذِہِ السَّاعَۃَ۔ (بخاری ۵۷۰۔ ابوداؤد ۴۲۳)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৩৬৩) হজরত ইবনে উমর (রা.) বলেন , এক রাতে আমরা এশার নামাযের জন্য মহানবী ( সা . ) - এর জন্য অপেক্ষা করছিলাম । যখন তৃতীয় রাত বা তার কিছু বেশি সময় অতিবাহিত হল , তখন মহানবী ( সা . ) বললেন , আমি জানি না কিসে তোমাকে তা করতে বাধা দিয়েছে । তোমার এবং তোমার পরিবারের কি কিছু দরকার ছিল ? তিনি বললেন , আপনি ছাড়া এমন কোন মুমিনকে আমি জানি না যারা এই প্রার্থনার জন্য অপেক্ষা করে । আমি যদি আমার উম্মতের কষ্টের ভয় না করতাম , তবে করতাম আমি তাদেরকে ঐ সময় এই দোয়াটি পড়ার নির্দেশ দিয়েছিলাম
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৬৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3364 OK

(৩৩৬৪)

সহিহ হাদিস

(۳۳۶۴) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، وَأَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ أَبِی سَعِیدٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَی أُمَّتِی لأَخَّرْتُ صَلاَۃَ الْعِشَائِ إلَی ثُلُثِ اللَّیْلِ ، أَوْ نِصْفِ اللَّیْلِ۔ (ابن ماجہ ۶۹۱)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৩৬৪) হজরত আবু হুরায়রা (রা. ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , যদি আমি আমার উম্মতের উপর কষ্টের আশঙ্কা না করতাম, তাহলে আমি এশার সালাত আদায় করতাম । রাতের এক তৃতীয়াংশ বা রাতের অর্ধেক দেরি হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৬৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3365 OK

(৩৩৬৫)

সহিহ হাদিস

(۳۳۶۵) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا حَرِیزٌ ، قَالَ : حَدَّثَنَا رَاشِدُ بْنُ سَعْدٍ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ حُمَیْدِ السَّکُونِیِّ ، وَکَانَ مِنْ أَصْحَابِ مُعَاذٍ ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ ، قَالَ : بَقَیْنَا رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی صَلاَۃِ الْعِشَائِ حَتَّی أَبْطَأَ ، حَتَّی قَالَ الْقَائِلُ : قَدْ صَلَّی وَلَمْ یَخْرُجْ ، فَخَرَجَ عَلَیْنَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَالْقَائِلُ یَقُولُ : یَا رَسُولَ اللہِ ، ظَنَنَّا أَنَّک صَلَّیْت وَلَمْ تَخْرُجْ ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَعْتِمُوا بِہَذِہِ الصَّلاَۃِ ، فَقَدْ فُضِّلْتُمْ بِہَا عَلَی سَائِرِ الأُمَمِ ، وَلَمْ تُصَلِّہَا أُمَّۃٌ قَبْلَکُمْ۔ (ابوداؤد ۴۲۴۔ احمد ۵/۲۳۷)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩৬৫ ) হজরত মুআয ইবনে জাবাল ( রা . ) থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন , আমরা একদিন তাকে ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এশার নামাযের জন্য দাওয়াত দিয়েছিলাম , কিন্তু আপনি এত দেরি করলেন যে একজন লোক শুরু করলেন বলছে তুমি আতিথেয়তা আনবে নাতুমি যদি আমাকে এত কিছু এনে দাও , তাহলে তুমি একজন মানুষ তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল ! আমাদের মন এই যে আপনি নামাজ শেষ করেছেন এবং এখন আপনি তিশরীফ আনবেন না । মহানবী ( সাঃ ) বলেছেন , আজ রাতে অন্ধকারে তেলাওয়াত কর , কেননা সকল জাতি এ দোয়ায় বরকত পাবে । তোমাদের পূর্বে এটাই প্রথম জাতি । তারা এই মেজগুলি পড়েনি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৬৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3366 OK

(৩৩৬৬)

সহিহ হাদিস

(۳۳۶۶) حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مُسْلِمٍ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِینَارٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : أَخَّرَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ صَلاَۃَ الْعِشَائِ ذَاتَ لَیْلَۃٍ ، فَخَرَجَ وَرَأْسُہُ یَقْطُرُ فَقَالَ : لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَی أُمَّتِی لَجَعَلْتُ وَقْتَ ہَذِہِ الصَّلاَۃِ ہَذَا الْحِینَ۔ (دارمی ۱۲۱۵۔ ابن حبان ۱۵۳۳)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩৬৬) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক রাতে এশার নামায বিলম্বিত করে পানির ফোঁটা পড়ছিল , তিনি বললেন , আমি যদি আমার উম্মতের ওপর কষ্টের আশঙ্কা না করতাম এই নামাযের জন্য এই সময়টা ঠিক করে দিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৬৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3367 OK

(৩৩৬৭)

সহিহ হাদিস

(۳۳۶۷) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِیزِ بْنُ عَمْرِو بْنِ ضَمْرَۃَ ، عَنْ رَجُلٍ مِنْ جُہَیْنَۃَ ، قَالَ : قَالَ : سَأَلْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ مَتَی أُصَلِّی الْعِشَائَ ؟ قَالَ : إذَا مَلأَ اللَّیْلُ بَطْنَ کُلِّ وَادٍ۔ (احمد ۵/۳۶۵)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩৬৭ ) দুনিয়ার এক ব্যক্তি বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলাম যে , আমি কখন এশার সালাত আদায় করব ? তুমি বলেছিলে যে যখন রাত প্রতিটি উপত্যকার অভ্যন্তরে পৌছাবে, তখন তা পড় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৬৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3368 OK

(৩৩৬৮)

সহিহ হাদিস

(۳۳۶۸) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُبَیْدٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : کُنَّا نُصَلِّی مَعَ النُّعْمَانِ ، یَعْنِی ابْنَ بَشِیرٍ ، الْمَغْرِبَ فَمَا یَخْرُجُ آخرُنَا حَتَّی یَبْدَأَ بِالْعِشَائِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩৬৮ ) হজরত আবদ আল - রহমান ইবনে উবাইদ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, আমরা হজরত নুমান ইবনে বশীরের সঙ্গে মাগরিবের সালাত আদায় করতাম , আমাদের মধ্যে শেষ ব্যক্তি মসজিদ থেকে বের হননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৬৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3369 OK

(৩৩৬৯)

সহিহ হাদিস

(۳۳۶۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ بْنِ عَبْدِ الأَعْلَی ، عَنْ سُوَیْد بْنِ غَفَلَۃَ ، قَالَ : قَالَ عُمَرُ: عَجِّلُوا الْعِشَائَ قَبْلَ أَنْ یَکْسَلَ الْعَامِلُ ، وَیَنَامَ الْمَرِیضُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৩৬৯) হজরত উমর (রাঃ) বলেন , ইশার নামাজ তাড়াতাড়ি আদায় করুন , কর্মকারী অলস হয়ে ও রোগীর ঘুমিয়ে পড়ার আগেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৬৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3370 OK

(৩৩৭০)

সহিহ হাদিস

(۳۳۷۰) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی صَالِحٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إنَّ أَثْقَلَ الصَّلاَۃِ عَلَی الْمُنَافِقِینَ صَلاَۃُ الْعِشَائِ وَصَلاَۃُ الْفَجْرِ ، وَلَوْ یَعْلَمُونَ مَا فِیہِمَا لأَتَوْہُمَا وَلَوْ حَبْوًا ، وَلَقَدْ ہَمَمْت أَنْ آمُرَ بِالصَّلاَۃِ ، فَتُقَامَ ، ثُمَّ آمُرَ رَجُلاً ، فَیُصَلِّیَ بِالنَّاسِ ، ثُمَّ أَنْطَلِقَ مَعِی بِرِجَالٍ ، مَعَہُمْ حُزَمٌ مِنْ حَطَبٍ إلَی قَوْمٍ لاَ یَشْہَدُونَ الصَّلاَۃَ ، فَأُحَرِّقَ عَلَیْہِمْ بُیُوتَہُمْ بِالنَّارِ۔ (بخاری ۶۵۷۔ ابوداؤد ۵۴۹)


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৩৭০) হজরত আবু হুরায়রা ( রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , মুনাফিকদের উপর সবচেয়ে ভারী নামায হল ফজর ও এশার নামায । যদি তারা জানতে পারে যে, ইশা ও ফজরের সওয়াব আছে , তাহলে তারা হাঁটু গেড়ে বসে পড়বে । আমার মন চায় আমি দাঁড়ানো নামাযের নির্দেশ দিই , তারপর কাউকে নামায পড়তে বলি , তারপর কিছু লোককে নিয়ে যাই এবং যারা নামায পড়ে না তাদের কাছে যাই , তারপর তাদের ঘর জ্বালিয়ে দিই।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৭০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3371 OK

(৩৩৭১)

সহিহ হাদিস

(۳۳۷۱) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ الْعَیْزَارِ بْنِ حُرَیْثٍ ، عَنْ أَبِی بَصِیرٍ ، قَالَ : قَالَ أُبَیّ بْنُ کَعْبٍ : صَلَّی بِنَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَلَمَّا قَضَی الصَّلاَۃَ ، رَأَی مِنْ أَہْلِ الْمَسْجِدِ قِلَّۃً ، قَالَ : شَاہِدٌ فُلاَنٌ ؟ قُلْنَا : نَعَمْ ، حَتَّی عَدَّ ثَلاَثَۃَ نَفَرٍ ، فَقَالَ : إِنَّہُ لَیْسَ مِنْ صَلاَۃٍ أَثْقَلُ عَلَی الْمُنَافِقِینَ مِنْ صَلاَۃِ الْعِشَائِ الآخِرَۃِ ، وَمِنْ صَلاَۃِ الْفَجْرِ ، وَلَوْ یَعْلَمُونَ مَا فِیہِمَا لأَتَوْہُمَا وَلَوْ حَبْوًا۔(ابوداؤد ۵۵۵۔ احمد ۵/۱۴۰)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩৭১ ) হজরত আবি ইবনে কাব ( রা ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) একবার আমাদেরকে নামায পড়িয়েছিলেন এই বিষয়ে আপনি বলেছেন যে অমুক -অমুক বর্তমান। আমরা বললাম হ্যাঁ । হ্যাঁ , আপনি তিনজনের নাম না নেওয়া পর্যন্ত . অতঃপর তিনি বললেন , মুনাফিকদের জন্য এশা ও ফজরের নামাজের চেয়ে কঠিন আর কোনো নামাজ নেই । তারা এর সওয়াব জানতে পারলে হাঁটু গেড়ে মসজিদে প্রবেশ করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৭১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3372 OK

(৩৩৭২)

সহিহ হাদিস

(۳۳۷۲) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِِ ، عَنْ یَحْیَی بْنق سَعِیدٍ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : کُنَّا إذَا فَقَدْنَا الرَّجُلَ فِی صَلاَۃِ الْعِشَائِ وَصَلاَۃِ الْفَجْرِ ، أَسَأْنَا بِہِ الظَّنَّ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৩৭২) হজরত ইবনে উমর (রা.) বলেন , আমরা যখন কোনো ব্যক্তিকে এশা বা ফজরের নামাযে দেখতাম না , তখন তার সম্পর্কে খারাপ ধারণা পোষণ করতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৭২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3373 OK

(৩৩৭৩)

সহিহ হাদিস

(۳۳۷۳) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ ، قَالَ : حدَّثَنَا شُعْبَۃُ ، عَنْ أَبِی بِشْرٍ ، عَنْ أَبِی عُمَیْرِ بْنِ أَنَسٍ ، قَالَ : حَدَّثَنِی عمُومَتِی مِنَ الأَنْصَارِ قَالُوا : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَا یَشْہَدُہُمَا مُنَافِقٌ ، یَعْنِی الْعِشَائَ وَالْفَجْرَ۔ (احمد ۵/۵۷۔ عبدالرزاق ۲۰۲۳)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩৭৩ ) হজরত আবু উমায়র ইবনে আনাস বলেন , আমার আনসার চাচা আমাকে বলেছেন যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : আর মুনাফিকরা ফজরের নামাজে আসে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৭৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3374 OK

(৩৩৭৪)

সহিহ হাদিস

(۳۳۷۴) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، قَالَ : سَمِعْتُ ابْنَ أَبِی لَیْلَی ، عَنْ أَبِی الدَّرْدَائِ ؛ أَنَّہُ قَالَ فِی مَرَضِہِ الَّذِی مَاتَ فِیہِ : أَلاَ احْمِلُونِی ، قَالَ : فَحَمَلُوہُ فَأَخْرَجُوہُ ، فَقَالَ : اسْمَعُوا ، وَبَلِّغُوا مَنْ خَلْفَکُمْ : حَافِظُوا عَلَی ہَاتَیْنِ الصَّلاَتَیْنِ ؛ الْعِشَائِ وَالصُّبْحِ ، وَلَوْ تَعْلَمُونَ مَا فِیہِمَا ) لأَتَیْتُمُوہُمَا وَلَوْ حَبْوًا عَلَی مَرَافِقِکُمْ وَرُکَبِکُمْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩৭৪) হজরত ইবনে আবিল লায়লা বলেন , হজরত আবু আল - দারদা তাঁর মৃত্যু রোগে বলেছিলেন , তুমি আমাকে এখান থেকে উঠাও না । তাই লোকজন তাদের তুলে নিয়ে বাইরে নিয়ে যায় । অতঃপর তিনি বললেন, মনোযোগ দিয়ে শুনুন এবং আপনার পরে যারা আসবেন তাদের বলুন, ইশা ও ফজর এই দুটি নামাজের যত্ন নিন, যদি আপনি জানেন যে আমি এই দুটি নামাজ আদায় করেছি , তাহলে এই নামাজের জন্য আপনার হাঁটু ও কনুইয়ের উপর ভর করে এসো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৭৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3375 OK

(৩৩৭৫)

সহিহ হাদিস

(۳۳۷۵) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ مُوسَی ، قَالَ : أَخْبَرَنَا شَیْبَانُ ، عَنْ یَحْیَی ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاہِیمَ ، عَن یُحَنَّسَ ، أَنَّ عَائِشَۃَ أَخْبَرَتْہُ ، أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ : لَوْ أَنَّ النَّاسَ یَعْلَمُونَ مَا فِی فَضْلِ صَلاَۃِ الْعِشَائِ وَصَلاَۃِ الصُّبْحِ لأَتَوْہُمَا وَلَوْ حَبْوًا۔ (احمد ۶/۸۰۔ نسائی ۳۸۶)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩৭৫ ) হজরত আয়েশা ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , লোকেরা যদি জানতে পারে যে আমি এশা ও ফজরের নামাজ পড়েছি , তখন তারা হাঁটু গেড়ে বসে তাদের জন্য .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৭৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3376 OK

(৩৩৭৬)

সহিহ হাদিস

(۳۳۷۶) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إبْرَاہِیمَ التَّیْمِیِّ ، عَنِ ابْنِ أَبِی عَمْرَۃَ الأَنْصَارِیِّ ، قَالَ : جِئْت وَعُثْمَانُ جَالِسٌ فِی الْمَسْجِدِ صَلاَۃَ الْعِشَائِ الآخِرَۃِ ، فَجَلَسْتُ إلَیْہِ ، فَقَالَ عُثْمَانُ : شُہُودُ صَلاَۃِ الصُّبْحِ کَقِیَامِ لَیْلَۃٍ ، وَصَلاَۃُ الْعِشَائِ کَقِیَامِ نِصْفِ لَیْلَۃٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩৭৬ ) হজরত ইবনে আবি উমরা আনসারী বলেন , এশার নামাজের সময় হজরত উসমান ( রা . ) মসজিদে বসেছিলেন । আমিও তাদের সাথে বসলাম . হজরত উসমান (রা. ) বলেন , ফজরের নামাজে অংশ নেওয়া পুরো রাতের ইবাদতের মতো এবং এশার নামাজে অংশ নেওয়া অর্ধেক রাতের ইবাদতের মতো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৭৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3377 OK

(৩৩৭৭)

সহিহ হাদিস

(۳۳۷۷) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ أَبِی حَصِینٍ ، عَنْ أَبِی عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ عُمَرَ ، قَالَ : لأَنْ أُصَلِّیَہُمَا فِی جَمَاعَۃٍ أَحَبُّ إلَیَّ مِنْ أَنْ أُحْیِیَ مَا بَیْنَہُمَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩৭৭ ) হজরত উমর (রা . ) বলেন , আমি ফজর ও এশার নামাজ জামাতে পড়তে পছন্দ করি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৭৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3378 OK

(৩৩৭৮)

সহিহ হাদিস

(۳۳۷۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا شُعْبَۃُ ، عَنْ أَبِی بِشْرٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ (ح) وَشُعْبَۃُ ، عَنْ نَاجِیَۃَ بْنِ حَسَّانَ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنْ عُمَرَ ، قَالَ : لأَنْ أَشْہَدَ الْعِشَائَ وَالْفَجْرَ فِی جَمَاعَۃٍ أَحَبُّ إلَیَّ مِنْ أَنْ أُحْیِیَ مَا بَیْنَہُمَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩৭৮ ) হজরত উমর (রা . ) বলেন , আমি ফজর ও এশার নামাজ জামাতে পড়তে পছন্দ করি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৭৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3379 OK

(৩৩৭৯)

সহিহ হাদিস

(۳۳۷۹) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو ، عَنْ یَحْیَی بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَاطِبٍ ، قَالَ : کَانَ عُمَرُ إذَا ہَبَطَ من السُّوقِ مَرَّ عَلَی الشِّفَائِ ابْنَۃِ عَبْدِ اللہِ ، فَمَرَّ عَلَیْہَا یَوْمًا مِنْ رَمَضَانَ ، فَقَالَ : أَیْنَ سُلَیْمَانُ ؟ ابْنُہَا ، قَالَتْ : نَائِمٌ ، قَالَ : وَمَا شَہِدَ صَلاَۃَ الصُّبْحِ ؟ قَالَتْ : لاَ ، قَامَ بِالنَّاسِ اللَّیْلَۃَ ، ثُمَّ جَائَ فَضَرَبَ بِرَأْسِہِ ، فَقَالَ عُمَرُ : شُہُودُ صَلاَۃِ الصُّبْحِ أَحَبُّ إلَیَّ مِنْ قِیَامِ لَیْلَۃٍ حَتَّی الصُّبْحِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৩৭৯) হজরত ইয়াহইয়া ইবনে আবদ আল-রহমান ইবনে হাতিব বলেন , হজরত ওমর যখন বাজারে যেতেন, তখন শিফা বিনতে আবদুল্লাহর পাশ দিয়ে যেতেন । একদিন রমজানে তিনি তাদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন সুলাইমান ( তার ছেলে ) কোথায় । তিনি বললেন যে তিনি ঘুমাচ্ছেন । হজরত উমর (রা.) জিজ্ঞেস করলেন , তিনি ফজরের নামাজ পড়েছেন কি না ? তার মা বললেন না , সে সারারাত লোকদের সাথে নামাজ পড়ল, তারপর ঘুমিয়ে পড়ল । হজরত ওমর (রা.) বলেন , সকালের নামাজ জামাতে পড়া আমার কাছে সারা রাত নামাজ পড়ার চেয়ে উত্তম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৭৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3380 OK

(৩৩৮০)

সহিহ হাদিস

(۳۳۸۰) حَدَّثَنَا یَزِیدُ عن ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : لأَنْ أَشْہَدَ الْعِشَائَ وَالْفَجْرَ فِی جَمَاعَۃٍ أَحَبُّ إلَیَّ مِنْ أَنْ أُحْیِیَ مَا بَیْنَہُمَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৩৩৮০ ) হজরত হাসান বলেন , আমি ফজর ও এশার নামাজ জামাতে পড়তে পছন্দ করি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৮০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3381 OK

(৩৩৮১)

সহিহ হাদিস

(۳۳۸۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الْعُمَرِیِّ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : الشَّفَقُ الْحُمْرَۃُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৩৮১) হজরত ইবনে ওমর বলেন, শাফাক হলো লাল রঙের নাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৮১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3382 OK

(৩৩৮২)

সহিহ হাদিস

(۳۳۸۲) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، وَوَکِیعٌ ، عَنْ بُرْدٍ ، عَنْ مَکْحُولٍ ، قَالَ : کَانَ عُبَادَۃُ بْنُ الصَّامِتِ وَشَدَّادُ بْنُ أَوْسٍ یُصَلِّیَانِ الْعِشَائَ الآخِرَۃَ إذَا غَابَتِ الْحُمْرَۃُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৩৩৮২) হজরত মাখুল বলেন , হজরত উবাদা ইবনে সামিত ও হজরত শাদ্দাদ ইবনে আওস লাল গায়েব হওয়ার পর এশার নামাজ পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৮২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস