
(۳۳۲۳) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ، عَنْ ہِشَامٍ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ: قدِمَ رَجُلٌ عَلَی الْمُغِیرَۃِ بْنِ شُعْبَۃَ وَہُوَ عَلَی الْکُوفَۃِ، فَرَآہُ یُؤَخِّرُ الْعَصْرَ، فَقَالَ لَہُ: لِمَ تُؤَخِّرُ الْعَصْرَ ؟ فَقَدْ کُنْتُ أُصَلِّیہَا مَعَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، ثُمَّ أَرْجِعُ إلَی أَہْلِی إلَی بَنِی عَمْرِو بْنِ عَوْفٍ وَالشَّمْسُ مُرْتَفِعَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৩২৩ ) হজরত হিশাম তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে , এক ব্যক্তি কুফায় হজরত মুগিরাহ ইবনে শুবার কাছে এসে দেখলেন যে , তিনি আসরের সালাত আদায় করছেন লোকটি জিজ্ঞেস করলো , তুমি আসরের নামাজ দেরী করে পড়ো কেন ? তিনি বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে এর সাথে সালাত আদায় করতে দেখেছি । আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর সাথে সালাত আদায় করতাম এবং বনু আমর বিন আওফ ( রাঃ ) আমার ঘরে সূর্যোদয়ের সময় আসতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۲۴) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ ، قَالَ : حدَّثَنَا لَیْثُ بْنُ سَعْدٍ ، عَنِ ابْنِ شِہَابٍ ، عَنْ أَنَسٍ ، أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یُصَلِّی الْعَصْرَ وَالشَّمْسُ مُرْتَفِعَۃٌ حَیَّۃٌ ، فَیَذْہَبُ الذَّاہِبُ فَیَأْتِی الْعَوَالِیَ وَالشَّمْسُ مُرْتَفِعَۃٌ۔ (مسلم ۱۹۲۔ ابوداؤد ۴۰۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩২৪) হজরত আনাস (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আসরের নামায পড়তেন এবং সূর্য উদিত হচ্ছিল । তখন একজন মুসাফির মদীনার তীরে পৌঁছাবে এবং সূর্য উদিত হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۲۵) - حَدَّثَنِی أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ ، عَنْ وُہَیْبٍ ، عَنْ أَبِی وَاقِدٍ ، عَنْ أَبِی أَرْوَی ، قَالَ : کُنْتُ أُصَلِّی مَعَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ الْعَصْرَ، ثُمَّ آتِی الشَّجَرَۃَ، یَعْنِی ذَا الْحُلَیْفَۃِ قَبْلَ أَنْ تَغِیبَ الشَّمْسُ۔(طحاوی ۱۹۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩২৫) হজরত ইবনে আরওয়া বলেন , আমি রাসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর সাথে আসরের সালাত আদায় করতাম , অতঃপর তিনি সূর্যাস্তের পূর্বে যুল - হিল ফাহমে পৌঁছাতেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۲۶) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنِ ابْنِ أَبِی مُلَیْکَۃَ ؛ أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ صَلَّی الْعَصْرَ ، ثُمَّ أَخْرَجَ مَالاً یَقْسِمُہُ یُبَادِرُ بِہِ اللَّیْلَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৩২৬ ) হজরত ইবনে আবি মিলি ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসরের নামাজ পড়তেন , অতঃপর রাতে বণ্টন করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۲۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ أَبِی عَاصِمٍ ، عَنْ أَبِی عَوْنٍ ؛ أَنَّ عَلِیًّا کَانَ یُؤَخِّرُ الْعَصْرَ حَتَّی تَرْتَفِعَ الشَّمْسُ عَلَی الْحِیطَانِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩২৭) হজরত ইবনে আউন বলেন যে, হযরত আলী আসরের নামায বিলম্বিত করতেন যাতে সূর্য দেয়ালের উপরে উঠে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۲۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ مُنَبِّہٍ ، عَنْ سَوَّارِ بْنِ شَبِیبٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ؛ أَنَّہُ کَانَ یُؤَخِّرُ الْعَصْرَ حَتَّی أَقُولَ : قدِ اصْفَرَّتِ الشَّمْسُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩২৮) হজরত সাওয়ার ইবনে শাবিব বলেন , হজরত আবু হারি ( রা . ) আসরের নামাজ এত বিলম্বিত করতেন যে , তিনি বলতেন সূর্য হলুদ হয়ে গেছে !
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۲۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ صَالِحٍ ، وَإِسْرَائِیلَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ یَزِیدَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یُؤَخِّرُ الْعَصْرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩২৯) হজরত আবদুল রহমান ইবনে ইয়াজিদ বলেন , হজরত আবদুল্লাহ আসরের সালাত বিলম্বিত করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۳۰) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانَ ابْنُ أَخِی الأَسْوَدِ مُؤَذِّنَہُمْ ، فَکَانَ یُعَجِّلُ الْعَصْرَ ، فَقَالَ لَہُ الأَسْوَدُ : لَتُطِیعُنَا فِی أَذَانِنَا ، أَوْ لَتَعْتَزِلَنَّ مُؤَذِّنِینَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩৩০) হজরত ইব্রাহিম বলেন , হজরত আসওয়াদ তাঁর মুয়াজ্জিন ছিলেন , তিনি আসরের আযান তাড়াতাড়ি দিতেন , হজরত আসওয়াদ তাঁকে বলেন । হয় নামাযের আযানে আমাদের আনুগত্য কর অথবা আমাদের মুয়াজ্জিনকে ত্যাগ কর
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۳۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانَ مَنْ قَبْلَکُمْ أَشَدَّ تَأْخِیرًا لِلْعَصْرِ مِنْکُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৩৩১ ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , তোমাদের পূর্ববর্তী লোকেরা তোমাদের চেয়ে আসরের নামাজে বেশি দেরি করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۳۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ ، عَنْ وَکِیعٍ ، قَالَ : قَالَ لِی إبْرَاہِیمُ : لاَ تُقِمِ الْعَصْرَ حَتَّی لاَ تَسْمَعَ حَوْلَک مُؤَذِّنًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩৩২) হজরত ওয়াকিয়া বলেন , হজরত ইব্রাহীম (আ.) আমাকে বলেছেন , যতক্ষণ না তোমার চারপাশে মুয়াজ্জিনের আওয়াজ না শোনা ততক্ষণ তুমি আসরের নামায পড়বে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۳۳) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، قَالَ : أَتَیْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ الأَسْوَدِ وَہُوَ یَتَوَضَّأُ ، فَقَالَ : غَلَبَنَا الْحَوَّاکُونَ عَلَی صَلاَتِنَا یُعَجِّلُونَہَا ، یَعْنِی الْعَصْرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩৩৩) হজরত আবু ইসহাক বলেন , আমি হজরত আবদুল রহমান ইবনে আসওয়াদ (রা.)- এর কাছে এলাম যখন তিনি ওযু করছিলেন । তিনি বললেন, যা আসছে তা আমাদের নামাযের উপর প্রাধান্য পেয়েছে । অর্থাৎ তারা আসরের নামায তাড়াতাড়ি আদায় করে নেয়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۳۴) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ عن أبی سنان ، عَنِ ابْنِ أَبِی الْہُذَیْلِ ، قَالَ: تُصَلَّی العصر قَدْرَ مَا تَسِیرُ الْعِیرُ فَرْسَخًا إلَی غُرُوبِ الشَّمْسِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩৩৪) হজরত ইবনে আবি আল -হাযিল বলেন , আসরের নামায সে সময় পড়া হবে , যে সময়ে একটি উট সূর্যাস্ত পর্যন্ত এক ফরসাখ দূরত্ব অতিক্রম করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۳۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ مَرْدَانُبَۃَ ، عَنْ ثَابِتِ بْنِ عُبَیْدٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ أَنَسًا عَنْ وَقْتِ الْعَصْرِ ؟ فَقَالَ : وَقْتُہَا أَنْ تَسِیرَ سِتَّۃَ أَمْیَالٍ إلَی أَنْ تَغْرُبَ الشَّمْسُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৩৩৫ ) হজরত সাবিত ইবনে উবাইদ বলেন , আমি হযরত আনাস (রা. ) - কে আসরের সময় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন , সূর্য অস্ত যাওয়ার ছয় মাইল আগে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۳۶) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ حَرِیشٍ ، عَنْ طَلْحَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : تُصَلَّی الْعَصْرُ إذَا کَانَ الظِّلُّ وَاحِدًا وَعِشْرِینَ قَدَمًا فِی الشِّتَاء وَالصَّیْفِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৩৩৬ ) হজরত ইব্রাহিম ( আ . ) বলেন , আসরের নামায গরম ও ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় পড়া হবে যখন সবকিছুর ছায়া একুশ ধাপের সমান হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۳۷) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ خَالِدٍ ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ ، قَالَ : إنَّمَا سُمِّیَتِ الْعَصْرَ لِتَعْتَصِرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৩৩৭ ) হজরত আবু কালাবা বলেন , আসরের নামাযকে আসর বলা হয় যাতে তা পরে পাঠ করা হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۳۸) حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِیَۃَ ، عن حمید ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : کُنَّا نُصَلِّی الْمَغْرِبَ فِی مَسْجِدِ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، ثُمَّ نَأْتِی بَنِی سَلِمَۃَ ، وَأَحَدُنَا یَرَی مَوْقِعَ نَبْلِہ۔ (ابوداؤد ۴۱۹۔ ابن خزیمۃ ۳۳۸)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৩৩৮ ) হযরত আনাস ( রাঃ ) বলেন , আমরা মসজিদে নববীতে মাগরিবের নামায পড়তাম অনেক দূর থেকে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۳۹) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ إِسْحَاقَ ، عَنِ ابْنِ مُبَارَکٍ ، عَنِ الأَوْزَاعِیِّ ، قَالَ : حدَّثَنَا أَبُو النَّجَاشِیِّ ، قَالَ : حَدَّثَنَا رَافِعُ بْنُ خَدِیجٍ ، قَالَ : کُنَّا نُصَلِّی الْمَغْرِبَ عَلَی عَہْدِ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَیَنْصَرِفُ أَحَدُنَا ، وَإِنَّہُ لَیَنْظُرُ إلَی مَوَاقِعِ نَبْلِہِ۔ (بخاری ۵۵۹۔ مسلم ۴۴۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩৩৯) হজরত রাফে ইবনে খাদিজ ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - এর সময় আমরা যখন মাগরিবের নামায পড়ে বাড়ি ফিরতাম , তখন তা এত আলোকিত হতো যে তিনি জায়গাটি দেখতে পেতেন যত দূরত্ব বহু বাঁক ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۴۰) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ مُسْلِمٍ ، عَنْ سُوَیْد بْنِ غَفَلَۃَ ، قَالَ : قَالَ عُمَرُ : صَلُّوا ہَذِہِ الصَّلاَۃَ وَالْفِجَاجُ مُسْفِرَۃٌ ، یَعْنِی الْمَغْرِبَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩৪০) হযরত উমর (রাঃ) বলেন, যখন দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী প্রশস্ত পথ উজ্জ্বল হয় তখন এই দোয়াটি পাঠ করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۴۱) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ طَارِقٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، قَالَ : کَانَ عُمَرُ یَکْتُبُ إلَی أُمَرَائِ الأَمْصَارِ أَنْ لاَ تَنْتَظِرُوا بِصَلاَتِکُمَ اشْتِبَاکَ النُّجُومِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৩৪১) হজরত সাঈদ বিন মুসাইয়িব বলেন , হজরত উমর (রা.) তাঁর গভর্নরদের কাছে লিখেছিলেন যে, তারা যেন মাগরিবের সালাতের জন্য তারার উজ্জ্বলতার অপেক্ষা না করে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۴۲) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ الأَسْوَدِ ، قَالَ : کَانَ عَبْدُ اللہِ یُصَلِّی الْمَغْرِبَ حِینَ تَغْرُبُ الشَّمْسُ وَیَقُولُ : ہَذَا ، وَالَّذِی لاَ إِلٰہَ إِلاَّ ہُوَ ، وَقْتُ ہَذِہِ الصَّلاَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩৪২) হজরত আসওয়াদ বলেন , হজরত আবদুল্লাহ সূর্যাস্তের পর মাগরিবের নামায পড়তেন এবং বলতেন : সেই সত্তার কসম যার হাতে মরিয়ম ও মরিয়মের জীবন , তিনিই সালাতের সময় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۴۳) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ مُجَالِدٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ بِشْرٍ ، قَالَ : کَانَ ابْنُ الْحَنَفِیَّۃِ یَأْمُرُ مُؤَذِّنَہُ فَیُؤَذِّنُ الْمَغْرِبَ حِینَ تَغْرُبُ الشَّمْسُ سَوَائً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩৪৩) হজরত মুহাম্মদ বিন বিশর বলেন, ইবনুল হানাফী তার মুয়াজ্জিনকে সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় মাগরিবের আযান দেওয়ার নির্দেশ দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۴۴) حَدَّثَنَا عَائِذُ بْنُ حَبِیبٍ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ بْنِ أبی خَالِدٍ ، عَنِ الزُّبَیْرِ بْنِ عَدِیٍّ ؛ أَنَّ سُوَیْد بْنَ غَفَلَۃَ کَانَ یَأْمُرُ مُؤَذِّنَہُ أَنْ یُؤَذِّنَ الْمَغْرِبَ إذَا غَرَبَتِ الشَّمْسُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩৪৪) হজরত জুবায়ের ইবনে আদী বলেন , হজরত সুইদ ইবনে গাফলা তার মুয়াজ্জিনকে সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় মাগরিবের আযান দেওয়ার নির্দেশ দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۴۵) حَدَّثَنَا یَعْلَی بْنُ عُبَیْدٍ ، عَنْ حَجَّاجٍ الصَّوَّافِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ الدَّانَاجِ ، قَالَ : کَانَ أَصْحَابُ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَتَنَاضَلُونَ بَعْدَ الْمَغْرِبِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৩৪৫ ) হজরত আবদুল্লাহ দানাজ বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর সাহাবীগণ সন্ধ্যার নামাযের পর খেলাধুলা করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۴۶) حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ ، عَنْ حَاجِبِ بْنِ عُمَرَ ، قَالَ : کُنْتُ أَسْمَعُ عَمِّی الْحَکَمَ بْنَ الأَعْرَجِ یَسْأَلُ دِرْہَمًا أَبَا ہِنْدٍ عَنْ ہَذَا الْحَدِیثِ ؟ فَیَقُولُ دِرْہَمٌ : کُنْتُ أُقْبِلُ مِنَ السُّوقِ فَیَتَلَقَّانِی النَّاسُ مُنْصَرِفِینَ ، قَدْ صَلَّی بِہِمْ مَعْقِلُ بْنُ یَسَارٍ ، فَأَتَمَارَی غَرُبَتِ الشَّمْسُ ، أَوْ لَمْ تَغْرُبْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩৪৬) হজরত হাজিব ইবনে উমর বলেন , আমি আমার চাচা হুকাম ইবনে আরজকে দুরহাম আবু হিন্দকে এ হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে শুনেছি । ডারহাম বলেন , আমি বাজার থেকে এসে কিছু লোককে দেখতে পেলাম যারা হযরত মুকাল বানি সার ( রহ .)- এর পিছনে নামাজ পড়ে ফিরে যাচ্ছেন । সে সময় এতটাই উজ্জ্বল ছিল যে সূর্য ডুবেছে কি না সন্দেহ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۴۷) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ أَبِی الَعَنْبَسِ عَمْرِو بْنِ مَرْوَانَ ، قَالَ : سَأَلْتُ أَبِی ، قُلْتُ : قَدْ صَلَّیْتَ مَعَ عَلِیٍّ ، فَأَخْبِرْنِی کَیْفَ کَانَ یُصَلِّی الْمَغْرِبَ ؟ فَقَالَ : کَانَ یُصَلِّی إذَا سَقَطَ الْقُرْصُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩৪৭) হজরত আবু লানবুস বলেন , আমি আমার পিতাকে জিজ্ঞেস করলাম যে , তিনি হযরত আলীর সাথে কোন সময়ে মাগরিবের সালাত আদায় করতেন ? তিনি বলেন , সূর্যের রশ্মি অদৃশ্য হয়ে গেলে তিনি মাগরিবের নামাজ পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۴۸) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ بُرْقَانَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ رَجُلٍ أَظُنُّہُ قَالَ : مِنْ أَبْنَائِ النُّقَبَائِ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : کُنَّا نُصَلِّی الْمَغْرِبَ مَعَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، ثُمَّ نَرْجِعُ إلَی رِحَالِنَا وَأَحَدُنَا یُبْصِرُ مَوَاقِعَ النَّبْلِ ، قَالَ : قُلْتُ لِلزُّہْرِیِّ : وَکَمْ کَانَتْ مَنَازِلُہُمْ مِنَ الْمَدِینَۃِ ، قَالَ : ثُلُثَیْ مِیلٍ۔ (طبرانی ۱۱۷)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৩৪৮ ) এক সাহেব বর্ণনা করেন যে , আমরা রাসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর সাথে মাগরিবের নামায পড়তাম এবং আমরা ফিরে আসার দূরত্ব দেখতে পেতাম । বর্ণনাকারী বলেন, আমি হজরত জাহরিকে জিজ্ঞেস করলাম , মাদী ও মানওয়ারা থেকে তাঁর বাড়িগুলো কতদূর ? তিনি বলেন , এক মাইল দুই - তৃতীয়াংশ দূরত্বে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۴۹) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی ذِئْبٍ، عَنْ صَالِحٍ مَوْلَی التَّوْأَمَۃِ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ خَالِدٍ ، قَالَ : کُنَّا نُصَلِّی مَعَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ الْمَغْرِبَ ، ثُمَّ نَنْصَرِفُ إلَی السُّوقِ ، وَلَوْ رُمِیَ بِنَبْلٍ أَبْصَرْتُ مَوَاقِعَہَا۔ (احمد ۴/۱۱۵۔ طبرانی ۵۲۶۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩৪৯) হযরত যায়েদ বিন খালিদ (রাঃ) বলেন , আমরা মাগরিবের নামায পড়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর সাথে বাজারে যেতাম এবং তা এতই উজ্জ্বল ছিল যে , ভাসমান সরে গেলে দেখতে পেতাম । যে জায়গায় পড়েছিল .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۵۰) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنِ السُّدِیِّ ، عَنْ أَبِی مَالِکٍ ، عَنْ مَسْرُوقٍ ، قَالَ : صَلَّیْت مَعَ عَبْدِ اللہِ الْمَغْرِبَ ، مِقْدَارَ مَا إذَا رَمَی رَجُلٌ بِسَہْمٍ رَأَی مَوْضِعَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৩৫০ ) হজরত মাসরুক বলেন , আমি হজরত আবদুল্লাহর সঙ্গে মাগরিবের নামায পড়লাম , এমন সময় তা এতই উজ্জ্বল ছিল যে , কেউ লাফিয়ে পড়লেই আমি জায়গাটি দেখতে পেতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۵۱) حَدَّثَنَا مُعَاوِیَۃُ بْنُ ہِشَامٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا ابْنُ أَبِی ذِئْبٍ ، عَنْ أَبِی حَبِیبَۃَ ، أَنَّہُ بَلَغَہُ عَنْ أَبِی أَیُّوبَ الأَنْصَارِیِّ، أَنَّہُ سَمِعَ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : صَلُّوا الْمَغْرِبَ حِینَ فِطْرِ الصَّائِمِ ، مُبَادَرَۃَ طُلُوعِ النُّجُومِ۔ (طبرانی۴۰۸۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(3351) হজরত আবু আই ওয়াব আনসারী ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , যখন কোনো রোজাদার তার ইফতার করবে, তখন মাগরিবের সালাত আদায় করবে , যখন তারা উঠছে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৫১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳۵۲) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ سِمَاکٍ ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَۃَ ، قَالَ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یُؤَخِّرُ الْعِشَائَ الآخِرَۃَ۔ (مسلم ۲۲۶۔ احمد ۵/۸۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৩৫২) হজরত জাবির ইবনে সামরা ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) এশার নামাজ দেরিতে পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩৫২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস