(৩) ( 5025 ) মুতাম্মিরের একটি হাদিস, হুমরানের সূত্রে, আল হাসানের সূত্রে, যিনি বলেছেন: আল গারি ক প্রণাম পাঠের জলে [হাদিসের সীমা (২৩৯৩-৫০২৫), সর্বমোট হাদিসঃ ২৬৩৩টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ২৫৭৩টি]



2453 OK

(২৪৫৩)

সহিহ হাদিস

(۲۴۵۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْحَمِیدِ بْنُ جَعْفَرٍ الأَنْصَارِیُّ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عَطَائٍ الْقُرَشِیِّ، قَالَ : رَأَیْتُ أَبَا حُمَیْدٍ السَّاعِدِیَّ مَعَ عَشَرَۃِ رَہْطٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : أَلاَ أُحَدِّثُکُمْ عَنْ صَلاَۃِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ؟ قَالُوا : ہَاتِ ، قَالَ : رَأَیْتُہ إذَا کَبَّرَ عِنْدَ فَاتِحَۃِ الصَّلاَۃِ رَفَعَ یَدَیْہِ ، وَإِذَا رَکَعَ رَفَعَ یَدَیْہِ ، وَإِذَا رَفَعَ رَأْسَہُ مِنَ الرُّکُوعِ رَفَعَ یَدَیْہِ ، ثُمَّ یَمْکُثُ قَائِمًا حَتَّی یَقَعَ کُلُّ عَظْمٍ فِی مَوْضِعِہِ ، ثُمَّ یَہْبِطُ سَاجِدًا وَیُکَبِّرُ۔ (ترمذی ۳۰۴۔ ابوداؤد ۷۳۰)


থেকে বর্ণিতঃ

(2453) হজরত মুহাম্মদ ইবনে আমর ইবনে আতা বলেন , আমি হজরত আবু হামেদ সাঈদ ( রা .)- কে রাসূলুল্লাহ ( সা . )- এর দশজন সাহাবীর সঙ্গে দেখেছি । তিনি বললেন, আমি কি তোমাদের সামনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর আদলে সালাত আদায় করব না ? তিনি বলেছিলেন যে তিনি এটি অবশ্যই করেছেন । তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে নামায শুরু করার জন্য তাকবীরে তাহরীমা বলতে দেখেছি , যখন তিনি রুকু করতেন , তখন তিনি তাঁর হাত উঠাতেন , যখন তিনি রুকু থেকে মাথা উঠাতেন দু’হাত উঠালেন , তারপর এত লম্বা দাঁড়ালেন যে, প্রত্যেকের মাথা মধ্যম হয়ে গেল , তারপর তিনি সিজদার জন্য তাকবীর বললেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2454 OK

(২৪৫৪)

সহিহ হাদিস

(۲۴۵۴) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ کُلَیْبٍ ، عَنْ مُحَارِبِ بْنِ دِثَارٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : رَأَیْتُہ یَرْفَعُ یَدَیْہِ فِی الرُّکُوعِ وَالسُّجُودِ ، فَقُلْتُ لَہُ : مَا ہَذَا ؟ فَقَالَ : کَانَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إذَا قَامَ فی الرَّکْعَتَیْنِ کَبَّرَ وَرَفَعَ یَدَیْہِ۔ (بخاری ۷۳۹۔ ابوداؤد ۷۴۱)


থেকে বর্ণিতঃ

(২৪৫৪) হজরত মোহারেব বিন দাসার বলেন , আমি হজরত ইবনে উমর (রা.) - কে দেখেছি যে, তিনি রুকু ও সিজদা করার সময় রিফাই দ্বীন করতেন । আমি তাদের কাছে এর কারণ জিজ্ঞেস করলাম , তারা বলল , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন দূর থেকে উঠে দাঁড়াতেন তখন রিফায়ে দ্বীন করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2455 OK

(২৪৫৫)

সহিহ হাদিস

(۲۴۵۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنِ الْحَکَمِ وَعِیسَی ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنِ الْبَرَائِ بْنِ عَازِبٍ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ إذَا افْتَتَحَ الصَّلاَۃَ رَفَعَ یَدَیْہِ ، ثُمَّ لاَ یَرْفَعُہُمَا حَتَّی یَفْرُغَ۔ (ابوداؤد ۷۴۹۔ دارقطنی ۲۲)


থেকে বর্ণিতঃ

(২৪৫৫) হজরত বারা ইবনে আযিব (রাঃ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) যখন নামায শুরু করতেন তখনই হাত উঠাতেন , তারপর নামায শেষ না হওয়া পর্যন্ত হাত নামাতেন জোরে কিছু করিনি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৫৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2456 OK

(২৪৫৬)

সহিহ হাদিস

(۲۴۵۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ کُلَیْبٍ ، عَنْ عَبْدِ الرحمن بْنِ الأَسْوَدِ ، عَنْ عَلْقَمَۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : أَلاَ أُرِیکُمْ صَلاَۃَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ؟ فَلَمْ یَرْفَعْ یَدَیْہِ إِلاَّ مَرَّۃً۔ (ترمذی ۲۵۷۔ ابوداؤ ۷۴۸)


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৪৫৬ ) হজরত আল -কামাহ বলেন , হজরত আবদুল্লাহ একবার বললেন , আমি যেন রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর নামায না দেখাই । অতঃপর তিনি একবার দু’হাত তুলে দোয়া করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৫৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2457 OK

(২৪৫৭)

সহিহ হাদিস

(۲۴۵۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَبِی بَکْرِ بْنِ عَبْدِ اللہِ بْنِ قِطَافٍ النَّہْشَلِیِّ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ کُلَیْبٍ ، عَنْ أَبِیہِ ؛ أَنَّ عَلِیًّا کَانَ یَرْفَعُ یَدَیْہِ إذَا افْتَتَحَ الصَّلاَۃَ ، ثُمَّ لاَ یَعُودُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৪৫৭ ) হজরত আসিম ইবনে কালায়ব তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে , হজরত আলী নামাজ শুরু করার সময়ই হাত তুলতেন , এরপর তিনি হাত তুলতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৫৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2458 OK

(২৪৫৮)

সহিহ হাদিস

(۲۴۵۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ أَبِی مَعْشَرٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، عَن عَبْدِ اللہِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَرْفَعُ یَدَیْہِ فِی أَوَّلِ مَا یَفْْتَتِحُ ، ثُمَّ لاَ یَرْفَعُہُمَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৪৫৮ ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , হজরত আবদুল্লাহ (রা. ) নামাজ শুরু করার সময়ই হাত উঠাতেন , এরপর হাত তুলতেন না।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৫৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2459 OK

(২৪৫৯)

সহিহ হাদিস

(۲۴۵۹) حَدَّثَنَا ابْنُ مُبَارَکٍ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَرْفَعُ یَدَیْہِ فِی أَوَّلِ التَّکْبِیرَۃِ ، ثُمَّ لاَ یَرْفَعُہُمَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২৪৫৯) হজরত আশআস বলেন , হজরত শাবি প্রথম তাকবীরে শুধু হাত উঠাতেন , এরপর হাত তুলতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৫৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2460 OK

(২৪৬০)

সহিহ হাদিস

(۲۴۶۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا حُصَیْنٌ وَمُغِیرَۃُ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ : إذَا کَبَّرْتَ فِی فَاتِحَۃِ الصَّلاَۃِ فَارْفَعْ یَدَیْک ، ثُمَّ لاَ تَرْفَعْہُمَا فِیمَا بَقِیَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৪৬০ ) হজরত ইব্রাহীম (আ.) বলতেন , যখন তুমি নামায শুরু করার জন্য তাকবীর বল , তখন হাত উঠাও , তারপর বাকী সালাতে হাত উঠাও না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৬০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2461 OK

(২৪৬১)

সহিহ হাদিস

(۲۴۶۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، وَأَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، قَالَ : کَانَ أَصْحَابُ عَبْدِ اللہِ ، وَأَصْحَابُ عَلِیٍّ ، لاَ یَرْفَعُونَ أَیْدِیَہُمْ إِلاَّ فِی افْتِتَاحِ الصَّلاَۃِ ، قَالَ وَکِیعٌ : ثُمَّ لاَ یَعُودُونَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(2461) হজরত আবু ইসহাক বলেন , হজরত আলী ও হজরত আবদুল্লাহ ( রা . ) - এর সাহাবীগণ শুধু নামাযের শুরুতে হাত তুলতেন , এরপর তারা হাত তুলতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৬১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2462 OK

(২৪৬২)

সহিহ হাদিস

(۲۴۶۲) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ حُصَیْنٍ وَمُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : لاَ تَرْفَعْ یَدَیْک فِی شَیْئٍ مِنَ الصَّلاَۃِ إِلاَّ فِی الافْتِتَاحَۃِ الأُولَی۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 2462 ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , তাকবীরে তাহরীমা ব্যতীত নামাজে হাত তুলবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৬২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2463 OK

(২৪৬৩)

সহিহ হাদিস

(۲۴۶۳) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرٍ ، عَنِ الْحَجَّاجِ ، عَنْ طَلْحَۃَ ، عَنْ خَیْثَمَۃَ وَإِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانَا لاَ یَرْفَعَانِ أَیْدِیَہُمَا إِلاَّ فِی بَدْئِ الصَّلاَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(2463) হজরত তালহা বলেন , হজরত খায়সামা ও হজরত ইব্রাহীম ( আ . ) শুধু নামাজের শুরুতেই হাত তুলতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৬৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2464 OK

(২৪৬৪)

সহিহ হাদিস

(۲۴۶۴) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ ، قَالَ : کَانَ قَیْسٌ یَرْفَعُ یَدَیْہِ أَوَّلَ مَا یَدْخُلُ فِی الصَّلاَۃِ ، ثُمَّ لاَ یَرْفَعُہُمَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(2464) হজরত ইসমাইল বলেন , হজরত কায়েস (রা ) নামাজ শুরু করার সময়ই রিফা - ই - দ্বীন কিয়া করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৬৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2465 OK

(২৪৬৫)

সহিহ হাদিস

(۲۴۶۵) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : تُرْفَعُ الأَیْدِی فِی سَبْعَۃِ مَوَاطِنَ : إذَا قَامَ إلَی الصَّلاَۃِ ، وَإِذَا رَأَی الْبَیْتَ ، وَعَلَی الصَّفَا وَالْمَرْوَۃِ ، وَفِی عَرَفَاتٍ ، وَفِی جَمْعٍ ، وَعِنْدَ الْجِمَارِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২৪৬৫) হজরত ইবনে আব্বাস (রা) বলেন, নামাজ শুরু করার সময় শুধু সাতটি স্থানে হাত উঠাতে হবে: 2 আল্লাহর ঘরের দিকে তাকানো 3 সাফা 4 মারওয়াতে ময়দানে আরাফাত মি 6 মুজদালিফা মি 7 জুমআর অনুষ্ঠানের সময় রুমি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৬৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2466 OK

(২৪৬৬)

সহিহ হাদিস

(۲۴۶۶) حَدَّثَنَا مُعَاوِیَۃُ بْنُ ہُشَیْمٍ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مُسْلِمٍ الْجُہَنِیِّ ، قَالَ : کَانَ ابْنُ أَبِی لَیْلَی یَرْفَعُ یَدَیْہِ أَوَّلَ شَیْئٍ إذَا کَبَّرَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৪৬৬ ) হযরত মুসলিম জাহ্নী বলেন , হযরত আবুল লায়লা তাকবীরে তাহরীমা বলার সময়ই হাত উঠাতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৬৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2467 OK

(২৪৬৭)

সহিহ হাদিস

(۲۴۶۷) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : مَا رَأَیْت ابْنَ عُمَرَ یَرْفَعُ یَدَیْہِ إِلاَّ فِی أَوَّلِ مَا یَفْتَتِحُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২৪৬৭) হজরত মুজাহিদ বলেন , আমি হজরত ইবনে উমর ( রা . ) - কে শুধু নামাজের শুরুতেই হাত তুলতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৬৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2468 OK

(২৪৬৮)

সহিহ হাদিস

(۲۴۶۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شَرِیکٍ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنِ الأَسْوَدِ وَعَلْقَمَۃَ ؛ أَنَّہُمَا کَانَا یَرْفَعَانِ أَیْدِیَہُمَا إذَا افْتَتَحَا ، ثُمَّ لاَ یَعُودَانِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(2468) হজরত জাবির বলেন, হজরত আসওয়াদ ও হজরত আলকামা নামাজ শুরু করার সময় হাত উঠাতেন , কিন্তু পরে তা করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৬৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2469 OK

(২৪৬৯)

সহিহ হাদিস

(۲۴۶۹) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ آدَمَ، عَنْ حَسَنِ بْنِ عَیَّاشٍ، عَنْ عَبْدِالْمَلِکِ بْنِ أَبْجَرَ، عَنِ الزُّبَیْرِ بْنِ عَدِیٍّ، عَنْ إبْرَاہِیمَ، عَنِ الأَسْوَدِ ، قَالَ : صَلَّیْت مَعَ عُمَرَ فَلَمْ یَرْفَعْ یَدَیْہِ فِی شَیْئٍ مِنْ صَلاَتِہِ إِلاَّ حِینَ افْتَتَحَ الصَّلاَۃَ ، قَالَ عَبْدُ الْمَلِکِ : وَرَأَیْت الشَّعْبِیَّ ، وَإِبْرَاہِیمَ ، وَأَبَا إِسْحَاقَ ، لاَ یَرْفَعُونَ أَیْدِیَہُمْ إِلاَّ حِینَ یَفْتَتِحُونَ الصَّلاَۃَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(2469) হজরত আসওয়াদ বলেন যে, আমি হজরত ওমর (রা.)- এর সাথে নামায পড়েছিলাম , তিনি নামায শুরু করার সময়ই হাত উঠাতেন । হজরত আবদুল মুলক বলেন , আমি হজরত শাবি , হজরত ইব্রাহিম ও হজরত আবু ইসহাককে দেখেছি যে, তারা নামাজ শুরু করার সময়ই হাত তুলতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৬৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2470 OK

(২৪৭০)

সহিহ হাদিস

(۲۴۷۰) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، عَنِ الأَسْوَدِ ، قَالَ : افْتَتَحَ عُمَرُ الصَّلاَۃَ ، ثُمَّ کَبَّرَ ، ثُمَّ قَالَ : سُبْحَانَک اللَّہُمَّ وَبِحَمْدِکَ ، وَتَبَارَکَ اسْمُک وَتَعَالَی جَدُّک، وَلاَ إلَہَ غَیْرُک ، أَعُوذُ بِاللَّہِ مِنَ الشَّیْطَانِ الرَّجِیمِ، الْحَمْدُ لِلَّہِ رَبِّ الْعَالَمِینَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(2470) হজরত আসওয়াদ বলেন , হজরত উমর (রা. ) সালাত শুরু করার সময় আল্লাহু আকবার বলতেন এবং তারপর এই শব্দগুলো বলতেন ( অনুবাদ) : হে আল্লাহ, তুমি পবিত্র এবং তোমার প্রশংসা করা হয় । ধন্য তোমার নাম , উচ্চ তোমার মহিমা এবং তুমি ছাড়া আর কোন উপাস্য নেই । অতঃপর তিনি তাওজ পড়তেন এবং তারপর সূরা ফা ত্বহা পাঠ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৭০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2471 OK

(২৪৭১)

সহিহ হাদিস

(۲۴۷۱) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ الأَسْوَدِ ، قَالَ : سَمِعْتُ عُمَرَ افْتَتَحَ الصَّلاَۃَ وَکَبَّرَ ، فَقَالَ : سُبْحَانَک اللَّہُمَّ وَبِحَمْدِکَ ، تَبَارَکَ اسْمُک وَتَعَالَی جَدُّک ، وَلاَ إلَہَ غَیْرُک ، ثُمَّ یَتَعَوَّذُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৪৭১ ) হজরত আসওয়াদ বলেন , আমি হজরত উমর ( রা . )-কে আল্লাহু আকবার বলতে শুনেছি , যখন তিনি সালাত শুরু করলেন, তখন তিনি এ কথাগুলো বললেন (অনুবাদ) : হে আল্লাহ , তুমি পবিত্র এবং তুমি মহান । ধন্য তোমার নাম , উচ্চ তোমার মহিমা এবং তুমি ছাড়া আর কোন উপাস্য নেই । অতঃপর আপনি তাওয পাঠ করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৭১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2472 OK

(২৪৭২)

সহিহ হাদিস

(۲۴۷۲) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ کَانَ یَتَعَوَّذُ یَقُولُ : أَعُوذُ بِاللَّہِ مِنَ الشَّیْطَانِ الرَّجِیمِ ، أَوْ أَعُوذُ بِاللَّہِ السَّمِیعِ الْعَلِیمِ مِنَ الشَّیْطَانِ الرَّجِیمِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(2472) হজরত নাফি বলেন, হজরত ইবনে উমরের সুপারিশের জন্য তিনি এই কথাগুলো বলতেন (অনুবাদ): আমি শয়তান মারদুদ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই । হ্যাঁ এই কথাগুলো বলা হতো ( অনুবাদ ) আল্লাহ শয়তান মারদুদ থেকে আশ্রয় চান
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৭২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2473 OK

(২৪৭৩)

সহিহ হাদিস

(۲۴۷۳) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی عَدِیٍّ، عَنْ کَہْمَسٍ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مُسْلِمِ بْنِ یَسَارٍ، قَالَ: سَمِعَنِی أَبِی وَأَنَا أَسْتَعِیذُ بِالسَّمِیعِ الْعَلِیمِ ، فَقَالَ: مَا ہَذَا ؟ قُلْ : أَعُوذُ بِاللَّہِ مِنَ الشَّیْطَانِ الرَّجِیمِ ، إنَّ اللَّہَ ہُوَ السَّمِیعُ الْعَلِیمُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(2473) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মুসলিম ইবনে ইয়াসার বলেন , একদা আমি আওজ-ই-বিল্লাহ-আস-সামি - ই - উল - আলিম পাঠ করছিলাম , তখন আমার পিতা বলতে লাগলেন , এটি কে ? আপনি বলেন, আমি ঈশ্বরের কাছে করুণা চাই । আল্লাহ তায়ালা সর্বজ্ঞ
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৭৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2474 OK

(২৪৭৪)

সহিহ হাদিস

(۲۴۷۴) حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَہَّابِ الثَّقَفِیُّ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَتَعَوَّذُ قَبْلَ قِرَائَۃِ فَاتِحَۃِ الْکِتَابِ وَبَعْدَہَا، وَیَقُولُ فِی تَعَوُّذِہِ : أَعُوذُ بِاَللَّہِ السَّمِیعِ الْعَلِیمِ مِنْ ہَمَزَاتِ الشَّیَاطِینِ ، وَأَعُوذُ بِاللَّہِ أَنْ یَحْضُرُونِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(2474) হজরত আইয়ুব বলেন , হজরত মুহাম্মদ সূরা ফাতিহার আগে এবং সূরা ফাতিহার পরে তাওজ পড়তেন । তারা তাদের তাওজুতে আছে এই কথাগুলো বলা হতো ( অনুবাদ ) আমি শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই এবং তারা আমার কাছে উপস্থিত হওয়া থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৭৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2475 OK

(২৪৭৫)

সহিহ হাদিস

(۲۴۷۵) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ عَاصِمٍ ، عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَیْرِ بْنِ مُطْعِمٍ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : سَمِعْتُ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ حِینَ افْتَتَحَ الصَّلاَۃَ ، قَالَ : اللَّہُمَّ إنِّی أَعُوذُ بِکَ مِنَ الشَّیْطَانِ الرَّجِیمِ ، مِنْ ہَمْزِہِ ، وَنَفْخِہِ ، وَنَفْثِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(2475) হজরত জাবির ইবনে মুতআম ( রা) বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে সালাতের শুরুতে বলতে শুনেছি ( অনুবাদ) : হে আল্লাহ! আমি শয়তান মারদুদের দ্বারা আকৃষ্ট রোগ , তার দ্বারা আরোপিত অহংকার এবং তার দ্বারা অনুপ্রাণিত কবিতা থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৭৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2476 OK

(২৪৭৬)

সহিহ হাদিস

(۲۴۷۶) حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلاَمِ بْنُ حَرْبٍ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ أَبِی مَعْشَرٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إذَا سَبَّحَ ، أَوْ کَبَّرَ ، أَوْ ہَلَّلَ أَجْزَأَہُ فِی الإِفْتِتَاحِ، وَیَسْجُدُ سَجْدَتَیِ السَّہْوِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(2476) হজরত ইব্রাহিম (আ.) বলেন , কেউ যদি নামায শুরু করার সময় সুবহানাল্লাহ, আল্লাহু আকবার ইয়া ইলা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলে , তবে তা জায়েয। আর সাহোর দুটি সিজদা আছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৭৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2477 OK

(২৪৭৭)

সহিহ হাদিস

(۲۴۷۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی، عَنِ الْحَکَمِ ، قَالَ: إذَا سَبَّحَ، أَوْ ہَلَّلَ فِی افْتِتَاحِ الصَّلاَۃِ، أَجْزَأَہُ مِنَ التَّکْبِیرِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(2477) হযরত আদেশ করেন যে, কেউ যদি নামায শুরু করার সময় সুবহানাল্লাহ ইয়া লা ইলা ইলা ইল্লাল্লাহ বলে, তাহলে এই শব্দগুলো আল্লাহু আকবার বলে দাঁড়াবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৭৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2478 OK

(২৪৭৮)

সহিহ হাদিস

(۲۴۷۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ زِیَادِ بْنِ أَبِی مُسْلِمٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا الْعَالِیَۃِ سُئِلَ ، بِأَیِّ شَیْئٍ کَانَ الأَنْبِیَائُ یَسْتَفْتِحُونَ الصَّلاَۃَ ؟ قَالَ : بِالتَّوْحِیدِ ، وَالتَّسْبِیحِ ، وَالتَّہْلِیلِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(2478) হজরত আবুল আলিয়া ( রা .) -কে জিজ্ঞেস করা হলো , নবীগণ কোন শব্দ দিয়ে সালাত শুরু করতেন । তিনি বলেন , তিনি তাওহীদ , তাসবিহ ও তাহলীল শব্দ দিয়ে সালাত শুরু করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৭৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2479 OK

(২৪৭৯)

সহিহ হাদিস

(۲۴۷۹) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ رَجُلٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : بِأَیِّ أَسْمَائِ اللہِ افْتَتَحْت الصَّلاَۃَ أَجْزَأَک۔


থেকে বর্ণিতঃ

(2479) হজরত শাবি বলেন , আপনার জন্য আল্লাহর যে কোনো নাম দিয়ে সালাত শুরু করা জায়েয আছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৭৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2480 OK

(২৪৮০)

সহিহ হাদিস

(۲۴۸۰) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إذَا نَسِیَ تَکْبِیرَۃَ الافْتِتَاحِ اسْتَأْنَفَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ২৪৮০ ) হজরত ইব্রাহীম (আ.) বলেন , যখন কোনো ব্যক্তি তাকবীরে তাহরীমা ভুলে যায়, তখন সে যেন আবার নামায পড়ে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৮০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2481 OK

(২৪৮১)

সহিহ হাদিস

(۲۴۸۱) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ فِی الرَّجُلِ یَنْسَی تَکْبِیرَۃَ الافْتِتَاحِ ، قَالَ : تُجْزِئُہُ تَکْبِیرَۃُ الرُّکُوعِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 2481 ) হজরত হাসান বলেন , যে ব্যক্তি তাহরীমার তাকবীর ভুলে যায় , তার জন্য রুকের তাকবীরই যথেষ্ট ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৮১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2482 OK

(২৪৮২)

সহিহ হাদিস

(۲۴۸۲) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ؛ أَنَّہُ قَالَ ؛ فِی الرَّجُلِ إذَا نَسِیَ أَنْ یُکَبِّر حِینَ یَفْتَتِحُ الصَّلاَۃَ ، فَإِنَّہُ یُکَبِّرُ إذَا ذَکَرَ ، فَإِن لَمْ یَذْکُرْ حَتَّی یُصَلِّیَ مَضَتْ صَلاَتُہُ ، وَتُجْزِئُ ہُ تَکْبِیرَۃُ الرُّکُوعِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(২৪৮২) হযরত জাহরি (রাঃ) এ ব্যক্তি সম্পর্কে বলেন যে, কেউ যদি সালাত শুরু করার সময় তাকবীর রিথ্রিমা ভুলে যায় , তখন তার স্মরণ হলে তাকবীর বলা উচিত । নামায শেষ করার পর যদি সে স্মরণ করে , তাহলে নামায জায়েয , কারণ রুকু করার তাকবীরই তার জন্য যথেষ্ট ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৪৮২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস