
(۳۱۴۳) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِِ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِی الأَحْوَصِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : إذَا سَلَّمَ الإِمَامُ فَقُمْ وَاصْنَعْ مَا شِئْت یَقُولُ : لاَ تَنْظُرْ قِیَامَہُ ، وَلاَ تُحَوِّلْہُ مِنْ مَجْلِسِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩১৪৩) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , ইমাম যখন সালাম দেন , তখন উঠুন এবং যা খুশি করুন । তার উঠার এবং সরানোর জন্য অপেক্ষা করবেন না।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۴۴) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَقْضِی ، وَلاَ یَنْتَظِرُ الإِمَامَ ، قَالَ : وَکَانَ الْقَاسِمُ ، وَسَالِمٌ ، وَنَافِعٌ یَفْعَلُونَ ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩১৪৪) হজরত নাফি বলেন , হজরত ইবনে উমর (রা.) বাকি নামাজ আদায় করতেন এবং ইমামের উঠার অপেক্ষা করতেন না । হযরত কাসেম ও হযরত সেলিম রা তারাও তাই করত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۴۵) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا أَبُو ہَارُونَ ، قَالَ : صَلَّیْت بِالْمَدِینَۃِ فَسُبِقْتُ بِبَعْضِ الصَّلاَۃِ ، فَلَمَّا سَلَّمَ الإِمَامُ قُمْتُ لأَقْضِیَ مَا سُبِقْتُ بِہ ، فَجَبَذَنِی رَجُلٌ کَانَ إلَی جَنْبِی ، ثُمَّ قَالَ : کَانَ یَنْبَغِی لَکَ أَنْ لاَ تَقُومَ حَتَّی یَنْحَرِف ، قَالَ : فَلَقِیتُ أَبَا سَعِیدٍ فَذَکَرْت لَہ ذَلِکَ ، فَکَأَنَّہُ لَمْ یَکْرَہْ مَا صَنَعْتُ ، أَوْ کَلِمَۃً نَحْوَہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১৪৫ ) হজরত আবু হারুন বলেন , একদা আমি মদীনায় বা মানওয়ারায় নামায পড়েছিলাম , ফলে কিছু জামাতের নামায মিস করেছিলাম । ইমাম যখন সালাম ফিরলেন , আমি বাকী নামায পড়তে দাঁড়ালাম । আমি আমার পাশে এতটাই দাঁড়িয়ে ছিলাম যে একজন লোক আমাকে জোরে টেনে নিয়ে বললো যে ইমাম সরে না আসা পর্যন্ত তুমি দাঁড়াও না । আমি হযরত আবু সাঈদ ( রা . ) - এর কাছে এ কথা উল্লেখ করলে তিনি আমার এ কাজকে মোটেই জঘন্য মনে করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۴۶) حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَۃَ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَۃَ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : یَا بُنَیَّ ، إذَا سَلَّمْتُ فَإِنِّی أَجْلِسُ فَأُسَبِّحُ وَأُکَبِّرُ ، فَمَنْ بَقِیَ عَلَیْہِ شَیْئٌ مِنْ صَلاَتِہِ ، فَلْیَقُمْ فَلْیَقْضِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১৪৬ ) হযরত আরওয়া তাঁর ছেলে হিশামকে উপদেশ দিয়ে বললেন , হে বৎস ! যখন আমি সালাম ফিরাই , তখন আমি বসে তাসবিহ ও তাকবীর পড়ি , যার নামায বাকি থাকে সে যেন উঠে পড়ে তা পূর্ণ করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۴۷) حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَۃَ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : یَنْتَظِرُہُ قَلِیلاً ، فَإِنْ جَلَسَ فَقُمْ وَدَعْہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩১৪৭) হজরত আতা বলেন , ইমামের জন্য একটু অপেক্ষা করতে হবে, যদি তিনি বসে থাকেন তাহলে উঠে তাকে ছেড়ে দিন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۴۸) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَرُدُّ السَّلاَمَ عَلَی الإِمَامِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩১৪৮) হজরত নাফি বলেন , হজরত ইবনে উমর (রা.) ইমামের সালামের জবাব দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۴۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی خَالِدٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : إذَا سَلَّمَ الإِمَامُ فَرُدَّ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩১৪৯) হযরত শাবি বলেন , ইমাম যখন সালাম বলবে তখন তার সালামের জবাব দেওয়া হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۵۰) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ سَالِمٍ ، قَالَ : إذَا سَلَّمَ الإِمَامُ فَرُدَّ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩১৫০) হযরত সেলিম (রাঃ) বলেন, ইমাম যখন সালাম বলবে তখন তার সালামের জবাব দেওয়া হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۵۱) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ ، قَالَ : قُلْتُ لإِبْرَاہِیمَ : إنَّ ذَرًّا إذَا سَلَّمَ الإِمَامُ رَدَّ عَلَیْہِ ، قَالَ : یُجْزِئہ أَنْ یُسَلِّمَ عَنْ یَمِینِہِ ، وَعَنْ یَسَارِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩১৫১) হজরত হাসান ইবনে উবাই দা আল্লাহ বলেন , আমি হজরত ইব্রাহিমকে বললাম যে, হজরত ধারর ইবনে আবদুল্লাহ বলতেন , ইমাম যখন তাকে সালাম করেন , তখন তিনি তার সালামের জবাব দেন হজরত ইব্রাহিম ( আ . ) বললেন , তার ডানে বামে সালাম দেয়াই যথেষ্ট ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৫১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۵۲) حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ الأَزْرَقُ ، عَنْ جُوَیْبِرٍ ، عَنِ الضَّحَّاکِ ، قَالَ : إذَا سَلَّمَ الإِمَامُ فَلْیَرُدَّ عَلَیْہِ مَنْ خَلْفَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩১৫২) হযরত দাহহাক বলেন , ইমাম যখন সালাম দিবেন তখন মুক্তাদা তার সালামের জবাব দিবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৫২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۵۳) حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُقْرِیئُ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ أَبِی أَیُّوبَ ، قَالَ : حدَّثَنِی أَبُو عَقِیلٍ ؛ أَنَّہُ رَأَی سَعِیدَ بْنَ الْمُسَیَّبِ یُسَلِّمُ عَنْ یَمِینِہِ ، وَعَنْ یَسَارِہِ ، ثُمَّ یَرُدُّ عَلَی الإِمَامِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১৫৩ ) হজরত আবু আকীল বলেন , আমি হযরত সাঈদ বিন আল - মুসাইবকে ডানে - বামে সালাম করতে দেখেছি এবং তারপর ইমামের সালামের জবাব দিয়েছেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৫৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۵۴) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ أَبِی الشَّعْثَائِ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : کُنْتُ قَاعِدًا عِنْدَ ابْنِ عُمَرَ ، فَرَأَی رَجُلاً قَدْ أَثَّرَ السُّجُودُ فِی وَجْہِہِ ، فَقَالَ : إنَّ صُورَۃَ الرَّجُلِ وَجْہُہُ ، فَلاَ یَشِینُ أَحَدُکُمْ صُورَتَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩১৫৪) হজরত আবু আল-শাআ বলেন , আমি হজরত ইবনে উমর (রা.)- এর পাশে বসে ছিলাম , তিনি একজন লোককে দেখলেন , যার মুখে সিজদার চিহ্ন রয়েছে । আপনি তাকে বলেছিলেন যে একজন ব্যক্তির চেহারা তার চেহারা । তাই তোমাদের কেউ যেন নিজের চেহারা নষ্ট না করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৫৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۵۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ ثَوْرٍ ، عَنْ أَبِی عَوْنٍ الأَعْوَرِ ، عَنْ أَبِی الدَّرْدَائِ ؛ أَنَّہُ رَأَی امْرَأَۃً بَیْنَ عَیْنَیْہَا مِثْلُ ثَفِنَۃِ الشَّاۃِ ، فَقَالَ : أَمَا إنَّ ہَذَا لَوْ لَمْ یَکُنْ بَیْنَ عَیْنَیْک کَانَ خَیْرًا لَک۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১৫৫ ) হজরত আবু আউন বলেন , হজরত আবু আল দারদা ( রা . ) এক মহিলাকে দেখলেন যে ছাগলের শরীরে বসার কারণে তার চোখের মাঝখানে এক ধরনের ক্ষত তৈরি হয়েছে যা পায়ের ওপর বেশি বসার কারণে তৈরি হয় . আপনি বলেছেন শ্রীলঙ্কার চোখের মাঝে এমনটা না হলে ভালো হতো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৫৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۵۶) حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ أَیُّوبَ ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ بُرْقَانَ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ الأَصَمِّ ، قَالَ : قلت لِمَیْمُونَۃَ : أَلَمْ تَرَیْ إلَی فُلاَنٍ یَنْقُرُ جَبْہَتَہُ بِالأَرْضِ یُرِیدُ أَنْ یُؤَثِّرَ بِہَا أَثَرَ السُّجُودِ ، فَقَالَتْ : دَعْہُ لَعَلَّہُ یَلِجُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 3156) হজরত ইয়াজিদ বিন আসিম বলেন , আমি হজরত মায়মুনাকে বললাম , আপনি কি অমুককে দেখেছেন , যে ঠোঁটের মতো ? N- এর উপর আঘাত করে এবং তার অহংকারে সিজদা দিয়ে চিহ্নিত হতে চায় ! হজরত মায়মুনা (রা.) ঠাট্টা -বিদ্রূপ করলেন যে , তাকে তা করতে দাও , হয়তো সে তার ঠোঁটে আঘাত করে পৃথিবীতে প্রবেশ করবে !
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৫৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۵۷) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ حُرَیْثٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ؛ أَنَّہُ کَرِہَ الأَثَرَ فِی الْوَجْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩১৫৭) হজরত হারিছ বলেন , হজরত শাবি (রা.) তার মুখে সিজদার চিহ্ন অপছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৫৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۵۸) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَنْ مُسَافِرٍ الْجَصَّاصِ ، عَنْ حَبِیبِ بْنِ أَبِی ثَابِتٍ ، قَالَ : شَکَوْت إلَی مُجَاہِدٍ الأَثَرَ بَیْنَ عَیْنَیَّ ، فَقَالَ لِی : إذَا سَجَدْت فَتَجَافَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১৫৮ ) হজরত হাবিব ইবনে আবি সাবিত বলেন , আমি হজরত মুজাহিদ (রা . ) - কে তার চোখের মাঝখানের দাগ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন , যখন তুমি সেজদা করবে, তখন কপাল হালকাভাবে মাটিতে রাখবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৫৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۵۹) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، قَالَ : رَأَیْتُ أَصْحَابَ عَلِیٍّ وَأَصْحَابَ عَبْدِ اللہِ وَأَثَارُ السُّجُودِ فِی جِبَاہِہِمْ وَأُنُوفِہِمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩১৫৯) হজরত আবু ইসহাক বলেন , আমি হজরত আলী ও হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদের সাহাবীদের দেখেছি যে , তাদের কপালে ও নাকে সিজদার চিহ্ন রয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৫৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۰) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ، قَالَ: مَا رَأَیْت سَجْدَۃً أَعْظَمَ مِنْہَا، یَعْنِی سَجْدَۃَ ابْنِ الزُّبَیْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১৬০ ) হজরত আবু ইসহাক বলেন , আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে জুবায়ের ( রা . ) - এর চেয়ে বেশি সেজদা করেছি ( যার মাটিতে অঙ্গ - প্রত্যঙ্গ বেশি ছিল ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۱) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : رَأَیْتُ مَا یَلِی الأَرْضَ مِنْ عَامِرِ بَنِی عَبْدِ قَیْسٍ مِثْلَ ثَفِنِ الْبَعِیرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১৬১ ) হজরত হাসান বলেন , আমি হজরত আমীর ইবনে আবদে কায়েস (রা.) - এর চেয়ে বেশি কাউকে সেজদা করিনি । তারা মাটিতে লেগে থাকত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۲) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالُوا : لَمَّا بُنِیَ الْمَسْجِدُ قَالُوا : یَا رَسُولَ اللہِ ، کَیْفَ نَبْنِیہ ؟ قَالَ : عَرْشٌ کَعَرْشِ مُوسَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩১৬২) হজরত হাসান বলেন , যখন মসজিদে নববী নির্মাণের কাজ চলছিল , তখন সাহাবায়ে কেরাম তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন , হে আল্লাহর রাসূল ! আমরা কিভাবে এটা করতে পারি ? তুমি বলেছিলে মূসার মৌচাকের মত করে দাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۳) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، قَالَ : حدَّثَنِی رَجُلٌ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِکٍ ، قَالَ : کَانَ یُقَالُ : لَیَأْتِیَنَّ عَلَی النَّاسِ زَمَانٌ یَبْنُونَ الْمَسَاجِدَ یَتَبَاہَوْنَ بِہَا ، وَلاَ یَعْمُرُونَہَا إِلاَّ قَلِیلاً۔ (ابوداؤد ۴۵۰۔ نسائی ۷۶۸)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১৬৩ ) হজরত আনাস বিন মালিক বলেন , মানুষের ওপর এমন সময় আসবে যে তারা মসজিদ নির্মাণ করবে এবং তাদের জন্য গর্ব করবে কারণ কিছু মসজিদের জনসংখ্যা খুবই কম হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی فَزَارَۃَ ، عَنْ یَزِیدَ بْن الأَصَمِّ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَا أُمِرْتُ بِتَشْیِیدِ الْمَسَاجِدِ۔ (عبدالرزاق ۵۱۲۷)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১৬৪ ) হজরত ইয়াজিদ বিন আস থেকে বর্ণিত আছে যে , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , আমাকে মসজিদের ইমারত উঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়নি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی فَزَارَۃَ ، عَنْ یَزِیدَ بْن الأَصَمِّ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : لَتُزَخْرِفُنَّہَا کَمَا زَخْرَفَتِ الْیَہُودُ وَالنَّصَارَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩১৬৫) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা. ) বলেন, হুদ ও খ্রিস্টানরা যেভাবে তাদের উপাসনালয় সাজিয়েছিল , তোমরা সেভাবে মসজিদগুলোকে সাজাতে পারবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۶) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِِ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلاَنَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ أَبِی سَعِیدٍ ، قَالَ : قَالَ أَبِی : إذَا زَوَّقْتُمْ مَسَاجِدَکُمْ ، وَحَلَّیْتُمْ مَصَاحِفَکُمْ ، فَالدُّبَارُ عَلَیْکُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(3166) হজরত আবি বলেন , যখন তুমি তোমার মসজিদগুলোকে সাজাতে শুরু করবে এবং তোমার বইগুলোকে সুশোভিত করবে, তখন মৃত্যুই তোমার ভাগ্যে পরিণত হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی فَزَارَۃَ ، عَنْ مُسْلِمٍ الْبَطِینِ ، قَالَ : مَرَّ عَلَی مَسْجِدٍ قَدْ شُرِّف ، فَقَالَ: ہَذِہِ بَیْعَۃُ بَنِی فُلاَنٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১৬৭) হজরত আবু ফাজারা বলেন , হজরত মুসলিম বাতিনায়েক সুসজ্জিত মসজিদের পাশ দিয়ে গেলেন এবং বললেন : এটা কি অমুক অমুক লোকের ‘জামাত’? !
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۸) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ الْجَرِیرِیِّ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ بْنُ شَقِیقٍ : إنَّمَا کَانَتِ الْمَسَاجِدُ جُمًّا ، وَإِنَّ مَا شَرَّفَ النَّاسُ حَدِیثٌ مِنَ الدَّہْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১৬৮ ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে শাকীক বলেন , মসজিদগুলো উজ্জ্বল আলো ছাড়াই তৈরি হতো । নতুন জিনিস কী ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۶۹) حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ خَلِیفَۃَ ، عَنْ مُوسَی ، عَنْ رَجُلٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : أُمِرْنَا أَنْ نَبْنِیَ الْمَسَاجِدَ جُمًّا ، وَالْمَدَائِنَ شُرَفًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩১৬৯) হজরত ইবনে আব্বাস (রা) বলেন , আমাদেরকে আলোকিত জানালা ও কুলুঙ্গিবিহীন মসজিদ এবং উজ্জ্বল জানালা ও কুলুঙ্গিযুক্ত শহর নির্মাণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۷۰) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ الأَصَمِّ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : لَتُزَخْرِفُنَّ مَسَاجِدَکُمْ ، کَمَا زَخْرَفَتِ الْیَہُودُ وَالنَّصَارَی مَسَاجِدَہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩১৭০) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা ) বলেন , তোমরা তোমাদের মসজিদগুলোকে সেভাবে সজ্জিত করবে যেভাবে হুদ ও নাসার তাদের উপাসনালয়কে সাজিয়েছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۷۱) حَدَّثَنَا مَالِکُ بْنُ إسْمَاعِیلَ ، قَالَ : حدَّثَنَا ہُرَیْمٌ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : ابْنُوا الْمَسَاجِدَ وَاتَّخِذُوہَا جُمًّا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩১৭১) হযরত আনাস ( রাঃ ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মসজিদ নির্মাণ কর এবং উজ্জল স্তম্ভ ও খিলান থেকে পরিষ্কার রাখ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۷۲) حَدَّثَنَا مَالِکٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ہُرَیْمٌ ، قَالَ : حَدَّثَنَا لَیْثٌ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : نُہِینَا ، أَوْ نَہَانَا ، أَنْ نُصَلِّیَ فِی مَسْجِدٍ مُشَرَّفٍ۔ (طبرانی ۱۳۴۹۹۔ بیہقی ۴۳۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩১৭২) হজরত ইবনে উমর (রা) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) খিলান বিশিষ্ট মসজিদ নির্মাণ করতে নিষেধ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস