
(۳۰۸۳) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ مَرْزُبَانَ ، قَالَ : صَلَّیْت خَلْفَ ابْنِ أَبِی لَیْلَی فَسَلَّمَ وَاحِدَۃً ، ثُمَّ صَلَّیْتُ خَلْفَ عَلِیٍّ فَسَلَّمَ وَاحِدَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩০৮৩ ) হজরত সাঈদ বিন মারযবান বলেন , আমি হজরত ইবনে আবি লায়লা (রা.) -এর পেছনে নামায পড়লাম , তিনি তাকে একবার সালাম দিলেন , তারপর আমি আলী (রা.) -এর পেছনে সালাত পড়লাম এবং দুবার সালাম দিলাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۸۴) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنِ الزِّبْرِقَانِ ؛ أَنَّ أَبَا وَائِلٍ کَانَ یُسَلِّمُ تَسْلِیمَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩০৮৪) হযরত জুবারকান বলেন , হযরত আবু ওয়াইল একবার সালাম বলতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۸۵) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ وَثَّابٍ ؛ أَنَّہُ کَانَ یُسَلِّمُ تَسْلِیمَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩০৮৫ ) হজরত আমিশ বলেন , হজরত ইয়াহইয়া বিন ওয়াথাবা একবার তাঁকে সালাম দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۸۶) حَدَّثَنَا سَہْلُ بْنُ یُوسُفَ ، عَنْ حُمَیْدٍ ، قَالَ : صَلَّیْت خَلْفَ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِیزِ ، فَسَلَّمَ وَاحِدَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩০৮৬ ) হজরত হামেদ বলেন , আমি হজরত উমর বিন আবদুল আজিজ (রা.)- এর পিছনে নামাজ পড়লাম এবং তিনি একবার তাকে সালাম দিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۸۷) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، وَابْنِ سِیرِینَ ؛ أَنَّہُمَا کَانَا یُسَلِّمَانِ تَسْلِیمَۃً عَنْ أَیْمَانِہِمَا ، وَصَلَّیْت خَلْفَ الْقَاسِمِ فَلاَ أَعْلَمُہُ خَالَفَہُمَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩০৮৭ ) হজরত ইবনে আউন বলেন , হজরত হাসান ও হজরত ইবনে সীরীন একে অপরকে একবার ডানদিকে সালাম করতেন । আর আমি হযরত কাসিম (রাঃ)-এর পিছনে নামায পড়লাম এবং তিনি এই দুই ভদ্রলোকের বিরোধিতা করেছেন বলে আমার জানা নেই
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۸۸) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ خَالِدٍ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ سِیرِینَ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّہُ کَانَ یُسَلِّمُ تَسْلِیمَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩০৮৮ ) হজরত আনাস ইবনে সীরীন বলেন , হজরত ইবনে উমর (রা . ) একবার সালাম বলতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۸۹) حَدَّثَنَا یُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا جَابِرُ بْنُ حَازِمٍ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ أَنَسٍ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ سَلَّمَ تَسْلِیمَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩০৮৯ ) হযরত আনাস ( রাঃ ) বলেন যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে একবার সালাম করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۹۰) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرٍ ، بَلَغَنِی عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنِ الْقَاسِمِ ، عَنْ عَائِشَۃَ ؛ أَنَّہَا کَانَتْ تُسَلِّمُ تَسْلِیمَۃً۔ (ابن خزیمۃ ۷۳۲۔ بیہقی ۱۷۹)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩০৯০ ) হজরত কাসিম বলেন , হজরত আয়েশা একবার তাঁকে সালাম দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۹۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ دِرْہَمٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ أَنَسًا ، وَالْحَسَنَ ، وَأَبَا الْعَالِیَۃِ ، وَأَبَا رَجَائٍ یُسَلِّمُونَ تَسْلِیمَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩) হযরত ইয়াযী বিন দুরহাম বলেন , হযরত আনাস, হযরত হাসান, হযরত আবু আল আলি এবং হযরত আবু রাজা তাকে সালাম দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۹۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُلَیْمَانَ بْنِ زَیْدٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ ابْنَ أَبِی أَوْفَی یُسَلِّمُ تَسْلِیمَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩০৯২ ) হজরত সুলাইমান বিন জায়েদ বলেন , হজরত ইবনে আবিওফিয়া তাকে একবার সালাম করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۹۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مَالِکِ بْنِ دِینَارٍ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّہُ کَانَ یُسَلِّمُ تَسْلِیمَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩০৯৩) হজরত নাফি বলেন , হজরত ইবনে উমর একবার সালাম ফিরাতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۹۴) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ الْقَطَّانُ ، عَنْ وِقَائٍ ؛ أَنَّ سَعِیدَ بْنَ جُبَیْرٍ کَانَ یُسَلِّمُ تَسْلِیمَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩০৯৪ ) হজরত ওয়াকা বলেন , হজরত সাঈদ ইবনে জাবিরা একবার তাকে সালাম দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۹۵) حَدَّثَنَا مُصْعَبُ بْنُ الْمِقْدَامِ ، قَالَ : حدَّثَنَا إسْرَائِیلُ ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ مُسْلِمٍ ، عَنْ سُوَیْد ؛ أَنَّہُ کَانَ یُسَلِّمُ تَسْلِیمَۃً وَاحِدَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩০৯৫) হজরত ইমরান বিন মুসলিম বলেন , হজরত সোয়াইদা একবার তাঁকে সালাম দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۹۶) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ ، عَنْ قَیْسٍ ، أَنَّہُ کَانَ یُسَلِّمُ تَسْلِیمَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩০৯৬ ) হজরত ইসমাইল বলেন , হজরত কায়সায় তাকে একবার সালাম দিতেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۹۷) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِی الأَحْوَصِ ، قَالَ : کَانَ عَبْدُ اللہِ إذَا قَضَی الصَّلاَۃَ انْفَتَلَ سَرِیعًا ، فَإِمَّا أَنْ یَقُومَ ، وَإِمَّا أَنْ یَنْحَرِفَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩০৯৭) হজরত আবু আল হুস বলেন , হজরত আবদুল্লাহ (রা . ) নামায শেষ করলে দ্রুত তার ভঙ্গি পরিবর্তন করতেন । হয় তারা উঠে দাঁড়াবে নয়তো সামনে থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۹۸) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، وَخَالِدٍ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ سِیرِینَ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : کَانَ الإِمَامُ إذَا سَلَّمَ قَامَ ، وَقَالَ خَالِدٌ : انْحَرَفَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩০৯৮) হজরত ইবনে উমর (রা) বলেন , ইমাম যখন সালাম ফিরবেন তখন তাকে দাঁড়াতে হবে। হযরত খালিদের কেবলা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার রীতি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۰۹۹) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی رَزِینٍ ، قَالَ : صَلَّیْت خَلْفَ عَلِیٍّ فَسَلَّمَ عَنْ یَمِینِہِ وَعَنْ یَسَارِہِ ، ثُمَّ وَثَبَ کَمَا ہُوَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩০৯৯ ) হজরত আবু রাজিন বলেন , আমি হজরত আলী ( রা . )- এর পেছনে নামাজ পড়লাম , তিনি ডানে - বামে সালাম করলেন এবং দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩০৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۰۰) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : قَالَ عُمَرُ : جُلُوسُ الإِمَامِ بَعْدَ التَّسْلِیمِ بِدْعَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩১০০) হযরত উমর (রাঃ) বলেন , ইমামের জন্য সালামের পর বসা বেদআত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۰۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ قَیْسٍ ، عَنْ أَبِی حَصِینٍ ، قَالَ : کَانَ أَبُو عُبَیْدَۃَ بْنُ الْجَرَّاحِ إذَا سَلَّمَ کَأَنَّہُ عَلَی الرَّضْفِ ، حَتَّی یَقُومَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩১০১) হজরত আবু হুসাইন বলেন , হজরত আবু উবাইদাহ ইবনে জাররাহ যখন তাঁকে সালাম দিতেন , তখন তিনি এমনভাবে দ্রুত উঠে যেতেন যেন তিনি গরম পাথরের ওপর বসে আছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۰۲) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ الْحَارِثِ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، قَالَتْ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إذَا سَلَّمَ لَمْ یَقْعُدْ إِلاَّ مِقْدَارَ مَا یَقُولُ : اللَّہُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ وَمِنْک السَّلاَمُ تَبَارَکْتَ یَا ذَا الْجَلاَلِ وَالإِکْرَامِ۔ (مسلم ۱۳۶۔ ترمذی ۲۹۹)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১০২ ) হজরত আয়েশা ( রা ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) সালাম করার পর যতটুকু শুয়ে থাকতেন ততটুকুই উঠে দাঁড়াতেন । এই কথাগুলো বল ( অনুবাদ ) হে আল্লাহ! আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক, আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক , আপনি ধন্য ও মহিমান্বিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۰۳) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ عَوْسَجَۃَ بْنِ الرَّمَّاحِ ، عَنِ ابْنِ أَبِی الْہُذَیْلِ ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ ، قَالَ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إذَا سَلَّمَ لَمْ یَجْلِسْ إِلاَّ مِقْدَارَ مَا یَقُولُ اللَّہُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ ، وَإِلَیْکَ السَّلاَمُ ، تَبَارَکْتَ یَا ذَا الْجَلاَلِ وَالإِکْرَامِ۔ (ابن حبان ۲۰۰۲۔ ابن خزیمۃ ۷۳۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১০৩ ) হজরত ইবনে মাসউদ ( রা . ) বলেন , নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) যতক্ষণ মৃত্যুবরণ করতেন ততক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতেন । এই কথাগুলো বল ( অনুবাদ ) হে আল্লাহ! আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক, আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক , আপনি ধন্য ও মহিমান্বিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۰۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی سِنَان ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، قَالَ : کَانَ لَنَا إمَامٌ ، ذکر مِنْ فَضْلِہِ ، إذَا سَلَّمَ تَقَدَّمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১০৪ ) হজরত সাঈদ ইবনে জাবির বলেন , আমাদের একজন ইমাম ছিলেন ( তখন তিনি বললেন :) যখন তিনি সালাম ফিরাতেন , তিনি এগিয়ে যেতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۰۵) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ ، عَنْ عِمْرَانَ ، عَنْ أَبِی مِجْلَزٍ ، قَالَ: کُلُّ صَلاَۃٍ بَعْدَہَا تَطَوُّعٌ فَتَحَوَّلْ، إِلاَّ الْعَصْرَ وَالْفَجْرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩১০৫) হজরত আবু মাজালজ বলেন, যে নামাজের পর নফল আছে, তার ফরজ ফরজ পাঠ করা এবং সাথে সাথে কেবলা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া , তবে ফজর ও আসরের সময় এটি করার দরকার নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۰۶) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : أَمَّا الْمَغْرِبُ فَلاَ تَدَعْ أَنْ تَحَوَّلَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩১০৬) হযরত মুজাহিদ বলেন, মাগরিবের নামাজ পড়ার পর সাথে সাথে কেবলা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۰۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الرَّبِیعِ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّہُ کَانَ إذَا سَلَّمَ انْحَرَفَ ، أَوْ قَامَ سَرِیعًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩১০৭) হজরত রাবী বলেন , হজরত হাসান যখন সালাম বলতেন , তখন তিনি দ্রুত কিবলা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতেন । তারা উঠে দাঁড়াবে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۰۸) حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، عَنْ زَمْعَۃَ، عَنِ ابْنِ طَاوُوس، عَنْ أَبِیہِ، أَنَّہُ کَانَ إذَا سَلَّمَ قَامَ فَذَہَبَ کَمَا ہُوَ، وَلَمْ یَجْلِسْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১০৮ ) হজরত ইবনে তাউস বলেন , হজরত তাওস সালাম দেওয়ার সময় উঠে দাঁড়াতেন এবং বসে থাকতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۰۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، أَنَّہُ کَانَ إذَا سَلَّمَ انْحَرَفَ ، وَاسْتَقْبَلَ الْقَوْمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১০৯ ) হজরত আমিশ বলেন , হজরত ইব্রাহিম ( আ . ) কেবলা থেকে মুখ ফিরিয়ে লোকদের দিকে মুখ ফিরিয়ে নিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۱۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا یَعْلَی بْنُ عَطَائٍ ، عَنْ جَابِرِ بْنِ یَزِیدَ بْنِ الأَسْوَدِ الْعَامِرِیِّ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : صَلَّیْت مَعَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ الْفَجْرَ ، فَلَمَّا سَلَّمَ انْحَرَفَ۔ (ترمذی ۲۱۹۔ احمد ۱۶۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১১১০ ) হজরত ইয়াজিদ বিন আসওয়াদ আমিরি বলেন , আমি রাসুলুল্লাহ ( সা . ) - এর পিছনে ফজরের নামায পড়লাম । তিনি কাঁদতে কাঁদতে কিবলা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۱۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَبِی عَاصِمٍ الثَّقَفِیِّ ، عَنْ قَیْسِ بْنِ مُسْلِمٍ ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِہَابٍ ؛ أَنَّ عَلِیًّا لَمَّا انْصَرَفَ اسْتَقْبَلَ الْقَوْمَ بِوَجْہِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(3111) হজরত তারিক বিন শাহাব বলেন , হযরত আলী সালাম দেওয়ার সময় লোকদের দিকে মুখ ফিরিয়েছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۱۱۲) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، قَالَ : حَدَّثَنِی شَیْخٌ ، عَنْ صِلَۃَ بْنِ زُفَرَ ، قَالَ : سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ یَقُولُ فِی دُبُرِ الصَّلاَۃِ : اللَّہُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ ، وَمِنْک السَّلاَمُ ، تَبَارَکْت یَا ذَا الْجَلاَلِ وَالإِکْرَامِ ۔ ثُمَّ صَلَّیْتُ إلَی جَنْبِ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَمْرٍو ، فَسَمِعْتُہُ یَقُولُہُنَّ ، قَالَ : فَقُلْتُ لَہُ : إنِّی سَمِعْت ابْنَ عُمَرَ یَقُولُ مِثْلَ الَّذِی تَقُولُ ، فَقَالَ عَبْدُ اللہِ بْنُ عَمْرٍو : إنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یَقُولُہُنَّ۔ (طبرانی ۶۵۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(3112) হজরত সালাহ ইবনে জাফর বলেন , হজরত ইবনে উমর (রা. ) নামাজের পর এই কথাগুলো বলতেন (অনুবাদ) : হে আল্লাহ ! আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক, আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক , আপনি ধন্য ও মহিমান্বিত । অতঃপর আমি হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমরের পিছনে নামায পড়লাম এবং তিনিও একই কথা বলুন । আমি তাদের বললাম , আমি হযরত ইবনে উমরকেও পাঠিয়েছি একই কথা বলতে শুনেছি । এ বিষয়ে হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ ( সা . ) এ কথাগুলো বলতেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস