
(۲۹۶۳) حَدَّثَنَا یَعْلَی بْنُ عُبَیْدٍ ، عَنْ مُوسَی الطَّحَّانِ ، قَالَ : رَأَیْتُ مُجَاہِدًا یُقْعِی بَیْنَ السَّجْدَتَیْنِ۔۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2963) হজরত মূসা তাহান বলেন , আমি হযরত মুজাহিদকে দুই সিজদার মাঝখানে হাঁটুর ওপর ভর দিয়ে তার পায়ের পাতা ও উরু একসঙ্গে বসিয়েছিলাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۶۴) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ، عَنْ إسْرَائِیلَ، عَنْ جَابِرٍ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ؛ أَنَّہُ کَانَ یَجْلِسُ عَلَی عَقِبَیْہِ بَیْنَ السَّجْدَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2964) হজরত জাবির বলেন , হজরত আবু জাফর ( রা .) দুই সিজদার সময় কোলে বসতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۶۵) حَدَّثَنَا الثَّقَفِیُّ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّہُ کَانَ إذَا جَلَسَ ثَنَی قَدَمَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2465) হজরত নাফি বলেন , হজরত ইবনে উমর ( রা . ) যখন নামাজে বসতেন , তখন পা ঘুরাতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۶۶) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ الْخُدْرِیِّ ؛ أَنَّہُ کَانَ یُصَلِّی وَالْمَرْأَۃُ تَمُرُّ بِہِ یَمِینًا وَشِمَالاً ، فَلاَ یَرَی بِذَلِکَ بَأْسًا ، قَالَ : وَکَانَ ابْنُ سِیرِینَ إذَا قَامَتْ بِحِذَائِہِ ، سَبَّحَ بِہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2966) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , হজরত আবু সাঈদ আল - খুদরি সালাত আদায় করতেন এবং কোনো মহিলা তাঁর সামনে দিয়ে গেলে তার কোনো ক্ষতি নেই । আর হজরত ইবনে সীরীনের অভ্যাস ছিল যে কোনো মহিলা তাঁর কাছে দাঁড়ালে তিনি তাকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য তসবিহ পাঠ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۶۷) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخبرنَا مُغِیرَۃُ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بَأْسًا أَنْ تَمُرَّ الْمَرْأَۃُ ، عَلی یَمِینِ الرَّجُلِ ، وَعَنْ یَسَارِہِ ، وَہُوَ یُصَلِّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2967) হজরত মুগীরাহ বলেন , হজরত ইব্রাহীম (আ.) কোনো ব্যক্তির ধাত্রীকে নামায পড়ার সময় মনে করতেন না যে , তাতে কোনো ভুল আছে । একজন নারীকে নারীর পক্ষে যেতে দিন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۶۸) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ عَطَائً عَنْہُ ؟ فَلَمْ یَرَ بِہِ بَأْسًا ، قَالَ: وَحَدَّثَنِی مَنْ سَأَلَ إبْرَاہِیمَ، فَکَرِہَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৯৬৮ ) হজরত হাজ্জাজ বলেন , আমি হযরত আতা (রা.)-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন , এতে কোনো ক্ষতি নেই , অথচ হজরত ইব্রাহিম ( আ . ) প্রশ্নকারী বলেন, তিনি এটাকে অপছন্দনীয় মনে করেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۶۹) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ شَدَّادٍ ، قَالَ : حدَّثَتْنِی مَیْمُونَۃُ ، قَالَتْ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یُصَلِّی وَأَنَا بِحِذَائِہِ ، فَرُبَّمَا أَصَابَنِی ثَوْبُہُ إذَا سَجَدَ ،وَکَانَ یُصَلِّی عَلَی الْخُمْرَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৯৬৯ ) হজরত মায়মুনা ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায় করতেন এবং আমি তাঁর সমতুল্য ছিলাম এবং কখনো কখনো সেজদায় আপনার কাপড় আমার সঙ্গে লেগে থাকত । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) খেজুরের ছাল দিয়ে তৈরি চাটাইয়ের উপর নামায পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۷۰) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَنْ زُہَیْرٍ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، قَالَ : حدَّثَنِی مُصْعَبُ بْنُ سَعْدٍ ، قَالَ : کَانَ حِذَائَ قِبْلَۃِ سَعْدٍ تَابُوتٌ ، وَکَانَتِ الْخَادِمُ تَجِیئُ فَتَأْخُذُ حَاجَتَہَا عَنْ یَمِینِہِ ، وَعَنْ شِمَالِہِ لاَ تَقْطَعُ صَلاَتَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2970 ) হজরত মুসআব বিন সাদ বলেন , হজরত সাদ ( রা . ) - এর কেবলার দিকে একটি পায়খানা ছিল এবং দাসী তার ধাত্রী ও স্ত্রীদের পক্ষ থেকে তার প্রয়োজন মেটাতেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۷۱) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ غِیَاثٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ الْحَسَنَ عَنِ الْمَرْأَۃِ تَمُرُّ بِجَنْبِ الرَّجُلِ وَہُوَ یُصَلِّی ؟ فَقَالَ : لاَ بَأْسَ إِلاَّ أَنْ تَعِنَّ بَیْنَ یَدَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2971) হজরত উসমান ইবনে গিয়াছ বলেন , আমি হজরত হাসান (রা.) -কে জিজ্ঞেস করলাম যে, যদি একজন পুরুষ নামায পড়ে এবং একজন মহিলা তার পাশ দিয়ে যায় তবে তার হুকুম কী ? তিনি বলেন , তার সামনে দিয়ে না গেলে সমস্যা নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۷۲) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : کَانَ یُکْرَہُ أَنْ تُصَلِّیَ الْمَرْأَۃُ بِحِذَائِ الرَّجُلِ إذَا کَانَ یُصَلِّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2972) হজরত ইবনে সীরীন মনে করতেন যে , একজন মহিলার উচিত একজন পুরুষের সাথে নামাজে দাঁড়ানো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۷۳) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ وَوَکِیعٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عُمَارَۃَ ، عَنْ أَبِی مَعْمَرٍ ، عَنْ أَبِی مَسْعُودٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ تُجْزِیء صَلاَۃٌ لاَ یُقِیمُ الرَّجُلُ فِیہَا صُلْبَہُ فِی الرُّکُوعِ وَالسُّجُودِ۔ (ابوداؤد ۵۸۱۔ احمد ۴/۱۲۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(2973) হজরত আবু মাসউদ ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , যে ব্যক্তির পিঠ রুকু ও সিজদা করা হয় , তার নামায অতটা সোজা হয় না । আমি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۷۴) حَدَّثَنَا مُلاَزِمُ بْنُ عَمْرِو ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ بَدْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنِی عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَلِیِّ بْنِ شَیْبَانَ ، عَنْ أَبِیہِ عَلِیِّ بْنِ شَیْبَانَ ، وَکَانَ مِنَ الْوَفْدِ ، قَالَ : خَرَجْنَا حَتَّی قَدِمْنَا عَلَی نَبِیِّ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَبَایَعْنَاہُ ، وَصَلَّیْنَا مَعَہُ ، فَلَمَحَ بِمُؤْخَرِ عَیْنِہِ إلَی رَجُلٍ لاَ یُقِیمُ صُلْبَہُ فِی الرُّکُوعِ وَالسُّجُودِ ، فَلَمَّا قَضَی النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ الصَّلاَۃَ ، قَالَ : یَا مَعْشَرَ الْمُسْلِمِینَ ، لاَ صَلاَۃَ لمن لاَ یُقِیمُ صُلْبَہُ فِی الرُّکُوعِ وَالسُّجُودِ۔ (احمد ۴/۲۳۔ ابن حبان ۲۲۰۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(2974) হযরত আলী বিন শিবান ( রাঃ ) বলেন , আমরা একটি প্রতিনিধি দল আকারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর খেদমতে উপস্থিত হলাম এবং আপনার সাথে হাত মিলিয়ে বাইয়াত করলাম এবং দোয়া করলাম । সালাতের সময় আপনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এমন এক ব্যক্তিকে দেখলেন যার রুকু ও সিজদায় পিঠ সোজা ছিল না । যখন তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) নামায শেষ করলেন , তখন তিনি বললেনঃ হে মুসলিম সম্প্রদায় ! যে ব্যক্তির রুকু ও সিজদায় পিঠ সোজা নয় তার জন্য কোন নামাজ নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۷۵) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِِ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلاَنَ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ یَحْیَی بْنِ خَلاَّدٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَمِّہِ ، وَکَانَ بَدْرِیًّا ، قَالَ : کُنَّا جُلُوسًا مَعَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَدَخَلَ رَجُلٌ فَصَلَّی صَلاَۃً خَفِیفَۃً لاَ یُتِمُّ رُکُوعًا ، وَلاَ سُجُودًا ، وَرَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَرْمُقُہُ وَنَحْنُ لاَ نَشْعُرُ ، قَالَ : فَصَلَّی ، ثُمَّ جَائَ فَسَلَّمَ عَلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَرَدَّ عَلَیْہِ فَقَالَ : أَعِدْ فَإِنَّک لَمْ تُصَلِّ ، قَالَ : فَفَعَلَ ذَلِکَ ، ثَلاَثًا ، کُلَّ ذَلِکَ یَقُولُ لَہُ : أَعِدْ فَإِنَّک لَمْ تُصَلِّ ، فَلَمَّا کَانَ فِی الرَّابِعَۃِ ، قَالَ : یَا رَسُولَ اللہِ ، عَلِّمْنِی ، فَقَدْ وَاللَّہِ اجْتَہَدْتُ ، فَقَالَ : إذَا قُمْتَ إلَی الصَّلاَۃِ فَاسْتَقْبِلِ الْقِبْلَۃَ ، ثُمَّ کَبِّرْ ، ثُمَّ اقْرَأْ ، ثُمَّ ارْکَعْ ، حَتَّی تَطْمَئِنَّ رَاکِعًا ، ثُمَّ ارْفَعْ حَتَّی تَطْمَئِنَّ قَائِمًا ، ثُمَّ اسْجُدْ حَتَّی تَطْمَئِنَّ ساجدًا ، ثُمَّ اجْلِسْ حَتَّی تَطْمَئِنَّ جَالِسًا ، ثُمَّ قُمْ ، فَإِذَا فَعَلْتَ ذَلِکَ فَقَدْ تَمَّتْ صَلاَتُک ، وَمَا نَقَصْتَ مِنْ ذَلِکَ ، نَقَصْتَ مِنْ صَلاَتِک۔ (ابوداؤد ۸۵۶۔ احمد ۴/۳۴۰)
থেকে বর্ণিতঃ
( 2975 ) হযরত আলী বিন হায়া বিন খালাদ তার পিতা থেকে এবং তিনি তার চাচা থেকে বর্ণনা করেন যে , আমরা একবার রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর কাছে বসেছিলাম , সেখানে এক ব্যক্তি এসে খুব দ্রুত নামায পড়ল এবং রুকু করল না সঠিকভাবে সেজদা করা মহানবী ( সা . ) আল্লাহর রসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তার দিকে তাকিয়ে ছিলেন অথচ আমরা তা বুঝতে পারিনি । যখন তিনি সালাত আদায় করলেন এবং খেদমতে উপস্থিত হলেন, তখন তিনি মহানবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কে সালাম দিলেন । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) সালামের জবাব দিয়ে বললেন , আবার নামায পড় , তুমি নামায পড়নি । তিনি আটবার এরূপ করলেন , কিন্তু প্রতিবারই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন , “ আবার নামায পড় , তুমি নামায পড়নি । ” তিনি উপস্থিত হলে তিনি বললেন , ইয়া রাসূলাল্লাহ !আমাকে প্রার্থনা করতে শেখান , আল্লাহর কসম ! আমি আমার সমস্ত প্রচেষ্টা দিয়ে এটি দেখেছি . তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ যখন তুমি নামাযের জন্য দাঁড়াবে তখন কেবলার দিকে মুখ করে থাকো । অতঃপর তাকবীর বলুন , তারপর কিরাআত পাঠ করুন, তারপর রুকু করুন এবং দৃঢ়ভাবে রুকু করুন । তারপর রুটি থেকে উঠুন, তারপর রুটি নিয়ে দাঁড়ান , তারপর রুটি নিয়ে সিজদা করুন এবং সিজদা করুন । তারপর বসুন , তারপর বসুন এবং তারপর উঠে দাঁড়ান । যদি আপনি এটি করেন , তাহলে আপনার নামায পূর্ণ , এবং যদি এই কাজের মধ্যে কোন ঘাটতি থাকে তবে বিবেচনা করুন যে আপনার সালাতে ঘাটতি দেখা যাচ্ছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۷۶) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، قَالَ : حدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ عُمَرَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ أَبِی سَعِیدٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ؛ أَنَّ رَجُلاً دَخَلَ الْمَسْجِدَ فَصَلَّی ، وَرَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی نَاحِیَۃِ الْمَسْجِدِ ،فَجَائَ فَسَلَّمَ عَلَیْہِ ، وَقَالَ لَہُ : وَعَلَیْک ، ارْجِعْ فَصَلِّ فَإِنَّک لَمْ تُصَلِّ بَعْدُ ، فَرَجَعَ ، فَسَلَّمَ عَلَیْہِ ، فَقَالَ : ارْجِعْ فَإِنَّک لَمْ تُصَلِّ بَعْدُ ، فَقَالَ لَہُ الرَّجُلُ فِی الثَّالِثَۃِ : فَعَلِّمْنِی یَا رَسُولَ اللہِ ، قَالَ : إذَا قُمْتَ إلَی الصَّلاَۃِ فَأسْبِغِ الْوُضُوئَ ، ثُمَّ اسْتَقْبِلِ الْقِبْلَۃَ فَکَبِّرْ، ثُمَّ اقْرَأْ بِمَا تَیَسَّرَ مَعَک مِنَ الْقُرْآنِ ، ثُمَّ ارْکَعْ حَتَّی تَطْمَئِنَّ رَاکِعًا ، ثُمَّ ارْفَعْ حَتَّی تَعْتَدِلَ قَائِمًا، ثُمَّ اسْجُدْ حَتَّی تَطْمَئِنَّ سَاجِدًا ، ثُمَّ ارْفَعْ حَتَّی تَسْتَوِیَ قَائِمًا ، أَو قَالَ : قَاعِدًا ، ثُمَّ افْعَلْ ذَلِکَ فِی صَلاَتِکَ کُلِّہَا۔ (بخاری ۶۶۶۷۔ مسلم ۲۹۸)
থেকে বর্ণিতঃ
( 2976 ) হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) বলেন , এক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করে সালাত আদায় করলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) মসজিদের এক কোণে এলেন তিনি এসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সালাম করলেন , তিনি সালাম ফিরিয়ে দিয়ে বললেন , যাও , নামায পড় , পড়নি । তিনি গেলেন এবং আবার এলে সালাম দিলেন , তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন , যাও , তুমি এখনো সালাত আদায় করোনি । তারপর এই লোকটি তৃতীয়বার জিজ্ঞাসা করল হে আল্লাহর রাসূল ! আমাকে প্রার্থনা করতে শেখান । তিনি (রাসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ যখন তুমি নামাযের জন্য উঠবে, তখন ভালোভাবে অযু করবে , তারপর কিবলার দিকে মুখ করে তাকবীর বলবে , তারপর কুরআন তেলাওয়াত করবে এটা, এটা করো তারপর দৃঢ়ভাবে রুকু করুন , তারপর পরিমিতভাবে দাঁড়ান, তারপর দৃঢ় ধনুক দিয়ে সিজদা করুন , তারপর সোজা হয়ে দাঁড়ান । বললো তাহলে সোজা হয়ে বসো অতঃপর পূর্ণ সালাতে এই আমলগুলো করুন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۷۷) حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، قَالَ : حدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَۃَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا عَلِیُّ بْنُ زَیْدٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ الْخُدْرِیِّ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : إنَّ أَسْوَأَ النَّاسِ سَرِقَۃً الَّذِی یَسْرِقُ صَلاَتَہُ ، قَالُوا : یَا رَسُولَ اللہِ ، کَیْفَ یَسْرِقُہَا ؟ قَالَ : لاَ یُتِمُّ رُکُوعَہَا ، وَلاَ سُجُودَہَا۔ (احمد ۳/۵۶۔ ابویعلی ۱۳۰۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(2977) হজরত আবু সাঈদ আল - খুদরি ( রা. ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট চোর সেই যে সালাতে চুরি করে । লোকেরা জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল ! প্রার্থনা কি আমার কাছ থেকে চুরি করতে পারে ? তিনি বলেন , ঠিকমতো মাথা নত করা উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۷۸) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ بْنُ سَوَّارٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُلَیْمَانُ بْنُ الْمُغِیرَۃِ ، قَالَ : حَدَّثَنَا ثَابِتٌ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : وَصَفَ لَنَا أَنَسٌ صَلاَۃَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، ثُمَّ قَامَ یُصَلِّی ، فَرَکَعَ فَرَفَعَ رَأْسَہُ مِنَ الرُّکُوعِ ، فَاسْتَوَی قَائِمًا حَتَّی رَأَی بَعْضُنَا أَنَّہُ قَدْ نَسِیَ ، قَالَ : ثُمَّ سجد فَاسْتَوَی قَاعِداً حَتَّی رَأَی بَعْضُنَا أَنَّہُ قَدْ نَسِیَ۔ (بخاری ۸۲۱۔ مسلم ۱۹۵)
থেকে বর্ণিতঃ
( 2978 ) হজরত প্রমাণ করেন যে, একবার হযরত আনাস ( রা.) আমাদের সামনে রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর নামাযের পথ অনুসরণ করে সোজা হয়ে দাঁড়ালেন , তারপর রুকু করলেন , তারপর রুকু থেকে মাথা উঠালেন সোজা এবং আমরা এতক্ষণ দাঁড়িয়েছিলাম যে আমাদের মধ্যে কেউ কেউ ভেবেছিল যে আপনি ভুলে গেছেন । অতঃপর হযরত আনাস (রাঃ) সিজদা করলেন এবং তারপর সোজা হয়ে বসলেন এবং এমন চুপ থাকলেন যে , আমাদের মধ্যে কেউ কেউ মনে করলেন তিনি ভুলে গেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۷۹) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ السَّائِبِ ، عَنْ سَالِمٍ الْبَرَّادِ ، قَالَ : أَتَیْنَا أَبَا مَسْعُودٍ الأَنْصَارِیَّ فِی بَیْتِہِ فَقُلْنَا لَہُ : حَدِّثْنَا عَنْ صَلاَۃِ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَامَ یُصَلِّی بَیْنَ أَیْدِینَا ، فَلَمَّا رَکَعَ وَضَعَ کَفَّیْہِ عَلَی رُکْبَتَیْہِ ، وَجَعَلَ أَصَابِعَہُ أَسْفَلَ مِنْ ذَلِکَ ، وَجَافَی بِمِرْفَقَیْہِ حَتَّی اسْتَوَی کُلُّ شَیْئٍ مِنْہُ ، ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَہُ، ثُمَّ قَالَ : سَمِعَ اللَّہُ لِمَنْ حَمِدَہُ ، فَقَامَ حَتَّی اسْتَوَی کُلُّ شَیْئٍ مِنْہُ ، ثُمَّ سَجَدَ فَفَعَلَ مِثْلَ ذَلِکَ ، فَصَلَّی رَکْعَتَیْنِ، فَلَمَّا قَضَاہا قَالَ : ہَکَذَا رَأَیْنا رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یُصَلِّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2979) হজরত সেলিম বারাদ বলেন , আমরা হজরত আবু মাসউদ ( রা . ) - এর বাড়িতে এসে তাঁকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর নামায পড়াতে বললাম । তারা প্রার্থনার জন্য আমাদের সামনে দাঁড়াল , তারপর তারা প্রণাম করল এবং তাদের হাঁটুতে তাদের হাতের তালু এবং তাদের হাঁটুর নীচে তাদের আঙ্গুল রাখল । আপনার কনুই এমনভাবে শরীর থেকে দূরে রাখুন যাতে শরীরের প্রতিটি অংশ সোজা হয় । অতঃপর তিনি মাথা তুলে সামাআল্লাহু লিমান হামদা বললেন । অতঃপর তিনি এমনভাবে দাঁড়ালেন যে, তাঁর শরীরের প্রতিটি অঙ্গ - প্রত্যঙ্গ পরিমিত হয়ে গেল , তারপর তিনি সিজদা করলেন এবং আমিও সেজদা করলাম । অতঃপর আপনি দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন । শেষ হলে তারা বলল , আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এভাবে সালাত আদায় করেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۸۰) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو ، عَنْ أَبِی سَلَمَۃَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : إنَّ الرَّجُلَ لَیُصَلِّی سِتِّینَ سَنَۃً مَا تُقْبَلُ لَہُ صَلاَۃٌ ، لَعَلَّہُ یُتِمُّ الرُّکُوعَ ، وَلاَ یُتِمُّ السُّجُودَ ، وَیُتِمُّ السُّجُودَ ، وَلاَ یُتِمُّ الرُّکُوعَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2980 ) হজরত আবু হারি রহ . বলেন , একজন মানুষ ষাট বছর সালাত আদায় করে , কিন্তু তার নামায কবুল হয় না , কেননা কখনো সে সঠিকভাবে রুকু করে , কিন্তু সেজদা ঠিকমতো করে না আবার কখনো সে সেজদাও ঠিকমতো করে কিন্তু রুকু করে না । .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۸۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِیدِ بْنِ جَعْفَرٍ الأَنْصَارِیِّ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عَطَائٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ أَبَا حُمَیْدٍ السَّاعِدِیَّ مَعَ عَشَرَۃِ رَہْطٍ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : فَقَالَ لَہُم : أَلاَ أُحَدِّثُکُمْ عَنْ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ؟ قَالُوا : ہَاتِ ، قَالَ : رَأَیْتُہُ إذَا رَفَعَ رَأْسَہُ مِنَ الرُّکُوعِ مَکَثَ قَائِمًا حَتَّی یَقَعَ کُلُّ عَظْمٍ مَوْضِعَہُ ، ثُمَّ یَنْحَطُّ سَاجِدًا وَیُکَبِّرُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2981) হজরত মুহাম্মদ বিন আমর বলেন , আমি হজরত আবু হামেদ সাঈদকে দশজন সাহাবীর সঙ্গে দেখেছি । হজরত আবু হামিদ (রা.) বললেন , আমি কি তোমাদের সামনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর আদলে সালাত আদায় করব ? তিনি বলেন যে তাকে অবশ্যই থাকতে হবে । তিনি বলেন , রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) যখন রুকু থেকে মাথা উঠাতেন , তখন তিনি এতক্ষণ থাকতেন যে , প্রতিটি হাড় যথাস্থানে ফিরে যেত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۸۲) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِِ ، وَیَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ حُسَیْنٍ الْمُعَلِّمِ ، عَنْ بُدَیْلٍ ، عَنْ أَبِی الْجَوْزَائِ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، قَالَتْ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إذَا رَکَعَ لَمْ یَشْخَصْ رَأْسَہُ ، وَلَمْ یُصَوِّبْہُ وَلَکِنْ بَیْنَ ذَلِکَ ، فَإِذَا رَفَعَ رَأْسَہُ مِنَ الرُّکُوعِ لَمْ یَسْجُدْ حَتَّی یَسْتَوِیَ قَائِمًا ، وَإِذَا سَجَدَ فَرَفَعَ رَأْسَہُ لَمْ یَسْجُدْ حَتَّی یَسْتَوِیَ جَالِسًا ، وَکَانَ یَقُولُ بَیْنَ کُلِّ رَکْعَتَیْنِ التَّحِیَّۃُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৯৮২) হজরত আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) যখন রুকু করতেন , তখন তিনি তাঁর বরকতময় মস্তক কোমরের চেয়ে নীচে রাখতেন না, উঁচুতেও রাখতেন না , তবে উভয়ের মধ্যে তাদের নিজস্ব মান রয়েছে । আমি যখন আপনি রুকু থেকে মাথা তুলবেন, তখন পরিমিতভাবে দাঁড়ানো পর্যন্ত সিজদা করবেন না । আর যখন তিনি সিজদা করার পর মাথা উঠাতেন, তখন আত্মা -ই -নান থেকে না বসা পর্যন্ত তিনি আর একটি সিজদা করতেন না । আপনি প্রতি দুই রাকাতের পর তাহিহি পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۸۳) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ وَہْبٍ ، عَنْ حُذَیْفَۃَ ؛ أَنَّہُ دَخَلَ الْمَسْجِدَ فَإِذَا رَجُلٌ یُصَلِّی نَاحِیَۃً مِنْ أَبْوَابِ کِنْدَۃَ ، فَجَعَلَ لاَ یُتِمُّ الرُّکُوعَ وَالسُّجُودَ ، فَلَمَّا انْصَرَفَ ، قَالَ لَہُ حذَیْفَۃُ : مُذْ کَمْ ہَذِہِ صَلاَتُک ؟ قَالَ : مُذْ أَرْبَعِینَ سَنَۃً ، فَقَالَ حُذَیْفَۃُ : مَا صَلَّیْتَ مُذْ أَرْبَعِینَ سَنَۃً ، وَلَوْ مِتَّ وَہَذِہِ صَلاَتُک مِتَّ عَلَی غَیْرِ الْفِطْرَۃِ الَّتِی فُطِرَ عَلَیْہَا مُحَمَّدٌ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، ثُمَّ أَقْبَلَ عَلَیْہِ یُعَلِّمُہُ ، فَقَالَ : إنَّ الرَّجُلَ لَیُخَفِّفُ الصَّلاَۃَ وَیُتِمُّ الرُّکُوعَ وَالسُّجُودَ۔ (بخاری ۸۹۱۔ احمد۵/۳۸۴)
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৯৮৩ ) হজরত যায়েদ বিন ওয়াহিব বলেন , হজরত হুজাইফা ( রা . ) একবার মসজিদে প্রবেশ করে দেখলেন , এক ব্যক্তি খোদাই করা পাতার দিকে নামায পড়ছেন যখন তিনি নামায শেষ করলেন, তখন হযরত হুযাইফা (রাঃ) তাকে বললেন , তুমি কতদিন ধরে এই নামায পড়ছ ? তিনি বলেন চল্লিশ বছর ধরে । হযরত হুযীফা ( রাঃ ) বললেন , আপনি ছচল্লিশ বছর সালাত আদায় করেননি । তারা বমি ছাড়া অন্য কোন উপায়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিতেন । অতঃপর হযরত হুযাইফা (রাঃ ) তাকে নামাজ পড়াতে লাগলেন এবং বললেন , একজন ব্যক্তি নামাজ সংক্ষিপ্ত করতে পারে , কিন্তু রুকূ ও সাজ্জুদকে কম করবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۸۴) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخبرنَا یُونُسُ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إنَّ أَسْوَأَ النَّاسِ سَرِقَۃً الَّذِی یَسْرِقُ صَلاَتَہُ ، قَالُوا : یَا رَسُولَ اللہِ ، وَکَیْفَ یَسْرِقُ صَلاَتَہُ ؟ قَالَ : لاَ یُتِمُّ رُکُوعَہَا ، وَلاَ سُجُودَہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2984) হযরত হাসান ( রাঃ ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , সবচেয়ে নিকৃষ্ট চোর সেই যে সালাতের সময় চুরি করে । লোকেরা জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল ! প্রার্থনা কি আমার কাছ থেকে চুরি করতে পারে ? তিনি বলেন , ঠিকমতো মাথা নত করা উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۸۵) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ أَبِی النَّضْرِ مُسْلِمٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ حَمْلَۃَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، قَالَ : رَأَی عُبَادَۃُ رَجُلاً لاَ یُتِمُّ الرُّکُوعَ ، وَلاَ السُّجُودَ ، فَأَخَذَ بِیَدِہِ ، فَفَزِعَ الرَّجُلُ ، فَقَالَ عُبَادَۃُ : لاَ تَشَبَّہُوا بِہَذَا ، وَلاَ بِأَمْثَالِہِ ، إِنَّہُ لاَ تُجْزِیٔ صَلاَۃٌ إِلاَّ بِأُمِّ الْکِتَابِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2985) হজরত আতরদ ইবনে আবদ আল রহমান বলেন , হজরত উবাদা (রা.) এক ব্যক্তিকে দেখতে পেলেন যে সঠিকভাবে রুকু ও সিজদা করছে না । হাত ধরতেই লোকটা ভয় পেয়ে গেল । হজরত উবাদা (রা. ) বলেন , তাকে এবং তার মতো লোকদের তুলনা করবেন না আর মনে রাখবেন সূরা ফাতাহ ছাড়া কোন নামাজ নেই
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۸۶) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنِ ابْنِ أَبِی عَرُوبَۃَ ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ عَمْرٍو ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ رَأَی رَجُلاً یَنْکُتُ بِرَأْسِہِ فِی سُجُودِہِ، فَقَالَ: لَوْ مَاتَ ہَذَا، وَہَذِہِ صَلاَتُہُ ، مَاتَ عَلَی غَیْرِ دِینِی۔ (بخاری ۲۶۹۰۔ ابن خزیمۃ ۶۶۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(2986) হজরত আবু জাফর ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে দেখেছিলেন যে সে এমনভাবে সেজদা করছিল যে সে মাটিতে মাথা মারছিল এই নামাযের সময় যদি এই ব্যক্তি মারা যায় তবে সে আমার দ্বীনের উপর মরবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۸۷) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِی یَحْیَی ، عَنْ أَبِیہِ ؛ أَنَّ أَبَا ہُرَیْرَۃَ رَأَی امْرَأَۃً تُصَلِّی وَہِیَ تَنْقُرُ، فَقَالَ : کَذَبْتِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2987 ) হজরত আবু ইয়াহিয়া বলেন , হজরত আবু হারি (রা.) এক মহিলাকে দেখতে পেলেন যে নামায পড়ছিল এমন সময় একটি মুরগি তাকে খোঁচাচ্ছিল । আপনি তাকে দেখে বলেছেন যে আপনি মিথ্যা বলছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۸۸) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ قُرَّۃَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : رَأَی سَعِیدُ بْنُ الْمُسَیَّبِ رَجُلاً یُصَلِّی ، وَلاَ یُتِمُّ رُکُوعَہُ ، وَلاَ سُجُودَہُ ، فَحَصَبَہُ ، وَقَالَ : أَغْلَقْتَ صَلاَتَک۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2988) হজরত হাসান বলেন , হজরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়্যব (রা.) এক ব্যক্তিকে দেখলেন যে সে সঠিকভাবে রুকু ও সেজদা করছে না , তিনি তাকে ধমক দিয়ে বললেন , তুমি তোমার সালাত নষ্ট করেছ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۸۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : سَمِعْتُ الأَعْمَش یَقُولُ : رَأَیْت أَنَسَ بْنَ مَالِکٍ بِمَکَّۃَ قَائِمًا یُصَلِّی عِنْدَ الْکَعْبَۃِ ، فَمَا عَرَضْتُ لَہُ ، قَالَ : فَکَانَ قَائِمًا یُصَلِّی مُعْتَدِلاً فِی صَلاَتِہِ ، فَإِذَا رَفَعَ رَأْسَہُ انْتَصَبَ قَائِمًا ، حَتَّی تَسْتَوِیَ غُضُونُ بَطْنِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2989) হজরত আমিশ বলেন , আমি হযরত আনাস বিন মালিককে মক্কায় কাবার কাছে নামাজ পড়তে দেখেছি , কিন্তু আমি তার সামনে আসিনি । তিনি অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সাথে প্রার্থনা করতেন , যখন তিনি রুকু থেকে মাথা উঠাতেন , তখন তিনি সোজা হয়ে দাঁড়াতেন যতক্ষণ না তার পেটের শিরাগুলি সোজা হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۹۰) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ أَبِی فَرْوَۃَ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، قَالَ : دَخَلَ الْمَسْجِدَ رَجُلٌ فَصَلَّی صَلاَۃً لاَ یُتِمُّ رُکُوعَہَا ، وَلاَ سُجُودَہَا ، قَالَ : فَذَکَرْت ذَلِکَ لِعَبْدِ اللہِ بْنِ یَزِیدَ ، فَقَالَ : ہِیَ عَلَی مَا فِیہَا خَیْرٌ مِنْ تَرْکِہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2990) হজরত ইবনে আবিল লায়লা বলেন , এক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করে এমনভাবে সালাত আদায় করল যে সে সঠিকভাবে রুকু ও সিজদা করল না । আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াযিদের কাছে বিষয়টি উল্লেখ করেছিলাম এবং তিনি বললেন , নামায না পড়লে ভালো হতো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۹۱) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَۃَ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ زَیْدٍ ، عَنِ الْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَۃَ ؛ أَنَّہُ رَأَی رَجُلاً لاَ یُتِمُّ رُکُوعَہُ ، وَلاَ سُجُودَہُ ، فَقَالَ لَہُ : أَعِدْ ، فَأَبَی ، فَلَمْ یَدَعْہُ حَتَّی أَعَادَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2991) হজরত আলী ইবনে যায়েদ বলেন , হজরত মাসুর ইবনে মুখারামা এক ব্যক্তিকে দেখেছিলেন যে সঠিকভাবে রুকু ও সিজদা করছে না । তাকে আবার নামাজ পড়তে বললেন । তিনি আবার প্রার্থনা করতে অস্বীকার করেন । কিন্তু তিনি পুনরায় প্রার্থনা না করা পর্যন্ত তারা তাকে ছেড়ে যায়নি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۹۲) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ مُوسَی بْنِ مُسْلِمٍ ، قَالَ : جَائَ رَجُلٌ یُصَلِّی وَطَاوُوس جَالِسٌ فَجَعَلَ لاَ یُتِمُّ الرُّکُوعَ ، وَلاَ السُّجُودَ ، فَقَالَ بَعْضُ الْقَوْمِ : مَا لِہَذَا صَلاَۃٌ ، فَقَالَ طَاوُوس : مَہْ ،یُکْتَبُ لَہُ مِنْہَا بِقَدْرِ مَا أَدَّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2992) হজরত মূসা বিন মুসলিম বলেন , হজরত তাওয়াস (রা.) বিরক্ত হয়েছিলেন যে, এক ব্যক্তি নামাজ পড়ছে এবং সঠিকভাবে রুকু ও সিজদা করছে না । এক ব্যক্তি বললেন , তার নামাজ নেই । হযরত তাওয়াস (আঃ) বললেন , তাকে ছেড়ে দাও , সে যতগুলো নামাজ আদায় করেছে তার আমলনামায় তার সওয়াব লেখা আছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস