
(۲۹۰۳) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ قَالَ : لاَ یَقْطَعُ الصَّلاَۃَ شَیْئٌ ، وَذُبُّوا عَنْ أَنْفُسِکُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2903 ) হজরত ইবনে উমর (রা.) বলেন , কোনো কিছুই সালাত ভঙ্গ করে না এবং আপনার আত্মাকে হালকা রাখুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۰۴) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : جِئْت أَنَا وَالْفَضْلُ عَلَی أَتَانٍ وَالنَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یُصَلِّی بِالنَّاسِ بِعَرَفَۃَ ، فَمَرَرْنَا عَلَی بَعْضِ الصَّفِّ فَنَزَلْنَا وَتَرَکْنَاہَا تَرْتَعُ ، فَلَمْ یَقُلْ لَنَا شَیْئًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2904) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , আমি এবং হজরত ফজল একটি গাধার পিঠে চড়ে ছিলাম , আর রাসুলুল্লাহ ( সা. ) আরাফাবাসীদের নামাযের ইমামতি করছিলেন এবং আমরা এক সারির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম গাধাকে চরাতে রেখে গেলেন , কিন্তু নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমাদেরকে কিছু বললেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۰۵) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ، عَنْ عَبْدِالْکَرِیمِ، قَالَ: سَأَلْتُ سَعِیدَ بْنَ الْمُسَیَّبِ؟ فَقَالَ: لاَ یَقْطَعُ الصَّلاَۃَ إِلاَّ الْحَدَثَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2905 ) হজরত সাঈদ বিন মুসাইব বলেন , অযু ভঙ্গ করা ছাড়া অন্য কিছুতে নামাজ ভঙ্গ হয় না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۰۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنِ الزِّبْرِقَانِ ، عَنْ کَعْبِ بْنِ عَبْدِ اللہِ ، عَنْ حُذَیْفَۃَ ، قَالَ : لاَ یَقْطَعُ الصَّلاَۃَ شَیْئٌ ، وَادْرَأ مَا اسْتَطَعْتَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2906 ) হজরত হুজাইফা বলেন , কোনো কিছুর কারণে নামায বিঘ্নিত হয় না , তবে পথচারীকে যথাসম্ভব থামিয়ে দাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۰۷) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ خَیْثَمَۃَ ، قَالَ : سَمِعْتُہُ یُحَدِّثُ عَنِ الأَسْوَدِ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، أَنَّہَا قَالَتْ : لاَ یَقْطَعُ الصَّلاَۃَ شَیْئٌ إِلاَّ الْکَلْبُ الأَسْوَدُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2907) হজরত আয়েশা (রা.) বলেন , কালো কুকুরের চলে যাওয়া ছাড়া কোনো কিছুর দ্বারা নামাজে বাধা হয় না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۰۸) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : کَانَ یَقُولُ : لاَ یَقْطَعُ الصَّلاَۃَ شَیْئٌ إِلاَّ الْکُفْرُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2908) হজরত আরওয়া বলতেন , কুফর ছাড়া কোনো কিছু দ্বারা নামায বিঘ্নিত হয় না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۰۹) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ حَنْظَلَۃَ ، عَنِ الْقَاسِمِ ، قَالَ : لاَ یَقْطَعُ الصَّلاَۃَ شَیْئٌ ، اللَّہُ أَقْرَبُ کُلِّ شَیْئٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2909 ) হজরত কাসিম বলেন , কোন কিছুই সালাত ভঙ্গ করে না , আল্লাহ তায়ালা সব কিছুর চেয়ে নিকটবর্তী ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۱۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ عُرْوَۃَ ، عَنْ عَائِشَۃَ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یُصَلِّی مِنَ اللَّیْلِ وَأَنَا مُعْتَرِضَۃٌ بَیْنَہُ وَبَیْنَ الْقِبْلَۃِ ، کَاعْتِرَاضِ الْجِنَازَۃِ۔ (مسلم ۲۶۷۔ ابن ماجہ ۹۵۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( 2910) হযরত আয়েশা ( রাঃ ) বলেন , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে সালাত আদায় করতেন এবং আমি তাঁর ও কিবলার মাঝখানে এমনভাবে শুয়ে থাকতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۱۱) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ طَاوُوسٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : اعْزِلُوا صَلاَتَکُمْ مَا اسْتَطَعْتُمْ ، وَأَشَدُّ مَا یَتَّقِی عَلَیْہَا مَرَابِضُ الْکِلاَبِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2911 ) হযরত ইবনে আব্বাস ( রাঃ ) বলেন , যারা আপনার সামনে দিয়ে যায় তাদেরকে যতটা সম্ভব থামাতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۱۲) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ زَکَرِیَّا ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : لاَ یَقْطَعُ الصَّلاَۃَ شَیْئٌ وَلَکِنِ ادْرَؤُوا عَنْہَا مَا اسْتَطَعْتُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2912) হজরত শাবি বলেন , কোনো কিছুর কারণে নামায বিঘ্নিত হয় না , তবে পথচারীদেরকে যতদূর সম্ভব থামিয়ে দাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۱۳) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنْ حُمَیْدِ بْنِ ہِلاَلٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ الصَّامِتِ ، عَنْ أَبِی ذَرٍّ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إذَا لَمْ یَکُنْ بَیْنَ یَدَیْہِ مِثْلَ آخِرَۃِ الرَّحْلِ ، فَإِنَّہُ یَقْطَعُ صَلاَتَہُ : الْمَرْأَۃُ وَالْحِمَارُ وَالْکَلْبُ الأَسْوَدُ ، قَالَ : قُلْتُ : یَا أَبَا ذَرٍّ ، فمَا بَالُ الْکَلْبِ الأَسْوَدِ مِنَ الْکَلْبِ الأَحْمَرِ مِنَ الْکَلْبِ الأَصْفَرِ ؟ فَقَالَ : یَا ابْنَ أَخِی ، إنِّی سَأَلْت رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَمَا سَأَلْتنِی ، فَقَالَ : الْکَلْبُ الأَسْوَدُ شَیْطَانٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৯১৩) হজরত আবু যার গাফফারী ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , যখন কোনো ব্যক্তির সামনে এক টুকরো কাঠের সমপরিমাণ কিছু রাখা হয় , যদি না হয় । প্রার্থনা একজন মহিলা, একটি গাধা এবং একটি কালো কুকুরের উত্তরণ দ্বারা বিঘ্নিত হবে । বর্ণনাকারী হজরত আবদুল্লাহ ইবনে সামিত বলেন , আমি বললাম , হে আবু যার ! কালো কুকুর, লাল কুকুর এবং হলুদ কুকুরের মধ্যে পার্থক্য কী ? তিনি বললেন , হে আমার ভাই ! আমি রাসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন , কালো কুকুর শয়তান ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۱۴) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ ابْنِ أَبِی نَجِیحٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : الْکَلْبُ الأَسْوَدُ الْبَہِیمُ شَیْطَانٌ ، وَہُوَ یَقْطَعُ الصَّلاَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2914) হযরত মুজাহিদ বলেন , কালো কুকুর শয়তান , সে নামাজ ভঙ্গ করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۱۵) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنْ مُعَاذٍ ؛ مِثْلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2915) হযরত মুয়াজ থেকেও এটা হস্তান্তরযোগ্য নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۱۶) حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ ، وَغُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ أَبِی بَکْرٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ أَنَسًا یَقُولُ : یَقْطَعُ الصَّلاَۃَ الْمَرْأَۃُ وَالْحِمَارُ وَالْکَلْبُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2916) হযরত আনাস (রাঃ) বলেন , মহিলা, গাধা ও কুকুরের পথ চলায় নামায বিঘ্নিত হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۱۷) حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ ، وَغُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ زِیَادِ بْنِ فَیَّاضٍ ، عَنْ أَبِی الأَحْوَصِ ؛ مِثْلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2917) হযরত আবু আল হুস থেকেও এটা হস্তান্তরযোগ্য নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۱۸) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ بُرْدٍ ، عَنْ مَکْحُولٍ ، قَالَ : یَقْطَعُ صَلاَۃَ الرَّجُلِ الْمَرْأَۃُ وَالْحِمَارُ وَالْکَلْبُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2918) হজরত মাখুল বলেন, একজন নারী , একটি গাধা এবং একটি কুকুর যাওয়ার কারণে একজন পুরুষের সালাত বিঘ্নিত হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۱۹) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ سَلْمٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، قَالَ : قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ : یَقْطَعُ الصَّلاَۃَ الْکَلْبُ الأَسْوَدُ، وَالْمَرْأَۃُ الْحَائِضُ۔ (نسائی ۸۲۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(2919) হজরত ইবনে আব্বাস বলেন , কালো কুকুর এবং ঋতুস্রাব দ্বারা নামায বিঘ্নিত হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۲۰) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ سَلْمٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : یَقْطَعُ الصَّلاَۃَ الْکَلْبُ ، وَالْمَرْأَۃُ ، وَالْحِمَارُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2920) হজরত হাসান বলেন, একটি কুকুর, একটি মহিলা এবং একটি গাধা চলে যাওয়ার কারণে সালাত বিঘ্নিত হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۲۱) حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ یَحْیَی ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، قَالَ : یَقْطَعُ الصَّلاَۃَ الْکَلْبُ ، وَالْمَرْأَۃُ ، وَالْخِنْزِیرُ ، وَالْحِمَارُ ، وَالْیَہُودِیُّ ، وَالنَّصْرَانِیُّ ، وَالْمَجُوسِیُّ۔ (ابوداؤد ۷۰۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(2921) হজরত ইকরামা বলেন , কুকুর, নারী , শূকর , গাধা , ইহুদি , খ্রিস্টান ও জাদুকরের পাশ কাটিয়ে নামায বিঘ্নিত হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۲۲) حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ ، عَنْ زَمْعَۃَ ، عَنِ ابْنِ طَاوُوس ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : یَقْطَعُ الصَّلاَۃَ الْکَلْبُ ، قِیلَ لَہُ : فَالْمَرْأَۃُ؟ قَالَ : لاَ ، إنَّمَا ہُنَّ شَقَائِقُکُمْ ، أَخَوَاتُکُمْ وَأُمَّہَاتُکُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2922 ) হযরত তাওস একবার বলেছিলেন যে একটি কুকুর চলে যাওয়ার কারণে নামাজ বিঘ্নিত হয় । কেউ একজন মহিলার পাশ দিয়ে ভেঙ্গে যায় কি না জিজ্ঞাসা . বলবেন না , তারা আপনার লিঙ্গের অংশ , তারা আপনার বোন এবং মা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۲۳) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ بَکْرٍ ؛ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ أَعَادَ رَکْعَۃً مِنْ جِرْوٍ مَرَّ بَیْنَ یَدَیْہِ فِی الصَّلاَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2923) হজরত বকর বলেন, একবার নামাযের সময় একটি কুকুরের থাবা হজরত ইবনে উমর ( রা.)-এর সামনে দিয়ে চলে যাওয়ায় তিনি আবার এই রাকাত পড়লেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۲۴) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ الْغَازِ ، قَالَ : سَمِعْتُ عَطَائً یَقُولُ : لاَ یَقْطَعُ الصَّلاَۃَ إِلاَّ الْکَلْبُ الأَسْوَدُ ، وَالْمَرْأَۃُ الْحَائِضُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2924) হজরত আতা বলেন, কালো কুকুর এবং ঋতুমতী মহিলা ছাড়া অন্য কিছুর পথ চলায় নামায বিঘ্নিত হয় না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۲۵) مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَسْوَدِ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : کَانَ ابْنُ مَسْعُودٍ إذَا مَرَّ أَحَدٌ بَیْنَ یَدَیْہِ وَہُوَ یُصَلِّی الْتَزَمَہُ حَتَّی یَرُدَّہُ ، وَیَقُولُ : إِنَّہُ لَیَقْطَعُ نِصْفَ صَلاَۃِ الْمَرْئِ مُرُورُ الْمَرْئِ بَیْنَ یَدَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৯২৫) হজরত আসওয়াদ বলেন, সালাতের সময় কেউ হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) এর সামনে দিয়ে যেতে শুরু করলে তিনি তাকে থামানোর সর্বাত্মক চেষ্টা করতেন এবং বলতেন, নামাযের সময় কেউ যদি তার সামনে দিয়ে যায় তবে তার দায়িত্ব । সেই ব্যক্তির নামাজ নষ্ট হয়ে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۲۶) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِِ ، وَابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِی ہِنْدٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : إِنْ مَرَّ بَیْنَ یَدَیْک فَلاَ تَرُدَّہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2926) হজরত শাবি বলেন , কেউ তোমার সামনে দিয়ে যেতে শুরু করলে তাকে বাধা দিও না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۲۷) حَدَّثَنَا وَکِیعُ بْنُ الْجَرَّاحِ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ سَالِمٍ أَبِی النَّضْرِ ، عَنْ بُسْر بْنِ سَعِیدٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ أَبِی جُہَیمٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لَوْ یَعْلَمُ أَحَدُکُمْ مَا لَہُ فِی الْمَمَرِّ بَیْنَ یَدَیْ أَخِیہِ وَہُوَ یُصَلِّی ۔ یعنی : مِنَ الإِثْمِ ، لَوَقَفَ أَرْبَعِینَ۔ (بخاری ۵۱۰۔ ابوداؤد ۷۰۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(2927) হজরত আবদুল্লাহ আবি জাহাইম ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , নামাযের সামনে দিয়ে যাওয়া ব্যক্তি যদি জানে যে সে এ কাজটি করছে তা কত বড় গুনাহ ? তারা কয়েক দিন দাঁড়িয়ে ছিল) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۲۸) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ یَزِیدَ بْنِ جَابِرٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ عَبْدَ الْحَمِیدِ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَامِلَ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِیزِ ، وَمَرَّ رَجُلٌ بَیْنَ یَدَیْہِ وَہُوَ یُصَلِّی ، فَجَبَذَہُ حَتَّی کَادَ یَخْرِقَ ثِیَابَہُ ، فَلَمَّا انْصَرَفَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لَوْ یَعْلَمُ الْمَارُّ بَیْنَ یَدَیِ الْمُصَلِّی ، لَأَحَبَّ أَنْ یَنْکَسِرَ فَخْذُہُ ، وَلاَ یَمُرُّ بَیْنَ یَدَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2928 ) হজরত আবদুল রহমান ইবনে ইয়াজিদ বলেন , একবার এক ব্যক্তি নামাজের সময় হজরত উমর ইবনে আবদুল আজিজের গভর্নর আবদুল হামিদ ইবনে আবদুল রহমানের সামনে দিয়ে গেলে তারা তাকে এমন জোরে টেনে ধরল যে তার কাপড় প্রায় ফেটে গেল । যখন তিনি নামায শেষ করলেন, তখন তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , নামাযের সামনে দিয়ে যাওয়া ব্যক্তি যদি জানে যে সে কত গুনাহ করেছে , তাহলে সে এড়িয়ে যাবে না । আপনি যদি আপনার উরু ভাঙ্গা পছন্দ করেন তবে নামাযের জন্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۲۹) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ کَہْمَسٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ بُرَیْدَۃَ ، قَالَ : رَأَی أَبِی نَاسًا یَمُرُّ بَعْضُہُمْ بَیْنَ یَدَیْ بَعْضٍ فِی الصَّلاَۃِ ، فَقَالَ : تَرَی أَبْنَائَ ہَؤُلاَئِ إذَا أَدْرَکُوا یَقُولُونَ : إنَّا وَجَدْنَا آبَائَنَا کَذَلِکَ یَفْعَلُونَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2929 ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে বুরিদাহ বলেন , আমার আব্বা কিছু লোককে নামাজে একে অপরের সামনে দিয়ে যেতে দেখে বললেন , এই শিশুরা যখন বড় হবে তখন বলবে , আমরা আমাদের বড়দেরও একই কাজ করতে দিতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۳۰) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، حَدَّثَنَا عَاصِمٌ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : کَانَ أَبُو سَعِیدٍ الْخُدْرِیُّ قَائِمًا یُصَلِّی ، فَجَائَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْحَارِثِ بْنِ ہِشَامٍ یَمُرُّ بَیْنَ یَدَیْہِ فَدفَعَہُ وَأَبَی إِلاَّ أَنْ یَمْضِیَ ، فَدَفَعَہُ أَبُو سَعِیدٍ فَطَرَحَہُ ، فَقِیلَ لَہُ: تَصْنَعُ ہَذَا بِعَبْدِ الرَّحْمَنِ ؟ فَقَالَ : وَاللَّہِ لَوْ أَبَی إِلاَّ أَنْ آخُذَہُ بِشَعْرِہِ ،لأَخَذْتُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2930) হজরত ইবনে সিরীন বলেন , হজরত আবু সাঈদ আল - খুদরি সালাত আদায় করছিলেন , যখন হজরত আবদুল রহমান ইবনে হারিস ইবনে হিশাম তার সামনে দিয়ে যেতে লাগলেন, তখন হজরত আবু সাঈদ তাকে বললেন , কিন্তু তারা যাওয়ার জন্য পীড়াপীড়ি করলে , হজরত আবু সাঈদ তাদের ধাক্কা দেন কঠিন হজরত আবু সাঈদ (রা.) - কে বলা হলো , তুমি আবদুল রহমানের সঙ্গে এরূপ করছ । তিনি বললেন , আল্লাহর কসম ! আমি যদি তাদের চুল ধরে তাদের থামাতে হত তবে আমি তাদের থামিয়ে দিতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۳۱) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِِ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلاَنَ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ أَسْلَمَ ، عْن عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی سَعِیدٍ الْخُدْرِیِّ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ الْخُدْرِیِّ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إِنْ جَائَ أَحَدٌ یَمُرُّ بَیْنَ یَدَیْہِ فَلْیُقَاتِلْہُ ، فَإِنَّمَا ہُوَ شَیْطَانٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৯৩১) হজরত আবু সাঈদ আল - খুদরি ( রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সা . ) বলেছেন , যদি কোনো ব্যক্তি সালাতের সামনে দিয়ে যায় , তাহলে তার সঙ্গে ঝগড়া কর , কি ভিনকা এই শয়তান .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۹۳۲) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عُمَارَۃَ بْنِ عُمَیْرٍ ، عَنِ الأَسْوَدِ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : مَنِ اسْتَطَاعَ مِنْکُمْ أَنْ لاَ یَمُرَّ بَیْنَ یَدَیْہِ وَہُوَ یُصَلِّی فَلْیَفْعَلْ ، فَإِنَّ الْمَارَّ بَیْنَ یَدَیِ الْمُصَلِّی أَنْقَصُ مِنَ الْمُمَرِّ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2932) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , আমার পক্ষ থেকে যার এখতিয়ার আছে যে, নামাযের সময় কাউকে তার সামনে দিয়ে যেতে দেবে না, সে অবশ্যই তা করবে , কেননা যে এই সালাত অতিক্রম করবে সে নিজেরই বেশি বেশি ক্ষতি করছে। .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৯৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস