
(۲۸۱۳) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، قَالَ : رَأَیْتُ نَافِعًا وَطَاوُوسا یَرْفَعَانِ أَیْدِیَہُمَا بَیْنَ السَّجْدَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৮১৩) হজরত আইয়ুব বলেন , আমি হজরত নাফি ও হজরত তাওয়াস (রা.) - কে দেখেছি যে , তারা উভয়েই সিজদার সময় এই রিফা - দ্বীন করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۱۴) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، وَابْنِ سِیرِینَ ؛ أَنَّہُمَا کَانَا یَرْفَعَانِ أَیْدِیَہُمَا بَیْنَ السَّجْدَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2814) হজরত আশআত বলেন , হজরত হাসান ও হজরত ইবনে সীরীন উভয়েই সিজদার সময় এই রিফাগুলো করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۱۵) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، قَالَ : رَأَیْتُہُ یَفْعَلُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৮১৫ ) হজরত ইবনে আলী বলেন , আমি হযরত আইয়ুব (রা.) -কে এ কাজ করতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۱۶) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِی فَزَارَۃَ ، قَالَ : قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ : یَسْجُدُ الْمَرِیضُ عَلَی الْمِرْفَقَۃِ وَالثَّوْبِ الطَّیِّبِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2816) হজরত ইবনে আব্বাস বলেন, রোগী একটি বালিশ এবং একটি পরিষ্কার কাপড়ে সিজদা করতে পারে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۱۷) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : حدَّثَتْنِی أُمُّ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہَا رَأَتْ أُمَّ سَلَمَۃَ رَمِدَتْ عَیْنُہَا ، فَثَنَیْتُ لَہَا وِسَادَۃً مِنْ أَدَمٍ ، فَجَعَلَتْ تَسْجُدُ عَلَیْہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2817 ) হজরত উম্মে হাসান বলেন , তিনি হজরত উম্মে সালমা ( রা . ) - কে বলেছিলেন যে চোখের সমস্যার কারণে তার জন্য একটি চামড়ার বালিশ রাখা হয়েছে । কিন্তু তিনি সিজদা করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۱۸) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، عَنْ أُمِّ سَلَمَۃَ ، مِثْلَہُ۔
( 2818 )
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۱۹) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، عَنْ أُمِّہِ ، عَنْ أُمِّ سَلَمَۃَ ، مِثْلَہُ ، إِلاَّ أَنَّہُ قَالَ : اشْتَکَتْ عَیْنَہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2819) একই হাদীসটি আইক ও সনদ থেকে ভিন্ন ভিন্ন শব্দে বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۲۰) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، عَنْ أَنَسٍ ؛ أَنَّہُ سَجَدَ عَلَی مِرْفَقَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2820 ) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , হজরত আনাস তাখীর ওপর সিজদা করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۲۱) حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ أَبِی خَلْدَۃَ ، قَالَ : کَانَ أَبُو الْعَالِیَۃِ مَرِیضًا ، وَکَانَتِ الْمِرْفَقَۃُ تُثْنَی لَہُ فَیَسْجُدُ عَلَیْہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2821) হজরত আবু খালদাহ বলেন , আবু আল আলিয়া অসুস্থ ছিলেন , তার জন্য তাকে গোলাকার রাখা হয়েছিল এবং তিনি তাকে সিজদা করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۲۲) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بَأْسًا أَنْ یَسْجُدَ الرَّجُلُ عَلَی الْمِرْفَقَۃِ وَالْوِسَادَۃِ فِی السَّفِینَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2822) হজরত কাতাদা বলেন , হজরত হাসান মনে করতেন না যে , কোনো ব্যক্তি নৌকায় বসেও তাকে সেজদা করার মধ্যে কোনো দোষ আছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۲۳) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ عَمْرٍو ، عَنْ عَطَائٍ ؛ عَادَ ابْنُ عُمَرَ صَفْوَانَ ، فَوَجَدَہُ یَسْجُدُ عَلَی وِسَادَۃٍ فَنَہَاہُ ، وَقَالَ : أَوْمِیئْ إیمَائً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৮২৩) হজরত আতা বলেন , হজরত ইবনে উমর ( রা. ) হজরত সাফওয়ানকে দেখতে গেলেন , তিনি একটি বালিশে সিজদা করছেন , হজরত ইবনে উমর ( রা . ) তাকে তা করতে বললেন এবং শুধু ইঙ্গিত করতে বললেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۲۴) حَدَّثَنَا الثَّقَفِیُّ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : السُّجُودُ عَلَی الْوِسَادَۃِ مُحْدَثٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2824 ) হজরত মুহাম্মদ বলেন , বালিশে সিজদা করা বিদআত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۲۵) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِی ہِنْدٍ ، عَنْ أَبِی حَرْبِ بْنِ أَبِی الأَسْوَدِ ، قَالَ : اشْتَکَی أَبُو الأَسْوَدِ الْفَالِجَ ، فَکَانَ لاَ یَسْجُدُ إِلاَّ مَا رَفَعْنَاہُ لَہُ ، مِرْفَقَۃً یَسْجُدُ عَلَیْہَا ، فَسَأَلْنَا عَنْ ذَلِکَ ، وَأَرْسَلَ إلَی ابْنِ عُمَرَ ، فَقَالَ: إنِ اسْتَطَاعَ أَنْ یَسْجُدَ عَلَی الأَرْضِ ، وَإِلاَّ فَیُومِیئُ إیمَائً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2825) হজরত আবু হারব ইবনে আবি আল - আসওয়াদ বলেন , আবু আল - আসওয়াদের স্ট্রোক হয়েছিল , তিনি একটি বালিশের উপর সিজদা করতেন যা আমরা তার দিকে তুলে ধরতাম । আমরা হজরত ইবনে উমর (রা.)-কে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন , যদি কারো মাটিতে সিজদা করার ক্ষমতা থাকে তবে সে তা করবে , অন্যথায় সে ইশারা করেই করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۲۶) حَدَّثَنَا ابْنُ مُبَارَکٍ ، عَنْ حُمَیْدٍ ، عَنْ أَنَسٍ ؛ کَانَ یُصَلِّی عَلَی فِرَاشِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2826) হজরত হামেদ বলেন , হযরত আনাস বিছানায় নামায পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۲۷) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ طَاوُوسٍ ؛ أَنَّہُ کَانَ یُصَلِّی عَلَی الْفِرَاشِ الَّذِی مَرِضَ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2827) হযরত লাইছ বলেন যে, হজরত তাওয়াস যখন অসুস্থ থাকতেন তখন তাঁর বিছানায় সালাত আদায় করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۲۸) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُبَیْدِاللہِ، عَنْ إبْرَاہِیمَ، قَالَ: رَأَیْتُ الأَسْوَدَ یُومِیئُ فِی مَرَضِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2828 ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , আমি ইশারায় নামায পড়তে গিয়ে হজরত আসওয়াদকে অসুস্থ করেছিলাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۲۹) حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إسْمَاعِیلَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَرْمَلَۃَ ؛ أَنَّہُ رَأَی سَعِیدَ بْنَ الْمُسَیَّبِ إذَا کَانَ مَرِیضًا لاَ یَسْتَطِیعُ الْجُلُوسَ أَوْمَأَ إیمَائً ، وَلَمْ یَرْفَعْ إلَی رَأْسِہِ شَیْئًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2829) হজরত আবদ আল - রহমান বিন হারমালা বলেন , আমি হজরত সাঈদ বিন মুসাইব ( রা . ) - কে দেখেছি , যখন তিনি অসুস্থ থাকতেন এবং বসার মতো শক্তি না থাকলে তিনি ইশারা করতেন এবং মাথা নাড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۳۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ (ح) وَعَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّہُمَا قَالاَ : یُصَلِّی الْمَرِیضُ عَلَی الْحَالَۃِ الَّتِی ہُوَ عَلَیْہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2830) হজরত ইয়াভিনাস ও হজরত হাসান বলেন , রোগী তার অবস্থা অনুযায়ী নামাজ পড়বে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۳۱) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ أبی إسحاق عن تَمِیمَۃَ مَوْلاَۃِ وَادعَۃَ ، قَالَتْ : دَخَلَ شُرَیْحٌ عَلَی أَبِی مَیْسَرَۃَ یَعُودُہُ ، فَقَالَ لَہُ : کَیْفَ تُصَلِّی ؟ قَالَ : قَاعِدًا ، قَالَ : فَقَالَ لَہُ شُرَیْحٌ : أَنْتَ أَعْلَمُ مِنَّا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 2831) হজরত তামিমাহ বলেন যে , হজরত শরী‘আহ হযরত আবু মাইসারার কাছে ` ইদাহ করার জন্য এসেছিলেন এবং তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন , আপনি কার সাথে সালাত আদায় করেন ? বললেন বসো । হযরত শারিয়াহ তাকে বললেন , তুমি আমার চেয়ে বেশি জানো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۳۲) حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَہَّابِ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِیرِینَ ، أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ : الْمَرِیضُ إذَا لَمْ یَسْتَطِعِ السُّجُودَ أَوْمَأَ إیمَائً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৮৩২) হজরত মুহাম্মদ বিন সীরীন বলতেন , অসুস্থ ব্যক্তির যখন সিজদা করার শক্তি থাকে না , তখন ইশারা করে নামাজ পড়তে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۳۳) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ عَامِرًا عَنْ صَلاَۃِ الْمَرِیضِ ؟ فَقَالَ : إذَا لَمْ یَسْتَطِعْ أَنْ یَضَعَ جَبْہَتَہُ عَلَی الأَرْضِ فَلْیُومِیئْ إیمَائً ، وَلْیَجْعَلِ السُّجُودَ أَخْفَضَ مِنَ الرُّکُوعِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৮৩৩ ) হজরত হুসাইন বলেন , আমি হজরত আমীরকে অসুস্থ ব্যক্তির নামাজ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন , যখন তিনি মাটিতে ছিলেন , যদি দাঁড়ানোর শক্তি না থাকে , তাহলে ইশারায় নামায পড় এবং আরো বেশি সেজদা কর । মাথা নত করার চেয়ে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۳۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ جَبَلَۃَ بْنِ سُحَیْمٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ عَنْ صَلاَۃِ الْمَرِیضِ عَلَی الْعُودِ؟ فَقَالَ: لاَ آمُرُکُمْ أَنْ تَتَّخِذُوا مِنْ دُونِ اللہِ أَوْثَانًا ، إنِ اسْتَطَعْت أَنْ تُصَلِّیَ قَائِمًا ، وَإِلاَّ فَقَاعِدًا ، وَإِلاَّ فَمُضْطَجِعًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৮৩৪ ) হজরত জাবলা ইবনে সুহাইম বলেন , আমি হজরত ইবনে উমর (রা.) - কে জিজ্ঞেস করলাম , অসুস্থ ব্যক্তি লাঠিতে ভর করে নামাজ পড়তে পারে কি না ? তাই তিনি বললেন, আমি তোমাকে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কিছুর ইবাদত করার অনুমতি দিতে পারি না , যদি তোমার দাঁড়িয়ে নামায পড়ার শক্তি না থাকে । তাই বসে সালাত আদায় কর , আর যদি বসে সালাত আদায় করার শক্তি না থাকে তবে শুয়ে সালাত আদায় কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۳۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی الْہَیْثُمِ ، قَالَ : دَخَلْنَا عَلَی إبْرَاہِیمَ وَہُوَ مَرِیضٌ ، وَہُوَ یُصَلِّی عَلَی شِقِّہِ الأَیْمَنِ یُومِیئُ إیمَائً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৮৩৫ ) হজরত আবুল আল - হাইথাম বলেন , আমরা মৃত অবস্থায় হজরত ইবরাহীম (আ.) - এর কাছে এলাম , তিনি ডানপাশে শুয়ে ছিলেন এবং ইশারায় তারা নামাজ পড়ছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۳۶) حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الطَّیَالِسِیُّ عَنْ أَبِی خَلْدَۃَ قَالَ : رَأَیْتُ أَبَا الْعَالِیَۃَ وَہُوَ مَرِیضٌ یُومِیئُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৮৩৬) হজরত আবু খালদাহ বলেন , আমি হজরত আবুল আলিয়াকে অসুস্থ অবস্থায় নামাজ পড়তে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۳۷) حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الطَّیَالِسِیُّ ، عَنْ زَمْعَۃَ ، عَنِ ابْنِ طَاوُوس ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : یُصَلِّی قَاعِدًا ، فَإِنْ لَمْ یَسْتَطِعْ فَلْیُومِیء ، وَلاَ یَمَسُّ عُودًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2837) হজরত তাওয়াস বলেন , রোগীকে বসেই সালাত আদায় করতে হবে , বসার শক্তি না থাকলে ইশারায় সালাত আদায় করতে হবে এবং লাঠির সাহায্যে নামায পড়া উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۳۸) حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ ، عَنْ رَبَاحِ بْنِ أَبِی مَعْرُوفٍ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ فِی الْمَرِیضِ إذَا لَمْ یَسْتَطِعْ أَنْ یُصَلِّیَ ، قَالَ : یُومِیئُ إیمَائً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৮৩৮) হযরত আতা বলেন , রোগীর নামায পড়ার শক্তি না থাকলে ইশারা করে নামায আদায় করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۳۹) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ آدَمَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَۃَ ، عَنِ الْمُغِیرَۃِ ، عَنِ الْحَارِثِ ، قَالَ: یُصَلِّی الْمَرِیضُ إذَا لَمْ یَقْدِرْ عَلَی الْجُلُوسِ مُسْتَلْقِیًا، وَیَجْعَلُ رِجْلَیْہِ مِمَّا یَلِی الْقِبْلَۃَ، وَیَسْتَقْبِلُ بِوَجْہِہِ الْقِبْلَۃَ، یُومِیئُ إیمَائً بِرَأْسِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৮৩৯) হজরত হারিছ বলেন , রোগী যদি বসে নামায আদায় করতে না পারে তাহলে শুয়ে শুয়ে নামায পড়বে এবং কিবলার দিকে মুখ রেখে ইশারায় নামায পড়বে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۴۰) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنِ الْمُخْتَارِ بْنِ فُلْفُلٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ أَنَسًا عَنْ صَلاَۃِ الْمَرِیضِ ، کَیْفَ یُصَلِّی ؟ قَالَ : یُصَلِّی جَالِسًا ، وَیَسْجُدُ عَلَی الأَرْضِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(২৮৪০) হজরত মুখতার ইবনে ফুলফাল বলেন , আমি হজরত আনাস (রা. ) থেকে অসুস্থ ব্যক্তির নামাজের পদ্ধতি জানতে পেরেছি , তাই তিনি বললেন , বসে বসে নামাজ পড়তে হবে এবং মাটিতে সিজদা করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۴۱) حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ خَالِدٍ ، عَنْ عَبْدِ الْوَاحِدِ مَوْلَی عُرْوَۃَ ، عَنْ عُرْوَۃَ ، قَالَ : الْمَرِیضُ یُومِیئُ ، وَلاَ یَرْفَعُ إلَی وَجْہِہِ شَیْئًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(2841 ) হজরত উরওয়া বলেন , রোগী ইশারায় নামাজ পড়বে এবং মাথার দিকে কিছু তুলবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۲۸۴۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَبِی خُشَیْنَۃَ حَاجِبِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : دَخَلْت مَعَ الْحَکَمِ بْنِ الأَعْرَجِ عَلَی بَکْرٍ الْمُزَنِیّ وَہُوَ مَرِیضٌ ، فَقَالَ : أَصَلَّیْتُمُ الْعَصْرَ ؟ قَالُوا : نَعَمْ ، فَقَامَ فَصَلَّی صَلاَۃً فَأَخَفَّہَا لِمَرَضِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ২৮৪২ ) হজরত আবু খুশী বলেননি যে , আমি হজরত হুকম বিন আরজের সঙ্গে বকর মুজনিককে হত্যা করার জন্য তাঁর কাছে গিয়েছিলাম , তিনি আমাদের জিজ্ঞেস করলেন , তোমরা আসরের সালাত কি পড় ? আমরা হ্যাঁ বলেছিলাম , তখন তিনি উঠে দাঁড়ালেন এবং সেই প্রার্থনা করলেন যা তাঁর অসুস্থতার জন্য অত্যন্ত প্রশান্তিদায়ক ছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ২৮৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস